Category: আন্তর্জাতিক

  • অগামীকাল থেকে বরিশাল-কলকাতা নৌ সার্ভিস শুরু

    অগামীকাল থেকে বরিশাল-কলকাতা নৌ সার্ভিস শুরু

    উড়োজাহাজে, ট্রেনে বা বাসে চড়ে ইচ্ছেমতো আসা-যাওয়া করা যায় কলকাতায়। কিন্তু নৌপথে পণ্য পরিবহন চললেও সাধারণ যাত্রীদের কলকাতা যাওয়ার সুযোগ ছিল না। এবার নৌপথের সেই বাধা দূর হচ্ছে। কাল শুক্রবার (২৯ মার্চ) পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে চালু হতে যাচ্ছে নৌযান যাত্রীসেবা।

    শুক্রবার রাত ৯টায় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ক্রুজ শিপ ‘এমভি মধুমতি’ ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করবে। একইদিন একই সময়ে ভারতের ক্রুজ শিপ ‘মেসার্স আরভি. বেঙ্গল গঙ্গা’ কলকাতা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।

    ক্রুজ শিপ যাত্রার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে শুক্রবার বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জের পাগলাস্থ ভিআইপি ঘাটে (মেরিএন্ডারসন) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বিশেষ অতিথি থাকবেন।

    জাহাজটি বরিশাল, বাগেরহাটের মংলা, সুন্দরবন, খুলনার আন্টিহারা- ভারতের হলদিয়া রুট হয়ে কলকাতায় যাবে।

    সময় যত লাগবে : ঢাকা থেকে ২৯ মার্চ রাত ৯টায় রওনা দিয়ে চাঁদপুর হয়ে ৩০ মার্চ ভোরবেলা বরিশালে যাত্রা বিরতি করবে এমভি মধুমতি। সেখান থেকে বাগেরহাটের মংলায় কিছু সময় থামবে জাহাজটি। বাগেরহাট থেকে সুন্দরবনে ভেতরে যাবে এটি। সুন্দরবন ঘুরে মধুমতি জাহাজটি খুলনার কয়রার আন্টিহারার দিকে যাবে। সেখানে যাত্রীদের ইমিগ্রেশনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে। আন্টিহারা হয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় যাবে। হলদিয়া থেকে সরাসরি কলকাতা যাবে মধুমতি। সবশেষ গন্তব্য কলকাতা নৌবন্দরে পৌঁছাবে ৩১ মার্চ রোববার দুপুর ১২টার দিকে। রোববার কলকাতায় থেকে পরদিন ১ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে এমভি মধুমতি।

    ঢাকা-কলকাতা যাতায়াতের ভাড়া : এমভি মধুমতিতে যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় ছয়শ। এর মধ্যে কেবিনগুলোতে ১৩০ জন যাত্রী ভ্রমণ করতে পারবেন। বিআইডব্লিউটিসি জানিয়েছে, কেবিন ভাড়া ফ্যামিলি স্যুট (দুজন) ১৫০০০ টাকা, প্রথম শ্রেণি (যাত্রীপ্রতি) পাঁচ হাজার টাকা, ডিলাক্স শ্রেণি (দুজন) ১০ হাজার টাকা, ইকোনমি চেয়ার প্রতিটি দুই হাজার টাকা এবং সুলভ ও ডিলাক্স শ্রেণির যাত্রীপ্রতি ভাড়া রাখা হবে দেড় হাজার টাকা। জাহাজে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ, বিকেলের নাশতা, রাতের খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। তবে এসব খাবার যাত্রীদের কিনে খেতে হবে। এ ছাড়া ভিসাও যাত্রীদের নিজেদের উদ্যোগে নিতে হবে। ভিসায় কোন পথে যাত্রীরা যাবেন এবং কলকাতা হয়ে ফেরত আসবেন সে বিষয় উল্লেখ ঘোষণা থাকতে হবে।

  • আইপিএলে পাচ্ছেন একটার পর একটা গাড়ি, গ্যারেজ লাগবে রাসেলের!

