Category: জাতীয়

  • ভোটারহীন’ দল নিয়ে কাড়াকাড়ি কেন?

    ভোটারহীন’ দল নিয়ে কাড়াকাড়ি কেন?

    ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় নির্বাচনে সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দেশের ক্ষমতার লাগাম ঘুরপাক খাচ্ছে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হাতে। এরপর ৬টি জাতীয় নির্বাচন হলেও প্রায় সব দল অংশ নিয়েছে ৪টিতে। যেখানে ২ বার করে ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট।

    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৪০টি। তবে, প্রাপ্ত তথ্য বলছে অংশগ্রহণমূলক ৪টি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ৯৩ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী-এ ৪টি রাজনৈতিক দল। মাত্র ৭ ভাগ ভোট ভাগ করেছে বাকি রাজনৈতিক দলগুলো। তবু প্রতিটি নির্বাচনের আগে এ রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে চলে প্রধান দুটি দলের কাড়াকাড়ি। কেন?

    এই প্রশ্নের জবাবে রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. রওনক জাহান বলেন, বড় কোনো একটা ইস্যুতে একমত হওয়ার মতো ঘটনাই এক্ষেত্রে জোট সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।

    প্রশ্নটা ছিল প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের কাছেও।

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, আমরা একলা চলো নীতিতে বিশ্বাস করি না। জোটের মাধ্যমে আমরা একটা বড় জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা জানতে পারি।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, যারা দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র চায় তারা যাতে নির্বাচনে বিজয়ী হয় সেটাই মূল উদ্দেশ্য।

    তবে ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশে জোট করার ক্ষেত্রে নিজেদের আদর্শ কতটুকু বজায় রাখতে পারে বড় দলগুলো?

    এই প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, আদর্শ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এর চাইতে আর বড় আদর্শ কী? এটাতো এমন নয় যে, একজনের পরিবর্তে আরেকজনকে প্রধানমন্ত্রী করতে চাই কিংবা অমুকের পরিবর্তে অমুককে মন্ত্রী করতে চাই।

    ফারুক খান বলেন, গণতন্ত্রের যাত্রা এবং উন্নয়নে বিশ্বাস করি বলেই আমাদের এ জোট। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের এ জোট আছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ আর বিএনপির ২০ দলে সময় অসময়ে ভাঙ্গাগড়া চলছে। মহাজোটের শরীক জাতীয় পার্টি ৫৯টি দল নিয়ে জোট করলেও নিবন্ধন আছে মাত্র ৩টির। নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন ৩১ দলের জোট বিএনএ, ৭ দলের ইসলামী গণতান্ত্রিক জোট এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকার আগ্রহ দেখিয়েছে। ৪ দলের জাতীয় ঐক্য আসতে পারে বিএনপির সঙ্গে। এছাড়া ৮ দলের বাম গণতান্ত্রিক জোট, ৪ দলের প্রগতিশীল জোট নামে আরো অনেক জোটই আসছে নির্বাচনের আগে।

  • কারাগারে আদালত কাঙ্ক্ষিত নয়: ড. কামাল

    কারাগারে আদালত কাঙ্ক্ষিত নয়: ড. কামাল

    কারাগারে আদালত কাঙ্ক্ষিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

    তিনি বলেন, কোন কারণে জেলের ভেতর এত নাটক করা হচ্ছে? বেসামরিক সময়ের তথাকথিত কারাগারের আদালত এখন কাঙ্ক্ষিত নয়। সামরিক সময়ে কর্নেল তাহেরের বিচারালয় কারাগারের ভেতর স্থাপনও মানুষ ভালো চোখে দেখেনি।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আইনজীবী সমিতি আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বিএনপি নেতা ও আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন।

    তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে যারা অপমানিত করছেন, তারা অসভ্য। তাদের বিচার একদিন হবেই।

    দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসানকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

    অন্যদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা আরও এক মামলা তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন। সেই মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী আদালত বসানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর পর থেকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী আদালতে এ মামলার কার্যক্রম চলছে।

  • বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে কমিশন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে কমিশন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ পরপর দু‘বার সরকার গঠনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পূর্বে ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে অনেক তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এতে দেখা যায়, পরোক্ষভাবে দেশি ও বিদেশি কিছু লোক ও সংস্থা বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এজন্য জাতির পিতাকে হত্যার অন্যান্য পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করার জন্য কমিশন গঠনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদের ২২তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সদস্য মো. আবদুল্লাহর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

