Category: ইসলাম

  • রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    বর্তমানে বারবার জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, কম আহার করুন । বেশিদিন বাঁচতে পারবেন । মানুষের কাছে বারবার এ কথার উপকারিতা বর্ননা করা হচ্ছে । বেশি খেলে যেসব রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হয়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন প্রফেসর রিচার বার্ড । নিম্নে তা দেওয়া হল :

    (১) মস্তিষ্কের ব্যাধি (Brain Diseases); (২) চক্ষু রোগ (Eyes Diseases) (৩) জিহবা ও গলার রোগ (E.N.T. Diseases) (৪) বক্ষ ও ফুসফুসের ব্যাধি (Chest and Lungs Diseases) (৫) হৃদ রোগ (Heart and Valves Diseases); (৬) যকৃত ও পিত্তের রোগ (Liver and Gall bladder diseases); (৭) ডায়াবেটিস (Diabetec) (৮) উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure); (৯) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরন (Brain Hemorrhage); (১০) দুশ্চিন্তাগ্রস্থ (Depression) (১১) অর্ধাঙ্গ রোগ (Paraliysis) (১২) মনস্তাত্ত্বিক রোগ (Psychological Diseases) (১৩) নিম্নাংশ অবশ হয়ে যাওয়া (সান উইকলি সুইডেন)

    গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, এ লিস্ট প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুর লিস্ট, যা প্রফেসর সাহেব গভীর চিন্তা ও গবেষনার পর প্রকাশ করেছেন । কিন্তু অপরদিকে রাসূল (সাঃ) এর বর্ননার প্রতি দৃষ্টিপাত করুন । রাসূল (সাঃ) বলেন, পেটের এক-তৃতীয়াংশ আহারের জন্য এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য আর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ।

    (মযাকুল আরেফীন) একজন দার্শনিকের নিকট যখন হুজুর (সাঃ) এর নির্দেশের কথা শুনানো হল তখন সে বলতে লাগল, এর চেয়ে উওম ও শক্তিশালী কথা আমি আজ পর্যন্ত শ্রবন করিনি ।

    লেখকঃ হুজাইফা রহমান

    কবি ও সাংবাদিক

  • শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    জার্মানিতে ছেলে শিশুদের ‘মুহাম্মদ’ নামটি খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ‘মুহাম্মদ’ নামটি  ২৬তম পছন্দের তালিকায় রয়েছে। গত এক দশকের কম সময়ের মধ্যে ৪১ ধাপ এগিয়ে নামটি এই অবস্তান অর্জন করেছে । খবর ডেইলি মেইল’র।

    সোসাইটি ফর জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ জানিয়েছে , যদি মুহাম্মদ নামের বিভিন্ন বানান আমলে নেয়া হয় তাহলে এর অবস্থান আরও সামনে এগিয়ে আসবে। এমনকি  আগামী তিন বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় চলে আসবে মুহাম্মদ ।

    সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড্রু ইওয়েল বলেন, এটা জার্মানিতে মুসলিম মাইগ্রেশনের কারণে হচ্ছে। এমনকি ২০২১ সালের মধ্যে মুহাম্মদ নামটি ১ নম্বর পছন্দের তালিকায় চলে আসবে।

    উল্লেখ্য, কট্টর ইসলামবিদ্বেষী রাজনৈতিক দল এএফডির নেতা আর্থার ওয়েঙ্গারের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার সময়েই এমন একটি খবর প্রকাশ পেল। এছাড়া গত মে মাসের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে লন্ডনে পছন্দের প্রথম ১০টি নামের তালিকায় মুহাম্মদ নামটি আছে ২য় নম্বরে।  ২০১৬ সালে আমেরিকায় জন্ম নেয়া ৯৫৮ জন শিশুর নাম রাখা হয়েছে মুহাম্মদ।

