Category: জাতীয়

  • বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহ, হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি

    বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহ, হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি

    শেখ সুমন :

    বরিশাল এসে পৌঁছেছেন বরিশাল মহানগর আলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। সাদিক আবদুল্লাহর বরিশালে আসার সংবাদে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। নগরীর লঞ্চঘাটসহ রাস্তাঘাট কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আজ রবিবার প্রায় ২ মাস পরে বরিশালে আসেন তিনি। গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজের মাধ্যমে দুপুর ২টার দিকে বরিশাল লঞ্চঘাটে নামেন সাদিক।

    হাজার হাজার নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান। নগরীর লঞ্চঘাটে এতো লোকের উপস্থিতি এর আগে কখনও দেখা যায়নি।

    বরিশালে পা দিয়ে সকল নেতা কর্মীর সাথে কুশল বিনীময় করেন সাদিক আবদুল্লাহ। এরপর তিনি সকল নেতাকর্মীর সাথে তার নিজ বাসভবনে যান।এবং সবার সাথে কথা বলেন ।

     

  • রোহিঙ্গা যাচাই প্রক্রিয়ায় আমাদের আরও সময় লাগবে: মিয়ানমার

    রোহিঙ্গা যাচাই প্রক্রিয়ায় আমাদের আরও সময় লাগবে: মিয়ানমার

    মিয়ানমারের সামাজিক কল্যাণ, ত্রান ও পূণর্বাসন মন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে ১১-১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সফর করবেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এ সফরে তিনি রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত করার বিষয় নিয়ে কথা বলবেন। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে। গত আগস্টে মিয়ানমারে নিষ্ঠুর সামরিক অভিযান শুরুর পর এসব রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

    মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও ৮ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গার একটি প্রাথমিক তালিকার জবাবে মিয়ানমার মাত্র ৫০০ (প্রায়) জনকে ‘চিহ্নিত’ করেছে। মিয়ানমার বলেছে, কিছু রোহিঙ্গা দেশে ফেরার আবেদনপত্র ঠিকভাবে পূরণ করেনি।

    রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার দায়িত্বে থাকা মিয়াত আয়ে বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে রেডিও ফ্রি এশিয়াকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তা সংক্ষেপিত আকারে এখানে তুলে ধরা হল:

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: বাংলাদেশে এ সফরের লক্ষ্য কী?
    উইন মিয়াত আয়ে: শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব নিয়ে আলোচনা

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: বাংলাদেশি সরকার কিংবা জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করবেন?
    উইন মিয়াত আয়ে: যতটুকু জানি বাংলাদেশ সরকার পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করেছে। তারা আয়োজন করতে পারলে আমরা শরণার্থী শিবিরেও যাব।

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দেরির আসল কারণ কী?
    উইন মিয়াত আয়ে: চুক্তি অনুযায়ী শরণার্থীরা আবেদনপত্র ঠিকভাবে পূরণ করলে দেরি হওয়া উচিত নয়। কিন্তু যেভাবে আশা করেছিলাম সেভাবে হয়নি। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী শরণার্থীরা আবেদনপত্র পূরণ করলে এ প্রক্রিয়া তুলনামূলক বেশি দ্রুত হত। বাংলাদেশে গিয়ে এ নিয়ে কথা বলব।

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ৮,০৩২ শরণার্থীর তালিকা পাঠাল। মিয়ানমার ৯০০ জনকে ‘চিহ্নিত’ করেছে। এর মধ্যে ৫০০ জন মুসলিম এবং ৪০০ জন হিন্দু। বাংলাদেশে বাকি শরণার্থীদের বিষয়ে কী করছেন?
    উইন মিয়াত আয়ে: আমি আগেও বলেছি আবেদনপত্র ঠিকভাবে পূরণ করা হয়নি। এজন্য চিহ্নিত করতে সময় লাগছে। আমরা তাদের তালিকা বাংলাদেশে পাঠিয়েছি যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি কিন্তু এ বিষয়ে এখনো কোনো সাড়া পাইনি।

