Category: জাতীয়

  • বরিশালে র‌্যাব ৮ এর  উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    বরিশালে র‌্যাব ৮ এর উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ আগামী ১৬ জুলাই রোজ শোমবার সকাল ১০৩০ ঘটিকায় ‘‘বরিশাল সরকারি কলেজ’’ প্রাঙ্গণে র‌্যাব-৮, বরিশাল এর আয়োজনে মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

    প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম এবং অনুষ্ঠানে  সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম।

    মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বরিশালের স্বনামধন্য  ০৮টি স্কুল ও কলেজ অংশগ্রহন করবেন।

    ক। বরিশাল সরকারি কলেজ
    খ। বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ
    গ। বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ
    ঘ। বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ
    ঙ। বরিশাল সরকারি আলেকান্দা কলেজ
    চ। বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ
    ছ। বরিশাল অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়
    জ। বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ

    উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে বরিশালের সকল স্কুল,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র- ছাত্রী,  ইলেকট্রনিক/প্রিন্ট মিডিয়া সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

  • বিএনপির গলার কাঁটা জামায়াত

    বিএনপির গলার কাঁটা জামায়াত

    ২০-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী এখন বিএনপির গলার কাঁটা। দেশের ভিতরে ও বাইরে এ দলটিকে নিয়ে ব্যাপক চাপে রয়েছে বিএনপি। তাদের দ্বন্দ্ব নতুন করে প্রকাশ্যে এসেছে সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার আগে গত ২৭ জুন ২০-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে জামায়াতের প্রতিনিধিও ছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, জোটগতভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে সবাই সমর্থন দেবে। জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধও জানানো হয় বৈঠকে।

    জানা যায়, ওই বৈঠকে কিছু না বললেও পরবর্তীতে বেঁকে বসে জামায়াত। দলীয় প্রার্থী সিলেট জেলা আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি দলটি। এ নিয়ে সিলেট সিটি ভোটে অস্বস্তিতে পড়েছে বিএনপি। এ ছাড়া বিএনপির আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিমও মাঠে। এই দুই প্রার্থীর জাঁতাকলে রয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র আরিফুল হক। তারা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ে তেমন কোনো বেগ পেতে হবে না বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    এ প্রসঙ্গে জোটের শরিক দল ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, জাতীয় স্বার্থে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী প্রত্যাহার করা উচিত ছিল। এটা তারা ভুল করেছে। যেখানে বিএনপিই বিশাল ভোটব্যাংক নিয়ে এই সরকারের আমলে প্রার্থী দিয়ে টিকে থাকতে পারছে না, সেখানে জামায়াতের তো প্রশ্নই আসে না। সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০-দলীয় জোটের বৈঠকের এক পর্যায়ে জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল হালিম জানান, সিলেটে  মেয়র প্রার্থী দেওয়ার দাবি বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছি।  দেখি তারা কী করেন। এ সময় তার বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে জোটের অন্য শরিক দলগুলো। এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, তিন সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীই জোটের প্রার্থী। এর বাইরে প্রার্থী করা হলে জোটের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হবে। যার কারণে ভবিষ্যতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এ সময় তিনি জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের প্রতি জোটের স্বার্থে নিজেদের প্রার্থী না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। কিছুক্ষণ পরই দলের জরুরি বৈঠকের কথা বলে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল হালিম। এরপর তারা দলীয় প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দেন। এদিকে সিলেটে জামায়াতের প্রার্থী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,  শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবেন। তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো সুযোগ নেই। এতে  জোটেরও ক্ষতি হবে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও ৫টি আসন দুই জোটের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তখনো সমস্যা হয়নি। এটি পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয়। আর মূলত  জোট হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের জন্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নয়। জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনেও পাশে নেই জামায়াত। জোটের অন্য শরিকদের সব কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেলেও জামায়াতের প্রতিনিধিরা ছিলেন দায়সারা গোছের। শুধু তাই নয়, এই সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জোট বা বিএনপির যে কোনো কর্মসূচিতেই জামায়াতকে গা-ছাড়া ভাব দেখা গেছে। বিএনপি নেতারা অবশ্য বলছেন, বিগত চার বছর ধরে জামায়াত সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় দলের  আমির ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অনায়াসে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন। এটাকে ভালো চোখে দেখছে না জোটের অন্য শরিক দলগুলো। বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা জানান, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক থাকুক—এটা ভারতসহ পশ্চিমা  দেশগুলোও চায় না। কারণ, ভারতের ধারণা; এটা পাকিস্তানপন্থি দল। সম্প্রতি ভারত সফরকালে বিএনপি  নেতাদের সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ে কর্তাব্যক্তিদের সফরেও জামায়াতের প্রসঙ্গটি উঠে আসে। দিল্লি থেকে জানানো হয়, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন চাইলে জামায়াতকে ছাড়তে হবে। তবে বিএনপি দিল্লিকে জানিয়েছে, জামায়াতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কৌশলগত, আদর্শিক নয়। ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের প্রতিক্রিয়াশীল অংশের মতামতে জামায়াতকে নিয়ে চারদলীয় জোট গঠন করে বিএনপি। ওই সময়েই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া  নেতারা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ও  সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদকে মন্ত্রী বানানো হয়। এ নিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনা হয়। বিএনপিতে এখন বলাবলি হচ্ছে, দেশে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জামায়াত-ই বড় বাধা। তারা যুদ্ধাপরাধীদের দল। তাই তাদের সঙ্গে থেকে কেউ ঐক্য করতে চাইছে না।

