Author: banglarmukh official

  • বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    তানজীল শুভ:

    ‘যা কিছু ভালো বিবিডিসি’ এ শ্লোগানে ২০১২ ইং সনের ৩১ জানুয়ারি বরিশালে প্রতিষ্ঠালাভ করে ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’। বিনামূল্যে এবং সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এক ঝাঁক তরুনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠা এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যাবদি প্রায় ২৫,০০০ ( পঁচিশ হাজার) ব্যাগ রক্তদান করেছেন বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঢাকা ও কলাপাড়ার বিভিন্ন হসপিটাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন মানুষদের।

    ৭ বছরের এ যাত্রায় ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ গড়েছে প্রায় পঁচিশ হাজার স্বেচ্ছা রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। যাদের মধ্যে অর্ধেকই নিয়মিত রক্তদাতা এবং অঙ্গীকার করেছেন আজীবন রক্তদানে। আজ বুধবার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে । সকাল ১০:০০ টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিবিডিসির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, বিভিন্ন সংগঠনের শুভাকাঙ্খীসহ গনমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেয়।

    শোভাযাত্রা শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে কেক কেটে বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশালের স্বেচ্ছাসেবী। রক্তদানের পাশাপাশি, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইন, বন্যাদুর্গতের জন্য সাহায্য উত্তোলন, শীতার্থদের শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরন, ঈদে অসহায়দের নতুন জামা প্রদান, দুস্থ ও অসহায়দের জন্য নগদ টাকা বিতরনসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজ করে অত্র সংগঠন বরিশাল বিভাগ ব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভসহ বরিশালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মুমূর্ষু রোগীদের ভরসার প্রতীক হিসেবে নিজেদের দাড় করিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি আওলাদ খান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্নয় ও নতুন রক্ত দাতা সৃষ্টিতে বিভিন্ন ব্যক্তিকে উদ্বুদ্ধ করণের জন্য ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ কাজ করে যাচ্ছে। একজন সুস্থ মানুষকে প্রতি তিন মাস অন্তর রক্ত দানে উৎসাহ প্রদানের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে সচেতনা সৃষ্টি করা হয়ে থাকে। প্রয়োজনের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের রক্তদাতারা স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে রক্ত সরবরাহ করেন। এই রক্তের সূত্রে মানুষে-মানুষে আত্মিক বন্ধন গড়ে তোলাতেই ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ এর সার্থকতা।

  • বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ বরিশাল এপিসি।বুধবার সকাল ১১টার সময় বরিশাল জেলা প্রশাশক সম্মেলন কক্ষে েএই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক মো:হাবিবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সম্পাদক ও বরিশাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো:আরিফ বিল্লাহ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ রায় চৌধুরী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারী বিষয়ক কর্মকর্তা,সরকারি উর্ধতর কর্মকর্তা বৃন্দ,সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর মাকসুদা আক্তার মিতু,প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিনিধি,বিভিন্ন এনজিও এর প্রতিনিধি,ধর্মীয় প্রতিনিধি,শিক্ষক প্রতিনিধি,বরিশাল উপজেলার ইএনও,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তা,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের বরিশাল, কোটালিপাড়া,মোরলগঞ্জ,আসাশুনি,ভান্ডারিয়া ও পিরোজপুর এপি এর কর্মকর্তা ও শিশু প্রতিনিধি।

  • সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    কলেজ প্রতিবেদকঃ

    বরিশাল মাহানগরের অন্যতম বিদ্যাপীঠ বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। আজ এই প্রতিষ্ঠানে উৎসাহ,উচ্ছাস ও উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়ে গেল ১১তম বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ শহিদুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেজর ড. সিরাজুল ইসলাম উকিল অধ্যক্ষ, সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।

    সকাল ১০টা ৫মিঃ এ পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত ও গীতা থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত পরিবেশ এবং ক্রীয়াবিদদের মার্চপাস্ট হয়। তারপর সভাপতি স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং তিনি সকলকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিয়া ও সহ-শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বলেন। তারপর সকাল ১০.৪০মি এ বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উরিয়ে ক্রীয়া অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। তারপর মনজ্ঞ ডিসপ্লে এবং গ্রুপভিত্তিক উল্লখযোগ্য ক্রীয়া নৈপুন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে পুরুষ্কার বিতরনী ও সভাপথির সমাপনী বক্তব্যের দ্বারা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোসনা করা হয়।

  • মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশিদের মুখপাত্র হতে চান ড. নীনা

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া সিটি এলাকা (কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-পিএ-০১) থেকে ডেমক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন লড়াইয়ে অবতীর্ণ ড. নীনা আহমেদ বলেছেন, ‘ভাগ্য গড়ার দেশ আমেরিকার নীতি-নির্ধারণে কোন বাংলাদেশি নেই। এই শূন্যতা পূরণ করতে চাই এবং কংগ্রেসে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ানদের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করতে চাই।’

    এই আসনের বর্তমান কংগ্রেসম্যান রোবার্ট ব্র্যাডি (Bob Brady) ১৯৯৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। ডেমক্র্যাটিক পার্টির এই কংগ্রেসম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই। এর ফলে নভেম্বরের নির্বাচনে তার জয়ী হবার কোন সম্ভাবনা নেই বলে ড. নীনা মাঠে নেমেছেন।

    উল্লেখ্য, সাড়ে ৬ লাখ জনঅধ্যুষিত এই এলাকাটির সিংহভাগ ভোটারই ডেমক্র্যাট। অর্থাৎ দলীয় মনোনয়ন পেলেই জয় অনেকটা নিশ্চিত। আরও উল্লেখ্য, এই এলাকার মানুষের ৩৭.১ শ্বেতাঙ্গ। কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারের হার ৪৯.৫%। এশিয়ান-৪.৯%। ১৫% হলেন হিসপ্যানিক। অর্থাৎ অভিবাসীরা হলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং অশ্বেতাঙ্গরাই হচ্ছেন ড. নীনার ভোট ব্যাংক। দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত এ এলাকার অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন ড. নীনা। তাকে ফিলাডেলফিয়া সিটি মেয়রের ইমিগ্রেশন কমিশনার এবং সর্বশেষ ডেপুটি মেয়র হিসেবেও অধিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘ কয়েক বছর। সেই মেয়াদ ফুরোনোর আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনই তিনি পদত্যাগ করেন। এসব কারণে ফিলাডেলফিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় ড. নীনাকে ডেমক্র্যাটিক পার্টির নীতি-নির্ধারকরাই প্রার্থী হবার গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    গত শনিবার সন্ধ্যায় নিউজার্সী রাজ্যের প্রিন্সটনের বাংলাদেশিরা ড. নীনা আহমেদের নির্বাচনী তহবিল গঠনের অনুষ্ঠান করেন। এটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিয়া হেলালি এবং শামসুন হেলালি। সঞ্চালনায় ছিলেন নিউজাসীর্র প্লেইন্স বরো থেকে দুই দুইবার নির্বাচিত কাউন্সিলম্যান ও বিজ্ঞানী ড. নুরুন্নবী।

    অনুষ্ঠানে ড. নীনা তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, আসছে মে মাসে প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হবার জন্য আপনাদের সকলের দোয়া এবং সহযোগিতা চাই।

    এই আসনের বর্তমান কংগ্রেসম্যান রবার্ট ব্র্যার্ড দীর্ঘ উনিশ বছর যাবৎ আছেন। তার এই উনিশ বছরে ফিলাডেলফিয়ায় সেই রকম উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। এর মধ্যে আবার বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির মামলা চলছে। সব মামলার তদন্ত হচ্ছে-এ অবস্থায় আমি সেই আসনটি ধরে রাখতে চাই-বলেন ড. নীনা।

  • পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে বন্ধ হচ্ছে বাংলা ছবির প্রদর্শনী!

    পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে বন্ধ হচ্ছে বাংলা ছবির প্রদর্শনী!

