Author: banglarmukh official

  • একনেকে ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    একনেকে ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক’র সভায় ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

    সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রেস ব্রিফিংয়ে ১৪ প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়টি জানান।

  • নাসরিনকে কাঁদিয়েছেন মৌসুমী-শাবনূর-পূর্ণিমা

    সেন্স অফ হিউমার নামের একটি অনুষ্ঠানে বড় নায়িকাদের নায়িকাদের নিয়ে মুখ খুলেছেন আলোচিত অভিনেত্রী নাসরিন। ক্যারিয়ারে প্রাপ্তি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অনেক কিছুই পেয়েছি। আবার অনেক কিছু পাইনি। তার জন্য বড় নায়িকারা দায়ী।

    সঞ্চালক শাহরিয়ার নাজিম জয় সেসব নায়িকার নাম জানতে চাইলে নাসরিন বলেন, মৌসুমী আপা, শাবনূর। ছবিতে আমি থাকলে আমার ক্লোজ আপটা (সাবজেক্টের খুব কাছ থেকে নেয়া শট) থাকবে না। তারা বলতো লাইট-ক্যামেরা অন্যরকম করে দিতে। এসব নিয়ে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। মেকআপ রুমে কেঁদেছি। পূর্ণিমা তৈরি হয়েছে শুধু আমার জন্য। পরে ওই আমাকে বাদ দিয়েছে। বলেছে, আমি থাকলে সে কাজ করবে না।

    পূর্ণিমা বাদ না দিলে আপনি পূর্ণিমার জায়গায় যেতে পারতেন-সঞ্চালকের প্রশ্নে নাসরিন বলেন, হ্যাঁ। আমি তাই মনে করি। আমাকে রাজ্জাক ভাই বাপ্পার সাথে নায়িকাও বানাতে চেয়েছিলেন।’

    নাসরিন আরো বলেন, রাজ্জাক ভাই’র ছবিতে বাপ্পার নায়িকা ছিল কাজল। শুটিং শুরুর আগে তার বাবা মারা যায় তখন আমাকে নায়িকা হতে বলে। কিন্তু আমি হয়নি। কারণ তখন ওই মেয়েটার বাবা মারা গেছে। এমনিতেই মন ভালো ছিলো না, এর মাঝে যদি এসে দেখত যে কাজটাও ছুটে গেছে তাহলে তো আরো কষ্ট পেতো। এমনও অনেক নায়িকা আছে যারা নাচ পারতো না। আমি তাদেরকে নাচ শিখিয়ে পরে শট দিতে পাঠিয়েছি।

    নাসরিন বলেন, দিলদার ভাইয়ের (জনপ্রিয় অভিনেতা দিলদার) সাথে আমার অনেক কাজ করা হয়েছে। যার ফলে অনেকেই আমাকে দিলদারের নায়িকা হিসেবে ডাকতো। যেটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য বাজে ছিলো। কেননা দিলদারের নায়িকা হিসেবে ডাকার কারণে অনেক পরিচালক আমাকে কাজ দিতো না। শুধু তাই নয়, এখনো আমি রাস্তায় বের হলে মানুষ বলে ঐ যে দিলদারের নায়িকা। আমি কিন্তু দিলদারের জন্য পরিচিত না, জনপ্রিয় হই নি। বরং আমার সাথে জুটি বেঁধে দিলদার ভাইয়ের লাভ হয়েছে। মোট কথা সবাই আমাকে ব্যবহার করেছে।

  • প্রণব মুখার্জিকে ডি-লিট ডিগ্রি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের

    প্রণব মুখার্জিকে ডি-লিট ডিগ্রি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের

    ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

    মঙ্গলবার দুপুুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুর রব হল মাঠে এ সম্মানসূচক ডিগ্রি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ডিগ্রি গ্রহণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।বক্তৃতায় প্রণব মুখার্জি শিক্ষার মান বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার মান ও গবেষণার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

    তিনি বলেন, আমি যখন ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি। তখন শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে সেসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বও আমার উপর বর্তায়। এটি পালন একটি বড় কাজ।

