Category: জাতীয়

  • দুর্নীতিবাজ নয়, মনোনয়ন পাবে জনপ্রিয়রা:প্রধানমন্ত্রী

    দুর্নীতিবাজ নয়, মনোনয়ন পাবে জনপ্রিয়রা:প্রধানমন্ত্রী

    দুর্নীতিবাজরা নয় নিজ এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, ‘যেসব এমপি টাকা নিয়ে কাজ করেন, দুর্নীতি করেন, তারা নমিনেশন পাবেন না। নমিনেশন দেওয়া হবে এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই।’

    শনিবার আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    কেউ দলের বিরুদ্ধে কথা বললে তার মনোনয়ন পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের রাজনীতি করতে হলে উন্নয়নের কথা জনগনের সামনে তুলে ধরতে হবে।’

    দুঃসময়ে দলের হাল ধরে রাখা কর্মীরা যাতে অবহেলিত না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে মহাজোট করেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি লীগের।’

    আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে সবাইকে কাজ করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া আওয়ামী লীগে সুযোগ সন্ধানীদের প্রতি নজর রাখার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে ভোট না পায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

    বাঙালির যা কিছু অর্জন সবই আওয়ামী লীগের শাসনামলে এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য। সব ধর্মের মানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই দল।’

    ‘৭৫ এর পর এদেশের ক্ষমতা ছিল ক্যান্টনমেন্টে বন্দী। রাজনীতি জনগণের কল্যাণে না হলে তা দিয়ে জনগণের জন্য কিছু করা যায় না। ক্ষমতা নিজেদের ভোগ দখলের জন্য না।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় কাজ করেছে জনগণের জন্য। রাজনীতি সঠিক হলে এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন হয় এটি প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ কথা দিলে কথা রাখে।’

    বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দূর্নীতিবাজদের দলে রাখার জন্য দলের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে বিএনপি নিজেদের দূর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমান করেছে।’

    এসময় আওয়ামী লীগ সরকার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক নীতিমালাকে সময় উপযোগী করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

  • মোগো স্বপ্ন পূরণ হবে : ধন্যবাদ মা হাসিনা ।

    মোগো স্বপ্ন পূরণ হবে : ধন্যবাদ মা হাসিনা ।

    শেখ সুমন :

    বঙ্গবন্ধু আমাগো স্বপ্ন দেখিয়েছিল যে স্বাধীন হবে আমাগো এই দেশ। মোরাও স্বপ্ন দেখেছিলাম। সেই স্বপ্ন পূরণ হইছে। তারপর অনেক স্বপ্ন দেখছিলাম। কিন্তু আমাগো কান্দাইয়া চইলা গেল বঙ্গবন্ধু। ভাবছিলাম আর স্বপ্ন দেইখ্যা লাভ নাই। কিন্তু মোগো মা ,শেখ হাসিনা আমাগো অনেক স্বপ্ন পুরা করছে। আজকেও মোর একডা স্বপ্ন পূরন করছে মা শেখ হাসিনা। হেইডা হইলো আমাগো সাদিক আব্দুল্লাহকে নৌকা মার্কা দেছে।

    এহন সাদিক জিত্যাই আমাগো বরিশালের ভালো করবো।রাস্তা ঠিক করবে, ড্রেন ভালো করবে, আমাগো সবাইরে খাওয়ার পানি দেবে এই ডাই আমার শেষ স্বপ্ন। আর আমাগো ভাঙ্গা রাস্তায় রিক্সা চালাতে হবে না। ধন্যবাদ আমাগো মা শেখের মাইয়া শেখ হাসিনা।

    এভাবেই রিক্সা চালাতে চালাতে এই প্রতিবেদকের সাথে আপন মনে কথা বলেছেন রিক্সা চালক আব্দুর রহিম মিয়া। বরিশাল মহানগরীর সাত নং পলাশপুরের বাসিন্দা আব্দুর রহিম মিয়া। সত্তরের কাছাকাছি বয়সের এই ব্যাক্তি আরো বলেন, জীবনেতো অনেক নেতা দেখলাম। অনেকেই নিজের আখের গুছিয়েছে।কিন্তু মরহুম শওকত হোসেন হিরোন ই এই বরিশালের উন্নয়ন করছে। আর কেউ যদি এই বরিশালের উন্নয়ন করতে পারে সে হচ্ছে সাদিক আব্দুল্লাহ। সেই পারে আমাদের সকলের স্বপ্ন পূরণ করতে।