  • বরিশালে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা

    বরিশালে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা

    আজ বৃহস্পতিবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে বরিশাল অঞ্চল পর্যায়ের তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা। এরই মধ্যেই শেষ হয়েছে ইজতেমার সকল প্রস্তুতি। গতকাল বুধবার থেকেই নগরীর নবগ্রাম রোডে সদর উপজেলা সংলগ্ন ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছে মুসল্লিরা।

    এদিকে ইজতেমাকে ঘিরে ব্যপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ। বিশেষ করে জঙ্গি কিংবা নাশকতা প্রতিরোধে ইজমেতা মাঠের আশপাশে ছাত্রবাসা, আবাসিক হোটেল কিংবা মেস বাড়িতে বিশেষ নজরদাড়ি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ওইসব স্থাপনা গুলোতে নিয়মিত তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) জাহাঙ্গীর মল্লিক। তাছাড়া মুসল্লিদের সুবিধার্তে ইজতেমা মাঠের আশপাশে কোন প্রকার দোকান পার্ট স্থাপণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ।

    তাবলীগ জামায়াতের সুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মান্নান বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২৫ জানুয়ারী থেকে সদর উপজেলা পরিষদের পেছনে নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার প্রায় ১৪ একর জমিতে ইজতেমা শুরু হবে। আজ বৃহস্পতিবার ফজর নামাজের বাদে তাবলীগ জামায়াতের ভোলার আমীর মাওলানা তৈয়বুর রহমান এর আম বয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা।

    তিনি প্রায় দুই ঘন্টা বয়ান করবেন। এরপর সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তালিম অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের নিয়ে পৃথক পৃথক কামরায় বয়ান হবে। বাদ জোহর পুনরায় আসর পর্যন্ত এবং আসর বাদ মাগরিব পর্যন্ত বয়ান অনুষ্ঠিত হবে। তাছাড়া এশার নামাজের পূর্বে মোজাকারা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে গতকাল বুধবার ইজতেমাস্থল পরির্দশন করেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু।

  • ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    আগামী ২০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়। ২০৪০ সালে ইহুদিরা নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদিদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলিমরা। বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১ লাখ মুসলিম যোগ হচ্ছে। মুসলমান অভিবাসী এবং আমেরিকান মুসলমানদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি থাকায় এমনটা হচ্ছে।  মুসলমানদের সংখ্যা ইহুদি জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    যুক্তরাষ্ট্রে খ্রিস্টানরাই বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যার শতকরা ৭১ ভাগ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। এরপরেই অবস্থান করছে ইহুদিরা। যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৭ সালে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল ৩.৪৫ মিলিয়ন, যা মোট জনসংখ্যার শতকরা ১.১ ভাগ।
    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৫ সালে  ইহুদি জনগোষ্ঠী ছিল ১.৮ শতাংশ।  মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ।

    গবেষণায় দেখানো হয়, মুসলিমদের সংখ্যা আগামী দুই দশকে দাঁড়াবে ১.৮ শতাংশে। মুসলিমদের মোট সংখ্যা হবে ৮০ লাখের বেশি। ওই সময় ইহুদি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১.৪ শতাংশে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে খুব। এই ধারা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয়গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হবে মুসলমানরা।

    তথ্যসূত্র: নিউজউইক

  • আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে শেষ হয়। ৩৫ মিনিটের এ মোনাজাতের ১৪ মিনিট আরবিতে ২১ মিনিট বাংলায় পরিচালিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। এবারই প্রথম বাংলায় মোনাজাত হয়েছে।

    এর আগে সকাল সোয়া ৮টা থেকে বাংলা ভাষায় হেদায়েতি বয়ান শুরু হয়। এবার কাকারাইলের মুরুব্বি মাওলানা আবদুল মতিন বাংলায় এ হেদায়েতি বয়ান করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে তাবলিগ জামাতের গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ ‘হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত’ বাংলাদেশের আলেমরা দুটি একত্রে কখনো করেননি বলে জানা যায়।

