Category: জাতীয়

  • কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

    এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি  চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।

    সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।

    এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।

    এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

    এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি  চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।

    সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।

    এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।

    এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    তানজীল শুভ
    আজ এগারোই নভেম্বর, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পঁয়তাল্লিশ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ।সমগ্র দেশের সাথে বরিশালেও জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি।বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উদযাপন করা হয় দিনটি।সকাল দশটার সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা ও আনন্দর্যালীর আয়োজন করা হয়। আনন্দ র্যালীর শুভ উদ্ভোধন করেন বরিশাল বাসীর প্রাণের মানুষ ,যুব সমাজের অহংকার, যুবরত্ন জনাব সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বৃন্দ।সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক এ.এম.মেজবাহ্ উদ্দিন জুয়েল।আলোচনা সভায় সকল বক্তারা শেখ ফজলুল হক মনীশকে স্মরণ করেন ।কারন বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করেন। সভা শেষে নগরীজুরে একটি আনন্দর্যালী বেড় করা হয়। এবং র্যালিতে আসা সকল মানুষ দাবী করেন যেন সাদিক আবদুল্লাকে আগামী সিটি নির্বাচনে যেন সিটি মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হয় ।

  • ফেসবুক স্ট্যাটাসের জেরে রংপুরে মুসল্লিদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ১

    ফেসবুক স্ট্যাটাসের জেরে রংপুরে মুসল্লিদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ১

    মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এবং মক্কা শরীফের ব্যাঙ্গাত্মক ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে রংপুরে স্থানীয় মুসল্লিদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বিকেলে রংপুর সদর উপজেলার খলেয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    এসময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটবিদ্ধ হয়ে হাবিব নামে স্থানীয় এক যুবক (২৭) নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৭ পুলিশসহ আহত হয়েছেন ৩০ জন। বিক্ষোভকারীরা হিন্দুদের ৯টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। আগুনে ১৮টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শর্টগান ও রাবার বুলেটবিদ্ধ ১১জন বিক্ষোভকারীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    হাসপাতালের সহকারি পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, এদের মধ্যে মাহাবুবুল (২৫), জামিল (২৬), হাবিবুর রহমান (৩০),আলিম (৩২), জাহাঙ্গীর (২৮),আমিন (২৬) ও রিপনের (২৮) অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের পেটে ও মাথায় বুলেটবিদ্ধ হয়েছে। অন্যদের পায়ে ও হাতে রাবার বুলেট বিদ্ধ হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় মারা যান হাবিবুর রহমান।

    তিনি শলেয়াশাহ এলাকার একরামুল হকের ছেলে বলে ভর্তি রেজিস্ট্রারে উল্লেখ রয়েছে। বিপুল সংখ্যক সর্টগানের গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

    খলেয়া ইউনিয়ন সদর উপজেলার অধিন হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ। গঙ্গাচড়া থানার ওসি জিন্নাত আলী জানান, ঠাকুরপাড়া এলাকার টিটু রায় পেশায় কবিরাজ। গত সপ্তাহে তিনি নাকি তার ফেসবুকে নবীজি ও মক্কা শরীফের ব্যাঙ্গাত্মক ছবি পোস্ট করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিক্ষোভ করবে করবে-এমন খবর পেয়ে বেলা তিনটা থেকে গঙ্গাচড়া, কোতোয়ালী ও তারাগঞ্জ থানা পুলিশ এলাকায় অবস্থান নেয়।

    বেলা সাড়ে তিনটার দিকে খলেয়া ইউনিয়নের শলেয়াশাহ ও বালাবাড়ি গ্রাম এবং পাশের মমিনপুর গ্রামের ৮-১০ হাজার লোক লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশ বাধা দিলে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ও লাঠি দিয়ে ঢিল ছুড়তে থাকে। এরই এক পর্যায়ে তারা ঠাকুরপাড়া গ্রামে অগ্নিসংযোগ করে।

