Category: আন্তর্জাতিক

  • আমাকে চুপ রাখা যাবে না ট্রাম্পের উদ্দেশে ইলহান

    আমাকে চুপ রাখা যাবে না ট্রাম্পের উদ্দেশে ইলহান

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে দেশটির মুসলিম নারী আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর বলেছেন, আমার মুখ কেউ বন্ধ রাখতে পারবে না। মুখ বন্ধ করে বসে থাকার জন্য কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি।

    শনিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক টুইটের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকায় ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার ভিডিও চিত্রের সঙ্গে কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বক্তব্য যোগ করে তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেছেন।

    ট্রাম্প ওই ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে সবাইকে বোঝাতে চেয়েছেন যে, ইলহান ওমর ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় নিহতদেরকে গুরুত্ব দিতে চান না।

    ইলহান ওমর একটি মুসলিম সিভিল রাইটস গ্রুপে দেওয়া বক্তব্যে মার্কিন মুসলিমদের অবস্থা তুলে ধরতে গিয়ে বলেছিলেন, কিছু লোক ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা ঘটিয়েছে, আর এরপর থেকে আমরা মুসলমানরা স্বাধীনতা হারাতে শুরু করেছি।

    তার এই বক্তব্যকে অপব্যবহারের চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় ইলহান ওমর আরও বলেন, আমি চুপ থাকার জন্য কংগ্রেসে যাইনি। আমি মার্কিন কংগ্রেসে প্রবেশ করেছি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং এর জন্য যুদ্ধ করতে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরকে অবমাননাকারী ভিডিও টুইটারে প্রকাশ করার পর থেকেই ডেমোক্রেটিক পার্টিসহ বিভিন্ন সংগঠন এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।

  • ধোনিকে ২-৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ করতে বললেন শেবাগ

    ধোনিকে ২-৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ করতে বললেন শেবাগ

    আইপিএলের চলতি আসরে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত অমান্য করে মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। যে কারণে প্রায় ৩-৪ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা। এ ঘটনার জন্ম দিয়ে তুমুল সমালোচনার শিকার হয়েছেন ধোনি।

    এবার সে ঘটনায় মুখ খুললেন ধোনিরই সাবেক সতীর্থ এবং ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ওপেনার ভিরেন্দর শেবাগ। তার মতে ধোনিকে অন্তত ২-৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিৎ ছিলো। কারণ চেন্নাই অধিনায়ক যা করেছে তা মোটেও শোচনীয় ছিলো না।

    রাজস্থানের বিপক্ষে সে ম্যাচের শেষ ওভারের চতুর্থ বলে কোমরের ওপরে বল করে বসেন বেন স্টোকস। তবে বলের গতি কম থাকায় ব্যাটসম্যান মিচেল স্যান্টনারের পাশাপাশি বিভ্রান্ত হয়ে যান মূল আম্পায়ার উল্লাস গান্ধে। তিনি হাত বাড়িয়ে জানিয়ে দেন এটি উচ্চতার কারণে নো বল। কিন্তু লেগ আম্পায়ার ব্রুস অক্সেনফোর্ড আবার তাকে থামিয়ে বলেন এটি নো বল নয়। সে বল থেকে ২ রান নেন স্যান্টনার, সমীকরণ দাঁড়ায় ২ বলে ৬ রানে।

    কিন্তু দুই আম্পায়ারের দুই রকম সিগন্যাল মানতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক ধোনি। রাগে ফুঁসতে থাকেন ডাগআউটে দাঁড়িয়ে। প্রথমে মাঠে থাকা ভারতীয় অলরাউন্ডার রবিন্দ্র জাদেজা আম্পায়ারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এ ব্যাপারে। কিন্তু তা মনঃপুত হয়নি ধোনির।

    আর সইছিলো না দেখে খেলার মাঝেই ঢুকে পড়েন মাঠের মধ্যে। প্রথমেই এগিয়ে যান লেগ আম্পায়ার অক্সেনফোর্ডের দিকে। সেখানে আসেন মূল আম্পায়ার গান্ধেও। তাকে দেখিয়ে ধোনি বলতে থাকেন, মূল আম্পায়ার নো বল ডেকেছে, মূল আম্পায়ার নো বল ডেকেছে। কিন্তু এতে সাড়া দেননি অক্সেনফোর্ড। তিনি অটল থাকেন নিজের সিদ্ধান্তে।

