Category: ইসলাম

  • ১ মে পবিত্র শবে বরাত

    ১ মে পবিত্র শবে বরাত

    বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার ১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৪ শাবান বা ১ মে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যসচিব সামীম মোহাম্মদ আফজাল। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দিন আহমাদ, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আবদুর রহমান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমুখ। ‘শবে বরাত’ হলো সৌভাগ্যের রজনী, যাকে আরবিতে বলা হয় ‘লাইলাতুল বরাত’।

    হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। মহিমান্বিত এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিগত জীবনের সব ভুলভ্রান্তি ও পাপের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ জীবনে পাপ-পঙ্কিলতা পরিহার করে পরিশুদ্ধ জীবনযাপনের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা করেন। ইবাদত-বন্দেগি ছাড়াও প্রয়াত স্বজনদের কবর জিয়ারতও করে থাকেন মুসলমানরা।

  • আজ পবিত্র শবে মেরাজ

    আজ পবিত্র শবে মেরাজ

    আজ পবিত্র শবে মেরাজ। ৬২০ খ্রিস্টাব্দে ২৬ রজব রাতে মহানবী (সা.) আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে বিশেষ ব্যবস্থায় ঊর্ধ্বকাশে যান।

    সেখান থেকে তিনি একা রফরফ নামক বিশেষ বাহনে ৭০ হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহতায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন। এরপর পাঁচওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে ফিরে আসেন পৃথিবীতে।

    একই সময়ে মহানবী (সা.) সৃষ্টি জগতের সবকিছুর রহস্য অবলোকন করেন। আরবি ভাষায় মেরাজ অর্থ হচ্ছে সিঁড়ি। আর ফার্সি ভাষায় এর অর্থ ঊর্ধ্ব জগতে আরোহণ।

  • নামাজ না পড়ার শাস্তি

    নামাজ না পড়ার শাস্তি

    নামাজ না পড়ার শাস্তি:

    ♦দুনিয়াতে ছয়টি আযাব ১, তাহার জীবনে কোনরূপ বরকত হইবেনা। ২, আল্লাহ্ তার চেহারা হইতে নেক লোকের চিহ্ন উঠাইয়া লইবেন। ৩, যে যাহা কিছু নেক কাজ করবে, তাহার ছওয়াব পাইবেনা। ৪, তাহার দোয়া আল্লাহ্ পাকের নিকট কবুল হইবে না। ৫, আল্লাহ্ পাকের সমস্ত ফেরেশতা তাহার উপর অসন্তুষ্ট থাকবে। ৬, ইসলামের মূল্যবান নেয়ামত সমূহ হইতে বঞ্চিত করা হইবে। ♦মৃত্যুর সময় আজাব তিনটি ১, অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া মৃতু্যবরণ করিবে। ২, ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরন করিবে। ৩, মৃত্যুকালে তাহার এত পিপাসা পাইবে যে, তাহার ইচ্ছা হইবে দুনিয়ার সমস্ত পানি পান করিয়া ফেলিতে। কবরের মধ্যে তিনটি আজাব ১, তাহার কবর এমন সংকীর্ণ হবে যে তাহার এক পাশের হাড় অপর পাশের হাড়ের সংগে মিলিত হইয়া চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যাইবে। ২, তাহার কবরে, দিনরাত্রি সবসময় আগুন জ্বালাইয়া রাখা হবে।

    ৩, আল্লাহ্ তাহার কবরে একজন আজাবের ফেরেশ্তা নিযুক্ত করিবেন। তাহার হাতে লোহার মুগুর থাকবে। সে মৃত ব্যক্তিকে বলতে থাকবে যে, দুনিয়ায় কেন নামায পড় নাই। আজ তাহার ফল ভোগ কর। এই বলিয়া ফজর নামায না পড়ার জন্য ফজর হইতে জোহর পর্যন্ত, জোহর নামাযের জন্য জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, আছরের নামাযের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের নামাযের জন্য মাগরিব হইতে এশা পর্যন্ত এবং এশার নামাযের জন্য এশা হইতে ফজর পর্যন্ত লোহার মুগুর দ্বারা আঘাত করতে থাকবে। প্রত্যেক বার আঘাতের সময় বজ্রপাতের মত শব্দ হইবে এবং শরীর চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া পঞ্চাশ গজ মাটির নিচে চলিয়া যাইবে। সেই ফেরেশ্তা পুনরায় তাহাকে জীবিত করিয়া হাড় মাংস এক করিয়া আবার আঘাত করিতে থাকিবে। এই ভাবে কিয়ামত পর্যন্ত লোহার মুগুর দিয়া তাহাকে আঘাত করতে থাকবে। ♦হাশরের মাঠে তিনটি আজাব ১, একজন ফেরেশতা তাকে পা উপরের দিকে এবং মাথা নিচের দিকে অবস্থায় হাশরের মাঠে লইয়া যাইবে। আল্লাহ পাক তাহাকে অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখবেন না। সে চির কালের জন্য দোযখী হইয়া নিজের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে থাকবে।

