Category: ধর্ম

  • ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা

    ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা

    গাজীপুরের টঙ্গীতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প রাস্তা ও পার্কিং নির্ধারণ করা হয়েছে।
    বিশ্ব ইজতেমা ২০১৮ আগামী ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ও ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য ধর্মপ্রাণ হাজার হাজার মুসুল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানে যাতায়াত করবে বিধায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত, কালীগঞ্জ-টঙ্গী মহাসড়কের মাজুখান ব্রিজ থেকে স্টেশনরোড ওভার ব্রিজ পর্যন্ত এবং কামারপাড়া ব্রিজ থেকে মুন্নু টেক্সটাইল মিলগেট পর্যন্ত সড়কপথ বন্ধ করার প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্যে ১৩ জানুয়ারি ও ২০ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১০টা থেকে নিম্নবর্নিত প্রবেশপথসমূহে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
    নিলতলী রেলক্রসিং, টঙ্গী, গাজীপুর; কামারপাড়া ব্রিজ, টঙ্গী, গাজীপুর; ভোগড়া বাইপাস, জয়দেবপুর, গাজীপুর; এছাড়া পন্টুন সেতু নির্মাণ ও মুসুল্লিদের চলাচলের সুবিধার্থে কামারপাড়া সেতু থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত তুরাগ নদীতে সকল প্রকার নৌযান চলাচল ও নোঙর করা ৯ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নৌযানসমূহ টঙ্গী সেতুর পূর্ব পার্শ্বে এবং কামারপাড়া সেতুর উত্তর পার্শ্বে নোঙর করতে পারবে।
    ইজতেমা চলাকালীন জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে আগত মুসুল্লিদের বহনকারী যানবাহন পার্কিং এর জন্য টঙ্গীস্থ কাদেরীয়া টেক্সটাইল মিল কম্পাউন্ড, মেঘনা টেক্সটাইল মিলের পার্শ্বের রাস্তার উভয় পাশে, শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গণ, শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠের উত্তর পার্শ্বে টিআইসি মাঠ, জয়দেবপুর থানাধীন ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠ, চান্দনা চৌরাস্তা হাইস্কুল মাঠ, জয়দেবপুর চৌরাস্তা ট্রাকস্ট্যান্ড এবং নরসিংদী কালীগঞ্জ হয়ে আগত মুসুল্লিগণের বহনকারী যানবাহন টঙ্গীস্থ কে-টু (নেভী) সিগারেট ফ্যাক্টরি সংলগ্ন খোলা জায়গায় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
    ইজতেমায় আগত মুসুল্লিগণের যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য ১১ জানুয়ারি বিকেল ৬ টা থেকে উল্লিখিত মহাসড়ক, সড়কগুলো পরিহার করে বৃহত্তর জেলাসমূহ থেকে ঢাকাগামী যানবাহন জয়দেবপুর থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে টঙ্গী হয়ে ডিএমপি এলাকায় প্রবেশের পরিবর্তে জয়দেবপুর চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী, চন্দ্রা ত্রিমোড়, বাইপাইল, নবীনগর, আমিনবাজার হয়ে চলাচল করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
    এছাড়া আগামী ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি এবং ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত বাস্তুহারা থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত মহাসড়ক, স্টেশনরোড ওভারব্রিজ থেকে টঙ্গী রেলগেট ও মুন্নু টেক্সটাইল মিল থেকে কামারপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত সড়কে যানজট এড়ানোর জন্য মটরযান ব্যতীত রিকশা, ভ্যান ইত্যাদি চলাচল বন্ধ থাকবে।
    ভিভিআইপি, ভিআইপিসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইজতেমা সমাপ্ত হবে। বাসস
  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য সুদৃঢ় করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য সুদৃঢ় করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার বঙ্গভবনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।  এসময় তার স্ত্রী রাশিদা খানমও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘এ সম্প্রীতি আমাদের আবহমান কালের ঐতিহ্য। এখানে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। দেশে বিদ্যমান সম্প্রীতির এই সুমহান ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে।’

    শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বাংলাদেশের কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত জর্জ কোচেরিসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই

    ‘সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই

    জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ধর্ম নিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। এই স্বপ্নকে ভুলন্ঠিত করার জন্য একটি অপশক্তি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরও ক্ষান্ত হয়নি।  কিন্তু শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক ও ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।  মুসলিম, হিন্ধু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ এ দেশে সকল অধিকার একই থাকবে।