  • খালেদার রিভিউ আবেদন মুলতবি

    খালেদার রিভিউ আবেদন মুলতবি

    আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার আপিল নিষ্পত্তির আদেশ রিভিউ চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রেখেছেন আপিল বিভাগ।

    বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    তবে ওই সময়ের মধ্যে আপিল শুনানি শেষ না করতে পারলে রিভিউ আবেদন বিবেচনা (কনসিডার) করা হবে বলেও জানিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

    এদিন, আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ওইদিন থেকেই পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। পরে এই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পর খালেদা জিয়াকে গত ১২ মার্চ চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর গত ১৬ মে তা বহাল রেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চতর আদালত।

    পরে খালেদা জিয়া ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল মামলার নিষ্পত্তিতে আপিল বিভাগের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করেন।

  • ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা

    ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/প্রক্টরের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান, ঘোরাফেরা এবং কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
    গত ৫ জুলাই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহের প্রভোস্ট কমিটির মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলসমূহে সাম্প্রতিককালে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির এক সভা গত ৫ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তসমূহ হলো ছাত্রত্ব নেই এমন অছাত্রকে কর্তৃপক্ষ হলে অবস্থান করতে দেবেন না এবং অনতিবিলম্বে অছাত্রদের (যদি থাকে) হল ছাড়ার নির্দেশ সম্বলিত নোটিশ প্রদান করবেন। এতদিবষয়ে প্রয়োজনে হল কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেবেন। হল প্রশাসনের পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনো অভিভাবক ও অতিথিও হলে অবস্থান করতে পারবেন না।
    বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা ও নিরাপত্তা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সদয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিবেন বলে বলা হয়।
  • তিন সিটির এজেন্টদের অগ্রিম তালিকা নিচ্ছে ইসি

    তিন সিটির এজেন্টদের অগ্রিম তালিকা নিচ্ছে ইসি

    রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের এজেন্টদের অগ্রিম তালিকা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থীর এজেন্টদের হয়রানি বন্ধে এই তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইসি এই তিন সিটিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় কাউকে গ্রেপ্তার না করতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেবে।

    রবিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনানেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

    এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রার্থীর এজেন্টদের হয়রানি বন্ধ করতে তাদের নামের তালিকা আগেই নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। যাতে আমরা দেখতে পারি ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কি না।

    এর আগে গাজীপুর সিটিতে ভোটের একদিন আগে ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য সেখানকার পুলিশ সুপারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল ইসি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আমরা এমন নির্দেশনা দিয়েছিলাম। রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষেও ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে যেন গ্রেপ্তার না করা হয়, সেই নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। ওয়ারেন্ট থাকলে সেটা ভিন্ন বিষয়।’

