Author: banglarmukh official

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিলে পুলিশের বাধা

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিলে পুলিশের বাধা

    কাজী   সাইফুল

    স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বের হওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশালে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ আয়োজনে নগরের সদর রোডের বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের করা হয়।

    মিছিলটি অশ্বিনী কুমার হল চত্বর থেকে সদররোডে উঠতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। পরে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে ফিরে গেলে মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায়। মিছিলের আগে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এ কে এম শহীদুল ইসলাম, মীর জাহিদুল কবির জাহিদ, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক খন্দকার আবুল হাসান লিমন প্রমুখ। এসময় বক্তারা আব্দুল কাদের ভুঁইয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

     

  • বরিশালে ধর্ষণের পর হত্যা- মামলার প্রধান আসামির মৃত্যু

    বরিশালে ধর্ষণের পর হত্যা- মামলার প্রধান আসামির মৃত্যু

    বরিশালে চাঞ্চল্যকর কলেজছাত্রী সাদিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিরাজের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ সিরাজকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।

    সিরাজ মঠবাড়িয়া উপজেলার খেজুরবাড়িয়া ইউনিয়নের বড়মাছুয়া গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ অ্যান্ড টেকনোলজির প্যাথলজি বিভাগের ছাত্রী ও বরিশাল নগরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডেফুলিয়া এলাকার আলমগীর খানের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায় নিয়ে গণধর্ষণের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি। গত ০২ ডিসেম্বর সিরাজের সঙ্গে ও ১৪ বছরের হাফিজকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

    রোববার (১০ ডিসেম্বর) শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার (০৮ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাজতি সিরাজকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য কারা হাসপাতালের সহকারী সার্জনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কারাগারে আসার আগেই সিরাজ আহত ছিলেন। হাসপাতালের মৃত্যুর প্রমাণপত্রেও শারীরিক আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এসএম রুহুল আমিন জানান, গত ১৯ নভেম্বর সাদিয়াকে মঠবাড়িয়ায় এলাকায় নিয়ে যান মামলার প্রধান আসামি সিরাজ। সেখানে দুই সহযোগীর সহায়তায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সিরাজসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে গত ০২ ডিসেম্বর সিরাজ ও তার সহযোগী হাফিজকে গ্রেফতারের পর তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে সাদিয়ার মরদেহ পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই তার মৃত্যুর সঠিক কারণ যানা যাবে।

    এছাড়া মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান এস এম রুহুল আমিন। জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, সিরাজকে গত ০৫ ডিসেম্বর হাজতি হিসেবে (৮১৩৫/১৭) হাতে পায় কারাগার কর্তৃপক্ষ। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে ০৮ ডিসেম্বর শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সুরতহাল ও ময়না তদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ জানা যাবে না। এজন্য তিনি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।

    বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. বদরুজদৌজা জানান, আসামি সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর সময় তার শরীরে জখম ছিল। অবস্থার অবনতি হলে সিরাজকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আওলাদ হোসেন জানান, সুস্থ অবস্থায় আসামি সিরাজকে কারাগারে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে- হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

  • বরিশাল নগরীতে স্কুল ছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশাল নগরীতে স্কুল ছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালে নগরীতে সিনিয়র জুনিয়র দ্বন্দ্বে আবু সালেহ (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ কিশোর। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের সাগরদী শেরেবাংলা সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবু সালেহ বরশিাল নগরীর নুরিয়া হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রেপালিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি শাহ্ মো. আওলাদ হোসেন মামুন ঘটনাস্থলে ছুটে গেছে।

    কিন্তু এর আগেই হামলাকারী একই এলাকার বাসিন্দা আতাউর রহমানের ছেলে হৃদয় পালিয়ে গেছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুল হক।

  • জেরুজালেম ইস্যু; হোয়াইট হাউজের সামনে জুমার নামাজ আদায়

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাসভবন হোয়াইট হাউজের সামনে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেছে মুসলিমরা। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিবাদ জানাতে হোয়াইট হাউজের সামনের পার্কে মুসলিমরা নামাজ আদায় করেন। আমেরিকার মুসলিম সংগঠনগুলো এ অভিনব প্রতিবাদের ডাক দেন।

