Author: banglarmukh official

  • বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ আজ

    বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ আজ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ সারা দেশে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

    আজ সোমবার ঢাকাসহ সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

    বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

  • উন্নয়ন কথামালায়, বাস্তবে মানুষ নিদারুণ কষ্টে

    উন্নয়ন কথামালায়, বাস্তবে মানুষ নিদারুণ কষ্টে

    দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, উন্নয়ন কথামালায় থাকলেও বাস্তবে মানুষ নিদারুণ কষ্টে, তারা মুক্তি চায়।

    রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক টুইটে এসব কথা বলেন তিনি। দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর নানা ইস্যুতে নিয়মিত টুইট করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

    khaleda-2

    তিনি তার টুইটে লিখেছেন, ‘একটি সমীক্ষা বলছে দেশের পাঁচ কোটির ওপর মানুষ খাদ্যবঞ্চিত। প্রকৃত চিত্র আরো ভয়াবহ। এক দশক ধরে চাল-ডাল-পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের মূল্য বেড়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে এখন। উন্নয়ন কথামালায় থাকলেও বাস্তবে মানুষ নিদারুণ কষ্টে, তারা মুক্তি চায়।’

  • ডিসেম্বরেই কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাজ্য

    ডিসেম্বরেই কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাজ্য

    বাংলাদেশ থেকে সরাসরি আকাশপথে কার্গো পরিবহনে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা এ মাসেই আসতে পারে। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এরই মধ্যে কয়েক দফা বৃটিশ গোয়েন্দাদের সঙ্গে চিঠি চালাচালি করে বিষয়টির সুরাহা করেছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) অডিট টিম এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সিভিল এভিয়েশনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাঈম হাসান  বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে এ মাসের মধ্যেই শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং আকাশপথে সরাসরি পণ্য পরিবহনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি ব্রিটিশ নিরাপত্তা গোয়েন্দারা বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সফরকারী দল শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা স্বচক্ষে খুঁটিয়ে দেখেছেন।

    তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মানদণ্ড অনুযায়ী একটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সূচক ন্যূনতম ৬০ থাকতে হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা সূচক ৭৭ দশমিক ৪৬-এ উন্নীত হয়েছে। ২০১২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫০ দশমিক ২। যে কারণে এ মাসের শেষেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাজ্য।

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন  বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরে লোকজনের যাওয়া-আসা, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, বিস্ফোরক চিহ্নিত করার ব্যবস্থা ও বিমানে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় নিরাপত্তার মতো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দিয়েছিল যুক্তরাজ্য। যাত্রীদের চেক ইনের সময় এখন বেল্ট, ঘড়ি বা জুতো খুলতে বলা হচ্ছে। তাদের পরামর্শে স্ক্যানিং যন্ত্রসহ বিস্ফোরকের সন্ধানে বেশ কিছু উন্নত যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। ককপিট ও কেবিন ক্রু ছাড়াও ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে গোয়েন্দা ও পুলিশের ক্লিয়ারেন্স নেয়া হয়েছে। তাদের দেয়া সব শর্ত পূরণ করে বাড়তি সফলতা দেখানোর কারণে তারাও সন্তুষ্ট। ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আর কোনো বাধা নেই।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের শেষ দিকে সন্ত্রাসী হামলায় মিশরের শারম আল শেখ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়া একটি রুশ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্রিটেনের পরিবহন দফতর বাংলাদেশসহ বিশ্বের কিছু দেশকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে তাগাদা দিতে থাকে। বিশেষ করে যে সব দেশ থেকে ব্রিটেনে সরাসরি বিমান যায়, সেসব দেশের ওপর তারা নজর দিতে শুরু করে। নিরাপত্তা না থাকার অজুহাতে ২০১৬ সালের মার্চে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাজ্য।

  • বরিশালে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।  রোববার বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক এ্যাড.কাইয়ুম খান কায়সার। মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল (বিডিসি) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    যেখানে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তার বক্তৃতায় বাংলাদেশের স্থপতি জাতীর জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার নাতনী টিউলিপ সিদ্দিকী এবং রাষ্ট্রে তিনিট স্তম্ভ নিয়ে হিংসাত্মক ও বিদ্রুপাত্মক বক্তব্য প্রদান করেন। যাতে সমগ্র বাঙ্গালী জাতির মানহানী ঘটেছে। বাদী পক্ষের আইনজীবি মজিবর রহমান ও মামলার বাদী আরো জানান, আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন অভিযোগটি আমলে নিয়ে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সমন জারী করেছেন। পাশাপাশি মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ২৯ জানুয়ারী নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • সীমান্তে দু’বাংলার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

