Category: জাতীয়

  • বিমান ঘাঁটিতে হামলার খবরটি ‘বিভ্রান্তিকর’, যা বলল বিমান বাহিনী

    বিমান ঘাঁটিতে হামলার খবরটি ‘বিভ্রান্তিকর’, যা বলল বিমান বাহিনী

    কক্সবাজার সংলগ্ন সমিতিপাড়ার কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্ত সোমবার কক্সবাজারে অবস্থিত বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে বলে যে খবর প্রচারিত হয়েছে- তা মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর সংবাদ এবং অপতথ্য বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

    সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাহিনীটি।

    এতে বলা হয়, কক্সবাজার বিয়াম স্কুলের পাশে বিমান বাহিনীর চেকপোস্ট থেকে স্থানীয় একজনের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় বিমান বাহিনীর প্রভোস্ট কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঘাঁটির অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সমিতিপাড়ার আনুমানিক দুই শতাধিক স্থানীয় লোকজন বিমান বাহিনীর ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হলে বিমান বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে বাধা দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিমান বাহিনীর চেকপোস্ট এলাকায় বিমান বাহিনীর সদস্য ও সমিতি পাড়ার কতিপয় দুষ্কৃতকারীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে কতিপয় কুচক্রী মহলের ইন্ধনে দুর্বৃত্তরা বিমান বাহিনীর সদস্যদের ওপর ইট-পাটকেল ছুড়ে মারে। এ সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কয়েকজন আহত হন। যার মধ্যে বিমান বাহিনীর ৪ জন সদস্যও (১ জন অফিসার ও ৩ জন বিমানসেনা) আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং শিহাব কবির নাহিদ নামের এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় বিমান বাহিনীর গাড়িতে করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ সময় রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার্থে বিমান বাহিনীর সদস্যদের কর্তৃক বিমান বাহিনীর Rules of Engagement অনুয়ায়ী ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তবে স্থানীয় জনসাধারণের ওপর কোনো প্রকার তাজা গুলি ছোড়া হয়নি। বিমান বাহিনীর আহত সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    বিমান বাহিনী জানায়, স্থানীয় জনগণের ইটপাটকেলের আঘাতে বিমান বাহিনীর গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়। এছাড়াও স্থানীয় জনগণ ঝোপঝাড়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল যা পরবর্তীতে বেশি সম্প্রসারিত হয়নি। এমতাবস্থায় একটি কুচক্রী মহল বিমান বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিমান বাহিনীর গুলিতে উক্ত যুবক নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, যা সত্যি নয়। এক্ষেত্রে প্রচারিত গুলির খোসার ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, উক্ত খোসাটি ফাঁকা গুলির (Blank Cartridge)। যা প্রাণঘাতি নয়, কেবল শব্দ তৈরি করে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুবক নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।

    এছাড়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উক্ত ঘটনা প্রকাশে কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার-এর নাম বিমান বাহিনী ঘাঁটি শেখ হাসিনা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে- যা সত্য নয়।

    উল্লেখ্য যে, উক্ত ঘাঁটির নাম ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিবর্তন করে বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার রাখা হয়, যা বর্তমানেও বহাল রয়েছে।

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের আপামর জনসাধারণের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও বিমান বাহিনী দেশের মানুষের কল্যাণে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। দেশের জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।

  • ৪০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    ৪০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ আরও কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ৪০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এছাড়াও আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। যেসব প্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষার কেন্দ্র রয়েছে সেগুলোতে ২ মাস ১০ দিনের লম্বা ছুটি থাকবে।

    শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পবিত্র রমজান মাস, শুভ দোলযাত্রা, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি ২ মার্চ থেকে শুরু হবে, শেষ হবে ৮ এপ্রিল। পবিত্র রমজান শুরু হবে ১ বা ২ মার্চ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ শুক্র ও শনিবারের ছুটি থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বশেষ ক্লাস হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। সে হিসাবে এক টানা বন্ধ থাকবে ৪০ দিন।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা জানান, এসব ছুটির ঘোষণা দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে ছুটির নোটিশ টানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস, শুভ দোলযাত্রা, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি ‍২ মার্চ থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ এপ্রিল।

    জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. ইউনুছ ফারুকী বলেন, রমজান ও ঈদুল ফিতরসহ আরও কিছু ছুটি মিলিয়ে প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শুরু হবে। সরকারি শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী এ ছুটি থাকবে। এ ছুটি সরকারি, বেসরকারি সব পর্যায়ে স্কুলের জন্য প্রযোজ্য।

    জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (কলেজ) নুরুল হক সিকদার বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজে রমজানের ছুটির আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সর্বশেষ ক্লাস হবে।

    অন্যদিকে ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে সেসব প্রতিষ্ঠানে টানা ২ মাস ১০ দিন ছুটি থাকবে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা জানান, চলতি বছরের রমজান, ঈদুল ফিতরের ছুটির সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার ছুটি মিলে যাওয়ায় লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে ক্লাস নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন সময় বাদে স্কুল-কলেজগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যদি ক্লাস নিতে চায় সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো নিষেধ নেই।

  • নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

    নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

    নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

    সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত রূপায়ন টাওয়ারে নাগরিক কমিটির কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

    জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনটি ডাকা হয়েছে।

  • দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা সদস্যদের যে বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান

    দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা সদস্যদের যে বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান

    নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সেনা সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাশাপাশি কাজের সময় অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

    সোমবার সাভার সেনানিবাসের ফায়ারিং রেঞ্জে আয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাপ্রধান।

    তিনি বলেন, ‘বল প্রয়োগ করা যাবে না। মাঝে মাঝে এই কাজগুলো করতে গিয়ে কিছু বলপ্রয়োগ হয়ে যায়। বল প্রয়োগ করতে গেলেও অত্যন্ত, একেবারে প্রোপোরশনেট যেন হয় এবং যত কম বল প্রয়োগের মাধ্যমে এই কাজগুলো করা যায়, ততই ভালো।

    জেনারেল ওয়াকার বলেন, ‘দেশ ও জাতির জন্য আমাদেরকে কাজ করে যেতে হবে, যতদিন না আমরা একটা নির্বাচিত সরকার পেয়ে যাই, দেশ একটা শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্যে আসে, ততদিন পর্যন্ত, ধৈর্য্যের সঙ্গে কাজটা করে যেতে হবে।’

    দীর্ঘ সময় পর তিনি নিজে ফায়ারিং রেঞ্জে গুলি চালনোর অনুশীলনে অংশ নেবেন বলেও জানান।

    সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, ‘একজন সেনাসদস্যের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে ফায়ারিংয়ে দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। এটা মৌলিক প্রশিক্ষণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা সেনাসদস্যদের কাঙ্ক্ষিত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

  • নতুন দলের সাংগঠনিক কাঠামো কেমন হবে?

    নতুন দলের সাংগঠনিক কাঠামো কেমন হবে?

    জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে এ দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    নতুন রাজনৈতিক দল গঠন এখন কেবল ঘোষণার অপেক্ষায়। কিন্তু যাত্রা শুরুর আগেই দলের শীর্ষ পদের দাবি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে আসে।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির এ দল গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতাদের পদ দাবি করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। শেষপর্যন্ত সব পক্ষকে খুশি রাখতে বা সবার মন জোগাতে সমঝোতা করে শীর্ষ পদের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নতুন দলের সাংগঠনিক কাঠামো কেমন হবে তা নিয়ে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা। আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের কাঠামোতে বর্তমানে যেসব পদ আছে, সেগুলো যথারীতি থাকবে।

    আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, মুখ্য সংগঠক এবং মুখপাত্র- এ চারটি পদের পাশাপাশি নতুন পদ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কে কোন পদে থাকবেন সেটি চূড়ান্ত হয়নি।

    নাগরিক কমিটির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংগঠনটির বর্তমান সদস্য সচিবের পদে থাকা আখতার হোসেনকে নতুন দলেও একই পদে রাখার জন্য সদস্যদের একটি পক্ষের চাপ রয়েছে।

    একই পদে নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর নামও প্রস্তাব করেছেন কেউ কেউ।

    আবার বর্তমান আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও এই পদে চায় একটা পক্ষ।

    অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতারা চান নাগরিক কমিটির নির্বাহী সদস্য এবং শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি আলী আহসান জোনায়েদকে যেন নতুন দলের সদস্য সচিব করা হয়।

    নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক পাটওয়ারী জানান, আহ্বায়ক পদ বাদে কোনো পদেই এখনো নাম চূড়ান্ত করা হয়নি।

    একইসঙ্গে সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাঠামো দেখা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বের যে কাঠামো আছে, সেগুলো দেখে স্ট্রাকচার রেডি করছি। তবে এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।’

    তথ্যসূত্র: বিবিসি

  • ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, এমনটি নয়: ড. ইউনূস

    ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, এমনটি নয়: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পৃথিবীর অনেক দেশে একজন নাগরিক একাধিক ভাষায় কথা বলেন। এজন্য ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, বিষয়টি এমন নয়।

    শুক্রবার বিকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পদক হিসেবে একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও প্রাইজ মানি দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রভাষা বাংলা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালের আন্দোলন সূচিত হলেও এর মূল চেতনাটি ছিল স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা। এটি ছিল রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির আন্দোলন।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমরা দ্রুতগতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে চলেছি। এজন্য নিত্যনতুন প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্য সঙ্গেই ভাষার প্রাধান্য আসে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যে দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে, তার সঙ্গেই প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে। যে দেশ পৃথিবীতে নেতৃত্ব দেবে সে দেশের ভাষার জন্য সারা পৃথিবী ঝুঁকে পড়বে।

    সরকারপ্রধান বলেন, প্রযুক্তি ছাড়াও যেকোনো একটি দিক থেকে জাতি নেতৃত্ব দিতে পারলে, সে দেশের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বেই।

  • কারামুক্ত ৩৬৯ ফিলিস্তিনি

    কারামুক্ত ৩৬৯ ফিলিস্তিনি

    গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আরও তিনজন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। আজ শনিবার আন্তর্জাতিক সংস্থা রেডক্রসের মাধ্যমে তাদের ইসরাইলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে ইসরাইলের দুই কারাগার থেকে ৩৬৯ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

    তিন ইসরাইলি জিম্মিকে রেডক্রসের হাতে তুলে দেওয়ার আগে আজ গাজার খান ইউনিস শহরে একটি মঞ্চের দিকে তাদের নিয়ে যেতে দেখা যায় হামাস যোদ্ধাদের। সেখানে জমায়েত হওয়া লোকজনের উদ্দেশে তিনজনকে ভাষণ দিতে বলা হয়। তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় বাকি জিম্মি ও বন্দি বিনিময় শেষ করার আহ্বান জানান। এরপর তাদের রেডক্রসের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে মুক্তি পাওয়া তিন জিম্মির নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন সাগুই দেকেল চেন, সাশা ত্রুপানভ ও ইয়াইর হর্ন। তাদের ফেরত পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি বাহিনীও। জিম্মিদের স্বাগত জানাতে তেল আবিবে জড়ো হন লোকজন। এ সময় তাদের হাতে ‘যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি শেষ করুন’ লেখা পোস্টার ছিল।

    এর কিছুক্ষণ পরই ইসরাইল পরিচালিত কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বহনকারী একটি বাস দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় প্রবেশ করে। এ সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাদের স্বাগত জানান সেখানে উপস্থিত ফিলিস্তিনিরা। এ ছাড়া নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরাইলের একটি কারাগার থেকে কয়েকটি বাসে করে ফিলিস্তিনি বন্দিরা গাজায় পৌঁছান।

    দীর্ঘ ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত ১৯ জানুয়ারি থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। এর পর থেকে ছয়বার ইসরাইলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময় হয়েছে। আজ তিনজনসহ এ পর্যন্ত মোট ১৯ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা হামাসের।

    আজ শনিবার জিম্মি মুক্তি নিয়ে অবশ্য বড় শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে জিম্মি মুক্তি স্থগিত করার হুমকি দিয়েছিল হামাস। পাল্টা জবাবে ইসরাইল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, এমনটি হলে গাজায় আবার হামলা শুরু করবে তারা। পরে শুক্রবার দুই পক্ষই জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী শনিবার জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

    গাজায় যুদ্ধবিরতি হবে তিন ধাপে। এর মধ্যে প্রথম ধাপ চলবে ৪২ দিন। শুক্রবার হামাসের একজন কর্মকর্তা জানান, দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে। এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল একটি সূত্রও একই তথ্য জানিয়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করতে আজ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ইসরাইলে যাওয়ার কথা।

