Category: জাতীয়

  • মানুষের আয় বেড়েছে তাই চিকন চাল খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে: কৃষিমন্ত্রী

    মানুষের আয় বেড়েছে তাই চিকন চাল খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে: কৃষিমন্ত্রী

    ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে দেশে কোনও খাদ্য সংকট বা হাহাকার- এরকম কিছু হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

    বুধবার (৯ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে নিজ দফতরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক চু ডং ইউয়ের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।


    কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করছি। আমাদের যে ফুডস্টক আছে, প্রোডাক্টিভিটি যেটা আছে, ইনশাআল্লাহ আমাদের কোনো বড় সমস্যা হবে না।


    পণ্যের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানুষের একটু তো কষ্ট হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারের কারণে। আগামী এপ্রিলে তো আমরা বড় ফসলের মৌসুম পাব। আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না।

    তিনি বলেন, আমি আবারও বলছি, আপনারা অনেকে আমার সঙ্গে একমত নাও হতে পারেন। আমি মঙ্গলবার (৮মার্চ) টেলিফোন করে কক্সবাজারেও কথা বলেছি। তারা বলছে, মোটা চালের দাম বাড়ছে না। এটার দাম গত এক দেড় মাস যাবত ৪০/৪২ টাকার মধ্যেই আছে। সরু চালের দাম বাড়ছে, সরু চালের আসলেই ঘাটতি আছে। মানুষের আয় বেড়েছে। এজন্য মানুষের মধ্যে চিকন চাল খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তবে আমরা দেশের গরিব মানুষকে সহায়তা দিচ্ছি।

  • বাংলাদেশে প্রবেশে লাগবে না করোনা টেস্ট

    বাংলাদেশে প্রবেশে লাগবে না করোনা টেস্ট

    করোনা প্রতিরোধকারী টিকার পূর্ণাঙ্গ ডোজ নিলেই বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ করা যাবে বাংলাদেশে। দেশে প্রবেশে করোনার আরটি পিসিআর টেস্টের বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার এক সার্কুলারে বিষয়টি জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচক জানায়, মঙ্গলবার (আদেশটি জারির সময়) থেকেই আদেশটি কার্যকর করা হবে।

    বাংলাদেশে প্রবেশ করা কোনো যাত্রী যদি টিকার পূর্ণাঙ্গ ডোজ নিয়ে থাকেন এবং যাত্রার সময় যদি তার সঙ্গে টিকা সনদ থাকে তাহলে তার করোনার আরটি পিসিআর টেস্ট করাতে হবে না। তবে যেসব যাত্রীর টিকা সনদ থাকবে না তাদেরকে যাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে টেস্ট করে নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে বিমানবন্দরে যেতে হবে।

    প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, টিকা নেওয়া বা না নেওয়া কোনো যাত্রীর মধ্যে যদি করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যায় তাহলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে করোনা টেস্ট করাবে। টেস্টে করোনা পজিটিভ আসলে তাকে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলে সাতদিন আইসোলেশনে থাকতে হবে।

    ১২ বছরের নিচে শিশুদের কোনো করোনা টেস্ট করাতে হবে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনাগুলো মানতে হবে।
    তবে বাংলাদেশ থেকে যারা অন্যান্য দেশে যাবেন তাদেরকে সেসব দেশের ভ্রমণ বিধি-নিষেধ মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে বেবিচক।

  • ২০৪১ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে ৫০ ভাগ নারী: শিক্ষামন্ত্রী

    ২০৪১ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে ৫০ ভাগ নারী: শিক্ষামন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তাদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কন্যা শিশুর শিক্ষা, বাল্যবিবাহ নির্মূলসহ নারীর প্রতি যে কোন ধরনের বৈষম্য নিরসনে আইন প্রণয়ন ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নারী ও শিশুদের কল্যাণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগসহ তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর পেশাগত জ্ঞান ও মেধা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমাজে নারী-পুরুষের সমতা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করে এদেশের উন্নয়নকে টেকসই করা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে নারীর দারিদ্র্য বিমোচনে নেওয়া হয়েছে সমন্বিত উদ্যোগ।

