Category: জাতীয়

  • মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে নিজ দেশে আর ফিরে যেতে আগ্রহী না হয় সেজন্য তাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে মিয়ানমার একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার বেলা ১১টায় বরিশালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা কনফারেন্সের উদ্ধোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

    আমির হোসেন আমু বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এটা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের সহজে ফেরত নিতে চাইবে না। আজকে আন্তর্জাতিক চাপ এবং বাংলাদেশের লবিংয়ের কারণে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু যাদেরকে ফেরত নেওয়া হবে, সেই রোহিঙ্গারা যাতে ফিরতে আগ্রহী না হয় সেজন্য মিয়ানমার সীমান্তে ভীতি প্রদর্শন করে রোহিঙ্গাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    এ সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনসহ অন্যান্যরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিদেশি কোনো উপদেশ খয়রাতের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই।

    ৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠেয় আগামী জাতীয় নির্বাচনে সব দলকে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা জনগণের চাপকে গুরুত্ব দিই। আমাদের দেশের গণতন্ত্র আমরাই পরিচালনা করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, কেউ ধোয়া তুলসীপাতা নয়। যারা আমাদের উপদেশ দিচ্ছে, তাদের দেশের গণতন্ত্রের চেহারা, তাদের দেশের নির্বাচনের চেহারা, সেটা সারা দুনিয়া জানে, আমরাও জানি। কাজেই আমাদের উপদেশ দিতে হবে না।’

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কারও উপদেশ-খয়রাতের দিকে তাকিয়ে নেই। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের দেশের গণতন্ত্র চলবে। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন চলবে। কাজেই এ নিয়ে বাইরে থেকে কে চাপ দিল, সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি।’

    সরকারি অর্থ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী ভোট চাইছেন—এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের কাছে যাওয়ার অধিকার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর আছে। এখনো নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা হয়নি। এই প্রশ্নটি হতে পারে তখন, যখন নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করবে। এই মুহূর্তে দেশের প্রধানমন্ত্রী, তিনি যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেসব নিয়ে জনগণকে অবহিত করার অধিকার তাঁর আছে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী; আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে নৌকায় ভোট চাওয়ার অধিকার প্রধানমন্ত্রীর আছে। তাতে এখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।’ তিনি আরও বলেন, এবার ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। এ লক্ষ্যে তাঁরা কাজ করছেন।

    বিএনপির আন্দোলনের কৌশল মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের অবস্থান বিষয়ে কাদের বলেন, ‘তাদের কৌশল সেটা তাদের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তারা কী কৌশল প্রয়োগ করবে, সেটা তাদের ব্যাপার।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করব, সহিংসতা মোকাবিলার জন্য আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে। তারা যখন যেটা দরকার সেটাই করবে।’

    ৭ মার্চের সমাবেশ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সমাবেশে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন এবং এ সময়ের ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের মুখে আমাদের করণীয়, দেশবাসীর করণীয়, নির্বাচন সামনে রেখে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাবেন।’

  • দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির জনকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনার খালিশপুরের ঈদগাহ ময়দানে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইইবি) জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে জাতির পিতা এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মতো স্বল্প সময়ে পিছিয়ে থাকা একটি প্রদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রে উন্নত করেছিলেন জাতির জনক। তখন তাকে বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করেছিলেন প্রকৌশলীরা।

    কৃষক-মজদুর নয়, শিক্ষিত শ্রেণীই দুর্নীতি করে বলে এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের নির্দেশিত পথ মেনেই আমরা চলছি। আমাদের সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মানুষ যেন আইনের শাসনের সুযোগ-সুবিধা পায়, সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছি।

    বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে আইনের শাসনের অভাবে পাঁচ পাঁচবার সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ। আজ দুর্নীতি উৎখাত করে দুই ধাপ এগিয়েছি আমরা।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে খুলনায় পা রাখেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রী খুলনা সার্কিট হাউজে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

  • বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমাদের এই অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেটি হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক, সমৃদ্ধ, নিরাপদ, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির বাংলাদেশ। এ কাজে আপনারাই হচ্ছেন অগ্র সৈনিক।

    শনিবার সকালে খুলনার খালিশপুরে আইইবির খুলনা কেন্দ্রে ৫৮তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

    তিনি বলেন, আমরা উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই। এ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আপনারা পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন।

    বিভিন্ন খাতে তার সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। গত বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের উপরে। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। সকল ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মহান স্বাধীনতার মাসেই আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হচ্ছি।

    বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ভারতের সঙ্গে আন্তঃগ্রীড নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। যার মাধ্যমে আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা বলয় গড়ে উঠবে।

    তিনি বলেন, আমরা ভারত থেকে ৫০০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছি। পর্যায়ক্রমে এ আমদানির পরিমাণ একহাজার মেগাওয়াট হবে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। এ বৈশ্বিক গ্রামে এককভাবে উন্নতি করা প্রায়ই দুঃসাধ্য। অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি লাভ করতে হলে আন্তঃমহাদেশীয়, আন্তঃদেশীয় এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও সহযোগীতা বাড়াতে হবে।

    উল্লেখ্য, সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নিতে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা পৌনে ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে তিতুমীর নৌ-ঘাঁটির ভিভিআইপি হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা শিল্পনগরী। পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দারা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে জনসভাস্থলসহ আশপাশের এলাকায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পুরো খুলনা নগরীজুড়ে তৈরি করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি। পাশাপাশি তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

    দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি খুলনা শিপইয়ার্ডে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষণা করছে হার্ভার্ড

    শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষণা করছে হার্ভার্ড

    দক্ষ নেতৃত্বের কারণে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই স্থান পেয়েছেন। বিশ্বের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশীল ব্যক্তিদের মতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান এখন অনেক উপরে।

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চর্চা হচ্ছে বলে জানা গেছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি, বিচক্ষণতা এবং কৌশল নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিষয়ক অধ্যাপক গ্রাহাম অ্যালিসন বলেন, হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের বক্তৃতায় বার বার উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচ্চ রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গ।

    হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল হচ্ছে সরকার ও রাজনীতি বিভাগ। যেখানে কেবলমাত্র সরকার ও রাজনীতি নিয়ে চর্চা করা হয়। সেখানে অনেকদিন ধরেই শিক্ষকদের লেকচারে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাজ এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বদলে যাওয়া নিয়ে চর্চা হয়ে আসছে বলেও জানা যায়। গ্রাহাম অ্যালিসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা দেশগুলোতে সরকারের ভূমিকা বিষয়ে উদাহরণ হিসেবে ‘বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা’র প্রসঙ্গে উঠে এসেছে।

    তিনি তার লেকচারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বশান্তির মডেল, যিনি জনগণের ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গবেষণায় বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তিনি উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের সমন্বয় করেছেন। কেনেডি স্কুলের পলিটিক্যাল লিডারশিপ এবং ডেমোক্রেটিক ভ্যালুস বিষয়ক প্রফেসর অধ্যাপক আর্থার অ্যাপলবাম তার সাম্প্রতিক লেকচারগুলোতেও শেখ হাসিনার প্রশংসা করছেন। তার নেতৃত্বে একদল পিএইচডি শিক্ষার্থী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং শরণার্থী সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছে। সেই গবেষণায় রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার বর্ণনা করা হয়েছে।

    অধ্যাপক আর্থারের গবেষণায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঠিক সিদ্ধান্ত একটি জাতিকে নতুন উচ্চতা দেয়, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ সম্ভবত বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা সামরিক স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটিয়েছেন। এজন্য তাকে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর অনেক সমালোচনা সত্ত্বেও তিনি শান্তিবাদী এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ধারাকে বেগবান করেছেন। তিনি সাম্প্রতিক এক নিবন্ধতে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। পাবলিক লিডারশিপ এবং ম্যানেজমেন্টের উপর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় শেখ হাসিনার উন্নয়ন কৌশলকে জনপ্রিয় নেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন কেনেডি স্কুলের পাবলিক পলিসি বিষয়ক অধ্যাপক ক্রিস্টোফার অ্যাভেরি।