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: এ সফর থেকে কী আশা করছেন?
    উইন মিয়াত আয়ে: বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রতিবেশী। শরণার্থী ইস্যু দুই দেশের সমস্যা। আমাদের দেশের মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে চলে গেছে। এখন আমাদের দায়িত্বতাদের ফিরিয়ে আনা। দুই দেশই তাতে রাজি। সুসস্পর্ক বজায় রেখে এই ইস্যুতে দুই দেশের একসাথে কাজ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সহযোগিতাকে আরও মসৃণ করতে বাংলাদেশ যাচ্ছি।

    রেডিও ফ্রি এশিয়া: মিয়ানমার কী জাতিসংঘের শরণার্থীদের সুরক্ষা সম্পর্কিত সংস্থা ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপির সঙ্গে শরণার্থী ইস্যুতে কাজ করবে? এসব সংস্থার সঙ্গে মিয়ানমারের কী চুক্তি হয়েছে?
    উইন মিয়াত আয়ে: বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিতে আমরা এরইমধ্যে জাতিসংয়ের সংস্থারগুলোর সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি আলোচনা করেছি যদি প্রয়োজন পড়ে। ইউএনএইচসিআর ও ইউএনডিপির সঙ্গেও এ নিয়ে কথা হয়েছে।

  • দুর্নীতি আইনের বিশেষ প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ৩৮ জেলা জজ

    দুর্নীতি আইনের বিশেষ প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ৩৮ জেলা জজ

    দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১০-১২ এপ্রিল এ বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

    রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আয়োজিত বিশেষ এ প্রশিক্ষণ কোর্সের জন্য ৩৮ বিচারককে মনোনয়ন দিয়েছেন আইন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব কাজী মুশফিক মাহবুব রবিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত বিচার বিভাগীয় ৩৮ কর্মকর্তাদের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সম্মতি রয়েছে বলেও জানা গেছে।

    প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীতরা হলেন- ঢাকার বিশেষ জজ (জেলা জজ) আদালত-২ এর বিশেষ জজ বেগম হোসনে আরা বেগম, ৩ এর বিশেষ জজ আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন, ৪ এর বিশেষ জজ শাহীদুল ইসলাম আজামী, ৬ এর বিশেষ জজ কে. এম ইমরুল কায়েশ, ৭ এর বিশেষ জজ মুনসী রফিউল আলম, ৮ এর বিশেষ জজ শামীম আহমেদ, ৯ এর বিশেষ জজ মো.মাহমুদুল কবীর, ১০ এর বিশেষ জজ মো.আতাবুল্লাহ।

    টাঙ্গাইলের বিশেষ (জেলা জজ) ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার, চট্টগ্রামের বিশেষ জজ মীর রুহুল আমিন, কুমিল্লার বিশেষ জজ মোহাম্মদ ইসমাইল, রাজশাহীর বিশেষ জজ এ কে এম মুস্তাকিনুর রহমান, রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার।

    কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলম, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ শহীদুল আলম ঝিনুক, জামালপুরের মো. সাইদুর রহমান খান, বরিশালের সৈয়দ এনায়েত হোসেন, সাতক্ষীরার সাদেকুল ইসলাম তালুকদার, রাজবাড়ীর মো. আমিনুল হক, মাদারীপুরের শরীফ উদ্দিন আহমেদ, মুন্সীগঞ্জের মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী, ভোলার ফেরদৌস আহমদ, ঝালকাঠির মো. ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক, পিরোজপুরের মো. রফিকুল ইসলাম, হবিগঞ্জের মো. আমজাদ হোসেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মো. আসাদুজ্জামান, নীলফামারীর মো. মজিবুর রহমান, কুড়িগ্রামের ওবায়দুল হামিদ মো. ইলিয়াস হোসেন।

    লালমনিরহাটের মো. বজলুর রহমান, মাগুরার শেখ মফিজুর রহমান, গোপালগঞ্জের মো. দলিল উদ্দিন, রাঙামাটির মোহাম্মদ কাওসার, লক্ষীপুরের এ কে এম আবুল কাশেম, নওগাঁর এ কে এম শহীদুল ইসলাম, জয়পুরহাটের বেগম মমতাজ পারভীন, পাবনার নূরুজ্জামান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোহাম্মদ লিয়াকত আলী মোল্লা ও পটুয়াখালীর আবু মো. আমিমুল এহসান।

  • হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফিরলেন খালেদা

    হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফিরলেন খালেদা

    দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার শেষে হাসপাতাল থেকে আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়েছে। এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাঁকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হয়।

    বিএসএমএমইউয়ের কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়টাতে খালেদা জিয়া কেবিন ব্লকের ৫১২ নম্বর কক্ষে অবস্থান করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর কয়েকটি এক্স-রে ও রক্ত পরীক্ষা করা হয়।

    এদিকে খালেদা জিয়া কারাগার থেকে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কিছুটা হেঁটে গিয়ে লিফটে ওপরে ওঠেন। এ সময় তাঁর পরনে ছিল অফহোয়াইট রঙের জামদানি শাড়ি। তাঁর চারপাশে ছিল পুলিশ, চিকিৎসক, নার্স, কারারক্ষী।

    খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া এবং হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় ওই সব সড়কে যান চলাচল সীমিত করা হয়হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রচুর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    এরই মধ্যে হাসপাতাল ও কারাগার এলাকায় বিএনপির কিছু কিছু নেতা-কর্মীকে ভিড় করতে দেখা গেছে। তবে পুলিশ হাসপাতালের সামনের জড়ো হওয়া বিএনপির কিছু কর্মীকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শাহবাগ থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে তাঁকে সেখানে রাখা হয়।

    গত ১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গঠিত বিশেষ মেডিকেল বোর্ড কারাগারে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। বোর্ডের সদস্যরা হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যাপক মো. শামছুজ্জামান (অর্থোপেডিকস), অধ্যাপক মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), অধ্যাপক টিটু মিয়া (মেডিসিন) ও সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।

    পরের দিন চিকিৎসক মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, খালেদা জিয়া অসুস্থ, তবে গুরুতর নয়।

    এদিকে গতকাল শুক্রবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কারাগারে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যাডামের স্বাস্থ্য খুব ভালো নয়। প্রথম থেকেই আমরা তাঁর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুব উদ্বিগ্ন। তাঁর সমস্যাগুলো বেশ বেড়ে গেছে।’

    হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও খালেদা জিয়ার কয়েকজন ব্যক্তিগত চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মধ্যে নিউরো মেডিসিনের ওয়াহিদুজ্জামান এবং মেডিসিনের এফ এম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি ও তাঁর দুই মেয়ে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ

    খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ

    শেখ সুমন :

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বরিশালে চলছে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ।

    শনিবার (৭ এপ্রিল) বেলা ৩ টায় বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ শুরু হয়।

    কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরসহ দলটির সিনিয়র নেতারা

    সমাবেশ ঘিরে ঈদগাহ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আশে-পাশের সড়কে অবস্থান নিয়েছে বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা।

  • ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে বরিশালে সাধারণ জনগণের মানববন্ধন

    ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে বরিশালে সাধারণ জনগণের মানববন্ধন

    হুজাইফা রহমানঃ

    “ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড” এই দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য বরিশালে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেল ৫ টায় বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সাম্প্রতিক কালের সকল ধর্ষণের বিচার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সাধারণ নাগরিকদের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে বরিশালের সচেতন নাগরিক সমাজ। সেখানে বিভিন্ন দাবি দাওয়া ও প্রতিবাদ সম্বলিত প্লেকার্ড হাতে ধর্ষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় সাধারণ জনগণ।