    এসময় মুসলিমরা ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী কাপড়, আবার কেউ কেউ ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরেন। তারা পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলর দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

    সূত্র : দ্য স্ট্রেইট টাইমস

  • মায়ের স্মৃতিচারণে প্রধানমন্ত্রী কাঁদলেন এবং কাঁদালেন

    মায়ের স্মৃতিচারণে প্রধানমন্ত্রী কাঁদলেন এবং কাঁদালেন

    মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের স্মৃতিচারণ করে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৭ই মার্চের বক্তব্যের পেছনে তার মায়ের ভূমিকা, ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা। বাবা-মা, ভাই-বোনসহ পরিবারের প্রায় সবাইকে হারানোর সেই রাতটার কথা বলতে গিয়েই কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় দর্শকসারিতেও অনেককেই চোখ মুছতে দেখা যায়।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের এক পর্যায়ে উঠে আসে ১৫ আগস্টের সেই রাতের কথা। সেই মর্মান্তিক ঘটনার কথা বলতে গিয়ে কিছু সময়ের জন্য স্তব্ধ হয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। আবেগরুদ্ধ কন্ঠে কম্পিত গলায় তিনি বলেন, সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে তিনি ঠিক থাকতে পারেন না।

    কিছুক্ষণ নীরব থেকে আবেগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় মিলনায়তন জুড়েই যেনো একটা নীরব কান্নার সৃষ্টি হয়। পরে যখন কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ ছিলো আবেগ কম্পিত। তিনি বলেন তার মায়ের কথা, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

    প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেই রাতে আমার মাকে হত্যাকারীরা নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। কিন্তু তিনি তাদের সাথে যাননি। বরং তার স্বামী বঙ্গবন্ধুর সাথে মৃত্যুকেই বেছে নিয়েছিলেন।

    “কোন সাধারণ নারী হলে হয়তো বাঁচার চেষ্টা করতো। কিন্তু তিনি মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করেছেন। ” অশ্রুসজল চোখে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। কথাটি বলা শেষ করেই চোখ মুছে নেন তিনি। দর্শকসারিতেও অনেকেই আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তাদেরকেও চোখ মুছতে দেখা যায়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন সেই ভাষণের আগে অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে নানা ধরণের বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়েছিলো। কিন্তু বেগম ফজিলাতুন্নেছাই বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, তোমার মনে যা আসে তুমি তাই বলবে, কারণ তুমি এই বাঙলার মানুষদের জন্য এতোদিন সংগ্রাম করেছো। তুমি জানো কি বলতে হবে। আর স্ত্রীর পরামর্শ শুনেই বঙ্গবন্ধু সৃষ্টি করলেন সেই ‘অমর কবিতা’, ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ’।

  • ছেলের মৃত্যুর পর দগ্ধ মাও মারা গেলেন

    ছেলের মৃত্যুর পর দগ্ধ মাও মারা গেলেন

    আগুনে পুড়ে ছেলের মৃত্যুর ক’দিন পরেই মারা গেলেন দগ্ধ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সালেহা আক্তারও। ১৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে তার মৃত্যু হয়।

    শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। পরে সহকর্মীদের অনুরোধে দুপুরে মরদেহ শেবাচিম হাসপাতালের সেন্ট্রাল মসজিদে জানাজার জন্য নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় ও সহকর্মীরা জানান, ছেলে রুবেল মোটরসাইকেল কেনার আবদার করে সে আবদার পূরণে অভিভাবকরা রাজি না হলে অভিমান করে নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন রুবেল। সে আগুন নেভাতে গিয়ে মা সালেহা আক্তারও অগ্নিদগ্ধ হন।

    তবে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তির সময় সালেহার স্বজনরা বলে ছিল গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনি দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরতরা। ঢামেক হাসপাতাল থেকে সালেহার মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

