Category: জাতীয়

  • সাহান আরা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ’র দোয়া মাহফিল

    সাহান আরা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ’র দোয়া মাহফিল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বরিশাল-১ আসনের এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর স্ত্রী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা বেগমের প্রথম মৃত্যুবার্ষীকিতে রাজধানীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

    সোমবার (৭ জুন) বিকেলে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে আজিমপুরের স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানায় এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ এর সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ছাত্রলীগ নেত্রী সাবিকুন্নেহার তামান্না, তানিয়া আক্তার তাপসী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে বউ সাহান আরা বেগম ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ জননী। তার বড় ছেলে সুকান্ত আবদুল্লাহকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয়। সেই রাতে ঢাকার ২৭ মিন্টো রোডে শ্বশুর বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসভবনে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ছিলেন সাহান আরা বেগম। তিনি ওই রাতের প্রত্যক্ষদর্শী যেমন ছিলেন, তেমনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিজেও আহত হন।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আহত হয়েও তিনি আজীবন লড়াই চালিয়ে গেছেন। আওয়ামী লীগের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। আপামর মানুষের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। আজ তার মৃত্যুর এক বছর পূর্ণ হলো। এদিনে আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।’

    উল্লেখ্য, সাহান আরা বেগম একজন রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।

     

  • ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা

    ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা

    ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

    সোমবার (৭ জুন) দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাহজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ,

    হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক ছয় দফা ছিল মূলত স্বাধীনতা আন্দোলনের মূলভিত্তি। স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যারা বিশ্বাস করে না তারা দেশের স্বাধীনতায়ও বিশ্বাস করে না।

  • বাজেট পেশ আজ, দুঃসময়ে প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ

    বাজেট পেশ আজ, দুঃসময়ে প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আজ (৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

    দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হতে যাচ্ছে ৫০তম এ বাজেট। আলোচিত এই বাজেটে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ১ শতাংশ। অনুদান বাদ দিলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

    বাজেট প্রসঙ্গে সম্প্রতি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়েই ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট দেওয়া হবে। এ বাজেটে সবার স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষকে সঙ্গে রাখা হবে। আগামী বছর একই ধারা থাকবে। আর রাজস্ব আহরণ কম হলে ব্যয় কমাতে হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেটিও ব্যয় করা যাচ্ছে না।

    রাজস্ব আয়
    আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য পূরণে কর খাত থেকে মোট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআরবহির্ভূত কর হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক অনুদান থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

    বাজেটে ব্যয়
    বড় বাজেটের ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ হিসেবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ৬ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। এছাড়া উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা, ঋণ ও অগ্রিম ৪ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা এবং খাদ্য হিসাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৭ কোটি টাকা।

    ঘাটতি বাজেট
    আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় আগামী বাজেটে ঘাটতির পরিমাণও অনেক বেড়েছে। আগামী বছর অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ৬ দশমিক ১ শতাংশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। টাকার অংকে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ। যেখানে চলতি অর্থবছরে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৫.৯ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরে অনুদান ব্যতীত সামগ্রিক ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ শতাংশ।

    ঘাটতি সংস্থানে ঋণ
    বড় বাজেটের বড় ঘাটতি পূরণ করা হবে ঋণের মাধ্যমে। যদিও করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিভিন্ন দাতা সংস্থা বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। যা বাজেটের হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাজেট সহায়তা হিসাবে আগামী বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। যদিও চলতি অর্থবছরের তুলনায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমেছে। চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৯ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হয়। এজন্য আগামী অর্থবছরে সুদ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

    আগামী বাজেটে আটটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণে অর্থায়ন ও স্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিশ্চিত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতা সম্প্রসারণ করা। এছাড়া প্রণোদনা প্যাকেজ সফলভাবে বাস্তবায়ন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে স্বল্প ও বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ, অধিক খাদ্য উৎপাদনে কৃষিতে গুরুত্ব এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

