Category: জাতীয়

  • ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

    ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

    ধর্ষণের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আন্দোলনরত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    ‘ধর্ষক ও খুনি একই জিনিস ভিন্ন নাম’, ‘৭ দিনের আল্টিমেটাম ধর্ষকের মৃত্যু চাই’-সহ শাহবাগে বাংলা ও ইংরেজিতে এমন অনেক দাবি সম্বলিত ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে তারা।

    বুধবার (৪ এপ্রিল) রাতে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে জানানো হয়, ৭ দিনের মধ্যে সারাদেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকদের বিচারের আওতায় এনে চলতি আইনের ধারা পরিবর্তন করে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ডের বিধান দিতে হবে, নইলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বৃহৎ আকারে রূপ নেবে। এই ৭ দিনের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি সারা দেশব্যাপী দেওয়া হবে।

    আন্দোলনে অংশ নেওয়া ঢাবি শিক্ষার্থী নাজমুল জানান, আমাদের এই আন্দোলনে যে কেউ অংশ নিতে পারবে। আর আমরা সারাদেশের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আর আয়োজক আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী। টিএসসিতে আড্ডা থেকেই আমাদের আন্দোলনের পরিকল্পনা শুরু। এখানে ঢাবির শিক্ষার্থীরা ছাড়াও ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও নিজ ইচ্ছায় এসেছে। আন্দোলন হচ্ছে দেখে নিজেরা ফেস্টুন বানিয়ে অংশ করেছে। আশা করি আরও করবে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমাদের আন্দোলন প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে শুরু হবে।

    প্রতিবাদ সমাবেশের আগে সন্ধ্যায় একটি মিছিল ঢাবি থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন মোড় ঘুরে আবার শাহবাগে এসে শেষ হয়।

  • রোহিঙ্গা সমাধানে মিয়ানমারের আন্তরিকতা প্রয়োজন : স্পিকার

    রোহিঙ্গা সমাধানে মিয়ানমারের আন্তরিকতা প্রয়োজন : স্পিকার

    জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এ বিষয়ে সমাধানে মিয়ানমারের আন্তরিকতা প্রয়োজন। তিনি রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে জনমত সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অনুরোধ জানান।

    বুধবার জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এর আঞ্চলিক প্রতিনিধি ও সমন্বয়ক জেমস লিনচ তার সংসদের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করলে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইউএনএইচসিআরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সহানুভূতিশীল। আঞ্চলিক প্রতিনিধি জেমস লিনচ বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে সব সময় বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

  • অনলাইন সংবাদপত্রেই ভবিষ্যৎ – নোয়াব

    অনলাইন সংবাদপত্রেই ভবিষ্যৎ – নোয়াব

    দেশে কাগজের পত্রিকার জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে। সংবাদপত্রের পাঠক প্রতিবছর গড়ে ৫-১০ শতাংশ কমছে। এটা সারা বিশ্বে ঘটছে। এর মূল কারণ অনলাইন সংবাদমাধ্যম। সব পত্রিকাকেই বাধ্য হয়ে অনলাইনের দিকে যেতে হবে। কারণ অনলাইন সংবাদপত্রেই ভবিষ্যৎ আছে।

    বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে সংবাদপত্র শিল্প মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) নেতাদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা হয়। সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

    আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, অ্যাটকোর সভাপতি সালমান এফ রহমান, নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান। এছাড়া বক্তব্য দেন অ্যাটকোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল বাবু, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম।

    মতিউর রহমান বলেন, পত্রিকা টিকে থাকতে হলে অবশ্যই অনলাইনে যেতে হবে। আমরাও যাচ্ছি। ক্রমেই অনলাইনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। আর পত্রিকার পাঠক কমছে।

    সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের দেশে টেলিভিশন সম্প্রচারে কোনো ল্যান্ডিং প্রাইজ নেই। বিশ্বে যে কোনো দেশে আমরা গেলে ফি দিতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে কোনো টাকা লাগে না।

    তিনি বলেন, দেশে টেলিভিশন গ্রাহক আছে দুই থেকে তিন কোটি। ক্যাবল অপারেটররা যারা দেশি-বিদেশি চ্যানেল দেখায় তারা কোনোপ্রকার কর দেয় না। এ জন্য এই সেক্টরকে ডিজিটালাইজড করতে পারলে সরকার সহজেই ১২ থেকে ১৫শ’ কোটি টাকা আয় করতে পারে।

