Category: জাতীয়

  • বিসিসি নির্বাচনঃবিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে : আব্বাস

    বিসিসি নির্বাচনঃবিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে : আব্বাস

    বিএনপি ভীত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে বলে অভিযোগ করেছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ।

    আজ রোববার সন্ধ্যায় মহানগর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গোলাম আব্বাস চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করছে। বিএনপি মূলত বিমর্ষ হয়ে পড়েছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। তিনি বলেন, বিএনপি যেসব অভিযোগ করেছে, সেসব অভিযোগের ভিত্তি নেই। কারণ বরিশাল সিটি করপোরেশনে কোনো বহিরাগত নেই। যাঁরা ছিলেন, তাঁরা চলে গেছেন।

    বরিশালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে দাবি করে গোলাম আব্বাস বলেন, বরিশালে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সিলেট ও রাজশাহীতে ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বরিশালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিএনপি তাদের রুটিন ওয়ার্ক অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করছে। বিএনপির মেয়র প্রার্থীর সহধর্মিণী আওয়ামী লীগের কর্মীকে হুমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় জিডি করা করা হয়েছে।

    নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশা প্রকাশ করে গোলাম আব্বাস বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে। আগামীকাল জয়ের বিষয়ে আওয়ামী লীগ শতভাগ আশাবাদী।

    আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী করেছে, জানতে চাইলে গোলাম আব্বাস বলেন, এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগের বিষয়ে গোলাম আব্বাস বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    সংবাদ সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, মহানগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আফজালুল করিম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ, সাবেক সচিব সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে: চরমোনাই পীর

    বিসিসি নির্বাচনঃ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে: চরমোনাই পীর

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, আগামীকাল তিন সিটিতে নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য একটি অগ্নি পরীক্ষা। কাজেই সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে ব্যর্থ হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে। রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীদের হাতপাখায় ভোট দিয়ে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচিত করার জন্য তিন সিটিবাসীর প্রতি আহ্বান জানান চরমোনাই পীর। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, সিলেট করপোরেশন নির্বাচনে প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলহাজ্ব শফিকুল ইসলামকে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সিটি গড়ার জন্য তিন সিটিবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

    চরমোনাই পীর বলেন, সমাজে আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না থাকায় জনজীবন আজ বিপর্যস্ত। সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, আইনজীবিসহ প্রায় সকল পেশাজীবী শ্রেণী স্বার্থের কারণে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুরবৃত্তি করে বিভক্ত ও দুর্ণীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় সকলক্ষেত্রে আল্লাহভীরু নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে। আর এ জন্য তিন সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থীদেরকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে। সিটি করপোরেশন অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত করতে হলে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচনের বিকল্প নেই।

  • ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থী শাওন

    ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থী শাওন

    বরিশাল বিএম কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ শাওন (২০) নামে এক কিশোর নিজ বাড়ির একটি গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার খবর পাওয়া গেছে।

    রোববার (২৯ জুলাই) সকালে ঘরের পাশে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় শাওনের মরদেহ দেখে পরিবারের লোকজন। মৃত্যুর কয়েকঘন্টা পূর্বে শাওনের নিজস্ব ‘বড় ভাই শাওন’ নামে ফেসবুক আইডিতে ইংরেজিতে ‘সবাই আমাকে মাফ করে দাও’ লেখাটি সর্বশেষ পোষ্ট দেন।

    শাওন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মানিকখালী গ্রামের মো. জালাল হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয়দের কথিত মতে শাওন তার বাবার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছেন।

    শাওনের বাবা জালাল হাওলাদার মোবাইল ফোনে বলেন, কি কারনে শাওন আত্মহত্যা করেছে তা আমি জানিনা। এব্যাপরে পাথরঘাটা থানা ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবীর আহমেদ বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

  • বিসিসি নির্বাচনঃনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে- ইকবাল হোসেন তাপস

    বিসিসি নির্বাচনঃনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে- ইকবাল হোসেন তাপস

    জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে। এটা প্রহসনের নির্বাচন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। পুলিশ দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানী করা হচ্ছে। আমার নিজের বাড়ীতে পুলিশ তল্লাসী করে আমার ছোট ভাইবে শাসিয়ে গেছে।

