Category: আন্তর্জাতিক

  • প্রথম জয়ের খোঁজে মুখোমুখি রাজস্থান-ব্যাঙ্গালুরু

    প্রথম জয়ের খোঁজে মুখোমুখি রাজস্থান-ব্যাঙ্গালুরু

    আইপিএলের চলতি আসরে এখনো পর্যন্ত ন্যুনতম ৩ ম্যাচ খেলা দলগুলোর মধ্যে সবকয়টিতেই জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে তিনটি করে ম্যাচ খেলেও জয়ের মুখ দেখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুর ও রাজস্থান রয়্যালস।

    আজ চলতি আসরে নিজেদের প্রথম জয়ের খোঁজে মাঠে নেমেছে এ দুই দল। জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজিঙ্কা রাহানের রাজস্থান। টসে হেরে ব্যাট করতে নামছে বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালুরু।

    আইপিএলে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়েই রয়েছে রাজস্থান। এখনো পর্যন্ত ১৮ ম্যাচ খেলে ৯টিতে জিতেছে তারা। এক ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ব্যাঙ্গালুরুর জয়ের সংখ্যা ৮। আজকের ম্যাচে জিতলে জয়-পরাজয় সংখ্যা সমান করে ফেলবে তারা।

    ম্যাচ জেতার লক্ষ্যে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে তিনজনকে বাদ দিয়েছে ব্যাঙ্গালুরু। দলে এসেছে আকশদ্বীপ নাথ, নভদ্বীপ সাইনি এবং মার্কস স্টইনিস। এছাড়া রাজস্থানের একাদশে এসেছেন ভরুন অরুন এবং স্টুয়ার্ট বিনি।

    ব্যাঙ্গালুরু একাদশ: পার্থিব প্যাটেল, শিমরন হেটমায়ার, এবি ডি ভিলিয়ার্স, বিরাট কোহলি, মইন আলি, আকশদ্বীপ নাথ, মার্কস স্টইনিস, নভদ্বীপ সাইনি, উমেশ যাদভ, মোহাম্মদ সিরাজ এবং ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল।

    রাজস্থান একাদশ: আজিঙ্কা রাহানে, জশ বাটলার, স্টিভেন স্মিথ, রাহুল ত্রিপাথি, বেন স্টোকস, স্টুয়ার্ট বিনি, কৃষ্ণাপ্পা গোথা, জোফ্রা আর্চার, শ্রেয়াস গোপাল, ভরুন অরুন এবং ধাওয়াল কুলকার্নি।

  • বুধবার মোদি-মমতার দ্বৈরথ দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গবাসী

    বুধবার মোদি-মমতার দ্বৈরথ দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গবাসী

    ঠিক ছিল আগামী ৪ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আসন্ন লোকসভার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তার একদিন আগে থেকেই প্রচারণায় ঝড় তুলতে চলেছেন মোদি বিরোধী অন্যতম প্রধান মুখ মমতা ব্যানার্জি। কারণ একটাই আগামী বুধবারই বাংলায় এসে জোড়া প্রচারণা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর একটি হবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি, দ্বিতীয়টি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে। দলীয় সূত্রে খবর মোদিকে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে জবাব দিতে মমতার পরিকল্পনায় এই রদবদল। অর্থাৎ একদিন এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁর প্রচার।

    আগামীকাল বুধবার দুপুর একটার দিকে উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকপ্টার বা সড়ক পথে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় পৌঁছবেন তিনি। এরপর বেলা ১.২০ মিনিটে শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশনের পাশে রেলওয়ে ময়দানে প্রথম জনসভায় উপস্থিত থাকবেন মোদি। সভা উপলক্ষে ইতিমধ্যেই জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তৈরি হয়েছে তিন স্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। সেই সভা শেষ করে বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়ে তিনি পৌঁছবেন কলকাতায়। বিকাল তিনটার দিকে ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে দ্বিতীয় সভাটিতে উপস্থিত থাকবেন মোদি।

    আগামী ১১ এপ্রিল প্রথম দফায় গোটা দেশের সাথেই নির্বাচন হবে এ রাজ্যের আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে। এবারের নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। তাই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সিন্ডিকেট, বেকারত্ব, দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, অনুপ্রবেশসহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে যে নিশানা করতে চলেছে তা মোটামুটি পরিষ্কার।

    মোদি যখন শিলিগুড়ির সভা শেষ করে কলকাতার পথে রওনা দেবেন ঠিক তখনই মোদির বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে বুধবার দুপুরে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় দলীয় প্রার্থীর হয়ে জনসভা করবেন মমতা। মোদির বক্তব্যের পর তৃণমূল সম্পর্কে যাতে ভোটারদের মনে ভুল ধারণা না যায়-তা আটকাতেই মমতাও পাল্টা কাউন্টারে নামছেন।

    এদিকে, গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহকে মাথায় রেখেই এই প্রথম ব্রিগেডে কোন জনসভায় দর্শকদের মাথার উপরে ছাউনির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কমপক্ষে ১৫ লাখ মানুষের জায়গা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এই ব্রিগেডে। জার্মান অ্যালুমিনিয়ামের হ্যাঙার দিয়ে ঢাকা হচ্ছে ব্রিগেডের প্রায় ২৫ লাখ বর্গফুট এলাকা। তার ওপর থাকছে অ্যালুমিনিয়ামের শিট। মোট তিনটি মঞ্চ করা হয়েছে-৬০/৩২ ফুটের, মূল মঞ্চে মোদি ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন। ৪০/২০ ফুটের করে বাকী দুইটি মঞ্চে থাকবেন রাজ্য-জেলা স্তরের নেতারা। যদিও কোন মঞ্চে কারা বসবে, কারা কোন গেট দিয়ে ঢুকবে তা সবটাই ঠিক করবেন মোদির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজির কর্মকর্তারা।

    ঐতিহাসিকভাবে এই ব্রিগেড ময়দানের গুরুত্ব অনেকটাই। রাজ্যের প্রতিটি বড় বড় আন্দোলন-রাজনৈতিক জনসভা-প্রতিবাদ সভা করা এখানে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে বহু মানুষ এখানে জমায়েত হবেন। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন, তাই তাদের কথা ভেবেই এই ছাউনির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারণ গরমের দিনে আমাদের সমর্থকদের স্বাস্থ্যর দিকটা আমাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

    ব্রিগেডের সভার পরই আগামী ৭ ও ১০ এপ্রিল আরও দুইটি জনসভায় রাজ্যে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে আগামী ৪ এপ্রিল মাথাভাঙায় প্রচারণা করবেন তৃণমূল নেত্রী। এরপর ৫ এপ্রিল প্রচারণায় অংশ নিতে আসাম সফরে যাবেন মমতা। আসাম থেকে ফের উত্তরবঙ্গে ফিরে আরও একাধিক সভা করে কলকাতায় ফিরবেন আগামী ১৩ এপ্রিল।

    তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রে দুইটি করে জনসভা করার লক্ষ্য নিয়েই প্রচারণায় নামছেন তৃণমূল নেত্রী। ৩ এপ্রিল থেকে শুরু করে ১৭ মে পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে প্রায় ১০০ টি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যাবে মমতাকে।

  • কুরআনের আলোকে তৈরি হলো যে পার্ক

    কুরআনের আলোকে তৈরি হলো যে পার্ক

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। উন্নত জীবনমান ও সৌন্দর্যের জন্য দেশটি বিখ্যাত। দেশটির প্রধান ও বিশ্বব্যাপী পরিচিত নাম দুবাই। দুবাই প্রদেশের আল-খাওয়ানিজ অঞ্চলে ৬৪ হেক্টর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে কুরআনিক গার্ডেন ‘হলি কুরআন পার্ক’। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ২৯ মার্চ এ কুরআনিক পার্কের উদ্বোধন করা হয়।