    এদিকে গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ এবং উপত্যকাটির বাসিন্দাদের বিতাড়িত করা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। এ নিয়ে আলোচনা করতে আগামী বৃহস্পতিবার রিয়াদের নেতৃত্বে একটি সম্মেলনে যোগ দেবেন মিসর, জর্ডান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) নেতারা।

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় হামাস। এতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। এ ছাড়া প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান হামাস যোদ্ধারা। সেদিন থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। এতে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত উপত্যকাটিতে ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি।

  • দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের দায়িত্ব পেল পুলিশ

    দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের দায়িত্ব পেল পুলিশ

    দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়েছে দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য গঠিত দুর্নীতি তদন্ত দপ্তর (সিআইও)। এবার সেই পরোয়ানা কার্যকর করার দায়িত্ব দেশটির পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইও।যা সোমবার পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    এদিন এক বিবৃতিতে সিআইও জানিয়েছে, ‘জাতীয় তদন্ত দপ্তরের কাছে এই রাতে (রোববার রাতে) সন্দেহভাজন (ইউন, পদবিযুক্ত) প্রেসিডেন্টের গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট কার্যকর করার নির্দেশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত প্রেসিডেন্ট ইউনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এই ওয়ারেন্টের মেয়াদ ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    এর আগে ধারণা করা হয়েছিল যে, সিআইও হয় নতুন একটি ওয়ারেন্টের আবেদন করতে পারে অথবা বর্তমান ওয়ারেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে তেমনটা হয়নি। তারা বিষয়টি জাতীয় তদন্ত দপ্তরে হস্তান্তর করেছে।

    জাতীয় তদন্ত দপ্তর হলো দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পুলিশ সংস্থার অধীনস্থ একটি বিভাগ।

    এদিকে রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সিউলের একটি আদালত।

    স্থানীয় ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউনের আইনজীবী তার বিরুদ্ধে দেওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিতের ওপর আপত্তি জানিয়ে একটি আবেদন করেছিল। তবে আদালত সেই আপত্তি নাকচ করে দিয়েছে।

    ইউনের আইনজীবী ইউন গাপ-গিউন এ বিষয়ে জানিয়েছেন, তারা স্থানীয় আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষ আদালতে আপিল করার কথা ভাবছেন।

    তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আবেদন খারিজ হওয়া মানে এই নয় যে, গ্রেফতারি পরোয়ানাটি আইনত বৈধ। আমরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিষয়টি বিবেচনা করব।

    এর আগে গত ৩ জানুয়ারি দক্ষিণ কোরীয় দুর্নীতি তদন্ত অফিস অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউনকে আটক করার চেষ্টা করলে তার নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে বাধা দেয়। এ সময় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা সংঘর্ষের পর একীভূত তদন্ত দলের সদস্যরা প্রেসিডেন্টের বাসভবনের এলাকা ত্যাগ করে।

    ৬৩ বছর বয়সি ইউন সুক-ইওল গত ৩ ডিসেম্বর দেশটিতে সামরিক আইন জারি করেন। তবে তুমুল সমালোচনা ও ক্ষোভের মুখে কিছু সময়ের মধ্যেই তা প্রত্যাহারে বাধ্য হন।

    এ নিয়ে ইউনকে গত ১৪ ডিসেম্বর অভিশংসিত করা হয় এবং এখন তিনি সাংবিধানিক আদালতের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন। এই রায়-ই তাকে স্থায়ীভাবে পদ থেকে অপসারণ করবে অথবা পুনর্বহাল করবে। তবে এই রায় দিতে আদালতের ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

    ইউন দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম চলমান প্রেসিডেন্ট, যিনি কিনা রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন এবং তার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    এছাড়াও এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ কোরিয়ায় একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সূত্র: তাস ও আনাদোলু এজেন্সি

  • মেজর ডালিমকে নিয়ে প্রশ্ন, যে প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    মেজর ডালিমকে নিয়ে প্রশ্ন, যে প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দীর্ঘ ৫০ বছর পর প্রকাশ্যে এসেছেন বীর বিক্রম মেজর শরিফুল হক ডালিম। রোববার রাতে প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের লাইভ টকশোতে হাজির হন তিনি। লাইভে ৫০ বছরের অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।

