Author: banglarmukh official

  • যৌন নিগ্রহের অভিযোগে আত্মঘাতী রিপাবলিকান নেতা

    যৌন নিগ্রহের অভিযোগে আত্মঘাতী রিপাবলিকান নেতা

    পাঁচ বছর আগে এক কিশোরীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’র সদস্য কেন্টাকির রিপাবলিকান সেই নেতা ড্যান জনসন মারা গিয়েছেন। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

    কেন্টাকির বুল্লিট কাউন্টির মাউন্ট ওয়াশিংটনের কাছে তার দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার দেহে ছিল একটা গুলির আঘাত। মরদেহের পাশে পড়ে ছিল ৪০ ক্যালিবারের সেমি অটোম্যাটিক হ্যান্ডগান।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ড্যান লুইসভিলের দক্ষিণপূর্বের একটি এলাকায় গিয়েছিলেন গাড়ি চালিয়ে। তার পর সেখানে গাড়ি পার্ক করেন। গাড়ির সামনেই গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন। তার কিছু ক্ষণ আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ এবং খাপছাড়া এক বার্তায় জানান, তিনি যৌন নিগ্রহ করেননি।

    পরিবারের বাকিদের বলেন, তার স্ত্রীর পাশে থাকতে।

    এই পোস্ট দেখেই আত্মীয়রা উদ্বিগ্ন হয়ে পুলিশকে জানান। সেই খবরে পুলিশ খোঁজ শুরু করে তার দেহ উদ্ধার করে।

  • ভারতীয় তারকা ক্রিকেটারের বাবা গ্রেফতার

    ভারতীয় তারকা ক্রিকেটারের বাবা গ্রেফতার

    ভারতের কোলাপুরের রাস্তায় এক বৃদ্ধাকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ায় গ্রেফতার হলেন ভারতীয় টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের বাবা। শুক্রবারে ঘটনাটি ঘটেছে।

    টোবে মাধুকর বাবুরাও রাহানে নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। কাগালের কাছে জাতীয় সরকে মাধুকরের গাড়ি পথ চলতি ৬৭ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়। মৃত সেই বৃদ্ধার নাম আশাতাই ক্যামবেল।

    ৫৪ বছরের মাধুকরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চালানোর জন্য। কিন্তু দূর্ঘটনার সময় কে গাড়ি চালাচ্ছিলেন সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। সেই গাড়িতে রাহানের মা ও বোনও ছিলেন। সকলে মিলে কোঙ্কনে ছুটি কাটাতে যাচ্ছিল।

    আহত সেই মহিলাকে সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

    এর পরই কাগাল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ৩০৪ (এ), ২৮৯, ৩৩৭, ৩৩৮ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

    রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

    রোগীদের লিভারের ওপর খোদাই করা ব্রিটেনের এক বিখ্যাত সার্জন সাইমন ব্রক্ষলের নামের দু’টি আদ্যক্ষর মিলেছে। ‘SB’ লেখা সেই স্বাক্ষর নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়েছে বার্মিংহাম সহ গোটা ব্রিটেনে। মামলা দায়ের হয়েছে বিশিষ্ট শল্যচিকিৎসক ব্রক্ষলের বিরুদ্ধে।

    আদালতে প্রশ্ন উঠেছে, কোনও অনুমতি ছাড়া অপারেশন থিয়েটারে অচৈতন্য রোগীর শরীরে কি কেউ তার নামের আদ্যক্ষর খোদাই করে দিতে পারেন? তা কি দণ্ডনীয় অপরাধ নয়? কিন্তু ঘটনা হল, দণ্ডনীয় কি না, হলে তার দণ্ড কী, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আদালতও। যেহেতু এমন ঘটনা ব্রিটেন কেন, গোটা বিশ্বে ঘটেনি এর আগে। ফলে, আইনের বইতেও লেখা নেই তার দণ্ড কী হতে পারে।

    সেই শল্যচিকিৎসক সাইমন ব্রক্ষল জানিয়েছেন, এটা তার একটা শখ। রোগীদের শরীরে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি তার নামের আদ্যক্ষর দু’টি লিখে রাখেন, কাজটা যে তারই করা, তার প্রমাণ হিসাবে।

