Category: জাতীয়

  • শহীদ মিনারে শ্রদ্ধায় ৫ জনের বেশি নয়

    শহীদ মিনারে শ্রদ্ধায় ৫ জনের বেশি নয়

    করোনা পরিস্থিতির কারণে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন ব্যক্তি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারবে। এ সময় শহীদ মিনারে আগত সকলে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করতে হবে।

    রবিবার (২৪ জানুয়ারি) অমর একুশে উদযাপন উপলক্ষে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আইন অনুষদের ডিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহকে সমন্বয়কারী, সমিতিরি সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়াকে যুগ্ম-সমন্বয়কারী এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানীকে সদস্যসচিব করে অমর একুশে উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিট ছাড়াও অমর একুশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

  • শেখ হাসিনার নতুন চমক: ৭০ হাজার গৃহহীন পরিবার পেল পাকা বাড়ি

    শেখ হাসিনার নতুন চমক: ৭০ হাজার গৃহহীন পরিবার পেল পাকা বাড়ি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিতে পারছি, এটি আমার সবচেয়ে আনন্দের।

    মুজিববর্ষ উপলক্ষে আজ শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর হস্তান্তর কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    এদিন দেশের ৪৯২ উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার পরিবারকে পাকা বাড়ি হস্তান্তর করেন তিনি।

    এ সময় লাইভে সংযুক্ত ছিল- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি দেশের সব উপজেলা অনলাইনে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়।

    এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে অসহায় ভূমিহীন এবং গৃহহীন ৯ লাখ পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হবে।

    সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৯৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৬ হাজার ৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৯৭, রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৩৪, রাজশাহী বিভাগে ৯৬ হাজার ৫০৪, খুলনা বিভাগে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪১১, বরিশাল বিভাগে ৮০ হাজার ৫৮৪ এবং সিলেট বিভাগে ৫৫ হাজার ৬২২টি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী (মুজিববর্ষ) উপলক্ষে তালিকায় থাকা এসব ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর করে দিচ্ছে সরকার।

    ইতোমধ্যে ২১ জেলার ৩৬ উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্প গ্রামে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে একক গৃহ ও ব্যারাকে মোট ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে এটাই প্রথম।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ২৪ হাজার ৫৩৮টি পরিবারের জন্য মোট বরাদ্দ ৪১৯ দশমিক ৬০ কোটি টাকা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩৮ হাজার ৫৮৬টি ঘর বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫৯ দশমিক ৮২ কোটি টাকা।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গুচ্ছগ্রাম দ্বিতীয় পর্যায়ে সিভিআরপি প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৬৫টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। এ খাতে বরাদ্দ ৫২ দশমিক ৪১ কোটি টাকা। অতিরিক্ত পরিবহন বাবদ বরাদ্দ (প্রতিটি ঘরের জন্য ৪ হাজার টাকা) মোট ২৬ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা।

    এছাড়া সব উপজেলায় জ্বালানি বাবদ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ কোটি টাকা। মোট ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবারের ঘরের জন্য বরাদ্দ ১১৬৮ দশমিক ৭১ কোটি টাকা।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প একক গৃহনির্মাণের সামগ্রিক কার্যক্রম সমন্বয় করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে একক গৃহনির্মাণ করা হচ্ছে।

    ১৯৯৭ সাল থেকে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যা ২ হাজার ১৭২টি। নির্মিত ব্যারাক সংখ্যা ২২ হাজার ১৬৪টি। ব্যারাকে পুনর্বাসিত ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৮টি। জমি আছে কিন্তু ঘর তৈরির সামর্থ্য নেই এমন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭৮৪ পরিবারকে সহযোগিতা করা হয়েছে।

    তিন পার্বত্য জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিবারের জন্য নির্মিত বিশেষ ডিজাইনের ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে ৫৮০টি। ২৩ বছরে পুনর্বাসিত পরিবারের সংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজার ৫২টি।

    এর আগে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে কক্সবাজার জেলার খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত পাঁচতলাবিশিষ্ট ২০টি বহুতল ভবনে প্রথম পর্যায়ে ৬০০টি জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারকে একটি করে ফ্ল্যাট উপহার দেওয়া হয়েছে।