    মন্ত্রী বলেন, আমাদের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগসহ তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর পেশাগত জ্ঞান ও মেধা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে কোভিড মহামারি সময়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে নারীরা নিজেদের কর্মসংস্থান করতে পারছেন।

    জয়িতা ফাউন্ডেশনের অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘ই-জয়িতা’ চালু করা হয়েছে। এর ফলে দেশে এক লাখ নারী উদ্যোক্তা সংযুক্ত হতে পারবে। উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে এখন ৩ হাজার ১৬০ জন নারী উদ্যোক্তা ই-তথ্য সেবা দিচ্ছেন।

    জেলাভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪টি জেলায় নারীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ‘তথ্য আপা’ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন (২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    দীপু মনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের অন্যতম অর্জন হচ্ছে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে নারীর ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে থাকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্থান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বের সব দেশের ওপরে বাংলাদেশের স্থান। ২০২১ সালে আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছি।

    পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান চতুর্থ শিল্পবিপ্লব কিংবা তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবের যুগে সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য নারী-পুরুষ সবাইকে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসেছি। নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ই-লার্নিং, ই-কমার্স ইত্যাদি বিষয়গুলো এখন সুপরিচিত। শতভাগ শিশু এখন প্রাথমিক শিক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

    এদেশের নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেমন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি তেমনিভাবে আমরা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ এই প্রত্যয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

    তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বিশ্বের সব উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে উড়বে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।

    আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ ভাগে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তাদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কন্যা শিশুর শিক্ষা, বাল্যবিবাহ নির্মূলসহ নারীর প্রতি যে কোন ধরনের বৈষম্য নিরসনে আইন প্রণয়ন ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নারী ও শিশুদের কল্যাণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগসহ তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর পেশাগত জ্ঞান ও মেধা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমাজে নারী-পুরুষের সমতা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করে এদেশের উন্নয়নকে টেকসই করা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে নারীর দারিদ্র্য বিমোচনে নেওয়া হয়েছে সমন্বিত উদ্যোগ।

    মন্ত্রী বলেন, আমাদের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগসহ তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর পেশাগত জ্ঞান ও মেধা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে কোভিড মহামারি সময়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে নারীরা নিজেদের কর্মসংস্থান করতে পারছেন।

    জয়িতা ফাউন্ডেশনের অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘ই-জয়িতা’ চালু করা হয়েছে। এর ফলে দেশে এক লাখ নারী উদ্যোক্তা সংযুক্ত হতে পারবে। উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে এখন ৩ হাজার ১৬০ জন নারী উদ্যোক্তা ই-তথ্য সেবা দিচ্ছেন।

    জেলাভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪টি জেলায় নারীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ‘তথ্য আপা’ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন (২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    দীপু মনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের অন্যতম অর্জন হচ্ছে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে নারীর ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে থাকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্থান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বের সব দেশের ওপরে বাংলাদেশের স্থান। ২০২১ সালে আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছি।

    পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান চতুর্থ শিল্পবিপ্লব কিংবা তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবের যুগে সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য নারী-পুরুষ সবাইকে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসেছি। নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ই-লার্নিং, ই-কমার্স ইত্যাদি বিষয়গুলো এখন সুপরিচিত। শতভাগ শিশু এখন প্রাথমিক শিক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

    এদেশের নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেমন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি তেমনিভাবে আমরা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ এই প্রত্যয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

    তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বিশ্বের সব উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে উড়বে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।

  • শুক্রবার থেকে রশিদ ছাড়া সয়াবিন তেল কেনাবেচা বন্ধ

    শুক্রবার থেকে রশিদ ছাড়া সয়াবিন তেল কেনাবেচা বন্ধ

    ভোজ্যতেল কেনাবেচায় আগামী শুক্রবার থেকে পাকা রশিদ ছাড়া কোনো ব্যবসা করা যাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এএইচএম সফিকুজ্জামান।