    মানববন্ধনে সাধারণ জনগণের সরব উপস্থিতির পাশাপাশি প্লেকার্ড হাতে আরো অবস্থান নেয়, কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন, সংগঠক নাজিউর নিরব, বাংলার মুখ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন, আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস অনন্যা, বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব এর সভাপতি নিহাব রহমান, “I CAN CHANGE THE WORLD” এর এডমিন মনিরুল ইসলাম। এছাড়াও “বিবিডিসি”, “আই ক্যান চেইঞ্জ দ্যা ওয়াল্ড” “আসুন মানবতাকে হাসাই”, সিডিবি “লাল সবুজ”, “যুব উন্নয়ন ক্রিড়া সংঘ” সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

  • ২২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন পেলেন খালেদা

    ২২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন পেলেন খালেদা

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

    এদিন অসুস্থতা জনিত কারণে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অপরদিকে তার জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।

  • মোগো ভালোবাসে সাদিক ভাই,নির্বাচনে হেই জিতবো।

    মোগো ভালোবাসে সাদিক ভাই,নির্বাচনে হেই জিতবো।

    শেখ সুমন:

    আর কিছুদিন পরে নির্বাচনের হাওয়া আসবে বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের জনসাধারণের মাঝে।নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে দল এবং সাধারণ মানুষের মাঝে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিগন।তারা বিভিন্ন দলের হাইকমান্ডের সাথে যেমন যোগাযোগ রাখছেন,তেমনে কাজ করছেন জনগণের সাথে। কিন্তু জনগণ এবার তাকেই নগর পিতার আসনে বসাতে চাইছেন,যে প্রকৃতপক্ষে জনসাধারণের সাথে কাজ করবে।ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ তাদের ভবিষ্যত্ নগর পিতা নির্বাচনের চিন্তা ভাবনা করছে।

    বরিশাল সরকারী জিলা স্কুলের মসজিদ গেটের সামনে তিনজন রিক্সাচালক কথা বলছেন নির্বাচন নিয়ে।তিনজনি বলছেন যে এবার তারা সাদিক ভাইকে ভোটে দিবেন ।

    এই প্রতিবেদক তাদের কাছে জানতে চাইলেন যে, কেনও তারা সাদিক কে ভোট দিবেন ?

    ষ্টিডিয়াম কলোনী নিবাসী মো: ইউনুস বলেন, সাদিক ভাই আমার মেয়ের চিকিৎসায় টাকা দিছে। আমার মেয়ে সেই টাকা না পেলে বাচতোনা ( চোখে পানি নিয়ে কথা বলছে )।আমি তাকে ভোট দিবোনা তো কাকে দিবো।

    পলাশপুর নিবাসী রফিক বলেন, আমার একটি সমস্যার সমাধান সঠিক ভাবে  করছে। সে গরীবদের খুব ভালোবাসে। আমি ও তাকে ভোট দিবো। প্রধানমন্ত্রী যেন তাকে নমিনেশন দেয়। আমরা রিক্সা চালিয়ে সবাইরে বলবো তাকে ভোট দিতে।

    জানা জায়যে,সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    বর্তমানে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ লড়ছেন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। কবিতার দুটি লাইনের সাথে এই রাজনীতিবিদের যৌবনকালের অদ্ভূতরকম মিল আছে। “এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”। ঠিক এই লাইনটির মতোই সাদিক নিজের যৌবনকালকে প্রথাগত চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ঘরসংসার করার জীবন বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দৃপ্ত শপথ। লড়াইয়ে রক্তেভেজা রাজপথ, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠের অনিশ্চিত এক জীবন।

    বরিশালের রাজনীতিবিদরা মনে করেন যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের; যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন। নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে।

    সাদিক মনে করেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার দাদা, বাবা সবাই বরিশালের মাটিতে রাজনীতি করেছে। আমিও তাদের বাইরে নই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না। ওই রাজনীতি করতেও চাই না। দেশ ও বরিশালের উন্নয়নের জন্য কোন কাজই আমি ভয় পাই না। আমি জনগনের মাঝেই থাকতে চাই। জনগনের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নিয়েই রাজনীতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। মানুষের ভালোবাসাকে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মেনে নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই মানুষের কল্যাণে, দলের কল্যাণে।

     

     

     

     