  • আবারো বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

    আবারো বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

    করোনা অতিমারির কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকপর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ১২ জনু পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বুধবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ছুটি বাড়ানোর কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় ব্যাপক মানুষের চলাফেরা হয়েছে। ফলে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি কোনো কোনো জেলায় বেশি। এসব মাথায় রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি জুনের ১২ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

    তিনি বলেন, করেনার মধ্যে স্কুলে ভর্তি, বিনামূল্যে বই বিতরণসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে সব শিক্ষার্থীর ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা সম্ভব নয়। অ্যাসাইনমেন্টের মতো নতুন বিষয় আমরা যুক্ত করেছি। অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে সংশয় থাকলেও সবাই এটা ভালোভাবে নিয়েছে। ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী অ্যাসাইমেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। ফলে ঝরে পড়ার আশংকা অনেকটা দূর হয়েছে। এটা নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। সারাদেশের দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘করোনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে পেরেছি। তারা যাতে বই পড়ে, তারা যেন অ্যাসাইনমেন্টে অংশগ্রহণ করে…, লকডাউনের মাঝখানে এটা বন্ধ ছিল কিন্তু এখন আবার শুরু হয়েছে।’

    টেলিভিশনের ক্লাসের পাশাপাশি স্কুলগুলোতে অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে। সারাদেশের পাঁচ হাজার শিক্ষককে অনলাইন ক্লাস করানোর ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে- বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    গত ফেব্রুয়ারিতে আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন, ৩০ মার্চ থেকে প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং ২৪ মে থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। মন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ছুটি আরও দুই দফায় বাড়িয়ে ২৯ মে পর্যন্ত করা হয়।

    ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আরও যুক্ত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন

    কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. সাজ্জাদুল হাসান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।

  • আবারো বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ: প্রজ্ঞাপন জারি

    আবারো বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ: প্রজ্ঞাপন জারি

    মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ২৪ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ল।

    তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুমতি দেয়া হয়েছে আন্তঃজেলা বাস। হোটেল-রেস্তারাঁয় আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষ বসে খেতেও পারবে।

    এসব শর্তে বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে রোববার (২৩ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে চার দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে সময়ে বিধিনিষেধের শর্তেও নানান পরিবর্তন আনা হয়।

    সেই মেয়াদ শেষ হবে আজ রোববার মধ্যরাতে।

  • সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের জামিন মঞ্জুর

    সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের জামিন মঞ্জুর

    ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ ও ‘রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার’ অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে জামিন দিয়েছেন আদালত। তবে এ জামিন আদেশ আসার আগে পাঁচদিন তাকে কারাগারে কাটাতে হয়েছে।

    দেশ-বিদেশে আলোচনার জন্ম দেওয়া এই মামলায় ভার্চুয়ালি শুনানি নিয়ে রোববার রোজিনা ইসলামের জামিনের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকি বিল্লাহ। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিনের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    গত সোমবার (১৭ মে) পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় তাকে আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত ৯টার দিকে তাকে সচিবালয় থেকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। ওই রাতেই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পরদিন সকালে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতে তোলা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

    রোজিনা ইসলামকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অর্থাৎ অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টটি প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো একটি আইন।

    এদিকে ১৭ মে রোজিনা ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওযার পর রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যায়- এক নারী তার গলা চেপে ধরেছেন।

    রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা, তাকে গ্রেফতার ও তার জামিন হবে কি হবে না, সেটাই গত কয়েকদিন বাংলাদেশের সাংবাদিকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

  • আগামীকাল অফিস টার্গেট নিয়ে কর্মজীবী মানুষের চাপ

    আগামীকাল অফিস টার্গেট নিয়ে কর্মজীবী মানুষের চাপ

    মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া হয়ে ঈদ শেষে নবম দিনেও রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। রোববার (২৩ মে) অফিস টার্গেট নিয়ে ঈদ কাটিয়ে অনেকেই পদ্মা পার হচ্ছেন। লকডাউনের কারণেই গ্রামে গিয়ে কিছুটা বিলম্বে ফিরছেন অনেকেই।

