Category: জাতীয়

  • সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    শেখ সুমন:

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার,মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সন্তান সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ছিলেন বরিশাল নগরীর একটি ছোট্ট মহল্লায়। খেলাধুলা ও সংগীত চর্চায় শৈশবে নিজেকে জড়িয়ে রাখলেও নগরবাসীর অনেকেই তখন জানতো না সাদিক আব্দুল্লাহর নাম। অবশ্য ইতোমধ্যে নামটির খ্যাতি বরিশাল’র পাড়া-মহল্লা, নগর ছাড়িয়ে এখন দেশও সমধিক উচ্চারিত। ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এর পর ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক। বর্তমানে বরিশালের রাজনীতিতে ইতিহাস। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামীলীগের মননীত প্রভাবশালী মেয়র মনোনয়ন পার্থী তিনি।

    আর প্রভাবশালী মেয়র প্রার্থী দাবীদার হবেন না কেনো?

    মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এখন সকাল-সন্ধ্যা কাটে সাধারণ মানুষকে নিয়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বাসার নিচতলার ড্রইংরুমে দেখতে পান অপেক্ষমাণ মানুষের জটলা। কেউ এসেছেন সমস্যা নিয়ে, আবার কেউ বিচারপ্রার্থী হতে। সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    “এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”। ঠিক এই লাইনটির মতোই সাদিক নিজের যৌবনকালকে প্রথাগত চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ঘরসংসার করার জীবন বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দৃপ্ত শপথ। লড়াইয়ে রক্তেভেজা রাজপথ, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠের অনিশ্চিত এক জীবন।

    যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের; যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন।

    নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে। ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনে মরহুম শওকত হোসেন হিরনের পরাজয়কে সাদিক আব্দুল্লাহ একটি অভিজ্ঞতা হিসেবেই নিয়েছেন।

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প খুজে পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ। বেশ কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন নেয়ার চেষ্টা করলেও তারা বিএনপির প্রার্থীর সমতুল্য নন বলে মনে করছেন তৃণমুল ও জেলা-মহানগর নেতৃবন্দ। বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে দল থেকে রেজুলেশন করে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। গোপন জরিপ চালিয়ে সাদিক আবদুল্লাহর ব্যাপক জনপ্রিয়তার বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনুধাবন করতে পেরেছে বলে জানা গেছে।

    জুন-জুলাইতে অনুষ্ঠিত ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে এবার আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে। ২০১৩ সালের নির্বাচনে এ সিটিগুলোতে আওয়ামীলীগ পরাজিত হওয়ায় পরবর্তীতে সরকার পরিচালনা করতেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই এবার সংসদীয় নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে নানা দিক দিয়ে বিবেচনা করে। বিএনপি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ার প্রার্থী হবার গুঞ্জন শোনা গেলেও একাধিক সুত্র জানায় সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলে তিনি প্রার্থী হবেন না। অর্থাৎ সাদিক ছাড়া যে কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরোয়ার লড়াই করতে প্রস্তুত। আর এ দিকটিই সাদিককে এগিয়ে রেখেছে।

    বেশ কয়েক বছর ধরে টালমাটাল বরিশাল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যের বাধনে গেঁথেছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। গুটি কয়েক যে কয়জন বিদ্রোহী রয়েছেন তারা এখন ঘরমুখো হওয়ায় সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। শওকত হোসেন হিরনের উন্নয়নের জোয়ারের পরও তার পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসাবে এখনও দলীয় কোন্দলকেই চিহ্নিত করা হয়। সে দিক দিয়ে সাদিক আবদুল্লাহ দলকে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছেন বলে দাবি কর্মীদের। সাদিকের ঘোর বিরোধী বলে পরিচিত জেবুন্নেছা আফরোজ এমপি স্বয়ং বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করে ঐক্যের প্রমান দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে একটি দুর্বল অথচ পিছনে সক্রিয় একটি চক্র বিসিসি নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি করছে বলে জানা গেছে। তবে কেন্দ্র থেকে সম্প্রতি একাধিক গোপন জরিপ চালানো হয়। ঐ জরিপে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করতে হলে সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প তারা খুজে পাননি বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেন বর্তমান সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। এর কারন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা। মহানগর আওয়ামীলীগ একারণেই সাদিক আবদুল্লাহর মনোনয়ন দাবি করে রেজ্যুলেশন করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, জনপ্রিয়তার কারণেই সাদিক আবদুল্লাহর বিপক্ষে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারই সাহস পাচ্ছে না। এ অবস্থায় দল অবশ্যই সাদিক আবদুল্লাহকে সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন দেবে বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী।

  • বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    সেই দিন সাড়ে সাত কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধুর পিছনে ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে। আর আজকে শেখ হাসিনার পিছনে শোল কোটি মানুষকে যদি ঐক্যবদ্ধ করা যায় তাহলে তিনি যেটা বলছেন আমি সোনার বাংলা উপহার দেবে। তার দ্বারাই সেটা সম্ভব আর এটাই বাস্তব। তাই শেখ হাসিনার উন্নায়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং সোনার বাংলার লক্ষ্যে আগামি নির্বাচনে নৌকা র্মাকায় ভোট দিয়ে তার হাতকে আরো শক্তিশালি করতে হবে।
    শনিবার বিকাল ৫টায় সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গাবখান-ধানসিড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি সদস্য মো: গিয়াস উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিসহ ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
    তিনি আরো বলেন, যারা এই দেশে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধি শক্তি পাক হানাদার বাহিনির দোসর হিসেবে যারা লক্ষ্য মানুষের সম্মান নষ্ট করেছিল, নিজের হাতে মানুষ হত্যা করেছিল, মায়ের কোল থেকে মাসুম বাচ্চা কেড়ে নিয়ে লাইট পোস্টের সাথে মাথা ঠুকে হত্যা করছিল, সেই জল্লাদদের নিয়ে যারা মন্ত্রীসভা গঠন করে জোট গঠন করে তাদের হাতে এই দেশের ক্ষমতা দেয়া যেতে পারেনা। তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সেই লক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
    এর পূর্বে শিল্পমন্ত্রী আমু ইউনিয়নের বিশখালি বিধৌত চর ভাটারা কান্দা এলাকায় নবনির্মিত সাইক্লোন সেন্টার’র শুভ উদ্বেধন করেন।

  • গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

    গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

    গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে ১৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটিতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১২ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ এপ্রিল। আর যাচাই বাছাই ১৫-১৮ এপ্রিল।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা শনিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এই তফসিল ঘোষণা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় এ সংক্রান্ত বৈঠকে বসে কমিশন।

    সিইসি বলেন, গাজীপুরে ভোটার ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। আর খুলনায় ভোটার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫৪ জন।

    সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট এই পাঁচ সিটিতে ভোটগ্রহণ করতে হবে। তাই আসছে রমজানের আগে গাজীপুর ও খুলনা সিটি ভোট শেষ করে ঈদের পর অন্য তিন সিটিতে ভোট করবে ইসি।

    ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর এবং বরিশালের ২৩ অক্টোবর। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী করপোরেশনের প্রথম বৈঠক থেকে ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যেকোনো সময় নির্বাচন করতে হবে।

  • বিস্ফোরণে ঝরে গেল কুয়েটের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর তাজা প্রাণ

    বিস্ফোরণে ঝরে গেল কুয়েটের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর তাজা প্রাণ

    ময়মনসিংহের ভালুকায় বিস্ফোরণে দগ্ধ খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর বাঁচলো না কেউই। মাস্টারবাড়ি এলাকায় ৬ তলা ভবনে বিস্ফোরণে গুরুতর আহত দীপ্ত সকালে মারা যান। গত রাতে মারা যান শাহীন মিয়া। বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হলো একই বিভাগের চার মেধাবী শিক্ষার্থীর। এদিকে, ভবন মালিকের অবহেলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে অভিযোগ করে শোকাহত স্বজন ও সহপাঠীরা সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

    একে একে তিন সহপাঠীকে হারিয়ে কোন বুঝই যেন মনকে বোঝাতে পারছে না খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাইতো প্রায় ৭ দিন ধরে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যু শয্যায় থাকা দীপ্তের আড়াল হতে চায়নি প্রিয় সহপাঠীরা।

    কিন্তু মৃত্যু যে বড়ই নিষ্ঠুর, বন্ধুদের কোনো মায়ায় যে আটকে রাখতে পারলোনা খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্ত্র প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত সাহাকে। একে একে চার সহপাঠীকে হারিয়ে যেন শোকে পাথর তাদের বন্ধু, শিক্ষক ও স্বজনরা।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান। আর শুক্রবার সকালে মারা যান দীপ্ত সরকার। গত বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মারা যান শাহীন মিয়া। ঘটনাস্থলেই ২৫ মার্চ নিহত হন তাওহিদুল ইসলাম।