    মঙ্গলবার খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিয়ে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক সভায় এ কথা জানান তিনি। ডিজি এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, বিপণন ব্যবস্থায় কারও অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দেশে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল মজুত থাকলেও যারা কৃত্রিম সংকট বানিয়ে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশে ভোজ্যতেলের দামের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর কাজ করছে জানিয়ে সভায় পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

    সফিকুজ্জামান বলেন, রমজান পর্যন্ত চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত আছে। সংকটের ধোঁয়াশা সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

  • দেশে ফিরলেন রকেট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ‘বাংলার সমৃদ্ধি’র ২৮ নাবিক

    দেশে ফিরলেন রকেট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ‘বাংলার সমৃদ্ধি’র ২৮ নাবিক

    রুশ সেনা অভিযানের মুখে ইউক্রেনের ওলভিয়া বন্দরে রকেট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’র ২৮ নাবিক দেশে ফিরেছেন।

    বুধবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টা ১ মিনিটে তাদের বহনকারী তার্কিশ এয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে দুইটায় ২৮ নাবিককে নিয়ে দেশের পথে উড়াল দেয় বিমানটি।

    ওই ২৮ নাবিকের দেশে রওনা হওয়ার বিষয়টি রাতেই নিশ্চিত করেছিলেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন বিএমএমওএ সাধারণ সম্পাদক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. সাখাওয়াত হোসাইন।

    তিনি জানিয়েছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে ট্রানজিট হয়ে বুধবার দুপুরে ২৮ নাবিককে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

    এদিকে ইউক্রেনে রাখা জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের মরদেহও দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    বিএসসির মালিকানাধীন জাহাজ বাংলার সমৃদ্ধি ডেনিশ কোম্পানি ডেল্টা করপোরেশনের অধীনে ভাড়ায় চলছিল। মুম্বাই থেকে তুরস্ক হয়ে জাহাজটি গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের ওলভিয়া বন্দরে নোঙর করে। ওলভিয়া থেকে সিমেন্ট ক্লে নিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইতালির রেভেনা বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল জাহাজটির।

    এরইমধ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হলে ২৯ জন ক্রু নিয়ে ওলভিয়া বন্দরে আটকাপড়ে জাহাজটি। পরবর্তী সময়ে গত ২ মার্চ রকেট হামলায় জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান নিহত হন। তবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহযোগিতায় অন্য হাদিসুরের মরদেহসহ জীবিত ২৮ জনকে ৩ মার্চ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    গত শনিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুরে ইউক্রেনের ওলভিয়া বন্দর সংলগ্ন বাংকার (শেল্টার হাউস) থেকে বেরিয়ে মালদোভার পথে যাত্রা করেন ওই ২৮ নাবিক। সবশেষ গত রোববার (৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তারা ইউক্রেন সীমান্ত পেরিয়ে মালদোভা হয়ে দুপুরের পর রোমানিয়া পৌঁছান।

  • যুদ্ধের দামামায় সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশের পোশাকখাত

    যুদ্ধের দামামায় সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশের পোশাকখাত

    **রাশিয়ায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি
    **চলতি অর্থবছরের সাত মাসে রপ্তানি ৪৫ কোটি ডলারের পোশাক
    **ইউক্রেনে ২০২০-২১ অর্থবছরে এক কোটি ১৭ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি
    **এই অর্থবছরের সাত মাসে রপ্তানি ৭৯ লাখ ডলারের পোশাক

    করোনা মহামারির মধ্যে পোশাক কারখানা খোলা রাখার সাহসী সিদ্ধান্তে এ খাতে বড় প্রবৃদ্ধি দেখেছেন রপ্তানিকারকরা। গত বছর ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে তিন হাজার ১৪৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

    চলতি অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম আট মাসে (জুন-ফেব্রুয়ারি) দুই হাজার ৭৫০ কোটি (২৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন) ডলারের পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে, যা মোট রপ্তানির আয়ের ৮১ দশমিক ২৫ শতাংশ। এ সময়ে মোট তিন হাজার ৩৮৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ।

    অর্থের এই অংকই বলে দিচ্ছে, করোনা সংক্রমণের মধ্যেও পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধিতে সুবিধাজনক অবস্থানেই ছিলেন রপ্তানিকারকরা।