    আজ হুইপ ইকবালুর রহিম দিনাজপুর ধর্মপ্রদেশ ও উত্তরবঙ্গ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের আয়োজনে কসবাস্থ সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার ক্যাথিড্রাল প্রাঙ্গণে বড়দিন উৎসবের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    দিনাজপুর ধর্ম প্রদেশের বিশপ ড. সেবাস্টিয়ান টুডুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম, শ্রী রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ওমেয়াত্মানন্দ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজু, রাজারামপুর জপমালা রানী মারীয়ার তীর্থ মন্দিরের ফাদার বাইয়ো, পিমে, উত্তরবঙ্গ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের আহবায়ক মি. যোগেন জুলিয়ান বেসরা প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের মাঝে মাঝে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়দের সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শেষে শুভ বড় দিন উপলক্ষে কেক কেটে শুভ সূচনা করা হয়।

  • মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও  জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    শেখ সুমন

    পবিত্র শহর জেরুজালেমকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিশ্ব সন্ত্রাস ইসরাইলের রাজধানী করার প্রতিবাদে আজ বিকালে বরিশাল টাউন হলের সামনে বিক্খোব সমাবেশের আয়োজন করেম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর ও জেলার যৌথ আয়োজনে সভা ও র্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ( পিরে কামেল , চরমোনাই )।সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল খায়ের ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় ইসলাম প্রেমি হাজারো তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সকল বক্তাগন তাদের বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রামের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান।তারা বলেন রক্ত দিয়ে হলেও জেরুজালেম কে বাচানো হবে।ফিলিস্থানের রাজধানী জেরুজালেম ।জেরুজালেম কখনও ইসরাইলের রাজধানী হতে পারেনা।পিরে কামেল চরমোনাই বলেন, আমরা মুসলমান ।মুসলমান বীরের জাতী।আর মুসলমান কখনও জেরুজালেম কে ইসরাইলের রাজধানী হতে দিবে না।প্রয়োজনে আমরা রক্ত দিবো।তবু জেরুজালেম কে রখ্যা করবো।তিনি আরো বলেন,জেরুজালেমের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আরো শক্ত ভুমিকা পালন করতে হবে।আর সমগ্র মুসলিম জাতীকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

  • ট্রাম্পের উদ্দেশ্য পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা : চরমোনাই পীর

    ট্রাম্পের উদ্দেশ্য পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা : চরমোনাই পীর

    যুদ্ধ লাগিয়ে পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি মো. সৈয়দ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।

    জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে সোমবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

    জেরুজালেম মুসলমানদের রাজধানী উল্লেখ করে চরমোনাই পীর বলেন, ইহুদিরা বিশ্ব মানচিত্রে ছিলেন উদ্বাস্তু। মুসলমানরাই তাদের জায়গা দিয়েছে। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের ঘোষণা বিশ্ব নেতৃত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। এর উচিত জবাব আমাদের দিতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ কোনো কাজের নয়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সেটা প্রমাণ হয়েছে। এর আগে ফিলিস্তিনে, ইরাকে ও আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।

    সমাবেশ শেষে দলটির পূর্বঘোষিত ‘মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও’ করতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। যা পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর, কাকরাইল হয়ে শান্তিনগরে এলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসময় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে আগামী ১৫ ডিসেম্বর সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করার নির্দেশনা দেন চরমোনাই পীর।

  • জেরুজালেমকে রাজধানী স্বীকৃতির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ

    জেরুজালেমকে রাজধানী স্বীকৃতির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ

    মুসলমানদের পবিত্র শহর আল কুদসকে (জেরুজালেম) ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা বলেন, পবিত্র মসজিদুল আকসাকে ঘিরে গড়ে ওঠা জেরুজালেম নগরীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসেডিন্ট অন্যায়ভাবে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করে মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে। তার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ব মুসলিম নেতারা ও জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    তারা বলেন, জেরুজালেম শুধু ফিলিস্তিনি মুসলমানদের নয়, গোটা মুসলিম উম্মাহর। ইসলামের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসের এ ভূমি মুসলমানদের রক্তের চাইতেও পবিত্র। এটা কখনও কোনো ইহুদি গোষ্ঠীর হতে পারে না।

    হেফাজত নেতৃদ্বয় আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট একজন মস্তিষ্কবিকৃত লোক। তার একের পর এক নানা বিতর্কিত ও আগ্রাসনমূলক সিদ্ধান্তে বিশ্বশান্তি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকে বিশ্ববাসীর কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    তারা বলেন, বিশ্ববাসীর কর্তব্য হলো শান্তি নিরাপত্তার স্বার্থে এ উগ্রবাদী প্রেসিডেন্টের লাগাম টেনে ধরতে সোচ্চার প্রতিবাদে শামিল হওয়া। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের কূট রাজনীতি ও আগ্রাসী সমরনীতির কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশে চরম অস্থিতিশীলতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতি বিরজ করছে।

    হেফাজত নেতৃদ্বয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক অধিকৃত ফিলিস্তিনের জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে একতরফাভাবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিলে শামিল হওয়ার জন্য হেফাজত নেতাকর্মী, ওলামায়ে কেরাম ও জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    হুইল চেয়ারে বসতেও তার যে কষ্ট হচ্ছে, তা শরীরের মৃদু কম্পনে স্পষ্ট হচ্ছিল যখন শরিফুল হককে তার ছেলের সামনে নিয়ে আসা হয়। ৯৫ বছর বয়সী শরিফুল হক দরজা পেরিয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেন। সেখানেই কফিনে শুয়ে আছেন তার আদরের মেঝো ছেলে আনিসুল হক।

    আনিসুল হকের কফিনের পাশে মাথা গুঁজে তখন বসে আসেন স্ত্রী রুবানা হক। রুবানার পাশেই হুইল চেয়ারে বসে শরিফুল হক। কফিন ঘিরে তখন নিস্তব্দ নিরবতা। কফিনে শুয়ে থাকা মুখটির দিকে অপলক তাকালেন শরিফুল হক। হাত এগিয়ে আদর করলেন। সন্তানকে শেষবারের মতো আদর করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তিনি।

    যার কাঁধে চড়ে শেষযাত্রায় যাওয়ার কথা বাবার, সেই তাকেই শেষশ্রদ্ধা জানালেন শরিফুল হক। যেন বাবার কাঁধে সন্তানের মরদেহ- পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটিই তাকে করতে হলো শনিবার।

    অথচ শুক্রবার রাত পর্যন্ত শরিফুল হককে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানোই হয়নি। শনিবার লন্ডন থেকে মরদেহ আনার পর বাবা শরিফুল হককে মেয়র আনিসুল হকের বনানীর ২৩ নম্বর রোডের বাসায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আইসিও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়। রপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

    রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে শারাফুল হকের কবরে বিকেল ৫টায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসি) মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    শরিফুল হক তার ছোট ছেলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় থাকেন। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় বরাবরই নিজের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে বাবা শরিফুল হকের উৎসাহ আর মায়ের অনুপ্রেরণার কথা বলতেন।

  • আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজান চলাকালীন বক্তব্য থামালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিকালে গুজরাটের আহমেদাবাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য রাখছিলেন মোদি।

    সেসময়ই পাশের একটি মসজিদ থেকে আজানের শব্দ ভেসে আসে। সাথে সাথে বক্তব্য থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী, আজান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি মঞ্চেই দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আজান শেষে ফের ভাষণ শুরু করেন।

    আগামী ৯ ডিসেম্বর গুজরাট বিধানসভার প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ গুজরাটের নবসারিতে প্রচারণায় গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই আজান চলাকালীন মাঝপথে নিজের ভাষণ থামিয়ে দেন মোদি।

    তবে এবারই প্রথম নয়, আজান চলাকালীন এর আগেও একবার নিজের ভাষণ থামিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারণায় রাজ্যটির খড়গপুরে এক প্রচারণায় যোগ দিতে এসে আজানের সময় নিজের বক্তব্য সাময়িক বন্ধ রাখেন মোদি।

    সেসময় পোডিয়ামে রাখা গ্লাস থেকে পানি খেয়ে টানা তিন মিনিট নীরবতা পালন করেন।

    পরে আজান শেষে মোদি জানিয়েছিলেন ‘প্রার্থনা চলাকালীন সময়ে আমি কারো ব্যাঘাত করতে চাই না। সেই কারণেই আমি কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিলাম। ’

  • স্বাগত পোপ ফ্রান্সিস

    স্বাগত পোপ ফ্রান্সিস

    শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী নিয়ে এবং ভালোবাসা দিয়ে মানুষকে সেবা করার আহ্বান জানাতে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসছেন পোপ ফ্রান্সিস। খ্রিষ্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার প্রধান ধর্ম গুরু পোপ ফ্রান্সিস তিন দিনের সফরে আজ বিকালে মিয়ানমার থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন।

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ৩১ বছরে কোনো পোপের এটাই হবে প্রথম বাংলাদেশ সফর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশে ভ্যাটিক্যান দূতাবাস পোপের সফরের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। তাকে স্বাগত জানাতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক সাজ-সজ্জা ও প্রস্তুতি।

