Author: banglarmukh official

  • বিচার বিভাগ সরকারের দখলে পরিণত হয়েছে: দুদু

    বিচার বিভাগ সরকারের দখলে পরিণত হয়েছে: দুদু

    এই দেশের মানুষের সর্বশেষ যে আশ্রয়স্থল ছিল বিচার বিভাগ সেটি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত সরকারের দখলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) আয়োজিত শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়ার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, এ দেশের জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শুধু মিথ্যা মামলা দেওয়া হয় না, তাকে হেনস্তা করার জন্য এমন কোনো কাজ নাই যা করা হচ্ছে না। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুধু সাজাই দেওয়া হয় নাই এখনও তাকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে এবং বিচার করা হচ্ছে।

    শামসুজ্জান দুদু বলেন, এ দেশে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে লুটপাট করে। একেবারে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে বিরোধী মতের ছাত্র সংগঠন, শিক্ষক সংগঠন অবস্থান করতে পারে না। পেশাজীবীরা যে যেখানে আছে তারা যখনি সরকারের অন্যায় ফ্যাসিবাদী কার্যকালাপের বিরোধিতা করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়।

    দেশে বেনামে বাকশালী শাসন ব্যবস্থা চলছে বলে মন্তব্য করে দুদু বলেন, এই বাকশাল ৭৫ সালের বাকশাল না। এই বাকশাল সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে শুধুমাত্র আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখানে নির্বাচন ব্যবস্থা বলে কিছু নাই।

    এই দেশে এখন মুক্তচিন্তা এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগঠন গড়ে তুললেই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ যদি অন্যায়কারীদের দখলে থাকে গণতন্ত্র এবং ন্যূনতম ভোটাধিকার না থাকে তাহলে স্বাধীনতার ৪৬ বছর আগে আমরা যে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম সেটি মিথ্যা হিসাবে চিহ্নিত যাবে।

  • স্ত্রীকে ‘তিন তালাক’ দিয়ে শ্যালিকাকে নিয়ে পলায়ন!

    স্ত্রীকে ‘তিন তালাক’ দিয়ে শ্যালিকাকে নিয়ে পলায়ন!

    স্ত্রীকে ‘তিন তালাক’ বলে স্ত্রীর ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়েছে এক ব্যক্তি। এমন ঘটনা ভারতের উত্তর প্রদেশের সহারানপুর জেলার দেববন্দ এলাকার পাঠানপুরা কলোনিতে  ঘটেছে।

    প্রসঙ্গত, শুধু মুখে তিন তালাক বলে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের বহুল চর্চিত অপপ্রথার বিরুদ্ধে সম্প্রতি রায় দেয় দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু আইনে নিষেধ হলেও বাস্তবে এর চল রয়েই গেছে। এরই সর্বশেষ উদাহরণ এ ঘটনা।

    ঘটনার শিকার নূরজাহান বেগম (২৭) অভিযোগ করেন, যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় স্বামী শুধু তাকে তিন তালাক বলে ত্যাগই করেনি একই সঙ্গে তার ছোট বোনকে নিয়ে পালিয়েছে। থানায় দায়ের করা অভিযোগে তিনি জানান, প্রতিবেশী এলাকার আরশাদ আহমদের সঙ্গে তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

    অভিযোগে নূরজাহান আরো জানান, আরশাদ যৌতুকের জন্য হরহামেশাই পেরেশান করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ ডিসেম্বর তাকে বেদম মারপিট করে এক পর্যায়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশীরা এসে তাকে রক্ষা করে।

    নূরজাহানের অভিযোগে জানান যায়, এরপর আরশাদ তাকে ‘তিন তালাক’ উচ্চারণের মাধ্যমে তালাক দেয় এবং তার স্বর্ণালংকারগুলোসহ তার ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

    সাহারানপুরের এএসপি বাবলু কুমার জানান, তদন্তের পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনবিটি

  • আকায়েদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি

    আকায়েদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি

    কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, আকায়েদ উল্লাহ দেশে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ দেশের কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও তার জড়িত থাকার প্রমাণ এ পর্যন্ত মেলেনি। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর ইন্টারনেটের মাধ্যমে তিনি জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন।

    আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা ধারণা করছি আকায়েদ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেলফ র‌্যাডিকালাইজড হয়েছে। তার স্ত্রী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। আমরা তাদের কাছ থেকে যেসব তথ্য পেয়েছি তাতে মনে হয়েছে ২০১১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আকায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ছিল।

