Author: banglarmukh official

  • কোচ নির্বাচন বিসিবির ব্যাপার

    কোচ নির্বাচন বিসিবির ব্যাপার

    পদত্যাগ করলেও সহসাই বাংলাদেশে আসছেন চন্ডিকা হাতুরাসিংহে। বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তার বিদায়টা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি এখনো। তারপরও বাংলাদেশের কোচ বিষয়ে আলোচনা থেমে নেই। গতকাল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, ক্রিকেটারদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। কোচ প্রসঙ্গে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির আলোচনার প্রয়োজন দেখেন না তিনি।
    হাতুরাসিংহে থাক বা নতুন কেউ দায়িত্ব নিক তাতে ক্রিকেটারদের একটাই দায়িত্ব দেখতে পাচ্ছেন মাশরাফি। তা হলো পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া। এবং পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে নেয়া।
    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ বছর পার করে দিয়েছেন মাশরাফি। নিজের ক্যারিয়ারে কখনোই তিনি দেখেননি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় দলের কোচ নির্বাচন করছে বিসিবি।
    গতকাল মাদক বিরোধী প্রচারণা সম্পর্কিত এক অনুষ্ঠানে বিসিবির সঙ্গে ক্রিকেটারদের আলোচনার বিষয়ে মাশরাফি বলেছেন, ‘আজ পর্যন্ত কোনো কোচ যখন নেওয়া হয়েছে গত ১৬-১৭ বছরে আমার অন্তত মনে পড়ে না আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে। এখনো তাই বলব, মনে করছি না আমাদের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন আছে। আমাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। যিনিই আসুন তার পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলা। কে আসবে সেটাও ব্যাপার নয়। যিনি আসবেন তার সাক্ষাতকার নেবে নিশ্চয়ই বিসিবি, তাকে চিন্তা করেই নেওয়া হবে।’
    হাতুরাসিংহে না থাকলে একটা পরিবর্তন আসবে। মাশরাফি মনে করেন, পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘যখন একটা পরিবর্তন আসে তখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেটা মেনে নিতে হবে। অবশ্যই গত তিন বছর হাথুরুর অধীনে খেলে তার পরিকল্পনা, দল কেমন হবে অনেকটাই মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। তিনি যদি না থাকেন নতুন কোচ যে আসবে তার সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি মানিয়ে নেওয়া যায়।’
    দেড় বছর পরই ২০১৯ বিশ্বকাপ। তার আগে কোচের এ পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখতে বলছেন মাশরাফি। ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপ বেশি দূরে নয়। ২০১৮ সালে বিদেশে অনেক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আছে। সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে বিশ্বকাপের জন্য। একটা পরিবর্তন তো হবেই। পরিবর্তনটা যে নেতিবাচক দিকে যাবে তা নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে এটা ইতিবাচক দিকে নেওয়ার।’
    বিভিন্ন সময় বিদেশি কোচদের সঙ্গে কাজ করেছেন দেশীয় কোচরা। যদিও মাশরাফি বিসিবির সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন।
    বিপিএলে একাদশে পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলায় পারফরম্যান্সের সুযোগ কমে আসছে স্থানীয় ক্রিকেটারদের। তারপরও জহুরুল ইসলাম অমি, আবু জায়েদ রাহী, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রশংসা করেছেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
    তিনি বলেন, ‘টপঅর্ডারে যারা ব্যাটিং করছে, প্রতিটি দলই বিদেশি ব্যাটসম্যানদের নামাতে চাচ্ছে। বিজয় দেখেন ওপরে ব্যাটিংয়েরই সুযোগ পাচ্ছে না। আরও অনেকে আছে। যখন সুযোগ পাচ্ছে তখন ইনিংস লম্বা করার পরিস্থিতি থাকছে না। গিয়েই শট খেলতে হচ্ছে। ক্রিকেটে এসব ছোটখাটো বিষয় অনেক গুরুত্ববহন করে। কাল জহুরুল যে ইনিংসটা খেলেছে, সেই ম্যাচের নায়ক। রিয়াদ কয়েকটা ছোট ছোট কার্যকারী ইনিংস খেলেছে। খুলনার জায়েদ রাহি খুব ভালো বোলিং করছে। একেবারে যে হচ্ছে না, তা নয়। তবে সুযোগ কমে যাচ্ছে। প্রতিটি দল বিদেশি খেলোয়াড়দের ব্যবহার করতে চাচ্ছে। আমাদের সুযোগ তাই কমে যাচ্ছে।’
  • গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    গণভবনে বিমান নিয়ে হামলার ছক ছিল

    ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কোনোভাবে বিমান ক্র্যাশ করানো যায় কিনা, সে বিষয়ে আব্দুল্লাহর সঙ্গে পরিকল্পনা হয়েছিল। এই পরিকল্পনার বিষয়টি বিমানের ফার্স্ট অফিসার শাহরান আলী, ক্যাপ্টেন (অব.) আতাউল কাইয়ুম ও ক্যাপ্টেন নওশাদের সঙ্গে কথাও হয়েছিল।’ এমনই ভয়ঙ্কর জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাবের হাতে গ্রেফতার বিমানের ফার্স্ট অফিসার পাইলট সাব্বির এমাম।

    তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বিমান দিয়ে কোনো স্থাপনায় আঘাত হানতে হলে তা অবতরণের সময় সম্ভব।  কোনোক্রমে টেক অফের সময় সম্ভব নয়। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করে তাত্ক্ষণিকভাবে ঢাকার কোনো স্থাপনায় আক্রমণ করা সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম, সিলেট বা রাজশাহী থেকে বিমান এনে ঢাকার কোনো স্থাপনায় অবতরণকালে আঘাত হানা সম্ভব। স্থাপনা উচ্চতা উপপাদ্য অনুযায়ী হিসাব করে স্থাপনায় আঘাত করা সম্ভব।

    গত ২৬ অক্টোবর মিরপুরের বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি থেকে পাইলট সাব্বির এমামকে র্যাব গ্রেফতার করে। এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর কমলপ্রভা বাড়িতে জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আত্মঘাতি হামলায় জঙ্গি আব্দুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী ফাতেমা ও নাসরিন, দুই সন্তান ওমর ও ওসামা এবং দুই সহযোগী নিহত হয়।

    গত ৮ নভেম্বর ঢাকার মহানগর হাকিম মো: সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে পাইলট সাব্বির এমাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বলে উল্লেখ করা হয়। সেখান থেকে পরিত্রাণ পেতে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আব্দুল্লাহর মাধ্যমে নব্য জেএমবি’র বায়াত গ্রহণ করেন।

    তিনি বলেন, ২০১২ সালে বিয়ে করার পর বাবা-মায়ের সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ২০১৩ সালে বর্ধনবাড়ির কমলপ্রভা বাড়ি ছেড়ে বাবার কেনা কল্যাণপুরস্থ কেয়ারী বুরুজ অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ওঠেন। বাবার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাট ছেড়ে মোহাম্মদীয়া হাউজিংয়ের ফ্ল্যাট ভাড়া করেন। মানসিক হতাশাগ্রস্তের কারণে সেখানকার মসজিদে যাতায়াত করেন। পরে তাবলীগ নামাজে যুক্ত হন। ২০১৪ সালে কোরবানি ঈদের কয়েকদিন আগে বাবার কমলপ্রভা বাড়িতে যান। ওই বাড়ির তিন তলায় আব্দুল্লাহ সপরিবারে থাকতেন। বাড়ির নিচতলায় আব্দুল্লাহর মালিকানাধীন আইপিএস ও স্ট্যাবিলাইজার তৈরির কারখানা। দোতলায় কবুতর ফার্ম। আব্দুল্লাহ তার বাবা-মা ও তাকে জিহাদ সম্পর্কে হাদিসের বয়ান দিতেন। দেশের শাসন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা ও সংবিধান নিয়েও কথা বলতেন।