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটিতে ভোটগ্রহণ করা হবে। গত ১৫ মে খুলনা ও ২৬ জুন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। এই দুই সিটিতে তফসিল ঘোষণার পর নেতাকর্মী ও প্রার্থীর এজেন্টদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ করে বিএনপি। গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনে অনিয়মের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট। অব্যাহত সমালোচনার মুখে নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। গাজীপুরে অনিয়মের ঘটনা তদন্তে একজন নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব দেন সিইসি কেএম নূরুল হুদা। আগামী তিন সিটিতে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

  • তরিকুলকে ঢাকায় আনার পরামর্শ

    তরিকুলকে ঢাকায় আনার পরামর্শ

    ছাত্রলীগ নেতাদের হামলায় আহত কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম তারেককে ঢাকায় আনার পরামর্শ দিয়েছেন তার চিকিৎসকরা।

    তরিকুলের চিকিৎসক ডা. সাঈদ আহমেদ এক্স-রেসহ বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে তরিকুলকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘তরিকুলের ডান পা মারাত্মকভাবে ভেঙে গেছে। ওর পিঠের এক্স-রে করিয়েছি আমরা। কোমরের ঠিক উপরে মেরুদণ্ডের হাড় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেঙে গেছে বলা যায়। ভারী কিছুর আঘাতে এমনটি হয়েছে। তাকে দীর্ঘসময় চিকিৎসা নিতে হবে।’

    উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই বিকেলে কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ আন্দোলনকারীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পতাকা মিছিল বের করলে সেখানে ছাত্রলীগ হামলা চালায়। তারা হাতুড়ি, লোহার পাইপ, বাঁশ ও লাঠি দিয়ে বেধড়কভাবে পিটিয়ে তরিকুলকে গুরুতর আহত করে।

  • বিদ্রোহী প্রার্থী হলেই দল থেকে বহিষ্কার : কাদের

    বিদ্রোহী প্রার্থী হলেই দল থেকে বহিষ্কার : কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন তাদের ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

    শনিবার দুপুরে গণভবনে দলের বর্ধিত সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কাদের বলেন, যত অসুবিধাই হোক, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। ঐক্যবদ্ধ থাকলে খুলনা ও গাজীপুরের মতো কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। মনোনয়ন নিয়ে কেউ অসুস্থ প্রতিযোগিতা করবেন না। সবার এসিআর নেত্রীর কাছে আছে। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন তার পক্ষেই কাজ করতে হবে।

    সংলাপের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, গত নির্বাচনের আগে সংলাপ করার জন্য আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা যখন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে টেলিফোন করেছিলেন তখন খালেদা নেত্রীর সঙ্গে যে আচরণ করেছিলেন তাতে কি খালেদা জিয়ার সঙ্গে আর সংলাপ হয়? কোকো মারা যাওয়ার সময় শেখ হাসিনা তাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়েছিলেন তখন খালেদা জিয়া দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যারা দরজা বন্ধ করে তাদের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে না।

  • ২০২০-২১ পালন হবে মুজিব বর্ষ

    ২০২০-২১ পালন হবে মুজিব বর্ষ

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে আগামী ২০২০-২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী থেকে শুরু হয়ে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পর্যন্ত এই মুজিব বর্ষ পালিত হবে। শেখ হাসিনা গতকাল শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এক যৌথ সভার সূচনা বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ব্যাপকভাবে পালন করতে চায়। সারা দেশে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, এমনকি ওয়ার্ড পর্যায় থেকেও কর্মসূচি পালন করতে চায়। সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মুজিব বর্ষে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি পালন হবে।’ তিনি বলেন, ‘সমাজের সর্বস্তরের মানুষ নিয়েই এসব কর্মসূচি পালন করা হবে। কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলেসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়েও বহুমুখী কর্মসূচি করা হবে। খেলাধুলা নাটক, আর্টসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হবে। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি পর্যন্ত বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ২০২০-২১ সাল মুজিব বর্ষ হিসেবে পালিত হবে। এই সময় জাতীয় ও দলীয় অন্য দিবসগুলোও পৃথকভাবে পালন হবে।’

