Category: আবহাওয়া

  • ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভুমিধস : নিহত বেড়ে ৮৯

    ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভুমিধস : নিহত বেড়ে ৮৯

    ভারী বৃষ্টিজনিত কারণে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে বন্যা ও ভুমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরো অনেকে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরো জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়িঘরের ধ্বংসস্তুপ থেকে ৮৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৪৯ জনকে।

    তিনি জানান, এখনো ৭৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেনটানি অঞ্চল। সেখানে পাহাড় থেকে ভূমিধস হয়ে মাটি ও গাছপালা উপড়ে বাড়িঘরের ওপর পড়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর আঘাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর আঘাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের লি কাউন্টিতে টর্নেডোর আঘাতে কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    আলাবামার শেরিফ জেই জোন্স স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তারা এখনও ধ্বংসস্তুপ থেকে লোকজনকে উদ্ধার করছেন। লোকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের আঘাত বেশ গুরুতর।

    আলাবামার গভর্নর কেই আইভেই এক টুইটবার্তায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন, আবহাওয়া আরও খারাপ হতে পারে।

    Tornado-2

    তিনি বলেন, আজ লি কাউন্টিতে ঝড়ের আঘাতে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। ওই এলাকায় ঝড়ের আঘাতে বহু ঘর-বাড়ি ধসে পড়েছে।

    ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, প্রথমবার টর্নেডো আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬৫ মাইল। শেরিফ জোন্স এই টর্নেডোকে ‘সর্বনাশা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

    Tornado-3

    স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা থেকেই আলাবামা এবং জর্জিয়ার বিভিন্ন অংশে ঝড় আঘাত হানে। আলাবামার আবহাওয়াবিদ এরিক স্নিটিল এক টুইট বার্তায় বলেন, ২০১৮ সালে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোতে যতজনের মৃত্যু হয়েছে তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে লি কাউন্টিতে একদিনের টর্নেডোর আঘাতেই। টর্নেডো আঘাত হানায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

  • বরিশালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট লেগেই রয়েছে মেঘ দেখলেই বিদ্যুত বন্ধ

    বরিশালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট লেগেই রয়েছে মেঘ দেখলেই বিদ্যুত বন্ধ

    অনলাইন ডেস্ক:

    চাহিদানুযায়ী কোন ঘাটতি না থাকলেও বিতরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে বরিশাল মহানগরীসহ দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ উপজেলায় বিদ্যুৎ সংকটে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। জরুরি চিকিৎসা সেবাসহ পানি সরবরাহ এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

    তাপমাত্রার পারদ ওপরে ওঠার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংকটও বাড়ছে। অথচ কোন ঘাটতি নেই। আসন্ন গ্রীস্মের গরমের সাথে রমজানে দুর্ভোগ কোন পর্যায়ে পৌঁছবে তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বিদ্যুত গ্রাহকরা। গত কয়েকদিনের বর্ষণে বিদ্যুত বিভ্রাট লেগেই রয়েছে। আকাশে মেঘ দেখলেই বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ১২ থেকে ১৫ ঘন্টা পরেও তা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করছেন না সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সর্বশেষ বুধবার বিকেল থেকে বন্ধ করে দেয়া বিদ্যুত সরবরাহ চালু করা হয় বৃহস্পতিবার দুপুরে।

    সূত্রমতে, সাম্প্রতিককালের তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও বরিশাল মহানগরীর অনেক এলাকাতেই বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পরতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। শীত বিদায়ের পর বসন্তের ভরা মৌসুমেই বিদ্যুৎ নিয়ে জনগণের দুর্ভোগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঘাটতিসহ দায়িত্বশীলদের কর্তব্যে উদাসীনতা আর জনবল সংকটে পরিস্থিতি ক্রমশ নাজুক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অধিকাংশ সময়ই পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক ফিডারে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। ফলে মানুষের দুর্ভোগ সব সীমা অতিক্রম করেছে।

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বিদ্যুৎ চাহিদা রয়েছে প্রায় ১৩৫ মেগাওয়াট। আসন্ন গ্রীস্মে তা ১৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। বরিশালের কোথাও বিদ্যুতের কোন ঘাটতি ছিলোনা। পুরনো বিতরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খোঁদ বরিশাল মহানগরীর প্রায় সব ১১ ও .০৪ কেভি বিতরণ লাইনগুলো ৩০ বছরেরও বেশি পুরনো। অনেক বিতরণ ট্রান্সফর্মারই ওভারলোডেড হয়ে আছে। জনবলের সংকটের কারণে এসব ট্রান্সফর্মারের তেল পরিবর্তনসহ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছেনা। আসন্ন গ্রীস্মে আরও অধিক সংখ্যক ট্রান্সফর্মারই ওভারলোডেড হয়ে পুড়ে যাবার আশঙ্কাও রয়েছে।