    কুরআনিক পার্ক গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির সেতুবন্ধ। কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন সৃষ্টি, উদ্ভিদ ও ঘটনার সঙ্গে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক গার্ডেন।

    park

    এ কুরআনিক গার্ডেনে রয়েছে মূল প্রবেশদ্বার, প্রশাসনিক ভবন, ইসলামিক বাগান, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, উন্মুক্ত আঙ্গিনা এবং কুরআনের অলৌকিক ঘটনার বর্ণনাসমৃদ্ধ এলাকা।

    Park

    কুরআনে বর্ণিত ঘটনার কোনো বর্ণনার চিত্রায়ন ও সাজসজ্জা বাদ যায়নি এ পার্কে। এ পার্কে রয়েছে মরুদ্যান, পাম বাগান, নয়নাভিরাম লেক, চলমান রাস্তা এবং সাইক্লিনিং ট্র্যাক ও হাঁটার রাস্তা।

    দুবাই সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ পার্কটি উদ্বোধনের দিন সব দর্শনার্থীর জন্য প্রবেশ ছিল উন্মুক্ত।

    Park

    কুরআনে বর্ণিত দারুচিনি, জলপাই, মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, গম, আদা, কুমড়া, তরমুজ, তেঁতুল, আঙ্গুর, কলা, ডুমুর, ডাল, ভুট্টা, বার্লি, শসা, আম, কাছিড়, তুঁত এবং বিভিন্ন মসলার উদ্ভিদ দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে এ কুরআনিক পার্ক।

    তাছাড়া কুরআনিক গার্ডেনে এমন কিছু উদ্ভিদের বাগান রয়েছে, যা দ্বারা ভেষজ চিকিৎসা করা যায়।

    এছাড়া রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণ দৃষ্টিনন্দন ঝরনা। গ্লাস নির্মিত স্বচ্ছ ভবন। কুরআনের বর্ণনায় একটি গুহার আবহও তৈরি করা হয়েছে।

    Park

    পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৫৪ প্রজাতির মধ্যে ৩৫টি পার্কের অভ্যন্তরে প্রদর্শিত হবে। অবশিষ্ট ১৫টি গ্রিন হাউজে প্রদর্শিত হবে এবং আরো ২০টি প্রজাতি পার্কের বাইরে প্রদর্শিত হবে।

    পার্কে একটি টানেল থাকবে, যা অলৌকিক ঘটনার অডিওসহ চিত্র তুরে ধরা হবে। পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এ কুরআনিক পার্কে। প্রকল্পটি নির্মাণে দুবাই মুদ্রায় ২৭ মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

  • বারবার আউট করছেন কোহলিকে, কে এই বোলার?

    বারবার আউট করছেন কোহলিকে, কে এই বোলার?

    বিরাট কোহলিকে বলা হয় ‘রানমেশিন’। তার মতো একজন ব্যাটসম্যানকে আউট করা যে কোনো বোলারের জন্যই স্বপ্ন। কিন্তু কোনো একজন যদি বারবার কোহলিকে আউট করেন? তবে তো ধরেই নিতে হবে বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা এই ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা ধরে ফেলেছেন সেই বোলার।

    কে সেই বোলার? আইপিএলে খেলা বিখ্যাত কেউ? না, বিখ্যাত কোনো বোলার নন। তিনি এবার সানরাইজার্স হায়দরাদের হয়ে খেলছেন, নাম সন্দীপ শর্মা। ভারতের হয়ে মাত্র ২টি টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ হয়েছে ২৫ বছর বয়সী এই পেসারের। সেই দুই ম্যাচও খেলেছিলেন ২০১৫ সালে। এরপর থেকে আর দলে সুযোগ হয়নি।