    এছাড়া বক্তব্যে তিনি গণতন্ত্রের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া যায়।’

  • এখন ‘এক’ ক্লিকেই হিটলারের সঙ্গে সেলফি, মোনালিসাকে চুমু

    গুগল আর্টস এন্ড কালচারাল অ্যাপ’র কল্যাণে বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের জায়গায় এখন নিজেকে পাবেন আপনিও। কয়েকদিন আগে এই অ্যাপটির নতুন একটি ফিচার যোগ হয়। সেই ফিচারের দৌলতে জনপ্রিয় হয়ে গেছে অ্যাপটি। যার ফলে শুধু ফোনের একটা ক্লিক, মুহূর্তের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে যাবেন আপনি।

    খবর অনুযায়ী, প্রথমে অ্যাপটি খোলা হলে সেলফি তোলার অপশন আসবে। তারপর আপনার মুখের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে এমন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব কিংবা ইতিহাস প্রসিদ্ধ শিল্পকর্মের স্রষ্টাদের সঙ্গে মিলিয়ে একটি ছবি পেয়ে যাবেন আপনি। সেই ছবি শেয়ার করা যাবে ফেসবুক, ট্যুইটার ও ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটগুলিতেও।

    তবে শুধু বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নয়, জনপ্রিয় পেন্টিংয়ের সঙ্গে নিজের ছবি বানানোরও সুযোগ থাকছে এখানে। ফলে হিটলারের হাত ধরে দাঁড়ানো বা মোনালিসাকে চুমু খাওয়া আপনার কাছে এক ক্লিক দূরত্বে। তবে শুধু এটি নয়, এর আগেও বিভিন্ন অ্যাপ মারফত আগেও প্রতিকৃতি করার সুযোগ এসেছে।

    কিন্তু গুগল আর্টস এন্ড কালচারাল অ্যাপে এডিট হওয়া ছবির সঙ্গে গ্রাহকদের মুখের অবিকল মিল থাকায় সহজেই জনপ্রিয় হয়ে গেছে। জানা গেছে, প্রায় ১২০০ মিউজিয়াম, গ্যালারি ও শিল্পকলা, ব্যক্তিত্বের ইমেজ রয়েছে সেই অ্যাপটিতে। তবে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, গুগল আর্টস এন্ড কালচারাল অ্যাপে মেতেছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় সেলিব্রেটিরাও।

  • সরকারের আশ্বাসে অনশন স্থগিত করেছেন ইবতেদায়ির শিক্ষকরা

    সরকারের আশ্বাসে অনশন স্থগিত করেছেন ইবতেদায়ির শিক্ষকরা

    চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশনরত ইবতেদায়ি শিক্ষকরা সরকারের আশ্বাসে অনশন স্থগিত করেছেন।

    এর আগে দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে গত ৯ দিন টানা অনশন করেন শিক্ষকরা। এসময় আমরণ অনশনে অন্তত ১৮৬ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩০ জন। এছাড়া, মঙ্গলবার নতুন করে আরও ৯ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন।

    উল্লেখ্য, সারাদেশে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে নিবন্ধিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৯৪টি। এর মধ্যে চালু আছে ১০ হাজারের মতো। এসব মাদ্রাসায় শিক্ষক আছেন প্রায় ৫০ হাজার।

  • রাজশাহীতে ট্রেনে কাটা পড়ে পশ্চিমাঞ্চলের  রেলওয়ের  কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন (৫২) নিহত হয়েছেন।

    রাজশাহীতে ট্রেনে কাটা পড়ে পশ্চিমাঞ্চলের রেলওয়ের কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন (৫২) নিহত হয়েছেন।

    রাকিব সিকদার :

    মঙ্গলবার (জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে গৌরহাঙ্গা রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আলতাফ হোসেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের হিসাব শাখার অডিটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি মহানগরীর ঘোড়ামারা এলাকার মৃত মীর সেকেন্দার আলীর ছেলে।