    ৫৩ বছর বয়সী চিকিৎসক ব্রক্ষল গত ১২ বছর ধরে যথেষ্টই সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন কুইন এলিজাবেথ হসপিটালে। সেই হাসপাতালে ডাক্তারির পোস্টডক্টরাল ছাত্রদের ক্লাসও নিয়েছেন তিনি দীর্ঘ দিন। একটি ভেঙে পড়া বিমানের গুরুতর জখম দুই পাইলটের অক্ষত লিভার অন্য এক জনের শরীরে নিখুঁত ভাবে প্রতিস্থাপন করে ২০১০ সালে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিলেন ব্রক্ষল।

    সেই ব্রক্ষলের নিজের নামের আদ্যক্ষর খোদাই করার ‘কীর্তি’টা কেউ হয়তো কোনও দিন জানতেই পারতেন না, যদি না ২০১৩ সালে এক রোগিনীর শরীরে তার লিভার প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার ব্যর্থ হত। সেই প্রতিস্থাপনের পর কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় রোগির। তখন অন্য শল্যচিকিৎসকরা তার লিভার পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, তার ওপর ব্রহ্মলের নামের দু’টি আদ্যক্ষর ‘SB’-এর সন্ধান পান।

  • তৃণমূলে বিএনপির ৭৭ টিম

    ফের তৃণমূলে যাচ্ছে বিএনপি। দল পুনর্গঠনের পাশাপাশি নির্বাচন ও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছাতেই কেন্দ্রীয় নেতাদের এই তৃণমূল সফর। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কেও একটি ধারণা পেতে চান বিএনপির নেতৃত্ব। সফর শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সংশ্লিষ্ট এলাকার একটি রিপোর্ট দেবেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই ও দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হতে পারে। জানা যায়, গতকালই মাঠ পর্যায়ের এই সফর শুরু হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা চলবে। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও যুগ্ম-মহাসচিব পর্যায়ের নেতাদের টিমপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সফরের প্রাথমিক কাজ শুরু করতে গতকাল সিলেট গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  জানান, ‘দলকে সুসংহত করতেই তৃণমূলে কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    শুধু দলকে শক্তিশালীই নয়, আগামী নির্বাচন ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠের কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আমাদের দাবিগুলোও জনসাধারণের মধ্যে তুলে ধরা হবে। মূলত এই সফরের মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের আরও কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমি আশা করছি। ’ প্রতি টিমপ্রধানকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয় : ‘দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে কর্মিসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাংগঠনিক তত্পরতা বৃদ্ধি করার জন্য এই সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সভা সাফল্যমণ্ডিত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে সারা দেশের জেলা/মহানগরে সাংগঠনিক সফরের জন্য আপনাকে দলনেতা করে টিম গঠন করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্মিসভা সাফল্যমণ্ডিত করতে আপনার নেতৃত্বে গঠিত টিমকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করছি। ’ জানা যায়, কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছাড়াও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া টিমে সংশ্লিষ্ট জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্য, সাবেক এমপি, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।

    জানা যায়, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে মিজানুর রহমান মিনু; দিনাজপুরে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.); সৈয়দপুর ও নীলফামারীতে হারুন অর রশীদ; লালমনিরহাট, রংপুর জেলা ও মহানগরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় হাবিব-উন-নবী খান সোহেল; জয়পুরহাট ও বগুড়ায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল; নওগাঁ, রাজশাহী জেলা ও মহানগরে মির্জা আব্বাস; নাটোর ও মাগুরায় আবুল খায়ের ভূইয়া; সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; শেরপুর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণে আবদুল্লাহ আল নোমান; নেত্রকোনায় রুহুল আলম চৌধুরী; কিশোরগঞ্জে সেলিমা রহমান; মানিকগঞ্জ ও ঢাকা মহানগরীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা জেলায় বরকত উল্লা বুলু; গাজীপুরে জয়নুল আবদিন ফারুক; নরসিংদীতে ফজলুর রহমান; নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ; রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ; ফরিদপুরে আতাউর রহমান ঢালী; মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে আহমেদ আজম খান; সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলা ও মহানগরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে শামসুজ্জামান দুদু; কুমিল্লা জেলা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবদুল আউয়াল মিন্টু; মেহেরপুরে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন (ভিপি); চুয়াডাঙ্গায় খায়রুল কবির খোকন; যশোর ও ঝিনাইদহে রুহুল কবির রিজভী; নড়াইল ও বাগেরহাটে নিতাই রায় চৌধুরী; খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া; সাতক্ষীরায় ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন; বরগুনায় জয়নুল আবেদীন; পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলায় মজিবর রহমান সরোয়ার; বরিশাল জেলা উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন; ঝালকাঠিতে আলতাফ হোসেন চৌধুরী; টাঙ্গাইল ও জামালপুরে আমান উল্লাহ আমান; চট্টগ্রাম মহানগর এবং জেলা দক্ষিণ ও উত্তরে নজরুল ইসলাম খান; ফেনী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগরীতে মো. শাহজাহান; কক্সবাজার ও চাঁদপুরে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন; নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে ড. আবদুল মঈন খান; বান্দরবানে আবদুস সালাম; খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে শওকত মাহমুদ।