    তিনি জানান, মায়ের মৃত্যুর সপ্তাহ খানেক আগে ছেলে রুবেলের (২০) মৃত্যু হয়। উভয়ই আগুনে পুড়ে দগ্ধ হলে গুরুতর অবস্থায় গত ২২ নভেম্বর রাতে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতে মা ও ছেলেকে মুমূর্ষু ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে ছেলে রুবেলের মৃত্যু হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মায়ের মৃত্যু হয়।

    এ মৃত্যুর খবরে স্বজন ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের শিশু ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মৃত সালেহা আক্তার (৫০) বরিশাল নগরের ২৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও একই হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মো. হানিফের স্ত্রী।

  • বিবাহিত আর বয়ষ্কদের নিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি

    বিবাহিত আর বয়ষ্কদের নিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি

    ৬ ডিসেম্বর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। এ কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে ৩২ বছর বয়সী রাসেলকে।

    তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আল আমিনকে (সানু) যিনি বিবাহিত এবং ছাত্রদল নেতা। এছাড়া সহ-সভাপতি করা হয়েছে বেল্লাল হোসেনকে যার বড় মেয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বিতর্কিত এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে রাজাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রলীগ নেতা মো. শাওন ফরাজী।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রয়েছে। তারপরও উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে অবহিত না করে জেলা ছাত্রলীগ গোপনে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। বিবাহিত, একাধিক সন্তানের জনক, অছাত্র ও বিএনপি ঘেষাদের নিয়ে গঠনতন্ত্রকে পাস কাটিয়ে কমিটি করা হয়েছে।

    এছাড়াও কমিটিতে নাম রয়েছে এমন বেশ কয়েকজন বর্তমান কমিটি থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা বর্তমান কমিটিকে অবৈধ ও অগঠনতান্ত্রিক উল্লেখ করে তা বাতিল এবং অবিলম্বে এই কমিটি বিলুপ্ত করে কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রনেতারা বলেন, যেখানে উপজেলা কমিটিতে হাইব্রিড (নব্য) স্থান পায়, সেখানে বড় ধরনের ঝামেলার জন্য এবং ৩টা গ্রুপিংয়ের কারণে প্রায় ২ বছরের অধিক সময় কমিটি স্থগিত থাকায় কিভাবে জেলা থেকে এমন কমিটি দেয় এটা তাদের বোধগম্য নয়।

    এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নিয়ম নীতি মেনেই কমিটি ঘোষণা করেছি। তারপরও কমিটির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

  • সাংবাদিকদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচীব এ্যাডঃ মজিবর রহমান সরোয়ার

    সাংবাদিকদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচীব এ্যাডঃ মজিবর রহমান সরোয়ার

    স্টাফ রিপোর্টার :

    বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা র্শীষক সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচীব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ মজিবর রহমান সরোয়ার।

    আজ শনিবার বেলা ১২টায় শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতি কথা তুলে ধরে সরোয়ার বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বরিশালে সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে হেড কোয়াটার করে যুদ্ধের প্রশিক্ষন নিয়েছেন।

    বরিশালের সারর্সি বাজার , বাবুগঞ্জ ও নলছিটিতে হানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালের মুত্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা , অসহায় দারিদ্র মুক্তিযোদ্ধা এবং অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও সুস্থতা কামনা করেন। মতবিনিময় সভায় সরোয়ার আরো বলেন, এদেশের মানুষ যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের প্রান বিনিয়ে দিয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন আজও হয়নি।

    ৪৬ বছর আগে অল্প কিছু লুটেরাজ ছিলো আর ৪৬ বছর পরে লুটেরাজের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হয়েগেছে। তিনি বলেন স্বাধীনতা মুল মন্ত্র হচ্ছে গনতন্ত্র। আর সেই গনতন্ত্রকে রুদ্ধ করা হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে। মতবিনিময় সভায় সরোয়ার মুক্তিযুদ্ধের চেতয়ায় ফিরে এসে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার আহবান জানান। মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক নলছিটি থানা কমান্ডার মোঃ আনোয়ার হোসেন সিকদার, মুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী খান, বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল, মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ হোসেন।