    সেই আমাদের কষ্ট বোঝে। আমি গেছিলাম তার কাছে সাহায্য চাইতে, আমার লগে খুব ভালো ব্যাবহার করছে। যা চাইছি তাই দিছে। আমারে না আরো অনেকেরই দিছে। আমি জানি এই নির্বাচনে হেই জিতবো। মোর ভোটটা হেরেই দিমু।

    আগামী ত্রিশে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে আজ বিকেলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই বরিশালের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের হাওয়া বইছে।এখন সকলে অপেক্ষায় আছে ত্রিশে জুলাই নির্বাচনে সাদিক আব্দুল্লাহর জয়।

  • কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন : এমপিপুত্রের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন : এমপিপুত্রের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এমপিপুত্র শাবাবের বিরুদ্ধে গাড়ি চাপা দিয়ে পথচারী হত্যার অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘বিষয়টি তদন্তাধীন। আমরা এখনই সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারবো না কে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তদন্তের পরই সবকিছু জানা জানা যাবে। তবে এটুকু বলতে পারি কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তিনি যদি এমপি পুত্রও হন।‘

    শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে হোটেল আমারি আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    মঙ্গলবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপরে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি প্রাইভেট কার এক ব্যক্তিকে চাপা দিয়ে দ্রুত বিজয় সরণির দিকে যায়। এ ঘটনায় সেলিম ব্যাপারি (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়।

    অভিযোগ উঠেছে বেপরোয়া গতিতে ওই প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরীর ছেলে শাবাব। তবে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। একজন পথচারী নিহত হয়েছেন। আমরা তদন্তের মধ্যে রয়েছি, তদন্তের পরই বলতে পারব কে গাড়ি চালাচ্ছিল, কার গাড়ি ছিল। এটুকু বলতে পারবো কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন সবার জন্য সমান। যেই এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকুক তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনারা অতিতেও দেখেছেন কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। সে যেই হোক।

    ঈদের আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া না হলে বিএনপির কঠোর আন্দোলনের হুমকির বিষয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তাদের রাজনৈতিক সব কৌশলই রয়েছে। তারা তো বলবেই। তবে আপনারা দেখছেন বিএনপি কি ধরনের আন্দোলন করছে?

    এর আগে ‘ফোস্টারিং পিস অ্যান্ড ইনক্লুসিভ কমিউনিটি ইন বাংলাদেশ : দ্য রোল অফ রিলিজিয়াস লিডার অ্যান্ড অ্যাক্টরস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগদেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ধর্ম হলো বিশ্বাস। বিশ্বাস থেকেই ধর্ম। আমরা কেউ কিন্তু সৃষ্টিকর্তাকে দেখিনি। তারপর বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই আমাদের ধর্ম।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা পথ হারিয়ে যাচ্ছিলাম। একটি অকার্যকর দেশ গড়ার প্রচেষ্টা আমরা দেখেছি। সে দিন সবাই আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন। আমরা জঙ্গি, সন্ত্রাস দমন করতে পেরেছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সে আমরা আটল রয়েছি। জঙ্গি, সন্ত্রাসকে আমরা কোনোভাবে স্থান দেবো না।

  • আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন- রাজশাহীর এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশালের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

    আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে ১৪ দলের একক প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে জোটের বৈঠকে।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ‘একক প্রার্থী’ হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নামের প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে এ পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও নগর আওয়ামী লীগ সদস্য মাহামুদুল হক খান মামুন মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।

    এছাড়া সিলেটে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন দলের পাঁচ নেতা। তারা হলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার ও অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্কে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার বিকেল ৫টায়  গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় বরিশাল সিটি নির্বাচনে অাওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নাম। বরিশাল সিটির মনোনয়ন চুড়ান্ত করতে আজ ২২ জুন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা আহবান করা হয়। আজ শুক্রবার বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী হিসেবে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ নাম ঘোষণা করা হয়।

    দলের একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে সম্প্রতি বরিশাল কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালানো হয়। এসব জরিপ পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরিশাল সিটিতে অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় এগিয়ে ছিলেন সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্। জরিপ পর্যালোচনায় দলের হাইকমান্ড সাদিকের পক্ষে মত আগেই দিয়েছিল। প্রার্থী ঘোষণা করা ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