  • বানান ছাড়া পাসপোর্টে কোনো সংশোধন হবে না: ডিজি

    বানান ছাড়া পাসপোর্টে কোনো সংশোধন হবে না: ডিজি

    অনেকে বয়স পরিবর্তন করে পাসপোর্ট সংশোধন করতে আসে। আবার অনেকেই রহিমের জায়গায় করিম লিখতে চান। এসব ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নয়। আবার অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে চায় সেটাও সম্ভব নয়। সংশোধনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বানানে ভুল হয়ে থাকলে তা পরিবর্তন যোগ্য। জানালেন ইমিগ্রেশন এন্ড পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল রেজওয়ান মাসুদ।

    ইমিগ্রেশন এন্ড পাসপোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (পিআইআরএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা রাজধানীর আগারগাঁও কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু ও এটিএম আবু আসাদসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। রেজওয়ান মাসুদ বলেন, দালালদের ধরতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড হয়ে গেলে সত্যায়ন ও পুলিশ রিপোর্টের প্রয়োজন হবে না, এজন্য কাজ করা হচ্ছে।

    ডিজি বলেন, পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কারণে গত কয়েক বছরে ২১ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ৪২ জনকে বিভিন্ন শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে যারা ভালো কাজ করেছে এমন ৩২ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বগুড়ায় পাসপোর্ট কর্মকর্তার ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার ব্যাপারে ডিজি বলেন, সন্ত্রাসীরা কোনদিন শেল্টার পাবে না। তারা সমাজ ও দেশের শত্রু। নির্ভয়ে কাজ করার জন্য স্বরাস্ট্রমন্ত্রীও সকলকে নির্দেশনা দিয়েছেন। মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, মিডিয়া সব সময় পাশে ছিল।

    পাসপোর্টের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এর আগে সাংবাদিকদের কোনো সংগঠন ছিল না। পাসপোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম গঠিত হওয়ায় তিনি সাংবাদিকদের কৃতজ্ঞতা জানান। এরকম সংগঠন হওয়ার ফলে কর্মকর্তা কর্মচারীরা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবে। অনেকেই নাম ভাঙ্গিয়ে হয়রানি করতে আসে, সেটি আর পারবে না বলে জানান ডিজি। সৌজন্য সাক্ষাতে সংগঠনের সভাপতি আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি জামিউল আহসান সিপু, রুহুল আমিন তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • করের আওতায় আসছে ফেসবুক-ইউটিউব-গুগল

    করের আওতায় আসছে ফেসবুক-ইউটিউব-গুগল

    করের আওতায় আসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ভিডিও আদান-প্রদানের ওয়েবসাইট ইউটিউব এবং সর্ববৃহৎ অনুসন্ধান ইঞ্জিন গুগল। দেশে অনলাইনে এসব মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচুর অর্থ আয় করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার এ থেকে কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না। অথচ দেশীয় গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অবস্থায় ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলকে করের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এনবিআর বলছে, আগমী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এদেরকে করের আওতায় আনা হবে।

    বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে সংবাদপত্র শিল্প মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) নেতাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ বিষয়ে কথা হয়। এতে বক্তারা ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলকে করের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

    সভায় নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, ইউটিউব-ফেসবুকে অবাধ বিজ্ঞাপনের কারণে রাজস্ববঞ্চিত হতে হচ্ছে। ইউরোপসহ উন্নতবিশ্ব এমনকি ভারতেও এদের ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এটা হচ্ছে না।

    তিনি বলেন, তারা প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ সরকার কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না। এটা অবশ্যই করের আওতায় আনা উচিত।

    সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহার, কর্পোরেট কর হার হ্রাস, বিজ্ঞাপনের ওপর অগ্রিম আয়কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার করতে হবে।

    জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আগামী বাজেটে এর প্রতিফলন থাকবে। এদেশে ইউটিউব ও ফেসবুকের প্লানেস হচ্ছিল এত দিন। প্লানেসের দিন শেষ হয়েছে। এখন তাদের করের আওতায় আনা হবে।