    ঢাকার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আকায়েদ উল্লাহর স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের জিগাতলার বাসা থেকে মিন্টু রোডের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি বাস টার্মিনালে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশি অভিবাসী আকায়েদ উল্লাহকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। এ ঘটনায় পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ আমাদের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাবেন’

    শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ আমাদের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাবেন’

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ আমাদের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাবেন। আজকের এ শোকাবহ দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই-আসুন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা একসাথে কাজ করি।

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ এক বিবৃতিতে তিনি এসব বলেন।

    বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ১৪ ডিসেম্বর একটি বেদনাময় দিন। বাংলাদেশকে মেধা মননে পঙ্গু করার হীন উদ্দেশ্যে চূড়ান্ত বিজয়ের ঊষালগ্নে এ দিনে হানাদার বাহিনীর দোসররা দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক বিজ্ঞানীসহ বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করোছিলো।

    সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, অমর বুদ্ধিজীবীগণ দেশের বরেণ্য শ্রেষ্ঠ সন্তান, যারা একটি সমৃদ্ধ এবং মাথা উঁচু করা জাতি দেখতে চেয়েছিলেন। তারা ন্যায়বিচারভিত্তিক শোষণমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক সমাজের প্রত্যাশা করেছিলেন। দেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা আন্তর্জাতিক অপশক্তি তাদের সে প্রত্যাশাকে বাস্তবায়িত হতে দেয়নি।

    খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হতে হবে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান বিএনপির চেয়ারপারসন।

  • বরিশালে সরকারি হচ্ছে আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    বরিশালে সরকারি হচ্ছে আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখেরগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালীর রাঙ্গবালী উপজেলার মৌডুবী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ নতুন করে দেশের আরও ৩৭ টি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে। এসব স্কুল জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে নতুন করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতরকে (মাউশি) নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনার চিঠি মাউশিতে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান স্বাক্ষরিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৭টি হাইস্কুল জাতীয়করণ করতে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।

    স্কুলগুলো হলো, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার শহীদ আসাদ কলেজিয়েট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার সখীপুর পিএম পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কক্সবাজার পেকুপা উপজেলার পেকুয়া মডেল জিএসসি ইনস্টিটিউশন, ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পরশুরাম মডেল পাইলট হাইস্কুল, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চান্দিনা মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নালঙ্গকোট উপজেলার নাঙ্গলকোট এআর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, তিতাস উপজেলার গাজীপুর খান মডেল বহুমুখী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মনোহরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার শাহারাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বিজয়নগর উপজেলার দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কমলনগর উপজেলার হাজীরহাট মিল্লাত একাডেমী, সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মঙ্গচণ্ডী নিশিকান্ত মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার দুপচাঁচিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলার তেতুঁলিয়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনার তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেংগা ফজলুল হক মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা শাহাদাৎ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিকরগাছার ঝিকরগাছা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কেশবপুর উপজেলার কেশবপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শার্শা উপজেলার শার্শা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কোটচাঁদপুর মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মহেশপুর উপজেলার মহেশপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মুজিবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার জীবননগর থানা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখেরগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালীর রাঙ্গবালী উপজেলার মৌডুবী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার করিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

    মাউশিকে দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি স্কুল-কলেজবিহীন উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের ধারাবাহিকতায় ৩৭টি স্কুল জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিপ্রাপ্ত ৩৭টি স্কুল দ্রুত পরিদর্শন করে সুস্পষ্ট মতামতসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে এসব স্কুলে সব ধরনের নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্মতি হস্তান্তরে দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বলা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, স্কুলগুলো দ্রুত পরিদর্শন করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাব। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্মতি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করব।

  • ৭১’র চতনায় উজ্জীবিত  হচ্ছে বরিশাল নগরীর শিশু কিশোর ও তরুণরা

    ৭১’র চতনায় উজ্জীবিত হচ্ছে বরিশাল নগরীর শিশু কিশোর ও তরুণরা

    শেখ সুমন

    সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠন ৭১’র চেতনার কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মাহান বিজয়ের মাস উপলক্ষে বরিশালের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শপথ পাঠ করানো, মাদক বিরোধী আন্দোলন, বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনা বৃদ্ধি ও মানব স্বাক্ষর পতাকা তৈরির কার্যক্রম এগেয়ে চলছে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত হয়ে ।