    তবে সাম্প্রতিককালে পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দায়িত্বে নিয়োজিত ‘ওজোপাডিকো’ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি ভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বিতরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছে। এর আওতায় বরিশাল মহানগরীসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলা সদর ও কয়েকটি উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ বিতরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার কিছু উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বরিশাল মহানগরীর রূপাতলী ৩৩ কেভি সাব-স্টেশনটির পুনর্বাসন কাজ চলছে। এ প্রকল্পের আওতায় নতুন ভবনে সাব-স্টেশনটির সব সরঞ্জামাদি স্থানান্তর কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। এখানে ২২ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ৩৩/১১ কেভি ট্রান্সফর্মারও স্থাপন করা হয়েছে। ফলে রূপাতলী সাব-স্টেশন থেকে ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া কাশিপুর ও পলাশপুর সাব-স্টেশনগুলোও পুনর্বাসন করা হচ্ছে। বরিশাল নগরীতে চারটি ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনে সংযুক্ত প্রায় ২৮টি ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ওজোপাডিকো।

    নগরীর কিছুকিছু বিতরন ও সরবরাহ লাইনও পরিবর্তন হচ্ছে। রূপাতলী-কাশীপুর ৩৩ কেভি লাইনটি পুনর্বাসন কাজও প্রায় শেষপর্যায়ে। তবে এসব লাইন ভূগর্ভস্থ ক্যাবলে রূপান্তরের তাগিদ রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলের। নগরীর চাঁদমারী ও নবগ্রাম রোডে আরও দুটি ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন নির্মাণের কথা রয়েছে প্রকল্পের আওতায় কিন্তু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া বিলম্বের কারণে নবগ্রাম রোডের সাব-স্টেশনটির কাজ শুরু করতে আরও কমপক্ষে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।

    নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ১১/.০৪ কেভি ট্রান্সফর্মারও পরিবর্তন করা হচ্ছে। তবে তা পুরনো ট্রান্সফর্মার পুড়ে যাওয়ার পরে। প্রায় সব ১১ কেভি ট্রান্সফর্মারই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এমসিপিসহ ড্রপ আউটের অভাবে। এখনও এ নগরীর একটি ট্রান্সফর্মারের ফিউজ পুড়ে গেলে পুরো ফিডারই বন্ধ করতে হয়। ১১ কেভি লাইনগুলোতে ইতোপূর্বে কিছু আইসোলেটর স্থাপন করা হলেও তার বেশিরভাগই অকার্যকর। ৩৩ কেভি লাইনগুলোর ইনস্যুলেটর ও পিনগুলো দীর্ঘদিনের পুরনো। ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস ছাড়লেই বরিশাল মহানগরীসহ জেলার অধিকাংশ উপজেলার ৩৩ কেভি লাইনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নগরীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলা ও উপজেলার সদরের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছেনা। অবশ্য এজন্য ব্যাপক জনবল সংকটের কথাও জানিয়েছেন ওজোপাডিকোর দায়িত্বশীল মহল।

    এসব পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পাশাপাশি বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করারও দাবি রয়েছে সাধারণ মানুষের। নতুন সংযোগ গ্রহণ থেকে পুরনো সংযোগগুলোর মিটার পরিবর্তনে একজন গ্রাহককে যথেষ্ট দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দালাল না ধরলে ওজোপাডিকোর নতুন সংযোগ পাওয়া কঠিন। এমনকি ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরে ছয় মাস থেকে বছরের মাথায় এসব মিটার বিকল হয়ে যাচ্ছে। আর ওইসব মিটার পরিবর্তনে গ্রাহককে নিজের টাকায় নতুন মিটার সংগ্রহ করার পাশাপাশি সাড়ে তিনশ’ টাকা জমাও দিতে হচ্ছে। আর এ পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতেও অনেক ক্ষেত্রে দালাল ধরতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অপরদিকে বরিশাল নগরীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেটের ব্রডব্যান্ড লাইনসহ ক্যাবল টিভির লাইনগুলোতে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে তার প্রায় পুরোটাই অবৈধভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এই অবৈধভাবে ব্যবহার করা বিদ্যুতের পুরোটাই চুরি হচ্ছে। এর সাথে মাঠপর্যায়ের কর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিতরণ বিভাগের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধেও সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে ওজোপাডিকোর বিভিন্ন বিতরণ বিভাগ ও তার তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা দৃঢ়ভাবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • বরিশালে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, আবহাওয়ার উন্নতি শুক্রবার

