Author: banglarmukh official

  • স্বাধীনতা

    স্বাধীনতা

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার মৃদু হাসির সুর,

    স্বাধীনতা তুমি মুক্তিসেনার স্বপ্ন বহুদুর।

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার নব বধূর চলন,

    স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের নতুন একটি গড়ন।

    তোমার জন্য হাজারো প্রান,

    হাজারো মনের ডাক,

    তোমার স্মৃতিতে ক্লান্ত শিশুর

    আমার বাংলা’ নামের বাক।

    তোমার জন্য লক্ষ মানুষের

    দান কৃত সেই প্রান,

    তোমায় সেবিতে মাটি মানুষের জন্য

    বিলায়েছে যারা প্রান।

    তুমি সেই প্রানের স্বাধীনতা

    তুমি সেই অন্তরেরই কথা।

    যাহার জন্য আজো বাঙালি আজো স্বপ্ন দেখে,

    যাহার জন্য ঐ পথিকে জয় বাংলা আঁকে।

    তোমার জন্য মুজিবের কথা অমরত্ব পায়,

    ওসমানীর সেই প্যারেড স্বপ্ন একে যায়।

    শেখ মুজিবের ভাষনে আজো কম্পিত হয় সুর,

    স্বাধীনতা তোমায় নিয়ে যাব আমি বহুদূর।

  • মিস ওয়ার্ল্ড’ মুকুট জিতলেন ভারতের মানসী

    মিস ওয়ার্ল্ড’ মুকুট জিতলেন ভারতের মানসী

    ফের বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট উঠল ভারতীয় সুন্দরীর মাথায়। ২০১৭ মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় খেতাব জিতলেন ভারতের মানসী চিল্লার।

    শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে চীনে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

    চীনের সানাইয়া সিটি এরেনায় মানসীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের বিশ্বসুন্দরী স্টেফানি দেল ভালে।

    মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ৬৭ তম সংস্করণে চিল্লার ছয় নম্বর ভারতীয় হিসেবে মুকুট জিতলেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন মেক্সিকোর আন্ড্রিয়া মেজা। তৃতীয় হন ইংল্যান্ডের স্টেফানি হিল।

    মানসী ১৯৯৭ সালের ১৪ মে দিল্লিতে এক চিকিৎসক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দিল্লির সেন্ট থমাস স্কুলের ছাত্রী মানসীর বাবা ও মা দুজনেই পেশায় চিকিৎসক। মানসী নিজেও মেডিকেলের ছাত্রী। কিন্তু সুন্দরীদের প্রতিযোগিতায় তার বরাবরের নাম ডাক।

    ২০১৬ সালে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা জিতেছিলেন এই সুন্দরী। আর এবারে পেলেন বিশ্বের সেরা সম্মান। এই নিয়ে পঞ্চমবার কোনও ভারতীয় সুন্দরীর হাতে এই খেতাব এসে পৌঁছে গেল।

    এবারের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছিল চীনের এরেনায় শহরে। চূড়ান্ত তালিকায় এসে পৌঁছে ছিলেন প্রায় ১২১টি দেশের সুন্দরীরা। সেখান থেকে এক এক করে সেরা ৪০ হয়ে এই ঘোষণার ঘণ্টাখানেক আগে সেরা পাঁচের তালিকায় উঠে আসেন মানসী। তারপর থেকেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে তিনি। এরপরেই আসে সুখবর।

    এর আগে ভারত হয়ে  ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরীর শিরোপা জিতেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই, ১৯৯৭ সালে ডায়ানা হেডেন ও ২০০০ সালে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

  • খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    খুন হতে পারেন সানি লিওন!

