Category: আন্তর্জাতিক

  • রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব মিয়ানমারকেই নিতে হবে: যুক্তরাষ্ট্র

    রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব মিয়ানমারকেই নিতে হবে: যুক্তরাষ্ট্র

    রাখাইন থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে যে কোন ধরণের ভয়ভীতি ও নিপীড়ন ছাড়াই নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব মিয়ানমারকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও।

    তিনি বলেন, উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়া মিয়ানমার সরকার ও সেনা বাহিনীর দায়িত্ব।

    সোমবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মাইক পম্পেও’র সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের বৈঠককালে তিনি একথা বলেন।

    বৈঠককালে পম্পেও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজে বের করতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গাদের অস্থায়ীভাবে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    মোমেন জানান, বাংলাদেশ নিজ ব্যয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও এইড গ্রুপগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এক লাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের পরিকল্পনায় ভাষানচর দ্বীপ বাসযোগ্য করেছে।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যু, বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত আনা, অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশ এবং বহুমুখী খাতে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশিদারিত্ব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

    বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত আনার ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। এটা সন্ত্রাস ও চরমপন্থা প্রতিরোধ এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে দু’দেশের মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    উভয় নেতা একমত পোষণ করেন যে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অধিকতর উন্নয়নে আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে জ্বালানি ও অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যে এ অঞ্চলের নেতৃবৃন্দকে সুশাসন, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ব্যাপারে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    বাংলাদেশ তার অসাধারণ উন্নয়নের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত এ কথা উল্লেখ করে মোমেন তেল ও গ্যাস খাতে ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) আসন্ন নির্বাচনে ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কামনা করেন।

    পরে বাংলাদেশের সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি এ্যাডভাইজার চার্লস কুপারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বৈঠকগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

  • শাহরুখ নয়, নির্মাতাদের পছন্দ রণবীরকে!

    শাহরুখ নয়, নির্মাতাদের পছন্দ রণবীরকে!

    ২৮ বছরের পুরনো কিংবদন্তী ছবি ‘ডন’। আর সেই ডনের নতুন রূপ দিয়েছিলেন বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান। ২০০৬ সালে ফারহান আখতারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি এনেছিলেন ডনের রিমেক। দুটি ছবিতে ডন শাহরুখ পেয়েছিল বিপুল সাফল্য। এবার পাইপলাইনে ডন থ্রি। তবে, শোনা যাচ্ছ ডন থ্রি-তে আর পাওয়া যাবে না কিং খানকে। তার জায়গায় নতুন ডন হতে চলেছেন রণবীর সিং।

    সর্বভারতীয় এক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ডন থ্রি-থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন শাহরুখ। এরপরই উঠে আসছে রণবীর সিং-এর নাম। অনেক চিত্র নির্মাতাই শাহরুখের জায়গায় রণবীরকেই দেখতে চাইছেন।

    পদ্মাবত, সিমবা ও গল্লি বয় – পরপর সাফল্যের পর এখন নির্মাতাদের কাছে এই চরিত্রটির জন্য হট ফেভারিট দীপিকা পাড়ুকোনের হাবি। নানা ছবিতে তিনি তার অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। বিভিন্ন চরিত্রে বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও তা সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তোলা তাকে আরও জনপ্রিয় করেছে। যদিও তিনিই পরবর্তী ডন হচ্ছে কি না, এ ব্যাপারে এখনও অফিসিয়ালি কোনও ঘোষণা হয়নি।

    জিরো বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার পর এখনও কোনও ছবিতে হাত দেননি শাহরুখ। তিনি ভালো স্ক্রিপ্টের অপেক্ষায় রয়েছেন।

  • লিবিয়ায় ক্ষমতার চাবিকাঠি এখন খালিফা হাফতার হাতে

    লিবিয়ায় ক্ষমতার চাবিকাঠি এখন খালিফা হাফতার হাতে

    খালিফা হাফতার গত চার দশক ধরেই লিবিয়ার রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এই চার দশকে তার অনেক উত্থান-পতন হয়েছে।

    কখনো তিনি ছিলেন লিবিয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রের কাছাকাছি খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কখনো তাকে ক্ষমতা থেকে দূরে সরে যেতে হয়েছে। পরে আবার তার প্রত্যাবর্তন ঘটেছে ক্ষমতার কেন্দ্রে।