  • কাস্পিয়ান সাগরে মিসাইল শনাক্তকারী যুদ্ধজাহাজ নামাল ইরান

    কাস্পিয়ান সাগরে মিসাইল শনাক্তকারী যুদ্ধজাহাজ নামাল ইরান

    আন্তর্জাতিক মহলকে উত্তপ্ত করে নিজেদের সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে এবার কাস্পিয়ান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি যুদ্ধাজাহাজ ভাসাল ইরান।

    সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই জাহাজ এরই মধ্যে ইরানের নৌবহরে যুক্ত হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি এই জাহাজকে ‘শান্তির প্রতীক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। জাহাজটির নাম রাখা হয়েছে ‘সেপার’ বা ‘ঢাল’।

    জানা গেছে, ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর আনজালিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজটিকে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।   এই সময় সেখানে ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি উপস্থিত ছিলেন।

    জাহাজটি ৪৭ মিটার লম্বা এবং ৩.৯ মিটার উঁচু এবং ঘণ্টায় এটি ৬৪ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। এই জাহাজে রয়েছে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষোপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, ৭৬ ও ৪০ মিলিমিটার ব্যাসের কামান, ফায়ার কন্ট্রোল রাডার ও শত্রুর যুদ্ধজাহাজ এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শণাক্ত করার যন্ত্রসহ নানা ধরনের উন্নত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামাদি।

    জাহাজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ইরানের সমস্ত যুদ্ধজাহাজ আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য শান্তি বার্তা বহন করছে। তিনি আশা করেন, ইরানের সামরিক অগ্রগতি এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করবে।

    বা:মু:প্র: কাজী সাাইফুল

  • ভারতে ১শ’ টাকাতেই মেলে শিশু যৌনকর্মী!

    ভারতে ১শ’ টাকাতেই মেলে শিশু যৌনকর্মী!

    চাইল্ড পর্নোগ্রাফি বা শিশুদের দিয়ে যৌনতার যে ভিডিও তৈরি হয় তাতে ভারত বিশ্বের প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে রয়েছে। এমনকি এই সব ভিডিও দেখার ক্ষেত্রেও ভারতের স্থান প্রথম তিন জনের মধ্যে। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশটির শিশুদের যৌন নিপীড়ন নিয়ে সামনে এল আরও এক ভয়ঙ্কর তথ্য।

    শিশুদের এই যৌন লাঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হওয়া এক নারী সমাজকর্মী ইন্টারনেটে change.org নামের একটি আন্তর্জাতিক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এই তথ্যকে সামনে এনেছেন। তাঁর দাবি, মাত্র ১০০ টাকা দিলেই ভারতের নিষিদ্ধ পল্লিতে মিলছে শিশু যৌনকর্মী। ১০ বছর থেকে ১৪-১৫ বছরের ছেলে-মেয়েদের লালসার শিকার বানানো হচ্ছে।

    এমনকি, এই শিশুদেরকে বয়সে বড় দেখাতে মোটা-তাজা করণের জন্য দেওয়া হচ্ছে হরমোন ইনজেকশন। আর এইভাবে যে সব মানুষজন শিশুদের লালসার শিকার বানাচ্ছে তাদের দলে কে নেই- রিক্সা চালক থেকে শুরু করে শ্রমিক বা সমাজের উচ্চ পদে কর্মরত পুরুষরা।

    সম্প্রতি দেশটির মহারাষ্ট্র প্রদেশে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকেও সকলের সামনে এনেছেন শাইনা এনসি নামে নারী সমাজকর্মী। মহারাষ্ট্র পুলিশ সম্প্রতি একটি নিষিদ্ধ পল্লিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশকিছু যৌন কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

    এই দলে রতি (নাম পরিবর্তিত) নামে চৌদ্দ বছরের একটি মেয়েও ছিল। সে জানায়, নিষিদ্ধ পল্লির প্রধান মাত্র ১০০ টাকার জন্য তাকে শরীর বেচতে বাধ্য করত। দিনে অন্তত ৩০ জন গ্রাহকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে হত রতিকে। এমনকি, চৌদ্দ বছরের রতি জানায় তাকে যাতে বড়দের মতো দেখতে লাগে তার জন্য হরমোন ইনজেকশনও দেওয়া হত।

    বা:মু:প্র: সিফাত