    ভক্তের সংখ্যা তার অগুন্তি। তালিকায় প্রায় সকলেই পুরুষ।

    এ খবর শুনলে মুহূর্তে থমকে যাবে তার হৃদস্পন্দন। যে কোনও দিন খুন হতে পারেন অভিনেত্রী সানি লিওন। অভিনেত্রী নিজেই এ খবর জানিয়েছেন।

    ভারতীয় এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সানি জানিয়েছেন, আপনি দেখলে অবাক হবেন, গত দুই দিনে অসংখ্যবার খুনের হুমকি দিয়ে তার মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    গত ৬ বছর ধরেই এ রকম একাধিক খুনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাতে ভয় না পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন। তাতেও অবশ্য থামেনি হুমকি। উল্টে বেড়েছে ক্ষুদেবার্তার পরিমাণ। তাই আর পুলিশকে না জানিয়ে নিজেই সেগুলোর মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি।

     

    সে কারণে এখন আর এসব হুমকি ভরা ক্ষুদেবার্তা তার জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না। উল্টো খোশ মেজাজে নিজের কাজ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। -আজকাল।

  • আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় মাছ চুরির অপবাদে এক শিশুর হাত-পা ও চোখ বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    নির্যাতিত সেই শিশুর নাম মোঃ ফুয়াদ হাসান (১০)।

    শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় এ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ফুয়াদ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার বজ্রপুকুর গ্রামের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। ফুয়াদ বাবা-মায়ের সাথে ঘোষবাগ এলাকার হক সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় শেরে বাংলা মডেল হাইস্কুলের ২য় শ্রেনীর ছাত্র।

    ভুক্তভোগী শিশু ফুয়াদ জানায়, শনিবার দুপুরে সে বাড়ির পাশের তৈয়বপুর খালের ধারে খেলতে যায়। একপর্যায়ে কয়েকজন বন্ধু মিলে ওই খাল থেকে তিনটা কই মাছ ধরে। এসময় ওই খালের সাথে থাকা মাছের  হাসেন আলী ছেলে খামারের মালিক আনসার আলী ও রফিজ উদ্দিনের ছেলে জলিল মিয়ার মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে আটক করে। পরে নাইলনের রশি দিয়ে তার হাত-পা বেধে কাচা কঞ্চি দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য পিটাতে থাকে জলিল ও তার লোকজন। একপর্যায়ে তার হাত-পা বাধা অবস্থায় প্লাষ্টিকের বস্তা দিয়ে তার মাথাটিও ঢেকে দেয় নির্যাতনকারীরা।

    টানা তিন ঘন্টা মারধরের পর বিকেলের দিকে সে তার এক বন্ধুর সহায়তায় ব্লেড দিয়ে হাত-পায়ের বাঁধন কেটে পালিয়ে আসে।

    শিশুটির মা রোকেয়া ভানু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি পেটের দায়ে জিরাবো এলাকার ফাইভ এ্যাপারেলস কারখানায় চাকুরী করি এবং ওর বাবা রাজমিস্ত্রীর জোগালি কাজ করে। ছেলেটি সারাদিন বাসায় একা থাকে। রাতে বাসায় এসে জানতে পারি মাছ চুরির অপবাদে আমার ছেলেকে বেধরক পিটিয়ে আহত করেছে আনসার ও জলিল। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নির্যাতনকারীরা ভয়ভিতি প্রদর্শনসহ বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার জোরে যারা আমার ছেলেকে মিথ্যা মাছ চুরির অপবাদে নির্যাতন করেছে আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।

    মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস খামারের অপর একজন মালিক আব্দুল  গনি মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ফুয়াদসহ কয়েকজন ছেলে মিলে প্রতিদিন খামারের মাছ চুরি করে। তারা রাতের আধারে কারেন্টজাল দিয়ে মাছ মেরে নিয়ে যায়। আজকে ওদের একজনকে ধরে সামান্য মারধর করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, একটি শিশুকে নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করতে দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত!

    পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করতে দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত!