    জবানবন্দিতে সাব্বির বলেন, আব্দুল্লাহ দেশের সংবিধান আল্লাহর আইন ও শরীয়ত পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেন। এ জন্য এদেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে হবে। যারা ইসলাম বিরোধী কথা বলে, তাদের কোনো বিচার হয় না। রণবী, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, মুহাম্মদ জাফর ইকবালসহ অনেকেই ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এদের কোনো বিচার হয় না বলে, ২/৩ জন বড় বিচারককে মেরে ফেলতে হবে। তাহলে বিচার করার সাহসিকতা বিচারকরা হারিয়ে ফেলবেন।

    পাইলট সাব্বির ইন্টারনেট থেকে ১০ খণ্ড বোখারী শরীফ ডাউনলোড করেন। ফাজায়েল আমল, হাদিস সংকলন ও লন্ডন থেকে বাংলায় অনূদিত কোরআন শরীফ তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে কেনেন। এসব পড়াশুনা করে তিনি বুঝতে পারেন, যেখানে ইসলাম অবনমিত হবে সেখানে ইসলামের পতাকা উত্তোলনের জন্য জিহাদ করতে হবে।

    জবানবন্দিতে বলা হয়, আব্দুল্লাহ তাকে বারবার সিরিয়ায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তাতে সাব্বির রাজি না হলে, দেশে কিছু করা যায় কিনা সে ব্যাপারে পরিকল্পনা নিতে বলেন। তখন আব্দুল্লাহ বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটা নিয়েই সিরিয়া যেতে পারি। সাব্বির তাকে বলে, আমি যে বিমানটি চালাই, সেটি দুজনে মিলে চালাতে হয়, তাই একা কিছু করা সম্ভব নয়। তবে জরুরি হলে জীবনে একবার সম্ভব। আমি তাকে সিরিয়ার রুট প্ল্যান দিয়ে বলেছিলাম, তুরস্ক হয়ে সিরিয়া যাওয়া সম্ভব, সরাসরি সম্ভব নয়। আব্দুল্লাহ আমাকে বুদ্ধি দিয়েছিল যে, তাদের ২/৪ জন ছেলেকে ফ্লাইং শিখিয়ে বিচারলয়সহ সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছোট ছোট বিমান দিয়ে আত্মঘাতি হামলা চালানো যায় কিনা।

  • পাকিস্তানকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগার যুবারা

    পাকিস্তানকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগার যুবারা

    যুব এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে টাইগার যুবারা।

    এদিন, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার পিনাক ঘোষ ও নাঈম শেখ। দলীয় অর্ধশতকের পর ফিরে যান নাঈম। এরপর অধিনায়ক সাইফ হাসানকে নিয়ে শতরানের জুটি গড়েন পিনাক। তবে ১৫৬ রানে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে সাইফ ফিরে যাওয়ার পর এক বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ৩০ রান যোগ হওয়ার আগেই ফিরে যান টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা তৌহিদ হৃদয়, ফিরে যান পিনাক ঘোষও। তবে যাওয়ার আগে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৮২ রান করে যান পিনাক।

                  টাইগার যুবাদের উৎসাহ দিতে মাঠে যান মালয়েশিয়া প্রবাসীরা।

    তবে হাল ছাড়েননি নিচের সারির ব্যাটসম্যানরা। শেষ দিকে দুই ছক্কায় ১৫ বলে ২২ এবং আফিফ হোসেনের ৫৫ বলে ৫২ রানের সুবাদে লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

    পাকিস্তানের হয়ে মিরাজ রিয়াজ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন।

  • ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারকারা

    ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারকারা

    কমল হাসান: ভারতের বর্ষীয়ান এই অভিনেতা টাইপ ১ ডায়াবেটিসের শিকার। কিন্তু এই রোগ তার কর্মজীবনে কোনও প্রভাব ফেলেনি।

