Author: banglarmukh official

  • প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ তুলে দেয়া হবে

    প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ তুলে দেয়া হবে

    শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পর্যায়ক্রমে বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) তুলে দেওয়া হবে।

    সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এমসিকিউ প্রশ্ন পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়া হবে। তাহলে প্রশ্নফাঁসের সুযোগ থাকবে না। এসময় একটি চক্র প্রশ্নফাঁস করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইতিমধ্যে তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এসময় সংসদে জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। চরম ব্যর্থতা বলব না। মনে হয় সাহসী সৎ নিষ্ঠাবান লোক সেখানে নেই। তিনি বলেন, শিক্ষা বোর্ড দুর্নীতির আখড়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সৎ নিষ্ঠাবান লোক খুঁজে বের করে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। কোচিং ব্যবস্থাও দায়ী। এটা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

    এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে বিভিন্ন কৌশল নেয়ার পরও এই পর্যন্ত সব বিষয়েরই এমসিকিউ প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগেই ফেসবুকসহ ইন্টারনেটে ফাঁস হয়েছে। এর আগে শিক্ষা সচিবও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ তুলে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কড়া হুশিয়ারি এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস করার যারা হোতা, যারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সে ধরনের যারা অপরাধীদের ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাতেও রোধ করা যায়নি প্রশ্নফাঁস।

  • বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু গ্রেফতার

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু গ্রেফতার

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে গ্রেফতার করেছে রমনা থানা পুলিশ। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার ও বংশাল থানা বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজিব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডিসি মারুফ হোসেন সরদার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের দিন নাশকতার ঘটনায় রমনা থানার একটি মামলায় শামসুজ্জামান দুদুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে আছেন।

  • ইন্টারপোলের রেড নোটিশে গ্রেফতার হচ্ছেন তারেক রহমান

    ইন্টারপোলের রেড নোটিশে গ্রেফতার হচ্ছেন তারেক রহমান

    খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুর্নীতির একই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানকে দেয়া হয়েছে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। অন্যদিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়ও তিনি আসামি। ওই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার আরও বড় সাজা হবে।

    এ প্রসঙ্গে বিএনপির এক সিনিয়ার নেতা বলেন, সার্বিক দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় মামলায় জর্জরিত তারেক রহমানের পক্ষে দেশে আসা অসম্ভব। কারণ, এলেই তিনি গ্রেফতার হবেন। তিনি গ্রেফতার হলেও আমরা তাকে ছাড়িয়ে আনার জন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে পারব না, তা খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার ঘটনায় প্রমাণিত।
    বর্তমানে তারেক রহমান ফেরারি আসামি। ফলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ইন্টারপোল। পুলিশ সদর দফতরের ন্যাশনাল কাউন্সিলিং ব্যুরো (এনসিবি) সূত্রে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামিকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা হচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে এনসিবি’র সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহীউল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা আইন মন্ত্রণালয়ে বিচার বিশ্লেষণ করে পলাতক আসামিদের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে। ওই সিদ্ধান্ত পুলিশ সদর দফতরের এনসিবিতে পাঠানোর পর, আমরা সেটি ফ্রান্সে ইন্টারপোলের সদর দফতরে পাঠিয়ে দেবো। রেড নোটিশ জারির চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইন্টারপোলের সদর দফতর থেকেই দেয়া হবে।

    অপরদিকে, লন্ডনে বাংলাদেশ হাই-কমিশনে হামলায় মদদের অভিযোগে গ্রেফতার হতে পারেন খালেদার ছেলে তারেক রহমান। খালেদা গ্রেফতারের আগের দিন বুধবার তারেকের নেতৃত্বে একদল বিক্ষোভকারী লন্ডনে বাংলাদেশ হাই-কমিশনে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়ে হামলা চালান। কিছু আসবাবপত্র ভাঙ্গার পাশাপাশি শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেয়াল থেকে নামিয়ে মাটিতে ফেলে মাড়ায় বিক্ষোভকারীরা। দীর্ঘক্ষণ এই অরাজকতা চলার পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভ ভেঙে দেয়। বিএনপি’র এক নেতা নাসির আহমেদ শাহিনকে গ্রেফতার করে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড।

    তিনিই পুলিশকে জানান, তারেকের নির্দেশেই তারা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ঘটনার পরে বাংলাদেশ হাই-কমিশন তারেক রহমানকে প্রধান আসামি করে ৫০ জনের বিরুদ্ধে লন্ডন পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করে।