    যেকোন মুহূর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে ভারত। একটা নয়, দু’টি যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

    এমনটাই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পাক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসের খান জানুজা। তাঁর মতে, এই নীতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতাবস্থার পক্ষে ক্ষতিকর।

    সম্প্রতি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের জন্য প্রেরিত জার্মান কূটনীতিকদের একটি দলের সঙ্গে কথা বলতে যান জানুজা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেন পাক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসের খান জানুজা। তাঁর দাবি, পাকিস্তান নাকি আফগানিস্তানে শান্তি চায়। কিন্তু ভারতই নাকি এই বিষয়টির মধ্যে ঢুকে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। সেই সময়ে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করতে চায়। জানুজার দাবি, ভারতের তৈরি করা এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে অনুকূল নয়। বিশ্বের সব বড় শক্তিরই উচিত, এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতাবস্থা রক্ষার চেষ্টা করা।

  • বি এম কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণের ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    বি এম কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণের ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    “সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও বাংলাদেশ” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজের ঐতিহ্যবাহি সংগঠন উত্তরণ সাংস্কৃতিক সংগঠন এর ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর স্বপন কুমার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিশিষ্ট সংস্কৃতিজন কাজল ঘোষ, উওরণ এর উপদেষ্টা প্রফেসর সঞ্জয় কুমার সাহা ও শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর কাইয়ুম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি দিদারুল ইসলাম। এছাড়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৈয়দ মেহেদী। এসময় বক্তারা উত্তরণের সাফল্য কামনা করেন এবং রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ঠাকুর পাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের কঠাের শাস্তির দাবি জানান।

  • আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    আজ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা’র ১২০ তম জন্মদিন

    হুজাইফা রহমান:

    মনোরমা বসু মাসীমার জন্ম ১৮৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর বরিশাল জেলার বানারীপাড়ায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। আশৈশব দারিদ্র্য তাঁকে কঠোর সাধনায় সিদ্ধ হতে সাহায্য করেছে। তিনি নিজের জীবনে শিক্ষার তেমন সুযোগ পাননি, কিন্তু সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর আগ্রহ ও চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। জন্মস্থানের অনুকূল পরিবেশ মনোরমা বসুকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। তাই মাত্র এগারো বছর বয়সে ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। চৌদ্দ বছর বয়সে বরিশালের বাঁকাই গ্রামের জমিদার চিন্তাহরণ বসুর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয় এবং স্বামীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে তিনি স্বদেশী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। জমিদার বাড়ির রক্ষণশীলতা ও বিধিনিষেধ অতিক্রম করে তিনি মুক্ত জীবনে প্রবেশ করেন। ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তিনি জমিদার বাড়ি ছেড়ে বরিশালে স্থায়ী আবাস গড়ে তোলেন। বরিশালে অবস্থানকালে মনোরমা স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং নারী অধিকার রক্ষায় ‘সরোজনলিনী মহিলা সমিতি’র শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম মহিলা সংগঠন। এ সমিতির মাধ্যমেই তিনি নারী সমাজকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেন।

    ১৯৩০ সালে তিনি কংগ্রেস মহিলা কর্মী হন এবং ১৯৩২ সালে কংগ্রেসের ডাকে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন। এ সময় বহরমপুর জেলে তিনি উর্মিলা দেবী (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের বোন), জ্যোতির্ময়ী দেবী প্রমুখ প্রখ্যাত কংগ্রেস নেত্রীর সান্নিধ্য লাভ করেন।মনোরমা বসু ছিলেন একজন একনিষ্ঠ সমাজসেবক এবং স্বদেশী আন্দোলনের নেত্রী।। তিনি অনাথ ও দুঃস্থ মহিলাদের, বিশেষ করে বিধবা ও কুমারী মেয়েদের আশ্রয় দানের জন্য বরিশালের কাউনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’। আজীবন তিনি এটি পরিচালনা করেন। চল্লিশের দশকের প্রথম দিকে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। তিনি ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’র বরিশাল জেলা শাখার অন্যতম নেত্রী ছিলেন।