    যাতে আমি ভোট থেকে সরে যাই। এমন অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আমি শংবা প্রকাশ করছি। আর আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানী করে নির্বাচন থেকে আমাকে দুরে রাখতে চাইছে। গত শনিবার আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পথ সভার নামে বরিশালে শোডাউন করেছে। আগত বহিরাগতদের রেখে দিয়ে নির্বাচনের দিন সিল পেটানোর পায়তারা করছে।

    বোরবার রাতে নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডে জাতীয় পার্টির নির্বাজনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোটের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পুলিশের হয়ে কাজ করছে।

    তারা আমাদের ৪জন নেতাকমী আটক করেছে। আওয়ীলীগ বহিরাগতদের বরিশালে ঠাই দিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে। পথসভার নাম করে নগরীতে তারা সমাবেশ করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। তারা চেষ্টা করছে নির্বাচনের দিন বহিরাগতদের দিয়ে ব্যলোট পেপারে সিল মেরে ভোট ছিনিয়ে নেবে।

    তিনি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যৗান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের কথা তুলে ধরে বলেন, তিনি অসহায়তা প্রকাশ করেছেন। কেননা তিনি নিজেই আমাকে জাতীয় পার্টির মনোনয় দিয়ে বরিশালে পাঠিয়েছেন। বরিশালে জাতীয় পার্টির অনেক ভোট আছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টি জয়লাভ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি মাঠে থাকতবেন জানিয়ে বলেন, আমি শেষ পর্যন্ত মাঠে আছি। জয় নিয়ে আমি ঘরে উঠতে চাই। যত বাধাই আসুক না কেন আমি মাঠে থেকে নির্বাচনে লড়ে যাবো।

    সংবাদ সরম্মেলনে বরিশার জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল ও জাতীয় পার্টির অনান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে সিটি নির্বাচন: ১২৩ কেন্দ্রে পৌছে গেছে নির্বাচন সামগ্রী

    বরিশালে সিটি নির্বাচন: ১২৩ কেন্দ্রে পৌছে গেছে নির্বাচন সামগ্রী

    বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নগরীর ১২৩টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্সসহ যাবতীয় ভোটের সরঞ্জামাদী পাঠানো হয়েছে।

    আজ রবিবার (২৯ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে স্ব-স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে ভোটের সরঞ্জামাদী বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

    পরে তারা কঠোর নিরাপত্তার সাথে ভোটের সরঞ্জামাদী কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিয়ে যান। রাতে কেন্দ্রে অবস্থানের পর সোমবার সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ভোট গ্রহণ।

    ব্যালট বাক্সসহ ভোটের সরঞ্জামাদী নিয়ে যাওয়া প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তারা কোন মহল থেকে কোন ধরনের হুমকি কিংবা প্রলোভন পাননি। সুষ্ঠু-সুন্দর ভোট গ্রহনে তারা বদ্ধ পরিকর।

    আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান জানান, বিকেল ৫টার মধ্যেই সকল কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জামাদী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তারা কেন্দ্রে অবস্থান করবেন।

    সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে চলবে ভোট গ্রহণ। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

  • বরিশালে নির্বাচনী মাঠে ১৯ প্লাটুন বিজিবি ও ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট

    বরিশালে নির্বাচনী মাঠে ১৯ প্লাটুন বিজিবি ও ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট

    বরিশাল সিটি করপোরেশেন  (বিসিসি) নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১৯ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।শনিবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে বিজিবি সদস্যরা নগরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছেন। এরপাশাপাশি র‌্যাব-পুলিশের সদস্যরাও তাদের টহল অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদার।

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৯ জন বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) হাকিম ও ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এর পাশাপাশি নির্বাচনে অপ্রিতীকর যেকোন ঘটনা এড়াতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বরিশালে ৪ শত সদস্যের ১৯ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।

    এরমধ্যে ১৫ প্লাটুন মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ৪ প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে, যারা বিশেষ প্রয়োজনে বের হবেন। অপরদিকে র‌্যাব-৮ এর উপ-পরিচালক মেজর সোহেল রানা প্রিন্স জানান,তাদের প্রায় ৩ শত সদস্য বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করবেন। যার মধ্যে ৩০ টি টিম স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং ৪ টি টিম রিজার্ভ রাখা হবে।

    এরইমধ্যে র‌্যাবের টহল নগরজুড়ে অব্যাহত রয়েছে পাশাপাশি নগরের প্রবেশদ্বারে ৩ টি চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে।অপরদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, নির্বাচনে পুলিশের ২ হাজারের ওপর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।মোট সদস্যের মধ্যে ২ হাজার ১৩ জন পুলিশ ও ১৫৬ জন আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ানের সদস্য রয়েছে।