    আইপিএলে পাচ্ছেন একটার পর একটা গাড়ি, গ্যারেজ লাগবে রাসেলের!

    আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) চোখের মনি আন্দ্রে রাসেল। দলে ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার একাই যেন একশ। ব্যাটে বলে সমান তালে পারফর্ম করছেন। চলতি আইপিএলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেরার পুরস্কার হাতে নিলেন রাসেল। দুই ম্যাচেই দলের জয়ে বড় অবদান তার।

    ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে রাসেল হাতে নিয়েছেন দ্বিতীয় গাড়ি। না, এটা আসল গাড়ি নয়। অনেকটা খেলনা গাড়ির আদলে তৈরি ম্যাচসেরা ট্রফি। যেটি হাতে নিয়ে রসিকতার ছলে রাসেল বললেন, ‘এবার মনে হয়, বাড়ির গ্যারেজটা বড় করতে হবে। দিনের শেষে যদিও স্বস্তিতে হোটেলে ফিরতে পারছি। খুব ভালো খেলেছে ছেলেরা।

    বুধবার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল কেকেআরের। যে দলটিতে আছেন রাসেলেরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের সতীর্থ ক্রিস গেইল। যার উইকেটটিও আবার নিয়েছেন রাসেলই।

    ১৩ বলে ২০ রানে ছিলেন গেইল। ভয়ংকর হয়ে উঠতে যাবেন এমন সময়ে তাকে প্রসিধ কৃষ্ণার ক্যাচ বানান রাসেল। গেইলকে অল্প রানে আটকে দেয়ার তৃপ্তিটাই আলাদা, দলও তো তাতে জিতল।

    তবে স্বদেশি কিংবদন্তিকে প্রশংসায় ভাসাতেও ভুল করলেন না আন্দ্রে রাসেল। তিনি বলেন, ‘গেইল আমার বড় ভাইয়ের মতো। কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানকে প্রথম ছয় ওভারে আউট করার তৃপ্তি অসাধারণ। আমাদের পরিকল্পনাই ছিল যত কম রানের মধ্যে ওকে আটকানো যায়। ব্যাটিংয়ে আমি ওর থেকে বেশি ছয় মেরেছি। তবুও আমার থেকে বেশি বড় শট নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ওরই।’

  • কেন মেসি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার?

    কেন মেসি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার?

    শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিজ্ঞানী সিমোন ব্রান্ডিশকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই গ্রহের সেরা ফুটবল খেলোয়াড় কে? তিনি বললেন, ‘যদি জীবিত কেউ হন তবে তিনি মেসি’।

    এমনিতেই মেসিকে ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্রেটেস্টদের একজন ধরা হয়। মেসি সম্পর্কে এ কথা বলা হলে তা মোটেও চমকপ্রদ তথ্য নয়। কিন্তু সেরাদের সেরা নির্ণয়ে অনেকের মনে বিতর্ক থাকতেই পারে। বেশ কিছু পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এ বিতর্কের অবসান ঘটবে বলেই বিশ্বাস করেন ব্রান্ডিশ।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান হিসেবে প্রতি ৪৮ মিনিটে মেসি নিজে একটা গোল করেছেন কিংবা গোল করিয়েছেন। মাথায় রাখতে হবে যে, প্রতিটা গেম প্রায় ৯৫ মিনিট ধরে খেলা হয় (ইনজুরি সময় যোগ করে)। তারমানে প্রতিটা গেমে তিনি অন্তত দুবার করে বল জালে পাঠাতে অবদান রেখেছেন’।

    খুব অল্প সংখ্যক খেলোয়াড় এ হিসেবের ধারেকাছে আসতে পেরেছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোদালদোকে তুলনা করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গোল করার হারে তিনি হয়তো এগিয়েও গেছেন। সর্বসাম্প্রতিক সময়ে লুইস স্যুয়ারেজ, নেইমার, কাইলিয়ান, এমবাপ্পে এবং মোহামেদ সালাহ তাদের ক্লাব এবং দেশের হয়ে গোল স্কোরিংয়ের হার দারুণভাবে বাড়িয়েছেন।