    আগুনে টিটু রায়ের ৩টি, সুধীর রায়ের ৬টি, অমূল্য রায়, বিধান রায় ও কৌশল্য রায়ের ২টি করে ৬টি, কুলীন রায়, ক্ষিরোধ রায় ও দীনেশ রায়ের ১টি করে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরিকল্পিতভাবে এ হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে গঙ্গাচড়া থানার ওসি জানিয়েছেন।

    টিটু রায়ের মা জীতেন বালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘শত শত মানুষ আসি তিনটা ঘরোত আগুন নাগে দেলে। চৌকের পলোকে ঘরগুল্যা পুড়ি ছাই হয়া গেলো। ঘরের কিছুই রক্ষা করব্যার পারি নাই। ‘

    সুধীর রায় বলেন, ‘৪-৫টা মানুষ আসি পেট্রোল ঢালি মোর একটা ঘরোত আগুন নাগে দেয়। ওই আগুনোত মোর ছয়টা ঘরের সউগ পুুড়ি য়ায়’। প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল আজিজ মাষ্টার জানান, পুলিশ বৃষ্টির মত রাবার বুলেট ও সর্টগানের গুলি ছুড়েছে।

    রংপুর সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সাইফুর রহমান জানান, বিক্ষোভকরারীদের ইটপাটকেল ও লাঠির আঘাতে ৭ পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদেরকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কি পরিমাণ সর্টগানের গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে তা এ মূহুর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

    এদিকে টিটু রায়ের গ্রেফতারের দাবিতে গত মঙ্গলবার দুপুরে পাগলাপীর এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে কয়েকশ’ মানুষ। পাগলাপীর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মাষ্টার বলেন, কয়েকদিন আগে নবীজি ও মক্কা শরীফের ব্যাঙ্গাত্মক ছবি টিটু রায় তার ফেসবুকে পোস্ট করে। এ অভিযোগে আমরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে টিটুকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করি।

    এছাড়া একই অভিযোগে খলেয়া ইউনিয়নের লালচাঁদপুর গ্রামের মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে টিটু রায়কে আসামি করে ২৯ অক্টোবর গঙ্গচড়া থানায় মামলা করেন।

    গঙ্গাচড়া থানার ওসি জিন্নাত হোসেন বলেন, মামলা নেওয়ার পর আমরা টিটু রায়ের বাড়িতে যাই। তার মায়ের কাছ থেকে জানতে পারি টিটু রায় তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ বাজার এলাকায় বাস করেন।

  • হামলায় আহত এমপি কেয়া চৌধুরী ওসমানীর আইসিউতে ভর্তি

    হামলায় আহত এমপি কেয়া চৌধুরী ওসমানীর আইসিউতে ভর্তি

    হবিগঞ্জের বাহুবলে নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুন কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী উপর হামলা চালিয়েছে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক তারার মিয়া ও তার লোকজন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় মীরপুরে বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে চেক বিতরনীয় অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগেরর সাধারণ সম্পাদক তারা মিয়ার নেতৃত্বে তার লোকজন এমপি কেয়া চৌধুরী উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়।

    আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী ইমন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, এই হামলার পরে পুলিশসহ স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসা জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এখন এমপি কেয়া চৌধুরীকে ওসমানীর আইসিউতে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

    নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান বলেন, হবিগঞ্জের মিরপুরে বেদে পল্লীতে সংসদ সদস্যের বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে চেক বিতরণে অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগেরর সাধারণ সম্পাদক তারা মিয়ার লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

    তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে তিনি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে অসুস্থ হয়ে পড়লে থাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেলে চিকিৎসা জন্য প্রেরণ করা হয়।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক হামদুল করিম বলেন, মিরপুরে বেদে পল্লীর লোকজনকে নিয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নুসরাত আরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারণে ঘটেছে তিনি কিছু জানতে পারেননি।

    এদিকে এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার অভিযোগ এনে তার শুভাকাক্ষীরা প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে একটি ছেলে মোবাইলে ছবি ধারণ করছিল। এ সময় সংসদ সদস্যের লোকজন তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ উত্তেজিত হয়ে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

  • বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রী করার দাবী বরিশালবাসীর

    বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রী করার দাবী বরিশালবাসীর

    মন্ত্রী পরিষদে রদবদলের গুঞ্জন শুরু হওয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে স্থাণীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও বরিশাল জেলা আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আ’লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী সহ গোটা বরিশাল বাসী। দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রণেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাাহ তার মেধা.মনন,শৈলী, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে আ’লীগকে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে এক অপ্রতিদ্বন্ধী রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করেছেন। তার নেতৃত্বে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক তৎপরতায় এ অঞ্চলে বিএনপি-জামায়াত’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অনেকটা অস্তিত্বহীণ হয়ে পড়েছে। বরিশালে উপজেলা, ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পলিসি মেকারের ভূমিকায় অবর্তীণ হন বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী আদর্শের এ নেতা। রাত-দিন একাকার করে তিনি আ’লীগকে সুসংগঠিতও দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে শহর থেকে গ্রাম আর গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুঁটে বেড়ান। তার দূরদর্শিতায় বরিশালের সব জনপ্রতিনিধি এখন আ’লীগের। শুধু বরিশালেই নয় জাতীয় রাজনীতিতে তার সরব উপস্থিতিও রয়েছে। ১৯৯৭ সালে অশান্ত পার্বত্য অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পাদনের মাধ্যমে তৎকালীণ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালণ করে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় তারও নাম লিখিয়েছেন। ১৯৭১ সালে মামা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে সেই সময়ের সাহসী টগবগে যুবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে বরিশাল অঞ্চলে মুজিব বাহিনী প্রধান হিসেবে মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য মনে করে সন্মূখ সমরে জীবন পণ লড়াই করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা পালণ করেন।স্বাধীনতার পর তিনি বরিশাল পৌরসভার সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।পরবর্তীতে বরিশাল-১(আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গোটা বরিশাল অঞ্চলে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আর্বিভূত হন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশেন,বিভাগ,শিক্ষা বোর্ড,বিশ্ববিদ্যালয়,পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা,দোয়ারিকা-শিকারপুর ও দপদপিয়া ব্রিজ নির্মাণ সহ বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে তার অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে রক্তঝড়া অচিন্তনীয় বিয়োগান্তুক অধ্যায়ের শোকগাথাঁয় মামা জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে বাবা তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও নিজের শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুলাহ সহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান তিনি। সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ,বুলেটবিদ্ধ স্ত্রী শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র সাদিক আব্দুল্লাহ বেঁচে যান। শরীরে ৫টি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শাহানারা আব্দুল্লাহ স্বামী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর মতো আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা চেহারার অবয়বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছ্বায়া আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে গুরুত্বপূর্ণ কোন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী করা হলে তিনি তার সততা,মেধা,বিশ্বস্ততা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০৪১ সালের ভিশন বাস্তবায়ন করে ক্ষুধা,দারিদ্র,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ-দুর্নীতিমুক্ত, শোষন ও বৈষম্যহীণ স্বপ্নের অসা¤্রদায়িক সোনারবাংলা বির্নিমাণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। বরিশালের আ’লীগ নেতা-কর্মী ও সর্তীথজনদের বিশ্বাস জননেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার বিচক্ষন্নতা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নং সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে তার ত্যাগ ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়ন করবেন।

  • ৮৩ নদী পুনঃখনন হচ্ছে

    ৮৩ নদী পুনঃখনন হচ্ছে

    বাগেরহাট জেলার ৮৩টি নদী ও খাল পুনঃখনন এবং মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এজন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩১ কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

    বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান।

    অতিরিক্ত সচিব বলেন, বৈঠকে ‘বাগেরহাট জেলার ৮৩টি নদী/খাল পুনঃখনন এবং মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের ৮৩টি নদী/খালের ৩০৯ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার ড্রেজিং ও পুনঃখনন কাজ করা হবে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বাস্তবায়নের জন্য পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮(১) অনুসারে সরকারি ক্রয় সম্পর্কিত বিশেষ বিধানের আলোকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির (ডিপিএম) মাধ্যমে বাস্তবায়নের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৫৩১ কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। বাংলাদেশ নৌ বাহিনী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