    চার শিক্ষার্থীই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্ত্র প্রকৌশল বিভাগের মেধা তালিকায় এক থেকে সাতের মধ্যে ছিলেন। তারা পড়াশুনা শেষ করে ভালুকার একটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করছিলেন।

    চিকিৎসক বলেন, ‘সকল প্রকার চেষ্টা করেও রোগীগুলোকে আমরা বাঁচাতে পারলাম না। এটা আমাদের জন্যও অনেক দুঃখজনক।’

    দীপ্ত সরকার ও হাফিজুরের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তাদের গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। মেধাবী সহপাঠী আর শিক্ষার্থীদের হরিয়ে শোকাহত তাদে বন্ধু, শিক্ষক ও স্বজনরা। বিস্ফোরণের ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।

    একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘মোট চার বন্ধুকে আমরা হারিয়েছি। দুই বন্ধুর দাফন হয়েছে। কিন্তু বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল, তাই ওদের দাফনে যাওয়া হল না।’

    পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ভালুকার একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় বাসা ভাড়া থাকতেন তারা। ২৪মার্চ রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হন চারজনই।

  • লাঙ্গল মার্কাকেও আর ছাড় নয় : নাসিম

    লাঙ্গল মার্কাকেও আর ছাড় নয় : নাসিম

    ‘এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। রংপুরে আওয়ামী লীগ নৌকা মার্কা প্রার্থী দেবে।’

    আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১৪ দলের জনসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলাসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন নেতৃবৃন্দ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

    মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করছে তাদেরকে হত্যা করতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা। খালেদা জিয়ার বিএনপি ও জামায়াত শিবির দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ওপর যারা বার বার আঘাত করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘যথা সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই যথাসময়ে নির্বাচন হবে।” তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ দেশে আর কোনো দিন আসবে না। এ জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন না হলে এদেশে এখনো সামরিক শাসন থাকতো।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষমতায় আসতে চান। খালেদা জিয়া ও জামায়াত শিবিরের সকল প্রকার চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে হবে।’

    বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশ থেকে মঙ্গা নামক শব্দটি চলে গেছে। বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

    বিএনপির উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনের ভয় দেখায়। আন্দোলন শিখতে হলে ১৪ দলের কাছে শিখতে হবে। আন্দোলন কাকে বলে ১৪ দল জানে। জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করার ক্ষমতা ১৪ দলের আছে।’ খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সর্ম্পকে নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া যদি সত্যি অসুস্থ হন-তাহলে আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বলছি, তাঁর চিকিৎসার সবকিছু আমি বহন করবো।’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছিলেন। বিএনপি নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।’

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, ‘অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ  গড়তে ১৪ দলের সম্প্রীতিকে আরো মজবুত করতে হবে।’

    রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি, টিপু মুন্সি এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শাহদাৎ হোসেন, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি ও জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।

  • এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলে বোর্ড ঘেরাও

    এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলে বোর্ড ঘেরাও

    এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলেই শিক্ষা বোর্ড ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিভাবক ঐক্য ফোরামের নেতারা এ হুঁশিয়ারী দেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মুগদা পাড়ায় অভিভাবক সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিভাক নেতারা বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের মতো নেক্কারজনক কার্যক্রমকে কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।

    তারা প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেয়া উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে সরকারকে সার্বিক সহায়তা আশা করেন। নেতারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার আহ্বান জানান।

  • পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    চট্টগ্রাম, বরিশাল, কুমিল্লা, বগুড়া ও যশোর জেলার নামের ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হচ্ছে। বাংলা নামের সঙ্গে মিল করতে এ পরিবর্তন আনছে সরকার।

    প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় আগামী সোমবার এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

    বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পাঁচটি জেলার নামের ইংরেজি বানানে কিছুটা অসঙ্গতি আছে। এটা দূর করতে নিকার সভায় একটি প্রস্তাব উঠছে। সভাটি হবে সোমবার।

    উল্লেখ্য, নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানাসহ প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে নিকার সভায়। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এ কমিটির আহ্বায়ক।