    সীমান্তে দু’বাংলার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে বসছে দুই বাংলার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা। বিজয়ের আনন্দে বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলাভাষাভাষি স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে উদযাপন করেছে মহান বিজয় দিবস। এসময় উপস্থিত বাংলাদেশ-ভারতের জনগণের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

    শনিবার বিকেলে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের আয়োজনে পঞ্চগড় হান্নান শেখ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাংলাবান্ধা সীমান্তে উপস্থিত হয়। পরে ভারতের নেতাজী জিএসএফপি স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা ফুলবাড়ি সীমান্তে আসে।

    এক পর্যায়ে তারা তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা এবং ভারতের ফুলবাড়ি সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে উপস্থিত হয়। পরে বিজিবি ও বিএসএফ এর সহায়তায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে ফুল দিয়ে কুশল বিনিময় ও মিষ্টি বিতরণ করে।

    পরে দুই দেশের শিক্ষার্থীরা সমবেত কন্ঠে নিজ নিজ দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে। এসময় বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষার্থী ছাড়াও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হান্নান শেখ, বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুদরত ই খুদা মিলন উপস্থিত ছিলেন।

    ভারতের পক্ষে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবাশিষ প্রামাণিক বাংলাদেশের দুই সংসদ সদস্যকে উত্তরীয় পড়িয়ে স্বাগত জানান।

  • কাল কী সত্যিই কিছু একটা ঘটবে পৃথিবীতে!

    কাল কী সত্যিই কিছু একটা ঘটবে পৃথিবীতে!

    অপেক্ষা আর মাত্র ২৪ঘন্টার! পৃথিবীর উপরে আছড়ে পড়তে পারে গ্রহাণু! বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এদিন গ্রহাণু ‘ফ্যাথন ৩২০০’ একেবারে পৃথিবীর ধার ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে৷ তাই যেকোন মুহূর্তে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে এই বিশ্ব ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে!

    যদিও সাম্প্রতিক সময়ে বারবারই পৃথিবীর সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহাণুর সংঘর্ষের কথা শোনা যাচ্ছে। কেউ কেউ তা বিশ্বাস করছেন, আবার অনেকে একে গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন।   তবে এবার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে পৃথিবীতে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে! উল্কাপাত ও গ্রহাণুর আক্রমণে পৃথিবীর অবস্থা কী হতে পারে, তা নিয়েই চিন্তিত মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

    জানা যায়, গ্রিক মিথলজির ধ্বংসের দেবতা ফেয়থনের নামানুসারেই একটি গ্রহাণুর নাম ‘ফ্যাথন ৩২০০’। আর এটি ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে পৃথিবীর অক্ষরেখা থেকে মাত্র ২০ লাখ মাইল দূর যাবে। তাতে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

    নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফ্যাথনের আয়তন বর্তমানে ৫-৮ কিলোমিটার ব্যাসের হলেও তা ছিল আরও বড়। বেশ কয়েকবার সূর্যের কাছে যাওয়ায় তা ভেঙে ভেঙে ছোট হয়ে যায়।

    এর আগে নাসা জানিয়েছে, ২০৩৬ সালে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হতে চলেছে একটি গ্রহাণুর। তাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানব সভ্যতা। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই গ্রহাণুটির নাম অ্যাপোফিস।

    ২০০৪ সালেই প্রথম নজরে পড়েছিল গ্রহাণুটি। এরপর গত ১৭ বছর ধরেই গ্রহাণুটির দিকে নজর রাখছিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। আর শেষ পর্যন্ত তারা জানান, ২০৩৬ সালে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হবে গ্রহাণুটির। এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন ডুয়েন ব্রাউন নামে ওয়াশিংটন হেডকোয়ার্টারের এক কর্মকর্তা।

    স্টিভ চেসলি নামে নাসার এক বিজ্ঞানী এবং পল খোদাস ২০০৯ সাল থেকে গ্রহাণুটির উপর পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছিলেন। তারপরেই তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, ২০৩৬ সালের ১৩ এপ্রিল পৃথিবীতে আঘাত হানবে অ্যাপোফিস।