    নবী করিম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে আট শ্রেণীর লোকের উপর কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাক অসন্তুষ্ট থাকবেন। তাহাদের মুখের আকৃতি অত্যন্ত কুশ্রী ও ভীষণাকার হইবে। হাশরের মাঠে প্রত্যেক ব্যক্তি তাহাদিগকে দেখিয়া ঘৃণা করিবে। এই কথা শুনার পরে সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সে সমস্ত লোক কাহারা? নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বললেন — ১, জ্বেনা-কারী ২, অবি-চারক বাদশাহ্ বা হাকিম। ৩, মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান। ৪, সুদখোর ৫, পর- নিন্দাকারী ৬, অন্যায়কারী এবং অত্যাচারী ৭, মিথ্যা সাক্ষীদাতা। ৮ বে-নামাযী। ইহাদের মধ্যে বে-নামাযীর শাস্তিই বেশী হইবে। বে-নামাযীকে আগুনের পোশাক পড়াইয়া শিকলে বাঁধিয়া আগুনের কোড়া মারতে থাকবে। বেহেশত তাহাকে বলতে থাকবে তুমি আমার দিকে অগ্রসর হইওনা। দোযখ তাহাকে বলবে আমি তোমার জন্যই অপেক্ষা করছি। তোমার দ্বারা আমার পেটের ক্ষুধা নিবারণ করব। এই বলিয়া দোযখ তাহার জিহ্বা বাড়াইয়া ভিতরে নিয়া যাইবে। নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহান্নাম দোযখের মধ্যে লমলম নামে একটি কুপ আছে। উহা অসংখ্য সাপ বিচ্ছুতে ভর্তি। প্রত্যেকটা সাপ একটি পাড়ের সমতুল্য এবং একটা বিচ্ছু হাতির সমতুল্য হইবে। সেই সমস্ত সাপ বিচ্ছু সব সময় বে-নামাযীকে কামড়াইতে থাকিবে, একবার কামরাইলে সত্তর বৎসর পর্যন্ত তাহার যন্ত্রনা থাকিবে এবং কাহারও মৃত্যু হইবে না।

  • কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদে জড়িত নয়: পলক

    কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদে জড়িত নয়: পলক

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক বলেছেন, অতীতের সব সরকার কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে ব্যবহার করেছে। অথচ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের সম্মান ও মর্যাদা পুনপ্রতিষ্ঠিত করেছে। সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে আলেম ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানিয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে পুনরায় জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান পলক।

    শনিবার দুপুরে সিংড়া পৌর কমিউনিটি সেন্টারে চলনবিল আন্তঃমাদ্রাসা কেরাত, আযান, হামদ, নাত ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    এসময় তিনি আরো বলেন, উচ্চ শিক্ষিত পরিবারের সন্তানরা হলি আর্টিজানে হামলার মাধ্যমে জানান দিয়েছে বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত নয়।  মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতিটি স্তরে ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার ধারা অব্যাহত রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    সিংড়া দমদমা আল-জামিয়াতুল কুরআনিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হুসাইন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওহিদুর রহমান শেখ, ওলামা লীগ সভাপতি আব্দুস শুকুর, জেলা পরিষদ সদস্য আল আজাদ সানা, আওয়ামী লীগ নেতা দিদার হায়াত প্রমুখ।

  • সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    শেখ সুমন :

    বিশ্বের সকল মুসলমানের মানবতার কল্যাণ ও শান্তি কামনায় মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চরমোনাইর ফালগুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল।

    আজ শনিবার কীর্তনখোলা নদীর তীরে লাখো ভক্ত-মুরিদান এই মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মানাজাত পরিচালনা করেন চরমোনাই পীর সাহেব আলহাজ্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

    এর আগে আজ শনিবার ফজরের নামাজের পীর সাহেব চরমোনাই মাহফিলে অংশগ্রহণকারী মুসলি¬দের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন।