    বাংলাদেশের কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, বিদেশি দূতাবাসে হামলার বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রধান আসামি তারেক রহমানকে গ্রেফতারের কথা বিবেচনা করছে পুলিশ।
    ফলে এক দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ইন্টারপোলের রেড নোটিশে গ্রেফতার এবং অন্যদিকে লন্ডনে অরজকতার মামলায় গ্রেফতারের সম্ভাবনা সৃষ্টি। সর্বোপরি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় দণ্ডিত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে তারেকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারেরই যবনিকাপাত হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।

  • মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার- শিল্পমন্ত্রী

    মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার- শিল্পমন্ত্রী

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করছে জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সব গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।’

    সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, ‘তুলনামূলক অপরাধ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, অপহরণ ও চুরি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলার যথেষ্ট উন্নতি সাধন হয়েছে।’
    শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশেষভাবে মাদকের ব্যাপারে কনসার্ন। মাদক পাচার, মাদক ব্যবসায়ী, গডফাদার-সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেয়া তালিকার ভিত্তিতে মোট ৮৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ১৮৮ জন জেল হাজতে আছে। তারপরেও এটার ব্যাপারে আরও তৎপর হওয়ার প্রয়োজন। সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আগামীতে তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’

    গত ডিসেম্বর মাসে মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী মিলে মোট ১০ হাজার ১২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে আমু বলেন, ‘সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। সব গোয়েন্দা সংস্থা থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের লিস্ট তৈরি করা হচ্ছে। সব গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।’

    ‘আমরা মাদকের বিষয়ে জোর দিচ্ছি। জঙ্গি ব্যাপারটা মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে আছে। মাদকটা যাতে আর বিস্তার লাভ করতে না পারে সেটা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছি।’
    কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা কতগুলো কর্মপন্থা নিচ্ছি। জনগণকে সম্পৃক্ত করা, সব স্কুল কলেজের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করতে চাই। তারা যাতে ক্লাসে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। মসজিদে খুৎবার আগে বয়ানে যাতে ইমাম সাহেবরা মাদকের ক্ষতির জিনিসটা তুলে ধরেন। যাতে একটা সামাজিক বিপ্লব হয়। এগুলো যাতে কার্যকর হয় সেজন্য মনিটরিংও করা হবে।’

    ২০১৬ সালের জুলাই থেকে এ পর্যন্ত জঙ্গিবিরোধী মোট ৩২টি বড় অভিযান পরিচালিত হয়েছে জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘অভিযানে ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। শীর্ষ জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছেন ৬৪ জন, ভিকটিম উদ্ধার হয়েছেন ১০৩ জন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন ৮ জন। নিহতদের মধ্যে পুলিশ ৬ জন, র‌্যাব একজন ফায়ার সার্ভিসের একজন রয়েছেন।’

    তিনি বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত জঙ্গি অভিযানে নিহত, হত্যা চেষ্টা, বোমা হামলা ইত্যাদি নিয়ে মোট ৮০টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে চারটি মামলার বিচার শেষ হয়েছে। চার্জশিট হয়েছে ২৮টি মামলার। প্রায় সব মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।’

    গত ডিসেম্বরে দেশে ১৬ হাজার ৫৪২টি মামলা হয়েছে জানিয়ে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘এরমধ্যে উদ্ধারজনিত যেমন- অস্ত্র উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, বিস্ফোরক উদ্ধার মামলা ৮ হাজার ৭৭৫টি। যা মোট মামলার ৫৩ শতাংশ।’

    আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে বৈঠকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নাগরিকত্ব পাচ্ছেন বরিশালের লুসি হল্ট- আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত

    নাগরিকত্ব পাচ্ছেন বরিশালের লুসি হল্ট- আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত

    বিট্রিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ সোমবার আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশ নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্তের কারনে খুব দ্রুতই বাংলাদেশের নাগরিকত্বের কাগজপত্র হাতে পেতে যাচ্ছেন তিনি।

    এরআগে গত ৮ ফ্রেব্রুয়ারি বরিশালের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি মুক্ত পাসপোর্ট নিলেন বিট্রিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট। এসময় তাকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের চারদিনের মাথায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রনালয়ের সভায় লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ৫৭ বছর আগে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানুষের প্রতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন জীবনের মায়াত্যাগ করে।

    দেশ স্বাধীনের পরও তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তিনি ভালোবেসেছেন এখানকার মানুষকে। তাইতো মৃত্যুর পরও যেন তাকে বরিশালের মাটিতে সমাধিস্থ করা হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লুসি। প্রতিবছর ভিসা নবায়ন ফি দিতে সমস্যা হওয়ার ফলে ভিসা নবায়ন ফি মওকুফ সহ বাংলাদেশী নাগরিকত্বের জন্য দাবী জানিয়েছিলেন তিনি।

    ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসন থেকে তার লুসির এ আবেদন পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছিলো।তবে এটা তাদের আওতাভুক্ত না হওয়ায় কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান জেলাপ্রশাসক আসার পরপরই নতুন করে আবেদন তৈরি করেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে তা পাঠান। যার কয়েকসপ্তাহের মধ্যেই লুসি হল্টের ভিসা ফি মওকুফ করে ১৫ বছরের অগ্রিম ভিসা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্মগ্রহণ করা লুসির বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট।

    ১৯৪৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করা লুসির বড় বোন রুট অ্যান রেভা ফেলটন স্বামী ও তিন ছেলে নিয়ে ব্রিটেনেই বসবাস করেন। লুসি ১৯৬০ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং যোগ দেন বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনে। কর্মজীবন থেকে ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়া লুসিএখনও দুঃস্থ শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দেয়ার পাশাপাশি শিশুদের জন্য তহবিলও সংগ্রহ করছেন।

  • এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    সিফাত :

    ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

    ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

  • ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরুর অপেক্ষা রোবটের

    ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরুর অপেক্ষা রোবটের

    মেডিকেলের ছাত্র হিসেবে লেখাপড়া শেষ করে ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছে ‘শিওয়াই’ নামে একটি রোবট। ইতোমধ্যে চীনের ‘ন্যাশনাল মেডিকেল লাইসেন্সিং এক্সামিনেশন’ পরীক্ষায় ৪৫৬ পয়েন্ট পেয়ে পাস করেছে রোবটটি। পরীক্ষায় গড়ে কোনো চিকিৎসকের পাওয়া নম্বরের তুলনায় তা বেশি। সিনগুয়া ইউনিভার্সিটির আই ফ্লাই টেক জয়েন্ট ল্যাবে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরীক্ষার খাতায় শিওয়াইকে দশ লাখ মেডিকেল ইমেজ, চিকিৎসা সংক্রান্ত ৫৩টি বই ও কুড়ি লাখ মেডিকেল রেকর্ড, চার লাখ চিকিৎসা সাময়িকী এবং প্রতিবেদন থেকে নির্বাচিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় বলে জানান ল্যাবটির পরিচালক হু ঝি।

    তবে পরীক্ষায় পাস করলে কী হবে, সে তো আর মানুষের মতো হবে না! তাই আপাতত তাকে ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস উন্নতিতে কাজ করতে হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোবটটি নিখুঁতভাবে জ্ঞানের ব্যবহার করতে পারেনা বিধায় চিকিৎসকের পরিবর্তে এ যন্ত্রমানবকে ব্যবহার করা হবে না। এরপর তাকে মেডিকেল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এ সম্পর্কে যদ্দুর জানা যায়, লুপারকালিয়া নামে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিল, যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ সমানতালে মদ পান করত এবং লটারির মাধ্যমে সঙ্গী বেছে নিয়ে তার সঙ্গে একান্তে মিলিত হতো। অতঃপর রোমানরা যখন তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধাবিত হচ্ছিল, তখন তারা প্রাচীন দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে মেনে নিতে পারছিল না। আবার উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে ছেড়েও দিতে পারছিল না। অবশেষে উৎসবটিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে উৎসর্গ করে উদযাপন করত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ নোয়েল লেন্সকি বলেছেন, লুপারকালিয়া উৎসবে পুরুষরা দেবী লুপারকাসের নামে একটি ছাগল আর একটি কুকুর বলি দিত। তারপর মৃত ছাগল বা কুকুরের চামড়া দিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের বেদম প্রহার করত। তাদের বিশ্বাস, এ প্রহারের কারণে মেয়েদের প্রজননক্ষমতা বাড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের সূচনা ইতিহাস সম্পর্কে আরও যা জানা যায়, ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস বিবাহিত পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বন্ধ করে দেন এবং আইন জারি করেন, তার সাম্রাজ্যে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। কারণ বিবাহিত সেনারা স্ত্রী-সন্তানদের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে চাইত না। কিন্তু রোমান এক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের ন্যায়ভ্রষ্ট নিয়মের প্রতিবাদ করেন এবং বিয়ে করেন। এ খবর সম্রাট ক্লডিয়াসের কাছে পৌঁছলে তিনি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ দিবসকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। আবার কারও কারও মতে, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্টান পাদরি ও চিকিৎসক। সে সময় রোমানরা ছিল দেব-দেবীর অনুসারী। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বন্দী অবস্থাতেই ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করেন। ফলে মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে লিখে যান, Love From your valentine. আর এ ঐতিহাসিক দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ আছে বলেই এখনো টিকে আছে এ নশ্বর পৃথিবী। আল্লাহতায়ালা নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর কুদরতের মধ্যে অন্যতম একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ (সূরা আর রুম : ২১)।

