Category: জাতীয়

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন ফারিয়া হোসাইন

    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন ফারিয়া হোসাইন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদে বিদ্যমান শূন্যপদসমূহ পূর্ন করা হয়েছে। আজ ৩১ জানুয়ারি
    বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদে বিদ্যমান শূন্যপদসমূহে নতুন নেতৃবৃন্দকে মনোনীত করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ।উক্ত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন ফারিয়া হোসাইন (ফরিদা পারভীন)।

    ছাত্রলীগের শূন্যপদসমূহে আরও মনোনীত হলেন যারা:

    সহ-সভাপতিঃ ম সাইফ উদ্দিন বাবু
    সহ-সভাপতিঃ সাগর হোসেন সোহাগ
    সহ-সভাপতিঃরায়হান কাওসার
    সহ-সভাপতিঃ রাকিব হোসেন
    সহ-সভাপতিঃ রানা হামিদ
    সহ-সভাপতিঃআনন্দ শাহা পার্থ
    সহ-সভাপতিঃশেখ সাগর আহমেদ
    সহ-সভাপতিঃ শুভ্রদেব হালদার
    সহ-সভাপতিঃ দেবাশীষ সিকদার সিদ্ধার্থ
    সহ-সভাপতিঃআরিফ ইবনে আলী
    সহ-সভাপতিঃআরিফ হোসেন রিফাত
    সহ-সভাপতিঃজিয়াসমিন শান্তা
    সহ-সভাপতিঃতিলোত্তমা শিকদার
    সহ-সভাপতিঃশাহরিয়ার সিদ্দিকী
    সহ-সভাপতিঃফরিদা পারভীন(ফারিয়া হোসাইন)
    সহ-সভাপতিঃউৎপল বিশ্বাস
    সহ-সভাপতিঃমো ওমর ফারুক
    সহ-সভাপতিঃমিজানুর রহমান
    সহ-সভাপতিঃমুরাদ হায়দার টিপু
    সহ-সভাপতিঃইখতিয়ার আহমেদ চৌধুরী সজীব
    সহ-সভাপতিঃরাকিবুল হাসান নোবেল
    সহ-সভাপতিঃখাদিজাতুল কুবরা
    সহ-সভাপতিঃমোঃ মহিন উদ্দিন
    সহ-সভাপতিঃরাকিবুল ইসলাম
    সহ-সভাপতিঃ জেসমিন আরা রুমা
    যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকঃ আব্দুল জব্বার রাজ
    দপ্তর সম্পাদকঃ ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি
    সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ মেহেদী হাসান সানি
    পাঠাগার সম্পাদকঃ সৈয়দ ইমাম বাকের
    তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ খন্দকার জমি উস সানি
    ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ তুহিন রেজা
    সাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদকঃ খালিদ মাহমুদ ফয়সাল
    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদকঃ আল-আমিন রহমান
    উপ-প্রচার সম্পাদকঃ ফেরদৌস মাহমুদ পলাশ
    উপ-দপ্তর সম্পাদকঃসজীব নাথ
    উপ-দপ্তর সম্পাদকঃ মিরাজুল ইসলাম খান শিমুল
    উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ তন্ময় দেবনাথ
    উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ আমান উল্লাহ আমান
    উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ মো মোরশেদুর রহমান আকন্দ
    উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃশেখ নাজমুল
    উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ মাইনুল হাওলাদার
    উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ ইসমাইল হোসেন
    উপ-সমাজসেবা সম্পাদকঃ তানভীর হাসান সৈকত
    উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ সামাদ আজাদ জুলফিকার
    উপ-পাঠাগার সম্পাদকঃ এম আর মুকুল ইসলাম
    উপ-পাঠাগার সম্পাদকঃ আনোয়ার হোসেন
    উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ আতিকুল ইসলাম
    উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ শাহেদ খান
    উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃএহসান পিয়াল
    উপ-গন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকঃওয়াহিদ খান রাজ
    উপ-সাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদকঃ রাজেম
    উপ-সাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদকঃ জেরিন শিকদার
    উপ-সাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদকঃ সাধন বিশ্বাস
    উপ-সাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদকঃমো রিজবান আহমেদ
    উপ-ছাত্রবৃত্তি সম্পাদকঃ মাহফুজুর রহমান
    উপ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদকঃ শাজাহান ভুইয়া শামিম
    সহ-সম্পাদকঃ ফারুকুল ইসলাম
    সহ-সম্পাদকঃ ফাইজুল ইসলাম সজিব
    সহ-সম্পাদকঃ শেখ রিজওয়ান আলী
    সহ-সম্পাদকঃ আয়শা আক্তার সুমি
    সহ-সম্পাদকঃ এম সাইফুল ইসলাম সাইফ
    সহ-সম্পাদকঃ এইচ এম রোমান মাহমুদ
    সহ-সম্পাদকঃ মোঃ রুবেল সিকদার
    সহ-সম্পাদকঃ মীর সাব্বির
    সহ-সম্পাদকঃ জাহিদুল ইসলাম নোমান
    সদস্যঃ সাজিদ আহমেদ দিপ্ত
    সদস্যঃ আলী হোসেন আলম

  • বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি,সভাপতি  দূর্জয়,সম্পাদক সফি

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি,সভাপতি  দূর্জয়,সম্পাদক সফি

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সাবেক ছাত্রনেতা,সাবেক সহ-সম্পাদক,কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জনাব এড. মোঃ আসাদুজ্জামান মোল্লা দূর্জয় কে সভাপতি এবং সাবেক ছাত্রনেতা, সদস্য, যুব ও ক্রিয়া কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জনাব লায়ন মোঃ মেজবাহ উদ্দিন সফি কে সাধারন সম্পাদক ঘোষণা করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
    নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দদের প্রতি বাংলার মুখ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি ও বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ  চৌধুরী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) সহ বিভিন্ন বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান

  • সত্যকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

    সত্যকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাত্র ৫৪ বছরের ছোট্ট একটি জীবন ছিল। এ সময়ের মধ্যে তিনি যে অসাধ্য সাধন করে গেছেন, তা কল্পনাও করা যায় না। আসলে সত্যকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না, এটিই প্রমাণিত সত্য।

    রবিবার একাদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত মুজিববর্ষের কার্যক্রম, মুজিববর্ষ ওয়েবসাইট ২০২০-২০২১ এবং জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অডিও ভাষণের ডিজিটাল সংকলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে আমরা দেখি যে, এমন কোনো কাজ নেই যা উনি (বঙ্গবন্ধু) না করে গেছেন। একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য যা যা করণীয়, সবই তো করে দিয়ে গেছেন। সবকিছুর ভিত্তিটা তৈরি করে দিয়ে গেছেন। আওয়ামী লীগের জীবন থেকে ২৫ বছর সময় নষ্ট হয়েছে। কিন্তু আমরা যেটুকু পারছি, আমরা দিচ্ছি; যা আমাদের প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। আসলে সত্যকে কেউ একেবারে মুছে ফেলতে পারে না। এটিই আজ প্রমাণিত সত্য।
    প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ কর্তৃক মুজিববর্ষের কার্যক্রম ও মুজিববর্ষ ওয়েবসাইটের উদ্বোধন ঘোষণা ও গ্যালারি পরির্দশন করেন।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন চিপ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি প্রমুখ।

  • এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

    এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

    করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

    এ কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডগুলোকে দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

    মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে তিনটি গেজেট জারি করা হয়।

    এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মোতাবেক নয়টি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে এই ক্ষমতা দেয় সরকার।

    এতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করা হয়েছে।

    ওইসব সংশোধিত আইনের ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফলাফল প্রস্তুত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

    পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১’ ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’, ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’ গেজেট আকারে জারি করে সরকার।

    আইনগুলো সংশোধন হওয়ায় এখন বিশেষ পরিস্থিতে মহামারী, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনও পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দিয়ে কোনও বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করতে পারবে।

    গত বছরে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।

    প্রতিবছর ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এবার করোনা মহামারীর কারণে বাতিল করা হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে এবারের ফল।

    অন্যদিকে, আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতিও আসে ওই দিন রাতে।

  • ৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ

    ৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ

    ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) আজ বুধবার এই ফল প্রকাশ করে। পরীক্ষায় সাময়িকভাবে মোট ১০ হাজার ৯৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পিএসসির ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) এ ফল পাওয়া যাচ্ছে।

    এই ফলের জন্য অনেক দিন ধরেই অপেক্ষা করছিলেন প্রায় ২০ হাজার প্রার্থী। আজ তাঁদের অপেক্ষার অবসান হলো। পুরো ফল দেখুন নিচের পিডিএফ ফাইলে।