    ব্রান্ডিশের মতে, মেসির শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি কেবল গোল স্কোরিংয়ের ওপর নির্ভর করে না। বরং ‘এক্সজি-বিল্ড’ নামের এক পরিসংখ্যানে তার স্কোরিংয়ের হারে কতটা ত্বরণ রয়েছে তাও বিবেচ্য। গোল করার সুযোগ আর্শীবাদ হয়ে বর্ষিত হয় গোলের প্রচেষ্টারত প্রতিটা খেলোয়াড়ের ওপর। অ্যাওয়ার্ড পয়েন্ট জোটে যিনি গোলের আগে শেষ পাসটি দিচ্ছেন এবং যিনি গোল করছেন সবার ভাগ্যে।

    উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোনো ডিফেন্ডারকে বল পাস দেয়ার মাধ্যমে যদি গোলকিপার প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তবে ওই বলটি জালমুখী হওয়ার আগে কে ওটাকে উইঙ্গারের কাছে পাঠিয়ে দেবে? এ পরিস্থিতিতে ‘এক্সজি-বিল্ড’ পদ্ধতিতে গোলকিপার এবং ডিফেন্ডার দুজনই পরিসংখ্যানগত পয়েন্ট লাভ করবেন।

    অনেকের কাছে মেসির গোল স্কোরিং এবং গোল দেয়ার সুযোগ সৃষ্টির হার অন্যান্য খেলোয়াড়ের চেয়ে যৌক্তিকভাবে কম মনে হতে পারে। কারণ, অন্য খেলোয়াড়দের মাঠ চষে বেড়িয়ে গোলের সুযোগ সৃষ্টির প্রাথমিক প্রচেষ্টা আরো বেশি বিস্তৃত বলে মনে হতে পারে।

    কিন্তু ব্রান্ডিশের মতে ঘটনা তা নয়।

    ফুটবলের পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে ২০১৭-১৮ পুরো সেশনের তথ্য-উপাত্ত নিয়েছেন ব্রান্ডিশ। সেখানে দেখা গেছে, ‘এক্সজি-বিল্ড’-এ মেসির স্কোর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ খেলোয়াড়দের চেয়ে এগিয়ে। এই দুর্ধর্ষ খেলোয়াড়দের তালিকায় রয়েছে চেলসির এডেন হাজার্ড, আর্সেনালের মেসুত ওজিল এবং টটেনহামের ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। একই হিসেবে তিনি রোনালদো, সালাহ এংব নেইমারের মতো খেলোয়াড়কেও ছাড়িয়ে গেছেন।

    এরকম অনেকে হিসেব-নিকেশে মেসির স্কোরকৃত গোল, গোলের সুযোগ করে দেয়া এবং ‘এক্সজি-বিল্ড’ স্কোরের কথা উল্লেখ করে ব্রান্ডিশ মেসির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। আর সন্দেহবাতিকদের প্রতি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘তাহলে বিতর্কটা কোথায়?’

  • উড়ন্ত হাতি আসছে বাংলাদেশে

    উড়ন্ত হাতি আসছে বাংলাদেশে

    ছোট্ট একটা হাতির ছানা। নাম তার ডাম্বো। কিন্তু ডাম্বো মানে যে বোকা! আসলে ডাম্বোর কান দুটো বিরাট বড়। আর সেই কান নিয়েই হাসাহাসি করে সবাই। মাকে হারিয়ে ডাম্বো চলে এসেছে সার্কাসে।

    সেই সার্কাসেই একদিন আবিস্কার হলো ডাম্বোর অদ্ভুত ক্ষমতা। ডাম্বো উড়তে পারে! তার বিরাট দুটো কান ডানার কাজ করে। ডাম্বোর উড়তে পারার কথা ছড়িয়ে যায় চারদিকে। সে এখন সার্কাসের এক স্টার। ডাম্বোর এই খ্যাতির কথা জানতে পারে বিখ্যাত ব্যবসায়ী ভ্যানডিভিয়ার। ডাম্বোকে সে নিয়ে যায় তার বিশাল বিনোদনের ব্যবসা ড্রিমল্যান্ডের জন্য।

    সার্কাসের স্টার থেকে ড্রিমল্যান্ডের সুপারস্টার হতে দেরি হয় না ডাম্বোর। কিন্তু সে যে তার মায়ের কাছে ফিরে যেতে চায়! এরই মধ্যে জানা যায় ড্রিমল্যান্ড মোটেও স্বপ্নের জায়গায় নয়। বরং সেখানেও লুকিয়ে আছে অন্ধকার অনেক রহস্য। তবে কি ডাম্বো ফিরে যেতে পারবে তার মায়ের কাছে?