    বয়ানে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের প্রস্তুতির নসিহত করে বলেন, এ দুনিয়া থাকার জায়গা নয়। তাই কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়ার মোহে পড়তে থাকতে পারে না।

    তিনি আরো বলেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের কামাইয়ের জায়গা। এখান থেকে পরকালের জীবনকে সাজাতে যারা চেষ্টা যত বেশি হবে, পেরকালে সে ততই সফলতা লাভ করবে। আপনারা বহু দূর থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে এসেছেন, খেয়ে না খেয়ে চরমোনাইর এ ময়দানে অবস্থান করেছেন। আপনাদের আশা এবং কষ্ট তখনই সফলকাম হবে যখন আপনার দৈনন্দিন জীবনের আমলগুলো সুন্দরভাবে পালন হবে।

    পরে মোনাজাতে মহান আল্লাহর কাছে সকল পাপ ও অন্যায় থেকে মুক্তির জন্য আকুতি জানান মুসলি¬রা। দেশ-জাতি ও মানবতার কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তির প্রার্থণা করা হয়। দোয়া করা হয় মায়ানমারের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য।

    দোয়া মোনাজাত চলাকালে আমিন আমিন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো চরমোনাই ময়দান।

  • উদ্ভোধনী বয়ানের মধ্যদিয়ে চরমোনাইর ফাল্গুনের মাহফিল শুরু

    উদ্ভোধনী বয়ানের মধ্যদিয়ে চরমোনাইর ফাল্গুনের মাহফিল শুরু

    ৭-ই মার্চ জোহরের নামাজের পর উদ্ভোধনী বয়ানের মাধ্যমে ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে চরমোনাই মাহফিলের এই আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
    পীর সাহেব সৈয়দ রেজাউল করীম তার বয়ানের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ দেন এত কষ্ট করেও চরমোনাই মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার জন্য। তিনি চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আমার আব্বাজান দাদাজানের সূত্রে বলতেন, আল্লাহভোলাদেরকে আল্লাহর পথ দেখানোই হলো চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য। চরমোনাই মাহফিল আখিরাতের কামাইয়ের জন্য, দুনিয়া অর্জনের জন্য নয়। এখানে পার্থিব উন্নয়নের কোনো তদবির দেয়া হয় না। আমরা তদবির দিই না। কোনো তদবির দিতেও জানি না। আল্লাহর হুকুম মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করে পীর সাহেব বলেন, আল্লাহপাক মানুষকে তার ইবাদত করার জন্যই শ্রেষ্ঠ মাখলুক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। শুধু নামাজের নামই ইবাদত নয়, সর্বক্ষেত্রে মালিকের হুকুম মেনে চলার নামই ইবাদত। কেউ মাগরিবের নামাজ চার রাকাত আদায় করলে কি তার নামায হবে? হবে না। কারণ, আল্লাহর হুকুম হলো তিন রাকাত পড়া। এজন্য বেশি পড়ে লাভ হবে না। আল্লাহ যেভাবে তার হুকুম পালন করতে বলেছেন, সেভাবেই আদায় করতে হবে।
    এরপর অন্যান্য আরো আলোচনা এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে বয়ানের প্রথম পর্ব শেষ করে মাহফিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়। বয়ানের শুরুতেই লাখো মানুষের স্লোগানে মুখরিত হয় কীর্তণখোলা নদীর প্রান্তর। লাখো মানুষের এ অংশগ্রহন যেন সত্যিই অবাক করার মত। মাহফিলের সূত্র থেকে জানাযায় পীর সাহেব দ্বিতীয়, পঞ্চম, ষষ্ট বয়ান এবং আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন। কেবল তৃতীয়, চতুর্থ বয়ান করবেন শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। সর্বশেষ ১০ তারিখে আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই বিশাল জনসমাগম।
    মাহফিল সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, এ বছর মাহফিলে লোক সমাগম অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। মুসুল্লিদের জন্য নির্ধারিত চার মাঠ গত রাতেই কাণায় কানায় পুর্ন হয়ে গেছে। পঞ্চম মাঠ ঠিক করা হয়েছে গত রাতে যে মাঠও রাতের মধ্যে পুর্ন হয়ে গেছে বলে জানা যায়। মাহফিলে পীর সাহেবদের আধ্যাতিক বয়ান ছাড়াও প্রতিদিন কিছু ধারাবাহিক কার্যক্রম রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মাহফিলের দ্বিতীয় দিন সকাল দশটা থেকে উলামা মাশায়েখ সম্মেলন এবং মাহফিলের তৃতীয় দিন সারাদেশ থেকে আগত ছাত্রদের গন জমায়েত। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সকল অঙ্গ সংগঠনের ধারাবাহিক কর্মসূচি রয়েছে যেখানে সংগঠনের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম জাতির উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনা মুলক বক্তৃতা প্রদান করবেন।  বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মেহমানরাও মাহফিলে ধারাবাহিক বয়ান বক্তৃতা করবেন বলে জানা গেছে।
    বরিশালের চরমোনাইর এই বাৎসরিক মাহফিল কেবল এদেশেই নয় বিদেশেও আবেদন সৃষ্টি করতে পেরেছে। অনেক বিদেশী মেহমানদের সমাগম হবে এ মাহফিলে। বিদেশী বেশ কিছু ভিআইপি ধর্মীয় শায়েখ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ মাহফিলে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। কওমি শিক্ষার সুতিকাগার ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার বেশ কয়েকজন শিক্ষক, সৌদি, কাতার, মিশর, বাহরাইনসহ অনেক দেশ থেকেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ মাহফিলে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন মাহফিল সূত্র।
    চরমোনাই এই বাৎসরিক মাহফিল দেশ ও জাতির কল্যান কামনায় বদ্ধ পরিকর রয়েছে সব সময়। মাহফিলের সর্বোচ্চ সফলতা কামনায় সবার প্রতি দোয়া চেয়েছেন পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম।
  • চরমোনাই’র বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু আজ