    বঙ্গবন্ধু হত্যার পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর যেসব খুনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছে এবং আশ্রয় গ্রহণ করেছে, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। কানাডায় বসবাসরত পলাতক আসামি নূর চৌধুরীর তথ্য দিতে ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিস-এর আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পলাতক রাশেদ চৌধুরীকে আমেরিকা থেকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

    যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়াদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে
    জাতীয় পার্টির নূরে হাসনাত লিলি চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ড্রাইভারের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু  যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়াদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে এটি থামবে। তাছাড়া এটি থামবে না। এছাড়া ট্রাফিক নিয়মটা স্কুল থেকে শিখানো উচিত।

    শিশু আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতবড় একটি ঘটনা ঘটল, আন্দোলন হল তারপরও আমরা দেখি মানুষের মধ্যে সেই সচেতনতা নেই। তারা যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ছবির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, এক বাবা তার শিশু সন্তানকে নিয়ে এমন ভাবে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বাবার পা একটু পিছলে গেলেই ফেন্সের সরু মাথা তার শরীরে গেঁথে যাবে। কেউ রাস্তা পার হতে একটা মিনিট সময় নিবে না, অথবা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করবে না। এই বিষয়টিও সবার দেখা দরকার।

    তিনি আরো বলেন, সড়কের দুঘর্টনা দূর করার জন্য আমরা যতই পদক্ষেপ নিই না কেন, আমাদের দেশের মানুষের অদ্ভুত মানসিককতা -তারা রাস্তা পারাপারের সময় হাত দেখায়। দ্রুতযান হাত দেখানোর সাথে সাথে থেমে যেতে পারে না। কিন্তু আমরা কি দেখি, ছোট্ট শিশুর হাত ধরে মা রাস্তা পার হচ্ছেন। অথবা বাবা বাচ্চাদের নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। রাস্তায় অনবরত গাড়ি আসছে অথচ খুব কাছেই ফ্লাইওভার থাকলেও এভাবে পার হচ্ছেন। এমনকি যুব ছেলেমেয়েরাও এ কাজ করছেন। ফ্লাইওভার দিয়ে পার না হয়ে দৌঁড় মেরে পার হতে চায়। তার ফলে এক্সিডেন্ট হয়। আর এক্সিডেন্ট হলে যারা রাস্তা পারাপার হচ্ছে তাদের দোষ কতটুকু আর ড্রাইভারের দোষ কতটুকু সেটাও বিবেচ্য বিষয়।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, আরেকটি বিষয় আমি দেশবাসীকে বলব সেটা হল, কোন একটি এক্সিডেন্ট হলে ড্রাইভার তখন নিজের জীবন বাঁচাতে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। ফলে যার বাঁচার সম্ভাবনা সেও আর বাঁচে না। ড্রাইভার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে কারণ যে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল তাকে সাহায্য করার চেয়েও বেশি আগ্রহ হয়ে যায় ড্রাইভারকে টেনে নামিয়ে কীভাবে মারধর করা যায় এবং মারতে মারতে এমনও ঘটনা ঘটে যায় মেরেই ফেলে। আইন কারো হাতে তুলে নেয়া উচিত নয়। ধরে পুলিশে দিবে, কিন্তু কেউ মারধর করতে পারবে না। এই মারধর যদি বন্ধ হয়ে তাহলে অনেক এক্সিডেন্টে কিন্তু মানুষ বেঁচে যায়। এটি হল বাস্তবতা। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে পারাপারের সময় সকলকেই ট্রাফিক আইনটা মেনে চলা উচিত।

    পৃথিবীর সব দেশের রাজধানীতে যানজট রয়েছে 
    বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর সব দেশের রাজধানী শহরেই যানজটের সমস্যা রয়েছে। যানজট সমস্যা সমাধান ও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা শহরের চারদিকে রিং রোড করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এছাড়া রিং রোড এলিভেটেডেট করা হবে। যানজট নিরসন ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকল্পে এলিভেটেড এক্সপ্রেস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এছাড়া চার বছর মেয়াদী ন্যাশনাল রোড সেইফটি এ্যাকশান প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ১২১টি দুর্ঘটনা প্রবণ স্থানে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ৪ হাজার ৩৬৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভার এবং ওভারপাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, মহাসড়কে বাসের সর্বোচ্চ গতি ৮০ ও ট্রাকের সবোর্চ্চ গতি ৬০ কিলোমিটার এবং অতিরিক্ত ওজন সীমার যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে এলেক্স রোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ফিটনেসবিহীন যানবাহন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গত ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে সারাদেশে ২ লাখ ৭৭৯টি যানবাহন ও ৮১ হাজার ৪৬৮ জন চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • সংসদে বস্ত্র, কৃষি উন্নয়ন কর্পোারেশন ও বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিল পাস

    সংসদে বস্ত্র, কৃষি উন্নয়ন কর্পোারেশন ও বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিল পাস

    দেশের বস্ত্রখাতকে বিনিয়োগ সুসংহত ও টেকসই উন্নয়নের জন্য চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা কারিক্যুলাম প্রণয়ন করে দক্ষ জনবল সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন বস্ত্র বিল ২০১৮, দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোারেশন বিল ২০১৮ এবং বরেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকার কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন র্কতৃপক্ষ আইন ২০১৮ পাস করেছে সংসদ।

    ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে আজ সংসদের ২২তম অধিবেশনের বৈঠকে বিলগুলি পাস হয়। বিলের ওপর আনীত সংশোধনী, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
    বস্ত্র বিল ২০১৮ পাসের প্রস্তাব করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা: ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিকের পক্ষে বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

    এছাড় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল ২০১৮ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন র্কতৃপক্ষ আইন ২০১৮ পাস করার প্রস্তাব করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
    বস্ত্র বিলে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী বস্ত্রশিল্পে ব্যবহার বা প্যাকেজিংয়ের জন্য আমদানি করা কাঁচামাল রপ্তানিবহির্ভূত বস্ত্রশিল্পে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বিক্রি বা বাজারজাত করা যাবে না। বিলে বায়িং হাউজের নিবন্ধনের বিধান রাখা হয়েছে।

    এছাড়া মিলগুলোর ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও আধুনিয়কায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া সরকার বস্ত্র খাতে সরকারি, বেসরকারি, বৈদেশিক, বহুজাতিক কোম্পানি, দেশি-বিদেশি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বসহ অন্য কোনো প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নিতে পারবে। প্রয়োজনে বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও শর্তে বস্ত্র শিল্পকে প্রণোদনা দিতে পারবে। একইসঙ্গে বস্ত্রখাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, ডিপ্লোমা ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, ফ্যাশন ইনস্টিটিউট, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

    কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন: দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিও নিমিত্ত সার, সেচ, বীজ ও উদ্যান উন্নয়ন উন্নয়ন সংক্রান্ত কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি প্রভৃতির উৎপাদন, সংগ্রহ, মেরামত, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহণ, গুদামজাতকরণ এবং কৃষক পর্যায়ে সরবরাহের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজনে সাবেক আইনটি পরিপার্জন, যুগোপযোগী ও হালনাগাদ করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোারেশন আইন ২০১৮ পাস করা হয়েছে।

    ১৯৬১ সালে ইংরেজী ভাষায় প্রণীত ‘দি বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন অর্ডিন্যান্স’ আইনটি বাংলায় রূপান্তর এবং হালনাগাদ করা হয়।
    এছাড়া বরেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকার কৃষি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন র্কতৃপক্ষ আইন ২০১৮ বিল পাস করা হয়। এছাড়া ১৯৯২ সালে একটি রিজলিউশন জারির মাধ্যমে গঠিত বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা হয়।

    বিলের উদেশ্য কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবহার, উন্নত সেচ কার্যক্রম, সেচযন্ত্র বৈদ্যুতিককরণসহ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আইনটি প্রণীত হয়।

  • নির্বাচন পরিচালনায় ১৪০ সদস্যের জাতীয় কমিটি

    নির্বাচন পরিচালনায় ১৪০ সদস্যের জাতীয় কমিটি

    একাদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে ১৪০ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কমিটি গঠন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নীতিনির্ধারক পর্যায়ের ২৬ নেতাকে ১৩টি উপকমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৬৪ জেলা টিম গঠন করা হয়েছে।

    শনিবার আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মকৌশল নিয়ে ৮০ পৃষ্ঠার প্রোফাইল উপস্থাপন করা হবে। এ বৈঠকেই কমিটিসহ প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে।

    আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান হলেন এইচটি ইমাম (হোসেন তওফিক ইমাম), সদস্য সচিব দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা হলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা।

    ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হলেও এর প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ৬ জুলাই। বিশেষ কারণে সেদিনের বৈঠক বাতিল করা হয়।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সংখ্যা ১৪০। ৫ সদস্যবিশিষ্ট ১৩টি উপকমিটি প্রস্তাব করা হয়েছে। দফতর ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা উপকমিটির আহ্বায়ক এসকে হাবিবুল্লাহ ও সদস্য সচিব কাজী বজলুর রহমান। নির্বাচনী আইন ও বিধি উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজিলাতুননেসা বাপ্পি। লিগ্যাল এইড উপকমিটির আহ্বায়ক ড. সেলিম মাহমুদ ও সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান। প্রশিক্ষণ উপকমিটির আহ্বায়ক সাবের হোসেন চৌধুরী ও সদস্য সচিব অ্যাড. এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার।

    নির্বাচন সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক ড. আবদুর রাজ্জাক ও সদস্য সচিব লে. ক. মোহাম্মদ ফারুক খান। মিডিয়া উপকমিটির আহ্বায়ক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সদস্য সচিব মোজাম্মেল বাবু। লিয়াজোঁ উপকমিটির আহ্বায়ক রশিদুল আলম ও সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ। প্রচার উপকমিটির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান নূর ও সদস্য সচিব অসীম কুমার উকিল। পেশাজীবী উপকমিটির আহ্বায়ক ইয়াফেস ওসমান ও সদস্য সচিব ডা. রোকেয়া সুলতানা। নির্বাচন কমিশন সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও সদস্য সচিব অ্যাড. ফজিলাতুননেসা বাপ্পি। সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক গোলাম কুদ্দুছ ও সদস্য সচিব মানজার চৌধুরী।

    আইটি উপকমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফা জব্বার ও সদস্য সচিব জোনায়েদ আহম্মেদ পলক। বিদেশি মিশন বা সংস্থা উপকমিটির আহ্বায়ক ড. দীপু মনি ও সদস্য সচিব অ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির। দলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সহসম্পাদকদের মধ্যে যারা দক্ষ ও নির্বাচন করতে অনিচ্ছুক তারাও উপকমিটিতে থাকছেন বলে জানা গেছে।

    এছাড়া সরকারের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৬৪টি জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা জেলার দায়িত্বে আছেন সাবেক উপসচিব আবুল মকসুদ, আবুল কাসেম হাওলাদার ও সাবেক এসপি মোস্তাক হোসেন খান।

    আওয়ামী লীগের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবারের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণা, এজেন্ট প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ এবং নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ করার কাজ সরাসরি তদারকির সিদ্ধান্ত হবে। এছাড়া গত ১০টি নির্বাচনের পরিসংখ্যান, বর্তমান এমপিদের হালনাগাদ তথ্য, বিনা ভোটে কারা নির্বাচিত, দলের ও দলের বাইরে কার কি অবস্থান তা তুলে ধরা হবে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে। এজন্য ৮০ পৃষ্ঠার একটি প্রোফাইল প্রস্তুত করেছে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

  • আর আছে মাত্র মাসখানেক সময়

    আর আছে মাত্র মাসখানেক সময়

    আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, আর আছে মাত্র মাসখানেক সময়। এ সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হবে। এবার রাস্তায় নামলে আন্দোলন সফল না করা পর্যন্ত কেউ যেন বাড়ি ফিরে না যায়- এই আহ্বান আমি জানাচ্ছি।

    কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বুধবার ঢাকাসহ সারা দেশে দুই ঘণ্টার এই প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করে তার দল বিএনপি। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন মওদুদ।

    মওদুদ বলেন, আমাদের যে আন্দোলন চলছে এই আন্দোলন বেগবান হবে, এই আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে যাবে যেদিন, সেদিন এই সরকারের পতন আসবে।

    তিনি আরো বলেন, এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে যে এই সরকারের নৌকা পানিতে ভেসে যাবে।

    সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনের সামনে মাদুর বিছিয়ে বসে এই অনশন চলে। ঢাকা মহানগরসহ অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ বেলা ১২টায় অনশনস্থলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান।

  • নতুন করে সরকারি হলো আরও ১৪ কলেজ

    নতুন করে সরকারি হলো আরও ১৪ কলেজ

    নতুন করে আরও ১৪টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করা হয়েছে। আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকারিকৃত কলেজশিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা-২০১৮’ এর আলোকে কলেজগুলো সরকারি করা হয়েছে।

    সরকারি হওয়া কলেজগুলো হলো : ফরিদপুরের সালথা কলেজ, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী ডিগ্রি কলেজ, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সৈকত ডিগ্রি কলেজ, রাঙামাটির রাজস্থলী কলেজ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সরদহ মহাবিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার চৌহালী ডিগ্রি কলেজ, যশোরের বাঘারপাড়া শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন মহাবিদ্যালয়, খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার এম এ মজিদ ডিগ্রি কলেজ, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আইডিয়াল কলেজ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা মহিলা কলেজ এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ কলেজ।

  • পৃথিবীর সব দেশের রাজধানীতে যানজটের সমস্যা রয়েছে

    পৃথিবীর সব দেশের রাজধানীতে যানজটের সমস্যা রয়েছে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পৃথিবীর সব দেশের রাজধানী শহরেই যানজটের সমস্যা রয়েছে। যানজট সমস্যা সমাধান ও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

    প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সদস্য বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং সড়ক নিরাপত্তায় উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। চার বছর মেয়াদী ন্যাশনাল রোড সেইফটি এ্যাকশান প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ১২১টি দুর্ঘটনা প্রবণ স্থানে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ৩৭৩ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ৪ হাজার ৩৬৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভার এবং ওভারপাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গত ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে সারাদেশে ২ লাখ ৭৭৯টি যানবাহন ও ৮১ হাজার ৪৬৮ জন চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার এলিভেটেড এক্সপ্রেস সড়ক র্নিমাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

    তিনি বলেন, মহাসড়কে বাসের সর্বোচ্চ গতি ৮০ ও ট্রাকের সবোর্চ্চ গতি ৬০ কিলোমিটার এবং অতিরিক্ত ওজন সীমার যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে এলেক্স রোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে এবং মহাসড়কের পাশে বিশ্রামাগার স্থাপন করা হবে।

  • সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: রিজভী

    সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকে বিএনপির প্রতীকী অনশনে বেপরোয়া পুলিশি আটক অভিযান গণতন্ত্রের জন্য এক মহাবিপদ সংকেত। বাক-স্বাধীনতা হরণ করতে সরকারের আগ্রাসী মনোভাব এখন চরম পর্যায়ে। অবৈধ সরকার দেশকে অতি দ্রুত গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

    আজ বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে পূর্বঘোষিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীদের আটক ইস্যুতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    রিজভী বলেন, আমাদের প্রিয় নেত্রীর মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচির জন্য ডিএমপি অনুমতি দিলেও তারা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশনে আসা যাওয়ার পথে গতিরোধ করে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১০৭ জনকে আটক করেছে। এ ছাড়া ঢাকার বাইরেও ৪৪ জনকে আটকের তথ্য আমরা পেয়েছি।

    তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির ওপর পুলিশকে লেলিয়ে দিয়ে নোতকর্মীদেরকে আটকের এক নতুন স্ট্র্যাটেজি অবলম্বন করেছে সরকার। অর্থাৎ অনুমতির কথা শুনে নেতাকর্মীরা নির্দিষ্ট সময়ে কর্মসূচির জন্য এক জায়গায় জড়ো হবে, আর সেই সুযোগে পুলিশ অনায়াসেই তাদেরকে ধরতে পারবে। এটি আসলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে ধরতে পুলিশের একটি নতুন ফাঁদ।

    অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের জন্য মহালজ্জার দৃষ্টান্ত তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি  বলেন, আওয়ামী সরকার এখন প্রান্ত বেলায়, খাদের কিনারে পতনের শঙ্কায়। সেজন্য তারা শেষ ভরসা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর। কিন্তু এই ভরসাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। ক্ষমতার কানেকশন বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে এই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের সাথে থাকবে না।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, খন্দকার মাসুকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বার্নিকাটর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    বার্নিকাটর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।

    মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

    আগামী অক্টোবরে ঢাকা মিশন শেষ হচ্ছে প্রায় তিন বছর ধরে ঢাকায় থাকা জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক মার্শা বার্নিকাটের। তবে সরকার প্রধানের সঙ্গে এটি তার বিদায়ী সাক্ষাৎ নয়। বরং দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জরুরি আলোচনা করতে বৈঠক করছেন তিনি।

    বৈঠকের সঙ্গে যুক্ত কূটনীতিকরা ধারণা করছেন, সরকার প্রধান ও মার্কিন দূতের বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশন, বৈশ্বিক, আঞ্চলিক এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সমস্যা ও সম্ভাবনা, বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সহিংসতামুক্ত পরিবেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনের একটি গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার প্রশ্নে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতাতেও উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বাংলাদেশের বন্ধু-উন্নয়ন সহযোগীরা।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাওয়ার জন্য গত সপ্তাহে মার্কিন দূত পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে এ সংক্রান্ত একটি নোটভারবালও হস্তান্তর করেন।

    অবশ্য ৫ সেপ্টেম্বরে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের দিনেই বিমানবন্দরে আকাশবীণার উদ্বোধনীতে সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা হয় বার্নিকাটের। বিমানের ভেতরে পাশাপাশি বসে একটি সেলফিও তুলেন রাষ্ট্রদূত।