    সাধারণত শেষ দিনের হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত উভয়টি দিল্লি মারকাজ থেকে আসা মুরুব্বিরা করে থাকতেন এবং তা উর্দু ভাষায় হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

    কিন্তু এবার ইজতেমায় ভারতের দিল্লিরি নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভী ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় এই প্রথম বাংলাদেশি আলেমদের মাধ্যমে শেষ দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দুটি আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে।

    তাছাড়া ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার ধর্মপ্রাণ মানুষ মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর রাত থেকে ইজতেমার ময়দানের দিকে রওনা হয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, আখেরি মোনাজাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা, পূবাইলের মিরেরবাজার ও আশুলিয়ায়ার আবদুল্লাহপুরে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিকল্প পথে চলতে পারবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা যাত্রীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    আজ শেষ হচ্ছে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • এবার বাংলায় হবে বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাত

    এবার বাংলায় হবে বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাত

    এবার বিশ্ব ইজতেমায় আখেরী মোনাজাত হবে বাংলায়। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বাংলাদেশি মাওলানা হাফেজ জোবায়ের। বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    শুক্রবার রাতে তাবলীগ জামাতের মুরুব্বীদের নিয়ে এক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
    আখেরি মোনাজাতের আগে হেদায়তি বয়ান হয় তা করবেন আরেক বাংলাদেশি মাওলানা আব্দুল মতিন।
    বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন আরো জানান, রবিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
    তবে তাবলীগ জামাতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক শীর্ষ স্থানীয় মুরুব্বী বলেন, আখেরি মোনাজাত হবে আরবিতে কিংবা উর্দূতে।

  • আম বয়ানের মধ্য দিয়ে তুরাগ পাড়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু

    বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ শুক্রবার ফজরের নামাযের পর আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে জর্ডানের শেখ ওমর খতিব আ’ম বয়ানের শুরু হয় ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমা। ৭৯টি দেশের ৩ হাজার ৯১৯ জন বিদেশি মেহমান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৪টি জেলার কয়েক লাখ মুসুল্লি এই পর্বে অংশ নিচ্ছেন। তবে তাবলিগ জামাতের শূরা সদস্য দিল্লীর মাওলানা সা’দ ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন না। আজ ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসুল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    তাবলীগ জামাত আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশগ্রহণের জন্য দেশি-বিদেশি মুসুল্লীরা ইজতেমা ময়দানে এসে সমবেত হয়েছেন। ইজতেমার মূল বয়ান মঞ্চ থেকে জ্যেষ্ঠ মুরুব্বীরা আগত মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাষায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশিত ইসলামী বিধানের উপর দিক নির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করছেন। ইজতেমার প্রথম পর্বে দেশের ১৬টি জেলা থেকে আগত মুসুল্লিরা ২৮টি খিত্তায় অবস্থান করে ভোর থেকেই বয়ান শুনছেন।

    ইজতেমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

    এক মুসুল্লির মৃত্যু : রাত পৌনে ১২টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম- আজিজুল হক (৬০)। তার বাড়ি মাগুরা জেলার শালিথা থানার হবিশপুর গ্রামে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ১১টার দিকে ইজতেমা ময়দানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়।