    শনিবার (২২ মে) সকাল থেকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ায় এ চিত্র দেখা গেছে। তবে বিগত দিনের তুলনায় মানুষের চাপ অপেক্ষাকৃত কম ছিল। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পদ্মা পাড়ি দিয়ে যাত্রীদের শিমুলিয়া এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ভেঙে ভেঙে গন্তব্য পৌঁছাতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

    শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বহরে ১৮ ফেরির মধ্যে এখন সচল রয়েছে ১৭ টি। ট্রলারে করেও বহু মানুষ পদ্মা পার হচ্ছেন। তবে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ রয়েছে।

    করোনার স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই গায়ের সঙ্গে গা লাগিয়ে ফেরিতে পার হতে দেখা গেছে। প্রচণ্ড গরমে অসহনীয় পরিবেশে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ।

    বিআইডব্লিউটিসির এজিএম শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ফেরিগুলো ২০১ টি ট্রিপ দিয়েছে। এর মধ্যে শিমুলিয়া থেকে ফেরি ছেড়ে গেছে ১০২ বার। বাকি ৯৯ বার ছেড়েছে বাংলাবাজার থেকে। এটি স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধশতাধিক বেশি ট্রিপ দিয়েছে দ্রুত যাত্রী পার করার জন্য। প্রায় ৪২৭৯ যান পারাপারে ৩৩ লাখ ৮২ টাকারও বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • মাস্ক নিয়ে যৎকিঞ্চিৎ

    মাস্ক নিয়ে যৎকিঞ্চিৎ

    করোনাকালে বিশ্বে সর্বাধিক আলোচিত শব্দের অন‍্যতম একটি হচ্ছে ফেস মাস্ক। এই মাস্ক নিয়ে বিশ্বে ঘটে চলেছে বিভিন্ন তেলেসমাতি। মাস্কের উচ্চারণ নিয়েও আছে নানা সমস‍্যা। অনেক শিক্ষিত বাঙালিও ‘মাক্স’ উচ্চারণ করে থাকেন। ফেসবুকে পেলাম, স্ত্রী তাঁর স্বামীকে বাজার থেকে মাস্ক নিয়ে আসতে বললে স্বামী নাকি মাছ নিয়ে আসেন। এ নিয়ে বাধে হুলুস্থুল কাণ্ড। আবার পাত্রের মুখের মাস্ক খোলার পর বিয়ে ভেঙে গেছে, এমন ঘটনাও তো আছে! বিয়ের জন‍্য পাত্র দেখা প্রায় শেষ পর্যায়ে; বিয়ের দিন–তারিখ নিয়ে কথা চলছে; এমন সময় পাত্রীপক্ষের একজনের মনে হলো মাস্ক খুলে পাত্রের বদনখানি দেখা দরকার। স্বাস্থ্যসচেতন পাত্রের সামনের পাটির দুটি দাঁত অতিরিক্ত বড় ও ফাঁকা থাকার কারণে পরে ওই বিয়েই ভেঙে যায়। ইদানীং তরুণেরা কিন্তু অনেক সচেতন। কারও ওপর ক্রাশ খাওয়ার আগে নাকি কৌশলে মাস্ক খুলে দেখে নেন।
    প্রায় দেড় বছর যাবৎ আমরা মাস্ক পরছি। এরই মধ‍্যে আমার দুই বছরের ছেলে বুঝে গেছে, ঘরের বাইরে গেলে যেমন প‍্যান্ট-গেঞ্জি পরতে হয়, তেমনি মাস্কও পরিধান করতে হয়।