    ভালোবাসা হলো খোদায়ি অনুভূতি, আত্মার তৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি। আল্লাহতায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী (সা.) জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়; বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসার পরিচালক হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তি, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে মানুষের মনুষ্যত্ব, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্য। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন; যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত। যে কোনো দিবস উদ্যাপনে সুস্থ ও সুন্দরভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে সচেষ্ট হওয়া ইসলামের শাশ্বত নীতি। আজ পবিত্র ও সত্যিকার ভালোবাসার অভাবে সর্বত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ, ছড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো অসংখ্য অপরাধ। তাই মহান স্রষ্টার সমীপে এই মিনতি যে, সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক সব ধরনের অশ্লীলতা, বেলেল্লাপনা ও অপসংস্কৃতি। জয় হোক পবিত্র, অকৃত্রিম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

    লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা (ভাঙ্গা প্রেস) যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

  • শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    আমাদের শরীরের ৬০ শতাংশই জলীয় পদার্থ। আর যখন শরীরের পানির পরিমাণ কমে যায়, তখনই আমাদের ডিহাইড্রেশন হয়। শরীর থেকে সাধারণত প্রস্রাব, ঘাম এবং মলমূত্রের মাধ্যমে পানি নির্গত হয়।

    পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করতে তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া দরকার। অল্প মাত্রায় পানিশূন্যতা হলে তা প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে ঠিক হয়ে গেলেও, গুরুতর পানিশূন্যতা হলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

    কী কী কারণে হয় পানিশূন্যতা?

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডায়রিয়া, অতিরিক্ত সুর্যের তাপে থাকা, অতিরিক্ত শরীর চর্চার সময় প্রচুর পরিমাণে ঘাম নির্গত হলে এবং ডায়াবিটিসের কারণেও হতে পারে পানিশূন্যতা।

    পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    ১. প্রচণ্ড পানি তেষ্টা পাওয়া।

    ২. মুখ শুকিয়ে যাওয়া।

    ৩. মাথা যন্ত্রণা।

    ৪. মেজাজ খারাপ হওয়া।

    ৫. দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

    ৬. পেশিতে টান ধরা।

    ৭. চামড়া শক্ত হয়ে যাওয়া।

    ৮. বারবার মিষ্টি খেতে চাওয়া।

  • সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    পর্নগ্রাফি ছেড়ে অভিনয় জগতে এসেছেন সানি লিওনি৷ পর্নস্টারের ইমেজ ঝেড়ে এখন তিনি সফল বলিউড অভিনেত্রী৷ কিন্তু আজও তাকে দেখলে অনেকের চোখে সানির পর্নস্টার ইমেজ ভেসে ওঠে৷ সেই ইমেজের জন্য মাঝে মধ্যেই সমালোচিত হতে হয় তাকে৷

    এই পর্নস্টার ইমেজের কারণে ফের বিপাকে সানি৷ তার বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ের নাজারথপেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি৷সেই অভিযোগে বলা হয়েছে, সানি পর্ণগ্রাফিকে প্রচার করেন৷ দেশের আইন অনুযায়ী যা অপরাধ৷ সানির জন্য দেশের সংস্কৃতিরও বারোটা বাজছে বলে দাবি অভিযোগকারীর৷

    এদিকে শনিবারই চেন্নাইতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন সানি৷ এই প্রথম তামিল ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন সানি৷ ছবির নাম ভিরামা দেবী৷ ঐতিহাসিক পটভূমিকায় নির্মিত ছবিটি৷ এই ছবিতে সানিকে যোদ্ধা রাজকুমারীর বেশে দেখা যাবে৷

    এই চরিত্রের জন্য সানি লিওনিকে তরোয়াল চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে৷ এই ছবির অনুষ্ঠানে চেন্নাইতে পা রাখেন তিনি৷ আর এদিনই থানায় তার নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ যদিও এনিয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি আসেনি৷

    এই প্রথম নয়৷ এর আগে সানিকে নিয়ে উত্তাল হয় চেন্নাই৷ গত বছর সানির বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বন্ধের দাবিতে চলে বিক্ষোভ৷ কিছু কট্টরপন্থী সংগঠন বর্ষবরণের রাতে সানির অনুষ্ঠানের প্রবল বিরোধীতা করে৷ তাদের দাবি এই ধরনের অনুষ্ঠান রাজ্যের সংস্কৃতিতে আঘাত হানবে৷ যার জেরে অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজকরা৷

    সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন