Category: জাতীয়

  • বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    হুজাইফা রহমান: বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সমাবেশ ও আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর ফজলুল হক এভিউনিতে রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে দলীয় ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে সাধারন জনতা এই সমাবেশ ও র্যালীতে অংশ নেয়।

    নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ নগর ভবনের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি এবং মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ-সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    এরপর জাতীয় পতাকা হাতে হাজার হাজার নেতা কর্মী ও সাধারন জনতার উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার সামনে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রনেতা, সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সকল সংগঠন এর নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে এই র্যালীতে অংশগ্রহন করেন। বিবিরপুকুর পাড় থেকে শুরু করে নাজিরের পুল হয়ে বাজার রোড, চকবাজার, গির্জামহল্লা প্রদক্ষিণ করে র্যালীটি শেষ হয়।

    উল্লেখ্য, বর্ণিল সাজে সজ্জিত এই র্যালীটিতে হাতি, ঘোড়ার গাড়ি সহ বিভিন্ন প্লাকার্ড ও অসংখ্য নারী নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানায়। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা লীগ এর হাজারো নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এবং তাদের বিভিন্ন ভবন এর ছাদ থেকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান অসংখ্য নারী ও শিশুরা।

  • প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন মেয়র আনিসুলের স্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন মেয়র আনিসুলের স্ত্রী

    সদ্য প্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার বনানীর বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মেয়রের বাসায় যান। তিনি সেখানে প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করেন।

    এ সময় মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী তাকে সান্ত্বনা দেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী মেয়রের মরদেহের পাশে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতিহা পাঠ করেন। এরপর আনিসুল হকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। আনিসুল হকের একমাত্র ছেলে নাভিদুল হক ও ভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল শফিউল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়রের মরদেহ বহনকারী যাত্রীবাহী বিমানটি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর দুপুর ১টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ফ্লাইটটি।

    পরে সেখান থেকে তার মরদেহ বনানীর বাসায় নেয়া হয়। এ বাসা থেকেই গত ২৯ জুলাই নাতির জন্ম উপলক্ষে ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্য যান আনিসুল হক। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। প্রায় সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।

    শনিবার দুপুরে মরদেহ বাসায় নিয়ে আসার পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাসায় ভিড় জমান বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। প্রিয় নগরপিতাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে ভিড় করেন নগরবাসীরাও।

    আনিসুল হকের মরদেহ বিকেল ৩টার দিকে রাখা হয় আর্মি স্টেডিয়ামে। বাদ আছর জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    এর আগে শুক্রবার বাদ জুমা আনিসুল হকের প্রথম জানাজা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক সেন্ট্রাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

  • সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন পোপ

    সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন পোপ

    ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইতালির রোমের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন। তিনদিনের সফরে বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসেন তিনি।

    সফরের শেষ দিন (শনিবার) তেজগাঁওয়ে মাদার তেরেসা ভবন পরিদর্শন করেছেন পোপ ফ্রান্সিস। এর পরই তেজগাঁও মিশনারি ও কবরস্থান পরিদর্শন করেন। বৈঠক করেন খ্রিস্টধর্মের নেতাদের সঙ্গে। বিকেল সোয়া ৩টায় তিনি নটরডেম কলেজে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে।

    এ সফরে (বৃহস্পতিবার) শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান তিনি। সেখান থেকে যান রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে।

    বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পোপ ফ্রান্সিস।

    শুক্রবার সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিস্টধর্মীয় উপাসনা ও যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পোপ। বিকেলে ভ্যাটিকান দূতাবাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    যোগ দেন আন্তঃধর্মীয় সভায়।

    গতবছর প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ক্যাথলিক বিশপ আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানালে পোপ চলতি বছরের শেষ দিকে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ আগস্ট এই ধর্মগুরুর ঢাকা সফরের সূচি ঘোষণা হয়।

    এর আগে ১৯৮৬ সালে পোপ জন পল এবং ১৯৭০ সালে পোপ ষষ্ঠ পল বাংলাদেশ সফর করেন।

  • ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘জুটি ভেঙে গেছে। আমি একা হয়ে গেছি। আর কেউ আমাকে কখনও বড় ভাইয়ের মত পরামর্শ দেবে না। ‘ শনিবার দুপুরে বনানীর ২৩ নম্বর রোডে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে এসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি একা হয়ে গেছি। দু’জন মিলে আধুনিক ঢাকা গড়ার স্বপ্ন দেখছিলাম। এখন জানি না ভবিষ্যতে সে স্বপ্নের কী হবে? বড় ভাই হিসেবে আনিসুল হক সব সময় আমার পাশে ছিলেন। এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে। ‘

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। শনিবার দুপুরে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।

  • আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    হুইল চেয়ারে বসতেও তার যে কষ্ট হচ্ছে, তা শরীরের মৃদু কম্পনে স্পষ্ট হচ্ছিল যখন শরিফুল হককে তার ছেলের সামনে নিয়ে আসা হয়। ৯৫ বছর বয়সী শরিফুল হক দরজা পেরিয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেন। সেখানেই কফিনে শুয়ে আছেন তার আদরের মেঝো ছেলে আনিসুল হক।

    আনিসুল হকের কফিনের পাশে মাথা গুঁজে তখন বসে আসেন স্ত্রী রুবানা হক। রুবানার পাশেই হুইল চেয়ারে বসে শরিফুল হক। কফিন ঘিরে তখন নিস্তব্দ নিরবতা। কফিনে শুয়ে থাকা মুখটির দিকে অপলক তাকালেন শরিফুল হক। হাত এগিয়ে আদর করলেন। সন্তানকে শেষবারের মতো আদর করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তিনি।

    যার কাঁধে চড়ে শেষযাত্রায় যাওয়ার কথা বাবার, সেই তাকেই শেষশ্রদ্ধা জানালেন শরিফুল হক। যেন বাবার কাঁধে সন্তানের মরদেহ- পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটিই তাকে করতে হলো শনিবার।

    অথচ শুক্রবার রাত পর্যন্ত শরিফুল হককে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানোই হয়নি। শনিবার লন্ডন থেকে মরদেহ আনার পর বাবা শরিফুল হককে মেয়র আনিসুল হকের বনানীর ২৩ নম্বর রোডের বাসায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আইসিও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়। রপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

    রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে শারাফুল হকের কবরে বিকেল ৫টায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসি) মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    শরিফুল হক তার ছোট ছেলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় থাকেন। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় বরাবরই নিজের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে বাবা শরিফুল হকের উৎসাহ আর মায়ের অনুপ্রেরণার কথা বলতেন।

  • সচেতনতামূলক কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)

    সচেতনতামূলক কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)

    জাওয়াদুর রহমান সৃজন ॥ 

    শিক্ষার হার বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসসহ বর্তমান সরকারের নানামুখী কর্মকান্ডকে আরো বেগবান করতে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কিছু মেধাবী তরুনদের সমন্বয়ে গঠন করা এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে কাজ করা শুরু করেছে। তারা বিভিন্ন স্কুল কলেজে  ”এডু টক্স” এবং গ্রাম গুলোতে  ”আমাদের কথা” নামে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামীন মানুষদের তথ্য ও সচেতনতা মূলক বার্তা পৌছে দিচ্ছে।

    আর এই সকল কর্মকান্ডের  ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেলে জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার মধ্য ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের ফকির বাড়িতে শিশু, নারী-পুরুষদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয়  ”আমাদের কথা” শিরোনামে একটি প্রানবন্ত উঠান বৈঠক ।


    উঠান বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির সহ-সাধারন সম্পাদক নিয়াজ হাসান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বি রকি, গোলাম রাব্বানী, রুমি প্রমুখ।

    উঠান বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ ও পুষ্টি, নারি ও শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিকার সহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া বৈঠকে আলোচ্য বিষয়ের উপর অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদেরকে পুরষ্কৃত করা হয়।

    এদিকে সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে সংগঠনটির সহ-সাধারন সম্পাদক নিয়াজ হাসান জানান, প্রতি সপ্তাহেই আমরা এই ধরনের উঠান বৈঠক এবং সেমিনারের আয়োজন করে থাকি। যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পাশাপাশি একটি সুন্দর শিক্ষিত ও আদর্শিক সমাজ গড়ে তোলা।”

    সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো: ইব্রাহিম মোল্লা বলেন,  সমাজের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই প্রয়াস। মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আশাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য আর একে সামনে রেখেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

  • ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক আর নেই

    ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক আর নেই

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকেরা তাঁর কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র (ভেনটিলেশন যন্ত্র) খুলে নেন। এরপর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

    বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    পারিবারিক ওই সূত্র জানায়, আগামী শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আনিসুল হকের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ তাঁর বাসায় নেওয়া হবে। ওই দিন বাদ আসর তাঁকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মেয়র আনিসুল হক চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাঁকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মেয়রের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁর কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেওয়া হয়।
    গত মঙ্গলবার মেয়রের পরিবারের একজন সদস্য বলেন, রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে আবার আইসিইউতে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে পোপ ফ্রান্সিসের শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে পোপ ফ্রান্সিসের শ্রদ্ধা নিবেদন

    সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পোপ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

    এসময় বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর। পরে তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল পোপ ফ্রান্সিসকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

    এরপর পোপ জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে একটি নাগেশ্বর চাপা ফুলের চারা রোপন করেন। এসময় পোপের সাথে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, আইন মন্ত্রী আনিসুল হক ও স্থানীয় সংসদ ডা. এনামুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন পোপ। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পরে সেখান থেকে রওনা দিয়ে বিকেল ৪টায় তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন। প্রায় আধঘন্টা অবস্থান করে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি স্মৃতিসৌধ ত্যাগ করেন। শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে যান এই ধর্মগুরু।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের আগমন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সাভারের আমিনবাজার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি স্মৃতিসৌধ এলাকায় ৪ স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। পোপের আগমন উপলক্ষে বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘন্টা যানবাহন চলাচাল বন্ধ ছিলো।

  • রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শেখ সুমন

    পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লির নির্মাণকাজের কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়  এ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।

    এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরমাণু চুল্লি বসানোর কাজ শুরু হলো।

    প্রকল্পের উৎপাদন কেন্দ্রের এই নির্মাণকাজ শুরুর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড।

    বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে সরকার ২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে। পরে ২০১৩ সালে ঋণচুক্তি সই হয়। কেন্দ্রটির প্রথম ধাপের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন মূল নির্মাণকাজ শুরু হলো।

    মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে আসবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। আর দ্বিতীয় ইউনিট আসবে পরের বছর।

    এর মাধ্যমে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩২তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

  • বৈদেশিক সহায়তার বড় ২৮ প্রকল্পে ধীরগতি

    বৈদেশিক সহায়তার বড় ২৮ প্রকল্পে ধীরগতি

    বৈদেশিক সহায়তানির্ভর বড় ২৮ প্রকল্পে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই। এসব প্রকল্পে চলতি অর্থবছর বাজেটে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেটির পূর্ণাঙ্গ ব্যয় সম্ভব হচ্ছে না। প্রকল্প অনুমোদনের পরেও সময়মতো চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ায় এর একটি বড় কারণ।
    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চুক্তির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও চীন এখনো চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। ডিসেম্বর নাগাদ এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ে এ প্রকল্পে বরাদ্দের বড় অংশ খরচ করা সম্ভব নয়। ৫টি বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ টিভি কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পটি গত মার্চে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ প্রকল্পেও চুক্তি স্বাক্ষর করেনি চীন।
    ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ব্রডব্যান্ড ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্পে ‘বিডার’দের মধ্যে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করায় ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়নি। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে।
    চলতি অর্থবছর (২০১৭-১৮) বৈদেশিক সহায়াতনির্ভর বৃহৎ ২৮ প্রকল্প সময়মতো এগোচ্ছে না এরকম নানা কারণে। ফলে উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে অর্থায়ন চুক্তি না হলে ভবিষ্যতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রকল্প সাহায্য বাবদ অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইআরডি। নভেম্বরের শুরুতে চলতি অর্থবছর এডিপিতে ২শ কোটি টাকা বা তার বেশি বরাদ্দ রয়েছে এমন ৬৩টি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেছে ইআরডি। সভায় জানানো হয়েছে, এই ৬৩ প্রকল্পে বাজেটে বৈদেশিক সহায়তা বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৫ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা। কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছর এডিপিতে প্রকল্প সাহায্য বাবদ সবমিলিয়ে ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে যা মোট এডিপি বরাদ্দের ৩৭ শতাংশ। এজন্য বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের অগ্রগতির গুরুত্ব বিবেচনায় ইআরডির সচিবের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
    ইআরডির কর্মকর্তা জানান, ৬৩ প্রকল্পের মধ্যে ৩৫টি প্রকল্পের অগ্রগতি ও ব্যয় সন্তোষজনক বলা যায়। অন্যদিকে ২৮ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের ৯টি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৫টি, স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪টি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩টি ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পে চলতি অর্থবছর বাজেটে সরকারি ব্যয়ের অংশ এবং বৈদেশিক সহায়তার অংশ বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু প্রকল্পে এখনও চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। ফলে বাজেটের বৈদেশিক সহায়তার বড় অংশ ব্যয় করা সম্ভব হবে না। এডিপিতে বৈদেশিক সহায়তা ব্যবহারের বড় অংশ কাটছাঁট করতে হবে, কিছু ক্ষেত্রে সরকারের তহবিলের অংশ বাড়াতে হবে। এজন্য অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর না হলে ভবিষ্যতে এডিপিতে প্রকল্প সাহায্যবাবদ বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানাগেছে।
    সভা সূত্রে জানা যায়, সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড একসেস ইনহান্স প্রকল্পে বিশ্বব্যাংককে বাড়তি অর্থ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও তারা সাড়া দেয় নি। ফলে চলতি অর্থবছর বরাদ্দের পূর্ণাঙ্গ অর্থ ব্যবহার সম্ভব হবে না। তাছাড়া কলেজ এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পেও বরাদ্দ ব্যবহারের সম্ভাবনা কম বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহান্সিং টু সার্ভিসেস (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের বরাদ্দ সম্পূর্ণ খরচ করা সম্ভব হবে না। হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট ৩য় সংশোধিত প্রকল্পের প্রকল্প সাহায্য বরাদ্দ ৩৮৪ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে না এবছর, চিটাগাং ওয়াটার সাপ্লাই ইম্প্রুভমেন্ট এন্ড স্যানিটেশন প্রকল্পে বৈদেশিক সহায়তার জন্য ২০০ কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও চলতি অর্থবছর ১৫০ কোটি টাকা ব্যবহার হতে পারে।
    দাশোরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্পের এলাকায় হাই ভোল্টেজ ইলেট্রিক লাইন না সরানোর ফলে এ প্রকল্পের অধিকাংশ বরাদ্দ ব্যয় হবে না বলে জানানো হয়েছে। কর্ণফুলী ওয়াটার সাপ্লাই ফেস-২ প্রকল্পে ৬০০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য বরাদ্দের ২০০ কোটি টাকা চলতি অর্থবছর ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট (বিআরটিএ গাজীপুর এয়ারপোর্ট) প্রকল্পে দুটি প্যাকেজের প্রকিউরমেন্ট কন্ট্রাক্ট করা হয় নি। ফলে এ প্রকল্পেও সম্পূর্ণ ব্যয় হচ্ছে না এবছর।  বিদ্যুত্ বিভাগের অধীনে রি-পাওয়ারিং ঘোড়াশাল ৪র্থ ইউনিট প্রকল্প, ৪০০/২৩০/১৩২ কেভি গ্রিড নেটওয়ার্কের ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড আধুনিকায়ন প্রকল্পসহ বিদ্যুত্ বিভাগের ৯টি প্রকল্পে ধীর গতি রয়েছে। এধরনের প্রকল্পগুলোকে নিবিড় পরিবীক্ষণ করাতে বলা হয়েছে।
    চলতি অর্থবছর (২০১৭-১৮) বাজেটে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) হতে যোগান দেওয়া হবে ৯৬ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা, বৈদেশিক সহায়াতা ব্যবহার ধরা হয়েছে ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিভিন্ন সংস্থা ও কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিল হতে ব্যয়ের লক্ষ্য রয়েছে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।