    Dumbo 02

    নাকি ড্রিমল্যান্ডেই বিপদে পড়বে সে? জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ২৯ মার্চ পর্যন্ত। এ দিন আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে ‘ডাম্বো’।

    উড়তে পারা এই ডাম্বোর গল্প বহু পুরনো। ১৯৪১ সালের অক্টোবরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডাম্বো’ ছিল ডিজনির চতুর্থ অ্যানিমেটেড ফিচার চলচ্চিত্র। সেই ডাম্বোকেই আবার নতুন করে ফিরিয়ে আনলেন ব্যাটম্যান রিটার্নস, প্ল্যানেট অব দ্য এপস বা অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড খ্যাত পরিচালক টিম বার্টন।

    এতে অভিনয় করেছেন কলিন ফেরেল, ইভা গ্রীন, মাইকেল কিটনের মত তারকারা। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস বোঝা যায় ট্রেলার প্রকাশের পর থেকে। বড় পর্দায় আসার পর এ উচ্ছ্বাসের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের।

  • কলকাতার বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ে পাঞ্জাব, দুই দলের একাদশে যারা

    কলকাতার বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ে পাঞ্জাব, দুই দলের একাদশে যারা

    ইডেন গার্ডেনে ঘরের মাঠের কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে টস জিতেছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাঞ্জাব অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অর্থাৎ দিনেশ কার্তিকের কলকাতা প্রথমে ব্যাট করবে।

    কলকাতার একাদশে চার বিদেশি হলেন-অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস লিন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারিন ও আন্দ্রে রাসেল এবং নিউজিল্যান্ডের লুকি ফার্গুসন।

    পাঞ্জাব একাদশের চার বিদেশি-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে ওপেনার ক্রিস গেইল, দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ও হার্দাস ভিলজয়েন এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু টাই।

    কলকাতা একাদশ : ক্রিস লিন, সুনীল নারিন, রবিন উথাপ্পা, নিতীশ রানা, শুভমান গিল, দিনেশ কার্তিক (অধিনায়ক), আন্দ্রে রাসেল, পিযুষ চাওলা, কুলদ্বীপ যাদব, লুকি ফার্গুসন, প্রসিধ কৃষ্ণা।

    পাঞ্জাব একাদশ : ক্রিস গেইল, লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়েল, সরফরাজ খান, ডেভিড মিলার, মানদ্বীপ সিং, অ্যান্ড্রু টাই, রবিচন্দ্রন অশ্বিন (অধিনায়ক), মোহাম্মদ শামি, হার্দাস ভিলজয়েন, বরুণ চক্রবর্তী।

  • দায়িত্ব দেওয়া হলে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করব : মমতা

    দায়িত্ব দেওয়া হলে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করব : মমতা

    কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব, সেখানেও শান্তি ফিরে আসতে পারে বলে মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেক্ষেত্রে কেউ না পারলে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি নিজে দীর্ঘকালীন এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হবেন বলে জানান মমতা।
    বুধবার বিকালে দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে নিজের বাড়িতে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মমতা।
    এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা আরো বলেন, ‘হবে না বলে পৃথিবীতে কোনো কাজ নেই, পারবো না বলেও কিছু নেই। আপনাকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমরা যখন এরাজ্যে ক্ষমতায় আসি তখন জঙ্গলমহল কি ছিল? প্রতি বছর চার শতাধিক মানুষ মারা যেত। দিল্লির স্বার্থে দার্জিলিং-এর পরিস্থিতি কি ছিল? তারা চাইতো দার্জিলিং-এর আগুন জ্বলুক। দিল্লি থেকে কেবল পাম্প (উসকানি) করে। আমরা কি জঙ্গলমহলে সমস্যার সমাধান করিনি…?
    এসময় মমতা বলেন, ‘আমরা যদি জঙ্গমহলের সমস্যা সমাধান করতে পারি, দার্জিলিং যদি শান্তিতে থাকতে পারে তবে কাশ্মীর ইস্যু সমাধানও সম্ভব। এখানকার মানুষের আস্থা নিয়েই এবং যারা যারা কনসার্নড ব্যক্তি আছেন তারা বসে নিশ্চয়ই এটাকে সমাধান করতে পারে।’
    তিনি বলেন, ‘আমি এখনও বলি যে কাশ্মীর সমস্যা সমাধান হতে পারে। শান্তি ফিরে আসতে পারে। কাশ্মীরের ছাত্র-যৌবন-মা-বোনদের আস্থা নিয়ে হতে পারে। কেউ না পারলে আপনারা আমাকে দায়িত্ব দিতে পারেন। আমি কোনো পজিশন (পদ) চাই না। আমি গিয়ে কিছুদিন কাশ্মীরে থাকবো এবং কাশ্মীরের মানুষ কি চায়-তা কথা বলে নিশ্চয়ই চেষ্টা করবো যেন সমাধান হয়। আমার সে বিশ্বাস আছে। আমি সব সময় পজেটিভ, আমি কখনও নেগেটিভ হই না।’
    ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, ‘যখন কান্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল-সে সময় যখন কেউ যেতে চাইছিল না। আমি তখন যশবন্ত সিংকে (তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছিলাম আমাকে পাঠিয়ে দাও-আমি যাচ্ছি, আমি গিয়ে তাদের নিয়ে আসছি-ওরা আমায় মারে মারুক। সেটা পরে যশবন্ত সিং একটা বৈঠকে এসে বলেছিল বলে আপনারা সে কথা জানতে পেরেছিলাম। আমি কোনো দিনই সে কথা কাউকে বলিনি।’
    ইশতেহার প্রকাশ করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘এটা শুধুমাত্র বাংলার জন্য। আমরাই ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তুলবো। অভিন্ন কর্মসূচি ভিত্তিতে কেন্দ্রে পরবর্তী সরকার গঠন করা হবে।’
    দলের ইশতেহারে নারীদের ক্ষময়াতনের বিশেষ জোর, পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) পুনর্বিবেচনা করা এবং এজন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা, ১০০ দিনের কাজ বাড়িয়ে ২০০ দিন করা, মনরেগা প্রকল্পের অধীন দৈনিক মজুরি দ্বিগুণ করা, কর্মসংস্থানের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া, কৃষকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, খেলাধুলায়-বিজ্ঞান-গবেষণায় জোর দেওয়া হয়েছে।
    মমতা জানান, তার লক্ষ্য গরিব মানুষকে বাঁচার অধিকার দেওয়া। এজন্য অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
    কেন্দ্রের মোদি সরকারকে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘মোদির আমলে ২ কোটি মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। বিদেশ থেকে কালো রুপি ফিরিয়ে আনা হবে বলেছিল, প্রত্যেকর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ রুপি দেওয়া হবে বলেছিল কিন্তু কিছু করা হয়নি।’
    তার অভিযোগ, ‘যুক্তরাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে। কার স্বার্থে নোট বাতিল করা হয়েছে-সে প্রশ্নও তুলে সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্তের দাবি হবে বলেও জানান মমতা।
    মোদি-অমিত জুটিকে খোঁচা দিয়ে মমতার অভিমত, ‘দুই জনের নীতি মেনে গোটা দেশ চলছে। লালকৃষ্ণ আদবানী, মুরলীমনোহর যোশীদের মতো সিনিয়র নেতাদের দলে জায়গা নেই। ওরা সিনিয়র নেতাদের সম্মান দেয় না।’
    ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যুব কল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা মন্ত্রী সাধন পান্ডে, সাংসদ অভিষেক ব্যনার্জি, সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
  • আইপিএলে বিতর্ক : এমসিসি কি ‘মানকড়’ আউটের পক্ষে না বিপক্ষে?