    চরমোনাই’র বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু আজ

    ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাদ্রাসা ময়দানে বুধবার থেকে ৩ দিন ব্যাপী বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু হচ্ছে। এ মাহফিলে যোগদানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক ও নৌপথে হাজার-হাজার মুরিদানসহ মুসুল্লীবৃন্দ চরমোনাই দরবারে পৌছতে শুরু করেছেন।

    এবারই প্রথম বরিশাল-ভোলা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক হয়ে নব নির্মিত সাহেবের হাট সেতু অতিক্রম করে মুসল্লীবাহী যানবাহন চরমোনাই দরবারে পৌছছে। এলজিইডি সাহেবের হাট নদীর ওপর একটি ‘প্রী-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার’ সেতুর কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। বুধবার চরমোনাই পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে এ মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হবে।

    মাহফিল উপলক্ষে চরমোনাই দরবারসহ সন্নিহিত বিশাল এলাকায় ইতোমধ্যে ব্যাপক আয়োজন সমপন্ন হয়েছে। বিশাল এলাকায় আগত মুসুল্লীয়ানদের অবস্থান, অজু-গোসল ও জামাতে নামাজ আদায়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ মাইকের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার চরমোনাই দরবারে কয়েক লাখ মুসুল্লী এক জামাতে জুম্মা নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। শনিবার বাদ ফজর বয়ান শেষে চরমোনাইর পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম সমবেত মুসুল্লীয়ানদের নিয়ে ৮ টার দেকে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করবে।

  • বিশ্ব সন্ত্রাসের সবচেয়ে বড় জঙ্গি যুক্তরাষ্ট্র : হাফিজ সাঈদ

    বিশ্ব সন্ত্রাসের সবচেয়ে বড় জঙ্গি যুক্তরাষ্ট্র : হাফিজ সাঈদ

    বিশ্বে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি বাড়ছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু যুদ্ধের সবচেয়ে বড় হুমকিদাতা৷ তাই বিশ্ব সন্ত্রাসের সবচেয়ে বড় জঙ্গি যুক্তরাষ্ট্র৷ এই ভাষাতেই যুক্তরাষ্ট্রকে বিঁধল জঙ্গি সংগঠন জামাত উদ দাওয়া প্রধান হাফিজ সাঈদ৷

    এক ধর্মীয় জনসভায় গতকাল শুক্রবার সাঈদ বলেন, বিশ্বে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি বিগত কয়েক দশক ধরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে৷ তার প্রধান কারণ আমেরিকার হস্তক্ষেপ৷ পাশাপাশি, আমেরিকার কথা মেনে চলার জন্য পাকিস্তানকেও এক হাত নেন তিনি৷

    হাফিজ এদিন সন্ত্রাস প্রসঙ্গে সেই  সভায় বলেন, আমেরিকার তোষামোদ করার জন্যই এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের এই সন্ত্রাস বিদ্ধস্ত হাল৷ আফগানিস্তানে আমেরিকার ব্যর্থতার দায়ভার পাকিস্তানের ওপর চাপালেও, তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে এই কুখ্যাত জঙ্গি৷