    মোজাম্মেল বাবু বলেন, ক্যাবল অপারেটরদের ডিজিটালাইজড করতে পারলে প্রতি বছর অতিরিক্ত ১২শ’-১৫শ’ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে পারে সরকার। এ নিয়ে চলতি বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিলেও সেটির এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল অন্য দেশে দেখাতে হলে ল্যান্ডিং ফি দিতে হয়। অথচ বাংলাদেশে পাকিস্তান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের টিভি চ্যানেল প্রচারিত হলেও এই চার্জ দিতে হয় না।

  • ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস ঘোষণা

    ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস ঘোষণা

    এখন থেকে প্রতিবছর ১ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে পালিত হবে। ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে ঘোষণা এবং উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

    সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভা এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

    সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) এন এম জিয়াউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই কথা জানান।

    তিনি জানান, দিবস হিসেবে এটি হবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রের ‘খ শ্রেণি’র। গণতন্ত্র, নির্বাচন এবং ভোটার হতে তরুণ সমাজকে আকৃষ্ট করতে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন তারিখে জাতীয় ভোটার দিবস পালন করে।

    মার্চ মাসকে কেন বেছে নেওয়া হয়েছে জানতে চাইল এনএম জিয়াউল আলম বলেন, আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধসহ সমগ্র জনজীবনে মার্চ মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে এই মাসে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

  • কী হবে খালেদা জিয়ার

    কী হবে খালেদা জিয়ার

    কী হবে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার? তিনি কি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে পারবেন? তার শারীরিক অবস্থাই বা এখন কেমন? অসুস্থ থাকলে তার চিকিৎসা কোথায় হবে—দেশে না বিদেশে? এ নিয়ে হাজারো প্রশ্ন বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের। আগ্রহের শেষ নেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলেও।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক ‘সুস্থতা’ নিয়ে পুরোটাই রহস্যে ঘেরা। এ নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপও বইছে। গত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে নেওয়া হয়নি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কারাগারে সাক্ষাতের সুযোগও দেওয়া হয়নি একই কারণে। কারাকর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, সুস্থ আছেন বেগম খালেদা জিয়া। তবে পারিবারিক সদস্যদের বাইরে দলীয় নেতাদের সাক্ষাতে বাধা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠছে। বেগম জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