    আইপিএলে বিতর্ক : এমসিসি কি ‘মানকড়’ আউটের পক্ষে না বিপক্ষে?

    নতুন আসর শুরু হওয়ার দিন কয়েক পেরুতেই বিতর্কে পড়লো আইপিএল। বিতর্কটা তৈরি করলেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটসম্যান জস বাটলারকে ‘মানকড়’ আউটের ফাঁদে ফেলে।

    ক্রিকেট ইতিহাস বলছে, এমন আউট নতুন কিছু নয়। শুরুটা হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান বিল ব্রাউনকে নন স্ট্রাইক প্রান্তে আউট করে দিয়েছিলেন ভারতের বোলার ভিনু মানকড়। ব্রাউন আসলে ননস্ট্রাইক প্রান্তে কিছুটা বেরিয়ে গিয়েছিলেন। মানকড় বল ডেলিভারি না দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন। সেই থেকে এই আউটের নাম ‘মানকড়’ আউট।

    এবারের আইপিএলে এমনই এক আউট করলেন অশ্বিন। তবে তার আউটের ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাটলার দাগের ভেতরে থাকা অবস্থায়ই যে অশ্বিন বল ছোড়ার ভঙ্গি করেছিলেন, তারপর কিছু বুঝতে না দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

    এমন এক আউটের পর বিতর্ক উঠবে, সেটাই স্বাভাবিক। ‘মানকড়’ আউট এমনিতেই ক্রিকেটীয় চেতনার বিরোধী, অশ্বিনের কাণ্ডটা তো আরও। তবে আইন বলছে, এটাও আউট। ক্রিকেটের আইন প্রণেতা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) এ নিয়ে কি ভাবছে? তারা অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। শুধু বলেছে, আইনের দরকার আছে।

    তবে এমসিসি মনে করছে, আইনটা করতে হবে ভারসাম্য রেখে। অশ্বিনের ঘটনাটা ইচ্ছেকৃত কিনা সেটা দেখেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মনে করছে তারা, ‘কেউ কেউ মনে করছেন, অশ্বিন দেরি করেছেন যাতে বাটলার বের হয়ে যায় এবং অশ্বিনের যখন বল ছাড়ার কথা ছিল, তখন বাটলার ক্রিজেই ছিলেন। যদি এটা ইচ্ছেকৃত দেরি হয়, তবে সেটা অবৈধ এবং ক্রিকেটীয় চেতনা বিরোধী। অশ্বিন অবশ্য দাবি করেছে এটা তেমন নয়।’

    এমসিসি যোগ করে, ‘এ আইন খুব জরুরি। এ আইন ছাড়া নন-স্ট্রাইকার স্বাধীনতা পেয়ে যাবে, পিচে অনেক দূর এগিয়ে থাকবে। এ আইনে কখনো বলা হয়নি নন-স্ট্রাইকারকে সতর্ক করতে হবে। এবং এটাও বলা হয়নি, একজন নন-স্ট্রাইকার ক্রিজ থেকে আগে বের হয়ে সুবিধা নিতে চাইলে তাকে আউট করা ক্রিকেটীয় চেতনার বিরোধী।’

  • এশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল-গ্যাসের মজুদ পাকিস্তানে

    এশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল-গ্যাসের মজুদ পাকিস্তানে

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, এশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল এবং গ্যাসের মজুদ করাচির উপকূলে শিগগিরই পাওয়া যেতে পারে।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক খবর পাকিস্তানবাসীরা শুনতে পারে বলেও জানান তিনি।

    তেল-গ্যাস অনুসন্ধান তৎপরতার সফলতার জন্য পাকিস্তানবাসীদের দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, তেল-গ্যাস পাওয়া গেলে পাকিস্তানিদের ভাগ্যের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে।