    ডেভ থোলেন নামে এক বিজ্ঞানী এবং তার সহকারীরাও একই দাবি করেছেন। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নাসা তার ওয়েবসাইটেও এই সংঘর্ষের কথা জানিয়েছে। তবে শুধু ২০৩৬ সালই নয়, ২০২৯ এবং ২০৬৮ সালেও পৃথিবীর খুব কাছ থেকে উড়ে যাবে অ্যাপোফিস। যা থেকেও রয়েছে প্রবল ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা।

  • বেগম জিয়ার অবৈধ সম্পত্তি নিয়ে সন্দেহ ফখরুলেরও —ওমর ফারুক চৌধুরী

    বেগম জিয়ার অবৈধ সম্পত্তি নিয়ে সন্দেহ ফখরুলেরও —ওমর ফারুক চৌধুরী

    যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সৌদি আরব, দুবাইতে অবৈধ সম্পত্তি থাকার যে খবর বেরিয়েছে, এতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনেও সন্দেহ জেগেছিল যে, ঘটনা সত্যি কি না। তা না হলে উনি আবার খোঁজ করতে গেলেন কেন? ডালমে কুছ কালা হ্যায়। গতকাল গুলিস্তানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বাবা ফয়েজ আহমেদ চৌধুরীর স্মরণ সভায় মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অবৈধ সম্পদের তদন্ত হওয়ার আগেই সারা দুনিয়ায় তদন্ত করে ফেলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন সারা পৃথিবীতে তারা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের নামে বিদেশে যে সম্পদের কথা বলা হচ্ছে, সেই ধরনের সম্পদের কোনো অস্তিত্বই নেই।

    এমন কি সৌদি আরব এবং দুবাইতে যে প্রোপার্টির কথা বলা হয়েছে, সে প্রোপার্টিগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। অনেকেই মজা করে ফেসবুকে লিখেছেন ফখরুল সাহেবের মনেও সন্দেহ জেগেছিল।

  • আমরা বিজয়ী জাতি মাথা উচু করে চলবো’

    আমরা বিজয়ী জাতি মাথা উচু করে চলবো’

    মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ত্যাগের মহিমায় নিজেদের গড়ে তোলার জন্য দেশের নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বীরের জাতি, যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি। একথা কখনোই ভুললে চলবে না। আমরা বিজয়ী জাতি, কারোর কাছে মাথানত করে চলি না, চলবো না। সারা বিশ্বের সামনে বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা সবসময় মাথা উঁচু করে চলবো। দেশে যাতে আর কোনো অন্যায়-অনিয়ম না হয়, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে, যুগের পর যুগ এভাবেই বিজয়ের আনন্দ-উৎসবে মেতে থাকতে পারে- বিজয়ের দিনে এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট সবাইকে হত্যা করে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর পুরো রক্তকেই ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। দেশবাসী আমাদের দেশ সেবার সুযোগ দেওয়ার কারণেই বাংলাদেশকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলছি। বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাবিশ্বের সামনে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোলমডেল।

    বাংলাদেশ আজ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত, যে মর্যাদা ’৭৫-এ ভুলুণ্ঠিত হয়েছিল। সারা বিশ্ব এখন বাঙালিদের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমাদের এই বিজয় সবাইকে ধরে রাখতে হবে।

    গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে সূচনা বক্তব্যের পর সোহওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের সরাসরি প্রশ্নেরও উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

    গণভবনে এ সময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মের কয়েক তরুণের সঙ্গে জয় বাংলা স্লোগানের সঙ্গে কণ্ঠ মেলালে গোটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ওই স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

    বক্তব্যের শুরুতেই দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকেই ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’। এই ভাষণের পথ ধরেই আমাদের এই স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর একটিমাত্র ভাষণে দেশের প্রতিটি ঘর এক একটি দুর্গে পরিণত হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি নির্দেশ বাঙালি জাতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করে। হাতে গোনা কয়েকটি রাজাকার-আলবদর ও পাকিস্তানের দোসর ছাড়া দেশের প্রতিটি মানুষ পাকিস্তানি শত্রুদের পরাজিত করে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে।