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিনেমা হলেই বাংলা ছবির প্রদর্শন ১৫ ফেব্রুয়ারির পরে কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে প্রযোজক, পরিচালক, কলাকুশলী, প্রদর্শকদের সংগঠন ইম্পা-র মঙ্গলবারের বৈঠকের পরে।

    সমস্যার সূত্রপাত সাত মাস আগে। তখন কেন্দ্রের জিএসটি (পণ্য ও সেবা কর) ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরে বাংলা ছবির টিকিটের দাম কম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য।

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছিলেন, ১০০ টাকার কম দামের টিকিটে রাজ্য জিএসটি বাবদ তার ভাগের ৯% করের মধ্যে ৭% ছাড় দেবে। এর আগে রাজ্য যে-দু’শতাংশ বিনোদন কর নিত, এখনও বাংলা ছবির টিকিটের দামে তার বেশি নেবে না। ফলে সিনেমা হলগুলি দর্শকদের কাছ থেকে কেন্দ্রের ভাগের ৯% এবং রাজ্যের জন্য ২% আদায় করলেই চলবে। তবে জিএসটি বাবদ মোট ১৮% টাকা করই হলগুলিকে জমা দিতে হবে। পরে রাজ্য তাদের ছাড়ের ৭% টাকা হলগুলিকে ফিরিয়ে দেবে।

    ইম্পা-র সভাপতি কৃষ্ণনারায়ণ দাগা জানান, গত সাত মাসে হলগুলি ছাড়ের টাকার কানাকড়িও পায়নি। দর্শকদের কাছ থেকে কম কর নিয়ে হল-মালিকেরা বেশি টাকা জমা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।হল-মালিকেরা আর পারছেন না। কিছু করার নেই। এমনিতেই সিনেমা হলগুলির ব্যবসা ভাল নয়। বাড়তি টাকা খেসারত দিয়ে বাংলা ছবি চালানো সম্ভব নয়।

    বিভিন্ন সিনেমা হল সূত্রের খবর, রাজ্যের কাছ থেকে ৩৫০-এর বেশি হলের প্রাপ্য এখন কমবেশি ১০ কোটি টাকা। ইম্পা-র সভাপতি কৃষ্ণনারায়ণ দাগা জানান, হল-মালিকেরা বলছেন, হয় তারা বাংলা ছবি না-দেখিয়ে হিন্দি ছবি চালাবেন। নয়তো বাংলা ছবির দর্শকদের থেকেও জিএসটি বাবদ পুরো ১৮% করই আদায় করতে বাধ্য হবেন। ইম্পা-র এ দিনের বৈঠকের পরে নবান্নকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হবে। সূত্র : আনন্দবাজার

  • ৩০ দেশের কূটনীতিককে যা বলল বিএনপি

    ৩০ দেশের কূটনীতিককে যা বলল বিএনপি

    দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক সূত্র জানায়, কূটনীতিকদের কাছে বিএনপি বলেছে, ‘দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলা পুরোটাই সাজানো। তাকে হয়রানি করতে এই মামলা করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে নির্বাচনে অযোগ্য করতে সরকার শাস্তি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।’

    বৈঠক শেষে কার্যালয়ের বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৈঠক সম্পর্কে বলেছেন, ‘দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আমরা কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। নাথিং মোর।’

    এ সময় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে বলেন, সরকারি খরচে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারাভিযান বন্ধ করতে হবে। না হলে বিএনপিকে জনসভা করার সুযোগ দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারাভিযানে নেমে গেছেন। স্পষ্টভাবে নৌকায় ভোট চেয়েছেন। তার এই অবস্থানে প্রশ্ন জাগে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আসলে কী। সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়। কিন্তু প্রায় এক বছর আগেই সরকারি দল রাষ্ট্রীয় খরচে নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, নির্বাচন কমিশন কতটুকু শক্ত!’