    খালিফা হাফতারের অধীনে থাকা বাহিনী এখন লিবিয়ার প্রধান তেল টার্মিনালগুলোর দখল নিয়েছে। এর ফলে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর টবরুকের পার্লামেন্টের হাতে (এই পার্লামেন্টকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সমাজ) দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ।

    ১৯৪৩ সালে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর আজডাবিয়ায় খালিফা হাফতারের জন্ম। ১৯৬৯ সালে কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে সেনা কর্মকর্তারা রাজা ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যূত করে ক্ষমতা দখল করেন, তিনি ছিলেন তাদের একজন।

    পতন এবং নির্বাসন
    গাদ্দাফির শাসনামলে খালিফা হাফতার বেশ দ্রুত উপরে দিকে উঠে যান। ১৯৮০র দশকে লিবিয়ার বাহিনী যখন প্রতিবেশী দেশ চাডে সংঘাতে লিপ্ত, তখন তাকে সেই লড়াইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।

    তবে এটিই খালিফা হাফতারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ ফ্রান্সের সমর্থনপুষ্ট চাডিয়ান বাহিনীর হাতে তার বাহিনী পরাজিত হয়। খালিফা হাফতার এবং তার বাহিনীর ৩০০ জন সৈন্য ১৯৮৭ সালে চাডিয়ায় বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।

    লিবিয়া যে চাডে যুদ্ধ করতে বাহিনী পাঠিয়েছে, গাদ্দাফি বরাবরই তা অস্বীকার করছিলেন। কাজেই যখন খালিফা হাফতার এবং তার বাহিনী চাডের সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন, গাদ্দাফি তাদের দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানালেন।

    এটি খালিফা হাফতারকে সাংঘাতিক বিক্ষুব্ধ করলো। পরবর্তী দুই দশক ধরে তার প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়ালো কিভাবে গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যূত করা যায়, সেই চেষ্টা করা।

    সেসময় খালিফা হাফতার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। সেখান থেকেই চলছিল তার গাদ্দাফি-বিরোধী তৎপরতা।

    তিনি থাকতেন সিআইএ’র সদর দফতরের খুব কাছে। তার সঙ্গে সিআইএ’র বেশ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেই মনে করা হয়। গাদ্দাফিকে হত্যার বেশ কয়েকটি চেষ্টায় সিআইএ তাকে সমর্থন দেয়।

    নির্বাসন থেকে দেশে ফেরা
    ২০১১ সালে লিবিয়ায় গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান শুরু হয়। খালিফা হাফতার এসময় দেশে ফিরে আসেন। লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী বাহিনীর অন্যতম অধিনায়ক ছিলেন তিনি।

    তবে গাদ্দাফির পতনের পর ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাফতারের কথা আর তেমন শোনা যায়নি।

    ২০১৪ সালে হঠাৎ আবার খালিফা হাফতারকে দেখা গেল টেলিভিশনে। সেখানে তিনি তার ভাষায়, জাতিকে রক্ষার এক পরিকল্পনা হাজির করলেন এবং নির্বাচিত পার্লামেন্টের বিরুদ্ধে জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানালেন।

    তখনও পর্যন্ত জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস (জিএনসি) নামে পরিচিত লিবিয়ার পার্লামেন্ট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

    খালিফা হাফতার এমন এক সময় এই নাটকীয় ঘোষণা দেন, যখন কীনা লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজি এবং পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য শহর কার্যত আল কায়েদার সহযোগী একটি সংগঠন ‘আনসার আল শরিয়া’ এবং অন্যান্য জঙ্গি ইসলামী সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে। তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল জুড়ে তখন সামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করছে, বোমা হামলা চালাচ্ছে।

    খালিফা হাফতার যে পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছিলেন, সেটি কাজে পরিণত করার মতো যথেষ্ট সমর্থন তার ছিল না। তিনি আসলে তখন লিবিয়ায় যে ব্যাপক জন-অসন্তোষ সেটিরই প্রতিধ্বনি করার চেষ্টা করছিলেন। বিশেষ করে বেনগাজিতে, যেখানে জেনারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছিল। কারণ তারা জঙ্গি ইসলামী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছিল না।

    খালিফা হাফতার নিজের এলাকায় জনপ্রিয় হলেও, লিবিয়ার অন্য অঞ্চলে তার তেমন সমর্থন ছিল না। বরং গাদ্দাফির সঙ্গে যে তার একসময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং তিনি যে আসলে যুক্তরাষ্ট্রের লোক, সেটাই লোকে মনে রেখেছিল।

    অন্যদিকে, ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোও খালিফা হাফতারকে পছন্দ করতো না। কারণ তিনি এদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।

    অপারেশন ডিগনিটি
    ২০১৪ সালের মে মাসে খালিফা হাফতার বেনগাজি এবং লিবিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন। তার এই অভিযানের নাম দেয়া হয় অপারেশন ডিগনিটি।

    ২০১৫ সালের মার্চ মাসে লিবিয়ার নির্বাচিত পার্লামেন্ট হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ, যা কীনা জেনারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের জায়গা নিয়েছিল, তারা খালিফা হাফতারকে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির অধিনায়ক নিযুক্ত করে।

    প্রায় এক বছর ধরে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে বেনগাজির ইসলামী জঙ্গিদের লড়াই চলে। শুরুতে লড়াইয়ে তারা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। তবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা বেনগাজির বেশিরভাগ এলাকা থেকে জঙ্গিদের তাড়িয়ে দেয়।

    ২০১৬ সালের মে মাসে তারা আরও সাফল্য পায়। ইসলামী জঙ্গিদের তারা এবার শুধু বেনগাজির উপকন্ঠ নয়, ২৫০ কিলোমিটার পূর্বের ডারনা শহর পর্যন্ত হটিয়ে দেয়।

    অপারেশন সুইফট থান্ডার
    ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে অপারেশন সুইফট থান্ডার শুরু করে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি। উদ্দেশ্য ছিল লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোর দখল নেয়া।

    তখন পর্যন্ত এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতো ‘পেট্রোলিয়াম ফ্যাসিলিটিজ গার্ড’ নামের একটি বাহিনী। এই সশস্ত্র বাহিনী ছিল জাতিসংঘের সালিশে গঠিত ‘গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একর্ড’ বা জিএনএ’র অনুগত। লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সব তেল টার্মিনাল এদের কাছ থেকে কেড়ে নেয় হাফতারের নেতৃত্বে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি। এর স্বীকৃতি হিসেবে খালিফা হাফতারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল থেকে পদোন্নতি দিয়ে ফিল্ড মার্শাল করা হয়।

    তবে খালিফা হাফতার নাকি জিএনএ’র কাজ-কর্মে অখুশি ছিলেন। কারণ এই সরকার প্রতিরক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিল ইব্রাহিম আল বারগাতি বলে এক অফিসারকে।

    মিসরাটা ভিত্তিক যে মিলিশিয়া বাহিনী, তাদের ওপর খুব বেশি নির্ভর করতো জিএনএ। এই মিলিশিয়াদের সঙ্গে নাকি আবার ইসলামী জঙ্গিদের সম্পর্ক ছিল। এনিয়েও অখুশি ছিলেন খালিফা হাফতার।

    ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে লিবিয়ায় একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের জন্য চুক্তি হয়। তাতে বলা হয়েছিল, হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ বা পার্লামেন্ট নতুন সরকার গঠিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এটিকে অনুমোদন দেবে। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা করেও কোরামের অভাবে এই পার্লামেন্টের কোন অধিবেশন শুরু করা যায়নি।

    গণমাধ্যমের খবরে তখন এজন্যে দোষারোপ করা হচ্ছিল খালিফা হাফতারকে। তিনি নাকি তার অনুগত পার্লামেন্ট সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছিলেন পার্লামেন্টে না যেতে, যাতে করে নতুন মন্ত্রিসভা এই পার্লামেন্টের অনুমোদন না পায়।

    খালিফা হাফতার অবশ্য বলছিলেন, তিনি পার্লামেন্টের যে কোন সিদ্ধান্ত মেনে চলবেন।

    নিজের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে খালিফা হাফতার খুব খোলামেলাভাবে কখনো কিছু বলেননি। তবে ধারণা করা হয়, তিনি নতুন জাতীয় ঐক্যের সেনাবাহিনীতে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখতে চান। সূত্র: বিবিসি