    এছাড়াও আনসারের ২হাজার ১৫৯ সদস্য কাজ করবে। যাদের মধ্যে ৪৩৭ জন ব্যাটেলিয়ান আনসার রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ ভোটার১২৩টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যারমধ্যে ১১২টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ন) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

  • বরিশালে সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবীতে পাঁচ মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    বরিশালে সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবীতে পাঁচ মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    সুষ্ঠ নির্বাচন ও শংকা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বরিশালের বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারস, জাপা’র ইকবাল হোসেন তাপস ও ইশা’র ওবায়দুর রহমান মাহবুব এবং বাসদের ডা. মনিষা চক্রবর্তী।

    বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক এ সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নির্বাচনী আচারন বিধি লঙ্ঘন করে শোডাউন, আগামীকাল ভোট গ্রহন নিয়ে শংকা প্রকাশসহ গন গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ওই চার মেয়র প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

    রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিএনপি প্রার্থী’র নিজ বাসভবন পশ্চিম কাউনিয়ার সৈয়দ ম্যনশনে সংবাদ সম্মেলনে এ শংকা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামীলীগ প্রার্থী নির্বাচনী আচারন বিধি লঙ্ঘন করে শোডাউন করেছে। আর (আমরা) বিএনপি গনসংযোগ করতে গেলে বাধা সৃষ্টি করছে। এ নির্বাচন কোন ভাবেই সুষ্ঠ হতে পারেনা।

    তিনি বলেন, হাই কোর্টের আদেশ অমান্য করে প্রশাসন আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকী ও গ্রেফতার করছে। আমাদের এজেন্টদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তল্লাসী ও গ্রেফতার করছে। নেতাকর্মীরা এখন অনেকেই ঘর ছেড়ে অনত্র অবস্থান করছে। আমরা পুলিং এজেন্ট যাদের দিয়েছিলাম তাদের এখন বাধ্য হয়ে বাদ দিয়ে নতুন করে দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের কোন সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। আমরা ভোটারদের বলেছি যাতে ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার সময় নিজেদের ভোটার আইডি কার্ড হাতে নিয়ে ভোট দিবেন। যাতে বহিরাগতদের চিহিৃত করা যায়। তিনি নির্বাচন কমিশনকে সরকার দলীয় উল্লেখ করে বলেন, ব্যর্থ নির্বাচন কশিননের বিরুদ্ধে কফোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    সন্ধ্যা ৭ টায় নগরীর অক্সফোড মিশন রোডস্থ জাতীয় পার্টির কার্যলয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। তিনি বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে শংকা রয়েছে। আমার পুলিং এজেন্টদের ইতো মধ্যে ভয় ভিতি প্রদশন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী আচারণ বিধি মানছেন না। তবুও নিশ্চুপ নির্বাচন কমির্শন। তিনি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

     

  • ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাস    তিন সিটিতেই আওয়ামী প্রার্থী অনেক এগিয়ে: জরিপ

    ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাস তিন সিটিতেই আওয়ামী প্রার্থী অনেক এগিয়ে: জরিপ

    বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ফল কেমন হবে তা নিয়ে জনমত জরিপ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে চলতি জুলাই মাসব্যাপী এ জরিপটি করে রিসার্চ ডেভেলাপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি)।

    জরিপে দেখা গেছে, বরিশালে ৪৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ৫৮ শতাংশ ও সিলেটে ৩৩ শতাংশ মানুষ তিন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের পক্ষে রয়েছেন। আজ বরিবার দুপুর ১২টায় সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত পোস্টটি দিয়েছেন।

    এতে বলা হয়, এবারের নির্বাচনে বরিশালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে রয়েছে ৪৪ শতাংশ জনমত। ১৩.১ শতাংশ মানুষ রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মজিবুর রহমান সরোয়ারের পক্ষে। অন্যান্য প্রার্থীরা ০.৮ শতাংশ জনসমর্থন পাচ্ছেন। ২৩ শতাংশ মানুষ বলছেন, ভোটের ব্যাপারে তারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। আর ১৫.৯ শতাংশ ভোটার কোনো ধরনের মতামত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বরিশালে মোট ১ হাজার ২৪১ ভোটারের মধ্যে এই জরিপ চালানো হয়েছে।

