Category: জাতীয়

  • অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় না: ড. কামাল

    অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় না: ড. কামাল

    সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এদেশ কোনো ব্যক্তির নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো দলের নয়-এদেশ জনগণের। এদেশে অন্যায় করে কেউ পার পায়নি। অন্যায় ভাবে কোনো দিন ক্ষমতায় থাকা যায় না। গত ৪৭ বছরে অনেকেই ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করেছে, কেউ পারে নাই। ভবিষ্যতেও কেউ পারবে না।

    রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে মঙ্গলবার গণফোরাম আয়োজিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভার সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, নিজের দলের প্রতি এক রকম বিচার, বিরোধী দলের প্রতি আরেক রকম বিচার-এটা আইনের শাসন হয় না। এটা স্বৈরশাসন। বঙ্গবন্ধু স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্রের কথা বলে গেছেন, রাজতন্ত্রের কথা বলেননি। বঙ্গবন্ধু লিখে দিয়েছেন এদেশ চলবে গণতন্ত্রে-রাজতন্ত্রে নয়। এদেশ কখনো রাজার অধীনে থাকবে না। জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ চলাবে। জনগণের প্রতিনিধি কারা-যারা সুষ্ঠু  নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে যে সংবিধান দিয়ে গেছেন সে সংবিধানের মূল কথা দেশের মালিক জনগণ। একজন জনগণ হিসেবে আমি দেশের মালিক, আমার অধিকার আছে ভোট দিয়ে আমার প্রতিনিধি নির্বাচন করার। সে অধিকার থেকে আজ জনগণকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

    ড. কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর লিখিত দলিলে (সংবিধানে) জনগণের যে স্বপ্নের কথা লেখা আছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। যারা শোষণ করে, অর্থ আত্মসাৎ করে, দুর্নীতি করে-তারা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করছে? কেউ যদি অন্যায়ভাবে দেশের সম্পদ আত্মসাৎ করে, পাচার করে-ক্ষমতায় থাকলেই তা কি কখনো বৈধ হয়ে যায়?

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানী শাসকরা যা করেছে, এখন যারা দেশ থেকে পুঁজি পাচার করছে, তারা কী একই কাজ করছে কী-না? উপস্থিত জনতা তখন স্বতঃস্ফুতভাবে হ্যাঁ বলে ওঠেন। এ সময় তিনি জানতে চান আমার বক্তব্য কোনো দলের সাথে বিরোধীতা নয়, তবে বঙ্গবন্ধু যে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন সে দায়িত্ব থেকে আমরা কী মুক্ত থাকতে পারি? আমরা কী জনগণের সাথে বেঈমানী করতে পারি? উপস্থিত জনতা তখন সমস্বরে না বলে তাদের প্রতিক্রিয়া জানান।

    ড. কামাল বলেন, আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। মানুষের মাঝে যেতে হবে, তাদের অধিকারের কথা বলতে হবে। বঙ্গবন্ধু বলতেন, বড় অর্জনের জন্য প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ জাতি, এখন ঐক্যর ডাক পৌঁছে দিতে হবে। সবাই মনে করছে পেয়ে গেছি, হয়ে যাবে। কিন্তু এসব করে কেউ সাময়িকভাবে পার পেয়েছে-ভোগ করার সুযোগ পায়নি। মনে রাখবেন ঐক্যবদ্ধ হলে জনগণের জয় হবেই। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে ন্যায় প্রতিষ্ঠার কাজ করে যেন মরতে পারি।

    আলোচনা সভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দকী বীর উত্তম বলেন, এই সরকার বৈধ নয়, সরকারকে যে মনোনীত করে সেই সংসদও বৈধ নয়। সংবিধানে পরিষ্কার লেখা আছে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠিত হবে। ১৫৪ জন তো প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হননি। খালেদা জিয়াকে নখড়া করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় লজ্জা হয়, যখন দেখি সরকারের এটর্নি জেনারেল বেগম খালেদা জিয়ার আপিলের বিরোধীতা করছে। এটা তো দুদকের মামলা, সরকার দাঁড়াবে কেন? এজন্যই জার্মান না কোন দেশ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্বৈরশাসন চলছে। তিনি আরো বলেন, যে টাকা খরচ হয়নি, সেই টাকার জন্য মামলা দিয়েছেন। এটা হতে পারতো টাকা কেন খরচ হয়নি।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের রাজনীতির দুর্ভাগ্য হলো বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামী লীগকে মারে, আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপিকে মারে। এটা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে বাদ দিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার কায়েম করা। মুক্তিযুদ্ধে তার লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে কাদের সিদ্দকী বলেন, যুদ্ধচলাকালীন মেঘালয়ের পাড়াড়ে বসে ছাত্রলীগের কতিপয় নেতা আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলো। সেদিন আব্দুর রাজ্জাক তাদেরকে বলেছিলেন, মারামারি পরো করো, আগে দেশটা স্বাধীন করতে দাও।