    এই মাস্কের রয়েছে বহুবিধ ব‍্যবহার। বিশেষ করে ললনাদের অনেকেই ইতিমধ্যে মাস্ককে ফ‍্যাশনে পরিণত করে ফেলেছেন। পোশাকের সঙ্গে এমনকি গায়ের রঙের সঙ্গে ম‍্যাচিং করে তাঁরা মাস্ক ব‍্যবহার করছেন। মাস্ক কেউ শুধু মুখে পরেন, কেউ আবার পরেন নাকে। পকেটে রাখেন অনেকে। মাথার সামনে, পেছনে এমনকি বেশির ভাগের থুতনিতেই শোভা পায় মাস্ক।

    মাস্ক এখন অনেকটা মোটরসাইকেলের হেলমেটের মতো। হেলমেট না পরলে যেমন আক্কেল সেলামি গুনতে হয়, একইভাবে মাস্ক না পরলে পুলিশের খপ্পরে পড়তে হয়। এ জন‍্য ঢাকা শহরের রাইড শেয়ারিং বাইকাররা নাকি সব সময় সঙ্গে কিছু মাস্ক রাখেন। ৪–৫টা মাস্ক হলে নাকি ৫০–৬০ জনকে নিয়ে রাইড শেয়ার করা যায়। এখন সিদ্ধান্ত আপনার, নিজের সঙ্গে রাখবেন নাকি বাইকারেরটাই পরবেন।

    আবার মাস্ক না পরার জন‍্য কত যে বাহানা, তা–ও আমাদের জানা আছে। পান খেলে করোনা হয় না, তাই মাস্ক পরার দরকার কী! কিছু বকধার্মিকের যুক্তি শুনলে আরও অবাক হতে হয়। ধর্ম পালনের সঙ্গে মাস্ক না পরার যোগসূত্র দিয়ে কেউ কেউ যুক্তি দাঁড় করান। অর্থাৎ নিজেদের সুবিধামতো ধর্মও ব‍্যবহার করা আরকি!

    এখানে ব‍্যবসায়ীরাও বাদ যাবেন কেন? এ সুযোগে করোনার শুরুতে মাস্কের দাম বাড়িয়ে ফায়দা লুটে নিতে একটুও ভুল করেননি তাঁরা।

    অবশ‍্য বিভিন্ন সময় মাস্ক নিয়ে কর্তাব্যক্তিদের নানা রকম বাণীতেও আমরা বিভ্রান্ত হয়েছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুরুতে বলেছিল, সুস্থ মানুষের মাস্ক পরার প্রয়োজন আছে, এ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটির পরিচালক বলেন, ‘শুধু মাস্ক কখনো আপনাকে কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত রাখবে না।’ কিছুদিন পর সংস্থাটি আবার বলছে, মাস্ক পরলে জীবাণু বহণকারী ড্রপলেট থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে তাদের গবেষণায় পাওয়া গেছে

    এরপর বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব এল যে করোনা বাতাসে ছড়ায়। ঘরে বসে থাকলেও করোনা হতে পারে! এসব নানাবিধ বাণী আমাদের মতো আমজনতাকে মাস্কের বিষয়ে আরও সন্ধিগ্ধ করে তুলেছে।

    মাস্ক নিয়ে যেমন অনেক রসাল কথা শুনতে পাই, তেমনি এটাও সত‍্য যে মাস্ক মানুষের অনুভূতিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার এক দারুণ অস্ত্র, যা লুকিয়ে রেখেছে লাখো মানুষের দুঃসহ অনুভূতি।

    অকিঞ্চিৎকর এই লেখা শেষ করছি কবি জসিমউদ্‌দীনের বিখ‍্যাত ‘আসমানী’ কবিতার প্রথম কয়েকটি লাইনের প‍্যারোডি দিয়ে:
    করোনা থেকে বাঁচতে যদি তোমরা সবে চাও,
    ঘরের বাইরে সব সময়ই মাস্ক পরে যাও।
    হেলা নয় নিয়ম করে মাস্ক পরো জানি,
    একটুখানি অসাবধানতায় করোনার হাতছানি।
    স্বাস্থ্যবিধি মানলে পরে করোনা যাবে সরে,
    ধরিত্রী হবে করোনামুক্ত শুধু তারই তরে।