    রাজশাহীদের খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে মত দিয়েছেন ৫৮ শতাংশ ভোটার। বিএনপির মোসাদ্দেক হোসাইন বুলবুলের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৬.৪ শতাংশ। অন্যান্য প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন আছে .৯ শতাংশ মানুষের। এখনো সিদ্ধান্ত নেননি ১২.৩ শতাংশ। মত প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ৯.৬ শতাংশ। এতে ১২৯৪ ভোটারের মতামত জানতে চাওয়া হয়।

    সিলেটে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানের প্রতি ৩৩ শতাংশ ভোটার নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ২৮.১ শতাংশ ভোটার সমর্থন দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী পক্ষে মত দিয়েছেন। বাকি প্রার্থীদের প্রতি সমর্থনের কথা জানিয়েছেন ১.৩ শতাংশ ভোটার। এখনো সিদ্ধান্ত নেননি ২৩ শতাংশ ভোটার। ১২.৬ শতাংশ ভোটার নির্বাচন নিয়ে মত প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ১২.৬ শতাংশ। সিলেটে মোট ১১৯৬ জন ভোটারের ওপর জরিপ করা হয়েছে।

    জরিপ সম্পর্কে সজীব ওয়াজেদ জয় ফেসবুকে আরও লিখেছেন, ২০১১ সালের জরিপ অনুযায়ী বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট শহরের লিঙ্গ ও বয়সভিত্তিক ভোটার তালিকা থেকে সমন্বয় করে জরিপের ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোটার আইডি রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনকৃতদের মধ্য থেকে নমুনা নেয়া হয়েছে। সিটি করপোরশেনের ভোটার এমনটা নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের নির্বাচিত করা হয়। এ জরিপে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা +/- ২.৫ শতাংশ।

    গত ৫ বছর ধরে আরডিসির সঙ্গে আমি জনমত জরিপ পরিচালনা করে আসছি। তাদের জরিপ পরিচালনা পদ্ধতি ও ফল সবচেয়ে নির্ভুল। অবশ্যই মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা পুরোদমে চলবে এবং ফলাফল জরিপের তুলনায় সামান্য এদিক-সেদিক হতে পারে। যাই হোক, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে চাই যে বরিশাল, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ বিপুল ব্যবধানে জয় লাভ করবে। সিলেটে আমরা সামান্য এগিয়ে আছি।

    বিএনপি তাদের সেই পুরনো সব অভিযোগ এখনো অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু সত্যি কথাটা হলো তারা তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়েছে। উল্টোদিকে গত কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য বিএনপির এখন আর মোটেও কোনো হুমকি নয়।

    যাই হোক আমি আমার দলের সদস্যদের, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অনুরোধ করবো আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করতে বিএনপির ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট চুরি চেষ্টা সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করতে। আপনারা সবাই বিএনপি নেতাদের ফোনে রেকর্ড করা কথা শুনেছেন। তাদের প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার সময় বুঝে গেছে তাদের জেতার কোনো সম্ভাবনাই নেই। তাই তারা আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপিয়ে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করে চলেছে।

  • জমজমাট প্রচারণা শেষে থমথমে তিন সিটি

    জমজমাট প্রচারণা শেষে থমথমে তিন সিটি

    তিন সিটিতে শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা। রোববার সকাল থেকেই এ তিন সিটিতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। টানা কদিনের জমজমাট প্রচারণা শেষে সবই যেন থমকে আছে ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনের জন্য। তবে কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। তিন সিটিতে মোট ১৭ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নগর পিতা নির্বাচিত করবেন।

    রাসিক

    এই নগরীর মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী। ১৩৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

    এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে নগরীতে ১৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আরও চার প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

    এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (সদর) ইফতেখায়ের আলম জানান, ভোটের নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। দায়িত্বপালন করছেন অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।

    তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে ও পরে তিন দিন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে নগরীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্র ঘিরেও থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ নিয়ে ভোটারদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ওই নগর পুলিশ কর্মকর্তা।

    সিসিক

    সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবেন।

    এবার নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    জানা গেছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৭টি টিম কাজ করছে। ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৭ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার সদস্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ আনসার বাহিনীর একজন প্লাটুন কমান্ডার ও একজন এপিসি এবং একজন ব্যাটলিয়ান আনসার সদস্য থাকবেন।

