Author: banglarmukh official

  • বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন

    বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন

    বাংলার মুখ ২৪.কম পত্রিকার বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন করলো বাংলার মুখ পরিবার।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলার মুখ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মুহা: পলাশ চৌধুরী,বস্থাপনা সম্পাদক প্রদীপ কুমার পাল, নির্বাহী সম্পাদক বাবলু মিয়া, কবি ও সাহিত্যিক,সাংবাদিক শিবলু মোল্লা,বাংলার মুখ পত্রিকার সাংবাদিক হুজাইফা রহমান,সিফাত,ফেরদৌস,তিন্নি আক্তার,তানজিল শুভ,কাজী সাইফুল,রাকিব সিকদার,ফাইজুল ইসলাম,প্রিন্স মুন্সী সহ অন্নান্য অতিথি বৃন্দ।

  • ভিয়েতনাম যুদ্ধের মোড় পাল্টে দেয়া সেই ছবি, এরপর যা ঘটেছিল

    ভিয়েতনাম যুদ্ধের মোড় পাল্টে দেয়া সেই ছবি, এরপর যা ঘটেছিল

    ফটো সাংবাদিক এডি এডামস ভিয়েতনাম যু্দ্ধের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত ছবিগুলোর একটি তুলেছিলেন। ৫০ বছর আগে ভিয়েতকং গেরিলারা যখন তাদের ‘টেট অফেনসিভ’ শুরু করে, সেই যুদ্ধের সময়েই ঘটেছিল ঠাণ্ডা মাথায় এক ভিয়েতকং বন্দীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা। এই একটি মাত্র ছবি কিভাবে মার্কিন জনমত ঘুরিয়ে দিয়েছিল, বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছিল, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ঠিক কিভাবে ছবিটি তোলা হয়েছিল আর কি ঘটেছিল এই ছবিটি তোলার পরে?

    ভোঁতা নাকের পিস্তল থেকে গুলিটি বেরিয়ে গেছে। যে হাতে পিস্তলটি ধরা, গুলি বেরিয়ে যাওয়ার পরের মূহুর্তের ধাক্কা সামলাচ্ছে সেই হাত। আর যার মাথার খুলিতে গিয়ে গুলিটি ঢুকছে, সেই বন্দীর মুখ কুঁকড়ে যাচ্ছে গুলির আঘাতে।

    ছবির ফ্রেমে বাঁ দিকে দাঁড়িয়ে এক সৈন্য। ঘটনার আকস্মিকতায় তার মুখ যেন বিকৃত হয়ে গেছে। একটা মানুষ যে মুহূর্তে মারা যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তের এই ছবিটির দিকে তাকিয়ে অনেকের মনেই হয়তো বিচিত্র সব অনুভূতি খেলা করবে: একটা ধাক্কা, এক ধরণের মানসিক পীড়ন এবং কিছুটা অপরাধবোধ।

    ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা এই ছবিটিতে ঠিক সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে যে মুহূর্তে আসলে বুলেটটি গিয়ে ঢুকছিল লোকটির মাথায়। এই ঘটনাটি ‘সায়গন এক্সিকিউশন’ নামে পরিচিত।

    ছবিতে যাকে গুলি করতে দেখা যাচ্ছে তিনি দক্ষিণ ভিয়েতনামের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুয়েন নক লোয়ান। আর যাকে গুলি করা হচ্ছে তিনি একটি ভিয়েতকং গেরিলা গ্রুপের নেতা নুয়েন ভ্যান লেম।

    এই ছবিটি ফটোসাংবাদিক এডি এডামসকে রাতারাতি বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছিল। সারা দুনিয়ায় বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রে এটি ছাপা হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের নিষ্ঠুরতা এবং নৈরাজ্য এই একটি ছবিতে যেভাবে ধরা পড়েছিল, তার তুল্য আর কোন ছবি নেই।

    যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিন জনমত গড়ে তুলতেও অবদান রাখে ছবিটি। ভিয়েতনাম যুদ্ধ যে আসলে জেতার নয়, সেই মনোভাব প্রবল হতে থাকে মানুষের মধ্যে।

    যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডলফ ব্রিসকো সেন্টার ফর আমেরিকান হিস্টরি’তে সংরক্ষণ করা আছে এডি এডামসের অনেক আর্কাইভ ছবি, দলিল এবং চিঠিপত্র।

    গুলি করার নিচে পড়ে চিৎকার করছেন নুয়েন ভ্যান লেম।

    এই সেন্টারের পরিচালক বেন রাইট বলেন,একটা স্থিরচিত্রে এমন একটা ব্যাপার থাকে, যা ছবিটি যারা দেখছেন তাদেরকে খুব গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং সেটা তাদের সঙ্গে থেকে যায় বহু বছর। “এই একই ঘটনার যে ভিডিও ফুটেজ আছে, সেটিও কিন্তু বীভৎস। কিন্তু সেটা দেখে দর্শকের মধ্যে একই ধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় না।”

    কী ঘটেছিল সেদিন: 
    ১৯৬৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনামের সায়গনের রাস্তায় এই ছবিটি তুলেছিলেন এডি এডামস। পিপলস আর্মি এবং ভিয়েতকং গেরিলারা টেট অফেনসিভ শুরু করার দুদিন পরের ঘটনা সেটি। সেদিন আসলে ঠিক কী ঘটেছিল, তার পুরোটা এই ছবি দেখে বোঝা সম্ভব নয়।

    ‘টেট অফেনসিভ’ ছিল কমিউনিষ্ট গেরিলাদের এক আকস্মিক অভিযান। অনেকগুলো শহর টার্গেট করে একযোগে হঠাৎ এই আক্রমণ চালানো হয়। দক্ষিণ ভিয়েতনামের বাহিনী এবং মার্কিন বাহিনী রীতিমত হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে এই হামলার মুখে।

    সায়গনের রাস্তায় রাস্তায় চলছিল খন্ড লড়াই। দক্ষিণ ভিয়েতনামের বাহিনী ভিয়েতকং গেরিলাদের একটি গ্রুপের নেতা নুয়েন ভ্যান লেমকে একটি গণকবরের পাশ থেকে আটক করে। সেই গণকবরে ছিল ৩০ জন বেসামরিক মানুষের লাশ।

    লেমকে যখন সেনারা ধরে নিয়ে যাচ্ছে, তখন এডি এডামস তার ক্যামেরা হাতে তাদের অনুসরণ করেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুয়েন নক লোয়ানের জীপের কাছে।

    ব্রিগেডিয়ার লোয়ান দাঁড়িয়ে ছিলেন লেমের পাশে। এরপর তিনি তার পিস্তলটি লেমের দিকে তাক করেন।

    “আমি ভেবেছিলাম হয়তো লেমকে ভয় দেখানোর জন্যই তিনি পিস্তল তুলেছেন। তাই আমি স্বাভাবিকভাবেই আমার ক্যামেরা দিয়ে ছবিটা তুলি”, পরবর্তীকালে বলেছিলেন এডি এডামস।

    বলা হয়ে থাকে লেম নাকি ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের এক বন্ধুর স্ত্রীসহ ছয়জনকে খুন করেছিলেন।

    ব্রিগেডিয়ার লোয়ান তাক করা পিস্তলের ট্রিগার টানলেন। “যদি আপনি দ্বিধা করেন, যদি আপনি আপনার দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে সৈন্যরা আপনাকে মানবে না”, নিজের কাজের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন তিনি।

    ‘টেট অফেনসিভ’ শুরু হওয়ার প্রথম ৭২ ঘণ্টায় ব্রিগেডিয়ার লোয়ান খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন। সায়গনের যেন পতন না হয়, সেজন্যে তিনি সৈন্যদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছিলেন।