    স্বাধীনতাসংগ্রামে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের অবদানের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাঁরই দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল এ স্বাধীনতা। তাঁর রক্তের ঋণ আমাদের শোধ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের কারণে বাংলাদেশের মানুষ আজ সুখে-শান্তিতে বাস করছে। বাংলাদেশ আজ ক্ষুধামুক্ত হয়েছে। আমরা আজ নির্যাতিত শোষিত মানুষের পাশে আছি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত—শাসিত ও শোষিত। আমি শোষিত মানুষের পক্ষে। শোষিত মানুষকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

    দেশের একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গৃহহীনদের ঘর করে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ হচ্ছে গ্রামের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। উন্নয়নগুলো তৃণমূল পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশকে আমরা স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। অনেকেই বলেন—উন্নয়নশীল দেশ হওয়াটা ভালো না, দেশের মানুষের সর্বনাশ করা। কিভাবে মানুষের সর্বনাশ হয় সেটা আমি জানি না। কিন্তু আমরা উন্নয়শীল দেশ না হয়ে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াব, অন্যের কৃপায় চলব, এটাও তো হতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় চেয়েছি কারো কাছে হাত পেতে নয়, নিজেদের সম্পদ দিয়ে স্বাবলম্বী হিসেবে এগিয়ে যাব। নিজেদের পায়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। এ লক্ষ নিয়েই আমরা চলছি। মানুষের মধ্যে এই সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে চলমান। স্যাটেলাইট মহাকাশে। আমরা আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন জাতি গড়ে তুলতে চায়। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হওয়াটা অনেকের পছন্দ না। কাদের এটা পছন্দ না এটা বুঝতে হবে। যারা কঙ্কালসার মানুষ দেখিয়ে বিদেশ থেকে টাকা এনে উচ্চ হারে ঋণ দিয়ে সুদ খাবে, নিজেদের সম্পদশালী করবে, সেই পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আজ সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে। সেখানে সর্বনাশ কিভাবে হয় জানি না। সর্বনাশ সাধারণ মানুষের নয়, যারা জনগণের রক্ত চুষে খায় তাদের হতে পারে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘সোনার বাংলা গড়তে জাতির পিতার যে আজীবনের স্বপ্ন ছিল সেটা পূরণের দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ব ইনশা আল্লাহ।’

    বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরো কয়েকটি বই প্রকাশ করার কাজ চলছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘১৯৪৭ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার ৪৭টা ফাইল নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ৩০ থেকে ৪০ হাজার পাতাকে ৯ হাজার পাতায় নামিয়ে নিয়ে এসে ১৪টি খণ্ডে তা প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে একটি ভলিউমের কাজ প্রায় শেষ, শিগগির ছাপানো হবে। এই রিপোর্টগুলো পড়লে বাংলাদেশের ইতিহাস জানার বাকি থাকবে না।’ এ ছাড়া আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধুর চীন সফর নিয়ে পৃথক দুটি বই প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর রুদ্ধদ্বার যৌথ সভাটি শুরু হয়। এতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে দুটি কমিটি গঠন : বৈঠকের সূত্রগুলো জানায়, বছরব্যাপী এই কর্মসূচি পালনে জাতীয় অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। এতে সদস্যসচিব থাকছেন সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। আর আওয়ামী লীগের বছরব্যাপী কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। মুজিব বর্ষ পালন উপলক্ষে আরো বেশ কয়েকটি উপকমিটি গঠন করা হবে।

    সূত্রগুলো জানায়, বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি ও আয়োজনে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব উঠলে শেখ হাসিনা সম্মতি দেন। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি ও অস্থায়ী জাদুঘর নির্মাণের প্রস্তাব বিবেচনায় নেওয়া হয়।

  • প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলীয় পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের বেছে নেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এমনটা ধরে নিয়েই প্রার্থী তালিকা করা হচ্ছে। নানা কারণে বিতর্কিত হয়েছেন কিংবা দল ও সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন এমন শতাধিক এমপি-মন্ত্রী দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন। জনপ্রিয়তায় যারা এগিয়ে রয়েছেন, তাদেরই নৌকায় তুলছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে মনোনীত প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য ২১০টি আসন। বাকি ৯০টি আসন মহাজোটের জন্য রাখা হবে। ২১০টি আসনকে লক্ষ্যমাত্রা ধরে এরই মধ্যে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন। তারা বলছেন, সেপ্টেম্বরের আগেই দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জোটের প্রার্থীদের আসনও বণ্টন করা হবে তফসিল ঘোষণার আগেই। মনোনয়নবঞ্চিতরা যেন দলের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে না পারে, সে জন্য কেন্দ্র থেকে নানা বিকল্প দেখিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করা হবে এবং সবাইকে দলের মনোনীত প্রার্থীকে পাস করানোর জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করার কথা বলা হবে। ১৩৫টি আসনের মধ্যে ১১টি আসনে দুজন করে প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় নেওয়া হচ্ছে।