    Election

    তবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সমূহে ২ জন করে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য অস্ত্রসহ থাকবেন। এছাড়া ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ৯টি, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন।

    সিসিক নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৯৪৮ জন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

    বিসিসি

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    এবার ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

    নগরীতে ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে বিরামহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম পদ্ধতিতে।

    বিসিসি নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি অধিক গুরুত্বপূর্ন (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ৬২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা।

    অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন এবং আনসার মিলিয়ে ১৪ জন সশস্ত্রসহ মোট ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারসহ মোট ২২ জন সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন ছাড়ও পুলিশের একাধিক দলকে টহল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রিজার্ভ এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচারের জন্য ১০ জন নির্বাহী এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

    এছাড়া ১৯ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও র্যাবের ৩৫টি টহল দল ও সাদা পোশাকধারীসহ প্রায় সাড়ে ৩শ সদস্য কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

  • বরিশাল থেকে কলকাতাও যাবে বুলেট ট্রেন

    বরিশাল থেকে কলকাতাও যাবে বুলেট ট্রেন

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীতে আবার ক্ষমতায় আসতে পারলে সারা দেশে বুলেট ট্রেন চালু করব। যে ট্রেনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে এক ঘণ্টায় ঢাকা আসা যাবে। এভাবে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও দিনাজপুর থেকে যাতে দ্রুত মানুষ ঢাকায় যাতায়াত করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। শুধু দেশের মধ্যে নয়, বরিশাল থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতাও বুলেট ট্রেন চালু করা হবে।

    শনিবার (২৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে নর্থ ইউলুপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ইউলুপ উদ্বোধনের পর মোনাজাত শরিক হন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ইউলুপ পরিদর্শনে বের হন। পরিদর্শন শেষে আবার ইউলুপ উদ্বোধনস্থলে ফিরে আসেন। শেখ হাসিনা মঞ্চে ওঠার পর জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ মাসুদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

    ইউলুপটি উদ্বোধনের পর তা জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এই ইউলুপের ফলে হাতিরঝিল থেকে সহজেই রামপুরা-বনশ্রী হয়ে মালিবাগের দিকে যাওয়া যাবে। অন্যদিকে, এসব এলাকা থেকে বের হয়ে হাতিরঝিল হয়ে কারওয়ান বাজার এলাকায় যেতে পারবেন যাত্রীরা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকা-ের কারণেই ঢাকায় লোকজনের চাপ খুব বেশি। এ চাপ যেন না থাকে সে কারণে ২০ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। ঢাকা থেকে মানুষের চাপ কমানোর জন্য ঢাকার আশপাশে ছোট ছোট শহর গড়ে তোলা হবে। যে শহরগুলোতে থাকবে মাল্টি স্টোরেড বিল্ডিং। এসব শহর থেকে খুব সহজে যাতে মানুষ ঢাকায় যাতায়াত করতে পারে। বাড়ি থেকে যেন ঢাকায় অফিস করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।

    এছাড়া ঢাকার চারপাশে নদীপথ ও রেলপথ থাকবে। মোট কথা যানজট নিরসনে রাজধানী ঢাকা শহরকে ঘিরে একটি এলিভেটেড রিং রোড নির্মাণ করা হবে। এতে এই সড়ক দিয়ে যান চলাচল সহজ হবে। সময়ও সাশ্রয় হবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে। এজন্য গাড়ি কেনার সামর্থ্যও বেড়েছে। যে কারণে রাস্তাঘাটে গাড়ি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশেই যানজট হয়। ঢাকায়ও যানজট আছে। তাই যানজট মোকাবেলায় আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ২০১৯ সালে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হবে। বাকি অংশ চালু হবে পরের বছর, ২০২০ সালে।

    শেখ হাসিনা বলেন, রাজধানীর যানজট কমানোর জন্য ভবিষ্যতে রাজধানীর যেসব খাল রোড হয়েছে সেগুলো উদ্ধার করে উপরে রোড এবং নিচে নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। ঢাকার সুয়ারেজ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে। এ ছাড়া সারা দেশে খাল, বিল, পুকুর, ডোবা সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

    সমন্বিত হাতিরঝিল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ইউলুপ প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে। ২১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৭ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ ইউলুপটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৩ কোটি টাকা। রামপুরা-বনশ্রী এলাকার যানজট নিরসনে ২০১৬ সালের শুরুতে এ ইউলুপ নির্মাণের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী।’