    বর্তমানে চট্টগ্রামের ইংরেজি বানান Chittagong, কুমিল্লার বানান Comilla, বরিশাল বানান Barisal, যশোরের বানান Jessore ও বগুড়ার বানান Bogra।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, Chittagong এর পরিবর্তে বানান Chattagram, Comilla এর পরিবর্তে Kumilla, Barisal এর পরিবর্তে Barishal, Jessore এর পরিবর্তে Jashore এবং Bogra এর পরিবর্তে Bogura করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য নিকার সভায় উঠছে।

  • সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    রাকিব সিকদার নয়ন:

    পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষিণ এশিয়া পরিবেশ সহযোগী কর্মসূচী বিষয়ক সম্মেলন ‘ – বাংলাদেশের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার সাকেপের ১৪ তম গভর্নিং বডির সভায় আফগানিস্তানের শাহ- জামান মাইওয়ানদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্মেলনে এই উপমন্ত্রী তার বক্তাব্যে বলেন, দক্ষিন এশিয়ার অন্যান্য ভৌগলিক ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ অধিকার ও সংরক্ষন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

    আমি বিশ্বাস করি জীববৈচিত্র ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সদস্য দেশের মধ্যে ব্যপক অংশগ্রহন-তথ্য আদান প্রদানের আন্ঞ্চলিক ক্লিয়ারিং হাউস ম্যকানিজম প্রতিষ্ঠা করা গুরুত্বপূর্ণ। উপমন্ত্রী বলেন, পবিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিবেশ অধিদপ্তর বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং হাউস ম্যাকনিজমের জন্য ইতিমধ্যে একটি ওয়েবভিত্তিক প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, শিঘ্রই এটা উদ্ভোধন করা হবে।

  • মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত শেখ হাসিনা

    মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত শেখ হাসিনা

    দরিদ্র, অসহায়, বিশেষ করে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সেবায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত করেছে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকায় সফররত লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ড. নরেশ আগরওয়াল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই মেডেলে ভূষিত করেন তিনি।

    মানবিক গুণাবলি বিশেষ করে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট।

    তিনি শেখ হাসিনাকে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আপনার এই গুণের জন্য ইতোমধ্যে আপনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপন্ন মানবতার সেবা হচ্ছে আমার দায়িত্ব। আপনারা (লায়ন্স সদস্যরা) সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন, একইভাবে আমরা রাজনীতিবিদরা তাদের খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়সহ মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

    ড. আগরওয়াল বলেন, তার সংস্থা বাংলাদেশে বিপন্ন মানবতার জন্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চ প্রশংসিত হচ্ছে।

    লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনালের সাবেক পরিচালক শেখ কবির হোসেন, সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক এবং ক্লাবের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর মোসলেম আলী খান, ক্লাবের বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিচালক কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশের কাউন্সিল চেয়ারপারসন লায়ন্স এম কে বাসার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আইপিইউকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আইপিইউকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নকে (আইপিইউ) পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলমান ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ১৩৮তম সম্মেলনে মঙ্গলবার আবারও এ আহ্বান জানানো হয়।

    সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই পূর্ণ মর্যাদায় ও নিরাপদে তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরিয়ে নিতে হবে। এজন্য আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার মূল থেকে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সকল আইপিইউ সদস্য দেশের প্রতি বাংলাদেশের পাশে থেকে বিশ্ব জনমত গঠন করার আহ্বান জানাই। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, আইপিইউ’র সংসদ সদস্যরা একত্রিত থাকলে বিশ্বের বাস্তুভিটাহীন নিপীড়িত মানুষগুলোর সমস্যা সমাধান সম্ভব।

    সংসদ সচিবালয় জানায়, মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ‘স্ট্রেংদেনিং দ্যা গ্লোবাল রেজিম ফর মাইগ্রেন্ট অ্যান্ড রিফুজিস’ বিষয়ের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    আ স ম ফিরোজ বলেন, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি নির্মম নির্যাতন ও তাদের নিজস্ব ভিটামাটি থেকে বিতাড়িত হওয়ার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় অবগত আছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার এ পরিস্থিতিকে “টেক্সট বুক  অন ক্রিমিনাল অব এথনিক ক্লিনজিং” অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন।

    এসময় আইপিইউ সদস্য দেশগুলোকে সার্বজনীন বিশ্বমানবাধিকার লঙ্খনকারী দেশের বিরুদ্ধে একত্রিত থাকার আহ্বান জানান চীফ হুইপ।