    দলীয় সুত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় যারা রয়েছেন, পঞ্চগড়-২ আসনে নুরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, লালমনিরহাট-১ উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল অথবা মহাজোট থেকে কেউ, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-৪ টিপু মুন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৩ ইউনুচ আলী সরকার। জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ আসনে ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাহ মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব-উল আলম হানিফ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, ঝিনাইদহ-২ তাহজীব আলম সিদ্দিক, যশোর-৩ কাজী নাবিল, যশোর-৫ পীযূষকান্তি ভট্টাচার্য, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন সিকদার, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার খালেক, খুলনা-৪ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাতক্ষীরা-৪ এস এম জগলুল হায়দার, বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ বেগম জেবুন্নেছা আফরোজ, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, টাঙ্গাইল-১ ড. আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ মশিউজ্জামান খান রুমেল, জামালপুর-১ নূর মোহাম্মদ, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণালকান্তি দাস, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক অথবা সাবিনা আক্তার তুহিন, ঢাকা-১৭ ওয়াকিল উদ্দিন আহমেদ অথবা মহাজোটের প্রার্থী, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ অ্যাডভোকেট রহমত আলী, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফরউল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম। গোপালগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর ই আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ সদর আসনে আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসীন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হবিগঞ্জ-৩ আবু জাহির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৫ আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন, কুমিল্লা-৮ নাসিমুল আলম চৌধুরী নজরুল অথবা জোটের কেউ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১০ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৪ ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন, নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল, চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আফসারুল আমিন, চট্টগ্রাম-১২ সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল, পার্বত্য বান্দরবানে বীর বাহাদুর উশৈ সিং ও রাঙামাটিতে দীপঙ্কর তালুকদার। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তালিকায় দুজন করে প্রার্থী রাখা আছে কয়েকটি আসনে। সে আসনগুলো হলো— গাইবান্ধা-৫ আসনে ফজলে রাব্বী মিয়া অথবা মাহমুদ হাসান রিপন, চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী অথবা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক অথবা নিজাম উদ্দিন জলিল জন, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেন মিলন অথবা লুত্ফর রহমান দিলু, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু অথবা অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ অথবা ডা. মোজাম্মেল হক, খুলনা-৩ বেগম মন্নুজান সুফিয়ান অথবা এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম অথবা শাহীন আহমেদ, গাজীপুর-৫ বেগম মেহের আফরোজ চুমকি অথবা আখতারুজ্জামান, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অথবা এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি অথবা সুজিত রায় নন্দী,  সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান অথবা আজিজুস সামাদ ডন, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ অথবা অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম অথবা দেলোয়ার হোসেন ফারুক। তাদের ব্যাপারে সর্বশেষ জরিপ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।

  • বরিশালে সিটি নির্বাচনে বিএমপির আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে সিটি নির্বাচনে বিএমপির আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে নিরাপত্তা সংক্রান্তে আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় । বিসিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    আজ ৫জুলাই বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর আমতলা বিজয় বিহঙ্গ সংলগ্ন  বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মাহ্ফুজুর রহমান বিপিএম এর সভাপতিত্বে আসন্ন সিটি কর্পোরেশেন নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্তে আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় ।উক্ত সভায় আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করার জন্য নিরাপত্তা সংক্রান্তে আলোচনা ও সিধান্ত গ্রহন করা হয়।

    উল্লেখ্য বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এ তিনটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ হয়েছে ২৮ জুন । যাচাইবাছাই শেষ হয়েছে ১ ও ২ জুলাই। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জুলাই। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জুলাই।