    কমল জানিয়েছেন, রোগকে বশে রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তিনি। মেনে চলেন চিকিৎসকের পরামর্শও। আর অ্যালকোহল থেকেও দূরে থাকেন।

    সোনম কাপুর: নিয়মিত ইনসুলিন নিতে হয় সোনমকে। কিন্তু রোগকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি বলিউড কাঁপাচ্ছেন এই নায়িকা। বয়ঃসন্ধিকালেই ডায়াবেটিস ধরা পড়ে সোনমের। এর কারণ তার ওবেসিটি। রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, নিয়মিত যোগব্যায়াম, ডায়েট করেন সোনম। কত্থক নাচের প্রশিক্ষণও নিচ্ছেন তিনি।

    ফাওয়াদ খান: পাকিস্তানের হার্টথ্রব ফাওয়াদ খানও ডায়াবেটিসের শিকার। ১৭ বছর বয়সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস ধরা পড়ে ফাওয়াদের। তার কথায়, অতিরিক্ত ধূমপানের কারণেই এই রোগ থাবা বসায় তার শরীরে। নিয়মিত শরীরচর্চা এবং খাদ্যাভাসে বদল এনেই নিজেকে চনমনে রেখেছেন এই অভিনেতা।

    ওয়াসিম আকরাম: ৩০ বছর বয়সে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন পাকিস্তানি ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম। তবে নিয়মিত ইনসুলিন এবং সঠিক ডায়েট মেনে নিজেকে সুস্থ রেখেছেন।

  • উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা চীনের!

    উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা চীনের!

    উত্তর কোরিয়ায় পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করতে চায় চীন। দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের চাপের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্টের একজন বিশেষ দূত সংলাপের লক্ষ্যে পিয়ংইয়ংয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।

    আগামী শুক্রবার পিয়ংইয়ং পৌঁছাবেন চীনের ওই দূত।

    আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে , উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীনসহ এশিয়া সফর করে যাওয়ার পর বেইজিংয়ের এই কূটনৈতিক তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে বেইজিংয়ের এই দূত পাঠানোতে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কর্মসূচি বিষয়ক উত্তেজনা থামবে কি-না, তা নিয়ে সন্দিহান পর্যবেক্ষকরা। বরং তারা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে চাপ দিতে গেলে বেইজিংয়ের ওপর নাখোশ হতে পারে পিয়ংইয়ং।

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এশিয়া সফরকালে টুইট করে বিরোধীদের সমালোচনা করে জানান, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন-কে ‘বেঁটে বা মোটা’ বলতে চান না তিনি। কিম তাকে ‘বুড়ো’ বলে অপমান করলেও ট্রাম্প তাকে কখনোই ‘বেঁটে বা মোটা’ বলবেন না। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এভাবেই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অপমানমূলক প্রত্যুত্তর দিলেন কিমকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন প্রত্যুত্তরে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। ট্রাম্প ‘কাপুরুষ’, তিনি আন্তঃকোরীয় সীমান্ত সফর বাতিল করেছেন।

  • আত্মহত্যার আগে মর্মান্তিক স্ট্যাটাস

    ফেসবুকে হৃদয় বিদারক স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এক ছাত্র। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ওই ছাত্রের নাম অর্ঘ বিশ্বাস (২০)।

    মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি খুলনা  কাকলীবাগ এলাকার তার ৫ তলার বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার আগে অর্ঘের ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, ক্লাসে উপস্থিত না থাকার কারণে প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি তাকে। আর এই কষ্টেই তিনি আত্মহত্যা করেন। ‘প্রিয় বাংলাদেশ’ সম্বোধনে স্ট্যাটাসের একটি অংশে অর্ঘ লেখেন, ‘তোমার মেরুদণ্ডহীন বিদ্বান সূর্য সন্তানেরা তোমার এত উন্নতি করছে সেখানে আমি তোমার কি উপকার করছি বল? তোমার টাকায় পড়ে, খেয়ে তোমার সিস্টেমের বিরোধিতা করছি, তোমার সঙ্গে বেইমানি করছি। দেখে নিও, আর করব না। সেদিন ভিসি স্যার এবং চেয়ারম্যান স্যারের কাছে মাফ চাইনি। আজ তোমার কাছে মাফ চাইছি। তোমার আর কোনো ক্ষতি করব না। আর তোমার বিরোধিতা করব না। সোজা হওয়া এই মেরুদণ্ড ভেঙে নোয়াতে পারব না। সেটা আমার দ্বারা হবে না। সেজন্য অন্য পথটা বেছে নিলাম। ’ নিজেকে ‘যুক্তিবাদী বেয়াদব’ আখ্যা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ভয় পেয় না। ধর্মান্ধতায় অন্ধ, ক্ষমতাবলে ভীত, অর্থ মোহে ঘুমন্ত এই বালির নিচে মাথা ঢুকিয়ে থাকা উটপাখি সদৃশ জাতি কোনো দিনও তোমার ভেঙে পড়ে থাকা মেরুদণ্ড সোজা করার চেষ্টা করে তোমাকে যন্ত্রণা দিবে না। আমার মতো যেসব “বেয়াদবেরা” তোমার সিস্টেম বাগের কারণে ভুল করে জন্মেছে তারাও আস্তে আস্তে তোমার সিস্টেমের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। আশাকরি পৃথিবীতে তুমি তোমার উন্নতির ধারা বজায়ে রাখবে। ভালো থেক। ’

  • বনানীতে ব্যবসায়ী হত্যার ভিডিও কিলিং মিশন দুই মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের

    বনানীতে ব্যবসায়ী হত্যার ভিডিও কিলিং মিশন দুই মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের

    মাত্র দুই মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের কিলিং মিশন। সন্ধ্যা ৭টা ৪৯ মিনিট ২২ সেকেন্ডে প্রথমে মাথায় হ্যাট, ফুলহাতা শার্ট এবং টিশার্ট ও চশমা পরিহিত দুই যুবক প্রথমে বনানী ৪ নম্বর সড়কের ১১৩ নম্বর বাড়িতে প্রবেশ করে।

    ৭টা ৪৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে চারতলা ওই ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে চোখে চশমা ও মাস্ক পরা আরও দুই যুবক। মাত্র দুই মিনিট ৪৫ সেকেন্ড, অর্থাৎ ঘড়িতে যখন ৭টা ৫২ মিনিট ৭ সেকেন্ড তখন পুনরায় প্রধান ফটক দিয়ে একে একে বের হয়ে যায় ওই চার যুবক। এরই মধ্যে নিচতলার মেসার্স এস মুন্সী ওভারসিজে ঘটে গেছে ভয়ংকর সব ঘটনা। খুনিরা রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মো. সিদ্দিক হোসেনের মৃত্যু নিশ্চিত করে আরও তিনজনকে খুব কাছে থেকে গুলি করে চলে যায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা ভিডিও ফুটেজের ওই যুবককে হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও একাধিক সূত্র। এরই মধ্যে সম্ভাব্য চার খুনির ছবি দেশের সব কটি বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে সরবরাহ করেছে পুলিশ। এরা যাতে কোনোভাবে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে এ জন্যই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন গুলশান বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) রফিকুল ইসলাম।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটি এতটাই নিখুঁত ছিল যে, ১১৩ নম্বর বাড়ির বাইরে দায়িত্বরত দারোয়ান বায়েজিদ বাজী কোনো কিছু বুঝতেই পারেননি যে ওই ভবনের নিচতলায় রক্তের হোলি খেলেছে দুর্বৃত্তরা। একজনের মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং তিনজনকে গুলি করে বীরদর্পে বেরিয়ে যায় তারা। খুনি চারজনের মধ্যে তিনজন নিহত সিদ্দিকের অফিসে প্রবেশ করে। একজন দাঁড়িয়ে ছিল অফিসের মূল দরজার সামনে। ভয়ংকর ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন আলী হোসেন। তিনি এস মুন্সী ওভারসিজের স্টাফ। এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘ঘটনার আগে আমি বসকে পেয়ারা এবং পানি দিই। এ সময় তিনি তার কক্ষে একাই ছিলেন। পাশের কক্ষে ছিলাম আমরা ৮-৯ জন। হঠাৎ এক যুবক অফিসে ঢুকে বস কে জানতে চায়। কক্ষ দেখিয়ে দিলে আগন্তুক কোনো অনুমতি ছাড়াই বসের কক্ষে ঢুকে যায়। তার পেছনে ছিল আরও দুই যুবক। তারা আমাদের কক্ষে ঢোকে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা গুলি করতে থাকে। মিশন শেষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই তারা চলে যায়। ’ তিনি বলেন, ‘বসের কক্ষে ঢুকে দেখি তিনি চেয়ার থেকে পড়ে গেছেন।

