Category: জাতীয়

  • বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

    তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের  উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

    ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

    তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

  • খালেদা জিয়া ৪ মাসের জামিন পেলেন

    খালেদা জিয়া ৪ মাসের জামিন পেলেন

    পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চার মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    সোমবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন দেন।

    আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটনি জেনারেল মাহবুবে আলম, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

  • প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহে তৃণমূলে ছাত্রলীগ

    প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহে তৃণমূলে ছাত্রলীগ

    সদস্য সংগ্রহে নামছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। চলতি সপ্তাহের যেন কোনো দিন থেকেই এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ইতোমধ্যে ‘ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্য পদ’ পুরণের ফরম ছাপানো হয়েছে।
    আজ সন্ধ্যা সাতটায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। সংগঠনের এই দুই শীর্ষ নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বৈঠকে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী পালন নিয়েও কথা হয় তাদের। ছাত্রলীগকে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার নিদের্শ দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা জানান, ছাত্রলীগে প্রাথমিক সদস্যপদ পুরণের জন্য ইতোমধ্যে ফরম ছাপানো হয়েছে। আমরা তৃণমূলে শুরু করতে চাই।
    এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘সন্ধ্যায় দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেবের সঙ্গে আমরা সৌজন্য সাক্ষাত করি। তিনি সংগঠনকে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার তাগিদ দেন। আমরা সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ অভিযানের কথা জানাই এবং তাকে প্রধান অতিথি করে রাজধানী থেকে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবো বলে জানাই। তিনি সময় দিলেই চলতি সপ্তাহের যে কোনো দিন কার্যক্রম শুরু করবো।’ তিনি বলেন, ‘মেধাবী, ক্লিন ইমেজ ও পরিচ্ছন্নরাই আমাদের প্রধান টার্গেট।’
    ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন  বলেন, ‘সংগঠনকে আরো শক্তিশালী  করতে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করতে তৃণমূলে যাচ্ছি। জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ড এমনকি গ্রাম পর্যায়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করবো।’ তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্য হতে হলে কমপক্ষে তিনজন ওয়ার্ড কমিটির নেতার সুপারিশ লাগবে। কোন মাদকাসক্ত, বখাটের স্থান ছাত্রলীগে হবে না।’

  • খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ উপাধি দিলেন ফখরুল

    খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ উপাধি দিলেন ফখরুল

    শেখ সুমন :

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে উপাধি দিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শনিবার বিকালে খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ থেকে তাকে এ উপাধি দেয়া হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সিনিয়র নেতারা।

    কেন্দ্র ঘোষিত এই সমাবেশ খুলনা হাদিস পার্কে আয়োজনের কথা ছিল। পরে সেখানে আওয়ামী মহিলা লীগ পাল্টা সমাবেশের ডাক দিলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে ১৪৪ জারি করা হয়। পরে বিএনপি সার্কিট হাউজে করতে চাইলেও অনুমতি মেলেনি। সর্বশেষ দলীয় কার্যালয়ের সামনে করতে চাইলে সেখানেও বাধা দেয়া হয়।

  • বরিশাল বাসীর স্বপ্নের পদ্মাসেতুর তৃতীয় স্প্যান দৃশ্যমান

    বরিশাল বাসীর স্বপ্নের পদ্মাসেতুর তৃতীয় স্প্যান দৃশ্যমান

    দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ। সবকিছু অনুকূল ও প্রকৌশলগত জটিলতা না থাকলে রোব অথবা সোমবারের (১১ ও ১১ মার্চ) মধ্যেই ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ওপর উঠবে তৃতীয় স্প্যান ৭-সি। এ নিয়ে সেতুর জাজিরা প্রান্তে এখন চলছে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেতুর ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারে দু’টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে ৩০০ মিটার কাঠামো দৃশ্যমান হয়েছে। তৃতীয় স্প্যানটি পিলারের ওপর বসলে জাজিরা প্রান্তের ৪টি পিলারে সেতু দৃশ্যমান হবে ৪৫০ মিটার। বর্তমানে স্প্যান ওঠানোর জন্য বিশেষজ্ঞ প্যানেল দ্বারা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো যাচাই এবং পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    জানা যায়, রোববার সকাল থেকেই শুরু হবে স্প্যান বসানোর কার্যক্রম ও যদি কোনো জটিলতা না দেখা দেয় তাহলে সেদিনই পিলারের ওপর ওঠতে পারে স্প্যান বলে আশাবাদী দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা।

    শনিবার বিকেলে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যান বহনকারী তিন হাজার ৬০০টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ‘তিয়ান ই’ ক্রেনটি ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলার এলাকায় পৌঁছায়। এর আগে শুক্রবার (৯ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে যাত্রা শুরু করে স্প্যানটি। তবে নাব্যতা সংকট, তীব্র স্রোত এবং নকশা জটিলতায় পিছিয়ে মাওয়া প্রান্তের কাজ।

    পদ্মাসেতু প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় স্প্যান বসাতে বাড়তি একদিন সময় লেগেছিল। এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা দিন তারিখ দেওয়া যায় না। রোববার পিলারের ওপর স্প্যান ওঠানোর জন্য প্রকৌশলীরা কাজ শুরু করবেন। যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয় সেক্ষেত্রে সোমবার গড়াতে পারে।

    বিকেলে স্প্যানটি ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের কাছকাছি এসে পৌঁছায়। এছাড়া দ্বিতীয় স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে যাওয়ার সময় পাইল ড্রাইভের কাজের জন্য রাখা ক্রেন ও ভারী যন্ত্রাংশের কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। কিন্তু এবার যাতে তখনকার মতো সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    শেখ সুমন :

    শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন। মেঘ না চাইতেই জল। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ কল্পনাও করতে পারেনি পায়রায় সমুদ্রবন্দর হবে। আজকে পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং মাওয়ায় পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পায়রাবন্দর আর পদ্মা সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে এই দেশের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে বলে আশা প্রবীণ রাজনীতিবিদ শিল্পমন্ত্রী আমুর।

    শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেম্বারের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কেএম হাবিব উল্লাহ।

    এর আগে শিল্পমন্ত্রী ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধন করেন।

    বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ৭ দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলা উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সার্কিট হাউজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের মোট ৫০টি স্টল স্থান পেয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

  • ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন আটকে যাওয়ার পর সময়মতো পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে পাঁচ সিটি নির্বাচনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে দুই ভাগে পাঁচ সিটিতে ভোট গ্রহণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটির সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ, নির্বাচন, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও অন্যান্য বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানানোর জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রধান উপকরণ ব্যালট পেপার। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজের প্রয়োজন হয়, তা ভোটের আগেই সংগ্রহ না করলে সংকট দেখা দিতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কাগজ কেনার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে থাকে। তারা বলেন, এপ্রিলের মধ্যে কেনা হবে পাঁচ সিটির ব্যালট পেপারের কাগজ। সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৮৫২ রিম গোলাপি মুদ্রণ কাগজের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৩৩৩ রিম কাগজ মজুদ রয়েছে, বাকি ৫১৯ রিম সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী,  সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ৮ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর। এক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাগজ সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতর। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। খুলনা সিটি ৩০ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই এই দুই নির্বাচন আগামী ঈদের আগে মে মাসের প্রথম দিকে করতে চায় ইসি। এ ছাড়া এককভাবে শুধু গাজীপুর সিটিতেও ভোট করতে পারে ইসি।

    অন্যদিকে ঈদের পর চার সিটি তথা মে-জুনের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটিতে ভোটের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। তবে গাজীপুরসহ পাঁচ সিটিতে একসঙ্গে ভোট করার কথাও ভাবছে কমিশন। ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সংসদের আগে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। তারাও সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। তবে তার আগে পাঁচ সিটি ও আটকে থাকা পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনও শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এক্ষেত্রে চলতি বছরের জুনের মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে লড়াই হবে পাঁচ সিটির ভোটের মাঠে। জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবে প্রধান দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সবার নজর থাকছে সিটির ভোটের দিকে।

    সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অবশ্যই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে। আমরা সব সময় বলছি নিরপেক্ষ থাকব। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল একই সুযোগ-সুবিধা পাবে।  জানা গেছে, দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনে মে-জুন মাসের মধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্য ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকার সিডি তৈরির কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

  • ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন আটকে যাওয়ার পর সময়মতো পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে পাঁচ সিটি নির্বাচনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে দুই ভাগে পাঁচ সিটিতে ভোট গ্রহণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটির সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ, নির্বাচন, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও অন্যান্য বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানানোর জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রধান উপকরণ ব্যালট পেপার। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজের প্রয়োজন হয়, তা ভোটের আগেই সংগ্রহ না করলে সংকট দেখা দিতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কাগজ কেনার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে থাকে। তারা বলেন, এপ্রিলের মধ্যে কেনা হবে পাঁচ সিটির ব্যালট পেপারের কাগজ। সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৮৫২ রিম গোলাপি মুদ্রণ কাগজের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৩৩৩ রিম কাগজ মজুদ রয়েছে, বাকি ৫১৯ রিম সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী,  সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ৮ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর। এক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাগজ সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতর। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। খুলনা সিটি ৩০ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই এই দুই নির্বাচন আগামী ঈদের আগে মে মাসের প্রথম দিকে করতে চায় ইসি। এ ছাড়া এককভাবে শুধু গাজীপুর সিটিতেও ভোট করতে পারে ইসি।

    অন্যদিকে ঈদের পর চার সিটি তথা মে-জুনের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটিতে ভোটের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। তবে গাজীপুরসহ পাঁচ সিটিতে একসঙ্গে ভোট করার কথাও ভাবছে কমিশন। ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সংসদের আগে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। তারাও সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। তবে তার আগে পাঁচ সিটি ও আটকে থাকা পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনও শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এক্ষেত্রে চলতি বছরের জুনের মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে লড়াই হবে পাঁচ সিটির ভোটের মাঠে। জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবে প্রধান দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সবার নজর থাকছে সিটির ভোটের দিকে।

    সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অবশ্যই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে। আমরা সব সময় বলছি নিরপেক্ষ থাকব। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল একই সুযোগ-সুবিধা পাবে।  জানা গেছে, দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনে মে-জুন মাসের মধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্য ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকার সিডি তৈরির কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

  • দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    নিজেকে দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারের যে ক’জন মন্ত্রী রয়েছেন, তাদের মধ্যে আমি বুড়া মন্ত্রী। আমি দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ। আজ রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ১৭ মিনিটের ভাষণটি একটি দলিল। যাতে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাক দেওয়া হয়েছে। ডাক দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিক মুক্তির। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এই ভাষণটিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির জন্য ২০০৯ সালের ১২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ২৩ মার্চ আমি এই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করি। আর এই প্রস্তাবে ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৭ সালে প্যারিসের অধিবেশনে ঘোষণা দেওয়া হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

  • সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন  প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পদমর্যাদা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি (শান্তিচুক্তি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণের জন্য গঠিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত এ পদে থাকাকালীন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    গত ১৮ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাতকে প্রধান করা হয়।

    এর আগে ২০০৯ সালে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মন্ত্রীর মর্যাদায় আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটি করা হয়।