    বেশ কয়েকবারের চেষ্টায় ধোনিকে বোঝাতে থাকেন এটি নো বল হয়নি। তখন বোলার বেন স্টোকসও সামনে চলে এলে ছোটখাটো এক বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। আম্পায়াররা বারবার ধোনিকে বোঝালেও অসন্তুষ্টই দেখা যায় ধোনিকে। সিদ্ধান্তেও কোনো বদল আসেনি। ফলে রাগে গজরাতে গজরাতে মাঠ ছেড়ে যান ধোনি।

    এত বড় কাণ্ড ঘটিয়ে ধোনি পান কেবলমাত্র ম্যাচের ৫০ শতাংশ জরিমানার শাস্তি। এমনকি মৌখিক কোনো তিরস্কারও করা হয়নি তাকে। তাই ক্ষেপেছেন শেবাগ। বললেন অন্তত উদাহরণ সৃষ্টির জন্য হলেও ধোনিকে বড় শাস্তি দেয়া উচিৎ ছিলো।

    শেবাগ বলেন, ‘আমি মনে করি ধোনি অল্পেই পার পেয়ে গেল। তাকে অন্তত ২-৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা উচিৎ ছিলো। কারণ রাজস্থানের বিপক্ষে সে যা করেছে, একই কাজ যদি অন্য দলের খেলোয়াড়রাও ভিন্ন ম্যাচে করে? তখন মাঠে আম্পায়ারদের মূল্যটা কী রইবে?’

    তিনি আরও বলেন, ‘অন্তত একটা উদাহরণ সৃষ্টির জন্য হলেও ধোনিকে কিছু ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিৎ ছিলো। সেদিনের ঘটনায় সে বাইরেই থাকতে পারতো এবং মাঠে ঢোকার পরিবর্তে ম্যাচের চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করে নিতে পারতো।’

    তবে ধোনি যদি একই কাজ ভারতীয় দলের হয়ে করতেন তাহলে শেবাগ কিছু মনে করতেন না। তার ভাষ্যে, ‘ধোনি যদি একই কাজ ভারতীয় দলের জন্য করতো, তখন আমি খুশিই হতাম। ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে অধিনায়কত্ব করার সময় আমি কখনোই তাকে মাথা গরম করতে দেখিনি। আমার মনে হচ্ছে ইদানীং চেন্নাই টিমের জন্য সে খুব বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছে।

  • কলকাতা ম্যানেজম্যান্টকে ধুঁয়ে দিলেন দলটির সাবেক তারকা

    কলকাতা ম্যানেজম্যান্টকে ধুঁয়ে দিলেন দলটির সাবেক তারকা

    মনোজ তিওয়ারি! আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রাইজিং পুনে সুপারস্টার্স এবং কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেললেও সবচেয়ে বেশি চার মৌসুম কাটিয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সেই। ২০১২ সালে কলকাতার প্রথম শিরোপা জয়ের আসরে ফাইনাল ম্যাচটিতে উইনিং শটও হাঁকিয়েছিলেন তিনি।

    সেই তিনিই এখন মেতেছেন কলকাতার তুমুল সমালোচনায়। তবে সেটি ব্যক্তিগত কোনো কারণে নয়। কলকাতা টিম ম্যানেজম্যান্টের অতিরিক্ত বিদেশীয় খেলোয়াড় প্রীতির কারণে। ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত কলকাতার জার্সিতে খেলেছেন পশ্চিম বাংলার খেলোয়াড় মনোজ।

    পরে ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারস্টার্স এবং ২০১৮ সালে কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেললেও চলতি আসরে কোনো দলে সুযোগ পাননি মনোজ। তবে চেষ্টা করেছিলেন ২০০৮-০৯ এবং ২০১৪-১৫ সালে খেলা দিল্লিতে নিজের নাম লেখানোর। কিন্তু ট্রায়ালে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

    তাতে কী? আইপিএল দেখা কি আর বাদ দেয়া যায়? খুব গভীরভাবেই তিনি পর্যবেক্ষণ করছেন আইপিএলের ম্যাচগুলো। আর নিজের দেখার অভিজ্ঞতা থেকেই কলকাতার ম্যানেজম্যান্টকে ধুঁয়ে দিয়েছেন মনোজ।

    গত শুক্রবার দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে কলকাতার হয়ে ওপেনিংয়ে নেমে ৩৯ বলে ৬৫ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেছিলেন তরুণ তারকা শুভমান গিল। কিন্তু আজ চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে তাকে নামানো হয়েছে ৭ নম্বরে, হাসেনি তার ব্যাট। ২০ বলে খেলে করতে পেরেছেন মাত্র ১৫টি রান।