    কিন্তু বিখ্যাত না হলেও সন্দীপ কিন্তু বারবার বিপদে ফেলছেন বিখ্যাত ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে। এখন পর্যন্ত আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ককে ছয় ছয়বার আউট করেছেন ডানহাতি এই পেসার। সর্বশেষ আউট করলেন রোববার। ম্যাচে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি।

    sandeep

    সন্দীপ ছাড়া কোহলিকে এত বার আউট করেছেন মাত্র একজনই। তিনি ভারতের সাবেক পেসার আশিস নেহরা। নেহরা আবার এখন কোহলিরই দল ব্যাঙ্গালুরুর বোলিং কোচ। ড্রেসিংরুমে বসেই তিনি দেখছেন কিভাবে তার দলের সেরা ব্যাটসম্যানকে ফাঁদে ফেলছেন অখ্যাত এক বোলার।

    রোববারের ম্যাচে সপ্তম ওভারেই কোহলিকে ফিরিয়ে সানরাইজার্স শিবিরে আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করে দেন সন্দীপ। ১০ বল খেলে মাত্র ৩ রান করেই বিদায় নিতে হয় ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ককে। কিভাবে বারবার ভুল করছেন? কোহলির জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়ই!

  • ওয়ার্নার-বেয়ারেস্টর ব্যাটে জুটির রেকর্ড আইপিএলে

    ওয়ার্নার-বেয়ারেস্টর ব্যাটে জুটির রেকর্ড আইপিএলে

    হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম এমনিতেই ডেভিড ওয়ার্নারদের হোম ভেন্যু। তারওপর এই ভেন্যু যখন কোনোদিন ভাগ্য নিয়ে তাদের সামনে হাজির হয়, তাহলে কি অবস্থা হতে পারে একবার ভেবে দেখুন! তেমনই ঘটনা ঘটেছে আজ এই স্টেডিয়ামে।

    টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানালেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। কোহলির লক্ষ্য ছিল, এই মাঠের উইকেট শুরুতে কিছুটা স্লো তাকে। এই সুযোগটাই কাজে লাগাবেন তিনি।

    কিন্তু শিকার করতে গিয়ে উল্টো নিজেরাই শিকার হয়ে গেলেন কোহলি অ্যান্ড কোং। মূলতঃ হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আর জনি বেয়ারেস্টর ব্যাটিং তাণ্ডবে উড়ে গেছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সব পরিকল্পনা। শুধু তাণ্ডব চালালেও হতো, বিরাট কোহলিদের বিপক্ষে রীতিমত জুটির রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার।

    আইপিএলের ইতিহাসে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়লেন ওয়ার্নার আর বেয়ারেস্ট। ১৬.২ ওভারে যখন এই দু’জন বিচ্ছিন্ন হন, তখন হায়দরাবাদের রান ১৮৫। অর্থ্যাৎ, ওপেনিংয়েই ১৮৫ রানের বিশাল জুটি গড়ে তোলেন সানরাইজার্সের দুই ওপেনার।

    অবশেষে ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের বলে যখন জবি বেয়ারেস্ট আউট হলেন, তখন তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করছিল ১১৪ রান। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি করেন ডেভিড ওয়ার্নারও। তিনি অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে।

    আইপিএলের ইতিহাসে এর আগে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ১৮৪ রানের। ২০১৭ সালে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে গৌতম গম্ভীর আর ক্রিস লিন মিলে গড়েছিলেন ওই জুটি। এবার সেটা এক রানের জন্য ভেঙে দিলেন ওয়ার্নার আর বেয়ারেস্ট।

    তবে আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রানের জুটির রেকর্ড বিরাট কোহলি আর এবি ডি ভিলিয়ার্সের দখলে। দ্বিতীয় উইকেটে তারা গড়েছিলেন ২২৯ রানের জুটি। ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে। এই দুই ব্যাটসম্যানের আরও একটি জুটি রয়েছে ২১৫ রানের। ২০১৫ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে তারা গড়েছিল এই জুটি।

