Category: জাতীয়

  • পাথরঘাটায় সেই ৫ জেলেকে ফেরত দিয়েছে জলদস্যুরা

    পাথরঘাটায় সেই ৫ জেলেকে ফেরত দিয়েছে জলদস্যুরা

    সমুদ্রে ডুবে যাওয়া জেলেদের মধ্যে পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করে তাদের দিয়ে সুন্দরবনকেন্দ্রিক সাগরে দস্যুতা করানো সেই জেলেদের ফেরত দিয়েছে জলদস্যু বাহিনী। ফেরত আসা জেলেরা হলেন, পাথরঘাটা উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের খাইরুল ইসলাম, মাসুম মিয়া, রিপন, রাসেল ও বাগেরহাটের সেরাজ মিস্ত্রী।

    মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সুন্দরবন থেকে মোংলা এলাকার নদীর পাড়ে তাদের রেখে যায় ছোটভাই বাহিনী।

    বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মোস্তফা চৌধুরী জানান, ২১ জুলাই সাগরে ঝড়ের কবলে ডুবে যাওয়া ট্রলারের মধ্যে ওই পাঁচ জেলেকে ভাসমান অবস্থায় জলদস্যু ছোট ভাই বাহিনী উদ্ধার করে, পরে তাদের দ্বারা অপর জেলেদের মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করে। পরে র‌্যাব-৬ এর অভিযানের টের পেয়ে ওই বাহিনী ৫ জেলেকে মংলার কাছাকাছি নদীর পাড়ে তাদের ছেড়ে দেয়। এ সময় ওই জলদস্যু বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কথা না বলার জন্য জেলেদের ১০ হাজার টাকা দিয়ে দেয়।

  • বিসিসি নির্বাচনে বাঘা বাঘা কাউন্সিলররা নতুন প্রার্থীর কাছে ধরা

    বিসিসি নির্বাচনে বাঘা বাঘা কাউন্সিলররা নতুন প্রার্থীর কাছে ধরা

    বরিশাল সিটি নির্বাচন-২০১৮তে দুই-তিনবারের বাঘা বাঘা কাউন্সিলররা নতুন নতুন প্রার্থীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন। কোথায়ও কোথায়ও চারবারের জনপ্রতিনিধিও নব্য প্রার্থীদের কাছে হার মেনেছেন। তবে শক্তিশালী এসব জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সিল মেরে তারা জয়ী হয়েছেন। যদিও নতুন কাউন্সিলররা বলছেন, এ প্রজন্ম পুরনো প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করছেন। যার কারণে তাদের এই পরাজয়।

    নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত কাউন্সিলর বিএনপির প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ সিকদার ১৯৯৫ সাল থেকে এই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি।

    কিন্তু এবার এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যুবলীগ নেতা শেখ সাঈদ আহম্মেদ মান্নার কাছে হেরে গেছেন। ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা আলতাফ মাহমুদ সিকদার বলেন, ‘আমি ১৯৯৫ সাল থেকে এখানকার জনপ্রতিনিধি। জনগণের সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকার কারণে এমনটি হয়েছে।

    কিন্তু ভোট ডাকাতি ও সন্ত্রাসীপনার কাছে আমিসহ এই ওয়ার্ডের ভোটাররা পরাজিত হয়েছে। তবে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে জয়ী হওয়া শেখ সাঈদ আহম্মেদ মান্না বলেন, রাজনীতি ও নিজস্ব ব্যবসা বাণিজ্যের কারণে এই ওয়ার্ডের জনগণ তাকে কাছে পায়নি।

    ওয়ার্ডের আশা আকাক্সক্ষা পূরণের লক্ষ্যে জনগণের রায়ে আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। নতুন প্রজন্ম পুরাতন প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করেছে। একইভাবে নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়া কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আলহাজ কেএম শহীদুল্লাহ এবারের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। সেখানে তার পূর্বের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. জাকির হোসেন ভুলু এবার নির্বাচিত হয়েছেন। আলহাজ কেএম শহীদুল্লাহ বলেন, আমি এই ওয়ার্ডটিকে একটি মডেল ওয়ার্ডে পরিণত করেছি।