    গত বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের পূর্ব নির্ধারিত সাক্ষাৎ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বাতিল করায় বিএনপিতে সন্দেহ আরও পাকাপোক্ত হয়েছে। দলটি দাবিই করে বসে, গোপনে বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল সরকার। তবে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বেগম জিয়ার অসুস্থতার খবর নাকচ করে দিয়েছেন। সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার নতুন ভবন উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার কোনো গুরুতর সমস্যার কথা আমরা শুনিনি, যার জন্য তাকে বিদেশে পাঠাতে হবে। তিনি (খালেদা জিয়া) জানিয়েছিলেন অসুস্থ বোধ করছেন। তার অনুরোধে ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। ডাক্তার জানিয়েছেন, তিনি আগের রোগে ভুগছেন। নতুন কোনো রোগ তার মধ্যে পাওয়া যায়নি।’ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান শুভ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বার্ধক্যজনিত কয়েকটি সমস্যা ছাড়া বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট স্বাভাবিক। তিনি নিয়মমতো খাবার খাচ্ছেন।’ একই বক্তব্য কারাগারের দুজন পদস্থ কর্মকর্তার। তাদের দাবি, ‘খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বাইরে পাল্টাপাল্টি যেসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তিনি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এ নিয়ে সরকার সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিচ্ছে না। এ কারণেই সন্দেহ আরও বেড়েছে। তা ছাড়া তাঁর অসুস্থতা যদি নাই থাকে, তাহলে বৃহস্পতিবার আদালতে কেন আনা হলো না। তখন তো অসুস্থতার কথাই বলা হয় আদালতকে। আমি মনে করি, এ ব্যাপারে সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য থাকা উচিত।’ গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানসহ ছয়জন স্বজন তার সঙ্গে কারাগারে গিয়ে দেখা করেছেন। বাকিরা হলেন— নাতনি জাহিয়া রহমান, ভাই শামীম এস্কান্দার, ভাবী কানিজ ফাতেমা, শামীম এস্কান্দারের ছেলে অভিক এস্কান্দার ও ভাগ্নে ডা. মো. মামুন। এই প্রথম কোকোর স্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গেলেন। প্রায় ৩০ মিনিটকাল অবস্থানের সময় তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ও কথা বলেন। পরিবারের এক সদস্য বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, বেগম জিয়া শারীরিকভাবে মোটামুটি ভালোই আছেন। তবে হাঁটুতে একটু ব্যথা আছে। এটা আগেই ছিল। নাজিম উদ্দীন রোডের ১৭ একর জমির ওপর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গত ৫২ দিন ধরে বন্দী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সেখানে কীভাবে সময় পার করছেন এই নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই দলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের দেখভাল করার জন্য একজন ফার্মাসিস্ট এবং একজন চিকিৎসক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চাইলেই তাদের ডেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিচ্ছেন। এর বাইরে নিয়মমতো খাবার গ্রহণসহ সবকিছুই স্বাভাবিক তার। সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন কি না তা স্পষ্ট নয়। নির্বাচনের আগে তার মুক্তি মিলবে কি না তাও পরিষ্কার করে বলা যাচ্ছে না। বিএনপি নেতারা অবশ্য বলছেন, সরকার চাইছে, বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখেই নির্বাচন। সেখানে তারা বিএনপির একটি অংশকেও চায়। এ জন্য তারা বিএনপির কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগও করছেন। একইভাবে বিএনপি জোটের নেতাদেরও খালেদা জিয়া বিহীন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে সরকার। এ ব্যাপারে জোটের ছোট বড় দলের নেতাদের সঙ্গেও নানাভাবে কথাবার্তা চলছে। এ নিয়ে নানা প্রলোভনের পাশাপাশি ভয়ভীতিও দেখানো হচ্ছে বলে জানান বিএনপি ও জোটের নেতারা।

    বিএনপি নেতারা অবশ্য বলছেন, সরকার যত চেষ্টাই করুক বিএনপি ভাঙবে না। এমনকি জোটও ভাঙবে না। এর আগেও সরকার একাধিকবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু বিএনপির কেউই দল ত্যাগ করেনি। জোটও অটুট রয়েছে। এগুলো হচ্ছে একটি অপপ্রচার। তা ছাড়া বেগম জিয়ার কারাগারে যাওয়ার পর থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বিএনপির সামনে এখন তিনটি এজেন্ডা রয়েছে। প্রথম এজেন্ডা হচ্ছে— বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এ জন্য আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সরকার যত কৌশল আর ষড়যন্ত্রই করুক না কেন—বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখতে পারবে না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া বিএনপি নির্বাচনেও যাবে না। দ্বিতীয়ত, একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হবে। তৃতীয়ত, দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পন্থায়।’

  • চার নতুন ড্রিমলাইনার যুক্ত হচ্ছে বিমানবহরে

    চার নতুন ড্রিমলাইনার যুক্ত হচ্ছে বিমানবহরে

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে শিগগিরই বোয়িংয়ের তৈরি চারটি ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান যুক্ত হতে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের এ চারটি ড্রিমলাইনারের নামকরণ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দে।

    ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নামগুলো পৌঁছেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে। চারটি উড়োজাহাজের নাম হচ্ছে— আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস। বৃহস্পতিবার রাতে এই তালিকা পাঠানো হয়েছে। এরআগে শতাধিক নাম থেকে ৪০টি নাম পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। সেগুলো থেকে চারটি নাম পছন্দ করেন তিনি।

    এদিকে ড্রিমলাইনার বিমানগুলো পরিচালনার জন্য ১২ পাইলটকে প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

    শিগগিরই এ চারটি ড্রিমলাইনার বিমানবহরে যুক্ত হবে। এর মধ্যে প্রথম সর্বাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছে এ বছরের আগস্টে। দ্বিতীয়টি আসছে নভেম্বরে। বাকি দুটি ড্রিমলাইনার আসবে ২০১৯ সালের নভেম্বরে।

  • চাঁদপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    চাঁদপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সকাল ১১টার দিকে চাঁদপুরে পৌঁছেছেন। হেলিকপ্টারে পৌঁছানোর পর উপজেলার চরভাঙ্গায় বাংলাদেশ স্কাউটসের ষষ্ঠ জাতীয় কমডেকার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    চাঁদপুর সার্কিট হাউসে বিশ্রাম গ্রহণ শেষে দুপুর আড়াইটার পর প্রধানমন্ত্রী ২৩টি উন্নয়নমূলক প্রকল্প উদ্বোধন ও ২৪টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। দুপুর ৩টায় চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে চাঁদপুরে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

  • ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে আইটিতে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে – পলক

    ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে আইটিতে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে – পলক

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য। তাই আইটিতে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ হিসেবে তিন লাখ শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে পাঠদানে আনা হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক ও আধুনিক পরিবর্তন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তৈরি করা হয়েছে ৫৩ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম। দেশের ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণ করা হয়েছে একটি করে ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর।

    শনিবার কক্সবাজার সিটি কলেজের রজতজয়ন্তী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে আইটিতে দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তোলা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ১২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করা হয়েছে ৬ হাজার শেখ রাসেল ল্যাব। আরও ১৫ হাজার ল্যাব শিগগিরই করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, সরকার ২৮টি আইটি পার্ক নির্মাণ করছে। তার মধ্যে মহেশখালীতেও একটি রয়েছে। রামুতে ৮ একর জায়গার ওপর ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয়েছে হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ। এখানে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান হবে। তাছাড়া হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ হলে কক্সবাজার ডিজিটাল সার্ফিং সিটি বিশ্বে পরিচিতি পাবে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কক্সবাজারকে প্রচুর ভালোবাসতেন। তার স্বপ্ন ছিল কক্সবাজারকে বিশ্ব মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। বিগত ৯ বছরে কক্সবাজারে অনেক উপহার দিয়েছেন তিনি। এখানে নির্মাণাধীন রয়েছে বিশ্ব মানের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। মাতারবাড়িতে হচ্ছে পাওয়ার হাব। সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দরসহ একাধিক মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে কক্সবাজারে। আগামীতে কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

    কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্যথিং অংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রজতজয়ন্তীর উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ডিন কক্সবাজারের কৃতি সন্তান ড. ফরিদ উদ্দীন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট একে আহামদ হোসেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন, অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম ও ইঞ্জিনিয়ার বদিউল আলম।

    ‘২৫‘র উচ্ছ্বাসে, এসো মিলি ক্যাম্পাসে’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকালে কক্সবাজার শহীদ দৌলত ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্যে কক্সবাজার সিটি কলেজের রজতজয়ন্তী উৎসবের সূচনা হয়। র্যালিটি কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় রূপ নেয়। আলোচনার পর মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। বিকেলে স্মৃতিচারণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে।

  • দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শক্ত স্তম্ভ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শক্ত স্তম্ভ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন:

    বরিশাল নগরীর ২০নং ওয়ার্ড আয়োজিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব আবদুল মালেক বলেছেন, বরিশাল সহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়নর ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ একটি শক্ত স্থম্ভ। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের ব্যাপারে আবুল হাসানত আবদুল্লাহ কাউকে সাট দেননা। যার ফলশ্র“তিতে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। এই ধারা অবহ্যত রাখতে কাজ করছেন তারা।

    তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের জন্য তৃণ মূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। যা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বরিশালে এ উন্নয়নের ধারা অবহ্যত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০নং ওয়ার্ডে সমহারে উন্নয়নের পাশাপাশি প্রায় ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কাজ হয়েছে এছাড়াও ২০নং ওয়ার্ড উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে গোটা এলাকায় গতকাল এলিডি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। গতকাল এলিডি বাল্ব উদ্বোধন করেন তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব (সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রনায়লয়ের সচিব) আবদুল মালেক। ২০নং ওযার্ডে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টার,বিএম কলেজ এলাকায় ড্রেনেস ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ নানান উন্নয়নে সহযোগীতার আশ্বাস দেন তিনি।