    এ বিষয়ে সোমবার এক সাংবাদিক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে মেজর ডালিমের লাইভ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তর দেননি। সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ের পাসপোর্ট অধিদফতর পরিদর্শন শেষে এ প্রশ্নের মুখোমুখি হন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    ওই সাংবাদিক মেজর ডালিমকে ‘বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি’ বলে সম্বোধন করে তার ‘জীবিত’ থাকার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন। তবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি।

    মেজর ডালিমের উপস্থিতি এখন সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচিত বিষয়। তবে তার এ উপস্থিতি নিয়ে কেউ কেউ সংশয়ও প্রকাশ করেছেন।

    ইলিয়াসের সঙ্গে টকশোর শুরুতে মেজর ডালিম বলেন, দেশবাসীকে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ছাত্র-জনতাকে, যারা আংশিক বিজয় অর্জন করেছেন, তাদের লাল শুভেচ্ছা জানাই। বিপ্লব একটি সমাজ যেকোনো রাষ্ট্রে একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেই অর্থে তাদের বিজয় এখনও পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। তার জন্য আরও সময় প্রয়োজন।

    ২৪’এর গণঅভ্যুত্থানের নেপথ্যের নায়ক ছাত্র-জনতাকে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রসারণবাদী-হিন্দুত্ববাদী ভারত যার কবজায় আমরা প্রায় চলে গিয়েছি। সেই অবস্থান থেকে সেই ৭১’এর মতো আরেকটা স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে। তা না হলে বিপ্লব ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

    জাতীয় সঙ্গীত ইস্যুতে মেজর বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের না হয়ে কাজী নজরুল ইসলাম বা অন্যান্য স্বনামধন্য দেশীয় কবিদের গান হতে পারত। ভিনদেশী একজন কবির গানকে জাতীয় সঙ্গীত বানানোকে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    ইলিয়াস হোসেনের এই লাইভ টকশো সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা ভাষার কন্টেন্ট-এর মধ্যে বলা যায় রেকর্ড গড়েছে। কেননা ১৬ ঘণ্টায় ২ ঘণ্টার অধিক এই ভিডিওটি দেখেছে সোয়া কোটির বেশি মানুষ।

    শরিফুল হক ডালিম যিনি মেজর ডালিম নামে অধিক পরিচিত, হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর মেজর ডালিম (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) সেটি বাংলাদেশ বেতারে ঘোষণা দেন। ’৭৫ পরবর্তী গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার তাকে বিদেশে বিভিন্ন বাংলাদেশি দূতাবাসে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়।

  • নিজের জানাজার দাওয়াত দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    নিজের জানাজার দাওয়াত দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    নিজের জানাজার দাওয়াত দিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার এফডিসিতে রূপালী পর্দার নবাব খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা প্রবীর মিত্রের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি এ দাওয়াত দেন। এর আগে রোববার রাত ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবীর মিত্রের মৃত্যু হয়।

    জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- চিত্রনায়ক আলমগীর, উজ্জ্বল, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, খোরশেদ আলম খসরুসহ অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী ও এফডিসির কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আজ যারা এখানে এসেছেন এবং যারা আসতে পারেননি সবাই যেন প্রবীর দাদার জন্য দোয়া করেন। আর এখানে যদি আমার জানাজা হয় তাহলে আপনারা সবাই আমার জানাজায় আসবেন। আমি আমন্ত্রণ জানালাম। সেই সঙ্গে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।

    তিনি আরও বলেন, সবাইকে চলে যেতে হবে, এটাই নিয়ম। কিন্তু কে কিভাবে যাবে সেটাই হলো তার ভাগ্য। আখেরাত যার সুন্দর হবে তিনি হলেন সবচেয়ে বেশি ভাগ্যবান। সেদিক দিয়ে আমাদের প্রবীরদা অনেক ভাগ্যবান।

    দীর্ঘ সময় প্রবীর দাদা অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ সময়টা তিনি ধর্মকর্ম নিয়ে ছিলেন। সহকর্মী হিসেবে আমরা তাকে দেখেছি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। প্রবীর মিত্র দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অক্সিজেন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২২ ডিসেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।