  • এক সপ্তাহ পর বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

    এক সপ্তাহ পর বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

    এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ভারত। কি টেস্ট, কি ওয়ানডে আর কি টি-টোয়েন্টি- প্রতিটি ফরম্যাটেই দাপটের সঙ্গে খেলে যাচ্ছে ভারতীয় দল। ওয়ানডে ক্রিকেটেও ভারত দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির দল কেমন হবে- তা নিয়েই সবার আগ্রহ।

    অবশেষে সেই আগ্রহের অবসান হতে যাচ্ছে। আর মাত্র এক সপ্তাহ পরই, ১৫ এপ্রিলই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটির কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিওএ) বিশ্বকাপের দল ঘোষণার সূচি জানিয়েছে আজ।

    ভারতের চলমান আইপিএল শেষ হলেই ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হবে ক্রিকেট বিশ্বকাপের মেগা আসর। ৩০মে থেকে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে শুরু হচ্ছে ২০১৯-এর ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ভারত থেকে মিশন ইংল্যান্ডের বিমানে কারা থাকছেন, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা এখন তুঙ্গে। সেই আলোচনা শেষ হওয়ার আর মাত্র কয়েক দিন।

    সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্র জানাচ্ছে, ১৫ এপ্রিল মুম্বইয়ে বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলের ১৫ সদস্যের নাম ঘোষণা করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসি নির্ধারিত বিশ্বকাপের দল ঘোষণার শেষ দিন ২৩ এপ্রিল। নির্ধারিত দিনের ৮ দিন আগেই নিজেদের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই। এখনও পর্যন্ত গত বিশ্বকাপের রানার্স দল নিউজিল্যান্ড মিশন ইংল্যান্ডের জন্য নিজেদের দল ঘোষণা করেছে।

    ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বকাপের জন্য যে ১৫ জন ক্রিকেটারকে ভারতীয় দলে রাখা হবে, আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সেই ক্রিকেটারদের বিশ্রামে রাখা হবে।

    বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলে কারা কারা থাকছেন সেটা মোটামুটি নিশ্চিত। নিশ্চিত করেই বলা যায়, ১২-১৩ জনের নাম, যারা থাকছেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। বাকি ২-৩টি জায়গায় কে থাকবে না থাকবে- সেটাই হয়তো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক করা হবে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে কারা থাকছে ভারতীয় দলে
    শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), আম্বাতি রাইডু, মহেন্দ্র সিং ধোনি (উইকেটরক্ষক), কেদার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ শামি, জসপ্রিত বুমরাহ, ভুবনেশ্বর কুমার, ইউযুবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব।

    বাকি তিনটি জায়গায় কাকে নেয়া হবে, তা নিয়েই জ্বল্পনা-কল্পনা। কয়েকটি বিষয় ভাবা হচ্ছে। সেগুলো হচ্ছে, ১) দলের দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পাবেন কে? অভিজ্ঞতায় এগিয়ে দিনেশ কার্তিই এগিয়ে। আবার অনেকেই তরুণ রিশাভ পান্তকে ধরে রেখেছেন।

    ২) চার নম্বর ব্যাটসম্যান কে? ভারতীয় দলে এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। আম্বাতি রাইডু ফর্মের ধারে কাছেও নেই। লোকেশ লোকেশ রাহুল ধারাবাহিক নন! আজিঙ্কা রাহানে নাম আলোচনায় থাকলেও আইপিএলে বাজে ফর্ম তাকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে না। বিকল্প রিশাভ পান্ত হলেও চিন্তার ভাজ থাকছে। কারণ তিনি এখনও পরিণত নন।

    ৩) দ্বিতীয় অল-রাউন্ডার কে? এই জায়গায় দলে ঢোকার জন্য পা বাড়িয়ে রেখেছেন বিজয় শংকর। চার নম্বরে ফাটকা হিসেবে তাকেও খেলিয়ে দিতে পারেন বিরাট কোহলি।

    ৪) দলের চতুর্থ পেসার কবেন কে হবেন? উমেশ যাদবকে চতুর্থ পেসার হিসেবে ভাবা হচ্ছে। বিকল্প রয়েছেন খলিল আহমেদও। আলোচনায় রয়েছেন সিদ্ধার্থ কউলও।

