Category: জাতীয়

  • বিসিসি নির্বাচনঃ ১১ ওয়ার্ডের ২৭ কাউন্সিলর প্রার্থীর দিকে নজর থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর

    বিসিসি নির্বাচনঃ ১১ ওয়ার্ডের ২৭ কাউন্সিলর প্রার্থীর দিকে নজর থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁদের দ্বন্দ্বের কারণে আশঙ্কা ভোট গ্রহণের দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। দুটি গোয়েন্দা সংস্থা সেই আশঙ্কার কথা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েছে।

    মেয়র প্রার্থীদের কারণে নয়, সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের কারণে এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবনতি ঠেকাতে ১১টি ওয়ার্ডের ৩২ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের দিকে বিশেষ নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। এই ২৭ জনের মধ্যে ১৭ জন আওয়ামী লীগের, সাতজন বিএনপি এবং তিনজন জামায়াতের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত যে ১৭ জনকে প্রার্থীকে বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে তাঁরা হলেন ১০ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন হাওলাদার এবং তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বি এটিএম শহিদুল্লাহ, ১১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মজিবর রহমান এবং তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বি মারুফ আহম্মেদ জিয়া, ২৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার এবং নং ওয়ার্ডের এমরান চৌধুরী জামাল, ১২ নং ওয়ার্ডের জাকির হোসেন ভুলু, ১৪ নং ওয়ার্ডের তৌহিদুর রহমান ছাবিদ ও শাকিল হোসেন পলাশ, ২১ নং ওয়ার্ডের শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না ও শাহরিয়ার সাচিব রাজীব, ২২ নং ওয়ার্ডের আনিছুর রহমান, ২৫ নং ওয়ার্ডের এম সাইদুর রহমান জাকির, ২৬ নং ওয়ার্ডের হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ হাসান ইমাম ২৭ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রশিদ হাওলাদার এবং ২৮ নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর হোসেন।

    বিশেষ নজরে রয়েছেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ও পর পর তিনবার নির্বাচিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ১২ নং ওয়ার্ডের কেএম শহিদুল্লাহ ও ২১ নং ওয়ার্ডের আলতাফ মাহমুদ সিকদার। এ ছাড়া রয়েছেন একাধিকবার নির্বাচিত ২২ নং ওয়ার্ডের আনম সাইফুল আহসান আজিম, ২৫ নং ওয়ার্ডের জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, ২৬ নং ওয়ার্ডের ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, ২৭ নং ওয়ার্ডের গিয়াস উদ্দিন বাবুল মোল্লা, ২৮ নং ওয়ার্ডের হুমায়ুন কবির। জামায়াতপন্থীদের মধ্যে আছেন ১৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সালাউদ্দিন মাসুম, ২৩ নং ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান এবং ২৭ নং ওয়ার্ডের মনিরুজ্জামান তালুকদার।

    এই প্রার্থীদের অনেকে স্বীকার করেন, তাঁদের ওয়ার্ডে প্রতিদিনই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। তাতে সাধারণ ভোটারা আতঙ্কিত হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তাঁরা একে অন্যকে দোষারোপ করেন। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এগিয়ে আসার জন্যও অনুরোধ জানান তাঁরা।

    বিএনপিপন্থী কাউন্সিলর প্রার্থী কেএম শহিদুল্লাহ, আলতাফ মাহমুদ, আ ন ম সাইফুল আহসান আজিম বলেন, ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীনদের প্রার্থী প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি নিয়ে তাঁরা শঙ্কিত। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হবে। সেই প্রার্থীর প্রভাবে সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রমুখী হবে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো হলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ের কারণ আছে। এ ব্যাপারে কোনো আশঙ্কা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে বলা হলে তা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করেন তাঁরা।

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ : সোমবার ভোট

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ : সোমবার ভোট

    শেষ হলো বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনা। সেই সাথে ভোটারদের দরজায় কড়া নাড়ছে ভোটের দিনের। কেননা আজ বাদে আগামী কাল সিটি নির্বাচনের সেই কাংখিত ভোট গ্রহন। তাই এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ওইদিন বরিশালের ভোটাররা আগামী ৫ বছরের জন্য বেছে নিবে তাদের নেতা অর্থাৎ মেয়র এবং কাউন্সিলরদের।