    এ সময় ভারতের সঙ্গে চলমান টানাপড়েন নিয়েও কথা বলেন ইমরান খান। তিনি আশংকা ব্যক্ত করে বলেন, আগামী মাসে ভারতের সাধারণ নির্বাচন হওয়ার আগে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পারে ভারত।

    সতর্ক অবস্থা শিথিল করা চলবে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানকে আরো সতর্ক থাকতে হবে।

  • নওয়াজ শরিফ জামিনে মুক্ত, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    নওয়াজ শরিফ জামিনে মুক্ত, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে জামিন দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য মঙ্গলবার তাকে ছয় সপ্তাহের জামিন দেন আদালত। তবে আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

    পাকিস্তানের দৈনিক ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধান বিচারপতি আসিফ সৈয়দের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ চিকিৎসার জন্য নওয়াজ শরিফের করা জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

    গত বছর সৌদি আরবে আজিজিয়া স্টিল মির দুর্নীতি মামলায় ৬৯ বছর বয়সী নওয়াজ শরিফকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। পাকিস্তানের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ বর্তমানে হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যায় ভুগছেন।

    নওয়াজের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা বলে গত মাসে তার জামিন চেয়ে আপিল করা হয়। কিন্তু আদালত তা খারিজ করে দেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে জামিন পেলেন নওয়াজ শরিফ।

    গত বছর তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে কখেনোই পুরো মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারেননি।

    পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের আগে গত বছরের ১৩ জুলাই নওয়াজ ও তার মেয়ে কুলসুম দেশে ফিরে আসলে বিমানবন্দর থেকেই তাদেরকে গ্রেফতার করে লাহোরের আদিয়ালা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৬ জুলাই লন্ডনে থাকা অবস্থায় তার সাথে তার মেয়ে মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে ৭ বছরের ও জামাতা সফদরকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন দেশটির আদালত।

  • টস জিতে ব্যাটিংয়ে দিল্লি ক্যাপিটালস

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে দিল্লি ক্যাপিটালস

    দু’দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল। তবে চেন্নাই সুপার কিংস আর দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের মধ্যে একটি বৈপিরিত্য আছে। চেন্নাই জিতেছিল সবচেয়ে লোয়েস্ট স্কোরের ম্যাচে।

    রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে ৭০ রানে অলআউট করে দিয়ে তারা জিতেছিল ৭ উইকেটে। আর দিল্লি জিতেছিল আসরের সর্বোচ্চ স্কোর, ২১৩ রান করে।

    এই যখন পরিস্থিতি, তখন দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় আজ মুখোমুখি হলো চেন্নাই এবং দিল্লি ক্যাপিটালস। এই ম্যাচে আবার টস করতে নামলেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং সবচেয়ে তরুণ অধিনায়ক স্রেয়াশ আয়ার। এখানে জয় হলো তরুণ স্রেয়াশ আয়ারের এবং টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তই নিলেন তিনি।

    দিল্লি একটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে আজ। ট্রেন্ট বোল্টের পরিবর্তে তারা আজ দলে বাড়িয়েছে একজন স্পিনার। নিয়েছে অমিত মিশ্রকে। তবে চেন্নাই সুপার কিংস তাদের একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি।

    চেন্নাই সুপার কিংস : শেন ওয়াটসন, আম্বাতি রাইডু, সুরেশ রায়না, কেদার যাদব, মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), ডোয়াইন ব্রাভো, রবীন্দ্র জাদেজা. দীপক চাহার, শার্দুল ঠাকুর, হরভজন সিং এবং ইমরান তাহির।

    দিল্লি ক্যাপিটালস : শিখর ধাওয়ান, পার্থিব প্যাটেল, স্রেয়াশ আয়ার (অধিনায়ক), কলিন ইনগ্রাম, রিশাব পান্ত (উইকেটরক্ষক), কিমো পল, অক্ষর প্যাটেল, রাহুল তেওয়াতিয়া, কাগিসো রাবাদা, অমিত মিশ্র এবং ইশান্ত শর্মা।