Category: ধর্ম

  • কাকরাইলে তাবলীগের মারকাজ মসজিদে ২ গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    কাকরাইলে তাবলীগের মারকাজ মসজিদে ২ গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    রাজধানীর কাকরাইলে তাবলীগ জামাতের মারকাজ মাসজিদে মুসল্লিদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মওলানা জুবায়ের ও মওলানা ওয়াসিফুল হক গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

    পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    মুসল্লিদের সূত্রে জানা যায়,  কয়েকদিন আগে মওলানা জুবায়ের পাকিস্তান যান। সেখানে তাবলীগ নেতা মওলানা আহমেদ লাটসাহেব বাংলাদেশে তাবলীগ মুসল্লিদের একটি বিশেষ বার্তা দেন। মওলানা জুবায়ের দেশে ফিরে আসার পর তিনি ওই বার্তা মুসল্লিদের কাছে জানাননি। এরইমধ্যে পাকিস্তান থেকে আহমেদ লাটসাহেব তার বার্তা অন্য মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেন। এ খবর জানাজানি হলে মওলানা জুবায়েরের বিরুদ্ধে একটি গ্রুপ সোচ্চার হয়ে ওঠে। এরই জের ধরে আজ সকালে কথাকাটা, হাতাহাতি ও একপর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল হক জানান, আজ এখানে তাদের একটি শুরা মিটিং ছিলো। মিটিংয়ে মতাদর্শগত বিরোধের সূত্র ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও বলেন, তাবলীগের ঊর্ধ্বতন মুরব্বিদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হচ্ছে। বড়ধরনের কোন ঘটনা না ঘটে সেজন্যে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।

  • আমিরাতের ৭০ ভাগ মসজিদের দায়িত্বে বাংলাদেশিরা

    আমিরাতের ৭০ ভাগ মসজিদের দায়িত্বে বাংলাদেশিরা

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা আল বিদিয়া মাটির মসজিদ ও আবুধাবিতে নির্মিত বৃহত্তম শেখ জায়েদ মসজিদ ছাড়াও আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ, আল আইন, ফুজাইরা, আজমান ও রাস আল খাইমা প্রদেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার মসজিদ রয়েছে।

    কারুকাজে নির্মিত মসজিদগুলোর সৌন্দর্য প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে পর্যটকদের। এসব মসজিদে প্রতিদিন লাখো মুসল্লিকে নামাজ পড়ান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হাফেজ-ইমামরা। প্রতিটি মসজিদে আবার ইমামের সহযোগী হিসেবে রয়েছেন একজন করে মুয়াজ্জিন।

    Amirat

    আর এই ইমামদের তালিকায় বাংলাদেশিদের অবস্থান কম হলেও মুয়াজ্জিন হিসেবে আমিরাতের প্রায় ৭০ ভাগ মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মুয়াজ্জিন হলেও তারা পান ইমামের মর্যাদা। এমনকি ইমাম পেশা রেখেই ভিসা ইস্যু করা হয় তাদের।

    এমনটাই জানান স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে দায়িত্বরত বাংলাদেশি ইমাম-মুয়াজ্জিনরা। তবে এ পেশায় আসতে হলে স্থানীয় ইসলামিক সোসাইটি ওয়কাফে জমা করতে হয় শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ, দিতে হয় দক্ষতা ও পারদর্শীতার পরীক্ষা।

    Amirat

    আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ ঘুরে জানা গেছে, ছোট-বড় প্রায় মসজিদে এ পেশায় এশিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কদর বাংলাদেশিদের। এজন্যে সরকারি ওয়কাফের ইমাম-মুয়াজ্জিন ছাড়াও অনেক মসজিদে স্থানীয় আরবীদের অধীনে কাজ করেন বাংলাদেশি ইমাম-মুয়াজ্জিনরা।