    এর আগে, মার্কিন সেনাবাহিনীকে জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে তুলনা করে ইরান। আইএস নয়, এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জঙ্গি বাহিনী হিসাবে মর্যাদা পেতে পারে মার্কিন সেনাবাহিনী। আমেরিকাকে আক্রমণ করে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশ নীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মুখপাত্র সায়েদ হোসেন নাকাভি হোসেইনি এই মন্তব্য করেন।

  • সিলেটে ওয়াজ মাহফিল নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১

    সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ওয়াজ মাহফিল নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। নিহত যুবক হরিপুর মাদ্রাসার ছাত্র মোজাম্মেল হোসেন।

    সোমবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের জেরে স্থানীয় আমবাড়ি, ঝিঙ্গাবাড়ি ও কাঠাল বাড়ি নামের তিনটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    জৈন্তাপুর থানার ওসি খান মো. ময়নুল জাকির সাংবাদিকদের জানান, ওয়াজকে কেন্দ্র করে ওই সমাবেশের মধ্যে ওয়াহাবি মতাদর্শের লোকদের সঙ্গে সুন্নি মতাদর্শের লোকদের সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়। তবে আহতদের নাম এখনো জানা যায়নি। তাদের সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এ সম্পর্কে যদ্দুর জানা যায়, লুপারকালিয়া নামে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিল, যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ সমানতালে মদ পান করত এবং লটারির মাধ্যমে সঙ্গী বেছে নিয়ে তার সঙ্গে একান্তে মিলিত হতো। অতঃপর রোমানরা যখন তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধাবিত হচ্ছিল, তখন তারা প্রাচীন দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে মেনে নিতে পারছিল না। আবার উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে ছেড়েও দিতে পারছিল না। অবশেষে উৎসবটিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে উৎসর্গ করে উদযাপন করত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ নোয়েল লেন্সকি বলেছেন, লুপারকালিয়া উৎসবে পুরুষরা দেবী লুপারকাসের নামে একটি ছাগল আর একটি কুকুর বলি দিত। তারপর মৃত ছাগল বা কুকুরের চামড়া দিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের বেদম প্রহার করত। তাদের বিশ্বাস, এ প্রহারের কারণে মেয়েদের প্রজননক্ষমতা বাড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের সূচনা ইতিহাস সম্পর্কে আরও যা জানা যায়, ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস বিবাহিত পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বন্ধ করে দেন এবং আইন জারি করেন, তার সাম্রাজ্যে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। কারণ বিবাহিত সেনারা স্ত্রী-সন্তানদের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে চাইত না। কিন্তু রোমান এক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের ন্যায়ভ্রষ্ট নিয়মের প্রতিবাদ করেন এবং বিয়ে করেন। এ খবর সম্রাট ক্লডিয়াসের কাছে পৌঁছলে তিনি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ দিবসকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। আবার কারও কারও মতে, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্টান পাদরি ও চিকিৎসক। সে সময় রোমানরা ছিল দেব-দেবীর অনুসারী। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বন্দী অবস্থাতেই ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করেন। ফলে মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে লিখে যান, Love From your valentine. আর এ ঐতিহাসিক দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ আছে বলেই এখনো টিকে আছে এ নশ্বর পৃথিবী। আল্লাহতায়ালা নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর কুদরতের মধ্যে অন্যতম একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ (সূরা আর রুম : ২১)।

    ভালোবাসা হলো খোদায়ি অনুভূতি, আত্মার তৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি। আল্লাহতায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী (সা.) জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়; বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসার পরিচালক হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তি, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে মানুষের মনুষ্যত্ব, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্য। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন; যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত। যে কোনো দিবস উদ্যাপনে সুস্থ ও সুন্দরভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে সচেষ্ট হওয়া ইসলামের শাশ্বত নীতি। আজ পবিত্র ও সত্যিকার ভালোবাসার অভাবে সর্বত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ, ছড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো অসংখ্য অপরাধ। তাই মহান স্রষ্টার সমীপে এই মিনতি যে, সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক সব ধরনের অশ্লীলতা, বেলেল্লাপনা ও অপসংস্কৃতি। জয় হোক পবিত্র, অকৃত্রিম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

    লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা (ভাঙ্গা প্রেস) যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।