    তিনি বলেন, ঐতিহাসিক এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই বীর বাঙালিদের কাছে পাকিস্তানের ৯৬ হাজার সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। ২৫ মার্চ পাক হানাদাররা গণহত্যা চালানোর পর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শেষ শত্রু থাকা অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ অপরাধে পাক হানাদাররা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপে এবং তাদের ৯৬ হাজার সৈন্যের প্রাণ বাঁচানোর কারণে পাক হানাদারদাররা বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এই ঐতিহাসিক উদ্যানেই বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে মুক্ত-স্বাধীন বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে তার নির্দেশনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আজ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ইউনেস্কো ‘ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সারাবিশ্বের ঐতিহ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ স্থান পাওয়ার কারণে সমগ্র বাঙালির সম্মান অনেক উচ্চস্তরে পৌঁছে গেছে, বাঙালি জাতির কাছে এটি গৌরবেরও।

    মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজয় দিবসের এই দিনে ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদারদের দোসর হিসেবে আমাদের মা-বোনদের তাদের হাতে তুলে দিয়েছিল। ঘৃণা জানাই যারা রাজাকার-আলবদর-আলশামস হয়ে সারা দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, আমাদের পরাজিত করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা পরাজিত হয়নি। বরং বীর বাঙালিরা তাদেরই পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে।

    একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পর পাক হানাদাররা আমাদের মা, বোন, ভাইসহ পরিবারের সবাইকে ধানমন্ডির ১৮ নম্বর বাড়িতে বন্দী করে রেখেছিল। ১৬ ডিসেম্বর যখন পাক হানাদাররা আত্মসমর্পণ করে, বাইরে জয় বাংলার গগনবিদারী স্লোগান, তখনও আমরা ওই বাড়িতে বন্দী। বাইরে মানুষের স্লোগানের সঙ্গে আমরাও পাক হানাদারদের সামনেই বাড়ির ভেতর থেকে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছি। দেশ ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন হলেও আমরা মুক্তি পেয়েছি ১৭ ডিসেম্বর।

    ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত করে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

  • প্লে-অফ ম্যাচে জয় পেল তামিমের পাখতুনস

    প্লে-অফ ম্যাচে জয় পেল তামিমের পাখতুনস

    টি-টেন লিগের প্রথম প্লে-অফের ম্যাচে বেঙ্গল টাইগার্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে তামিমের পাখতুনস।

    দলের তৃতীয় ম্যাচ আর নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা ৬টায় বেঙ্গল টাইগার্সের মুখোমুখি হয় তামিম-আফ্রিদির দল পাখতুন।

    ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান করে বেঙ্গল টাইগার্স। যার ফলে পাখতুনকে ১২৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বেঙ্গল টাইগার্স।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি তামিম। ৮ রানেই সাঝঘরে ফেরেন তিনি। এরপর শেহজাদ (৩৮), আফ্রিদি (২৩), ফাখার জামান (৩১) রানে আউট হন। তবে ৯ রানে স্মিথ ও ১৬ রানে দশন অপরাজিত ছিলেন। যার ফলে ১০ ওভারে ১২৭ করে ৬ উইকেটে জয় পায় পাখতুন।

  • বাগেরহাটে সংরক্ষিত আসনের এমপি’র মেয়েকে ছুরিকাঘাত

    বাগেরহাটে সংরক্ষিত আসনের এমপি’র মেয়েকে ছুরিকাঘাত

    বাগেরহাটের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হ্যাপী বড়ালের মেয়ে অদিতি বড়ালকে ছুরিকাঘাত করেছে এক সন্ত্রাসী। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের আমড়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে ব্যক্তিগত গাড়িতে উঠার সময় অজ্ঞাত এক যুবক তার পেটে ছুরি মেরে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় অদিতিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    মহিলা এমপি’র মেয়েকে ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বাগেরহাট সদর আসনের এমপি মীর শওকাত আলী বাদশা, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান জানান, ছুরিকাঘাতে অদিতি বড়ালের পেট গুরুতর জখম হয়েছে। তবে তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।

    বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় বলেন, পুলিশ ছুরিকাঘাককারী সন্ত্রাসীকে আটক করতে ইতোমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে। তবে, এই পরিবারের উপর কেন একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে সে বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হবে।

    এ ঘটনার প্রায় ৮ মাস আগেও অদিতি বড়ালের বড় বোনের পায়ে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। সে বিষয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেছিল তার পরিবার।

    এর আগে ২০০০ সালে অদিতি বড়ালের পিতা চিতলমারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিন্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা কালিদাস বড়ালকে প্রকাশ্য দিবালোকে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাধনার মোড়ে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। কালিদাস বড়াল হত্যাকাণ্ড সে সময় সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।