    ’ একপর্যায়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন আলী হোসেন। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জ্যোত্স্না বেগম বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মতিন। তিনি বলছেন, ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ফুটেজে চারজন মুখোশধারীকে ওই প্রতিষ্ঠানে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার রাতের ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ চারজনকে নিয়ে যান গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা সিদ্দিককে মৃত ঘোষণা করেন। প্রতিষ্ঠানের আহত তিন কর্মচারী মুখলেস, মোস্তাক ও পারভেজ ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হত্যাকাণ্ডটিকে ‘পরিকল্পিত’ উল্লেখ করে এসি রফিকুল বলেন, নেপথ্য কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে পারিবারিক, ব্যবসায়িক সব দিকই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভির ঘড়ির সময় ছয় মিনিট স্লো ছিল। গতকাল বিকেলে সিদ্দিকের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, একটি গুলি সিদ্দিকের বুকের বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে ডান অংশে আটকে ছিল। আরেকটি গুলি তার হাত ফুঁড়ে বেরিয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে উপস্থিত ছিলেন সিদ্দিকের ভাই আবদুল লতিফ, ছিলেন হোসাইন আহমেদ ও জাফর নামে সিদ্দিকের প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী। হামলার সময় হোসাইন ও জাফর সেখানেই ছিলেন।

    আবদুল লতিফের কাছে ভাইয়ের হত্যার কারণ জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে পারেননি। হামলার বর্ণনা দিয়ে জাফর বলেন, ‘চারজন মুখোশধারী ঢুকেই ক্যাশ কোথায় জানতে চায়। আমাদের মধ্যে কেউ একজন বলেন, টাকা ব্যাংকে জমা থাকে। এ কথা শুনে দুর্বৃত্তরা বকাবকি শুরু করে এবং একটি গুলি করে। কিন্তু (পিস্তল বা রিভলবার থেকে) গুলি বের হয়নি। পরে আবার তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে চলে যায়। ’ নিহত সিদ্দিক টাঙ্গাইল কালিহাতীর পাড়ক্ষি মধ্যপাড়ার আনছার আলীর ছেলে। স্ত্রী জ্যোত্স্না বেগম, দুই মেয়ে সাবরিনা সুলতানা ও সাবিহা সিদ্দিক এবং ছেলে মেহেদী হাসানকে নিয়ে উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় থাকতেন সিদ্দিক।

  • আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    আওয়ামী লীগের সভাস্থলে ময়লার স্তূপ, মোটরসাইকেলে আগুন

    পুরান ঢাকায় আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরোধের কারণে দলের একটি বর্ধিত সভাস্থলের রাস্তা ময়লা ফেলে আটকে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় লালবাগ থানার আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারে ওই বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

    এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সেখানে কামরাঙ্গীর চর, লালবাগ ও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির আয়োজন করেন দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

    আর মেয়র সাঈদ খোকনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফিকে ‘লাঞ্ছিত’ করার প্রতিবাদে তার সমর্থকরা পার্ল হারবারের সামনের সড়কে একই সময়ে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেয়।

    এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই তারা সেখানে ময়লার স্তূপ দেখতে পান। তাদের ধারণা রাতে অন্ধকারে সেখানে এই ময়লাগুলো ফেলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে শাহে আলম মুরাদ অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচি কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার জন্য সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি দিয়ে ময়লা ফেলে কমিউনিটি সেন্টারের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনার আবু আহমেদ মান্নাফি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “ময়লার মালিক তো আর আমি না।

    অনেক সময় গাড়ির সঙ্কট থাকে… অনেক জায়গায় ময়লা জমে থাকে। হয়ত সরিয়ে নিয়ে যাবে। ”

  • বরিশাল নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী ইমরান ১১ হাজার ইয়াবাসহ আটক

    বরিশাল নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী ইমরান ১১ হাজার ইয়াবাসহ আটক

    বরিশালের গৌরনদীতে ১০ হাজার ৯শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবকককে আটক করা হয়েছে। আটক সালমান হোসেন ইমরান (২৫) বরিশাল নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডস্থ আমিরকুটির এলাকার মতিয়ার রহমান হাওলাদারের ছেলে। বুধবার সকাল ৮ টার দিকে ঢাকা- বরিশাল মহাসড়কের মাহিলাড়া নামক স্থানে হাইওয়ে থানা পুলিশের এএসআই আসাদুল ইসলামের নেতৃত্বে চেকপোষ্ট বসিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কে চেকপোষ্টটি বসানো হয়। চেকপোষ্টে আটক সালমান হোসেন ইমরানকে বহনকারী লাল রংয়ের পালসার ব্রান্ডের মোটরসাইকেলটির গতিরোধ করা হয়। পরে ইমরানের সাথে থাকা ব্যাগ থেকে ১০ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মোটরসাইকেলযোগে ইমরান বরিশাল থেকে ঢাকা দিকে যাচ্ছিল। এব্যাপারে মাদবদ্রব্যনিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

  • বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ- আহত ৪

    বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ- আহত ৪

    বরিশাল সরকারী ব্রজমোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দু-গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় এক জনকে বরিশাল শেরইবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পসিস্থিতি সান্ত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। সূত্র জানায়, ছাত্রলীগ কর্মী ও তার বান্ধবীকে জিম্মি করে চাঁদা দাবীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশাল সরকারী ব্রজমোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। দু-গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা দাবীদার খায়রুল হাসান সৈকত, ছাত্রলীগ কর্মী নাফিদ, বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী শিপন হাওলাদার ও আব্দুল্লাহ আল নোমান। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টায় কলেজের শহীদ মিনার গেটের বটতলায় এই ঘটনা ঘটে। আহত সূত্রে জানা যায়, কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী নাফিদ তার বান্ধবীকে নিয়ে কলেজের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন বট গাছের নিচে আড্ডা দেয়ার সময় বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী শিপন তাদের কাছে চাঁদা দাবী করে। নাফিদ চঁদা দিতে না চাইলে তার বান্ধবীকে নিয়ে টানা হেঁচরা করলে বাঁধা দেয় নাফিদ। একপর্যায়ে নাফিদকে কুপিয়ে জখম করে শিপন ও তার সহযোগীরা। পরে নাফিদ বিষয়টি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা খায়রুল হাসান সৈকতকে জানালে সৈকত তার দলবল নিয়ে শহীদ মিনার গেটে আসলে দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় সৈকত গ্রুপ শিপনকে কুপিয়ে জখম করে। পাল্টা হামলায় আহত হয় সৈকত ও নোমান। এতে শিপন গুরুত্বর আহত হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আহত আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, শিপন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাদ্দামের অনুসারী হওয়ায় নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী দাবী করে কলেজের শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ইভটিজিং, মাদক সেবনসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার সত্যরঞ্জন খাসকেল বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ রয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। কলেজ কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।