    এ প্রকল্পের আওতায় পাঁচতলাবিশিষ্ট ১৩৯টি বহুতল ভবন নির্মাণ করে ৪ হাজার ৪০৯টি জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবার পুনর্বাসন করা হবে।’

  • আজ আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন-প্রধানমন্ত্রী

    আজ আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন-প্রধানমন্ত্রী

    ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করতে পারা নিজের সবচেয়ে বড় আনন্দের বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার (২৩ জানুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এদিন দেশের ৪৯২ উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার পরিবারকে পাকাঘর হস্তান্তর করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। গৃহহীন পরিবারকে গৃহ দিতে পারছি, এটি আমার সবচেয়ে আনন্দের। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এই গৃহ প্রদান কার্যক্রম তারই শুরু করা।’

    এ সময় লাইভে যুক্ত ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা। এছাড়াও দেশের সব উপজেলা অনলাইনে যুক্ত হয়।

    মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় প্রায় নয় লাখ মানুষকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকাঘর উপহার দেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ঘর পেল প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। আগামী মাসে আরও ১ লাখ পরিবার বাড়ি পাবে। অনুষ্ঠানে আশ্রয়ন প্রকল্পের তৈরি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

  • সংসদে পাস হলেই এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    সংসদে পাস হলেই এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তত আছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সেজন্যই সংশ্লিষ্ট বিলগুলো দ্রুত পাস করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশের দ্বিতীয় কার্যদিবসের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিল উত্থাপন করে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের আলোচনা স্থগিত করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময়, আইন প্রণয়ন কার্যাবলীতে তিনটি বিল উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বিল তিনটি হলো, ইন্টারমিডিয়েট ও সেকেন্ডারি এডুকেশন সংশোধন বিল-২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সংশোধন বিল-২০২১ ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশোধন বিল-২০২১।

    ফল প্রকাশের জন্যই এসব বিল পাস হওয়া জরুরি বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

  • করোনার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার চিকিৎসা দেবে সরকার’

    করোনার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার চিকিৎসা দেবে সরকার’

    করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার পর যদি কারো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তাহলে সরকার সেটারও চিকিৎসা দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সেইসাথে তিনি জানান, রাজধানীর তিন শতাধিক কেন্দ্র থেকে দেয়া হবে করোনার টিকা।

    আজ ১৮ জানুয়ারি, সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    সেখানে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী ২৫-২৬ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনের প্রথম লট চলে আসবে। ভারত সরকার আমাদেরকে কিছু ভ্যাকসিন উপহারসরূপ দেবেন। সেটাও আমরা আশা করছি যেকোনো সময় চলে আসবে।’

    এর পাশাপাশি অন্যান্য যারা টিকা তৈরি করছে যেমন রাশিয়া, সানোফি, মর্ডানা, ফাইজারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান জাহিদ মালেক।

    তিনি আরো বলেন, ‘ভারত কী পরিমাণ ভ্যাকসিন দিচ্ছে সেটার সংখ্যা এখনই বলতে পারবো না। তবে সেটা বেশ ভালো পরিমাণ। অল্প সময়ের মধ্যে চলে আসবে।’

    প্রথম লট পাওয়ার আগেও উপহারের ভ্যাকসিন চলে আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ‘যারা টিকা নিয়ে কাজ করছে, সবার সঙ্গে কথা বলে এটা নিয়ে আসা হচ্ছে। আশা করি সবাইকে আমরা টিকা দিতে পারবো।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আশা করি দেশের প্রত্যেক সাংবাদিক করোনার টিকা পাবেন। যারা ঢাকায় কর্মরত তারা প্রথম ধাপেই টিকা পাবেন বলে আশা করছি।’

    এদিকে জানা গেছে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অ্যাস্ট্রেজেনকা-অক্সফোর্ডের করোনার টিকার ৫০ লাখ ডোজ প্রথম প্রথম ধাপে আসবে। তবে প্রথম ধাপে ২৫ লাখ নয়, ৫০ লাখ ডোজই প্রয়োগ করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে। যদিও আগের সিদ্ধান্ত ছিল, ৫০ লাখের ২৫ লাখ দেয়া হবে। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫০ লাখই প্রয়োগ করা হবে।