    মনোজের আপত্তি ঠিক এ জায়গাতেই। আগের ম্যাচে ইনিংস সূচনা করা কাউকে কেনো সাত নম্বরে নামানো হলো সেটিই বোধগম্য হয়নি তার। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে প্রথম মজার ছলে তিনি লিখেন, ‘শুভমান গিল কি আজ খেলছে? ওহ! আমি এখন বুঝলাম যে আগামীকাল তো বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হবে। কে বলেছে এটা টিম গেম? প্রায়ই খালি চোখে ধরা পড়ে যায় এটি।’

    তার এ লেখাটুকু শুরুতে খুবই রহস্যজনক ঠেকে সকলের কাছে। তাই পরক্ষণে নিজেই পরিষ্কার করেন অবস্থান। বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে পরবর্তী টুইটে লিখেন, ‘যখন কোনো খেলোয়াড় আগের ম্যাচেই ৬৫ রানের ক্লাসিক ইনিংস খেলেন, তখন একজন দর্শক-সমর্থক হিসেবে পরবর্তী ম্যাচে আমি তাকে ওপরের দিকেই ব্যাট করতে দেখতে চাইবো। বিদেশী খেলোয়াড়দের প্রাধান্য দেয়ার চেয়ে আমাদের লোকাল খেলোয়াড়দের উপযুক্ত মঞ্চ দিতে পারাটাই মূল ব্যাপার আমার মতে।’

    পরবর্তীতে ভিন্ন দুই টুইটে মনোজ আরও লিখেন, ‘একজন ক্রিকেট ভক্ত হিসেবে, বিশেষ করে যে নিজেও ক্রিকেট খেলে থাকে- তার পক্ষে এসব জিনিস বারবার পুনরাবৃত্তি হতে দেখাটা হজম করা সহজ নয়। দেখুন, ব্যাপারটা এমন নয় যে কে গত আসরে কোথায় খেলেছে বা কোথায় খেলে থাকে। মূল ব্যাপারটা হলো যখন কেউ ছন্দে থাকে তাকে পুরোপুরি সুযোগটা অন্তত দেয়া।

  • শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মুম্বাইকে হারালো রাজস্থান

    শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মুম্বাইকে হারালো রাজস্থান

    তিন ওভারের মধ্যে চার উইকেট। ম্যাচটা হঠাৎ করেই জমিয়ে তুললেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দুই বোলার ক্রুনাল পান্ডিয়া এবং জসপ্রিত বুমরাহ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই উত্তেজনায় পানি ঢেলে দিলেন স্রেয়াশ গোপাল। হার্দিক পান্ডিয়াকে বাউন্ডারি মেরে জয় এনে দিলেন রাজস্থান রয়্যালসকে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে তারা হারালো ৪ উইকেটের ব্যবধানে।

    লক্ষ্য ছিল ১৮৮ রানের। বিশাল এ লক্ষ্য পাড়ি দিতে নেমে অবশ্য দুই ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে এবং জস বাটলার মিলে জয়ের মূল ভিত তৈরি করে দেন রাজস্থানকে। শুরুতে ঝড় তুলে ২১ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রাহানে। জুটি গড়েছিলেন ৬০ রানের।

    এরপর জস বাটলার এবং সাঞ্জু স্যামসন মিলে গড়েন ৮৭ রানের জুটি। ২৬ বলে ৩১ রান করে আউট হন সাঞ্জু স্যামসন। তার আগেই অবশ্য বিদায় নেন বাটলার। ৪৩ বলে ৮৯ রানের ঝড় তুলে দিয়ে যান তিনি। ৮টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কা মারেন ৭টি।

    শেষ দিকে দ্রুত চার উইকেট পড়ে যাওয়ার কারণে রাজস্থানের জয় নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে তরী ডোবে কি না সেটাও ছিল চিন্তার বিষয়। শেষ পর্যন্ত ৭ বলে ১৩ রান করে স্রেয়াশ গোপাল রাজস্থানকে জয় এনে দেন। ৩ বল তখনও বাকি ছিল হাতে।

    এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কুইন্টন ডি ককের ৫২ বলে ৮১ এবং রোহিত শর্মার ৩২ বলে ৪৭ রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