    কিন্তু চলতি বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সম্প্রতি বেধে যাওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে রপ্তানিকারকদের কপালে। তারা এ দুই ইস্যুর কারণে বড় সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।


    প্রথম ধাক্কা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি
    বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে গত নভেম্বরে দেশের বাজারে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২৩ শতাংশ বা ১৫ টাকা বাড়িয়ে দেয় সরকার। এরপর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দুই দফায় (যথাক্রমে ৬২ ও ১৫১ টাকা করে) মোট ২১৩ টাকা দাম বাড়ানো হয়।

    ফলে দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও পরিবহন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তার আগে থেকে বিশ্ববাজারে জাহাজ ও কনটেইনার ভাড়া বাড়তি ছিল। এর মধ্যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচও বেড়ে গিয়ে চাপে ফেলেছে রপ্তানিকারকদের।

    এ বিষয়ে নিট পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পোশাকখাতের অগ্রগতি ব্যাহত হবে।

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় আমরা ভর্তুকির দাবি জানিয়েছিলাম। অন্তত এক বছর ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে।

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সব সেক্টরে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। যে যেভাবে পারছে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। তাই সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিল্প কারখানার মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

    আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ফের দাম বাড়লে বাধাগ্রস্ত হবে রপ্তানি, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শিল্প মালিকরা।

    তাছাড়া সব কিছুর খরচ বেড়ে গেলে আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবো না। প্রতিযোগিতা না করতে পারলে রপ্তানিতে পিছিয়ে যাবো।’

    ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ
    কনটেইনার সংকটের মধ্যে দফায় দফায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি যখন পরিবহন খরচ আরও বাড়িয়ে পোশাকখাতকে চাপে ফেলেছে, তার মধ্যে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে আঘাত করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। আগে থেকে বাকযুদ্ধ ও হুমকি-পাল্টা হুমকির পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে তিন দিক থেকে প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে মহাশক্তিধর রাশিয়া।

    পশ্চিমাদের বন্ধু ইউক্রেনে রাশিয়া এভাবে যুদ্ধ শুরু করায় তাদের কোণঠাসা করতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নামক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ইউরোপীয় মিত্ররা। এরই ধারাবাহিকতায় আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারে বার্তা আদানপ্রদানকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ‘সুইফট’ থেকে রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংককে বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশগুলো।


    সম্প্রতি সুইফট তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে জানায়, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের সহযোগী দেশ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সঙ্গে পরামর্শ করে একটি কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরিস্থিতি শান্ত করতে রাশিয়াকে সুইফট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুইফট এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত।’

    সংস্থাটির এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরা। তারা বলছেন, সুইফটের এ সিদ্ধান্তে রাশিয়ায় রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে।

    ওই সিদ্ধান্তের পর এক বিবৃতি দেয় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। তাদের তরফ থেকে বলা হয়, ‘চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পোশাকশিল্পে উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।

    বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য একটি সম্ভাবনাময় এবং উদীয়মান বাজার রাশিয়ার ওপর বেশ কয়েকটি দেশ ব্যাপক পরিধিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

    বিশেষ করে সুইফট আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমে রাশিয়ান ব্যাংকগুলোর অ্যাকসেস বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের বাণিজ্যে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।’

    বিবৃতিতে বিজিএমইএ মহাসচিব ফয়জুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি আমরা। রাশিয়ান ক্রেতাদের তথ্যাদি, বকেয়া পেমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বিবরণ আমাদের কাছে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছি।

    আমাদের সদস্য ও রপ্তানিকারকদের বলেছি, তারা যেন কালবিলম্ব না করে তাদের ক্রেতা ও লিয়েন ব্যাংকগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়।’

    এ বিষয়ে বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘যুদ্ধ বা দুর্যোগ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    দেশের আমদানি-রপ্তানিতেও প্রভাব পড়বে। আগেই জাহাজ ও কনটেইনার ভাড়া বেড়েছে, এর মধ্যে যদি আবার দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানির দাম বাড়ে, দেখা যাবে সব সেক্টরই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

    বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘রপ্তানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছিল, তবে যুদ্ধে সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল-গ্যাসের দামও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে ফের জাহাজভাড়া বাড়লে দেশের আমদানি ও রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’


    যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে রপ্তানি সীমিত হওয়ার শঙ্কা
    ইপিবির তথ্যানুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাশিয়ায় ৫৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা দেশীয় মুদ্রায় পাঁচ হাজার ৭৪ কোটি টাকার সমান। অন্যদিকে, একই সময়ে ইউক্রেনে রপ্তানি হয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ডলারের বা ১০০ কোটি টাকার তৈরি পোশাক।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাশিয়ায় ৪৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, একই সময়ে ইউক্রেনে রপ্তানি হয়েছে ৭৯ লাখ ডলারের পোশাক।

    যুদ্ধের কারণে এ দুই দেশেই ব্যবসা কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন রপ্তানিকারকরা। তারা বলছেন, যুদ্ধাঞ্চল ইউক্রেনে যেমন রপ্তানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তেমনি অর্থ লেনদেনের জটিলতায় এখন রাশিয়ায়ও রপ্তানি সীমিত হয়ে আসবে।

    তাছাড়া করোনা-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার বাজারে নতুন পণ্য রপ্তানির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সেই সুযোগ অনিশ্চয়তায় পড়বে। পোশাকসহ যেসব পণ্য রপ্তানি হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে, সেগুলোর রপ্তানিও সীমিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়ায় রপ্তানির অর্থের বড় অংশই তৃতীয় দেশ সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে আসে। ফলে সেভাবে শঙ্কার কিছু নেই বলে তারা মনে করেন।

    বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘রাশিয়ায় আমাদের যেসব পোশাকপণ্য যায় তার সিংহভাগ বা ৮০ শতাংশ যায় থার্ড কান্ট্রি কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে (তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে)। থার্ড কান্ট্রি থেকে পেমেন্ট আসায় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

    কিন্তু ২০ শতাংশ পোশাক সরাসরি রাশিয়ান কাস্টমারদের কাছে রপ্তানি করা হয়, যা এ মুহূর্তে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কেননা তাদের পেমেন্ট পাঠানোর সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    ফলে রাশিয়ান কাস্টমাররা আমাদের পেমেন্ট দিতে পারছেন না। তাই পণ্য পাঠিয়ে পেমেন্ট অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। এ কারণে আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করছি সরাসরি রাশিয়ানদের সঙ্গে আপাতত ব্যবসা না করতে।’

    যুদ্ধ থেমে যাওয়ার আশায় অর্থমন্ত্রী
    রাশিয়াকে সুইফট সিস্টেম থেকে বাদ দেওয়ায় তাদের সঙ্গে লেনদেনের বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘সুইফট রাশিয়ার সঙ্গে ডিসকন্টিনিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    যদি সুইফটের কারণে কোনো পেমেন্ট না করা যায়, তাহলে অন্যরকম ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা চাই বিশ্বমানবতার স্বার্থে এই যুদ্ধ বন্ধ হোক। বিশ্বের মানুষ যেন শান্তি পায়, এটা আমার প্রত্যাশা।’

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, এটা নিয়ে এখন আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এটা নিয়ে গত বৃহস্পতিবারও একটা সভা হয়েছে।

  • ইউক্রেন সেনারা ৫ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছে

    ইউক্রেন সেনারা ৫ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছে

    ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাস তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে, ইউক্রেনের সেনারা পাঁচ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছেন।

    শুক্রবার এমন একটি ভিডিও-তে দেখা যায়, জিম্মি ওই বাংলাদেশিরা তাদের উদ্ধারের জন্য আকুতি জানাচ্ছেন।

    এদিকে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগও বলেছে, ইউক্রেনের কিভারতিসি শহরের একটি অভিবাসী শিবিরে আটকে আছেন পাঁচ বাংলাদেশিসহ শতাধিক বিদেশি।

    ভিডিওতে রিয়াদুল মালিক নামের একজন বাংলাদেশি নিজের পরিচয় দিয়ে জানান, সেখানে আরো কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন। একজন দরজায় পাহারা দিচ্ছেন। তাদের সবার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একটি মোবাইল তারা লুকিয়ে রাখতে পেরেছেন।