  • শেখ হাসিনা নোবেল পাওয়ার যোগ্য :কাদের

    শেখ হাসিনা নোবেল পাওয়ার যোগ্য :কাদের

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে একটি স্বীকৃতি শেখ হাসিনার প্রাপ্য ছিল। নোবেল প্রাপ্য ছিল শেখ হাসিনার। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি, উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়, দারিদ্র্য বিমোচন- এমন অনেক সাফল্য শেখ হাসিনার।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, অথচ দুঃখ লাগে, অশান্তির দেশে যায় নোবেল শান্তি পুরস্কার। এমন দেশে নোবেল যায় যেখানে যুদ্ধবিগ্রহ লেগে আছে, গণহত্যা আছে।

    রোববার (১৬ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলটির তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির উদ্যোগে ‘শেখ হাসিনার চারদশক: বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, অনেক অর্জন থাকার পরেও প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক একটি স্বীকৃতি পাননি। তবে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে শেখ হাসিনার জন্য যে নোবেল পুরস্কার মানুষের অন্তরে লেখা হয়ে গেছে- এই নোবেল পুরস্কার কেউ কোনো দিন ছিনিয়ে নিতে পারবে না। অনন্তকাল ধরে বাংলার মানুষ তাকে স্বীকৃতি দেবে।

    তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার জন্যই জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরেছে। শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশ পাপমুক্ত ও কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

  • প্রজ্ঞাপন জারি: আরও সাতদিন লকডাউন

    প্রজ্ঞাপন জারি: আরও সাতদিন লকডাউন

    করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও সাতদিন অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত আরেক দফা বাড়ল।

    বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে রোববার (১৬ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী নতুন করে দুটি শর্ত সংযুক্ত করে বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা ১৬ মে মধ্যরাত থেকে ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

    ১. সরকারের রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব দফতর/সংস্থা জরুরি পরিষেবার আওতাভুক্ত হবে।

    ২. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ কেবল খাদ্য বিক্রি/সরবরাহ করতে পারবে।

    কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে তিন দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়, নির্দেশনাও আসে সংশোধনের। লকডাউনের সর্বশেষ মেয়াদ শেষ হবে আজ রোববার মধ্যরাতে।

    বিধিনিষেধের বর্ধিত মেয়াদেও জেলার মধ্যে বাস চলবে। আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এছাড়া আগের মতোই বন্ধ থাকবে ট্রেন ও লঞ্চ।

    এছাড়া লকডাউনে আগে মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। এছাড়া জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সীমিত পরিসরে হবে ব্যাংকে লেনদেন।

    গত শুক্রবার (১৪ মে) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা থাকলেও তা মানেননি অনেকেই।

    ঈদের কিছুদিন আগে থেকেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করে মানুষ। জেলার মধ্যে চলাচল করা বাসের মাধ্যমে মানুষ চলে যায় ফেরিঘাটগুলোতে কিংবা জেলার প্রান্তে। ফেরি পার হয়ে কিংবা গাড়ি পাল্টে পৌঁছে গেছে গন্তব্যে।

    ব্যক্তিগত গাড়িতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় অনেকে মাইক্রোবাস ভাড়া করে বা প্রাইভেটকার নিয়ে শহর ছেড়ে গ্রামে গেছেন ঈদ উদযাপনের জন্য। ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন গাড়িতেও রাজধানী ছেড়েছেন অনেকে।

    কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লা এর আগে বলেছিলেন, ‘আমাদের ধারণা হচ্ছে, এই পরিস্থিতির পর চলতি মাসের শেষ দিকে বা আগামী মাসের শুরুর দিকে করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে।’

    এই প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞ কমিটি লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশ করে। সে অনুযায়ী আরও এক সপ্তাহ বাড়ল লকডাউন।