  • শোকের সাগরে চট্টগ্রাম

    শোকের সাগরে চট্টগ্রাম

    স্মরন কালের  বৃহৎ জানাজা শেষে চিরবিদায় নিয়েছেন চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার মৃত্যুতে আজ দিনভর যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম। নগরীর লালদীঘি পাড়ের জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই নামে লাখো মানুষের ঢল। লালদীঘির মাঠে জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও এর আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল জানাজা পড়তে আসা মানুষের স্রোত।
    মহিউদ্দিনের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারাও জানিয়েছেন গভীর সমবেদনা।
    চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল মোস্তফা, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ শোক প্রকাশ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন।
    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে যুক্ত বিবৃতি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ সালামসহ কার্যকরি কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
    এছাড়া শোক প্রকাশ করেছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, প্রফেসর এম.ডি.এম কামাল উদ্দিন, সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব কাজী আবদুল্লাহ আল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি মে: জে: (অব:) কে এম শফিউল্লাহ বীরউত্তম, মহাসচিব সাংবাদিক হারুন হাবীব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টু, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বি.কে বিশ্বাস,
    চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুুবুল আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ নুরুন নেওয়াজ সেলিম, সহ-সভাপতি  সৈয়দ জামাল আহমেদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম বোরহান উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক  মোঃ আবু তাহের, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. শাহজাদা আলম, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক উত্তম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল মনসুর মো: হাবিব, জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিক উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তড়িৎ ভট্টাচার্য, মহানগর কমিটির সভাপতি অধ্যাপক নোমান আহমাদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অজিত দাশ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগ এর সভাপতি প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, সহ সভাপতি অধ্যাপক এডভোকেট সুরত জামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নোমান আহমদ ছিদ্দিকী, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিৎ দত্ত সৈকত, আমুস কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহিন প্রমুখ।

  • মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান  আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    শেখ সুমন

    স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে চিরবিদায় নিয়েছেন চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার মৃত্যুতে আজ দিনভর যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম। নগরীর লালদীঘি পাড়ের জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই নামে লাখো মানুষের ঢল। লালদীঘির মাঠে জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও এর আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল জানাজা পড়তে আসা মানুষের স্রোত।
    মহিউদ্দিনের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক চিপ হুইপ  আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ । দলের শীর্ষ নেতারাও জানিয়েছেন গভীর সমবেদনা।
    আরো উপস্থিত ছিলেন  চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল মোস্তফা, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ শোক প্রকাশ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন।
    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে যুক্ত বিবৃতি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ সালামসহ কার্যকরি কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
    এসময় সেরনিয়াবাদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ বলেন ,আমি আমার একজন বন্ধুকে হারালাম।আমরা একত্রে অনেক কাজ করেছি।আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

  • মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও  জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    শেখ সুমন

    পবিত্র শহর জেরুজালেমকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিশ্ব সন্ত্রাস ইসরাইলের রাজধানী করার প্রতিবাদে আজ বিকালে বরিশাল টাউন হলের সামনে বিক্খোব সমাবেশের আয়োজন করেম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর ও জেলার যৌথ আয়োজনে সভা ও র্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ( পিরে কামেল , চরমোনাই )।সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল খায়ের ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় ইসলাম প্রেমি হাজারো তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সকল বক্তাগন তাদের বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রামের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান।তারা বলেন রক্ত দিয়ে হলেও জেরুজালেম কে বাচানো হবে।ফিলিস্থানের রাজধানী জেরুজালেম ।জেরুজালেম কখনও ইসরাইলের রাজধানী হতে পারেনা।পিরে কামেল চরমোনাই বলেন, আমরা মুসলমান ।মুসলমান বীরের জাতী।আর মুসলমান কখনও জেরুজালেম কে ইসরাইলের রাজধানী হতে দিবে না।প্রয়োজনে আমরা রক্ত দিবো।তবু জেরুজালেম কে রখ্যা করবো।তিনি আরো বলেন,জেরুজালেমের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আরো শক্ত ভুমিকা পালন করতে হবে।আর সমগ্র মুসলিম জাতীকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

  • মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আজকের বিজ্ঞানের গবেষণা-এষণায় বিমূর্ত হচ্ছে রাসুল (সা.)-এর খাবারগুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা।

    নিম্নে সংক্ষেপে রাসুল (সা.)-এর কিছু খাবারের আলোচনা বিধৃত হলো।

    পনির : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তাবুকের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর কাছে কিছু পনির উপস্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে একটি চাকু দিয়ে সেগুলো কাটেন এবং কিছু আহার করেন। (আবু দাউদ : ৩৮১৯)

    মাখন : হজরত ইবনাই বিসর আল মুসলিমাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেন, ‘একবার আমাদের ঘরে রাসুল (সা.) আগমন করেন। আমরা তাঁর সম্মুখে মাখন ও খেজুর পরিবেশন করি। তিনি মাখন ও খেজুর পছন্দ করতেন। ’ (তিরমিজি : ১৮৪৩)

    মিঠাই ও মধু : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন। ’ (বুখারি, ৫১১৫; মুসলিম, ২৬৯৫) বুখারি শরিফের আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মধু হলো উত্তম ওষুধ। ’ (৫৩৫৯)

    ঘি মাখা রুটি : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন বলেন, ‘যদি আমাদের কাছে বাদামি গমে তৈরি ও ঘিয়ে সিক্ত সাদা রুটি থাকত, তাহলে সেগুলো আহার করতাম।

    ’ আনসারি এক সাহাবি এই কথা শুনে এ ধরনের রুটি নিয়ে আসেন…। (ইবনে মাজাহ : ৩৩৪০)

    দুধ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘মিরাজের রাতে বায়তুল মাকদিসে আমি দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হলে জিবরাইল (আ.) আমার সম্মুখে শরাব ও দুধের আলাদা দুটি পাত্র রাখেন। আমি দুধের পাত্রটি নির্বাচন করি। জিবরাইল (আ.) বললেন, ‘আপনি প্রকৃত ও স্বভাবজাত জিনিস নির্বাচন করেছেন। ’ (বুখারি : ৩১৬৪, তিরমিজি, ২১৩)

    খেজুর : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে বার্লির এক টুকরো রুটির ওপর একটি খেজুর রাখতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, ‘এটিই সালন-মসলা। ’ (আবু দাউদ : ৩৮৩০)

    অন্য হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে বাড়িতে খেজুর নেই, সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। ’ এমনকি প্রিয় নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    কিশমিশ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.)-এর জন্য কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা হতো এবং তিনি সেগুলো পান করতেন। ’ (মুসলিম)

    সারিদ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুল (সা.)-এর কাছে রুটির সারিদ ও হায়সের সারিদ অত্যন্ত প্রিয় ছিল। ’ (আবু দাউদ : ৩৭৮৩)

    সারিদ হলো গোশতের ঝোলে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি বিশেষ খাদ্য। আর হায়স হলো মাখন, ঘি ও খেজুর দিয়ে যৌথভাবে বানানো খাবার।

    সিরকা : হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) তাঁর পরিবারের কাছে সালন কামনা করেন। তাঁরা বলেন, আমাদের কাছে তো সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। মহানবী (সা.)-এর কাছে সেগুলো নিয়ে আসা হলে তিনি তা থেকে খেতে শুরু করেন। তারপর বলেন, ‘সিরকা কতই না উত্তম সালন! সিরকা কতই না উত্তম সালন!’ হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘সেদিন থেকে আমি সিরকা পছন্দ করতে শুরু করি। ’ (মুসলিম : ২০৫১)

    তরমুজ ও শসা : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) তরমুজের সঙ্গে ‘রাতাব’ বা (পাকা-তাজা) খেজুর খেতেন। (বুখারি :  ৫১৩৪, তিরমিজি : ১৮৪৪)

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে শসার সঙ্গে ‘রাতাব’ খেতে দেখেছি। (মুসলিম : ৩৮০৬)