    গতকাল প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে স্থানীয় জনপ্রিয় কাউন্সিলর এস.এম জাকির হোসেনের প্রচেষ্টায় ২০নং ওয়ার্ডে প্রায় ৩ কোটি টাকার বারতি উন্নয়ন হওয়ায় কাউন্সিলর এস.এম জাকির হোসেনের প্রসংশা করেন তিনি। কলেজ-রো জাহানারা ইসরাইল স্কুলে আয়োজিত এ সভায় ২০নং ওয়ার্ডের সকল শ্রেনী ও পেশার বিপুল সংখ্যক সুভান্যধায়ীরা ও এলাকাবাসী উপস্থিত হওয়ায় এস.এম জাকির হোসেন সহ এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক। একই সাথে আগামী ১ বছরে গ্রাম পর্যায়ে সকল বাড়ীতে সরকারের প্রদেয় বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস. এম জাকির হোসেন তার বক্তব্যে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিগত সাড়ে ৪ বছরের ২০নং ওয়ার্ডের ব্যাপক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। এলাকাবাসীকে নিয়ে এই উন্নয়নের ধারা অবহ্যত রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

    সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আহসান হাবিব কামাল, বাউফল পৌর মেয়র জিয়া উল হক জুয়েলসহ অতিথিবৃন্দ। সভার শুরুতে তথ্য মন্ত্রনায়ের সচিব আবদুল মালেককে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ২০নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী, জাহানারা ইসরাইল স্কুল কর্তৃপক্ষ, বিএম কলেজ সাবেক অধ্যক্ষ বরিশালস্থ বাউফল সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন আপন করে নিল বাংলাদেশ

    ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন আপন করে নিল বাংলাদেশ

    রিাকিব সিকদার :

    বাংলাদেশকে ভালোবেসে যুগের পর যুগ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ব্রিটিশ লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।শনিবার বিকালে লুসি হল্টের হাতে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের সনদটি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এসময় জাতির জনকের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এবং শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।৮৭ বছর বয়সী লুসি জীবনের ৫৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশে; এদেশের মাটি ও মানুষকে ভালবেসে ভুলে থেকেছেন পরিবারকে। মৃত্যুর আগে তার একটাই চাওয়া ছিল ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’; শনিবার তিনি তা পেলেন।১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্ম লুসি হল্টের। বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট।

    মানুষের সেবা করার জন্য ১৯৬০ সালে বরিশালের অক্সফোর্ড মিশনে যোগ দেন লুসি। এদেশে এসে অক্সফোর্ড মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের পড়ানো শুরু করেন।একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যশোর ক্যাথলিক চার্চে শিশুদের ইংরেজি পড়াতেন তিনি। যুদ্ধের কারণে চার্চ বন্ধ করে সবাই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেলেও যাননি লুসি হল্ট। যুদ্ধাহত মানুষদের সেবা দিয়েছেন তিনি।মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের কাছে চিঠি ও উপহার পাঠান লুসি হল্ট। মা’র হয়ে লুসিকে চিঠির জবাবও দিয়েছিলেন শেখ রেহানা। ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়ার আগে খুলনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও ঢাকায় কাজ করেছেন লুসি হল্ট। অবসর জীবনে তিনি বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনের শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দিচ্ছেন।অবসরের পর সবাই দেশে ফিরে গেলেও তিনি যাননি।

    বাংলাদেশে ও বরিশালের সঙ্গে তার আত্মার সম্পর্ক।বাকি জীবনটা বরিশালেই কাটিয়ে দিতে চান লুসি। তার শেষ ইচ্ছা, মৃত্যুর পরে তাকে যেন বাংলাদেশের মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।অবসরকালীন ভাতা সাড়ে সাত হাজার টাকা দিয়ে জীবন চালিয়ে নিচ্ছেলেন লুসি। কিন্তু প্রতিবছর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৩৮ হাজার টাকা দেওয়া তার জন্য কষ্টকর হচ্ছিল। চলতি বছরের ৮ ফেব্র“য়ারি লুসি হল্টকে ১৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য তার ভিসা ফি মওকুফও করা হয়ে ছিল। এখন আর সেসবের প্রয়োজন হবে না।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করায় লুসি হল্টকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

    এক সময় শেখ ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ছিল জানিয়ে লুসি বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি আনন্দিত। অনুষ্ঠানে শেখ রেহানার সঙ্গেও কথা বলেন লুসি হল্ট।গণভবনে এই অনুষ্ঠানে মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।