    রামেক হাসপাতাল পুলিশের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক জানান, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সদর দফতরের পাশেই রেললাইন পারাপার হচ্ছিলেন আলতাফ হোসেন। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা একটি কম্পিউটার ট্রেন রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ঢুকছিলো। এ ট্রেনটির নিচেই কাটা পড়েন আলতাফ হোসেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সদর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের কর্মীরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

    নিহত ব্যক্তির পকেটে থাকা আদালতের একটি সমনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। রাজশাহী গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইকবাল বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মহানগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। এ নিয়ে থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হবে বলেও জানান জিআরপি থানার এ পুলিশ কর্মকর্তা।

  • ২ এপ্রিল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

    ২ এপ্রিল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। ১ এপ্রিল সরকারি ছুটি হওয়ায় একদিন পিছিয়ে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত রুটিনের সময়সূচি এক বা দুদিন আগে পিছে করা হতে পারে। প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ মে পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে। এরপর টানা পাঁচদিন চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

    এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার কম্পিউটার বিষয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে না। আইসিটি বিষয়ের মধ্যে কম্পিউটার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে প্রতি বছর এ পরীক্ষা মোট ৪৪ দিন ধরে আয়োজিত হলেও এবার দুদিন কমিয়ে ৪২ দিন পর্যন্ত চলবে এইচএসসি পরীক্ষা।

    জানা গেছে, এ বছর ঢাকা বোর্ডে মোট ৫৮টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় গত বছরের চাইতে এবার মোট ছয়টি কেন্দ্র কমানো হয়েছে। বাতিল কেন্দ্রগুলো মধ্যে ড. শহীদুল্লাহ কলেজ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ধানমন্ডির নিউ মডেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্ট গালর্স কলেজ, আবতাব নগরের ইমপেরিয়াল কলেজসহ আরো একটি কলেজ রয়েছে।

    ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষা রুটিন তৈরি করা হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হলেই তা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে থাকে। কিন্তু এবার সেদিন স্টার সানডে হওয়ায় পরীক্ষার রুটিন একদিন পিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

  • ডিএনসিসিতে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল

    ডিএনসিসিতে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল

    আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    সোমবার রাতে চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    এর আগে গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন বোর্ড দলীয় প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়ালকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বোর্ডের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন খালেদা জিয়া। পদাধিকার বলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    বোর্ডে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    রাত সাড়ে ৮টায় মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী পাঁচ প্রার্থী গুলশান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা হলেন- দলের বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক সাংসদ মেজর (অব) আখতারুজ্জামান, সহ-প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ সুমন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাউয়ুমের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু।

  • ভাঙ্গায় ইজি বাইকে চাদর পেঁচিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    ভাঙ্গায় ইজি বাইকে চাদর পেঁচিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    তানজীল শুভ :

    ফরিদপুর: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইজিবাইকের মোটরে চাদর পেঁচিয়ে মিরজান বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার গোল চত্বরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    মিরজান উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পশ্চিম আলগী গ্রামের আবু মিয়ার স্ত্রী। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজুল ইসলাম বাংলারমুখকে জানান, সন্ধ্যায় ইজিবাইকে করে মালিগ্রাম বিয়াই বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন মিরজান। পথে গোল চত্বরে এলে ইজিবাইকের মোটরের সঙ্গে তার চাদর পেঁচিয়ে যায়। এসময় নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা মিরজানকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • বরিশালের কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন’র ধারাবাহিক উপন্যাস

    বরিশালের কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন’র ধারাবাহিক উপন্যাস

    ভাঙ্গন (পর্ব – ৫)