    ইসির প্রতি মওদুদ আহমদ বলেন, তাদের এ ধরনের সরকারি খরচে প্রচারাভিযান করা বন্ধ করতে হবে। না হলে বিএনপিকেও জনসভা করার সুযোগ দিতে হবে। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রচারাভিযান লেবেল প্লেয়িং ফিল্ডের নমুনা নয়। এখন দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী  আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেটে ভোট চাইছেন, আর বিএনপি আদালতের বারান্দায়।

    এদিকে বৈঠক সম্পর্কে দলটির একাধিক নেতা আলাপকালে জানান, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ বিশেষ করে খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়টি কূটনীতিকদের অবহিত করা হয়। কূটনৈতিকদের হাতে এ-সম্পর্কিত একটি ফাইলও হস্তান্তর করেছে দলটি।

    বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, সরকার যে প্রতিহিংসামূলকভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়ে বিচারকাজ চালাচ্ছে, বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সম্পৃক্ত করার কোনো তথ্য-প্রমাণ না থাকার বিষয়টি কূটনীতিকদের কাছে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচন সামনে রেখে ‘তড়িঘড়ি’ করে এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ঠিক করার বিষয়টি বলা হয়েছে কূটনীতিকদের।

    বৈঠকে জাপান, নেদারল্যান্ড ও নেপালে রাষ্ট্রদূত ছাড়া ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনারসহ জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, মরক্কো, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, তুরস্ক, কুয়েত, ভ্যাটিকান সিটি, ভিয়েতনামসহ ৩০টির বেশি দেশের কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের প্রতিনিধিদের অংশ নিতে দেখা যায়নি।

    বিএনপি মহাসচিব ছাড়া বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ফাহিমা মুন্নী ও রুমিন ফারহানা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা

    ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা

    অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও জব্দ করা ভারতীয় রুপি আত্মসাৎ করে ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা। এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় এই আলাদা দুটি অভিযোগপত্রের অনুমোদন দিয়েছে। দুদকের রাজশাহী ও রংপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের দুই তদন্ত কর্মকর্তা মামলা দুটি তদন্ত করেছেন। এরপর দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া খসড়া অভিযোগপত্র অনুমোদনের আবেদন করলে প্রধান কার্যালয়ে তা অনুমোদন হয়। দুদক কর্মকর্তা আবদুল আজিজ ভুঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযুক্ত দুজন হলেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আবদুস শুকুর আকন্দ ও চাকরিচ্যুত উপ-পরিদর্শক (এসআই) এহসানুল ইসলাম। আবদুস শুকুর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জিরাই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিন আকন্দের ছেলে। আর এহসানুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামিয়া কলেজ রোড এলাকার মৃত আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে। দুদক সূত্রে জানা গেছে, চাকরিতে থাকাকালীন আবদুস শুকুরের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্ত করে দুদক। ওই সময় আবদুস শুকুর দুদকে তার সম্পদের যে বিবরণ জমা দেন তার চেয়েও বেশি সম্পদ খুঁজে পায় দুদক। এ নিয়ে ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ রংপুরের কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের রংপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। অন্যদিকে এহসানুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কোর্ট মালখানার দায়িত্বে নিয়োজিত হওয়ার পর সেখান থেকে ভারতীয় ৯৯ হাজার রুপি আত্মসাৎ করেছেন। জেলার শিবগঞ্জ থানার ২০০৭ সালের একটি মামলার আলামত হিসেবে মালখানায় মোট এক লাখ ভারতীয় রুপি ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে এহসানুল ইসলাম মালখানার দায়িত্ব পেলে সেখান থেকে ৯৯ হাজার রুপি সরিয়ে দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি ধরা পড়লে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তৎকালীন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলম তার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এরপর মামলাটি তদন্তের জন্য দুদকের রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরই মধ্যে পুলিশের বিভাগীয় তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৫ সালে এহসানুল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করা হয়। দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া বলেন, অনুমোদন পাওয়ার পর মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তারা সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট থানা দুটিতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। যে কোনো সময় ওই দুই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • উত্তর কোরিয়ার নাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে : দক্ষিণ কোরিয়া

    উত্তর কোরিয়ার নাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে : দক্ষিণ কোরিয়া

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সং ইয়ং-মু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করলে দেশটির নাম বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা ইওনহ্যাপ এ খবর জানিয়েছে।

    সং ইয়ং-মু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

    উত্তর কোরিয়া নিজের পরমাণু সক্ষমতাকে শক্তিশালী করার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সেকথা উল্লেখ করে ইয়ং-মু বলেন, আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া যার বিরুদ্ধেই পিয়ংইয়ং পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করুক না কেন তা হবে দেশটির জন্য আত্মহত্যার শামিল।