    আগামি ১৪ জানুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব।

  • ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা

    ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা

    গাজীপুরের টঙ্গীতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা ও পার্কিং নির্ধারণ করা হয়েছে।
    বিশ্ব ইজতেমা ২০১৮ আগামী ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ও ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য ধর্মপ্রাণ হাজার হাজার মুসুল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানে যাতায়াত করবে বিধায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত, কালীগঞ্জ-টঙ্গী মহাসড়কের মাজুখান ব্রিজ থেকে স্টেশনরোড ওভার ব্রিজ পর্যন্ত এবং কামারপাড়া ব্রিজ থেকে মুন্নু টেক্সটাইল মিলগেট পর্যন্ত সড়কপথ বন্ধ করার প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্যে ১৩ জানুয়ারি ও ২০ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১০টা থেকে নিম্নবর্নিত প্রবেশপথসমূহে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
    নিলতলী রেলক্রসিং, টঙ্গী, গাজীপুর; কামারপাড়া ব্রিজ, টঙ্গী, গাজীপুর; ভোগড়া বাইপাস, জয়দেবপুর, গাজীপুর; এছাড়া পন্টুন সেতু নির্মাণ ও মুসুল্লিদের চলাচলের সুবিধার্থে কামারপাড়া সেতু থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত তুরাগ নদীতে সকল প্রকার নৌযান চলাচল ও নোঙর করা ৯ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নৌযানসমূহ টঙ্গী সেতুর পূর্ব পার্শ্বে এবং কামারপাড়া সেতুর উত্তর পার্শ্বে নোঙর করতে পারবে।
    ইজতেমা চলাকালীন জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে আগত মুসুল্লিদের বহনকারী যানবাহন পার্কিং এর জন্য টঙ্গীস্থ কাদেরীয়া টেক্সটাইল মিল কম্পাউন্ড, মেঘনা টেক্সটাইল মিলের পার্শ্বের রাস্তার উভয় পাশে, শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গণ, শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠের উত্তর পার্শ্বে টিআইসি মাঠ, জয়দেবপুর থানাধীন ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠ, চান্দনা চৌরাস্তা হাইস্কুল মাঠ, জয়দেবপুর চৌরাস্তা ট্রাকস্ট্যান্ড এবং নরসিংদী কালীগঞ্জ হয়ে আগত মুসুল্লিগণের বহনকারী যানবাহন টঙ্গীস্থ কে-টু (নেভী) সিগারেট ফ্যাক্টরি সংলগ্ন খোলা জায়গায় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
    ইজতেমায় আগত মুসুল্লিগণের যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য ১১ জানুয়ারি বিকেল ৬ টা থেকে উল্লিখিত মহাসড়ক, সড়কগুলো পরিহার করে বৃহত্তর জেলাসমূহ থেকে ঢাকাগামী যানবাহন জয়দেবপুর থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে টঙ্গী হয়ে ডিএমপি এলাকায় প্রবেশের পরিবর্তে জয়দেবপুর চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী, চন্দ্রা ত্রিমোড়, বাইপাইল, নবীনগর, আমিনবাজার হয়ে চলাচল করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
    এছাড়া আগামী ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি এবং ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত বাস্তুহারা থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত মহাসড়ক, স্টেশনরোড ওভারব্রিজ থেকে টঙ্গী রেলগেট ও মুন্নু টেক্সটাইল মিল থেকে কামারপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত সড়কে যানজট এড়ানোর জন্য মটরযান ব্যতীত রিকশা, ভ্যান ইত্যাদি চলাচল বন্ধ থাকবে।
    ভিভিআইপি, ভিআইপিসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইজতেমা সমাপ্ত হবে। বাসস
  • মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও  জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    শেখ সুমন

    পবিত্র শহর জেরুজালেমকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিশ্ব সন্ত্রাস ইসরাইলের রাজধানী করার প্রতিবাদে আজ বিকালে বরিশাল টাউন হলের সামনে বিক্খোব সমাবেশের আয়োজন করেম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর ও জেলার যৌথ আয়োজনে সভা ও র্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ( পিরে কামেল , চরমোনাই )।সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল খায়ের ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় ইসলাম প্রেমি হাজারো তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সকল বক্তাগন তাদের বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রামের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান।তারা বলেন রক্ত দিয়ে হলেও জেরুজালেম কে বাচানো হবে।ফিলিস্থানের রাজধানী জেরুজালেম ।জেরুজালেম কখনও ইসরাইলের রাজধানী হতে পারেনা।পিরে কামেল চরমোনাই বলেন, আমরা মুসলমান ।মুসলমান বীরের জাতী।আর মুসলমান কখনও জেরুজালেম কে ইসরাইলের রাজধানী হতে দিবে না।প্রয়োজনে আমরা রক্ত দিবো।তবু জেরুজালেম কে রখ্যা করবো।তিনি আরো বলেন,জেরুজালেমের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আরো শক্ত ভুমিকা পালন করতে হবে।আর সমগ্র মুসলিম জাতীকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

  • মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আজকের বিজ্ঞানের গবেষণা-এষণায় বিমূর্ত হচ্ছে রাসুল (সা.)-এর খাবারগুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা।

    নিম্নে সংক্ষেপে রাসুল (সা.)-এর কিছু খাবারের আলোচনা বিধৃত হলো।

    পনির : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তাবুকের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর কাছে কিছু পনির উপস্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে একটি চাকু দিয়ে সেগুলো কাটেন এবং কিছু আহার করেন। (আবু দাউদ : ৩৮১৯)

    মাখন : হজরত ইবনাই বিসর আল মুসলিমাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেন, ‘একবার আমাদের ঘরে রাসুল (সা.) আগমন করেন। আমরা তাঁর সম্মুখে মাখন ও খেজুর পরিবেশন করি। তিনি মাখন ও খেজুর পছন্দ করতেন। ’ (তিরমিজি : ১৮৪৩)

    মিঠাই ও মধু : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন। ’ (বুখারি, ৫১১৫; মুসলিম, ২৬৯৫) বুখারি শরিফের আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মধু হলো উত্তম ওষুধ। ’ (৫৩৫৯)

    ঘি মাখা রুটি : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন বলেন, ‘যদি আমাদের কাছে বাদামি গমে তৈরি ও ঘিয়ে সিক্ত সাদা রুটি থাকত, তাহলে সেগুলো আহার করতাম।

    ’ আনসারি এক সাহাবি এই কথা শুনে এ ধরনের রুটি নিয়ে আসেন…। (ইবনে মাজাহ : ৩৩৪০)

    দুধ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘মিরাজের রাতে বায়তুল মাকদিসে আমি দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হলে জিবরাইল (আ.) আমার সম্মুখে শরাব ও দুধের আলাদা দুটি পাত্র রাখেন। আমি দুধের পাত্রটি নির্বাচন করি। জিবরাইল (আ.) বললেন, ‘আপনি প্রকৃত ও স্বভাবজাত জিনিস নির্বাচন করেছেন। ’ (বুখারি : ৩১৬৪, তিরমিজি, ২১৩)

    খেজুর : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে বার্লির এক টুকরো রুটির ওপর একটি খেজুর রাখতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, ‘এটিই সালন-মসলা। ’ (আবু দাউদ : ৩৮৩০)

    অন্য হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে বাড়িতে খেজুর নেই, সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। ’ এমনকি প্রিয় নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    কিশমিশ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.)-এর জন্য কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা হতো এবং তিনি সেগুলো পান করতেন। ’ (মুসলিম)

    সারিদ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুল (সা.)-এর কাছে রুটির সারিদ ও হায়সের সারিদ অত্যন্ত প্রিয় ছিল। ’ (আবু দাউদ : ৩৭৮৩)

    সারিদ হলো গোশতের ঝোলে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি বিশেষ খাদ্য। আর হায়স হলো মাখন, ঘি ও খেজুর দিয়ে যৌথভাবে বানানো খাবার।

    সিরকা : হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) তাঁর পরিবারের কাছে সালন কামনা করেন। তাঁরা বলেন, আমাদের কাছে তো সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। মহানবী (সা.)-এর কাছে সেগুলো নিয়ে আসা হলে তিনি তা থেকে খেতে শুরু করেন। তারপর বলেন, ‘সিরকা কতই না উত্তম সালন! সিরকা কতই না উত্তম সালন!’ হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘সেদিন থেকে আমি সিরকা পছন্দ করতে শুরু করি। ’ (মুসলিম : ২০৫১)