    এ নিয়ে সপ্তম ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেলো রাজস্থান রয়্যালস। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে ৭ নম্বরে। এর আগে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে হারিয়েছিল তারা। আর ৭ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

  • রাজস্থানকে ১৮৮ রানের লক্ষ্য দিল মুম্বাই

    রাজস্থানকে ১৮৮ রানের লক্ষ্য দিল মুম্বাই

    আইপিএলে দ্বিতীয়বারের মত জ্বলে উঠলেন দক্ষিণ আফ্রিকান বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। মুম্বাইর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ডি কক ঝড়ে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে ১৮৮ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দিয়েছে স্বাগতিক মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ৫২ বলে ৮১ রান করেন ডি কক। ৬টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কা মারেন তিনি ৪টি।

    মূলতঃ প্রথম ১০ ওভারেই রাজস্থানের সামনে বড় স্কোর গড়ে তোলার ইঙ্গিত দেন মুম্বাইর দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক আর রোহিত শর্মা। ১০.৫ ওভারে ৯৬ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন তারা দু’জন। ৩২ বলে ৪৭ রান করে বিদায় নেন রোহিত শর্মা। ৬টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও ছিল তার ব্যাটে।

    রোহিত শর্মা আউট হয়ে যাওয়ার পর মাঠে নামেন সুর্যকুমার যাদব। ২১ রানের জুটি গড়েন তিনি। এরপর ১০ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন সুর্যকুমার। মাঠে নেমে কাইরন পোলার্ড দাঁড়াতেই পারেননি। টিকেছিলেন ১২ বল। রান করেন কেবল ৬। পোলার্ড আউট হওয়ার পর ৮১ রান করে বিদায় নেন কুইন্টন ডি ককও।

    হার্দিক পান্ডিয়া ১১ বলে ২৮ রানের ঝড় তুলে মুম্বাইর ইনিংসকে ১৮০’র গন্ডি পার করে দেন। ইশান কিশান করেন ৫ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় মুম্বাই। ক্যারিবীয় পেসার জোফরা আরচার ৩৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ১ উইকেট করে নেন ধাওয়াল কুলকার্নি এবং জয়বেদন উনাড়কট।

  • টস হেরে ব্যাটিংয়ে কলকাতা

    টস হেরে ব্যাটিংয়ে কলকাতা

    ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেনসে টস হেরেছে দিনেশ কার্তিকের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টস জিতে তাদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছে শ্রেয়াস আয়ারের দিল্লি ক্যাপিটালস।

    দুই দলের মধ্যে বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় আছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৬ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা পয়েন্ট তালিকার দুই নাম্বার অবস্থানে।

    দিল্লি ক্যাপিটালস আছে তালিকার ছয় নাম্বারে। ৬ ম্যাচে ৩ জয় আর ৩ পরাজয় নিয়ে তাদের পয়েন্ট ৬।

    কলকাতা একাদশ : জো ডেনলি, রবি উথাপ্পা, কার্লোস ব্রেথওয়েট, শুভমান গিল, নিতীশ রানা, দিনেশ কার্তিক (অধিনায়ক), আন্দ্রে রাসেল, কুলদ্বীপ যাদব, পিযুশ চাওলা, লুকি ফার্গুসন, প্রসিধ কৃষ্ণা।

    দিল্লি একাদশ : পৃথ্বি শ, শেখর ধাওয়ান, শ্রেয়াস আয়ার (অধিনায়ক), রিশাভ পান্ত, কলিন ইনগ্রাম, ক্রিস মরিস, অক্ষর প্যাটেল, কেমো পল, রাহুল তেয়াতিয়া, কাগিসো রাবাদা, ইশান্ত শর্মা।

  • আবারও বাংলাদেশে আসছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা?

    আবারও বাংলাদেশে আসছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা?

    আজ থেকে ৮ বছর আগে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকাবাসীকে আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়েছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ঢাকার মাটিতে ‘সুপার ঈগলস’ খ্যাত নাইজেরিয়ার বিপক্ষে মেসিদের মনোমুগ্ধকর জাদুকরী ফুটবল নিজ চোখে দেখেছিল বাংলাদেশের মানুষ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর আবারও বাংলাদেশের মাটিতে দেখা যেতে পারে ‘ভিন গ্রহের ফুটবলার’ লিওনেল মেসি এবং তার দলকে!