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর আগে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে পরমাণু অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহারের ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

    সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে দেশটির হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে দুই প্রতিরক্ষমন্ত্রী কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার ব্যাপারে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

    সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া নিজের পরমাণু সক্ষমতা ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মাত্রা শক্তিশালী করেছে। দেশটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আমেরিকা ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে যতদিন হুমকি বজায় থাকবে ততদিন নিজের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করে যাবে পিয়ংইয়ং।

  • বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশাল নগরীর হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে ইয়াবাসহ ৪ তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ওই এলাকার মায়া কানন নামে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটকদের মধ্যে একজন স্কুলছাত্রী। বাকি তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা।

    বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসান জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।

  • বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    খুন ও গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১১ বছর পরে মা-মেয়েকে উদ্ধার করেছে সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

    মঙ্গলবার বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ইছাগুড়া গ্রাম থেকে ১১ বছর ধরে নিখোঁজ জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে উদ্ধার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, যৌতুকের দাবীতে জোৎসনা বেগমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত তার স্বামী বরিশাল সদর উপজেলার ৪নং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের আ: রশীদ মুন্সীর ছেলে মো: আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই জোৎসনা বেগমকে পুনরায় যৌতুকের দাবীতে পুনরায় মারধর করে তাকে বেহুশ করে ফেলা হয়। সেই থেকেই জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই জোৎসনা বেগমের স্বামী আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীসহ ৬ জনকে নামধারী আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

    মামলাটি এতদিন বরিশাল আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীণ ছিল। মামলার অন্যান্য আসামীরা হল, শহীদ মুন্সী, ইউনুছ মুন্সী, সালেমা বেগম, আসমা বেগম ও জাহেদা বেগম। যাদের সবার ঠিকানা কোতয়ালী মডেল থানাধীণ শায়েস্তাবাদের চরআইচায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের প্রায় ৯ বছর পূর্বে আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীর সাথে কোতয়ালী মডেল থানাধীন এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী খানের মেয়ে জোৎসনা বেগমের বিবাহ হয়। তখন জোৎসনা বেগমের স্বামী শায়েস্তাবাদ হায়াৎসর মসজিদে ইমামতি করতেন। এরই মধ্যে জোৎসনার স্বামী তার ভাইকে মালেশিয়া পাঠানোর জন্য জোৎসনার কাছে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। তখন সে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এবং তার মেয়েকে মারধর করে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে মীমাংসার মধ্যে দিয়ে জোৎসনা ও তার মেয়েকে পুনরায় ফিরিয়ে নেয় আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই সন্ধ্যা ৮টার দিকে মামলার বিবাদীরা পুনরায় ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তার মুখ বেঁধে বেধরক মারধর করে। এতে জোৎসনা বেহুশ হয়ে পড়লে তার মেয়ে জিবার ডাকচিৎকারে বিষয়টি সকলেই টের পায়।

    পরেরদিন জোৎসনার ভাই সরোয়ার খান বোনের শ্বশুড় বাড়ি গিয়ে ১ থেকে ৬নং বিবাদীদের উপস্থিত পেয়ে তার বোন এবং ভাগ্নির কথা জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এছাড়া দায়ের করা মামলায় জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলার অভিযোগ আনেন জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান। মামলাটির প্রথম পর্যায়ে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এসআই মাহাবুবুর রহমানকে। তিনি আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী ও তার ভাই শহীদ মুন্সীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলাটি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য এলে মামলার মূল উপাদান বা ভিকটিম না পাওয়ায় আদালতের বিচারকের কাছ থেকে মামলাটি চলতি বছরের ৩ই জানুয়ারী অধিক তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে নির্দেশ আসে। বিষয়টি তদন্তের পর সিআইডি বরিশালের পুলিশ পরিদর্শক মো: ফরিদুজ্জামান মূল ভিকটিম জোৎসনা বেগম ও বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষার্থী তার মেয়ে জিবাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন।