Category: জাতীয়
-

জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব পালন করবেন এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা করবে। এর ব্যত্যয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আইডিইবি’র ২২তম জাতীয় সম্মেলন ও ৪১তম কাউন্সিল অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।আইইডিবি’র সভাপতি প্রকৌশলী এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান।ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ নয় যে এ দেশের নির্বাচন জাতিসংঘের অধীনে হতে হবে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এ দেশের সংবিধানই নির্বাচন পরিচালনা করবে।এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সোমালিয়া ও কঙ্গোর মতো অবস্থায় নেই। তাই আমাদের দেশে জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।জাতীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার বিএনপির দাবিকে অবান্তর ও অপ্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র এক-দেড় মাস সময় রয়েছে। এমন সময়ে বিএনপির এ ধরনের দাবি মামার বাড়ির আবদার ছাড়া আর কিছুই নয়।তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশেও সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে, এ সময় তারা গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। জাতীয় সংসদ সদস্যরাও কোনো মর্যাদা ভোগ করবে না। তাই সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া আর না দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না, তা আমরা কখনো বলিনি। প্রয়োজন হলে সেনা মোতায়েন করা হবে।এ বিষয়ে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি যদি বলে দেয় সেনা মোতায়েন করা দরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে সরকার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। -

দেশ থেকে মঙ্গা চিরবিদায় নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
উত্তরবঙ্গের অবহেলিত থাকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এক সময় উত্তরবঙ্গের বহু এলাকার মত গঙ্গাচড়াও মঙ্গা প্রবণ এলাকা ছিল। কিন্তু সরকারের পরিকল্পিত উন্নয়নে আজ আর মঙ্গা নেই। এই শব্দটিই যেন হারিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের শাসনেই দেশ থেকে মঙ্গা চির বিদায় নিয়েছে।
রবিবার দুপুরে গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুটি সেতুর উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এই এলাকার জনগণের যখন কাজ থাকে না তখনকার সময়ের জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা দারিদ্র বিমোচনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন মানে পরিবর্তন এনেছে।
শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, একটি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত হবে ততই জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে মাথায় রেখেই সরকার দেশের সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।
‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’ সেতু চালুর ফলে লালমনিরহাট জেলার চার উপজেলাসহ বৃহত্তর রংপুরের কোটি মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হল।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের কয়েকটি উপজেলার দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাকিনা-মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
বাঞ্ছারামপুরের সেতুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেতুর একটা অংশ বাঞ্ছারামপুর থেকে চলে যাবে মুরাদনগর, আরেকটা অংশ চলে যাবে হোমনায়। তাহলে সেতুটি দেখতেও অন্যরকম হবে, যা এখন ওয়াই সেতু নামে পরিচিতি পেয়েছে।
-

হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা
১০ম জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ মন্ত্রী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি,সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, রাজি উদ্দীন আহমেদ এমপি, এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, ফজলে হোসেন বাদশা এমপি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-

পথে অসুস্থ বি. চৌধুরী, এলেন না সংবাদ সম্মেলনে
যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী)। বিকল্পধারার প্রধান বি. চৌধুরী যুক্তফ্রন্টের ঐক্য প্রক্রিয়ার অন্যতম শীর্ষ নেতা। ঐক্যের উদ্যোগ নিয়ে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মূলত তিনিই।
শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঐক্য প্রক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে থাকার কথা ছিল। বাসা থেকে রওনাও দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে পারেননি সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।
কী কারণে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিলেন না বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা থাকলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় অসুস্থতার কারণ। এ ছাড়া বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি. চৌধুরীকেও দেখা যায়নি সংবাদ সম্মেলনে।
যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তবুও তিনি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু পথেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার গাড়ি ফেরত যায়। তার ইসিজি করা হচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’
অসুস্থতার কারণেই আসতে পারেননি বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলে জানান যুক্তফ্রন্টের আরেক নেতা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও। তিনি বলেন, ‘মূলত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেয়া সম্ভব হয়নি। এখানে অন্য কারণ নেই।’
শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নিজেদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করেন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও ডা. এ কি এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট। সংগঠনটি তাদের ৫ দফা দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।
-