    খরগোশের গোশত : হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, মাররুজ জাহরান নামক স্থানে আমাদের পাশ দিয়ে একটি খরগোশ লাফিয়ে পড়ে। দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গীরা খরগোশটিকে ধাওয়া করে, কিন্তু তারা সেটিকে পাকড়াও করতে না পেরে ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে আমি ধাওয়া করে এর নাগাল পাই এবং ধরে হজরত আবু তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি মারওয়া নামক স্থানে সেটি জবাই করেন। এরপর খরগোশটির ঊরু ও নিতম্ব আমাকে দিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে পাঠান। রাসুল (সা.) সেগুলো ভক্ষণ করেন। ’ তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসুল কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বলেন, গ্রহণ করেছিলেন। (বুখারি : ২৪৩৩)

    খাসির পায়া : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা ছোট খাসির পায়া রান্না করতাম। রাসুল (সা.) কোরবানির ১৫ দিন পরও সেগুলো খেতেন। ’ (বুখারি : ৫১২২)

    মোরগ : হজরত জাহদাম (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন আবু মুসা একটি মোরগ নিয়ে আসেন। ফলে উপস্থিত একজন গলার স্বর ভিন্ন করে আওয়াজ করল। হজরত আবু মুসা জিজ্ঞেস করলেন, কী হলো তোমার? লোকটি বলল, মোরগকে আমি বিভিন্ন খাবার খেতে দেখে আমার অপছন্দ হওয়ায় শপথ করেছি, কোনো দিন মোরগ খাব না। হজরত আবু মুসা তাকে বললেন, ‘কাছে আসো। খাওয়ায় অংশগ্রহণ করো। কারণ আমি রাসুল (সা.)-কে মোরগ খেতে দেখেছি। আর তুমি তোমার শপথ ভঙ্গের কাফফারা আদায় করে দেবে। (বুখারি :  ৫১৯৮, ৪৬৬২; মুসলিম : ১৬৪৯)

    লাউ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার একজন দর্জি রসুল (সা.)-কে খাবারের দাওয়াত করে। আমিও মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে সেই খাবারে অংশগ্রহণ করি। রাসুল (সা.)-এর সামনে বার্লির রুটি এবং গোশতের টুকরা ও কদু মেশানো ঝোল পরিবেশন করে। আমি দেখেছি, রাসুল (সা.) প্লেট থেকে খুঁজে খুঁজে কদু নিয়ে খাচ্ছেন। আর আমিও সেদিন থেকে কদুর প্রতি আসক্ত হয়ে উঠি। (মুসলিম, ২০৬১; বুখারি, ৫০৬৪)

    জলপাই : রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জয়তুন খাও এবং জয়তুনের তেল গায়ে মাখো। কেননা এটি একটি মোবারক বৃক্ষ থেকে তৈরি। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০০৩, তিরমিজি : ১৮৫১)

    সামুদ্রিক মাছ : মহানবী (সা.) সাগরের মাছ পছন্দ করতেন। এ বিষয়ে আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-এর একটি দীর্ঘ হাদিস আছে। হাদিসটি বুখারি (৪৩৬১) ও মুসলিম  (১৯৩৫) শরীফে বর্ণিত হয়েছে।

    বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, রাসুল (সা.) মরুভূমির এক প্রকার পাখির গোশত, মাশরুম, বার্লি, গাজর-ডুমুর, আঙুর, ভিনেগার, ডালিম ইত্যাদি পছন্দ করতেন।

  • এক নজরে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন

    এক নজরে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা। তিনি ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু ২০০৯ পর্যন্ত কয়েক দফায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিটি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ১৯৪৪ এর ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরির জন্ম। পিতার নাম মরহুম হোসেন আহমদ চৌধুরি আর মাতা মরহুম বেদৌরা বেগম। আট ভাইবোনের মাঝে মহিউদ্দিন মেজ। পিতা চাকরি করতেন আসাম বেংগল রেলওয়েতে। পিতার চাকরির সুবাদে মহিউদ্দিন পড়াশোনা করেছেন মাইজদি জেলা স্কুল, কাজেম আলি ইংলিশ হাই, আর প্রবর্তক সংঘে। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পড়েন।

    স্কুল শেষে শেষে বাবার আদেশে ভর্তি হয়ে ছিলেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর কোর্সে। সেখানের পাট না চুকিয়ে ভর্তি হন চট্টগ্রামের অন্যতম বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম কলেজে। বছর না ঘুরতেই কমার্স কলেজম, শেষ পর্যন্ত সিটি কলেজ।