    তাই প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা শেষে হিসাব নিকাশ কশছে ভোটাররা। সৎ, যোগ্য, জনবান্ধব এবং আধুনিক চিন্তা ধারার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী খুঁজে বেড়াচ্ছেন তারা। সেই ভাবনা থেকেই নিজেদের যোগ্য প্রার্থী দাবী করে জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী বিসিসি’র ৬ মেয়র ও দুই পদের মোট ১২৯ কাউন্সিলর প্রার্থী। তবে ভোটারদের চিন্তাধারা এবং পছন্দের তালিকায় কে রয়েছেন সেই ফলাফল বেরিয়ে আসবে ৩০ জুলাই ভোটের ফলাফল ঘোষনার সাথে সাথে।

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের দেয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ২৯ জুলাই রোববার দুপুর থেকে বিকালের মধ্যেই বিসিসি’র ১২৩টি কেন্দ্রে পুলিশি নিরাপত্তায় পৌছে দেয়া হবে ব্যাটল বক্স সহ নির্বাচন সরঞ্চামাদী। সেই সাথে কেন্দ্রগুলোতে আজ থেকেই দায়িত্ব পালন শুরু করবেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও প্রিজাইডিং অফিসাররা।

    তার আগে গতকাল (২৮ জুলাই) শনিবার বিকাল থেকেই নগরীতে নির্বাচনকালিন নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেছে র‌্যাব ও বিজিবি। নির্বাচনী এলাকা মনিটরিং করছেন ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের ৩০টি করে টিম সকাল থেকেই নগরীর সদর রোড সহ নির্বাচনী এলাকায় টহল দিয়েছে। তাছাড়া সন্ধ্যার পরে মোটর সাইকেল এবং জিপ নিয়ে শোডাউন দিয়েছে র‌্যাব-৮ সদস্যরা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনের লক্ষ্যে এরই মধ্যে আমাদের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবার নতুন-পুরাত মিলিয়ে মোট ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। হিসাব অনুযায়ী বরিশাল সিটিতে এবার নারী ভোটারের তুলনায় পুরুষ ভোটার ৭০৬ জন বেশি। ওই সংখক ভোটারদের বিপরিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন মেয়র প্রার্থী।

    এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনিত “নৌকা” প্রতীকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপি মনোনিত “ধানের শীষ” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরওয়ার, জাতীয় পার্টির “লাঙ্গল” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনিত “হাতপাখা” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব, বাসদ মনোনিত “মই” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী ও কমিউনিস্ট পার্টির “কাস্তে” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী একে আজাদ।

    এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৫ জন। অবশ্য সংরক্ষিত ১০.১১.১২ নং ওয়ার্ডে এবং সাধারণ ১৫, ১৬ ও ১৯ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চারজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, এবার ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে মোট ১২৩টি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগনের জন্য। তার মধ্যে আবার বুত এর সংখ্যা ৭৫০টি। অবশ্য কেন্দ্রে ভোটারদের চাপ এবং প্রয়োজন হলে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী বুথ এর সংখ্যা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

    তাছাড়া এবার ৪টি ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হবে। ওয়ার্ড চারটি হল, ১২, ২০, ২১ ও ২৮। সব মিলিয়ে যে ১২৩টি কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে ১১২টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ন বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা। গুরুত্বপূর্ন প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ ১১টি কেন্দ্রে ২২ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    তাছাড়া ভোট কেন্দ্রের ভেতরে দুই হাজার ৬১৩ জন প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং এবং পোলিং অফিসারকে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে এদের মধ্যে থেকে ২ হাজার ৩৭৩ জন আগামীকাল ৩০ জুলাই ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। বাকিরা আপদকালিন জরুরী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত থাকবে। যারা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন তাদের মধ্যে ১২৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭৫০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং এক হাজার ৫শ জন পোলিং এজেন্ট দায়িত্ব পালন করবে।

    উল্লেখ্য, সকল জল্পনা কল্পনার অবসন ঘটিয়ে আগামী কাল ৩০ জুলাই সোমবার বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কাংখিত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষে গতকাল ২৮ জুলাই শনিবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনা। সেই সাথে নির্বাচনী এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আজ সন্ধ্যার পূর্বে নগরীতে প্রবেশের প্রতিটি গেটে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশী চৌকী স্থাপন করা হবে। অপরিচিত এবং বাইরের লোকজন বরিশালে প্রবেশ করতে পারবে না। তাদের তল্লাশী করে নগরীতে প্রবেশ করতে দেয়া হবে।

    অবশ্য এর আগেই গতকাল শনিবার থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে র‌্যাবের ৩টি চেক পোষ্ট সহ পুলিশের একাধিক চেক পোষ্ট দেখা গেছে। নগরীর আবাসিক হোটেল গুলোতে বহিরাগত এবং অপরিচিত লোক নিয়ন্ত্রনের জন্য তল্লাশী কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ এবং ডিবি’র টিম। অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে শান্তিপূর্ন ভোট গ্রহনের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন নজিরবিহিন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় অাহত বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী

    মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় অাহত বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী

    বরিশালে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় আহত সাবেক বাকসু সদস্য ও মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি, বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী। গতকাল অনুমানিক রাত ১১টার দিকে বরিশাল নগরীর চানমারি বাংলার মুখের নিজস্ব কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মোটরসাইকেল পিছলে আহত হন।

    বরিশালে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায়  বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরীর ডান পা এর ভেইন ছিরে ভেঙ্গে যায় ও ফুলে উঠে। আহত পলাশ চৌধুরীকে এ্যাম্বুলেন্সে করে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। এসময় ডাক্তারের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি ও অপারেশন করা হয়েছে  তার পা ।

    মুহাঃ পলাশ চৌধুরীকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। বর্তমানে মুহাঃ পলাশ চৌধুরীকে বাসায় চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    রাতেই  আইত পলাশ চৌধুরীকে দেখতে আসেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও অন্যান্য নেতাকর্মিরা।

    আহত মুহাঃ পলাশ চৌধুরী  সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন সে যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে। 

  • বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না: আইনমন্ত্রী

    বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না: আইনমন্ত্রী

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি যদি কোনো দিন ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে না।

    তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না। তারা বিশ্বাস করে পাকিস্তানকে। তাদের জায়গা পাকিস্তান, তালেবান ও আইএসের দেশে। তাই আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষায় জনগণকে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।

    শুক্রবার দুপুরে আখাউড়া পৌর শহরের নাছরীন নবী গার্লস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সমাবেশে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়ার সময় নারীদের কোনো অধিকার দেয়া হতো না। তাদের ওপর এসিড ছোড়া হতো। তাদের কোনো পরিচয় ছিল না। এখন বাংলাদেশ নারীদের জন্য একটা স্বর্গ।

    আখাউড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন, জেলা পরিষদ সদস্য ও যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল কাশেম ভূইয়া, কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদুল কায়ছার জীবন প্রমুখ।

    কসবায় আইনমন্ত্রী : কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের মাদলা সোনার বাংলা সিরাজুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। আইনমন্ত্রীর বাবা প্রখ্যাত আইনজীবী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত সিরাজুল হকের নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের মাঠে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় আইনমন্ত্রী বলেছেন, খালেদা জিয়ার বানানো সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। সেই মামলায় সাজা হয়েছে।

    বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুল হক ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল কাউছার ভূইয়া, এমজি হাক্কানী, রুহুল আমিন ভূইয়া, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন, কসবা প্রেস ক্লাব সভাপতি সোলেমান খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ইকবাল, কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন।

    বক্তব্য রাখেন বায়েক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-মামুন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. শাহজাহান, বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল কুদ্দুছ, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুন্নবী প্রমুখ।

  • টানা ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন চোখে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

    টানা ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন চোখে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যক্তি স্বার্থে রাজনীতি করলে দেশকে কিছুই দেয়া যায় না। জনকল্যাণে রাজনীতি করলে দেশকে অনেক কিছু দেয়া যায়। আওয়ামী লীগ তা প্রমাণ করেছে এবং দেখিয়েছে। এছাড়া টানা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন চোখে পড়ে।

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনটির নেতারা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যাজ পরিয়ে দেন।

    প্রথমে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সাংগঠনিক নেত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতারা। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে অভিনন্দন জানান।

    এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে খালেদা জিয়া জেলে আছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এতিমের অর্থের লোভ সামলাতে পারে না তারা কীভাবে দেশ চালাবে। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশে ফিরেছি কারণ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভাত-ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। জনকল্যাণমুখী রাজনীতি ছাড়া ব্যক্তি স্বার্থের রাজনীতি দেশকে কিছু দিতে পারে না, তা ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করলেও কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে কলেজ ছাত্রী কেউ রক্ষা পায়নি। তাই বিএনপি-জামায়ায়ের ওপর দেশের মানুষের আস্থা নেই, তা আজ প্রমাণিত। গ্রামের মানুষও শহরের নাগরিক সুবিধা পাবে।

    এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগকে তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে নৌকার জন্য ভোট চাওয়ার পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সংগঠন গড়ে তুলে জনগণের সেবা করার আহ্বান জানান তিনি।

    পরে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে সেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (২৭ জুলাই)। মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় ১৯৭১ সালের আজকের দিনে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির প্রথম সন্তান জয়ের জন্ম হয়। দেশ স্বাধীনের পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

  • বরিশালে মেয়র প্রার্থীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান রয়েছে -নির্বাচন কমিশনার মাহবুব

    বরিশালে মেয়র প্রার্থীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান রয়েছে -নির্বাচন কমিশনার মাহবুব

    নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, সুষ্ঠ নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মেয়র প্রার্থীরা। তারা নির্বাচন সুষ্ঠ হওয়ার লক্ষ্যে সকল সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। শুক্রবার দুপুরে বরিশাল নগরীর কাশিপুরস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এই কথা বলেন।

    এসময় নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, বরিশালে খুবই শান্ত ও পারষ্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। আমি আশা করি নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এই পরিবেশ বজায় থাকবে। বরিশালে অন্য দুই সিটি কর্পোরেশনের চাইতেও সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় থাকবে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, গনমাধ্যমের মাধ্যমে হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়টি আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে আমি বিভাগীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করতে যাচ্ছি। তাদের সাথে আলোচনা না করে কিছু বলতে পারছি না।

    তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে যারা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্পৃক্ত তারা দয়া করে মস্তিস্কে ধারন করুন এবং আত্মস্ত করুন যে আপনারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে। পাশাপাশি সেই হিসেবে তারা নির্বাচনের সময়ে দায়িত্ব পালন করবেন। আমি জানি তারা সরকারি কর্মকর্তা কিন্তু তার সাথে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সুতরাং নির্বাচন কমিশনের যা কিছু নির্দেশনা তা পরিপূর্ণ ভাবে তাদের পালন করতে হবে।

    তিনি বলেন, সুষ্ঠ ভোট হবে কি হবে না এই সংশয় প্রত্যেক প্রার্থীর মধ্যেই থাকে। প্রত্যেক প্রার্থীই চিন্তা করেন যে সুষ্ঠ ভোট হলে তিনি জয়ী হবেন। সুষ্ঠ নির্বাচনের বিষয়ে প্রত্যেক প্রার্থীর ব্যক্তিগত মতামত আছে তারা সুষ্ঠ নির্বাচন চান। নির্বাচনের নানান আশঙ্কাকে নিরসন করার চেষ্টা করি আমরা। আশঙ্কা থেকে আমরা সচেতনতা-সতর্কতা বৃদ্ধি করি।

    নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি ব্যবস্থাও নিয়েছি। অনেককে সতর্ক করে দিয়েছি, জরিমানা করেছি, তবে কাউকে এখনও জেলে দেয়নি। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মুজিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্র্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওয়াইদুর রহমান মাহবুব, বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী, সিপিবির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকার কোন কারণ নেই -সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনঃ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকার কোন কারণ নেই -সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, বরিশালে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এটা নিয়ে সংশয় বা শংকার কোনো কারণ নেই। বরিশালের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড এলাকায় গনসংযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    গনসংযোগের ফাঁকে সাংবাদিকদের কাছে তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত ৯টি অভিযোগ দিয়েছি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে। সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো এ্যাকশন নেয়া হয়নি। অভিযোগগুলোর মধ্যে গুরুত্বর অভিযোগটি ছিল আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দেয়া। বিএনপি প্রার্থী বস্তি বা কলোনী বাসীদেরও হুমকি দিয়েছেন।’