    এই বাড়িতও অনেক মানুষ । তয় আমাগো গেরামের কেউরে দেহিনা । আমাগো গেরামের খালি আমি আর মজিদ মিয়া বাকি মানুষগুলান কোন গেরামের তা আমি চিনতে পারিনাই । এই হানে আইসা মনে অইছিল মাদবর সাব আমারে দেইখা খুশি অইয়া সেইরহম এ্যাখ্যান হাসি দিয়া কাছে দাঁড়াইবো, কিন্তু না, মাদবর সাব সেইরহম হাসি দেয় নাই । সাভাবিক মুহের ভাব রাইখা সামনে আইছে । আমার হাতের তোন পান নেয়নের মতন এ্যাহন তার মুখ নাই । আমি কিরহম আছিলাম হেইয়া মনে নাই । তয় বারবার মনে অইছিল কেউ যদি কইত তুমি বও, ভাত দিতাছি তাইলে আমি মনে হয় খুশিতে হাইসা ই দিতাম । তয় হেইসময় মাদবর সাব খালি জিগাইছে – রইসুদ্দিন আইয়ে নাই ? আমি চুপ কইরা খাড়াইয়া রইছি । কোনও রাও করি নাই, পাসের তোন মজিদ মিয়া মুখ তুইলা ব্যাক খুইলা কইল । সব কতা হুইন্না মাদবর কইল – আহো । আমি হের পিছন পিছন যাইতে শুরু করছি আর হেইসুম মজিদ মিয়া কইল – ভাবী যান, আমি এই দিকে আছি ।এ্যাকবার পিছন ফিরা দেহার ইচ্ছা অইলেও অমানুষের নাহান মাদবরের পিছে পিছে বাড়ির মইদ্যে হাইন্দা গেছি । তয় মজিদ মিয়ার কোলের তন পোলাডা লইয়া আওনের সুম এ্যাকবার হের মুহের দিগে চাইছিলাম – দেখছি বেডার চোহে-মুহে ম্যালা খিদা । আলু ভর্তা দিয়া আমার সামনে এ্যাক থাল ভাত দিছে । ভাত, ভাত দেইকা আমার অনেক দিন আগের এ্যাকটা কতা মনে অইল । গেদার বাহের কুত্তায় এ্যাকটা ডিম ঘরের ছাইছের তুন টোহাইয়া খাইছিল, তহন কুত্তাডারে দুইদিন বাইন্দা রাখছিল । খাইতে দেয় নাই । দুইদিন পর যহন ছাইড়া দিছি হেইসুম হেই কুত্তাডা দৌড়াইয়া গিয়া ফ্যান খাউইন্না ভাঙ্গা আউত্তাডার উপরে উব্বুরাইয়া পড়ছিল । যহন আমি কতুডুক বাসি ফ্যান হেই ভাঙ্গা আউত্তাডায় ঢাইলা দিছি তহন কুত্তাডা হেই ফ্যানের মইদ্দে জিব্রা দিয়া চুক চুক কইরা খাওনের বদলে তরাইস্যার নাহান মুক হান্দাইয়া দিছিল । এহন আমার অবস্তাও সেইমতন অইছে । মনে অইল সব ভাত এ্যাকবারে পেডের মইদ্দে হান্দাইয়া দেই । ভাত খাইলাম, প্যাড ভরে নাই, প্যাডের খালি যাগাডা পানি দিয়া ভরনেরও উপায় নাই । এ্যাকজন মহিলা মগে কইরা এ্যাক মগ পানি আর ভাত দিয়া গ্যাছে । এ্যাক মগ পানিতে খাওয়ার পরে আর হাত ধোয়ার পানিও নাই ! তবুও শুকুর করলাম । আর মনে মনে কইলাম এইবার গেদাডায়ও বোহের দুত পাইবো । ভাত খাইয়া ঘরের তোন বাইরে নামছি বাদে মনে অইল আমি কেমন জানি অইয়া গেলাম । নতুন কইরা কিছু ঘডে নাই, কাইলকা রাইতের ঝড়-তুফান গেছে নদীত অহন ঝড়-তুফান শুরু অইছে আমার বোহের মইদ্দে । এ্যাহন খালি মনে অইতে লাগল আমার চাইর দিগে কেউই নাই । সামনে খালি আন্দার আর আন্দার দেহি । কোলের তোন পোলাডা হাত ফইসকা ধরাস কইরা পইরা গেছে, এইটুক খালি মনে আছে আর হেইসুম উডানের মইদ্দে তোন মজিদ মিয়া আমার দিগে আইতে ছিল । (চলবে)