    অধ্যাপক অ্যাভেরির নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় শুধু নেতার জনপ্রিয়তার কারণে একটি দল কীভাবে ক্ষমতায় দীর্ঘদিন টিকে থাকে, তার উদাহরণ হিসেবে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ এসেছে। এ ব্যাপারে হার্ভার্ডে অধ্যাপনারত সরকারের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুলে পাঠ্যবইয়ের চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় সমসাময়িক রাজনীতি এবং বিশ্ব পরিস্থিতিকে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে পড়াশোনা করেন আগামী দিনের বিশ্বনেতারা। শেখ হাসিনা আজ বিশ্বের রোল মডেল। তাই আগামী দিনের বিশ্বনেতারা তাকে নিয়ে চর্চা করবে এটাই স্বাভাবিক। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। শেখ হাসিনা এখন শুধু বাংলাদেশের নন, তিনি এখন বিশ্বের সম্পদ।

  • রওশন এরশাদ এতদিন পরে বুঝলেন কেন : পার্থ

    রওশন এরশাদ এতদিন পরে বুঝলেন কেন : পার্থ

    জাতীয় পার্টি সরকারে নাকি বিরোধী দলে-সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের মনে এই প্রশ্ন চার বছর পরে কেন আসল তা জানতে পেরেছেন ২০ দলীয় জোটের শরিক বিজেপির নেতা আন্দালিব রহমান পার্থ।

    বিএনপির শরিক দলের নেতা বলেন, ‘আজকের রওশন এরশাদ রিয়েলাইজ করলেন। চার বছর তিনি রিয়েলাইজ করেনি? চার বছর পর তিনি রিয়েলাইজ করলেন যে এটা তামাশার সংসদ? এখানে বিরোধী দল কেউ না? ওনার লজ্জা লাগে? সাংবাদিকদের ফেইস করতে ওনার লজ্জা লাগে? এই বছরে ওনি কি লজ্জা পাননি?’

    ‘আসল কথাটি সবাই জানে। বাংলাদেশে যখন আপনি মন্ত্রী হয়ে যাবেন তখন আপনার উপর প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ থাকবে।’

    বেসরকারি টেলিভিশ চ্যানেল আইয়ের টক শো তৃতীয় মাত্রায় জিল্লুর রহমানের উপস্থপনায় পার্থ এসব কথা বলেন।

    বিজেপি নেতা বলেন, ‘১/১১ আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত ছিল যা আমরা নেইনি। পার্লামেন্টও একটি তামাশার জায়গা। আপনি জুডিশিয়াল ব্যবস্থা দেখেন যেখান প্রধান বিচারপতি পদত্যাগের পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।’

    আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলও। তিনি বলেন, ‘সবারই আয়নার সামনে দাঁড়ানো উচিত। রাজনীতির ভাঙাচোরা, হালুয়া রুটির ভাগ বাটোয়ারার মেরুকরণ এগুলো তো চলছেই।’

    ‘আওয়ামী লীগ সব সময়ে একটি ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম রাখার চেষ্টা করে। আমরা বাকশাল করেছিলাম, অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছিলাম। আমরা ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমরা একটি প্লাটফর্মে রাখার চেষ্টা করেছি। গত নয় বছর ধরেই তো একটি প্লাটফর্মে আছিই।’

    উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রওশন এরশাদকে সামলাতে পারছেন না, ব্যাংক সামলাতে পারছেন না, আইনশৃঙ্খলাকে সামলাতে ছাত্রলীগকে সামলাতে পারছেন না’।

    জবাবে অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘এ জিনিসগুলা আছে। এটা নিন্দনীয় ব্যাপার। এটা কখনও কাঙিক্ষত হতে পারে না। আমি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। এটা আমার রাজনীতির জন্মস্থান। এটা যখন প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখন আমরা লজ্জিত হই, শঙ্কিত হই।’

    পার্থ বলেন, ‘এমন একটা সময় ছিল যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগ বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন বলেন যেই হোক হরতাল ডাক দিলে সারা বাংলাদেশে হরতাল পালিত হতো। আজকে কেউই তাদেরকে চেনে না। বলেন, নেতা বানানোর কারখানা না, ক্যাডার বাহিনীর কারখানা।’

    ‘আমি চাই না কোন স্মার্ট ছেলে রাজনীতিতে আসুক। আমরা চাই যারা আমাদের সেন্ডেল টানবে, চামচামি করবে, তেলবাজি করবে, তারাই রাজনীতিতে আসছে।’

    ‘আমাদের আগের প্রজন্মরা কী উদাহরণ রেখে যাচ্ছেন যাতে ১০টি ভাল ছেলে রাজনীতিতে আসবে?’।

    অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘সেই ব্যর্থতা, সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যে দাঁড়িয়ে তো আমরা আগামী দিনের জয়গানের কথা বলব।’

    পার্থ বলেন, ‘আপনি বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের কথা বলেছেন, ওই সময়ে রাজনীতি ছিল আদর্শভিত্তিক। আর আজকের রাজনীতি ক্ষমতাভিত্তিক। আজকে জাসদের যে কথা বলছেন, ১৯৭৫ সালের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল তারাই। …রাজনীতিকদের সঙ্গে গ্যাপ কিন্তু তৈরি হয়ে গেছে। এই গ্যাপ ছোট করতে হবে।’

    অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের মান সম্মান ক্ষুন্ন হলেও রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।’

    পার্থ বলেন, ‘বাংলাদেশে এমন কোন মানুষ নেই যারা মনে করেন যে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই মামলা রাজনৈতিক না।’

    ‘আওয়ামী লীগ এখন প্রতিদিন বলবে দুর্নীতি করেছেন, দুর্নীতি করেছেন, দুর্নীতি করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো মানুষ এটা কতটা বিশ্বাস করে? আওয়ামী লীগ ১৯৯১ সালে বলেছে, এরশাদ সাহেব দুর্নীতি করেছেন। ১৯৯৬ সালে এরশাদের সমর্থনে সরকার গঠন করেছেন। ২০০১ জাতীয় ঐক্য থেকে সরিয়েছেন আবার ২০০৮ আবার জাতীয় সরকার গঠন করেছে।’

    ‘এবার জাতীয় পার্টি অক্সিজেনের ভূমিকা পালন করছে। আওয়ামী লীগ এভাবে জাসদের বিরুদ্ধে বলেছে, এখন জাসদ আবার মন্ত্রী। হেফাজতের বিরুদ্ধে ছিল; বলেছে, কোরআন পুড়িয়েছে, তারাই আবার হেফাজতের সঙ্গে। এটা তাদের পলিটিক্যাল গেইম।’

    ‘সব জায়গায় গিয়ে বলা এতিমের টাকা চুরি করেছে, এতিমের টাকা চুরি করেছে। … হলমার্ক কেলেঙ্কারির সময়ে কী কাজটি করা হয়েছিল? চার হাজার কোটি টাকা। এ রকম কিন্তু জনতা ব্যাংকে বাদল ইউনুস নামের লোক খেয়ে ফেলেছে। ফরমার্স ব্যাংকে মহিউদ্দিন খান আলমগীরের যে ঘটনা… বেসিক ব্যাংকের বাচ্চুকে তো ধরাই হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে দুদকে তাকে ডাকা হয়। শেয়ার মার্কেটের কথাতো বাদই দিলাম। এখন দুর্নীতি হচ্ছে লক্ষ কোটি টাকার।’

    অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘আপনি মামলার দুর্বলগুলো খুঁজে বের করেন। আওয়ামী লীগ এই ধরনের রাজনীতি কখনও করে না। ১৯৯৬ সালে আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা শুরু করেছি। ওই সরকারের মেয়াদে আমরা মামলা শেষ করতে পারিনি। পরে সরকারে এসে মামলার কাজ শেষ করেছি। বেগম জিয়ার মামলায় কোন রাজনীতি নেই।’

    আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ

    আগামী নির্বাচন কেমন হবে- এমন প্রশ্নে অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘সরকার কোনো সময়ে দায়িত্ব এড়াতে পারে না। আওয়ামী লীগেরও দায়িত্ব আছে। সকল দলের আইনের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন চাই।’

    ‘বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে চাই না। তবে বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে সেটা তাদের সিদ্ধান্ত।’

    পার্থ বলেন, ‘আপনি ধরেই নেন যে আওয়ামী লীগ আরেকটি ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করতে করবে। তবে আওয়ামী লীগ আগের মতো সব করতে পারবে না।…আমাদের যদি বলেন, আমাদের টার্গেট খালেদা জিয়ার মুক্তি।’

    নির্বাচন সংবিধান অনুসারে হবে, সেটাও জানিয়ে দেন আওয়ামী লীগ নেতা। এ সময় পার্থ তার কাছে জানতে চান, ‘সংবিধান বড় না জনগণ বড়’।