    সাদিক বলেন, ‘একটি নির্বাচনে তো অভিযোগ থাকবেই। আর বরিশালে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যে নির্বাচন নিয়ে শংকা থাকবে। এতবড় একটি জনগোষ্ঠির বসবাস বরিশালে। এখানে আনন্দমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে নির্বাচন নিয়ে। আর শংকার এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা ভালো বলতে পারবেন। আমার বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকতো তাহলে সেটার উত্তর আমি দিতাম। বরিশালে নির্বাচনী পরিবেশ অনেক সুন্দর রয়েছে। এই নির্বাচন নিয়ে শংকার কোনো কারনই নেই। এবারের নির্বাচনে কোনো মারামারি নেই, কাটাকাটি নেই। বিগত নির্বাচনগুলোতে তো খুনের ঘটনাও ঘটেছে।’

    বিএনপি’র নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে তবে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘কারো গ্রেফতারের বিষয়টি আমার জানা নেই। অর্থাৎ খোঁজ নিতেও পারছি না। আমি সারাদিন জনগনের দোড়গোরায় যাচ্ছি। আমার চিন্তাভাবনা এখন নগরের উন্নয়ন নিয়ে। আমি নির্বাচিত হলে কি করব সেটাই ভাবছি বা পর্যালোচনা করছি। এখন কে গ্রেফতার হল বা কে ছাড়া পেল সেসব বিষয় আমার জানা নেই। টেলিভিশন বা পত্রিকায় কি নিউজ হচ্ছে সেটা দেখারও সময় পাচ্ছি না আমি। আমি জনগনের জন্য কাজ করার প্রত্যয় গ্রহণ করেছি। আমি সদর রোডে এসে ফটোস্যুট করে আবার বাসায় ঢুকে যাইনা। ভোটারদের প্রতি আমার একটি আহ্বান থাকবে যে ৩০ তারিখ কেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দেয়ার জন্য।’ গনসংযোগকালে তার সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রার্থী ও জনগনের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে : মনীষা

    বিসিসি নির্বাচনঃ পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রার্থী ও জনগনের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে : মনীষা

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা পুরোপুরি আস্থা এখনো রাখতে পারছি না। কারন তারা ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে একটি শক্তিশালী অবস্থান আমাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি।তবে এখনো আমরা পর্যবেক্ষন করছি এবং জনগনকেও আহবান জানাবো জনসম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে যাতে তাদের ভোটাধিকার রক্ষা হয়। শুক্রবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বরিশাল নগরের কাশিপুরস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সিটি করপোরশেন নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    মনীষা আরো বলেন, পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে আমাদের মধ্যে এবং জনগনের মধ্যে একটি শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।এ শঙ্কা যদি দূরীভূত করা না হয় তবে ‍খুলনা ও গাজীপুরের একটা কন্টিভেশন বরিশালে দেখতে হবে। এসময় তিনি বলেন, আমাদের কর্মীদের শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে। যে বিষয়ে আমরা থানার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেরও অভিযোগ দিয়েছি। এ বিষয়টা সহ নানান সমস্যার কথা বলেছি নির্বাচন কমিশনারের সাথে। অন্য প্রার্থীরাও নানান সমস্যরা কথা বলেছেন। তিনি আমাদের সমস্যার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সাথে আলোচনা করবেন, ব্যবস্থা নেবেন। তবে এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনার বলেছেন নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। এসময় বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী ছাড়াও বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার, আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন (তাপস), ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওয়াইদুর রহমান মাহবুব, বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী, সিপিবির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • এই মুহুর্তে মাঠ থেকে সরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই : তাপস

    এই মুহুর্তে মাঠ থেকে সরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই : তাপস

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন (তাপস)বলেছেন, ৩০ তারিখের নির্বাচন নিয়ে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এরইমধ্যে ১২৩ টি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।গতকাল পোলিং এজেন্টদের ভোটারস্লিপ ও তালিকা দিয়ে স্ব-স্ব কেন্দ্রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