  • তবু সাকিবকে নেয়নি হায়দরাবাদ, বোলিংয়ে গেইলের পাঞ্জাব

    তবু সাকিবকে নেয়নি হায়দরাবাদ, বোলিংয়ে গেইলের পাঞ্জাব

    আগের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বড়সড় বিপর্যয়ে পড়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একশর নিচে অলআউট হয়ে তারা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে হেরেছিল বড় ব্যবধানে। তারপরও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে একাদশে ফেরায়নি ভুবনেশ্বর কুমারের দল।

    মোহালিতে ঘরের মাঠে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ৫ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার ছয় নাম্বার অবস্থানে।

    অপরদিকে ৫ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদও ৩টি জয়ই (৬ পয়েন্ট) পেয়েছে। তবে রানরেটে এগিয়ে থাকায় তারা আছে পয়েন্ট তালিকার তিন নাম্বার অবস্থানে।

    পাঞ্জাব একাদশ : লোকেশ রাহুল, ক্রিস গেইল, মায়াঙ্ক আগারওয়েল, সরফরাজ খান, ডেভিড মিলার, মানদ্বীপ সিং, স্যাম কুরান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন (অধিনায়ক), অঙ্কিত রাজপুত, মোহাম্মদ শামি, মুজিব উর রহমান।

    হায়দরাবাদ একাদশ : ডেভিড ওয়ার্নার, জনি বেয়ারস্টো, বিজয় শঙ্কর, মনিশ পান্ডে, ইউসুফ পাঠান, দীপক হুদা, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, ভুবনেশ্বর কুমার (অধিনায়ক), সন্দীপ শর্মা, সিদ্ধার্থ কাউল।

  • মোদি প্রধানমন্ত্রী থাকলে ভারতের স্বাধীনতা থাকবে না: মমতা

    মোদি প্রধানমন্ত্রী থাকলে ভারতের স্বাধীনতা থাকবে না: মমতা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে কবর দেয়ার ডাক দিয়েছেন। গতকাল শনিবার আলিপুরদুয়ারের কালচিনিতে ভাষণ দেয়ার সময় মমতা এ মন্তব্য করেন।

    তিনি এদিন বারোবিশাতেও এক জনসভায় বিজেপির তীব্র সমালোচনা করেন।বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে মমতা বলেন, এই দলটা দেশেরও নয়, দশেরও নয়। মানুষের নয়, মা-বোনেরও নয়। তারা কারও নয়। আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের বাংলা ভালোবাসি।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা নেপালি ভাষা, হিন্দি ভাষা, কুরুক ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। আমরা সংখ্যালঘুদের জন্য কাজ করি, তপসিলি, উপজাতিসহ প্রত্যেকের জন্য কাজ করি। এজন্য আপনাদের আশীর্বাদ ও শুভকামনা প্রয়োজন। বিজেপিকে হটিয়ে দিন। তারা আসলে দেশকে বিক্রি করে দেবে।তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা আরও বলেন, বিজেপিকে চাই না। আপনারা তৃণমূলকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনুন।

    দিল্লি জয় করবে তৃণমূল। দিল্লিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল সরকার গড়বে। আপনাদের দেয়া ভোট দিল্লিতে সরকার গড়তে সাহায্য করবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, তিনি মিথ্যা কথা খুব জোরের সঙ্গে বলেন। আর বলেন, আমার ৫৬ ইঞ্চি ছাতি! তিনি ৫৬ ইঞ্চি ছাতি নিয়ে ৫৬০ ইঞ্চি মিথ্যা কথা বলেন। রাবণের ছাতিও তো অনেক বড় ছিল! তার যদি ৫৬ ইঞ্চি হয় তাহলে রাবণের ছাতি ছিল ৫৬০ ইঞ্চি। কিন্তু রাবণকে কী মানুষ পছন্দ করে? পছন্দ করে না।   এই প্রধানমন্ত্রী থাকলে দেশের স্বাধীনতা থাকবে না। আম্বেদকর রচিত সংবিধান থাকবে না। সব শেষ হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন মমতা।