    খবরটি মোটেও গুঞ্জন নয়; তবে একেবারে নিশ্চিতও নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালে তাদেরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছর একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফর করতে পারে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

    ভারতের নয়াদিল্লির আর্জেন্টাইন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল চুবুরু আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সেই সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আর্জেন্টিনাকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে আবারও ফিরেছেন মেসি। সুতরাং তাকে চর্মচক্ষে আরেকবার দেখার আশা করতেই পারে বাংলাদেশি সমর্থকেরা।

  • শাহজালালেই হবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন

    শাহজালালেই হবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন

    বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরের পরিবর্তে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে সৌদি প্রতিনিধি দল।

    ঢাকায় সফররত সৌদি আরবের ডাইরেক্টর জেনারেল (পাসপোর্ট) মেজর জেনারেল সোলাইমান আব্দুল আজিজ ইয়াহ ইয়াহর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সম্মতির কথা জানান।

    প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, প্রি-অ্যারাইবেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবের ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আজ (বৃহস্পতিবার) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশকোনা হজক্যাম্প পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই সৌদি অংশের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম করা সম্ভব বলে জানান।

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    যে প্রক্রিয়ায় শাহজালালে ইমিগ্রেশন হবে 

    চলতি বছর পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজারসহ ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও অবশিষ্ট ৫০ ভাগ সৌদি এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে।

    প্রচলিত রীতি অনুসারে বাংলাদেশ বিমানের যাত্রীরা আশকোনা হজক্যাম্পে ও সৌদি এয়ারলাইন্সের যাত্রীরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেন। আসন্ন হজেও একই নিয়মে তারা আশকোনা হজক্যাম্প ও শাহজালালে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করবেন।

    এরপর উভয় বিমানের হজযাত্রীদের শাহজালাল বিমানবন্দরের একটি এক্সক্লুসিভ জোনে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তাদের সৌদি আরবের জেদ্দায় যে ইমিগ্রেশনের কাজ হতো সেই কাজটি (ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ ও মিলিয়ে দেখা) ওই এক্সক্লুসিভ জোনে সম্পন্ন করা হবে অর্থাৎ সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশনের কাজ ওইখানে সম্পন্ন করে হজযাত্রীরা স্ব স্ব বিমানে আরোহণ করে যাত্রা করবেন। এক্সক্লুসিভ জোনের সব কার্যক্রম থাকবে সৌদি আরবের টেকনিক্যাল দলের হাতে। ফলে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জেদ্দা বিমানবন্দরে ৬-৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করার বিড়ম্বনা লাঘব হবে।

    আট বিভাগে সব হজযাত্রীর দশ আঙুলের হাতের ছাপ সংগ্রহ করা হবে

    বৈঠক সূত্রে আরও জানা গেছে, শাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আসন্ন হজে হজ-ভিসার জন্য দূতাবাসে পাসপোর্ট জমা দেয়ার আগেই দেশের আট বিভাগে প্রত্যেক হজযাত্রীর দশ আঙুলের হাতের ছাপ সংগ্রহ করা হবে। ফলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি কর্তৃপক্ষের ইমিগ্রেশন কাজ সহজ হবে।

    Hajj-BD-1

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর বরাত দিয়ে সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের পক্ষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারী, ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান, বিমান সচিব মো. মহিবুল হক, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, কাউন্সেলর (হজ) মাকসুদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সৌজন্য সাক্ষাতে সৌদি প্রতিনিধি দলে অংশগ্রহণ করেন সৌদি আরবের ডাইরেক্টর জেনারেল (পাসপোর্ট) মেজর জেনারেল সোলাইমান আব্দুল আজিজ ইয়াহ ইয়াহ, মেজর জেনারেল খালেদ বিন ফাহাদ আল যুইয়াদ, ডক্টর হুসাইন বিন নাসের আল শাকিত, আলী বিন মোহাম্মদ আল ওতাইবি, মোহাম্মদ বিন ওবায়েদ আল উতাইবি, ব্রিগেডিয়ার সামি বিন আব্দুল্লাহ মুকিম, ইঞ্জিনিয়ার হামাদ বিন ইব্রাহিম আল হাম্মাদ, ড. আব্দুর রহমান আল ইসা, কর্নেল মোহাম্মদ বিন ওমর আল ঘামদি, ড. হামোদ বিন সাদ আল কোয়ারনি, হাসান বিন সাঈদ আল জাহারানি, ফাইহান মাহিয়া আল মাহিয়া, আব্দুর রহমান সাউদ আল মাহিয়া ও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ বিন নাসের আল হাল্লাফ।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত সৌদি আরব সফরকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সৌদি হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রীকে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সৌদিতে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বাংলাদেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান।