  • সমালোচকদেরও ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    সমালোচকদেরও ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিন আসার সাথে সাথে এগুলো কিন্তু টেস্ট করা হয়, তারপরও কিন্তু দেওয়া হয়। আমাদের দুর্ভাগ্য কিছু কিছু লোক থাকে একটা নেতিবাচক মনোভাব তারা পোষণ করে। তাদের কাছ থেকে মানুষ কোন সাহায্য পায় না, কিন্তু কোন কাজ করতে গেলে সেখানে বিরূপ সমালোচনা, মানুষের ভেতর সন্দেহ ঢোকানো, ভয় ভীতি দেওয়া এই ধরণের কিছু কাজ করা কারো কারো অভ্যাস আছে। যত ভাল কাজই করেন সবকিছুতে তারা ‘ভাল লাগে না’ নামে রোগে ভোগে। এই রোগের কি চিকিৎসা আছে, আমি জানি না। এরজন্য কোন ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে কি না তাও আমি জানি না। যা হোক, তুবও আমি চাই তারাও সাহস করে আসবেন তাদেরকেও ভ্যাকসিন দিয়ে দেবো যাতে তারা সুরক্ষিত থাকে।

    বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গণভবন থেকে করোনা ভ্যাকসিন টিকা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পত্রিকা দেখলেই পাবেন, সেখানে সব কিছুতেই সমালোচকরা দোষ খোঁজে। এই ভ্যাকসিন আসবে কি আসবে না। আসলে এতো দাম হল কেন? এটা চলবে কিনা, দিলে কি হবে? নানা প্রশ্ন তাদের। যা হোক তুবও আমি চাই তারাও সাহস করে আসবেন। আমরা তাদেরকেও ভ্যাকসিন দিয়ে দেব, যাতে তারা সুরক্ষিত থাকে। কারণ তাদের যদি কিছু হয় তাহলে আমাদের সমালোচনাটা করবে কে? সমালোচনার লোকও থাকা দরকার। থাকলে আমরা জানতে পারি, আামাদের কোন ভুলভ্রান্তি হলো কিনা। সেজন্য সাধুবাদ দিচ্ছি তাদের সমালোচনা যত হয়েছে, আমরা কিন্তু তত বেশি দ্রুত কাজ করার প্রেরণা পেয়েছি।

    ভ্যাকসিন কার্যক্রম উদ্বোধনের পর ভ্যাকসিন নেয়া সবাইকে শুভ কামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার সুস্থতা কামনা করছি। এরপর আমরা সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু করব। যাতে তাড়াতাড়ি দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করা যায়। চুক্তি অনুযায়ী বাকি ভ্যাকসিনও চলে আসবে।

    এ সময় তিনি বলেন, এখন আমার মনে হচ্ছে আমি গিয়ে নিয়ে আসি। আবার আগে আগে নিলে তো বলবে আগে নিয়ে নিলো। সবাইকে দিয়ে, আমি নেবো।

  • ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু

    আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    মঙ্গলবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বেলা ৩টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এদিন প্রথম করোনা টিকা নেবেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরুনিকা কস্তা।

    কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আগামীকালের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনের জোর প্রস্তুতি চলছে।

    বৃহস্পতিবার দেশের পাঁচটি হাসপাতালে (কুর্মিটোলাসহ) সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়া হবে।

    মঙ্গলবার দুপুরে ঔষধ প্রশাসন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে দেশে আসা ৫০ লাখ টিকা ব্যবহারের উপযোগিতা সনদ দিয়েছে।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালেও করোনার টিকাদানে প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে।

    সোমবার এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভারত থেকে ৫০ লাখ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছায়। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড-১৯-এর এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। এই ভ্যাকসিনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘কোভিশিল্ড’। এর আগে ভারত সরকারের কাছ থেকে উপহার হিসেবে কোভিশিল্ডের ২০ লাখ ডোজ পেয়েছে বাংলাদেশ।

  • ২০২০-এ দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশেরই জিডিপি বাড়ছে’

    ২০২০-এ দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশেরই জিডিপি বাড়ছে’

    করোনা মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমান্য হলেও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়ছে।

    জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করা বিভাগ ইউনাইটেড ন্যাশনস ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্সের (ইউএন ডেসা) এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে বাংলাদেশের জিডিপি বেড়ে শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জিডিপি বাড়লেও ২০১৯ সালের তুলনায় তা অনেক কমেছে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের জিডিপি ছিল আট দশমিক চার শতাংশ। যেখানে ভারতের জিডিপি নয় দশমিক ছয় শতাংশ এবং পাকিস্তানের দুই দশমিক সাত শতাংশ কমেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে চার দশমিক তিন শতাংশ, ভারতের কমে হয়েছে পাঁচ দশমিক সাত শতাংশ, পাকিস্তানের এক দশমিক দুই শতাংশ, ভূটানের শূন্য শতাংশ, নেপালের শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