    কিন্তু আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী ভোট ডাকাতি করে আমার নিশ্চিত জয়কে হারিয়ে দিয়েছে। কিশোর মজলিসের একটি কেন্দ্রে ইভিএম নষ্ট হওয়ার পর সেখানে ব্যালটে নির্বাচন হয়। আর ব্যালট পিটিয়ে ভোট নিয়ে গেছে। তবে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন ভুলু বলেছেন, জনগণের ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি। কোনো ভোট ডাকাতি হয়নি।

    বরিশাল সিটি এলাকার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ বছরের বিএনপির প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবিরকে হারিয়ে সেখানে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী (ঠেলাগাড়ি প্রতীক) মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

    বিএনপি নেতা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমি ২০০১ সাল থেকে এখানকার জনপ্রতিনিধি। ভোট পিটিয়ে আমাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমি দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছি। পরাজিত হয়ে আমার প্রতিপক্ষ নানা কুৎসা রটনা করছেন। বরিশাল সিটির ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির শক্ত প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন হাওলাদারকে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির। বিএনপি নেতা মো. ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, আমি তিনবারে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি এই ওয়ার্ডে। কিন্তু সরকারদলীয় প্রার্থীর ভোট জালিয়াতিতে আমাকে হারতে হয়েছে।

    নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির ২৭ বছরের কাউন্সিলর প্রার্থী ফিরোজ আহমেদকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ মো. আনিছুর রহমান। বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘আমি ২৭ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি আছি। রাস্তাঘাট উন্নয়ন করে ওয়ার্ডকে উন্নত করেছি। কিন্তু আওয়ামী লীগ ভোট পিটিয়ে আমাকে হারিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতা ও নব্য কাউন্সিলর শরীফ মো. আনিছুর রহমান বলেন, ভোটযুদ্ধে হেরেছে বিএনপি। এখন আবলতাবল বলছে।

    নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন মুখ হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা কেফায়েত হোসেন রনি। এখানে ১৫ বছরের পুরাতন প্রার্থী মো. মাইনুল হককে হারিয়ে তিনি জয়ী হয়েছেন। যদিও এখানেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু তার পরও ভোটযুদ্ধে রনি জয়ী হয়েছেন। নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডেও বিএনপির একধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর সৈয়দ সাইদুল হাসান মামুনকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আমির হোসেন বিশ্বাস।

  • শোকের মাস আগস্ট শুরু

    শোকের মাস আগস্ট শুরু

    আবারও ফিরে এসেছে বাঙালির শোকের মাস আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালোরাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়। শুধু বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। সেই থেকে আগস্ট বাঙালির শোকের মাস।

    এ উপলক্ষে বরাবরের মতো এবারও আগস্টের প্রথম প্রহরে মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিটে মোমবাতি প্রজ্বালন, আলোর মিছিল, শপথ গ্রহণ ও জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শোকের কর্মসূচি। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে এর বিচারের পথ পর্যন্ত রুদ্ধ করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসার পর কলঙ্কিত সেই অধ্যাদেশ বাতিল এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু করা হয়। নানা কূটকৌশলের জাল ছিন্ন করে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের চূড়ান্ত রায় এবং পরবর্তী সময়ে পাঁচ ঘাতকের ফাঁসি কার্যকর করার মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করা হয়েছে। তবে পুরো জাতি এখনও প্রতীক্ষার প্রহর গুনছে বঙ্গবন্ধুর বাকি ছয় পলাতক খুনির ফাঁসি কার্যকর করার জন্য।

    এদিকে এই আগস্ট মাসেই ঘটেছিল জাতির ইতিহাসের আরও একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছিল গ্রেনেড হামলা। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে চালানো ওই গ্রেনেড হামলা থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও ঝরে গিয়েছিল মহিলা আওয়ামী লীগ নেতা আইভি রহমানসহ ২৪ তাজা প্রাণ।

  • ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন সম্পাদক রাব্বানী

    ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন সম্পাদক রাব্বানী

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গোলাম রাব্বানী দায়িত্ব পেয়েছেন।

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর অর্পিত ক্ষমতা বলে আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

    সভানেত্রীর পক্ষে কমিটি ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সঞ্জিত চন্দ্র দাস। তার রানিং মেট হিসেবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাদ্দাম হোসাইন।

    অপরদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মো. ইব্রাহিম; সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণে মেহেদী হাসান সভাপতি ও মো. জোবায়ের আহমেদ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।

    জানা গেছে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। অপরদিকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী একই বিভাগের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি মাদারীপুরে।

    এদিকে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ৩৭তম ব্যাচের। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। আর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম ৩৯ ব্যাচের। তার পঞ্চগড়ে।

  • প্রথম নির্বাচনেই ঐতিহাসিক বিজয় নগর পিতার আসন অলঙ্কিত করলেন বরিশালের সাদিক

    প্রথম নির্বাচনেই ঐতিহাসিক বিজয় নগর পিতার আসন অলঙ্কিত করলেন বরিশালের সাদিক

    অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনা ও হিসাব-নিকাষ পাল্টে দিয়ে জনগনের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রাজনীতির “যোগ্য উত্তরাধিকার” “যুবরত্ন” সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ প্রায় লাখো ভোটের ব্যবধানে প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদ অলঙ্কিত করেছেন। সাদিক আবদুল্লাহর জীবনের প্রথম নির্বাচনেই ঐতিহাসিক এ বিজয়ের ফলে তার বিজয়ের ব্যাপরে আজকের র্বাতায় “নগর পিতার আসনে বসছেন সাদিক” শিরোণামে সরেজমিন জরিপের বরাত দিয়ে প্রকাশিত আগাম সেই সংবাদটি সত্য হলো।

    আগামী ৫ বছরের জন্য তিনিই বসলেন নগরবাসীর অবিভাভকের আসনে। আর তার এ বিজয়ের পথ কুসুমাস্তির্ণ করে দেয় মূলত দলীয় নেতাকর্মী,সুশীল সমাজ,সাংবাদিক,সংস্কৃতিকর্মী ও শ্রমজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সাধারণ মানুষ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে বাবা ও বুলেট বিদ্ধ মায়ের সঙ্গে অলৌকিক ভাবে বেঁচে যাওয়া ভাই সহ স্বজনের রক্তে ভেজা সেই সময়ের দেড় বছরের শিশু আজকের “রাজনীতির আইকন” সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বিজয়ের যে “দ্বার প্রান্তে “ রয়েছিলেন এ বিষয়টি ভোটারদের মুখে মুখে আগেই ছড়িয়ে পড়েছিলো।

    প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এটা বুঝাতে সম্মত হয়েছিলেন যে নৌকা জিতলে নগরীতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হবে।তাদের কাছ থেকে এ উন্নয়ন বার্তা পেয়ে নগরবাসী উন্নয়নের স্বার্থে শেষ পর্যন্ত দলমত নির্বিশেষে সবাই নৌকার পক্ষে ঝুঁকে পড়েন। একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ও একটি বেসরকারী এনজিওর রির্পোটেও সাদিকের বিজয়ী হওয়ার আগাম বার্তা ছিলো। এবার সিটি নির্বাচনে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ১৬৬ ভোট। নতুন ভোটার যোগ হয়েছে প্রায় ৩১ হাজার। নতুন এই তরুন ভোটারদের আশা আকাঙ্খার প্রতীক হয়ে ওঠেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ।