    রিয়াদুল মালিক বলেন, ‘এই শিবিরকে ইউক্রেনের সেনারা ঘাঁটি বানিয়েছে। রাশিয়া সেনাঘাঁটি দেখে দেখে বোমা ফেলছে। আমরা অনেক ভয়ে আছি। আমাদের আটকে রেখেছে জিম্মির মতো করে।

    ১০০-র ওপর মানুষ আছে। রাত হলে বোমার শব্দ শুনতে পাই। গুলির শব্দ শুনতে পাই। লাইট বন্ধ করে দেই। আমরা যেখানে তিনজন মানুষ থাকি, সেখানে ১০ জন এনে রেখেছে। ’

    শিবিরে থাকা ব্যক্তিদের মারধরের অভিযোগ করেন রিয়াদুল মালিক। তিনি বলেন, ‘আমাদের মারছে। ইউক্রেনের অন্য ক্যাম্পগুলোর সবই বোমা ফেলে উড়িয়ে দিয়েছে এরই মধ্যে। এই শিবিরটা শুধু আছে।

    আমরা জানি, না, আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা কতটুকু আছে। আমি আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আমাদের এখান থেকে উদ্ধার করার জন্য। ’

    তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। আমরা বেলারুশ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে আছি। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। ’

    উদ্ধার করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়ে রিয়াদুল বলেন, ‘আমাদের জীবন এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে। আমরা অনেক আতঙ্কে আছি। এখানে অনেক দেশের ১০০ জনের ওপর মানুষ আছে। নারী ও শিশু আছে। ওরা কাউকে মুক্তি দিচ্ছে না। ’

    ইউক্রেনে বাংলাদেশের দূতাবাস নেই। প্রতিবেশী পোল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস ইউক্রেনে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখভাল করে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে কেউ সেখানে গিয়ে কাউকে উদ্ধারের সুযোগ নেই।

    ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছিল, ইউক্রেনের কারাগারে বা বন্দিশিবিরে থাকা বাংলাদেশিদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে কাজ করছে।

    ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এ পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি লোক নিহত বা আহত হয়েছে।

    জাতিসংঘ বলছে, গত বৃহস্পতিবার রাশিয়া আগ্রাসনের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গেছে।

  • রোববার নতুন সিইসি ও কমিশনারদের শপথ

    রোববার নতুন সিইসি ও কমিশনারদের শপথ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নতুন নির্বাচন কমিশন আগামীকাল (রোববার) শপথ গ্রহণ করবেন। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বিকাল সাড়ে ৪টায় তাদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

    নির্বাচন কমিশনার হয়েছেন যারা, তারা হলেন- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম রাশিদা সুলতানা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব খান, সাবেক সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর ও আনিছুর রহমান।

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শনিবার তাদের নিয়োগ দিয়েছেন। এরপরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নিয়োগ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ দিয়েছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লে­খ করা হয়।

    এর মধ্য দিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে ১৩তম নির্বাচন কমিশন গঠিত হলো। নির্বাচন কমিশন আইনের অধীনে গঠিত এটিই প্রথম কমিশন। রোববার শপথ নেওয়ার পরই তারা দায়িত্ব বুঝে নেবেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে ১০ জনের নামের তালিকা বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছিলেন সার্চ কমিটির সদস্যরা।

    দায়িত্ব পাওয়ার পর ব্যক্তিগতভাবে প্রতিক্রিয়া দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ও নির্বাচন কমিশনারগণ। তারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করবেন বলে জানান। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তারা।

    কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বিগত কমিশন পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায় নিয়েছেন। ওইদিন থেকে এ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদ শূন্য রয়েছে। নতুন সিইসি ও নির্বাচন কমিশনাররা শপথ গ্রহণ শেষে ওই পদে অধিষ্ঠিত হবেন। তাদের পাঁচ বছর মেয়াদে আগামী জাতীয় সংসদসহ সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো গত ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন পাশ হয়। ওই আইনের আলোকেই আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে দেন রাষ্ট্রপতি।