    এছাড়া ৬৪ জেলার মধ্য ২৮টি জেলায় টিকার সংরক্ষণাগার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৭ হাজার কেন্দ্র থেকে দেয়া হবে এই টিকা।

  • মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই পৌর নির্বাচনে আ.লীগের জয়’

    মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই পৌর নির্বাচনে আ.লীগের জয়’

    মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে সকল কেন্দ্রে ব্যাপক সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সকল সেক্টরে উন্নয়ন করে চলেছে। মানুষ এই সরকারের কাছে আরও উন্নয়ন চায় বলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

    সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে চারদিন ব্যাপী অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

    তিনি বলেন, মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই আওয়ামী লীগের প্রর্থীগণ বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা যেখানে সক্রিয় এবং জনপ্রিয় ছিলো সেখানে তারা বিজয়ী হয়েছে। এমনকি তাদের দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থীও বিজয়ী হয়েছে। এখন কোন দোষ খুঁজে না পেয়ে ভোটের ব্যবধান বেশি বলছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অর্জনের কারনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। জনগণের কাছে বিএনপি কি বলে ভোট চাইবে, তাদের তো বলার কিছু নেই।

    তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাস আর মানুষ পুড়িয়ে মারা এবং দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়া তাদের জনগণের কাছে আর কি বা বলার আছে? ভোট কেন্দ্রে না এসে, প্রচার না চালিয়ে বিএনপি ভোটারদের আস্থা হারিয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিজয় উন্নয়নের বিজয়। বিপুল ভোটের ব্যবধান বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতিকে জনগণের প্রত্যাখ্যান।

    পৌর নির্বাচনের এ বিজয় উগ্র সা¤প্রদায়িকতা তোষণ এবং পোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, এ ব্যবধান এবং বিজয় থেকে বিএনপি ভবিষ্যতে শিক্ষা নিবে।

    পৌর নির্বাচনের পরে একজন কাউন্সিলরের মৃত্যুর ঘটনায় ওবায়দুল কাদের দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে জানিয়ে বলেন, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। পরবর্তী ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে সংঘাত ও হানাহানি এড়াতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছি।

    ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশ্যে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, কর্মদক্ষতার পাশাপাশি জীবনদক্ষতাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ফায়ার সেফটিসহ অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জীবন দক্ষতার জন্য সহায়ক হবে। নিজেরা প্রশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মপরিবেশে অগ্নি নিরাপত্তা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, উদ্ধার তৎপরতা, নিজের সুরক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসাসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সফল হতে হবে। আগুন,বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সবার মনে রাখতে হবে শুধু নিজে বাঁচার জন্য নয়,নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করে অন্য ক্ষতিগ্রস্থদের সুরক্ষা এবং জীবন রক্ষাই হতে হবে প্রধান লক্ষ্য।

  • নতুন ভোটার ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬

    নতুন ভোটার ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। খসড়া তালিকায় ২০১৯-২০২০ সালে নতুন ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ জন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।

    রোববার (১৭ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ২০১৯-২০২০ সালের হালনাগাদে নতুন ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ জন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ১ হাজার ৯৮৩, নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে আবেদন করেছেন ১৫ জন।

    কারো কোনো তথ্য ভুল থাকলে বা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে তা সংশোধনের জন্য ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

    রোববার পর্যন্ত ইসির তালিকায় মোট ১১ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৮ ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫১৩, নারী ভোটার ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার ২৭০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩৭৫ জন।

    সচিব আরো জানান, এখানে মৃত ভোটারদের বাদ দেয়া হয়নি। আগামী ২ মার্চ যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে সেখানে মৃত ভোটারদের তথ্য থাকবে।

  • এবার প্রচার হবে ‘ভ্যাকসিন বুলেটিন’

    এবার প্রচার হবে ‘ভ্যাকসিন বুলেটিন’

    ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই জাতীয়ভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের টিকাদান কর্মসূচি। এ লক্ষ্যে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশবাসীকে টিকাদানের সর্বশেষ তথ্য জানাতে করোনা বুলেটিনের মতো নিয়মিত ‘ভ্যাকসিন বুলেটিন’ প্রচারের পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) নতুন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তথ্য প্রবাহের এই সার্বিক বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    কবে থেকে এই বুলেটিন প্রচার হবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

    তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আমাদেরকে নিশ্চয়ই একটা নির্দেশনা পাঠাবেন। সেখানে উল্লেখ থাকবে, আমরা কখন, কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় ভ্যাকসিন বুলেটিন পাঠাবো। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, অফিসিয়ালি আমরা এখনো তথ্য পাইনি। তথ্য পেলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা গণমাধ্যমকে জানাবো।

    এ প্রসঙ্গে ‘জাতীয় করোনা ভ্যাকসিন বিতরণ কমিটি’র প্রধান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচারের বিষয়ে আমাদেরকে জানিয়েছেন। দেশব্যাপী করোনা ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হলে আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নিয়মিত ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচারের পদক্ষেপ নেব। তবে এই বুলেটিনে কোন কোন তথ্য প্রচার হবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

  • এ মাসে ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

    এ মাসে ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

    মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় ৯ লাখ ভূমি ও গৃহহীন অসহায় পরিবার বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাচ্ছেন পাকা ঘর। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসেই ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার।
    সম্প্রতি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে দেখে এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, গুচ্ছগ্রাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়- এ তিন সংস্থার সমন্বয়ে, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, নির্বাচিত অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং সুধীজনের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ‘দেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এরই মধ্যে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। ঘর এবং জমি নেই এমন পরিবারের সংখ্যা দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১ জন।

    অপরদিকে জমি আছে, ঘর নেই এমন পরিবারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। সর্বমোট আট লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে বাসস্থান নির্মাণ করে দেয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। দুই শতক জমির ওপরে নির্মিত প্রতিটা ঘরের নির্মাণ ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘরের সঙ্গে একটি রান্নাঘর, একটি সংযুক্ত টয়লেট ও ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রাখা হয়েছে। ভূমিহীন যারা রয়েছে, তাদের দুই শতক ঘরের জমির মালিকানাও দেয়া হবে।

    প্রথম পর্যায়ে সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এ ঘরগুলো উপকারভোগীদের দেয়া হবে। চলতি মাসের কোনো এক সময় এ ঘরগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমি ও গৃহহীন দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিতরণ করবেন।

    সরকারের পাশাপাশি গৃহহীনদের ঘর দেয়ার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন রাজনীতিবিদ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিত্তবান ব্যক্তিরা। সারাদেশের বিভিন্নস্থানে জনপ্রতিনিধিরা দুই হাজার ৮৯৬টি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি উদ্যোগে ৯৯টি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি উদ্যোগে ৬০৫টি, বিসিএস অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসোসিয়েশন ১১টি, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ১০০টি, সরকারের ৮০ জন সচিব ১৬০টি, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা দুই হাজার ৮৬৮টি করে মোট সাড়ে ছয় হাজার গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছেন।

    এ বিষয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬৬ হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাসেই ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিববর্ষে এক বছরের মধ্যে আরো এক লাখ ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। পর্যায়ক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে নয় লাখ পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।

    তিনি আরো জানান, ঘর দেয়ার পাশাপাশি এসব ভূমিহীন-গৃহহীন বিধবা, অসহায়, বয়স্ক, দুস্থ এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে আয়বর্ধক নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।

  • পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে : আইজিপি

    পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে : আইজিপি

    পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে।

    আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আগামীতে দেশের অর্থনীতিসহ সব দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এ অগ্রযাত্রায় আমাদের সব ক্ষেত্রেই শুদ্ধতা দরকার।

    শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা নিজেদের ঘরের ভেতর থেকেই শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি আগে নিজেদের ঘরকে শুদ্ধ করতে দুর্নীতি মুক্ত করতে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, ক্র্যাব এর সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু প্রমুখ। এছাড়া সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাবের সদস্যরা।