    সিটি কলেজেই তার বিপ্লবী রাজনৈতীক জীবনের হাতেখড়ি। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

    জহুর আহমদ চৌধুরীর হাত দিয়ে রাজনীতি শুরু। বঙ্গবন্ধুর ডাকে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে গ্রেফতার হন অসংখ্যবার। মুক্তিযুধ্যে অংশ নিতে গিয়ে আইএস আইয়ের চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমি সদরদপ্তরের কাছে গ্রফতার হয়ে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন দীর্ঘ চার মাস।

    শহিদ ভেবে বাবা ছেলের নামে দিয়ে ছিলো ফাতেহা। এরই মাঝে একদিন মানসিক রোগীর নাটক করে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে পালিয়ে বেরোন মহিউদ্দিন। পাড়ুই জমান ভারতে। সেখানে সশস্ত্র প্রশিক্ষন শেষে সক্রিয়ভাবে সম্মুখসমরে অংশ নেন। ছিলেন ভারত-বাংলা যৌথবাহিনীর মাউন্টেন ডিভিশনের অধীনে।

    বঙ্গবন্ধুর খুবই কাছের আর আদরের ছাত্রনেতা ছিলেন মহিউদ্দীন। কিন্তু তৎকালিন সময়ে প্রবল ক্ষমতাশালী হয়েও ক্ষমতার মোহ স্পর্শ করেনি তাকে।

    কিছুদিন না যেতেই ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে নিহত হন বঙ্গবন্ধু। অল্পের জন্য মহিউদ্দিন ধরা পরা থেকে বেঁচে যান, মৃত্যু বরণ করেন সাথী মৌলভি সৈয়দ। পালিয়ে গিয়ে ভারতে প্রতিবিপ্লবীদের সাথে যোগ দেন। লক্ষ্য সামরিক জান্তা, খুনি মোশতাককে সামরিকভাবেই পরাস্ত করা। কিছুদিন পরেই দলের নির্দেশে পন্থা পরিবর্তন করে আবার সক্রিয় হন প্রকাশ্য রাজনীতিতে।

    দেশে এসেই নির্যাতন, আর একের পর এক কারাভোগ। তখন স্বৈরাচার জিয়া ক্ষমতায়। মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর জিয়ার দমন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে গোপন ষড়যন্ত্রের ভুমিকা, প্রতিবাদী করে তোলে মহিউদ্দিনকে। দলের নির্দেশে চলে বৈপ্লবীক প্রতিবাদ আর প্রতিরোধ। তরুণ ছাত্রনেতা মহিউদ্দিনের জুজুতে সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা তটস্থ।

    মাঝে আওয়ামী লীগের ভেতরেই ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর হয়ে উঠলো। বঙ্গবন্ধু কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুমিকাকে নগণ্য করতে তাকে ঠেকাতে শত্রুরা উঠেপরে বসলো। অদম্য সাহসী মহিউদ্দীন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় গিয়ে দলবল নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্য ঝাপিয়ে পরলেন। সব বাধা অতিক্রম করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দলের কাণ্ডারির দায়ীত্ব নিতে সহয়তা করলেন।

    স্বৈরাচারি সামরিক জান্তা এরশাদের শাসনামলে চট্টগ্রামে স্বয়ং জান্তা প্রধানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে চক্ষুশূল হন সরকারের। ফলে আবারও রাজনৈতিক বন্দি। ততদিনে চট্টগ্রামের আপামর জনতার নয়নমনি হয়ে উঠেন মহিউদ্দীন চৌধুরী।

    একানব্বইয়ের ঘুর্ণিঝড়ে দুস্হ জনতার পাশে দাঁড়িয়ে, অসহযোগ আন্দোলনে খালেদার সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, গরিব-দুঃখি-শ্রমিকের অধিকারের কথা বলে মহিরুহে পরিনত হন আজকের মহিউদ্দীন।

    ওয়ান ইলেভেনের শাসনামলে জেলে যান। ষাটোর্ধ বয়সে কারান্তরিন ছিলেন দীর্ঘ দুই বছর। এরমধ্যেই নির্মম ভাবে ইন্তেকাল করেন আদরের মেয়ে ফওজিয়া সুলতানা টুম্পা। নানান টালবাহানা করে টুম্পাকে মৃত্যু অবধারিত জেনেও দেখতে দেয়নি অনির্বাচিত সরকার নামক ভদ্রবেশি আরেক নব্য সামরিক জান্তা। শতচেষ্টা আর মানসিক নির্যাতন করেও টলাতে পারে নি সরকার মহিউদ্দীনকে একটুও।

    তিনি ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

    ২০০৫ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন মন্ত্রীকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের তুলনায় ভোটের ব্যবধানও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়।

  • যেসব বলিউড তারকাদের নেশা ছাড়া চলে না!

    যেসব বলিউড তারকাদের নেশা ছাড়া চলে না!

    বলিউড যতটা ঝকঝকে ততটাই পর্দার অন্যদিকে ছেয়ে রয়েছে অন্ধকার। যতটা এখানে ফ্ল্যাশবাল্বের আলো ঝলকায় ততটাই গভীর অবসাদের কালো মেঘ।

    কেউ অবসাদে, কেউ বা নিজের শখে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে নেশা করেন, কেউ বা কাজের চাপ থেকে মুক্তি পেতে এই কাজ করেন। জেনে নেওয়া যাক বেশ কিছু বলিউড তারকাদের কথা যাঁরা নেশা ছা়ড়া থাকতে পারেন না।

    ধর্মেন্দ্র
    স্বর্ণযুগের অভিনেতা ধর্মেন্দ্রও পার্টিতে মদ্যপানের বিষয়ে পিছিয়ে থাকেন না। তিনি নিজেই একটি ইন্টারভিউতে জানিয়েছেন ১৫ বছর বয়স থেকে তিনি মদ্যপান করেন। আর তার ফল এই বৃদ্ধ বয়সে তিনি পাচ্ছেন।

    অমিশা প্যটেল
    বলিউড পার্টিতে মদের বন্যা এমনিতেই বয়ে যায়। আর সেই ফোয়ারায় গা ভাসিয়েছেন বহু সেলেব্রিটিই। এরকমই একজন বলি অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল।

    ঋষি কাপুর
    কাপুর পরিবারে ঋষি কাপুর এমন এক সদস্য যাঁর মদ্যপান ছাড়া একটি দিনও কাটে না।

    এমনই তথ্য জানিয়েছে সূত্র। বহু জায়গায় তাঁকে প্রকাশ্য়ে মদ্যপান করতে দেখা গেছে। জানা যায়, ঋষি কাপুরের মদের নেশার জন্য একবার থানা পুলিশ করতে হয় নীতু সিংকে।

    মণীষা কৈরালা
    এককালে তাঁর মিষ্টতাতেই মাত হয়েছিলেন বহু পুরুষ। কিন্তু মনীষা কৈরালার জীবনে একটা সময় বাসা বাঁধে অবসাদ। আর তার জেরেই তিনি প্রবল ভাবে ধূমপানের নেশায় ডুবে যান। যদিও পরে এই নেশা থেকে নিজেকে মুক্তি করেছেন তিনি।

    অর্জুন রামপাল
    বলি পাড়ায় কান পাতলেই শোনা যায়, অর্জুন রামপালের নেশার কথা। যেকোনও পার্টিতে তাঁর মদ্যপানের মাত্রা কত পর্যন্ত যায় তা বলিউডের সঙ্গে জড়িত সবারই জানা।

    রণবীর কাপুর
    শুধু ঋষি কাপুর নয়, তাঁর ছেলে রণবীরও মদ্যপানের বিষয়ে বেশ নাম করেছেন বলিউড চত্বরে। তবে কোনও দিনও মদ্যপান করে রণবীরকে কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটাতে শোনা যায়নি।

    সলমান খান
    মদ্যপানের বিষয়ে কতবার বিতর্কে পড়েছেন তা গুণে বলা কঠিন। অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইকে মারধোর থেকে হিট অ্যান্ড রান -মামলার অভিযোগ, সব মিলিয়ে মদ্যপান করে সালমান বহু ঝড়ধঝাপ্টায় পড়েছেন।

    শাহরুখ খান

    খান মদ্যপানের জন্য় নয়, বরং ধুমপানের জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি পরিচিত শাহরুখের। তিনি চেন স্মোকার হিসাবে এমনিতেই পরিচিত। তার ওপর যোগ হয়েছে তাঁর টানা ২০ ঘণ্টার কাজের চাপ। সব মিলিয়ে শাহরুখকে প্রচুর ছবিতেই ধূমপান করতে দেখা।