    অপরদিকে এর আগে বিএনপি প্রার্থীকে মেয়র নির্বাচিত করে গত ৫ বছর যে খেসারত নগরবাসী দিয়েছেন আগামীতে তারা আর সেই খোসারত দিতে চাননি। অতীতের ভুল সিদ্ধান্তের আর পুনরাবৃত্তি করতে না চাওয়ায় দলমত নির্বিশেষ সকল শ্রেণীর ভোটার নৌকার পক্ষে রায় দেয়। গত ৫ বছর বিএনপি‘র মেয়র আহসান হাবিব কামাল উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রীবৃদ্ধি হারিয়ে বরিশাল শহর আবারও পুরনো খানাখন্দের শহরের রূপে ফিরে যায়। ফলে নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত নগরবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিএনপির এ মেয়রের সীমাহীন ব্যর্থতায় শ্রী হীন হয়ে পড়া বরিশাল শহরকে উন্নত ও আধুনিক শহরে রূপান্তর করতে নগরবাসী একজন যোগ্য নগর অভিভাবক দীর্ঘদিন ধরে খুঁেজ ফিরছিলেন ও অভাববোধ করছিলেন। অবশেষে ব্যালটের মাধ্যমে তারা তাদের যোগ্য অভিভাবক খুঁজে নিলেন। ফুফ প্রধানমন্ত্রী, বাবা মন্ত্রী ও নিজে মেয়র এ তিন রক্তের বন্ধনের যৌথ উদ্যোগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় বরিশাল শহর শুধু “প্রাচ্যের ভেনিস” নয় “আধুনিক সিঙ্গাপুৃর” শহরে রূপ নেবে বিজয়ের এ মাহেন্দ্রক্ষনে এমনটিই আশা প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনঃ ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নেতাকর্মী-সমর্থক ও ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার সকাল থেকে নেতাকর্মী-সমর্থকরা দলে দলে তার বাসায় আসছেন এবং ফুলের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তাদের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ বরিশালের নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক। আগত সবাইকে মিষ্টিমুখ করিয়ে বিদায় দিচ্ছেন তিনি। এছাড়াও আগামী দিনগুলোতে বরিশাল নগরীকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা চাচ্ছেন বরিশালর তরুণ মেয়র সাদিক। একই সাথে এই জয় শেখ হাসিনার জয়, আওয়ামী লীগের জয় বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

    গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন ফল ঘোষণা করেন। তখন সাদিক আবদুল্লাহ ছিলেন নগরীর কালীবাড়ি রোডে তার নিজ বাসভবনে। ওই রাতে ফল জানার পর নেতাকর্মীদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন তিনি। এ সময় তাদের মিষ্টিমুখ করানো হয়। ওই রাতেই এই নির্বাচনের মূল কারিগর তার বাবা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির পদধূলি এবং তার দোয়া নেন সাদিক। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কালীবাড়ি রোডের বাসায় আগত নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধায়ীদের ভালোবাসা এবং ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন সাদিক। বাসায় আগত সকলকে করানো হয় মিষ্টিমুখ। বেলা আড়াইটার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির একটি দল সাদিককে তার বাসায় গিয়ে ফুলের নৌকা দিয়ে অভিনন্দিত করেন। এ সময় তাদেরও মিষ্টিমুখ করানো হয়। এ সময় আগন্তুকদের উদ্দেশ্যে নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক বলেন, এই জয় শেখ হাসিনার জয়, এই জয় আওয়ামী লীগের বিজয়, এই জয় উন্নয়নের জয়। সিটি নির্বাচনের এই জয়কে ১৫ আগস্টের শহিদদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন তিনি। এ সময় সাদিক আবদুল্লাহ পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার পাশাপাশি বরিশাল নগরীকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি মুক্ত করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • বরিশালে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হলেন যারা

    বরিশালে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হলেন যারা

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নারীদের জন্য ১০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে জয় লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। একটিতে বিএনপি ও দুটিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