    তরমুজ ও শসা : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) তরমুজের সঙ্গে ‘রাতাব’ বা (পাকা-তাজা) খেজুর খেতেন। (বুখারি :  ৫১৩৪, তিরমিজি : ১৮৪৪)

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে শসার সঙ্গে ‘রাতাব’ খেতে দেখেছি। (মুসলিম : ৩৮০৬)

    খরগোশের গোশত : হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, মাররুজ জাহরান নামক স্থানে আমাদের পাশ দিয়ে একটি খরগোশ লাফিয়ে পড়ে। দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গীরা খরগোশটিকে ধাওয়া করে, কিন্তু তারা সেটিকে পাকড়াও করতে না পেরে ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে আমি ধাওয়া করে এর নাগাল পাই এবং ধরে হজরত আবু তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি মারওয়া নামক স্থানে সেটি জবাই করেন। এরপর খরগোশটির ঊরু ও নিতম্ব আমাকে দিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে পাঠান। রাসুল (সা.) সেগুলো ভক্ষণ করেন। ’ তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসুল কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বলেন, গ্রহণ করেছিলেন। (বুখারি : ২৪৩৩)

    খাসির পায়া : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা ছোট খাসির পায়া রান্না করতাম। রাসুল (সা.) কোরবানির ১৫ দিন পরও সেগুলো খেতেন। ’ (বুখারি : ৫১২২)

    মোরগ : হজরত জাহদাম (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন আবু মুসা একটি মোরগ নিয়ে আসেন। ফলে উপস্থিত একজন গলার স্বর ভিন্ন করে আওয়াজ করল। হজরত আবু মুসা জিজ্ঞেস করলেন, কী হলো তোমার? লোকটি বলল, মোরগকে আমি বিভিন্ন খাবার খেতে দেখে আমার অপছন্দ হওয়ায় শপথ করেছি, কোনো দিন মোরগ খাব না। হজরত আবু মুসা তাকে বললেন, ‘কাছে আসো। খাওয়ায় অংশগ্রহণ করো। কারণ আমি রাসুল (সা.)-কে মোরগ খেতে দেখেছি। আর তুমি তোমার শপথ ভঙ্গের কাফফারা আদায় করে দেবে। (বুখারি :  ৫১৯৮, ৪৬৬২; মুসলিম : ১৬৪৯)

    লাউ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার একজন দর্জি রসুল (সা.)-কে খাবারের দাওয়াত করে। আমিও মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে সেই খাবারে অংশগ্রহণ করি। রাসুল (সা.)-এর সামনে বার্লির রুটি এবং গোশতের টুকরা ও কদু মেশানো ঝোল পরিবেশন করে। আমি দেখেছি, রাসুল (সা.) প্লেট থেকে খুঁজে খুঁজে কদু নিয়ে খাচ্ছেন। আর আমিও সেদিন থেকে কদুর প্রতি আসক্ত হয়ে উঠি। (মুসলিম, ২০৬১; বুখারি, ৫০৬৪)

    জলপাই : রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জয়তুন খাও এবং জয়তুনের তেল গায়ে মাখো। কেননা এটি একটি মোবারক বৃক্ষ থেকে তৈরি। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০০৩, তিরমিজি : ১৮৫১)

    সামুদ্রিক মাছ : মহানবী (সা.) সাগরের মাছ পছন্দ করতেন। এ বিষয়ে আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-এর একটি দীর্ঘ হাদিস আছে। হাদিসটি বুখারি (৪৩৬১) ও মুসলিম  (১৯৩৫) শরীফে বর্ণিত হয়েছে।

    বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, রাসুল (সা.) মরুভূমির এক প্রকার পাখির গোশত, মাশরুম, বার্লি, গাজর-ডুমুর, আঙুর, ভিনেগার, ডালিম ইত্যাদি পছন্দ করতেন।