    River

    মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জাইকার অর্থায়নে ‘মাতারবাড়ি কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের (সওজ অংশ)’ ডিটেইল ডিজাইন এবং নির্মাণ কাজের তদারকিতে পরামর্শক সেবার জন্য অ্যাডেনডাম-১ অনুমোদন প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এ প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা। প্রকল্পে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৪৭ টাকার কাজ বেড়ে যাওয়ায় মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শতভাগ বিদ্যুতায়ন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলার জন্য ২ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৩৫৫টি বৈদ্যুতিক পোল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ২০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতা বর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণের কনডাক্টর ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।

  • সচিবের পেনশন থেকে জরিমানা আদায়!

    সচিবের পেনশন থেকে জরিমানা আদায়!

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অপারেশন সাপোর্ট টু দ্য এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম ফর দ্য পুওরেস্ট (ইজিপিপি)’ প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের দায়ে সাবেক এক সচিবকে সাড়ে আট লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ওই মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কুদ্দুসের পেনশন থেকে এ জরিমানার অর্থ কেটে নেয়া হয়।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থ বিভাগ গত ২ নভেম্বর ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে অর্থছাড় করে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ্ কামাল জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রটি তারা পেয়েছেন। নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    পরিপত্রে বলা হয়, বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ সহায়তায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত ইজিপিপি প্রকল্পে ‘বকেয়া অনুপযুক্ত ব্যয়’ হিসেবে চলতি অর্থবছরে অর্থ বিভাগের বাজেটের অধীন অপ্রত্যাশিত খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ হতে আট লাখ ৪০ হাজার ৬৯৩ টাকা বিশ্ব ব্যাংককে পরিশোধ করতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওই টাকা বিশ্ব ব্যাংকে ফেরত দিয়ে এ সংক্রান্ত প্রমাণাদি অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।

    সূত্র জানায়, তৎকালীন ইজিপিপি প্রকল্প পরিচালক আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চার লাখ ৫১ হাজার ১৪৩ টাকার মিসপ্রোকিউরমেন্ট এবং তিন লাখ ৮৯ হাজার ৫৫০ টাকার অনুপযু্ক্ত আদেশর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকাসহ মোট আট লাখ ৪০ হাজার ৬৯৩ টাকা ক্ষতিসাধনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

    অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার আগেই আব্দুল কুদ্দুস চাকরি থেকে অবসরের আগে অবসরোত্তর ছুটিতে যান। ফলে বাংলাদেশ সর্ভিস রুল প্রথম খণ্ড-এর ২৪৭ বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর বিধি ৩(বি) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে এই মামলা রুজু হয়। একই সঙ্গে গত বছরের ১৮ এপ্রিল তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়।

    সে অনুযায়ী গত বছরের ২৫ এপ্রিল কারণ দর্শানো সংক্রান্ত একটি লিখিত জবাব দেন আব্দুল কুদ্দুস। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১ জুন তার ব্যক্তিগত শুনানি গ্রহণ করা হয়।

    লিখিত জবাব ও শুনানিতে আব্দুল কুদ্দুস জানান, স্বাভাবিকভাবে তিনি কোনো আর্থিক অনিয়ম করেননি। তবে দুর্ভাগ্যবশত তিনি টেন্ডার ইভ্যালুয়েশন কমিটির ত্রুটি ধরতে পারেননি।

    এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, আব্দুল কুদ্দুসের লিখিত জবাব, ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য, ভুলের স্বীকারোক্তি এবং প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ ‘অসদাচরণ’র অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তার পেনশন হতে ওই পরিমাণ অর্থ কেটে নেয়ার আদেশ দিয়ে বিভাগীয় মামলাটির নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, এই অর্থসংশ্লিষ্ট সরকারি খাতে জমা হবে। বিধি মোতাবেক কেটে নেয়া অর্থ বাদে তার পেনশনের টাকা এবং পেনশনজনিত অন্যান্য আনুতোষিক পরিশোধের আদেশ দেয়া হয়েছে।

  • অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেলেন যাঁরা

    অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেলেন যাঁরা

    বাংলাদেশ পুলিশ এর পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৩৩ জন কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।

    অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাগণ হলেন- মোঃ রেজাউল করিম পিপিএম-সেবা, বিশেষ পুলিশ সুপার, সিআইডি, ঢাকা, মোঃ হারুন-অর-রশীদ, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা, শেখ নাজমুল আলম বিপিএম, পিপিএম (বার), উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা, গাজী মোঃ মোজাম্মেল হক বিপিএম-সেবা, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার ডিএমপি ঢাকা, এ জেড এম নাফিউল ইসলাম, বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবি, ঢাকা, মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা,

    এস এম আক্তারুজ্জামান, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, মোঃ ইমাম হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি ঢাকা, আমেনা বেগম বিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার, নরসিংদী, মোঃ হায়দার আলী খান, পুলিশ সুপার, এসপিবিএন ঢাকা, মোঃ মনিরুল ইসলাম পিপিএম, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর ঢাকা, মোঃ আজাদ মিয়া, বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবি, ঢাকা,

    মোঃ মাহবুবুর রহমান ভূইয়া বিপিএম, এআইজি পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, বেগম আতিকা ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা, মোঃ রুহুল আমিন বিপিএম, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, বাসুদেব বনিক, উপ-পুলিশ কমিশনার, এসএমপি, সিলেট, মোঃ সুজায়েত ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম, মোঃ মোজাম্মেল হক বিপিএম, পিপিএম-সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা, মোঃ রফিকুল হাসান গনি, পুলিশ সুপার, শেরপুর জেলা, মাহফুজুর রহমান বিপিএম, পুলিশ সুপার, মানিকগঞ্জ, মোঃ রেজাউল হক পিপিএম, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, মোঃ মনির হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক (পুলিশ সুপার), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার(এনটিএমসি),

    এ কে এম নাহিদুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার, আরএমপি, রাজশাহী, মোঃ মনিরুজ্জামান বিপিএম, পিপিএম (বার), এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা, মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), পুলিশ সুপার, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, মোঃ মুনিবুর রহমান, পুলিশ সুপার, মাগুরা, পরিতোষ ঘোষ, পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ, কুমিল্লা অঞ্চল, কুমিল্লা, সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নড়াইল, মোঃ মজিদ আলী বিপিএম, পুলিশ সুপার, পিবিআই, ঢাকা, জয়দেব কুমার ভদ্র, উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা, কাজী জিয়া উদ্দিন, এআইজি, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা ও মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার, বগুড়া।

    ০৮ নভেম্বর’১৭ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

  • জিহাদী জীবন থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশি তানিয়া

    জিহাদী জীবন থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশি তানিয়া

    বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ তানিয়া জর্জেলাস ও তার স্বামী জনের জীবনকাহিনী চারটি মহাদেশে বিস্তৃত। জন ছিলেন টেক্সাসের এক ধনী খ্রিস্টান পরিবারের ছেলে।

    কৈশোরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এর ১৩ বছর পর ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগদান করে নিজেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন জন। এর মধ্যেই লন্ডনে তানিয়াকে বিয়ে করেন তিনি।

    সম্প্রতি তানিয়াকে ‘আইএস-এর ফার্স্টলেডি’ অভিধা দিয়ে তার উপর একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ করে আমেরিকান ম্যাগাজিন দ্য আটলান্টিক।

    সেই জিহাদি জীবন থেকে পালিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ তানিয়া জর্জেলাস। ফলে জনকে ডিভোর্স দিয়ে ২০১৩ সালে জিহাদি জীবনধারা ত্যাগ করেন তিনি। যদিও তার স্বামী এখনও আইএস’র সঙ্গেই আছেন। আর তানিয়া বর্তমানে বসবাস করছেন মার্কিন শহর ডালাসে।

    তানিয়ার জীবন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ইয়াহু লাইফস্টাইলে।