দেশ যত উন্নত হবে তত সুযোগ-সুবিধা পাবেন : প্রধানমন্ত্রী
দেশের উন্নয়নে, মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ যত বেশি উন্নত হবে আপনারা তত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। দেশ উন্নত হলে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের যে হারে বেতন বাড়িয়েছি তাতে আর কিছু দাবি না করাই উচিত ছিল। তারপরও আপনাদের ইনক্রিমেন্টের ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটা বৈঠক হয়েছে। এ ব্যাপারে শিগগিরই একটি ভালো ঘোষণা আসতে পারে।
শনিবার রাজধানীতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর তিনদিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শামসুর রহমান। দেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিন ব্যক্তিকে স্বর্ণপদক দেয়া হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর এ দেশের মানুষ বঞ্চিত ছিল। পঁচাত্তরের পরে যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা শুধু নিজেদের ভাগ্য গড়ার চেষ্টা করেছে। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কিন্তু সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার আগেই তাকে এ পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্যই আমি এসেছি। নিজের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েকে বাইরে রেখে, মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে আমি দেশের মানুষের সেবা করছি। এ দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে, যাতে পেট ভরে খেতে পারে, দেশ যেন উন্নত হয় সে জন্যই আমার সংগ্রাম।
তিনি বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে যা করেছি, এ দেশের মানুষ তার সুফল ভোগ করছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি এখন আর কেউ থামাতে পারবে না। আমরা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি।
তিনি বলেন, আগামী ২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ৪১সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। আগামী ২১০০ সালে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই সে পরিকল্পনাও আমরাও গ্রহণ করছি। এ জন্য আমরা ডেল্টাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করেছি।
-

যুক্তফ্রন্টের ৫ দফা দাবি ও ৯টি লক্ষ্য ঘোষণা
পাঁচ দফা দাবি ও নয়টি লক্ষ্য ঘোষণার মধ্য দিয়ে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের যাত্রা শুরু হলো যুক্তফ্রন্টের।
আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কয়েকদফা অনুমতি চেয়েও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অনুমতি দেয়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে সিদ্ধান্ত হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সেখানেও বাধা দেয় পুলিশ। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার পক্ষ থেকে মাইক টানানো হলে পুলিশ তা কেড়ে নিয়ে যায়।
পরে বাধ্য হয়ে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
এ সময় পাশে ছিলেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাবেক ডাকসু ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
এদিকে জাতীয় ঐক্যের পূর্ব নির্ধারিত এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেননি বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। কর্মসূচিতে আসার পথে মগবাজারে ‘অসুস্থ’’ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
জাতীয় ঐক্যের নেতারা বলেন, শহীদ মিনারে কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না, জানতে পেরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান।
ড. কামাল হোসেন বলেন, আজকে ৫ দাবি ও ৯ লক্ষ্যের মাধ্যমে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের যাত্রা শুরু হলো। এক্ষেত্রে আমরা সবারই সহযোগিতা চাই। সংবিধান অনুযায়ী দেশের মালিক জনগণ। তাদের চাওয়া পাওয়াই আমাদেও কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, আজ জণগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল নেতা নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য।
নির্বাচনকালীন সরকার ও সংসদ ভেঙে দেয়াসহ ৫ দাবি তুলে ধরে ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাক্, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি বলেন, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা যাবে না। নির্বাচনের এক মাস আগে থেকে নির্বাচনের পর ১০ দিন পর্যন্ত মোট ৪০ দিন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে।
নাগরিক ঐক্য আহবায়ক বলেন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা ও পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর যুগোপযোগী সংশোধন করতে হবে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে।
-

কান্নাকাটি করছে জাতিসংঘে গিয়ে বিএনপি: কাদের
বিএনপি জনগণের আস্থা হারিয়ে দেশকে ছোট করে জাতিসংঘে গিয়ে কান্নাকাটি করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণকে অসম্মান করে বিদেশিদের কাছে গিয়ে নালিশ করেছে। কিন্তু জোর করে রাষ্ট্র ক্ষমতা ধরে রাখার কোনও অভিপ্রায় আওয়ামী লীগের নেই। কাদের বলেন, বিএনপি আসলে ক্ষমতা ছাড়া কিছু বোঝে না।
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির ওয়েবসাইট উদ্বোধনকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
বিএনপিকে উদ্দেশ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, এতো নালিশের মধ্যেও দেশ মানব সূচকে এগিয়েছে। শেখ হাসিনার স্বপ্ন নেক্সট জেনারেশন, আর বিএনপির স্বপ্ন নেক্সট ইলেকশন। তবে কোনও বিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারবে না।
কাদের বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধ করার জন্য এই ওয়েব সাইটটি তৈরি করা হয়েছে। আসলে ঐতিহ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে পরিবর্তিত সময়ে জনগণের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে এই কর্মসূচি। প্রযুক্তিগত বিকাশকে মাথায় রেখে এটি করা হয়েছে।
বিএনপি-জামায়াত জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করবে আর অপপ্রচার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ষড়যন্ত্রকে প্রতিরোধের সঠিক তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরতেই এ ওয়েবসাইট কাজ করবে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।
-

কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে আওয়ামী লীগের
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা আগামীকাল শনিবার। এ সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি ও তা বাস্তবায়নের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ইশতেহার প্রণয়নে কমিটি গঠন এবং বিভাগীয় নির্বাচনী বর্ধিত সভা, জেলায় জেলায় নির্বাচনী বর্ধিত সভা (যেখানে থানা ও পৌরসভার নেতারাও থাকবেন) এবং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এ ছাড়া ভোট কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠনের চূড়ান্ত তাগাদা, নির্বাচনী আইন ও বিধি নিয়ে পর্যালোচনা, মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু, প্রচার কৌশল নির্ধারণ এবং বিগত ও আগামী জাতীয় নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা হবে এ বৈঠকে।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চেয়ারম্যান করে ১৩৪ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে আওয়ামী লীগ।
এতে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচটি ইমামকে কো-চেয়ারম্যান এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্য সচিব করা হয়। এ কমিটিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচটি ইমাম যুগান্তরকে বলেন, বৈঠকে আলোচনার জন্য বেশকিছু এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈঠক থেকে কিছু সিদ্ধান্ত আসবে বলে আমরা আশা করছি।
সূত্র জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই আট বিভাগে আটটি বর্ধিত সভা করা হবে যেখানে নেতাকর্মীদের নির্বাচনী নির্দেশনা এবং করণীয় নিয়ে নির্দেশনা দেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে এসব সভার দিন-তারিখ ঠিক করা হবে। পাশাপাশি থানা, উপজেলা ও পৌরসভা নেতাদের নিয়ে জেলা পর্যায়ে বর্ধিত সভার প্রস্তাব আজকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। প্রস্তাব অনুমোদন হলে কেন্দ্র থেকে জেলা নেতাদের চিঠি পাঠানো হবে।
সূত্রমতে, বেশ কিছুদিন আগেই এজেন্ট প্রশিক্ষণের একটি খসড়া সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছিল। নানা জটিলতায় তা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি। এবার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্তভাবে এর দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। সে অনুযায়ী দ্রুত কাজ শুরু হবে। এদিকে প্রায় এক বছর আগে সারা দেশে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠনের কাজ শুরু করেছে শাসক দল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সব কেন্দ্রে কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়নি। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে এর সর্বশেষ তথ্য নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই কমিটি গঠনের কাজ শেষ করতে চূড়ান্ত নির্দেশনা দেয়া হবে।
আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে মনোনয়ন নিয়ে খুব একটা আলোচনা না-ও হতে পারে। তবে, কবে থেকে মনোনয়ন ফরম আহ্বান করা হবে সেটার তারিখ নির্ধারিত হতে পারে এ বৈঠকেই। মনোনয়ন ফরম তোলা এবং জমা দেয়ার সময়সীমা এবং মনোনয়ন ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ বৈঠক থেকে জানানো হতে পারে।
সূত্রমতে, নির্বাচন কমিশনের যেসব আইন ও বিধি নিয়ে শাসক দলের বক্তব্য আছে আগামীকালের বৈঠকে সেসব চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে। যেমন আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে কমিশন আরপিও সংশোধন এবং ইভিএম প্রচলন নিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারে।
সূত্র জানায়, এ বৈঠকেই দলের প্রচার উপ-কমিটিকে নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল, মাধ্যম, বার্তা নির্ধারণ করার চূড়ান্ত নির্দেশনা দেয়া হবে। প্রচারণায় কী কী বিষয় থাকবে, কী কী বিষয় গুরুত্ব পাবে সে সম্পর্কে একটি গাইডলাইন দেয়া হবে প্রচার উপ-কমিটিকে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের পর থেকে সংশ্লিষ্ট নেতারা নির্বাচনী পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেছেন।
দেশের সব কটি আসনের এ সংক্রান্ত তথ্য তাদের হাতে আছে। কোন আসনে কয়টি ভোট কেন্দ্র, কতজন ভোটার, কতজন পুরুষ ভোটার, কতজন নারী ভোটার সে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের কাছে কী কী ফ্যাক্টর কাজ করে বা ভবিষ্যতে করতে পারে, সেগুলো চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি কোন আসনে দল কতবার জিতেছে, ব্যক্তি হিসেবে কে কতবার জিতেছেন, কার জনপ্রিয়তা কেমন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কে বা কারা সেসব পরিসংখ্যানও সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত সব তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
-

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে তিন মামলা
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছে পুলিশ। রাজধানীর খিলগাঁও ও মতিঝিল থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।
নাশকতা, ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধাদানসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয় এসব মামলায়।
শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা হওয়ার বিষয়টি আজ জানতে পেরেছি, মামলাগুলো সব ভুয়া, হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলাগুলো করা হয়েছে, এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেব।
তিনি আরও বলেন, গত ১১ ও ১২ তারিখের ঘটনা দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে। ১২ তারিখ তো আমি খালেদা জিয়ার চ্যারিটেবল মামলায় জেলখানার আদালতে ছিলাম। ওখানে সব মিডিয়ার লোকজন আমাকে দেখেছে। সেখান থেকে কীভাবে ককটেল মারলাম কিছু বুঝলাম না।
সিএমএম আদালতের জিআর সূত্রে জানা গেছে, সানাউল্লাহ মিয়া ছাড়াও এসব মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
এসব মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আসামিরা পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেন এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। ওই দিন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও মিছিলের আয়োজন করেছিল বিএনপি।
এজাহারে আরও বলা হয়, কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশ যান চলাচলে সহযোগিতা করতে চাইলে বিএনপির এসব আইনজীবী এবং অন্য নেতাকর্মীরা পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।
-

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় পালিত হবে শেখ হাসিনার জন্মদিন
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর। এবারে জন্মদিনটি বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে উদযাপন করবে আওয়ামী লীগ।
শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে সম্পাদক-মণ্ডলীর মিটিং শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ লক্ষ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ সারাদেশের মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া, মন্দির, গীর্জাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালিত হবে।
ওইদিন সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে ১০০টি রিক্সা ভ্যান বিতরণ, ১১টায় আজিমপুরে খাদ্য বিতরণ, অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা ও পুস্তক বিতরণ, দেশব্যাপী আনন্দ র্যালি, চারুকলায় স্কুল শিক্ষার্থীদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও বিকেলে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এবারের জন্মদিন, অসহায়, গরীব ও দুঃখী মানুষদের জন্য উৎসর্গ করা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।
উল্লেখ্য, এবারের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্টে অবস্থান করবেন।