    বেসরকারি ফলাফলে ১ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী (বই প্রতীক) মিনু রহমান, ২ নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র (গ্লাস) জাহানারা বেগম, ৩ নং ওয়ার্ডে (বই) আওয়ামী লীগের কোহিনুর বেগম, ৪ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আয়শা তৌহিদ লুনা, ৫ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (মোবাইল ফোন) ইসরাত জাহান লাভলী, ৬ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (বই) গায়ত্রী সরকার পাখি, ৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (বই) সালমা আক্তার শিলা, ৮ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (চশমা) রেশমী বেগম, ৯ নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র (চশমা) সেলিনা বেগম এবং ১০ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির (আনারস) রাশিদা পারভীন।

  • ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই’

    ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই’

    বিমানবন্দর সড়কের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল পুরো দেশ। বাদ পড়েনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকও। এইরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের আগুন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী ছবি। দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার এবং ফেস্টুন। যার একটিতে লেখা আছে, আমরা ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, “নিরাপদ সড়ক চাই।”

    এর আগে, রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের হোটেল র‌্যাডিসনের সামনে জাবালে নূর পরিবহনের দু’টি বাসের প্রতিযোগিতায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান কলেজের দুই শিক্ষার্থী। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। হতাহতের শিকার প্রত্যেকেই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। এরপরই কলেজের শিক্ষার্থীরা র‌্যাডিসন হোটেলের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। আর ধীরে ধীরে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজধানীতে।

    অন্যদিকে, ‘বিক্ষোভ’ দেখা গেছে ফেসবুকেও। সেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন রকমের মন্তব্য করছেন, প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার এবং ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ফেস্টুন হাতে একটি ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। আর এতে লেখা আছে- আমরা ৯ টাকায় ১ জিবি চাই না, “নিরাপদ সড়ক চাই”।

  • মিরপুরে শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জে এক ছাত্র ঢামেকে

    মিরপুরে শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জে এক ছাত্র ঢামেকে

    মিরপুর ১০ নম্বরে পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত আহাদ আলসান (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে মিরপুরের শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের প্রিয়াঙ্কা হাউজিংয়ের ৫ নম্বর রোডে।

    আহাদের বাবা নুরে আলম জানান, সে সকালে কলেজে যায়। সেখানে কলেজর গেইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, সে বাসার উদ্দেশ্যে আসার পথে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের সময় তার মাথায় ও পিঠে লাঠির আঘাত পড়ে। পরে তার সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাকে বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

    ঐ বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উসমান বলেন, তার মাথার সামনে দিকে আঘাত রয়েছে, সেখানে কিছু অংশ ভেঙে দেবে গেছে। তবে ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়নি।

  • ডিসেম্বরের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশ বিদ্যুতায়ন হবে

    ডিসেম্বরের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশ বিদ্যুতায়ন হবে

    বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করতে যাচ্ছি। আমরা হাতে লণ্ঠন দিচ্ছি, বাড়ি আলোকিত করছি। মানুষের সাহস আলোকিত করছি, জীবন আলোকিত করছি। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেশে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমরা সাফল্যে থাকব। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদ মুক্তমঞ্চে আয়োজিত সৌরবাতি বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা সমগ্র বাংলাদেশে বিদ্যুতায়ন করতে যাচ্ছি। এই বাংলাদেশ হবে সফলকাম আধুনিক বিশ্বের পরিবেশ বান্ধব একটি বাংলাদেশ।

    বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকে আলোর বার্তা সবার হাতে চলে আসছে। শেখ হাসিনা সমগ্র গ্রামকে আলোকিত করছেন। আপনাদের একমাত্র বার্তা হবে, আগামীতে যে করেই হোক নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করা। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মাথা উঁচু করে বিশ্বের কাছে এক নম্বর দেশ হতে চাই, তাহলে নৌকা মার্কার কোনো বিকল্প নাই। জামায়াত-বিএনপি জোট প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে ষড়যন্ত্র করতে যাচ্ছে। আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিলের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এ ছাড়াও এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হোসেন মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আশরাফ উদ্দিন, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    এদিন নালিতাবাড়ী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবতেদায়ী-কওমী-নূরাণী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা সহ ১৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৩২৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে একটি করে সৌরবাতি বিতরণ করা হয়।