  • আইপিএলে ক্যারিবীয় ছাড়া দলগুলোর চলে না

    আইপিএলে ক্যারিবীয় ছাড়া দলগুলোর চলে না

    শুধু আইপিএল নয়; বিপিএল থেকে শুরু করে পিএসএল, সিপিএল থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ লিগ, বিশ্বের সব টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে ক্যারিবীয় তারকাদের নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। টি-টোয়েন্টি মানেই ধুমধাড়াক্কা ক্রিকেট, মাঠে ঝড় তোলার জন্য বর্তমানে ক্যারিবীয়দের বিকল্প খুব কমই আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দলগুলো তাই চেষ্টা করে নিজেদের শিবিরে অন্তত একজন ক্যারিবীয় হলেও রাখতে। আইপিএলের দলগুলোও এর ব্যতিক্রম নয়। আর ক্যারিবীয়দের ওপর ভর করে এই মৌসুমে আইপিএলের দলগুলোও উতরে যাচ্ছে।

    এক হায়দরাবাদ ছাড়া প্রতিটি দলেই কোনো না কোনো উইন্ডিজ তারকা রয়েছেন। কলকাতায় আছেন আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন ও কার্লোস ব্রাফেট। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসে আছেন ডোয়াইন ব্রাভো। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস থেকে দিল্লি ক্যাপিটালস হওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিটি দলে রেখেছে কিমো পল ও শেরফানে রাদারফোর্ডকে। পাঞ্জাবে আছেন ক্রিস গেইল ও নিকোলাস পুরান। মুম্বাই আলো করে আছেন কাইরন পোলার্ড, আলজারি জোসেফ ও এভিন লুইস। রাজস্থান এনেছে ওশানে থমাসকে। বেঙ্গালুরুতে আছেন শিমরন হেটমায়ার। মোটামুটি প্রতিটি দলের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে এসব ক্যারিবীয় তারকার পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে।

    এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ কলকাতা নাইট রাইডার্স। আন্দ্রে রাসেল ছাড়া এবার কলকাতায় তেমন জনপ্রিয় কোনো বিদেশি তারকা নেই। ফলে, রাসেলের কাঁধেই পড়েছে এই কলকাতাকে টেনে তোলার দায়িত্ব। কী অসাধারণভাবেই না সেই দায়িত্ব পালন করছেন তিনি! এ পর্যন্ত চারটা ম্যাচ খেলেছে কলকাতা। চার ম্যাচেই ঝলসে উঠেছে রাসেলের ব্যাট। এই চার ম্যাচে রাসেল ৫টি উইকেট পেয়েছেন। কিন্তু ওসব মনে রাখার সুযোগ নেই।

    ব্যাটিং দেখুন—প্রথম ম্যাচে করলেন ১৯ বলে ৪৯। যে কারণে হারল সানরাইজার্স। পরের ম্যাচে পাঞ্জাবের বিপক্ষে আগে ব্যাট করা কলকাতা দুই শ টপকে যায় রাসেলের ১৭ বলে ৪৮-এর তোড়ে। যথারীতি কলকাতা ম্যাচটি জিতেছে। এরপর প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস। তাদের বিপক্ষে রাসেল কয়েকটি বল বেশি খেলতে পেরেছিলেন। মানে ২০ বলের ওপাশে—২৮। রানসংখ্যাও ষাটের ওপাশে—৬২। কলকাতার দুর্ভাগ্য সুপার ওভারে গিয়ে ম্যাচটা জিততে পারেনি। ওপেন করতে নেমে সুনীল নারাইনও মাঝে এক ম্যাচে ঝড় তুলেছিলেন। সঙ্গে তাঁর কার্যকর স্পিন বোলিং তো আছেই। এবার চোট বেশ যন্ত্রণা দিচ্ছে নারাইনকে, না হয় রাসেলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নারাইনও ঘাম ছুটিয়ে দিতেন প্রতিপক্ষ বোলারদের!

    মুম্বাইকে দেখুন। কাল ফর্মে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে তারা পয়েন্ট তালিকার চারে উঠে এসেছে। হায়দরাবাদ যেমন ফর্মে ছিল, মুম্বাই কালকে হারতেই পারত। আর হারলে আইপিএল স্বপ্ন অনেকটাই ফিকে হয়ে যেত দলটির। কিন্তু ফিকে হতে দেননি আলজারি জোসেফ। কিউই পেসার অ্যাডাম মিলনের বিকল্প হিসেবে শেষ মুহূর্তে দলে আসা অ্যান্টিগার এই তরুণ কাল আইপিএল অভিষেকেই বাজিমাত করেছেন। আইপিএলের সেরা বোলিং ফিগার এখন জোসেফের। ৩.৪ ওভার বল করে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে মুম্বাইয়ের শিরোপাস্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন এই ক্যারিবিয়ান।