    জবাবে অসীম কুমার বলেন, ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। আমরা কিন্তু ১/১১ এখন ভুলে যাইনি। …আমরা যে কোন পরিস্থিতিতে নির্বাচন করেছি, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনও করেছি।’

  • সারাদেশে মাদক বিরোধী ‘তথ্য অভিযান’ শুরু –  ডিজি

    সারাদেশে মাদক বিরোধী ‘তথ্য অভিযান’ শুরু – ডিজি

    বেলা সাড়ে ১১টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. জামাল উদ্দিন আহমেদ তার সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে  বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জনসতেনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তথ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রাণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ‘বৃহস্পতিবার থেকে মাদববিরোধী তথ্য অভিযান শুরু করা হয়েছে। রাত ৮টা ৫০ মিনিটে সব গণমাধ্যমে প্রচার করা হবে। ‘জীবনকে ভালবাসুন মাদক থেকে দূরে থাকুন’ স্লোগানটি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর প্রচার করবে।’

    জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্কুল-কলেজে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিদিন এক মিনিট করে হলেও মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরা হবে।

    মাদকের সরবরাহ কমানোর জন্য বিক্রেতাদের পাকড়াও করতে অভিযান চালানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছর অভিযানে ১২ হাজার ৬৫১ জন মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার হয়েছে। মামলা হয়েছে ১১ হাজার ৬১২টি।

    তিনি বলেন, তথ্যের ভিত্তিতে কোনো এক এলাকায় মাদকের অভিযান চালানো শেষ করে ফিরে এলে জানতে পারি সেখানে আবার মাদক বিক্রি শুরু হয়েছে। তাই এদের নির্মূলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অধিদফতরের কেউ যদি এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তবে প্রমাণিত হলে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

  • রাজধানীর ৭ স্থানে ‘লিফলেট বিতরণ’ করবে বিএনপি

    রাজধানীর ৭ স্থানে ‘লিফলেট বিতরণ’ করবে বিএনপি

    দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারাদেশে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর ৭ জায়গায় বিভিন্ন নেতাদেরকে লিফলেট বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর পুরানা পল্টন ও জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    কল্যাণপুর ও খিলগাঁওয়ে লিফলেট বিতরণ করবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মতিঝিল এলাকায় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও নিউ মার্কেট এলাকায় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    এছাড়া রাজধানীর মৌচাকে ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জুরাইন রেল গেইট এলাকায় বরকত উল্লাহর উল্লাহ বুলু এবং আহমদ আজম খান ধোলাইখাল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করবেন।

  • কমিউনিটি ক্লিনিক সংশ্লিষ্টদের জাতীয়করণ সম্ভব নয়- প্রধানমন্ত্রী

    কমিউনিটি ক্লিনিক সংশ্লিষ্টদের জাতীয়করণ সম্ভব নয়- প্রধানমন্ত্রী

    চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের (সিএইচসিপি) দাবির প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটা একটা প্রকল্প। আর প্রকল্পে যারা কাজ করে তারা কিন্তু প্রকল্প হিসেবেই সেখানে কাজ করে। কাজেই প্রকল্পে কর্মরত যারা, তাদেরকে কিন্তু সরকারি চাকরি দেয়া কোনো সুযোগ নেই। যাদের এটা পছন্দ হবে না। তারা চলে যাবে।

    মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই আন্দোলন করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রথম এ ব্যাপারে মুখ খুললেন।

    আন্দোলনরতদের সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, তারা ট্রেনিং পেয়েছে, অনেক বেসরকারি হাসপাতাল হচ্ছে সেখানে চাকরির সুযোগ পাবে। আমরা নতুন লোককে কাজ দেব। কিন্তু এ প্রকল্প চলমান আছে, চলমান থাকবে। এটা কমিউনিটির স্থানীয় লোকজনই রক্ষণাবেক্ষণ করে। তাদেরই অধিকার এটা রক্ষা করা। আমরা তাদেরকে সবধরনের সহযোগিতা দেই।

  • ওবায়দুল কাদেরের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    ওবায়দুল কাদেরের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে এক বার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন তিনি।

    শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন রত্নগর্ভা মহীয়সী নারী।‍ তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ গভীর শোকাহত। এসময় তিনি মরহুমা বেগম ফজিলাতুন্নেসার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা।

    মঙ্গলবার জোহর নামাজের পর কোম্পানীগঞ্জ সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।