    জাতিসংঘের প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরে অনেক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ঘুরে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে পাঁচ দশমিক এক শতাংশ, ভারতের সাত শতাংশ, পাকিস্তানের শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ, ভূটানের তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ, মালদ্বীপের নয় দশমিক নয় শতাংশ, আফগানিস্তানের চার দশমিক চার শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার তিনি দশমিক এক শতাংশ। বৈশ্বিক মহামারীর মধ্যে অনেক দেশ ঘুরে দাঁড়ালেও ঝুঁকি রয়েছে। কোভিড-১৯ বিশ্বকে কীভাবে আক্রান্ত করবে তার ওপর প্রবৃদ্ধি নির্ভর করছে।

    কেননা, মহামারির কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জিডিপি প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য দ্রুত গতিতে বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে ইউএন ডেসা।

  • আবরার হত্যা মামলা : সাক্ষ্য দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা

    আবরার হত্যা মামলা : সাক্ষ্য দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামানের সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এদিন তার সাক্ষ্যর জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় আগামীকাল সোমবার অবশিষ্ট জবানবন্দি ও জেরার জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

    মামলায় মোট ৬০ সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

    ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

    ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

    অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

    গ্রেফতার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

    মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষেরজন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

    ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় কারাগারে থাকা ২২ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

  • অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: কাদের

    অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: কাদের

    দেশবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ এবং উন্নয়নকামী সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা নির্মূল করে অসাম্প্রদায়িক ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার অব্যাহত প্রয়াসকে শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য দেশবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ এবং উন্নয়নকামী সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    আজ রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল করোনার টিকা নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিএনপি টিকা সংগ্রহের আগেই টিকা ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির কল্পিত অভিযোগ করেছিলো। এখন তারা টিকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে মিথ্যাচার করছে। বিএনপির কল্পিত অভিযোগ এবং টিকা নিয়ে অপপ্রচার একসূত্রে গাঁথা বলেও মনে করেন মন্ত্রী।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে ন্যাক্কারজনক রাজনীতি করছে, যেমনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়েও তারা রাজনীতি করেছে বেশি। সরকারের অন্ধ বিরোধিতা করতে গিয়ে বিএনপি নিজেদের এখন জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ঢাকা মহানগরসহ বেশ কিছু জেলা কমিটি ইতোমধ্যেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেলা কমিটিসহ অন্যান্য কমিটিগুলো একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়। যেসব জেলা কমিটি এখনো দেওয়া হয়নি সেসব কমিটিগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

    দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চায় শেখ হাসিনা অনন্য নজির স্থাপন করেছেন উল্লেখ করে কাদের বলেন, তিনি দলের শৃঙ্খলার বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে। ঘোষিত কোন কমিটির বিষয়ে কারও অভিযোগ থাকলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ধানমন্ডির সভাপতির কার্যালয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে।

    দেশব্যাপী পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে ইতোমধ্যে দলের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে সকল কাউন্সিলর বিদ্রোহ করছেন তারাও কঠোর সাংগঠনিক শাস্তির আওতায় পড়বে। তিনি সকলকে শৃঙ্খলা মেনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

    ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবসের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আইয়ুব খানের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে বাঙালির অভূতপূর্ব জাগরণের দিন আজ। ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমাদের যে স্বাধীনতার সংগ্রাম, সেই ইতিহাসে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

    পুলিশের গুলিতে নিহত নবকুমার ইনস্টিটিউটের ছাত্র মতিউর রহমানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে গণ-অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।

    ওবায়দুল কাদের শহীদ আসাদের আত্মদানের কথা স্মরণ করে বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন আর ত্যাগের ধারাবাহিকতায় বাঙালি পেয়েছে একটি স্বাধীন দেশ।

    বীরের বিরত্বগাঁথায় উজ্জল বাংলাদেশকে স্বাধীনতার চেতনায় গড়ে তুলেছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তরের মাধ্যমে শোধ করতে হবে আমাদের পূর্বসূরিদের ত্যাগের ও আত্মদানের ঋণ। (বাসস)