    জোসেফের আগে মুম্বাইকে ভালো সংগ্রহ এনে দিয়েছেন আরেক ক্যারিবীয় তারকা পোলার্ড। ২৬ বলে ৪৬ রান করে মুম্বাইকে এনে দিয়েছেন ভদ্রস্থ সংগ্রহ। বলা যায়, পোলার্ড-জোসেফে ভর করেই এখনো টিকে আছে মুম্বাই। ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে চেন্নাইয়ের আস্থার ভালো প্রতিদান দিচ্ছেন ডোয়াইন ব্রাভোও। আর ক্রিস গেইলকে নিয়ে তো নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রথম ম্যাচে ৪৭ বলে ৭৯ করে রাজস্থানের বিপক্ষে পাঞ্জাবকে জেতাতে সাহায্য করেছেন ‘ইউনিভার্স বস’।

    মোট কথা, এখন পর্যন্ত আইপিএলের সবচেয়ে বড় তারকা যে ক্যারিবীয়রা, তা বলা যেতেই পারে।

  • দিল্লিকে ১৫০ রানের লক্ষ্য দিলো কোহলির ব্যাঙ্গালুরু

    দিল্লিকে ১৫০ রানের লক্ষ্য দিলো কোহলির ব্যাঙ্গালুরু

    একটি মাত্র জয়ের আশায় মাথা কুটে মরতে হচ্ছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সমর্থকদের। কিন্তু ‘জয়’ নামক সেই সোনার হরিণটারই দেখা মিলছে না বিরাট কোহলিদের কপালে। বিগ বাজেটের টিম তৈরি করে নিশ্চিত এখন হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে ব্যাঙ্গালুরুর মালিক।

    আগের ৫ ম্যাচে টানা হারের পর ৬ষ্ঠ ম্যাচ কোহলিরা খেলতে নেমেছে জয়ের প্রত্যাশা নিয়েই। প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজেদের মাঠ এম চিন্নাস্বামীতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে খুব বড় স্কোর গড়তে পারেনি বিরাট কোহলি অ্যান্ড কোং। দিল্লিকে জয়ের জন্য মাত্র ১৫০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে তারা।

    আগের ম্যাচে ২০৫ রান করেও হারতে হয়েছিল ব্যাঙ্গালুরুকে। এবার তো তারা করলো মাত্র ১৪৯ রান। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মাত্র ৯ রান করে বিদায় নেন পার্থিব প্যাটেল। এরপর বিরাট কোহলি আর এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটে ঝড় ওঠার সম্ভাবনা ছিল।

    কিন্তু ১৭ রান করে কাগিসো রাবাদার বলে বিদায় নিতে বাধ্য হন ডি ভিলিয়ার্স। মার্কাস স্টোইনিজ আউট হন ১৫ রান করে। বিরাট কোহলি সর্বোচ্চ ৪১ এবং মঈন আলি করেন ৩২ রান। এই দু’জন কিছুটা দাঁড়াতে না পারলে আজও লজ্জায় পড়তে হতো কোহলির দলকে।

    শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। দিল্লির দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার কাগিসো রাবাদা ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২ উইকেট নেন ক্রিস মরিস।

  • আরভি বেঙ্গল গঙ্গা’ ফতুল্লায়, আরও ক্রুজ বাড়ানোর চিন্তা

    আরভি বেঙ্গল গঙ্গা’ ফতুল্লায়, আরও ক্রুজ বাড়ানোর চিন্তা

    ভারতের কলকাতা থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ ‘আরভি বেঙ্গল গঙ্গা’ শনিবার বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ফতুল্লার পাগলা মেরি এন্ডারসনে সফল যাত্রা বিরতি করেছে। এ সময় সেখানে ভারত থেকে আসা পর্যটকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এর আগে ২৯ মার্চ, ৬১ জন পর্যটকসহ ১৩৭ জনের প্রথম বহর নিয়ে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা যায় এমবি মধুমতি। পাগলায় মেরি এন্ডারসনের ভিআইপি ঘাট থেকে ওই জাহাজ ছেড়ে ৩১ মার্চ দুপুরে কলকাতা পৌঁছায়।

