Author: banglarmukh official

  • ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি শাজাহান সম্পাদক নুরুন্নবী

    ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি শাজাহান সম্পাদক নুরুন্নবী

    ঐতিহ্যবাহী ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের ওবায়েদুর রহমান শাজাহান। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে নুরুল আলম নুরুন্নবী।

    সভাপতিসহ ৫টি পদে বিএনপি প্যানেল থেকে ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮টি পদে আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছে। সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্যানেলের মো. শাজাহান, তার সঙ্গে নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মোহাম্মদ লিয়াকত। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মোহাম্মদ মসিউর রহমান মুরাদ, যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে আলাউদ্দিন টিটু এবং বিএনপি সমর্থিত প্যানেলে মোহাম্মদ কাওছার। ধর্ম ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মহিউদ্দিন। পাঠাগার সম্পাদক দুটি পদেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের মেজবাহুল আলম এবং মুশফিকুর রহমান বাবু নির্বাচিত হন।

    নির্বাহী সম্পাদক পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে আবুল কাশেম, কার্তিক চন্দ্র সাহা এবং বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মাহাবুবুল ইসলাম। শনিবার ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ ভবনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন প্রথম যুগ্ম জেলা জজ হাবিবা মণ্ডল ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার ছিলেন সহকারি জজ সাদিক আহমেদ। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. এনামুল করিম। ফলাফল ঘোষণাকালে সিনিয়র সহকারি জজ কামাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. শহিদুল্লাহ এবং সহকারি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ দে ও মো. ইউসুফ।

  • প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফর সফল করার লক্ষ্যে বরিশালে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছে যুবলীগ।  রবিবার বিকেল ৪টায় নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর জনসভা স্থল বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্দ্যান জন সমুদ্রে পরিণত করার আহবান জানান। একই সাথে শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে যুবলীগের সকল নেতাকমীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এসময় অন্নান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুখ। বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম সহ প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুচ এমপি, সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রমূখ। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার যুবলীগের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • ২ কোটিতে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে সাকিব

    সাকিব আল হাসানের জন্য কেকেআরের সমর্থন বেশি ছিল বাংলাদেশে। প্রথম থেকে কলকাতার হয়ে খেলা সাকিবকে ছেড়ে দিয়েছে শাহরুখ খান। তাই এই বাংলাদেশি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে লুফে নিয়েছে টম মুডির সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ।

    এবারের আইপিএলেরের নিলামে সাকিবকে কিনতে লড়াইয়ে নামে রাজস্থান র‍্যায়েলস ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে। শেষ পর্যন্ত ২ কোটিতে তাকে হায়দরাবাদ কিনতে সক্ষম হয়। তাই এবারের আসরে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে দেখা যাবে হায়দ্রাবাদের জার্সিতে।

  • উত্তম কোনও মেয়ের দিকে তাকালেই বেণু চোখ চেপে ধরত’

    উত্তম কোনও মেয়ের দিকে তাকালেই বেণু চোখ চেপে ধরত’

    সুপ্রিয়াদেবীর সাথে উত্তম কুমারের সম্পর্কের কথা সকলেরই জানা। তাকে ভীষণ ভালোবাসতেন সুপ্রিয়া দেবী, তাকে যত্নও করতেন ভীষণ। রান্না করে খাওয়াতেন তার পছন্দের খাবার। যার মধ্যে ভেটকি মাছে ‘কাঁটা চচ্চরি’র গল্প হয়ত বা অনেকেই জানেন।

    সুপ্রিয়া দেবী উত্তম কুমারের প্রতি ভীষণ পজেটিভও ছিলেন। মহানায়কও সুপ্রিয়াদেবীর কাছে খুঁজে পেয়েছিলেন আশ্রয়। কেমন ছিল ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় এই জুটির সম্পর্ক? তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েই অনেক কথা, অনেক স্মৃতি মেলে ধরেন অভিনেত্রী ললিতা চট্টোপাধ্যায়।

    সে সময়ে ছবির শুটিং সেটের একটি ঘটনাও শেয়ার করেন ললিতা চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, উত্তমের সঙ্গে আমার একটা ছবির শুটিংয়ের আউটডোরে গেছি। বেণুও গেছে (সুপ্রিয়া দেবী)। ওর সব সময় মনে হত উত্তম বোধহয় অন্যকোনও মেয়ের দিতে তাকাচ্ছে। উত্তম তাকাতও (হেসে ফেলে) কারণ সব মেয়েরাই তো উত্তমের জন্য পাগল ছিল। ও উত্তমের চোখটা হাত দিয়ে চেপে ধরত, বলত, না না অন্য কোনোও মেয়ের দিকে তাকাবে না। বলত, রুনুর (ললিতা চট্টোপাধ্যায়) দিকে তাকাবে না। যদিও ও জানত রুনুর থেকে কোনও সমস্যা নেই।

  • গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি কী হবে— এ নিয়ে বিএনপির ভিতরে-বাইরে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রায়ে দলের প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হবে, না বেকসুর খালাস পাবেন— তা নিয়ে সারা দেশের নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। উত্সুক দৃষ্টি সব মহলেরও। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে কিংবা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দিন ধরেই এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। তবে মানসিকভাবে অনেক শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেলকে তিনি ভয় পান না বলে ঘনিষ্ঠজনদের এরই মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে থাকারও চিন্তাভাবনা চলছে। রায় নেতিবাচক হলে পরবর্তী কী করণীয় তা নিয়ে আজ দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন বেগম জিয়া। ওই বৈঠকেই কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। এ ক্ষেত্রে হরতাল, অবস্থানসহ দীর্ঘমেয়াদি কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে বলে দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছে বিশেষ আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে খালেদা জিয়ার তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন ‘সাজা’ হতে পারে বলে আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বেকসুর খালাস পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। খালেদা জিয়া নিজেও আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে ‘সরাতে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার নীলনকশা’ বাস্তবায়ন করছেন ক্ষমতাসীনরা। আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন কিনা— তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে সরানোর চক্রান্ত চলছে। কার্যত, সরকার জিয়া পরিবারকে রাজনীতির বাইরে রাখতে চায়। তাই মিথ্যা অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। রায় কী হবে তা সরকার আগেই ঠিক করে রেখেছে। দেশে যে আইনের শাসন নেই, ন্যায়বিচার সুদূরপরাহত সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে। বিচার হবে— প্রধানমন্ত্রী যা চাইবেন তাই। এখন পর্যন্ত তার (এরশাদ) এ বক্তব্য যে আদালত অবমাননার শামিল, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।’ বৃহস্পতিবার রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর রাতে গুলশানের বাসায় যান বিএনপিপন্থি সিনিয়র আইনজীবীরা। তারা বেগম জিয়াকে সান্ত্বনার বাণীও শোনান। উচ্চ আদালতে এ মামলার রায় টিকবে না বলেও বেগম জিয়াকে আশ্বস্ত করেন। এ ছাড়া কয়েকজন সিনিয়র নেতাও বেগম জিয়ার সঙ্গে বাসায় দেখা করে তাকে আশ্বস্তের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপি-প্রধান সবাইকে অভয় দিয়ে বলেছেন, রায় কী হবে তা নিয়ে তিনি বিচলিত নন। দেশপ্রেমিক প্রকৃত রাজনীতিবিদরা জেল-জুলুমকে কখনই ভয় পান না। তবে রায়ের নেতিবাচক দিক বিবেচনায় নিয়ে বেগম জিয়া মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

    নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর ঢাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা একাধিকবার বৈঠকে বসেন। অঙ্গসংগঠনের নেতারাও পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। দীর্ঘমেয়াদে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে তার প্রস্তুতি নিয়েও কথাবার্তা বলছেন শীর্ষ নেতারা। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে নানা কৌশলও নিতে শুরু করেছেন। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনভর কোনো নেতা-কর্মী দেখা যায়নি। কারও কারও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে এই পরিস্থিতিতে অনেক নিষ্ক্রিয় নেতা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও জানা গেছে। জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের দিনক্ষণ ঘোষণায় হতবাক হয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা। তাদের ধারণা ছিল, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা হবে। তা হতেও বেশ সময় লাগবে। এর মধ্যে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু হঠাৎই এ রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণকে ‘বিশেষ মহলের’ ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন তারা। আইনজীবীরা আরও বলেছেন, ন্যায়বিচার হলে এ রায়ে কিছুই হবে না। তবে যে প্রক্রিয়ায় মামলাটি চলছে, তাতে নেতিবাচকই হওয়ার সম্ভাবনা। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়া সম্ভব।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার  বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। এ মামলার রায়ে বেগম জিয়ার কিছুই হবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এ মামলাটি স্বাভাবিক গতিতে চলছে কিনা? আমি এখনো আশাবাদী, ন্যায়বিচার পাবেন আমাদের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। কোনো কারণে সাজা দেওয়া হলে বুঝতে হবে, স্বাভাবিক আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা উচ্চ আদালতে জামিন চাইব। আশা করি, জামিন পাব। সে ক্ষেত্রে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না।’ এদিকে রায়ের নেতিবাচক দিক ধরে নিয়েই সারা দেশে নেতা-কর্মীদের কাছে ‘বিশেষ বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। দলের হাইকমান্ড থেকে এ বার্তা পাঠানো হয়। তা ছাড়া সিনিয়র নেতাদের জেলা সফরেও এ বিষয়ে নেতা-কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে তত্ক্ষণাৎ বিক্ষোভ মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। এরপর কেন্দ্র থেকে ঘোষিত যে কোনো কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ বার্তা জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম  জানান, ‘তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নিলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসে থাকতে পারে না। এ অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই দেশবাসী করবে। কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মসূচিই সর্বস্তরের মানুষ বাস্তবায়ন করবে।’ একই কথা বলেন বরিশাল বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান। তিনি জানান, ‘রায় নেতিবাচক কিছু হলে হাইকমান্ড যে কর্মসূচি দেবে তা আমরা বাস্তবায়ন করব। গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জেলে গেলে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কিংবা কোনো সমর্থক ঘরে বসে থাকতে পারেন না। সরকার যত চেষ্টাই করুক না কেন, খালেদা জিয়া ছাড়া আগামীতে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

  • পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও চিকিৎসা

    পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও চিকিৎসা

    পাইলস হলে বা পায়ুপথের কোনো রোগ হলে অনেক রোগী সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। কারণ তারা মনে করেন ডাক্তারের কাছে গেলেই বুঝি অপারেশন করে দেবেন। পাইলস হলেই অপারেশন করতে হবে কথাটি সঠিক নয়। আর একবার করলে বার বার করতে হবে সেটি পুরোপুরি মিথ্যা। পাইলসকে কয়েক স্তরে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলসে শুধু রক্ত যায়। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে একটু একটু করে মাংসপিণ্ড বের হয় এবং চলে যায়, তৃতীয় পর্যায়ে মাংসপিণ্ডটি যেতে চায় না, ঠেলে ঢুকিয়ে দিতে হয়, আর চতুর্থ পর্যায়ে সেটি সবসময় বাইরেই থাকে। প্রথম দুই পর্যায়ে অর্থাৎ যখন শুধু রক্ত যায় আর মাংসপিণ্ড বেরিয়ে চলে যায়, এ সময়ে সাধারণত অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না। অপারেশন ছাড়া চিকিৎসার কয়েকটি পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে রিং লাইগেশন কার্যকর এবং জনপ্রিয়। পাইলসের গুচ্ছসূমহের গোড়ায় একটি আংটির মতো রিং পরিয়ে দেওয়া হয়। রিং পাইলসের গুচ্ছকে চেপে ধরে রাখে এতে এর রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে কয়েক দিন পর পাইলসটি পড়ে যায়। এজন্য হাসপাতালে থাকতে হয় না। আর একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ইনজেকশন স্ক্লেরথেরাপি। এই প্রক্রিয়ায় পাইলসের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইনজেকশন দেওয়া হয়, ফলে পাইলসটি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। এটিও ব্যথামুক্ত এবং এজন্যও রোগীকে হাসপাতালে থাকতে হয় না। আরও কয়েকটি পদ্ধতি আছে, যেমন ইনফ্রারেড কোয়াগুলেশন, লেজার থেরাপি ইত্যাদি। কিন্তু এসবে ফলাফল তেমন সন্তোষজনক না হওয়ায় সেগুলো জনপ্রিয় নয়।

    অপারেশন ছাড়াই অধিকাংশ পাইলসের চিকিৎসা সম্ভব, তবে তার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। রোগীদের প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। কিন্তু  দেখা যায় অধিকাংশ রোগীই চিকিৎসকের কাছে আসেন অনেক দেরিতে। অনেক সময় ১৫/২০ বছর রোগে ভোগার পর। এ সব ক্ষেত্রে আসলেই অপারেশন ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর থাকে না।

    চিকিৎসকের কাছে গেলেই অপারেশন করে দেবে কথাটা ঠিক নয়, বরং যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ার কারণেই বাধ্য হয়ে পাইলসের অপারেশন করতে হয়।

    অধ্যাপক ডা. এসএমএ এরফান

    জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

  • দুই দিনেই ৪ লাখ পেরিয়েছে আসিফের ‘ফুঁ’

    দুই দিনেই ৪ লাখ পেরিয়েছে আসিফের ‘ফুঁ’

    দুই দিনে ৪ লাখ পেরিয়েছে আসিফ আকবরের নতুন গানের ভিডিও ‘ফুঁ’। গত ২৫ জানুয়ারী রাতে গানের ভিডিওটি মুক্ত হয় ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ (ডিএমএস) এর অফিসিয়াল ইউটিউবে চ্যানেলে। গানটি প্রকাশের পর থেকেই এটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দর্শকদের মাঝে। আসিফ ভক্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ভিডিওটিতে।