    এডি এডামস বলেছিলেন, এই ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে তার মনে হয়েছিল ব্রিগেডিয়ার লোয়ান একজন ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকারী। তবে ভিয়েতনামের বেশ কিছু এলাকা তার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর পর এডি এডামস তার মনোভাব বদলান।

    ভিয়েতনাম থেকে পাঠানো এক লেখায় তিনি বলেছিলেন, ব্রিগেডিয়ার লোয়ান ছিলেন সেই সময়ের ভিয়েতনামের সৃষ্টি।

    এই ছবির জন্য পরের বছর পুলিৎজার পুরস্কার পান এডি এডামস। এই ছবির জন্য প্রচুর প্রশংসা কুড়ালেও সারা জীবন এটির স্মৃতি তাকে তাড়া করে ফিরেছে।

    “একজন মানুষ আরেক মানুষকে হত্যা করছে, আর এই ছবি দেখিয়ে আমি অর্থ পাচ্ছি”, দুঃখ করে তিনি বলেছিলেন।

    কী ঘটেছিল ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের ভাগ্যে:
    এডি এডামস এবং ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের মধ্যে যোগাযোগ অক্ষুন্ন ছিল আরও বহু বছর। ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে ব্রিগেডিয়ার লোয়ান পালিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ফেরত পাঠাতে চেয়েছিল বিখ্যাত এই ছবিটির কারণেই। তারা এডি এডামসে অনুরোধ করেছিলেন ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে। কিন্তু এডি এডামস উল্টো ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের পক্ষে সাক্ষ্য দেন।

    তবে শেষ পর্যন্ত ব্রিগেডিয়ার লোয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়া হয়। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি-তে ভিয়েতনামী খাবারের একটি রেস্টুরেন্ট খোলেন।

    তবে অতীত তাকে ছাড়েনি। তার বিগত দিনের ইতিহাস জানাজানি হওয়ার পর রেস্টুরেন্ট ব্যবসা মার খায়। অনেকে নাকি তার রেস্টুরেন্টের টয়লেটে তার বিরুদ্ধে আজে বাজে কথা লিখে আসতো।

    এপি বার্তা সংস্থায় সেসময় এডি এডামসের ফটো এডিটর ছিলেন হল বুয়েল। তিনি বলেন, এই একটি ছবি পুরো ভিয়েতনাম যু্দ্ধের নিষ্ঠুরতাকে ধরে রেখেছে।

    “যে কোন প্রতীকের মতোই এই একটি ছবি আসলে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত সব যুদ্ধের বর্বরতাকে মূর্ত করে রেখেছে।”

  • মিয়ানমারে সু চি’র বাড়িতে বোমা হামলা

    মিয়ানমারে সু চি’র বাড়িতে বোমা হামলা

    মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি’র বাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনার ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইয়াংগুনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অবশ্য এ সময় সু চি বাড়িতে ছিলেন না।

    সরকারের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে সিএনএন। তবে মুখপাত্র জুও তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মিয়ানমারের নেত্রীর দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়ে, বোমা নিক্ষেপের পর পরই দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজনদের খোঁজে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।

    প্রসঙ্গত, রাখাইন রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

    সর্বশেষ গত সপ্তাহে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক বিল রিচার্ডসন অভিযোগ তুলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে সু চি’র আন্তরিকতার অভাব আছে।

  • মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ ছাড়াল বাংলাদেশ

    মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ ছাড়াল বাংলাদেশ

    চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ রানের ঘর ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এদিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৫তম অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের ‘সাইলেন্ট কিলার’ খ্যাত এ ক্রিকেটার ৯২ বল খেলে ১টি ছক্কা ও ৪টি চারের মারে অর্ধশতক পূর্ণ করেন।

    এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫০০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। উইকেটে আছেন মাহমুদউল্লাহ ৭৭  ও মুস্তাফিজুর রহমান ২ রানে অপরাজিত আছেন।