    ২০৬ রানের একটি জুটি রয়েছে অ্যাডাম গিলক্রিস্ট আর শন মার্শের। ২০১১ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে তারা এ জুটি গড়েছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে। ক্রিস গেইল আর বিরাট কোহলির ২০৪ রানের একটি জুটি গড়েন আরসিবির হয়ে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে।

  • স্লোভাকিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জুজানা

    স্লোভাকিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জুজানা

    স্লোভাকিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন জুজানা কাপুতোভা। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও পেশায় আইনজীবী জুজানা কাপুতোভা শনিবার দেশটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়েছেন।

    ৪৫ বছর বয়সী জুজানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক সোচ্চার হওয়ার কারণে ব্যাপক পরিচিতি পান। তাই রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে প্রতিপক্ষ ক্ষমতাসীন সার-এসডি দলের ঝানু রাজনীতিবিদ এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারোস সেফকোভিচকে পরাজিত করেন জুজানা।

    নির্বাচনে ৫৮ শতাংশ ভোট পান জুজানা। আর তার প্রতিপক্ষ মারোস পান ৪২ শতাংশ ভোট। স্লোভাকিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ কিস্কা পাঁচ বছর মেয়াদের প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে এবার আর দ্বিতীয়বারের মতো দাঁড়াননি।

    গত বছর ফেব্রুয়ারিতে স্লোভাকিয়ায় রাজনীতিবিদদের সঙ্গে সংঘবদ্ধ অপরাধের বিষয় নিয়ে কাজ করা এক অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও তার বাগদত্তা খুন হন। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে দেশটিতে বিক্ষোভ শুরু হলে মন্ত্রিসভায় অনাস্থা প্রকাশ করে আগাম নির্বাচনের দাবি তোলে আন্দোলনকারীরা। এরপরই নির্বাচনে দাঁড়ানোর কথা ভাবেন জুজানা কাপুতোভা।

    লিবারেল প্রোগ্রেসিভ স্লোভাকিয়া পার্টির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ান তিনি। দলটি এর আগে পার্লামেন্টে কোনও আসন পায়নি।

    উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ময়লা ফেলে জমি ভরাটের বিরুদ্ধে ১৪ বছর ধরে চলা একটি মামলায় নেতৃত্ব দিয়ে আইনজীবী হিসেবে পরিচিতি পান জুজানা। তালাকপ্রাপ্ত জুজানা দুই সন্তানের মা।

  • পরকীয়া’ বন্ধে কঠিন শাস্তি চালু করতে যাচ্ছে ব্রুনাই

    পরকীয়া’ বন্ধে কঠিন শাস্তি চালু করতে যাচ্ছে ব্রুনাই

    সমকামী ও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে (পরকীয়া) অপরাধ হিসেবে গণ্য করে এই ধরণের অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ডের মতো ভয়াবহ এক শাস্তির বিধান চালু করতে চলেছে এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ব্রুনাই। ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, সংসদে নতুন আইন পাশ করানোর পর ৩ এপ্রিল থেকেই দেশটিতে এই শাস্তি কার্যকর হচ্ছে।

    যদিও ব্রুনাইয়ের অ্যাটর্নি জেনারেলের ওয়েবসাইটে এই ঘোষণার পর থেকে যথারীতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ একাধিক মানবাধিকার সংগঠন বিরোধিতায় নেমেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, এশিয়ার বোর্নিও দ্বীপাঞ্চলে একটি ছোট্ট রাষ্ট্র ব্রুনাই। দেশটিতে ২০১৪ সাল থেকে শরিয়াহ আইন চালু হয়। প্রতিবেশী মুসলিম দেশে ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার প্রভাবে ব্রুনাই শরিয়াহ আইন চালু করে। তবে ওই দুই দেশের তুলনায় তেল-সমৃদ্ধ এই ছোট্ট দেশটি অনেক বেশি ধর্মীয় গোঁড়ামি বলে পরিচিত। নামে প্রধানমন্ত্রী থাকলেও, আইন সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন সেখানকার সুলতান পদমর্যাদার ব্যক্তিই।