    বরিশালে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, আবহাওয়ার উন্নতি শুক্রবার

    নিউজ ডেস্ক:

    সারাদেশেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বজ্র ও শিলাবৃষ্টির সঙ্গে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বইছে। শুক্রবার (১ মার্চ) থেকে আবহাওয়ার অবস্থার উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকায় ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনায় ৭৫ মিলিমিটার। এছাড়াও ময়মনসিংহে ২৫ মিলিমিটার, সিলিটে ১৯ মিলিমিটার, রাজশাহীতে ১৬ মিলিমিটার, রংপুরে ১৩ মিলিমিটার ও বরিশালে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের প্রায় পুরো অংশেই বৃষ্টিপাতের খবর দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, শুক্রবার ৮০-৯০ শতাংশ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

    সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণসহ বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। এই সময়ে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগের দমকা হাওয়া ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়, সারাদেশে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।

  • বরগুনায় ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত

    বরগুনায় ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য গাছপালা ভেঙে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে হঠাৎ এ ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়।

    ঝড়ো হাওয়ায় উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের পূর্ব কালমেঘা, পশ্চিম কালমেঘা, ঘুটাবাছা, ছোট পাথরঘাটা; সদর পাথরঘাটা ইউনিয়নের চরলাঠিমারা, জিনতলা, হাড়িটানা, রুহিতা, টেংরা, কোড়ালিয়া; কাঠালতলী ইউনিয়নের পশ্চিম কাঠালতলী; রায়হানপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

    এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর, ঘরের চালা উড়িয়ে পার্শ্ববর্তী পুকুর ও মাঠে নিয়ে যায়। অনেক স্থানে গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। বেশ কয়েকটি স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    ঘূর্ণিঝড়ের পর সকালের দিকে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুমায়ুন কবির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

    কালমেঘা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি, সংরক্ষিত) সদস্য নাজমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, এ ইউনিয়নের অন্তত অর্ধশত বসতঘর ভেঙে গেছে। এছাড়া গাছপালা ভেঙে অনেক ক্ষতিসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    এছাড়া ঝড়ে সদর পাথরঘাটা ইউনিয়নের হাড়িটানা গ্রামের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি বসতঘর ভেঙে গেছে। জিনতলা গ্রামের বিষখালী নদী সংলগ্ন বেড়িবাঁধের ভেতরে অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে।

    এদিকে বলেশ্বর নদে মাছ ধরা ট্রলার ডুবির ঘটনায় জামাল হোসেন ও খাইরুল ইসলামকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন মেডিকেল অফিসার আনোয়ার উল্লাহ।

    পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, সকালের দিকে আমরা বেশ কয়েকটি বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখন পর্যন্ত নিরূপণ করা যায়নি।

  • বজ্রপাত ও দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু

    বজ্রপাত ও দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু

    সারাদেশে বজ্রপাত ও সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

    বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

    কুমিল্লা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চান্দিনায় কাভার্ডভ্যান চাপায় তিন পথচারী প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলাধীন কুটুম্বপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানসহ চালককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ফতুল্লায় বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের সংঘর্ষে দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের পাগলা নৌবাহিনী ক্যাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসচাপায় ওবায়দুল (৯) নামে এক স্কুলছাত্র প্রাণ হারিয়েছে। বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার সুহিলপুর ও নন্দনপুর এলাকার মাঝামাঝি স্থানে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিরোদ কুমার দে (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে চারজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। বুধবার দুপুরে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের রহমতপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানিয়েছেন,পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের মহেশপুর-বাঁশকাটা এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় রাজা মিয়া (৬৫) নামে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের এক যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

    এ সময় আহত হয়েছেন শিশুসহ আরও চারজন। বুধবার দুপুরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    Jhor

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, পাতা কুড়াতে গিয়ে গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে সুফিয়া খাতুন (৫২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম ইকোপার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত সুফিয়া সয়দাবাদ ইউনিয়নের সারটিয়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।

    গাজীপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে জান্নাতুল ফেরদৌস লীমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের পূবাইল কলেজ গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    মাদারীপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, রাজৈর উপজেলায় বজ্রপাতে গফুর মাতুব্বর (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে বাড়ির পাশে একটি খালে মাছ ধরতে গেলে বজ্রপাতে তিনি মারা যান। মৃত গফুর মাতুব্বর ইশিবপুর ইউনিয়নের নগরকান্দা গ্রামের হেলাল মাতব্বরের ছেলে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, নবীনগর উপজেলায় বজ্রপাতে মঞ্জুর আলী (৩৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু ও দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে ইটভাটায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত মঞ্জুর আলী নাসিরনগর উপজেলার সোলাকান্দি গ্রামের গোলাপ রহমানের ছেলে।

  • শুক্রবারের আগে স্বাভাবিক হচ্ছে না বরিশালের আবহাওয়া

    শুক্রবারের আগে স্বাভাবিক হচ্ছে না বরিশালের আবহাওয়া

    অনলাইন ডেস্ক:

    রাজধানীসহ সারাদেশে শুক্রবারের আগে আবহাওয়া স্বাভাবিক হচ্ছে না। গতকাল সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কোথাও বেশি কোথাও কম।

    গত ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ সোমবার ভোর ছয়টা থেকে আজ (মঙ্গলবার) ভোর ছয়টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৪৩ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয় পটুয়াখালীতে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানান, আরো ৩ থেকে ৪ দিন রাজধানীসহ সারাদেশে বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও অস্থায়ী দমকা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। শুক্রবার নাগাদ আবহাওয়া স্বাভাবিক হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    এদিকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপ এর বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে সেই সাথে বিচ্ছিন্নভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

    রাজধানী ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক সম্পর্কে বলা হয় পূর্ব উত্তর পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ পশ্চিম উত্তর পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

    পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন শ্রীমঙ্গলে ১৪ দশমিক ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

  • বরিশাল নৌবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    বরিশাল নৌবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত (পুন.) ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুন.) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হ্ওায়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা (২-৪) ডিগ্রি সে. হ্রাস পেতে পারে।

    পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

    আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৮ শতাংশ। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৫৯ মিনিট। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬টা ২৪ মিনিটে।

    পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

    গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খেপুপাড়ায় ৩৩ ডিগ্রি এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরগুনায় ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বজ্রপাতে জেলে নিহত

    বরগুনায় ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বজ্রপাতে জেলে নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনায় আকস্মিক ঝড়ের সময় বজ্রপাতে বেতাগীর মোকামিয়ায় বিশখালী নদীতে মাছ ধরার সময় আবুল কালাম (৩৫) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় আব্দুর রহমান নামের অপর এক জেলে আহত হন।

    সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    এছাড়া বরগুনার সদর উপজেলার বড় লবনগোলা গ্রামে গৃহবধূ রেনু বেগম (৬০) এবং পাথরঘাটা উপজেলার কালিপুর গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহিম (৩০) ঘরের নিচে চাপা পরে আহত হন।

    সোমবার ভোর রাত সাড়ে ৫টার দিকে ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। ঝড়ে সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের গোলবুনিয়া, সদর ইউনিয়নের দক্ষিন হেউলিবুনিয়া, কালিতবক, ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ চৌমুহনী, নলী, ই্টবাড়িয়া, আমতলী উপজেলার আড়পাংগাশিয়া ইউনিয়নের, বালিয়াতলী চরকগাছিয়া, গোজখালী, মধ্য আড়পাংগাশিয়া, উত্তর তারিকাটা, পাথরঘাটা উপজেলার কামার হাট, বিশখালী ও বলেশ্বর নদীর পাড়ে অবস্থিত বসতবাড়িসহ জেলায় প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের পর থেকে দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    এছাড়া বদর ইউনিয়নের তেতুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বদরখালী মাদ্রাসা ও ঢলুয়া ইউনিয়নের ডালভাঙা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাত, নিহত ৬২, আহত ৬০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাত, নিহত ৬২, আহত ৬০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামির আঘাতে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে ৬ শতাধিক। দেশটির সান্দা স্ট্রেইট উপকূলে শনিবার ভয়াবহ এই সুনামি আঘাত হানে। খবর বিবিসির।

    দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, সুনামিতে দুইজন লোকের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এতে শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

    সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ভয়াবহ এই সুনামিতে ৪৩০টি বাড়ি ও ৯টি হোটেল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    সুনামিতে পানদেগ্লাং, দক্ষিণ লামপাং ও সিরাং অঞ্চল থেকে নিহতের থবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ইন্দোনেশিয়ান আবহাওয়াবিজ্ঞান, ক্লিম্যাটোলজি এবং জিওফিজিক্যাল এজেন্সি (বিএমকেজি) জানায়, লামপাংয়ের মাউন্ট ক্রাকাতোয়া দ্বীপের আগ্নেয়গিরির প্রভাব থেকে সম্ভবত এ সুনামির উৎপত্তি হয়েছে।

    বিএমকেজি আরো জানায়, কোন ভূমিকম্পের ফলে এটির সৃষ্টি হয়নি।

    এর আগেও দেশটিতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় সুলাওয়েসি দ্বীপ। এতে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ২ হাজার মানুষ।