    দুই দেশের মধ্যে সফল এ নৌ-যোগাযোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সন্ধ্যায় পাগলা মেরি এন্ডারসনে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশ থেকে কলকাতা ও কলকাতা থেকে বাংলাদেশ- দুটি জাহাজই কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়া চলাচল করছে। আমরা এতে সন্তুষ্ট। আগামীতে আরও অত্যাধুনিক ক্রুজ যাতে সম্পৃক্ত হয়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হবে।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, পরীক্ষামূলক জাহাজ চলাচলে আমরা সফল হয়েছি। এবার বাণিজ্যিকভাবে দুই দেশে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    khalid

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে নৌ-পথে ক্রুজ সার্ভিস চালু হওয়ার পর সেই সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। নৌ-পথে যাত্রা একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। ভালো একটি সূচনা হয়েছে ভ্রমণের।

    ‘অনেকেই এখন এসব ক্রুজ যাত্রা পছন্দ করেন। তারা ভারতে যাতায়াত করবেন। এটাকে আমাদের নিয়মিত করতে হবে। ইতোমধ্যে ভিসা প্রদানও বেশ সহজ হয়েছে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    মেরি এন্ডারসনে আসা ভারতের জাহাজটিতে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়ার ছয়জন পর্যটকসহ ১৯ যাত্রী ও ৩০ জন ক্রু ছিল। এর মধ্যে ছিলেন ভারতের মোদি সরকারের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া দীপক বড়ুয়া, ইন্ডিয়া ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট অথোরিটির (আইডব্লিউআই) সাবেক চেয়ারম্যান নোটন গুহ বিশ্বাস, আর ভি বেঙ্গল গঙ্গার চেয়ারম্যান রাজ সিংসহ বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।

    khalid-3.jpg

    গত ২৯ মার্চ দুপুর সাড়ে বারোটায় ভারতের কলকাতার খিদিরপুর বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে জাহাজটি। সুন্দরবন হয়ে ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় খুলনার আংটিহারা বন্দরে এটি কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর মংলা, বরিশাল ও চাঁদপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জে এসে নোঙর করে।

    শনিবার সকালে পর্যটকরা সোনারগাঁয়ের জাদুঘর, বড় সরদার বাড়ি, পানামনগরী, জামদানী পল্লীসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন।

    ভারত থেকে বাংলাদেশে নৌ-পথের এ ভ্রমণকে আনন্দদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণ উল্লেখ করে বিদেশি পর্যটকরা জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাদের মুগ্ধ করেছে। এ ভ্রমণ তাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ যোগাযোগ ব্যবস্থার সাফল্যও কামনা করেন তারা।

  • ব্যাটিংয়ে চেন্নাই, পাঞ্জাব একাদশে ফিরলেন গেইল

    ব্যাটিংয়ে চেন্নাই, পাঞ্জাব একাদশে ফিরলেন গেইল

    কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টস জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।

    দুই দলের লড়াই হবে সমানে সমানে। সমান ৪ ম্যাচে সমান ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঞ্জাব আছে পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় অবস্থানে। রানরেটে পিছিয়ে থাকায় চেন্নাই চারে।

    পাঞ্জাব একাদশে আজ এসেছে দুটি পরিবর্তন। হার্দাস ভিলজয়েন আর মুজিব উর রহমানের জায়গায় এসেছেন ক্রিস গেইল আর অ্যান্ড্রু টাই।

    চেন্নাই এনেছে তিন পরিবর্তন। আইপিএল অভিষেক হচ্ছে কাগেলিনের। হরভজন সিং ফিরেছেন, মৌসুমের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন ফাফ ডু প্লেসিস। বাদ পড়েছেন চোটে পড়া ডোয়াইন ব্রাভো, মোহিত শর্মা আর শার্দুল ঠাকুর।

    চেন্নাই একাদশ : শেন ওয়াটসন, ফাফ ডু প্লেসিস, আম্বাতি রাইডু, সুরেশ রায়না, কেদর যাদব, মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, স্কট কাগেলিন, দীপক চাহার, হরভজন সিং, ইমরান তাহির।

    পাঞ্জাব একাদশ : লোকেশ রাহুল, ক্রিস গেইল, মায়াঙ্ক আগারওয়েল, সরফরাজ খান, মানদ্বীপ সিং, ডেভিড মিলার, স্যাম কুরান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন (অধিনায়ক), মুরুগান অশ্বিন, অ্যান্ড্রু টাই, মোহাম্মদ শামি।