    বরিশাল সিটির মেয়র পদে সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ই মনোনয়ন দেওয়া উল্লেখ করে ওই নেতা জানান, বরিশাল আওয়ামীলীগ মনোনীত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরন কয়েক বছর আগে মৃত্যুবরন করেছেন। যার মৃত্যুরপর বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা এক প্রকার হতাশায় জর্জরিত হয়ে পরেছিলেন। তখন শওকত হোসেন হিরন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর সঠিক দিক নির্দেশনা বা সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখারমত তেমন কেউ ছিলনা। দলের সেই করুন অবস্থায় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের হাল ধরেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    পরবর্তিতে তাকে ঘীরে সকল নেতা কর্মীরা পুনরায় উজ্জীবিত হয়। নেতা কর্মীদের সাথে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং জনগনের সাথে তার নিবীড় সম্পৃক্ততা মানুষের মনে তাকে নিয়ে বরিশাল সিটির পরবর্তী নগরপিতা হিসাবে স্বপ্ন দেখায়। তিনি যখন দলের হাল ধরেছেন তখন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কোন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিলনা। পরবর্তিতে কমিটি হলে তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    কিন্তু দলীয় নেতা কর্মীরা তাকে দলের  নীতি নির্ধারক হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা না হওয়ায় দলের তৃনমূলের সকল নেতা কর্মীরা এক বর্ধীত সভায় সকলের সিদ্ধান্ত মতে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কে ২০১৮ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য জোর দাবী উপস্থাপন করেন।এসব বিষয় বিবেচনায় তাকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়।

    সিটি কর্পোরেশনে দলীয় প্রার্থীদের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শুক্রবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাতকার শেষে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে তৃণমূলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে তাই ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঠে নামবে। কারণ কোন্দলকারীরা দলে আর প্রশ্রয় পাবেন না, প্রধানমন্ত্রীর এই সতর্কবার্তা সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল।

    বরিশাল সিটির প্রার্থী বাছাই নিয়ে বেশ অস্বস্তির মধ্যে ছিল ক্ষমতাসীন দল। বরিশাল নৌকা প্রতীকে মেয়র প্রাথী হওয়র মূল লড়াইয়ে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহ এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। তবে দলের শীর্ষপর্যায় থেকে বরিশাল সিটিতে সেরনিয়াবাত সাদিক আআব্দুল্লাহকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে কিছুটা নির্ভার হয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলরা।

    প্রসঙ্গত, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আগামী ৩০ জুলাই ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করে নির্বাচনী সময়সূচি অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ তিন সিটিতে আগামী ১৩ জুন থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২৮ জুন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ ও ২ জুলাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জুলাই। আগামী ১০ জুলাই এ সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার।

  • আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী : কাদের

    আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী : কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ এখন অনেক শক্তিশালী। যে কারণে মাত্র তিনদিনের নোটিশে সবচেয়ে বড় বর্ধিত সভা করতে যাচ্ছি। আগামীকাল (শনিবার) গণভবনে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশের চার হাজারের বেশি নেতা উপস্থিত থাকবেন। আগামীতে দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানদেরও এই সভায় ডাকা হবে।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাহবুব উল আলম হানিফ,  জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, এনামুল হক শামীম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবদুস সোবহান গোলাপ, আখতারুজ্জামান, ফরিদুন্নাহার লাইলী, শ ম রেজাউল করিম, আবদুস সবুর, সুজিত রায় নন্দী, শামসুন্নাহার চাপা, ডা. রোকেয়া, দেলোয়ার হোসেন, আফজাল হোসেন, হারুনুর রশিদ, আমিনুল ইসলাম আমিন, বিপ্লব বড়ুয়া, এসএম কামাল প্রমুখ।

  • লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হতাশাই শেষ কথা হতে পারে না। লড়াই করতে হবে, লড়াই করতে করতে আমরা একটা জায়গায় গিয়েই পৌঁছাবোই।  আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন অবশ্যই নির্বাচনের মতো হতে হবে। যদিও বর্তমান সরকার চায়, বিএনপি নির্বাচনে না আসুক। অন্যান্য দল দুই-একটা যা আছে তারাই থাকুক।  আমরা এ দেশে কিন্তু বাকশালও দেখেছি। মানুষ জেগে উঠেছে। এই বাংলাদেশের মানুষই কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উড়ে গেছে। আমাদের সেভাবেই এগোতে হবে। নির্বাচন হবে, আমরা ক্ষমতায় যাবো, এটা মনে করার কারণ নেই। আপনাদের আদায় করে নিতে হবে। এজন্য জনগণের কাছে যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।

    বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএফইউজে’র মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজে’র সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী প্রমুখ।

  • মাদক মামলায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

    মাদক মামলায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

    মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, মাদকের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    বুধবার সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকালে শুরু হয় সংসদ অধিবেশন।

    দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। এতে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদক বিষয়ক সাংসদদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সাংসদ রুস্তুম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। মাদকের সাথে জড়িতদের শাস্তি আরও কঠোর করা হচ্ছে। মাদকের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করে বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে সংশোধন করা হবে বলে সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি জানান, গত মে মাস থেকে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে মোট ১৫ হাজার ৩৩৩টি মামলা হয়েছে। আটক হয়েছে ২০ হাজার ৭৬৭ জন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে, প্রধানমন্ত্রী জানান, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি স্থাপনে শান্তি চুক্তির অনেক ধারা এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে, বাকিগুলোও বাস্তবায়নের পথে। অবহেলিত ও অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলে নানা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

  • তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দশজন।

    বুধবার (২০ জুন) রাত ৯টায় পর্যন্ত বরিশালের পাঁচজন, সিলেটের চারজন ও রাজশাহীর একজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহী থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

    লিটন বলেন, রাজশাহী মহানগর কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে রেজুলেশন করে একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে আমাকে প্রস্তাব করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন বোর্ডও আমাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবে বলে আশা করি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সর্বসম্মতিক্রমে সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করেছে।

    এ ছাড়াও বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মীর আমিন উদ্দিন ও সদস্য মাহমুদুল হক খান।

    সিলেট থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ কামরান।

    কামরান ছাড়াও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর ফয়জুল আনোয়ার এবং অধ্যাপক জাকির হোসেন।

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র নমিনেশন দেয়ার দাবী

    বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র নমিনেশন দেয়ার দাবী

    উন্নয়নের মহাসড়কে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ এই শ্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বিষয় নিয়ে বর্ধিত সভায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র নমিনেশন দেয়ার জোরালোভাবে নেতা-কর্মীদের মধ্য থেকে দাবী জানানো হয়েছে।

    জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেছেন আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্দু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে একটি স্বল্প উন্নত দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করেছে।
    শেখ হাসিনা একজন প্রধানমন্ত্রী নন তিনি একজন দক্ষ দেশ পরিচালকের আসনে নিজের নামকে অন্তভূক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। তাই আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার দাবী জানান।
    আজ সোমবার (১৮ই জুন) বরিশাল সাকির্ট হাউজ মিলনায়তন সভা কক্ষে বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রাণালয় সম্পকির্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ (এমপি)’ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল সদর আসন সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ, জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ হোসেন চৌধুরী (হোসেন নানা), সৈয়দ আনিসুর রহমান, এ্যাড.আঃ রসিদ খান, এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আঃ রাজ্জাকসহ জেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্নস্থরের তৃর্ণমূল নেতা-কর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়র জন্য তাদের পক্ষ থেকে সমর্থন প্রকাশ করেন।
    জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র এবং বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়নের সভাপতি/সম্পাদক ও অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এ্যাড. শেখ আঃ কাদের।
    এর পূর্বে সকাল ১১টায় মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সদস্য এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্যতে সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, সাবেক মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এ্যাড. শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর থেকে জিমিয়ে পড়া মহানগর আওয়ামীলীগ, যুবলীগকে একটু একটু করে প্রতিটি স্থরে নিজে মাঠে নেমে আজ দলকে সু সংগঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।
    তিনি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতি অনুরোধ করে বলেন সভানেত্রী প্রাথী দেয়ার সিদ্বান্ত নিতে ভুল করলে তাহলে মেয়র নির্বাচনে বিজয়ের বিষয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।
    দুলাল আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ র উর্দেশ্য করে বলেন আপনি আপনার আত্ব মর্যদা ভেঙ্গে সভানেত্রীর কাছে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কথা তুলে ধরার আহবান জানান।
    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. একে এম জাহাঙ্গির হোসাইন, সহ-সভাপতি ও বরিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আফজাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম তোতা, আমির হোসেন তালুকদার।
    বর্ধিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগ আহবায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম, যুগ্ম আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আজিজুর রহমান শাহিন, শ্রমীকলীগ সভাপতি আফতাব আহমেদ, মহানগর মহিলালীগ সাধারন সম্পাদিকা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কহিনুর বেগম, মহিলা নেত্রী নিগার সুলতানা হনুফা, মহানগর ছাত্রলীগ আহবায়ক রইস আহমেদ মান্না ও মোর্সেদ আলম মিরাজ সহ তৃনমূল বিভিন্ন প্রর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
    মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের সভাপতি/সম্পাদক ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল হোসেন লিটু।

    এর পূর্বে মহানগর আওয়ামীলীগ এর পক্ষ থেকে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
    অন্যদিকে মেয়র নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামীলীগ নেতা কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম বর্ধিত সভায় ছিলেন অনুপস্থিত।