    আমার এই মুহুর্তে মাঠ থেকে সরে যাওয়ার কোন অবস্থা নেই, কোন সুযোগ নেই। জনগন ও জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা আমার সাথে রয়েছেন। শুক্রবার (২৭ জুলাই) বিকেলে নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

    এসময় তাপস আরো বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আমাকে যা বলেছেন তাই আমি করছি। তিনি আমাকে দলীয় মনোনয়নপত্রে সাক্ষর দিয়ে বরিশালে পাঠিয়েছেন এবং বলেছেন প্রতিদ্বন্দীতা করো, আমি তো তাই করছি।তিনি এর বাহিরে অন্য কোন কাগজ আমাকে দেয়নি। আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরণের কোন নির্দেশনা আমি পাইনি।কিংবা প্রত্যাহারের কোন চিঠিও আমি পাইনি। আর আমি যতটুকু জানি মহাজোটে আমরা নেই। নির্বাচনে কালো টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, শুধু নির্বাচন নয় সবজায়গায় কালো টাকার প্রভাব রয়েছে। এটা আমি একা দূর করতে পারবো না। এজন্য সরকার ও সাধারণ মানুষের সচতেনতার বিষয়।

    নির্বাচনের পরিবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, বরিশালে নির্বাচনের পরিবেশ খারাপ না, এখানে কোন সহিংসতা ঘটেনি। সব প্রার্থী সহ অবস্থানে রয়েছি এবং ভালো অবস্থানেই আছি। কিন্তু একটি সংশয় গত রাতে একটি মোটরসাইকেলের একটি মহড়া হয়েছে। প্রশাসনিক কিছু মানুষ আছে যারা ভীতি ছড়াচ্ছে। তাই প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ কারো সহিংসতা রোধ ও কারো পক্ষপাতিত্ব না করার জন্য। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা পুরোপুরি আস্থা এখনো রাখতে পারছি না। কারন তারা ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে একটি শক্তিশালী অবস্থান আমাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি।তবে এখনো আমরা পর্যবেক্ষন করছি এবং জনগনকেও আহবান জানাবো জনসম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে যাতে তাদের ভোটাধিকার রক্ষা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা জাপার সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ দলী নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এরআগে শুক্রবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বরিশাল নগরের কাশিপুরস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সিটি করপোরশেন নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের মতবিনিময় সভা শেষে ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, নির্বাচন কমিশনার আমাদের কাছে সহযোগীতা চেয়েছেন। তিনি আমাদের (মেয়র প্রার্থীদের) প্রতি আবেদন করেছেন নির্বাচনের পরিবেশ যেনো সুষ্ঠু রাখি। তাপস বলেন, নির্বাচন কমিশনার আমাদের অভিযোগের কথা শুনেছেন। তিনি বললেন অভিযোগ দিতে। এরমানে হলো আমি খুন হয়ে গেছি তারপর আমি অভিযোগ করলে লাভ কি।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন : মোবাইলে ম্যাসেজ করে ভোট চাইছেন সরোয়ার-সাদিক

    বরিশাল সিটি নির্বাচন : মোবাইলে ম্যাসেজ করে ভোট চাইছেন সরোয়ার-সাদিক

    ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী এড. মজিবর রহমান সরোয়ার।

    সামাজিক যোগাযোগের অন্যমত মাধ্যম মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ এর মাধ্যমে ভোট চাইছেন তারা। ডিজিটাল প্রচারণা ফিছিয়ে রয়েছে জাতীয় পার্টির মনোনিত মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবত্তী, সিপিপির মেয়র প্রার্থী এড.একে আজাদ, ইসলামী আন্দোলন এর মেয়র প্রার্থী ওয়াদুর রহমান মাহবুব।

    ভোটারদের মোবাইলে দেয়া আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর ম্যাসেজটিতে উল্লেখ করেন, ‘‘পিছু ফিরে তাকানোর দিন শেষ। এবার সমৃদ্ধির পথ ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। আসুন আপনি, আমি এবং আমরা সবাই মিলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে গড়ে তুলি সমৃদ্ধির বরিশাল।’’

    অপরদিকে বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী এ্যড. মজিবর রহমান সরোয়ার কর্তৃপক্ষ প্রেরিত মোবাইল বার্তায় বলেন, ‘‘মেয়র পদে এড. মজিবর রহমান সরোয়ারকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন।’’