    জনপ্রিয় গীতিকবি মারজুক রাসেলের লেখ ও সুরে এর সংগীতায়োজন করেছেন জে কে মজলিশ। গানটির ভিডিওতে অনেকটাই ক্রেজি লুকে দেখা গেছে আসিফ আকবরকে। আর গানটিতে তার সাথে মডেল হিসেবে রয়েছেন সময়ের অন্যতম আলোচিত মডেল সিনি স্নিগ্ধা। গানের কথার সাথে মিল রেখে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক সৈকত নাসির।

    গানটি প্রসঙ্গে আসিফ বললেন, অনেক দিন পর মারজুক রাসেলের সাথে কাজ করলাম। ‘ফুঁ’ গানের শিরোনামের মধ্যেই একটি চমক আছে। আর ভিডিওতেও সেই চমকের ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

  • যেভাবে হোয়াটস অ্যাপে চলবে ইউটিউব

    যেভাবে হোয়াটস অ্যাপে চলবে ইউটিউব

    আইওএস ডিভাইসে অ্যাপের মধ্যেই ইউটিউব ভিডিও দেখতে নতুন ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ। আগে চ্যাটিং অ্যাপটিতে কোনো ইউটিউব লিঙ্ক পাঠানো হলে গ্রাহককে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে বের হয়ে ইউটিউব অ্যাপে তা দেখতে হতো। আইওএস ডিভাইসের জন্য নতুন আপডেটে এবার হোয়াটসঅ্যাপেই ইউটিউব ভিডিও দেখা যাবে। সম্প্রতি হোয়াটস অ্যাপ সেটি আপডেট করেছে।

    হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে একটি ভাসমান উইন্ডোতে ইউটিউব ভিডিওটি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন ফিচারটি পেতে আইওএস গ্রাহককে অ্যাপ স্টোর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ সংস্করণ ২.১৮.১১-তে আপডেট করার কথা জানানো হয়েছে। ইউজারকে পাঠানো ইউটিউব লিঙ্কে চাপলেই হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে ইউটিউব ভিডিও দেখা যাবে। আগে লিঙ্কে চাপলে ইউটিউব অ্যাপ চালু হতো।

  • যুবককে হত্যার ঘটনায় এসআই নাজমুলসহ গ্রেফতার ৩

    যুবককে হত্যার ঘটনায় এসআই নাজমুলসহ গ্রেফতার ৩

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগে পুলিশের এক এসআইসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সীতাকুণ্ড থানার এসআই নাজমুল ও তার সঙ্গে অভিযানে থাকা কনস্টেবল আবুল কাসেম ও আনসার সদস্য ইসমাইল।

    শুক্রবার সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নিহত যুবকের ভাই দিদার এসআই নাজমুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

    সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হাসান জানান, বুধবার রাতে উপজেলার ভাটিয়ারী তেলিপাড়ায় তিনজনকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনায় উপস্থিতদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিহত সাইফুলের ভাই। বৃহস্পতিবার সকালেই এসআই নাজমুল, কনস্টেবল আবুল কাসেম ও আনসার ইসমাইলকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বুধবার ভাটিয়ারী তেলিবাজার এলাকা থেকে দুই নিরীহ যুবককে ধরে এসআই নাজমুল গাড়িতে তোলার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী বাধা দেয়। এতে নাজমুল তাদের ওপর গুলি চালালে সাইফুলসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে সাইফুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

  • শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    জার্মানিতে ছেলে শিশুদের ‘মুহাম্মদ’ নামটি খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ‘মুহাম্মদ’ নামটি  ২৬তম পছন্দের তালিকায় রয়েছে। গত এক দশকের কম সময়ের মধ্যে ৪১ ধাপ এগিয়ে নামটি এই অবস্তান অর্জন করেছে । খবর ডেইলি মেইল’র।

    সোসাইটি ফর জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ জানিয়েছে , যদি মুহাম্মদ নামের বিভিন্ন বানান আমলে নেয়া হয় তাহলে এর অবস্থান আরও সামনে এগিয়ে আসবে। এমনকি  আগামী তিন বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় চলে আসবে মুহাম্মদ ।

    সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড্রু ইওয়েল বলেন, এটা জার্মানিতে মুসলিম মাইগ্রেশনের কারণে হচ্ছে। এমনকি ২০২১ সালের মধ্যে মুহাম্মদ নামটি ১ নম্বর পছন্দের তালিকায় চলে আসবে।

    উল্লেখ্য, কট্টর ইসলামবিদ্বেষী রাজনৈতিক দল এএফডির নেতা আর্থার ওয়েঙ্গারের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার সময়েই এমন একটি খবর প্রকাশ পেল। এছাড়া গত মে মাসের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে লন্ডনে পছন্দের প্রথম ১০টি নামের তালিকায় মুহাম্মদ নামটি আছে ২য় নম্বরে।  ২০১৬ সালে আমেরিকায় জন্ম নেয়া ৯৫৮ জন শিশুর নাম রাখা হয়েছে মুহাম্মদ।