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, যুদ্ধ করতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছিলাম। বর্তমান সরকারকে স্বৈরাচারী সরকার আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এবার ২০০১৪ সালের নির্বাচন সম্ভব নয়। তারপরও কোনভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারলেও আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে পারবে না। দেশ সিরিয়ায় পরিণত হবে। আগামীতে বিএনপি জিতলেও বিশৃঙ্খলা হবে, নৈরাজ্য হবে। খালেদা জিয়াও তা ঠেকাতে পারবেন না। সে জন্য দেশ বাঁচাতে হলে দরকার ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যর সরকার।

    ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর বলেন, একজন শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা তৈরি করার পেছনে বহু মানুষের শ্রম-ঘাম আছে। আজ বড় দুখ হয় যখন দেখি সেই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির পণ্যে পরিণত করা হচ্ছে। মহল্লার মাস্তান, চাদাঁবাজরা পোস্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গনফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, আবম মোস্তফা আমিন প্রমুখ।

  • বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ডিএমপি

    বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ডিএমপি

    আগামী ২৯ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যেদিন সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে, সেদিন না হলেও এর পরের যেকোনো দিন সমাবেশ হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সমাবেশের অনুমতি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।

    এর আগে নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

  • খালেদার সাজা বাড়াতে আপিল শুনানি আগামীকাল

    খালেদার সাজা বাড়াতে আপিল শুনানি আগামীকাল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা আরও বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিল শুনানি আগামীকাল।

    আবেদনের পর আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। গত রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দায়ের করে দুদক।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাঁর বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচজনকে। রায় ঘোষণার পরই সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে ‘বিশেষ কারাগার’ ঘোষণা দিয়ে সেখানে রাখা হয়।

  • এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের

    এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে দিব না। আর যারা স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চায় তারা যেন আর কোনো দিন ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। এই দেশ জঙ্গিদের হবে না, এই দেশ স্বাধীনতা বিরোধীদের হবে না, এই যুদ্ধাপরাধীরদের হবে না। এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ। সেই দেশ হিসেবেই আমি গড়ে তুলতে চাই।’

    মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সভায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-উর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম, মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ।

    দলের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদের পরিচালনায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

  • মহাকাশে যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’

    মহাকাশে যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’

    এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১’। ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুইচ টিপে উদ্বোধনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

    এরই মধ্যে রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানি ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনা হয়েছে। মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় প্রায় ২১৯ কোটি টাকায় ১৫ বছরের জন্য এই কক্ষপথ কেনা হয়েছে।

    স্যাটেলাইট পাঠানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। এজন্য গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। যা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনের যন্ত্রপাতিও আমদানি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

    সম্প্রতি নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিক কিছু কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের নির্দিষ্ট তারিখ আগে থেকে বলা সম্ভব হয় না। এপ্রিলের প্রথম থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে অর্থাৎ ৭ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা। আর ঋণ হিসেবে এইচএসবিসি ব্যাংক বাকি ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে।

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য রাখা হবে।

    এই কৃত্রিম উপগ্রহ স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও বেতারসহ ৪০ ধরনের সেবা দেবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ট্যারিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বহাল থাকা, পরিবেশ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে ই-সেবা নিশ্চিত করবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

    দেশের টিভি চ্যানেলগুলো স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ বছরে ১২৫ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এই স্যাটেলাইট চালু হলে সে টাকা এখন থেকে দেশেই থেকে যাবে। একই সঙ্গে এই স্যাটেলাইটের তরঙ্গ ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।

    স্যাটেলাইটের কার্যক্রম পুরোপুরি ভাবে শুরু হলে আশপাশের কয়েকটি দেশে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবা দেয়ার জন্য জিয়োসিক্রোনাস স্যাটেলাইট সিস্টেম (৪০ ট্র্যান্সপন্ডার, ২৬ কেইউ ব্র্যান্ড, ১৪ সি ব্যান্ড) এর গ্রাউন্ড সিস্টেমসহ সব ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।

  • গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে  মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (জিউবি) ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দিবস উদযাপিত হয়।

    ২৬ মার্চ সোমবার সকাল ১০.০০টায়  বরিশালে নথুল্লাবাথ সংলগ্ন ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (বরিশাল অঞ্চল)।আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর একে এম এনায়েত ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রেজারার এবং ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর তপন কুমার বল।

    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ ইমামুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আমিনুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক তাজিন মাহমুদ প্রমুখ।

    ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন             ছবিঃ নিবীর রায়হান

    সভায় প্রধান অতিথি প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘প্রত্যেকে তার নিজ জায়গা থেকে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলেই যাঁরা একাত্তরে দেশের জন্য রক্ত দিয়েছিলেন তাঁদের স্বপ্নকে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’

    ভিসি প্রফেসর প্রফেসর তপন কুমার বল বলেন, বাংলাদেশের ভিশন ২১ বাস্তবায়নে বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য তুলে ধরেন।তিনি আরো বলেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছি।” তিনি একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলকে দেশ গড়ার আহবান জানান।

    আলোচনা সভায় বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানার আহবান জানান এবং স্বাধীনতাযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণীত করেন।

  • মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলার ‍মুখ ২৪ ডট কম পরিবারের শ্রদ্ধান্জলী

    মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলার ‍মুখ ২৪ ডট কম পরিবারের শ্রদ্ধান্জলী

    শেখ সুমন :

    মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলার ‍মুখ ২৪ ডট কম পরিবারেরপরিবারের পক্ষথেকে শহীদ্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন , জাতীয় অনলাইন দৈনিক  বাংলার ‍মুখ ২৪ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক  মুহা: পলাশ চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক বাবলু মিয়া , ব্যাবস্খাপনা সম্পাদক প্রদীপ  কুমার পাল, বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন া

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন , সাংবাদিক কাজী সাইফুল,মাহামুদ হাসান, রাকিব সিকদার নয়ন, তানজীল শুভ, হুজাইফা রহমান, সিফাত, প্রিন্স মুন্সি,নুরই মাহাবুব, শাওন এবং সীমু আক্তার।

    পরে  বাংলার ‍মুখ ২৪ ডট কম  পত্রিকার কারযালয়ে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

  • গণহত্যা স্মরণে ব্ল্যাক-আউট কর্মসূচি পালন

    গণহত্যা স্মরণে ব্ল্যাক-আউট কর্মসূচি পালন

    ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার স্মরণে বাতি নিভিয়ে এক মিনিট ব্ল্যাক-আউট কর্মসূচি পালন করলো দেশবাসী। রবিবার রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এর আগে, গত ১১ মার্চ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কালরাতে নিহতদের স্মরণে সারাদেশে এক মিনিট সব ধরনের বাতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে এদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে কালরাতের প্রথম প্রহরে ঢাকায় চালানো হয় গণহত্যা।

  • খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের আপিল

    খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের আপিল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা আরও বাড়াতে হাইকোর্টে আপিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

    তিনি জানান, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছি। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) এটি হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে। এ মামলায় প্রধান আসামিকে দেওয়া হয়েছে ৫ বছর সাজা কিন্তু সহযোগিদের দেওয়া হয়েছে ১০ বছর করে। সুতরাং প্রধান আসামির সাজাটা অপর্যাপ্ত মনে করে দুদক। এ কারণে নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে দুদক এ আপিল করেছে।

  • ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পদক প্রদান

    ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পদক প্রদান

    নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখায় ১৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে রবিবার স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৮ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হয় এই অনুষ্ঠান।

    এবারের পুরষ্কারপ্রাপ্তরা হলেন, জাকির হোসেন (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এস এম এ রাশীদুল হাসান (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শঙ্করগোবিন্দ চৌধুরী (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) সুলতান মাহমুদ (বীর-উত্তম), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে এম আব্দুর রহিম (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে ভূপতিভূষণ চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ লে. আনোয়ারুল আজিম (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে মতিউর রহমান মল্লিক (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে সার্জেন্ট জহুরুল হক (মরণোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে আমজাদুল হক, সাংস্কৃতিতে সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, কৃষি ক্ষেত্রে শাইখ সিরাজ, চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. এ কে এম ডি আহসান আলী, সমাজ সেবায় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, সাহিত্যে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং খাদ্য নিরাপত্তায়য় আবদুল মজিদ।