    সার্চ কমিটি রাজনৈতিক দল ও সুধীজনের কাছ নাম আহ্বান করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, সরাসরি ও ই-মেইলের মাধ্যমে সার্চ কমিটির কাছে প্রায় ৫০০ জনের নাম জমা পড়ে। জমা পড়া নাম থেকে প্রথম দফায় ১৪ ফেব্রুয়ারি কমন নাম বাদ দিয়ে ৩২২ জনের তালিকা প্রকাশ করে ওই কমিটি। সার্চ কমিটি যে ৩২২ জনের নাম প্রকাশ করেছিল, ওই তালিকায় নিয়োগ পাওয়া সিইসি ও চার কমিশনারের নাম ছিল।

    এরপর বিশিষ্টজনদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের মাধ্যমেও বেশ কিছু নাম পায় সার্চ কমিটি। সেখানেও কিছু কমন নাম বাদ দিয়ে তালিকায় প্রস্তাবিত নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২৯ জনে। এসব নাম থেকে একাধিক দফায় বৈঠক করে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়। ওই ১০ জনের নাম প্রকাশ করেনি কমিটি। তবে সার্চ কমিটিতে বিএনপি, সিপিবি, বাসদসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইসি গঠনে কারো নাম দেয়নি।

  • কারাবন্দিরা ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন স্বজনদের সঙ্গে

    কারাবন্দিরা ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন স্বজনদের সঙ্গে

    করোনা মহামারির মধ্যে কারাবন্দিরা যাতে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    আজ রোববার গাজীপুরে কাশিমপুর কমপ্লেক্সে ১২তম ব্যাচ ডেপুটি জেলার এবং ৫৯তম ব্যাচ কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে বন্দিদের দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় তাদের পরিবারের সাথে সপ্তাহে ১ দিন ১০ মিনিট মোবাইলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    মোবাইলে কথা বলার পাশাপাশি ভিডিও কলের ব্যবস্থা করার জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কারাগারে দায়িত্ব পালন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভিন্নতর ও চ্যালেঞ্জিং।

    কারাগারের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বন্দিদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে অপরাধীদের চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় কারাগারকে সংশোধনাগারে রূপান্তর করতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।

    কারাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং বৃদ্ধি করা হয়েছে বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা।’

    পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিক্রুট ডেপুটি জেলাদের র‌্যাঙ্কব্যাজ প্রদান এবং রিক্রুট প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    প্রশিক্ষণার্থীদের অন-আর্মড কমব্যাট ও পিটি ডিসপ্লে উপভোগ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রি. জেনারেল এএসএম আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামী মাস থেকে ডিজিটাল হচ্ছে বিমান টিকিটিং

    আগামী মাস থেকে ডিজিটাল হচ্ছে বিমান টিকিটিং

    আগামী মাস থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ডিজিটালাইজড হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বলাকা ভবনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পেসেঞ্জার সার্ভিস সিস্টেমকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করে দেওয়া হচ্ছে।

    এর মাধ্যমে অনলাইনে টিকিটিং, রিজারভেশন, বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর চেক-ইন সবকিছু অনলাইনে হবে। এটা আমাদের প্রবাসীদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আন্তর্জাতিকভাবে পৃথিবীর সবদেশে এই ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে ছিলাম।

    তিনি বলেন, আমি যতবার দেশের বাইরে গিয়েছি, সবসময় আমার একটা লক্ষ্য ছিল যে, আমাদের নিজেদের বিমান ব্যবহার করব। কিন্তু আমার নিজের অভিজ্ঞতা আছে তখন বিমানের কী বিধ্বস্ত অবস্থা ছিল। ৯৬ সালে যখন আমরা সরকার গঠন করি তখন উদ্যোগ নিই।

    যদিও তখন আর্থিকভাবে অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল, তার মধ্যেও আমরা চেষ্টা করেছিলাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়নে আরো কিছু উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হোক।

    আমাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো আরও চালু হোক, সেভাবে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। মাত্র পাঁচ বছর হাতে সময় সেভাবে কাজ করে যেতে পারিনি। তবুও আমরা কাজ করেছি।