    ১৯৪৩-৪৪ সালে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর সময় লঙ্গরখানা, চিকিৎসালয় ও উদ্ধার আশ্রম স্থাপন এবং পুনর্বাসন কাজে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন নারী আন্দোলন, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক কাজের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখা’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি নারীমুক্তি আন্দোলনকে গতিশীল করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ পরিষদের সহসভানেত্রী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর নতুন শাসকদের শাসন ও শোষণ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালে বরিশালের খাদ্য-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি এক বছর সশ্রম কারাদন্ড ভোগ করেন এবং সে সঙ্গে জননিরাপত্তা আইনে আরও তিন বছর কারাভোগের পর ১৯৫২ সালের ২৫ এপ্রিল মুক্তি লাভ করেন। ১৯৫৪ সালের ১০ এপ্রিল স্বামীর মৃত্যুতে তিনি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সে আঘাত কাটিয়ে উঠে তিনি পুনরায় স্বীয় কর্মকান্ড শুরু করেন।

    ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে মনোরমা বসু আত্মগোপন করেন এবং সে অবস্থা থেকে আত্মপ্রকাশের পর তিনি ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’-এর কাজে ব্যস্ত থাকেন। একই সঙ্গে গড়ে তোলেন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পল্লিকল্যাণ অমৃত পাঠাগার (শহীদ অমৃতলালের নামে), আর শিশুদের জন্য মুকুল মিলন খেলাঘর। তাঁর অবর্তমানে মাতৃমন্দিরের কার্যনির্বাহের জন্য নিজের সব সম্পত্তি মন্দিরের নামে দান করে যান।১৯৬২ ও ৬৪’র গণআন্দোলন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে মহিলাদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল। দেশপ্রেম, সমাজসেবা ও মানুষের প্রতি ভালবাসার কারণে দলমত-নির্বিশেষে সকলে তাঁকে ‘মাসীমা’ বলে ডাকত। বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী, দৃঢ়চেতা, পরোপকারী এবং আদর্শনিষ্ঠ মনোরমা বসুর সমগ্র জীবন ছিল দেশপ্রেমে নিবেদিত। তিনি ছিলেন সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত এবং যেকোনো সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চারকণ্ঠ। তাঁর জীবদ্দশাতেই সত্যেন সেনের মনোরমা মাসীমা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়

  • বান্ধবীর বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে কলেজছাত্রীর ‘আত্মহত্যা’”

    তানজিল ‍ শুভ

    বরিশালে বান্ধবীর বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে এ্যানিটা (১৭) নামে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেল সাড়ে ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ্যানিটার মৃত্যু হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ইউনিট-১ এর চিকিৎসক ডা. নাহিদ। আত্মহননকারী এ্যানিটা বরিশাল নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মাইকেলের মেয়ে এবং সরকারি বরিশাল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    জানা যায়, দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের বটতলা আদমআলী হাজী গলির চারতলা বিশিষ্ট আরআর ম্যানশনের ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে তিনি আত্মহননের চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিক তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

    কলেজছাত্রীর বান্ধবী আরআর ম্যানেশনের ভাড়াটিয়া স্বপনের মেয়ে শ্রেয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুপুরে এ্যানিটা তার বাসার সামনে এসে কল দেয়। বাথরুমে থাকায় ফোন ধরতে না পারায় এ্যানিটা ঘরে না ঢুকে সরাসরি চতুর্থ তলায় ছাদে চলে যায়।’ তিনি বলেন, ‘বাথরুম থেকে বের হয়ে ঘরে গিয়ে মোবাইলে এ্যানিটার একটি এসএমএস দেখে দেরি না করে দ্রুত দৌড়ে ছাদে চলে যাই। কিন্তু পৌঁছানোর আগেই এ্যানিটা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে যায়। তবে তার মোবাইলটি ছাদেই পড়ে ছিলো।

    এ বিষয়ে কোতয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার (উপ-পরিদর্শক) সত্য রঞ্জন খাসকেল বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে অফিসারও পাঠানো হয়েছে। তবে এটি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা তদন্তসাপেক্ষে বেরিয়ে আসবে।’””””!