    এতে বলা হয়ে, ২০০৪ সালে তানিয়া ও জন জর্জেলাসের সাক্ষাৎ ও বিয়ে হয়। জন জর্জেলাস ইয়াহিয়া আল বাহরুমি বা ইয়াহিয়া দ্য আমেরিকান নামেও পরিচিত। তিনি আমেরিকায় আইএসের শীর্ষ নেতা হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। মুসলিম ভাবধারায় বেড়ে ওঠা তানিয়ার সঙ্গে টেক্সাস থেকে আসা জর্জেলাসের পরিচয় হয়। জর্জেলাসের বাবা মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন ডাক্তার। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরে টুইন টাওয়ারে হামলার পরপরই তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। কাকতালীয়ভাবে, ইতিহাসের এই সংকটকালীন তানিয়াও মৌলবাদে আকৃষ্ট হয়েছিলেন।

    এরই মধ্যে তানিয়া ও জন দম্পতির দ্রুতই তিন সন্তান বিশিষ্ট একটি পরিবার গড়ে উঠে। পরে ২০১৩ সালে তারা আইএসে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা করেন এবং একই বছরের আগস্টে সিরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। অবশেষে জন তিন সন্তান ও সন্তানসম্ভবা তানিয়াকে নিয়ে সিরিয়া পৌঁছায়। কিন্তু পৌঁছানোর পর তানিয়ার মনোভাব পরিবর্তন হয়। তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। স্বামীর পিতা-মাতার সহায়তায় তানিয়া যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। তিনি আইএসের সঙ্গে থাকা স্বামীকে ডিভোর্স দেন।

    দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনে সম্প্রতি তানিয়ার ওপর একটি ফিচার প্রকাশিত হয়েছে। পুরো ফিচারজুড়ে একটি জিজ্ঞাসাই ফুটে উঠেছে, তা হলো- আসলেই কি তানিয়ার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘একসময় তিনি একটি পরিবারকে দেখাশোনা করতেন ও তাদের গুপ্তহত্যার প্রশিক্ষণ দিতেন। লেখক গ্রায়েম উডের পর্যবেক্ষণ হলো- এখনো তার মধ্যে লক্ষণ আছে, সহিংসতার না, তবে জেহাদের বিষয়ে তাকে যেভাবে ভুল বোঝানো হয়েছে তার স্থায়ী একটি প্রভাবের লক্ষণ রয়েছে। এক সময় তিনি আমাকে বললেন যে, তিনি মনে করেন, শিয়ারা প্রকৃত মুসলিম না। আইএস একটি সুন্নি মৌলবাদী দল, শিয়াদের ঘৃণা করাই যাদের মূল তত্ত্ব। সে কখনোই বলেনি যে, সে সিরিয়ায় ফিরে যেতে চায়। কিন্তু সে শোকাহত হয়েছে যে, অনেক আইএস অনুসারীদের বোমা মেরে ধ্বংস করা হচ্ছে। শুধু এই জন্য যে, তারা একজন খলিফার অধীনে বাঁচতে চেয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা সাধারণ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করার পর তার এ ধরনের মন্তব্য পাওয়া যেতো। ’

    লন্ডনে নিজের বেড়ে উঠার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তানিয়া বলেন, ‘আমি অসংখ্যবার বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছি। প্রায়ই নিজেকে বহিরাগত মনে হত। আমি প্রতিশোধ নেয়ার একটা পথ খুঁজতাম। ”

    যদিও লেখক উড বলেন, তানিয়ার পরিধেয় পোশাক দেখে মনে হতে পারে যে, তিনি গত কয়েক দশক ইতালির ‘ভোগ’ ম্যাগাজিন পড়ে কাটিয়েছেন, কোরান নয়।

    এখনো তিনি তার জেহাদি স্বামীর জন্য টান অনুভব করেন। তিনি বলেন, আমি তাকে না ভালোবেসে থাকতে পারি না। এই ভালোবাসা কিভাবে যাবে তা আমি জানি না। এই পর্যায়ে এসে জর্জেলাস দম্পতির অবস্থা হলো, জন তার আমেরিকান, খ্রিস্টান, শহরতলীর ধনী জীবন ত্যাগ করে আইএসের একজন সদস্য হিসেবে একজন জিহাদির জীবন বেছে নিয়েছে। আর তানিয়া করেছেন তার উল্টোটা- এখন তিনি ডালাসের শহরতলিজুড়ে নিজের পরিচয় খুঁজে বেড়ান। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টায় নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।