    খবরে বলা হয়, মুসলিম অধ্যুষিত ব্রুনাইয়ে একাধিক বিষয়ে তারা অনেক ক্ষেত্রেই কড়া শাস্তির আইন চালু করেছে। মদ বিক্রি থেকে মদ্যপান সবটাই নিষিদ্ধ সেখানে। সাম্প্রতিক আইনটি অর্থাৎ সমকামী অথবা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের শাস্তি হিসেবে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলার দণ্ড সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে করছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    এদিকে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে ব্রুনাইয়ের গবেষক ব়্যাচেল চো হাওয়ার্ড বলছেন, ‘ব্রুনেই প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে এই ভয়ংকর আইন পাশ হওয়া স্থগিত করা। দণ্ডবিধি করতে হবে মানবাধিকার লঙ্ঘন না করে। কিন্তু তা মানছে না এই দেশটি। আন্তর্জাতিক মহল এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।’ যদিও এসব কথা বিশেষ কানে তুলছেন না ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসান-অল-বলকিয়া। তাঁর কথায়, ‘আমাদের এই আইনকে কেউ সমর্থন করতে পারে, বা না-ই পারে। কিন্ত আমি নিশ্চিত, অন্যরা আমাদের যেভাবে শ্রদ্ধা করে, সেই শ্রদ্ধা অটুটই থাকবে। এতে আমাদের নিয়ে ধারণা কারও বদলে যাবে না।

  • আলিয়া এখনো খুবই ছোট

    আলিয়া এখনো খুবই ছোট

    ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের পর থেকে চারদিকে শুধু আলিয়া ভাটেরই নাম। কারণ অবশ্য শুধু পুরস্কারই পাওয়াই নয়, ফিল্ম ফেয়ারের মঞ্চে রণবীরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলার পরে আলিয়া ভাটকে ট্রোলিং তালিকায় দেখা গেছে। ভক্তরা সকলেই জানতে চান, আলিয়া এবং রণবীর কাপুরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

    স্বাভাবিকভাবেই বারবার বিভিন্ন ইন্টারভিউতে এই প্রশ্ন তাদের করা হয়। এবার অবশ্য আলিয়া বা রণবীর নয়, বরং আলিয়ার মা সোনি রাজদান এই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন (Soni Razdan On Alia Bhatt And Ranbir Kapoor’s Wedding Rumours)।

    আলিয়ার বিয়ের প্রশ্নে বলেন, আলিয়ার ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে তিনি কথা বলবেন না। বরং আলিয়াকে এটুকুই বলবেন যে জীবনের একটা বড় সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তিনি যেন খুবই সাবধান হয়ে বিবেচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেন।

    সোনি বলেন, আলিয়া এখনো খুবই ছোট। ও খুবই কম বয়সে কাজ করা শুরু করেছে। এখনো পর্যন্ত ও যতটা অর্জন করেছে মা হিসেবে আমি খুবই খুশি তাতে। আমি চাই ও ভালো থাক। কিন্তু একই সঙ্গে আমি ওকে সাবধান করি জীবনের কোনও সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আরও একটু বিবেচনাবোধ প্রয়োজন। যদি তোমার মনে হয় যে এমন মানুষকে আমি খুঁজে পেয়েছি, যার সঙ্গে জীবন কাটাব, তাকে বিয়ে করাই উচিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সেটা এখনই করতে হবে। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে খুবই সাবধান হওয়া উচিত।

    সোনি রাজদান নিজের নতুন সিনেমা ‘নো ফাদার্স ইন কাশ্মীর’-এর প্রচারে এসে এ কথা বলেন।

    তবে সোনি আরও বলেছেন, মা হিসেবে আমি এটুকুই বলবো যে আলিয়ার ব্যক্তিগত জীবনটা একেবারেই ওর ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। আমার আশীর্বাদ ভালোবাসা সব সময় ওর সঙ্গে রয়েছে। কিন্তু আমি চাই ও নিজের জীবন নিজের শর্তেই বাঁচুক।