    এদিেকে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই মুমিনুল হকের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তারপর মোসাদ্দেকও ফিরে গেছেন ব্যক্তিগত ৮ রানে। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজের দৃঢ়তায় ৪০০ রানের ঘর ছাড়ায় বাংলাদেশ। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মিরাজ-মাহমুদউল্লাহর জুটিও। অযথা তৃতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউটের শিকার হন মিরাজ। ব্যক্তিগত ২০ রানে ফিরেন তিনি।

    এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন চার উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক ১৭৫ ও মাহমুদুল্লাহ ৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তবে আজ ১৭৬ রানে ফিরে যান মুমিনুল।

  • অভিন্ন প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা চলছে

    অভিন্ন প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা চলছে

    অভিন্ন প্রশ্ন এবং কড়া নজরদারিতে এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশব্যাপী একযোগে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এদিন সকাল ৯টায় ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি পরীক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

    আজ এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা রয়েছে।

    এ বছর পরীক্ষার একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস রোধে পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে পরীক্ষার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • গৌরনদীতে এসএসসি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র নিতে গুনতে হয় টাকা

    গৌরনদীতে এসএসসি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র নিতে গুনতে হয় টাকা

    তানজীল শুভ:

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেন্দ্র ফি’র নামে ৩শ থেকে ৫শ করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলায় ২৩টি হাইস্কুলের ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় ৪ হাজার ও ৪শ পরীক্ষার্থী রয়েছে।

    ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু । উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক খাঞ্জাপুর গ্রামের মো. কামাল হোসেন (৪৮)জানান, তার ভাতিজার প্রবেশপত্র আনতে গিয়ে তিনশত পঞ্চাশ টাকা দিতে হয়েছে। অভিভাবক মিজান মুন্সী জানান, তার কন্যার ফরম পুরনে ৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। এখন আবার প্রবেশপত্র আনতে সাড়ে তিন শত টাকা দিতে হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. জামাল হাওলাদার জানান, তার পুত্রের প্রবেশ পত্র আনতে গেল স্যারেরা ৪শত টাকা দাবি করেন। একই অভিযোগ করেন কমপক্ষে আরো চার অভিভাবক। প্রধান শিক্ষক মো. অলিউল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রবেশ পত্রের জন্য নয়, কেন্দ্র ফি বাবদ টাকা রাখা হচ্ছে।

    বার্থী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেন, তার ভাতিজার প্রবেশ পত্র আনতে চারশত টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। গৌরনদী উপজেলার প্রায় সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছ থেকে একই অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির গৌরনদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান বলেন, এবারে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরনের সময় অধিকাংশ পরীক্ষার্থীই কেন্দ্র ফির টাকা বাকি রেখে ফরম পুরন করেছে। তাদের কাছ থেকে কেন্দ্র ফি’র টাকা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রবেশপত্রের জন্য কোন টাকা রাখা হচ্ছে না গৌরনদী উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিটু ব্যানার্জি বলেন, প্রবেশপত্র প্রদানে টাকা নেওয়ার কোন বিধান নেই। অভিভাবকগণ লিখিত অভিযোগ দিলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • বরিশালে স্ত্রী সন্তান রেখে স্কুলছাত্রী নিয়ে উধাও শিক্ষক

    বরিশালে স্ত্রী সন্তান রেখে স্কুলছাত্রী নিয়ে উধাও শিক্ষক

    বরিশালের মুলাদী উপজেলায় স্ত্রী সন্তান রেখে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন দুই সন্তানের জনক এক প্রাইভেট শিক্ষক। গত ২৯ জানুয়ারি প্রাইভেট শিক্ষক মিজানুর রহমান ফকির চরপদ্মা রাশিদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হন।