  • স্বাধীনতা

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার মৃদু হাসির সুর,

    স্বাধীনতা তুমি মুক্তিসেনার স্বপ্ন বহুদুর।

    স্বাধীনতা তুমি গ্রাম বাংলার নব বধূর চলন,

    স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের নতুন একটি গড়ন।

    তোমার জন্য হাজারো প্রান, হাজারো মনের ডাক,

    তোমার স্মৃতিতে ক্লান্ত শিশুর আমার বাংলা’ নামের বাক।

    তোমার জন্য লক্ষ মানুষের দান কৃত সেই প্রান,

    তোমায় সেবিতে মাটি মানুষের জন্য বিলায়েছে যারা প্রান।

    তুমি সেই প্রানের স্বাধীনতা

    তুমি সেই অন্তরেরই কথা।

    যাহার জন্য আজো বাঙালি আজো স্বপ্ন দেখে,

    যাহার জন্য ঐ পথিকে জয় বাংলা আঁকে।

    তোমার জন্য মুজিবের কথা অমরত্ব পায়,

    ওসমানীর সেই প্যারেড স্বপ্ন একে যায়।

    শেখ মুজিবের ভাষনে আজো কম্পিত হয় সুর,

    স্বাধীনতা তোমায় নিয়ে যাব আমি বহুদূর।

  • চার লেনে উন্নিত মহাসড়কের ব্যাবহার হচ্ছে না এখনো

    চার লেনে উন্নিত মহাসড়কের ব্যাবহার হচ্ছে না এখনো

    সিফাত

    বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক প্রায় তিন বছর আগেই চার লেনে উন্নত করার কাজ সমাপ্ত হয়। এবং তারপর থেকেই তা যান চলাচলের উপযোগী হয়। কিন্তু প্রধান মহাসড়কের দুই পাশে তৈরিকৃত রাস্তা আজও ব্যাবহৃত হচ্ছে না। প্রাধন মহাসড়কেই চলছে ব্যাটারিচালিত অটো থেকে রিক্রা,ভ্যান,আলফার মতো মহাসড়কে চালাচলের জন্য অবৈধ সকল যানবাহন। কিন্তু মহাসড়কে দু পাশে, লেনের পরেই পড়ে আছে খালি রাস্তা। শুধুমাত্র দু-একজন পথচারী বাদে সেই পথ ব্যাবহারও করছে না কেউ। মাঝে মাঝে মহাসড়কের দুই পাশে নব নির্মিত রাস্তায় দু-একটি যানবাহন দেখা দিলেও তা আবার চলছে উল্টো পথে। মহাসড়কে এভাবে হালকা সকল অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে প্রশাসনে পদক্ষেপ গুলোও খুব বেশি জোরদার ছিল না। যদিও প্রশাসন কয়েকবার মহাসড়কের পাশে তৈরিকৃত রাস্তা যাতে ব্যবহার হয় এবং প্রধান মহাসড়কে কোনো হালকা যানবাহন না চলে সেই জন্য নানা প্রকার পদক্ষেপ পূর্বে গ্রহন করেছে। কিন্তু তাদের কার্যক্রম অব্যাহত ভাবে চলেনি বলে আজও সড়ক তৈরির তিন বছর পরেও তা অব্যাবহৃত হয়ে পড়ে আছে। সড়কে কোনো যাননবাহন চলাচল না করায় ফয়দা লুটছে দখলদাররা, কেউ কেউ সড়কের অর্ধেক দখল করে চা-ফুচকার দোকান দিচ্ছে, আবার কেউ কউ সড়কের মধ্যেই রাখছে ইট,বালু,পাথর সহ নানা জিনিস। সেইজন্য কেউ চাইলেও সেই রাস্তায় বর্তমানে চলাচল করতে পারছে না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস,ট্রাক,কার্গোর সাথে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে সাধারন সব পরিবহন। যার ফলে প্রায়সই ঘটছে নানা ছোট-বড় দুর্ঘটনা। তাই সাধারন জনগনের দাবি মহাসড়ক ছেরে যাতে পাশ্ববর্তি সড়ক গুলতে সাধারন যানবাহ চলাচলে যথাযত ব্যাবস্থা অতি শিগ্রই গ্রহন করা হয়।