    তার এ ধারাবাহিকতায় আর বরিশাল নগরীর শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা -কর্মচারী ও ৭১’র চেতনার সদস্যদের উপস্থিততে উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো উক্ত কার্যক্রম । সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও আয়োজক কমিটির আহবায়ক মোঃ লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাহাত আনোয়ার হসপিটালের পরিচালক এ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক, সমাজসেবক ও এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক প্রাঃলিঃ এর পরিচালক শারমিন আনোয়ার সংস্কৃতিজন ও আবদুর রব সেরনিয়াবাত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাপিয়া জেসমিন।

    অতিথিরা তাদের বক্তব্যে এই তরুণ প্রজন্মকে পড়াশুনার পাশাপাশি দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের মাঝে যেন মুক্তিযুদ্ধের আবেগ ঝরানো এই কার্যক্রম কে স্বাগত জানাচ্ছে নগরীর সর্বোস্তরের মানুষ।বিশিষ্ট সংগঠক ড. বাহাউদ্দিন গোলাপের মতে “এ ধরণের আয়োজন কে আরো বেশি ছড়িয়ে দিতে হবে সকল তরুণ প্রজন্মের মাঝে, তবেই তারা বড় হয়ে উঠবে স্বাধীনতার সপক্ষের সুনাগরিক হয়ে ” । সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল আহসানের কাছে জানতে চাইলে বলেন – সকলের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা এই ধরণের আয়োজন সারা দেশব্যাপী বৃহৎ আকারে করার করতে প্রস্তুত।
    উল্লেখ্য পুরো মাসজুড়ে সংগঠনটির এ কার্যক্রম চলবে বরিশালের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

  • জরুরি প্রয়োজনে জীবন বাঁচাবে ‘৯৯৯’ এর যাত্রা শুরু

    জরুরি প্রয়োজনে জীবন বাঁচাবে ‘৯৯৯’ এর যাত্রা শুরু

    কাজী সাইফুল

    নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে আজ থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো ইমার্জেন্সি হেল্পলাইন ‘৯৯৯’। রাজধানীর আবদুল গনি রোডের ডিএমপি’র কন্ট্রোল রুমে এই সার্ভিসের প্রধান কার্যালয় করা হয়েছে। সেখানে আজ বেলা ১১টার দিকে এই সেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।উদ্বোধনের পর সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ কেন্দ্রের কল সেন্টার পরিদর্শন করেন। ৯৯৯ সেবাটি ডিএমপির এই কন্ট্রোল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে।

    যেভাবে পাবেন ‘৯৯৯’ জরুরি সেবাবিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশগুলোর মতো নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে আজ থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ইমার্জেন্সি হেল্পলাইন ‘৯৯৯’। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই নম্বরে ডায়াল করলেই পাওয়া যাবে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশি সেবা।আপনার চোখের সামনে কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অথবা জরুরি ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হলে এই একটি নম্বরেই ফোন করলে পাওয়া যাবে সব সমাধান। আপনার কাছে পৌঁছে যাবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক দল অথবা অ্যাম্বুলেন্স।

    পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ বিভাগের এআইজি সহেলী ফেরদৌস বলেন, ৯৯৯ নম্বরে কল করতে কোনও টাকা খরচ হবে না। কেউ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহায়তা চাইলে সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহূর্তে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন।
    তিনি বলেন, রাজধানীর আবদুল গনি রোডের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এই সার্ভিসের প্রধান কার্যালয় করা হয়েছে। জনগণকে পরিপূর্ণভাবে এই সেবা দিতে ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দৈনিক তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টায় তারা জনগণকে সেবা দেবেন।

    ইমার্জেন্সি হেল্পলাইন ‘৯৯৯’ সেবা বাংলাদেশ পুলিশ তদারকি করছে জানিয়ে সহেলী ফেরদৌস বলেন, একই সময়ে ৩০-৫০ জন সাহায্যপ্রার্থী ইমার্জেন্সি হেল্পলাইনে ফোন করে কথা বলতে পারবেন এবং সাহায্য পাবেন। এছাড়া মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও সরাসারি কথা বলা যাবে। শিগগিরই ফেসবুকেও এই সেবার একটি প্লাটফর্ম যুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।৯৯৯ হেল্প ডেস্ক মোবাইল অ্যাপলিকেশন ডাউনলোড লিংক: http://bit.ly/2fqnhey

    মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ৯৯৯ জরুরি সেবার কল সেন্টারে সরাসরি ফোন, লাইভ চ্যাট, বিভিন্ন তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ অপশন ব্যবহার করতে পারবেন নাগরিকেরা। এ ছাড়া এই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে জরুরি সেবার বিভিন্ন তথ্য লোকেশনসহ জানা যাবে।

    এআইজি সহেলী ফেরদৌস আরও বলেন, জরুরি সেবা পেতে সাহায্যপ্রার্থীকে অবশ্যই তার নাম ও ঠিকানা পূর্ণাঙ্গভাবে বলতে হবে। ফোনকারীর সঠিক অবস্থান না জানা থাকলে পাশের বড় রাস্তা, বাজার বা মহাসড়কের নাম বলতে হবে। তবে অকারণে বা হয়রানিমূলক ফোন না করার জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হয়েছে। কেউ হয়রানিমূলক ফোন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে কল সেন্টারটি সার্বক্ষণিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ৯৯৯-এর ব্যবহার, প্রচার ও কমিউনিটি সেফটি অ্যাওয়ারনেস কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক ‘৯৯৯’ এর কাঠামো তৈরির কাজ শুরু করে। ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে জনগণকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সার্ভিসটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

  • পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ ফেরাচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ ফেরাচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা। এ কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক বিদেশিদের ভর্তি সংখ্যা গত কয়েক বছর থেকে হ্রাস পাচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

    তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা সেদিকে ছুটছেন। ফলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যা কমলেও বিদেশি শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়েছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে।
    সূত্র মতে ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬ এর এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টিতে মাত্র ৩৫৫ বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে। অন্যদিকে দেশের চলমান ৯০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে ১৯২৭ বিদেশি শিক্ষার্থী ।

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০ সালে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ৩৫৯ জন, ২০১১ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২১০ জনে, আবার ২০১২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৫২৫ জনে, ২০১৩ সালে আবারও প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী কমে দাঁড়ায় ৩২৬ জনে, ২০১৪ সালে একশ বেড়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩২ জনে, ২০১৫ সালেও অন্তত দেড়শ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯৩ জন এবং সর্বশেষ ২০১৬ তে শিক্ষার্থী কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ জনে। অর্থাৎ ছয় বছর আগে ২০১০ সালে যা ছিল তার চেয়ে চারজন কম শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে ২০১৬ সালে।

    এদিকে, ২০১৫ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ১৫৪৮ জন। ২০১৬ সালে ৩৭৯ শিক্ষার্থী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯২৭ জনে।

    ২০১৬ সালে সব থেকে বেশি অন্তত ৩৪ শিক্ষার্থী এসেছে মিসর থেকে। তারা ৩৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। এছাড়া ইউনাইটেড আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৩২, ফিলিপাইনের ৩১, মিয়ানমারের ৩০ জন।

    এ ছাড়া জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, গিরিসন, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ভরত থেকেও পড়াশোনা করতে দেশে এসেছে শিক্ষার্থীরা। সব থেকে কম শিক্ষার্থী মাত্র একজন এসেছে ভারত থেকে।

    ইউজিসির প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, প্রতিবছরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন হয়েছে। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষার কোর্স-কারিকুলাম, সিলেবাস ইত্যাদি দেখে বাংলাদেশে পড়তে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

    পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, বেশ কয়েকটি উন্নত দেশ  (যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, কানাডা, ইত্যাদি) থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে এসেছে। সে কারণে বর্হিবিশ্বে একদিকে যেমন দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে অপরদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের এমন আগ্রহের পেছনে চারটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সহ-সভাপতি ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী।

    তিনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ কম, আফ্রিকান দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া-পরিবেশ অনেক ভালো, শিক্ষার গুণগতমান ঠিকঠাক রাখার চেষ্টা এবং উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

    এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বের অন্যান্য দেশে ক্যাম্পেইন করে। যেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদেরকে তারা আলাদাভাবে হোস্টেল সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়। ভর্তির যোগ্যতায় যা চাওয়া হয় তা পাবলিকের চেয়ে অনেকটা সহজ। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সে দিকেই যাচ্ছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী না বাড়ার কারণ হচ্ছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য তেমন প্রচার প্রচারণা করে না। তাছাড়া যেসব দেশে এক সময় উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না সেসব দেশে এখন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। ফলে ওইসব দেশ থেকে শিক্ষার্থী তেমন আসে না। যেমন, ভুটান, নেপাল, মালায়শিয়াতে এক সময় উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। এখন তারা অনেক উন্নত। আবার বেশিরভাগ দেশে উচ্চশিক্ষার চেয়ে কারিগরি ও কর্মমূখী শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছে। এ কারণেও তারা উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশে আসে না।

  • বিদেশি মাশরুম খেয়ে ফর্সা হয়েছেন মোদি!

    বিদেশি মাশরুম খেয়ে ফর্সা হয়েছেন মোদি!

    তাইওয়ান থেকে আমদানি করা দামি মাশরুম খেয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিজের গায়ের রং বদলে ফেলেছেন বলে দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদিরই রাজ্য গুজরাটের কংগ্রেস নেতা অল্পেশ ঠাকোর।

    আগামী ১৪ ডিসেম্বর গুজরাটের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। তার আগে প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার সব পক্ষের নেতারাই ঝাঁপিয়ে পড়লেন ভোটারদের মন জয় করতে। এরই মধ্যে এমন মন্তব্য করলেন সদ্য কংগ্রেসে যোগ দেওয়া এই নেতা। খবর এবেলার।

    কংগ্রেস নেতা অল্পেশের দাবি, ‘‘আমাকে একজন বলেছেন মোদিজি এমন খাবার খান, যা আপনারা খেতে পারবেন না। কারণ সেগুলো ‘গরিবের খাবার নয়’। ”

    তিনি জিজ্ঞাসা করে নাকি জানতে পেরেছেন, নরেন্দ্র মোদি মাশরুম খান। ‘‘তো আমি জিজ্ঞাসা করলাম, মাশরুম খাওয়ায় ভুল কী আছে? মাশরুম তো সব জায়গায় পাওয়া যায়। তো সেই ব্যক্তি বললেন, মোদিজি সেই মাশরুম খান যেগুলি তাইওয়ান থেকে আসে এবং একটি মাশরুমের দাম ৮০ হাজার টাকা। ’’

    মোদি দিনে এমন ৫টি মাশরুম খান।

    এটা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে নয়, যখন নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন থেকেই তাঁর এই অভ্যাস। এমনটাই দাবি অল্পেশের।

    অল্পেশ ঠাকোর এর পরে বলেন, তিনি আগে এই ধরনের কথায় বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু এখন মোদির পুরনো ও বর্তমান ছবির তুলনা করে তিনি নিশ্চিত মাশরুমের গুণেই মোদি ফর্সা হয়েছেন।

    অল্পেশের দাবি, ‘‘আমি মজা করেই সেই ব্যক্তিকে বললাম, উনি তো আমার মতোই কালো ছিলেন। কীভাবে ফর্সা হয়ে গেলেন? আমি ৩৫ বছর আগের ছবি দেখেছি, তাতে তিনি আমার মতো কালো ছিলেন। তাহলে বুঝে দেখুন ব্যাপারটা। ’’

  • দুর্দান্ত জয়ে চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    দুর্দান্ত জয়ে চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৫৭ রানে হারিয়ে বিপিএলের পঞ্চম আসরের শিরোপা ঘরে তুলেছে রংপুর রাইডার্স। এদিন প্রথমে ব্যাট করে ক্রিস গেইলের ১৪৬ রানের টর্নেডো ইনিংসের ওপর ভর করে ২০৬ রান করে ঢাকা। জবাব দিতে নেমে ১৪১ রানে গুটিয়ে যায় বিপিএলের চতুর্থ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।

    মঙ্গলবার দুপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর রাইডার্স। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি রংপুরের। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলেই গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জনসন চার্লসকে ফিরিয়ে দেন ঢাকার অধিনায়ক সাকিব। যদিও এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রংপুরের। ব্র্যান্ডন ম্যাককালামকে নিয়ে পুরো ২০ ওভার খেলেন গেইল। একই সঙ্গে চলে চার ও ছক্কার ফুলঝুড়ি। ৩৩ বলে অর্ধশতকের পর ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১৬৯ বলে ১৮ ছক্কা এবং ৫ চারে ১৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন গেইল।