    মিজানুর রহমান উত্তর পাতারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষক ছিলেন এবং ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন। মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রীর দাদা আবু তালেব রাঢ়ি মুলাদী থানায় নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ করে সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশি তদন্তে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওই ছাত্রীর দিকে নজর পড়ে মিজানের। বিভিন্ন অজুহাতে মিজান ফকির ছাত্রীর বাড়িতে যায় এবং সম্পর্ক গড়ে তুলে। পরে ভালো ফলাফল পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে মিজান ফকির ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করে।

    গত সোমবার ছাত্রী মাদরাসায় গিয়ে আর বাসায় না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে। কোথাও না পেয়ে ছাত্রীর দাদা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করে। বুধবার সকালে থানা পুলিশের এএসআই আল আমিন উত্তর চরপদ্মা ও উত্তর পাতারচর গ্রামে তদন্ত চালিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে মিজান ফকিরের উধাওয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। মুলাদী থানা পুলিশের এসআই আল আমিন জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় নিখোঁজের দিন তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন তথ্য থেকে তাদের একসঙ্গে পালানোর বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • উজিরপুরে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

    উজিরপুরে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

    বরিশালের উজিরপুরের হারতার নাথারকান্দিতে সমাজপতিদের মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেয়ায় ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরীর আত্মহত্যা, ধামাচাপা দিতে পরিবারের প্রতি চাপ প্রয়োগ, ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি। সূত্র জানায় উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নাথারকান্দি গ্রামের মৃত নুরুল হক হাওলাদারের তিন কন্যা ও এক ছেলের মধ্যে সবার ছোট মেয়ে নাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা তানজিলা একই এলাকার শাহালমের পুত্র সাহাবুদ্দিনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ জানুয়ারী প্রেমিক শাহাবুদ্দিনের সাথে দেখা করতে গেলে এলাকার প্রভাবশালী শহিদ মৃধা,মাসুদ খান, মেহেদী, মিরাজ, সুমন, সাইদুল সহ বেশ কয়েকজন প্রেমিক যুগলকে আটকে শারিরীক নির্যাতন চালায় ও মুক্তিপন আদায় করে । তানজিলাকে কুচরিত্রা আখ্যা দিয়ে তার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে প্রচারণা চালায় নির্যাতনকারীরা। এতে তানজিলা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ও ঘটনার একদিন পড়ে ২৫ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজ বাড়ীর আঙিনায় আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। কিশোরীর আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধীক এলাকাবাসী জানিয়েছে নির্যাতনকারীরা এলাকার প্রভাবশালি হাওয়ায় তারা ধরাকে সরাজ্ঞান না করে বিভিন্ন রকমের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেমিক যুগলকে নির্যাতনের সময় অনেকেই প্রত্যক্ষ করলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি, ঘটনার সময় সহিদ মৃধা সহ একাধীক লোক উপস্থিত ছিল এবং তানজিলার মায়ের কাছে ফোন করে অশালীন মন্তব্য করে শাসায় তারা। তানজিলার মৃত্যুর পরে বিষয়টি নিয়ে বারাবারি না করতে পরিবারকে বিভিন্ন রকমের চাপ প্রয়োগ করতে থাকে নির্যাতন কারিরা।

    এ বিষয়ে তানজিলার মা কান্না জড়িত কন্ঠে জানান পিতৃ হারা কন্যাকে বহু কষ্টে মানুষ করেছি, এভাবে মৃত্যু কামনা করিনি। লাশ ময়না তদন্ত ছাড়া দাফনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন চাপের কথা স্বীকার করে বলেন যে যাবার সে চলে গেছে কিন্তু আমাদের এলাকায় থাকতে হলে তাদের কথামত চলতে হবে।

    এ বিষয়ে লাশের সুরাতাহালকারী কর্মকর্তা এস,আই জাফর জানিয়েছেন আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিতে চাইলে পরিবার অপারগতা প্রকাশ করায় ও নিজ দায়িত্বে দাফন করবে বলে মুসলেকা দেয়। পরিবার যদি কোন অভিযোগ না করে তাহলে আমাদের কী বা করার আছে। এলাকার সাধারন মানুষ বিষয়টি সহজভাবে না দেখে অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

  • সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানো সেই শিক্ষক কারাগারে

    সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানো সেই শিক্ষক কারাগারে

    ঝালকাঠিতে সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠা সেই অঙ্কের স্যারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার শিক্ষকের নাম মো. মনিরুজ্জামান। তিনি ঝালকাঠির বিকনা দ্বিনিয়া মুহিব্বুল্লাহ মাদরাসার অঙ্কের শিক্ষক। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে বিকনা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের এসআই হানিফ জানান, লিখতে না পারায় সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে শিক্ষার্থীদের পানি খাইয়েছেন মনিরুজ্জামান নামের ওই শিক্ষক। তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভিকটিম নাসরুল্লাহ’র মা শাহিদা বেগমের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    গত ২৮ জানুয়ারি শনিবার অঙ্ক ক্লাসে পাঠদানের সময় পড়া না পারায় সহপাঠীর পা এবং জুতা ধুয়ে শিক্ষার্থীদের পানি পান করার অঙ্কের শিক্ষক মনিরুজ্জামান। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরে সদর থানা পুলিশের নজরে এলে আইনগত ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

  • আইজিপি শহীদুল হকের বিদায়, দায়িত্ব নিলেন জাবেদ পাটোয়ারী

    আইজিপি শহীদুল হকের বিদায়, দায়িত্ব নিলেন জাবেদ পাটোয়ারী

    বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেলের (আইজিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাবেদ পাটোয়ারী। বুধবার দুপুরে পুলিশ সদরদফতরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সদ্য সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক। দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে ৩২ বছরের কর্মজীবনের ইতি টানেন একেএম শহীদুল হক।

    বুধবার পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত ‘বিদায় সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে শহীদুল হক বলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার মাধ্যমে পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে ৩২ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। তিনি আরও বলেন, গত তিন বছর এক মাস আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চেষ্টা করেছি পুলিশের সক্ষমতা উঁচুমাত্রায় নিয়ে যেতে এবং পুলিশকে জনবান্ধব করতে। দায়িত্ব পালনকালে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু সাহকিতার সঙ্গে সব সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

    ‘গত তিন বছরে পুলিশে যা অর্জন তার কৃতিত্ব কনস্টেবল থেকে আইজি পর্যন্ত সবার। আর সব ব্যর্থতার দায় আমার। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের সবাইকে হয়তো খুশি করতে পারিনি। একটা প্রশাসনিক কাঠামোতে কাজ করতে হয়েছে। এর বাইরে কিছু চাপ, কিছু গাইডলাইন থাকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কারো প্রতি বিরাগভাজন ছিলাম না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, স্বপ্ন অনেক থাকে কিন্তু সব তো পূরণ হয় না। তবে অধিকাংশ কর্মপরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করেছি। পুলিশের পেশাদারিত্বের জন্য ২০টি নির্দেশনা দিয়ে গেছি। ৯৯৯- জরুরি সেবা ছিল সবচেয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। তবে থানা লেভেলে পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। আমি চেয়েছিলাম মানুষ যেখানে অভিযোগ নিয়ে যায়, যেটা মানুষের শেষ ভরসা, সেখানে সেবা পেয়ে যেন সন্তুষ্টি নিয়ে ফিরে।

    আমি থানা পর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে অনেক চেষ্টা করেছি, অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্তু পুরোপুরি পরিবর্তন হয়নি। যদিও এটা সময় সাপেক্ষ ব্যপার। পুলিশে নতুন ছেলেরা আসছে, আশা করব তারাই মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে। একই অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বিগত দিনগুলোতে আইজিপিকে সবাই যেভাবে সহায়তা করেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সামনের দিনগুলোতেও সে সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার পুলিশের যে প্রয়াস, সেটা অব্যাহত রাখতে পারলে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন সদ্য দায়িত্ব নেয়া জাবেদ পাটোয়ারী।