  • বেয়ারেস্টর ঝড়ো ব্যাটিং, ৫২ বলে সেঞ্চুরি

    বেয়ারেস্টর ঝড়ো ব্যাটিং, ৫২ বলে সেঞ্চুরি

    বিরাট কোহলি কি এখন রাগে-ক্ষোভে, দুঃখে মাথার চুল ছিড়তে শুরু করে দিয়েছেন? টিভিতে চোখ রাখলে নিশ্চিত তার গোমড়া মুখ দেখতে পাবেন। হয়তো মনে মনে ভাবছেন, কেন যে টস জিতেও প্রথমে ব্যাটিং নিলাম না? কেন যে হায়দরাবাদের উইকেটকে স্লো ভাবতে গেলাম?

    বিরাট কোহলিকে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে ঝড়ো ব্যাটিং করে গেলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার জনি বেয়ারেস্ট এবং ডেভিড ওয়ার্নার। একজন ইংল্যান্ডের, অপরজন অস্ট্রেলিয়ার। এই ইংলিশ-অসি সম্মিলনে রাজীকব গান্ধী স্টেডিয়ামের ওপেনিং জুটিতেই স্কোরবোর্ডে উঠেছে ১৮৫ রান।

    ১৮৫? বিশাল এক ওপেনিং জুটি! আইপিএলের ইতিহাসে রেকর্ডই তৈরি করে ফেলেছেন ওয়ার্নার আর বেয়ারেস্ট। ওপেনিং জুটিতে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ড। এর আগে গৌতম গম্ভীর আর ক্রিস লিন মিলে ওপেনিং জুটিতে ১৮৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়েছিলেন ২০১৭ সালে। এবার সেটা এক রানের জন্য ভেঙে দিলেন ওয়ার্নার আর বেয়ারেস্ট।

    সে সঙ্গে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে অসাধারণ এক সেঞ্চুরি উপহার দিলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারেস্ট। মাত্র ৫২ বলে সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান সানরাইজার্সের এই ওপেনার। সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছাতে ১২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৫টি ছক্কার মার মারেন তিনি।

    শেষ পর্যন্ত জনি বেয়ারেস্ট আউট জয়েছেন ১১৪ রান করে। ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের বলে উমেষ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ৫৬ বল খেলে আর একটিমাত্র ছক্কা যোগ করেছেন তিনি। অর্থ্যাৎ, ১২ বাউন্ডারির সঙ্গে ৭ ছক্কা। আইপিএলে জনি বেয়ারেস্টর এটাই প্রথম সেঞ্চুরি। তার সেঞ্চুরির কল্যাণে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ মাত্র ১৭.২ ওভারেই পৌঁছে যায় ২০০ রানের ঘরে।

  • আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশালের সোহেল নিহত

    আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশালের সোহেল নিহত

    আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি ইলেট্রা স্ট্রিট গাড়ির পার্কিংয়ে কর্মরত অবস্থায় সোহেল নামের এক যুবকের মোটরসাইকেলের পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে ধাক্কা দিলে সে নিচে পরে যায়।

    পথচারীরা তাকে আবুধাবির শেখ খলিফা হাসপাতালে নিলে দেড়ঘন্টা পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বৃহস্পতিবার (গত ২৮ মার্চ) এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    ২০০৬ সাল থেকে আবুধাবির কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন সোহেল। বরিশাল জেলার মেহেদিগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা গ্রামের ছেলে সে। স্ত্রী, তিন বছর দশ মাসের এক কন্যা সন্তান, প্যারালাইজড বাবা আর দুই বোন, পুরো পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন।

    তার লাশ আবুধাবি শেখ খলিফা হাসপাতালে রয়েছে বলে জানা গেছে।