    বাংলাদেশের বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ২১ মার্চ সৌদির একটি কারিগরি দল বাংলাদেশ সফর করে।

    শুক্রবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন

    আগামীকাল (শুক্রবার) বেলা ১১টায় সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ১৫১৫ কক্ষে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সৌদি অংশের ইমিগ্রেশন ও অন্যান্য বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। এই সংবাদ সম্মেলনে শাহজালালে ইমিগ্রেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করা হবে।

  • চেন্নাইকে ১৫২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রাজস্থান

    চেন্নাইকে ১৫২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রাজস্থান

    চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের সামনে হাত খুলে খেলতেই পারলেন না রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটসম্যানরা। তবে শেষদিকে কিছুটা রানের গতি বাড়ায় নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান যেতে পেরেছে ৭ উইকেটে ১৫১ পর্যন্ত।

    টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা কিন্তু খারাপ ছিল না রাজস্থানের। দুই ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে আর জস বাটলার ১৭ বলেই তুলে ফেলেন ৩১ রান। ১১ বলে ১৪ করে রাহানে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর ১০ বলে ২৩ রান করে ফিরে যান বাটলারও। সঞ্জু স্যামসন করেন মাত্র ৬।

    পরের ব্যাটসম্যানরা টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ব্যাটিংটা আর করতে পারেননি। বেন স্টোকস ২৬ বলে ২৮ করলেও সে ইনিংসে বাউন্ডারির মার ছিল মাত্র একটি।

    তবে শেষদিকে জোফরা আর্চার আর শ্রেয়াস গোপাল মিলে ১০ বলে ২৫ রানের ঝড়ো জুটিতে কিছুটা পুষিয়েছেন। আর্চার ১২ বলে ১৩ আর গোপাল মাত্র ৭ বলে ২ চার আর ১ ছক্কায় খেলেন ১৯ রানের হার না মানা ইনিংস।

    চেন্নাইয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন দীপক চাহার, রবীন্দ্র জাদেজা আর শার্দুল ঠাকুর।

  • সুদানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট গ্রেফতার

    সুদানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট গ্রেফতার

    উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বশিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আওয়াদ মোহাম্মদ আহমেদ ইবনে আউফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    রয়টার্স জানায়, দেশটির দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুদানে প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের ৩০ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে দুই বছর সামরিক শাসনের পরে তারা নির্বাচনের দিকে যাবে।

    এদিকে সুদানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দেশটির প্রতিরক্ষমন্ত্রী আওয়াদ মোহাম্মদ আহমেদ ইবনে আউফ বলেন, ৭৫ বয়সী বশিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি নিরাপদে আছেন। দেশে সেনাবাহিনী পরিষদ চলমান রয়েছে।

    এছাড়া আউফ তিন মাসের রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা, দেশব্যাপী যুদ্ধবিরতি এবং সংবিধান স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টা দেশের বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে এবং পরবর্তী নিদের্শনা না দেওয়া পর্যন্ত সীমান্তে চলাচল বন্ধ থাকবে।

    স্থানীয়দের সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, বশির প্রেসিডেন্টের বাসভবনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। তার ছেলে সিদ্দিক আল-মেহদি দেশটির প্রধান বিরোধী দল উমা পার্টির প্রধান।

    এদিকে সুদানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা সংগঠনগুলো শুধু বেসামরিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি আছে।

    ২০০৬ সালে শুরু হওয়া বিদ্রোহের সময় সুদানের দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগে বশিরকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ওই সময়ে আনুমানিক ৩ লাক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।

    এর আগে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের চারপাশে সেনা মোতায়েন করা হয়। টিভি চ্যানেলটিতে বলা হয়, শিগগিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেবে সশস্ত্র বাহিনী। এর জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এ ঘোষণার পর দেশটির রেডিও ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বাজানো হচ্ছে দেশাত্মবোধক গান। তুলে ধরা হচ্ছে সামরিক বাহিনীর বীরত্বগাথা।

    প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলনের মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের ৩০ বছরের শাসনের অবসান হয়। ১৯৮৯ সাল থেকে সুদানের ক্ষমতায় আছেন ওমর আল বশির।

    পাউরুটির দাম বাড়িয়ে দেয়ায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির এটিএমগুলো নগদশূন্য করে দেয়া হয়।