    ঢাকায় পোপকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা পাচ্ছেন। সফরসঙ্গীদের মধ্যে প্রায় ১০০ সাংবাদিক-সহ তিন শতাধিক সদস্য রয়েছে। ১৯৮৬ সালে পোপ জন পল দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।

    বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার পোপের

    পোপের বাংলাদেশ সফর বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। যে কোনো দেশে পোপের সফরকে মর্যাদাপূর্ণ বলে মনে করা হয়। গত তিন বছরে পোপের তিন দেশ সফরের মধ্যে একটি বাংলাদেশ। গত দেড় বছর ধরে পোপের বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা চলছিল। পোপও বাংলাদেশে আসার সুবিধাজনক সময় খুঁজছিলেন। অবশেষে আজ তার সফরটি হচ্ছে। বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ও উদার বহুত্ত্ববাদী বৈশিষ্ট্য পোপ’কে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন আর ধর্মনিরপেক্ষ বৈশিষ্ট্য দেখতে আগ্রহী। ঋতুর বৈচিত্র্য বিবেচনায় সবচেয়ে অনুকূল সময় হিসেবে নভেম্বরকেই বেছে নেওয়া হয়। মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরের উদ্দেশ্যে রোম ত্যাগের আগে এক ভিডিও বার্তায় পোপ বলেন, বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতির লগ্নে আমি দেশটির গোটা জনগোষ্ঠীকে শুভেচ্ছা ও বন্ধুত্বের বার্তা দিতে চাই। আমি এমন একটি মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছি যখন আমরা সবাই একত্রিত হব। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান বসবাস করছে এবং একজন কার্ডিনাল রয়েছেন।

    অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব পোপ ফ্রান্সিস

    পোপ ফ্রান্সিস ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ২৬৬তম পোপ নির্বাচিত হন। বর্তমান পোপ ফ্রান্সিসের প্রধান কার্যালয় রোম শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত ভ্যাটিকান সিটি। রোমের বিশপ হিসেবে, তিনি বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চ এবং সার্বভৌম ভ্যাটিকান সিটি উভয়েরই প্রধান। খ্রিষ্টানদের সোসাইটি অব জেসাস নামক ধর্মসংঘের প্রথম পোপ হলেন ফ্রান্সিস। একইসঙ্গে তিনি পুরো আমেরিকান অঞ্চলের প্রথম পোপ, দক্ষিণ গোলার্ধের প্রথম পোপ এবং অষ্টম শতকে সিরীয় নাগরিক তৃতীয় গ্রেগরির পর ইউরোপের বাইরে থেকে হওয়া প্রথম পোপ-ও তিনি। পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সেইন্ট ফ্রান্সিস অব অসিসি’কে সম্মান দেখিয়ে নিজের নাম বেছে নেন।

    পোপ ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনেস আইরেসে। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় জর্জ মারিও বেরগোগলিও। রোমান ক্যাথলিক যাজকদের প্রশিক্ষণ কলেজে পড়াশোনার আগে তিনি কিছুদিন রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ ও নাইট ক্লাবের ‘বাউন্সার’ হিসেবে কাজ করেন। ক্যাথলিক পুরোহিত হিসেবে তার অভিষেক হয় ১৯৬৯ সালে। বুয়েনোস আইরেসের আর্চবিশপ হন ১৯৯৮ সালে এবং পোপ জন পল দ্বিতীয় তাকে ২০০১ সালে কার্ডিনাল করেন। কার্ডিনাল হওয়ার মাধ্যমে তিনি ক্যাথলিক ধর্মসঙ্ঘে পোপের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকারী হন।

    পোপ হওয়ার পর তিনি তাঁর বিনয়ী ভাবমূর্তির জন্য সারা বিশ্বের নজর কেড়েছেন। তিনি দায়িত্বহীন উন্নয়নের যেমন বিরোধিতা করে আসছেন তেমনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপেও সমর্থন যুগিয়েছেন। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করেছেন। একইসঙ্গে অভিবাসন সংকট নিয়েও সোচ্চার তিনি।

    পোপ ফ্রান্সিস গত বছরের অক্টোবরে নতুন ১৭ ধর্মযাজককে কার্ডিনাল মনোনীত করেন যার মধে?্য বাংলাদেশের আর্চবিশপ প?্যাট্রিক ডি রোজারিও রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে তিনিই প্রথম কার্ডিনাল হন। অর্থাত্ পরবর্তী পোপ নির্বাচনে একজন বাংলাদেশিও ভোট দেবেন। এই কার্ডিনালদের মধ?্য থেকেই পরবর্তী পোপ নির্বাচিত হবেন।

    পোপের ৫০ ঘণ্টার কর্মব্যস্ত সফর

    ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস আজ বিকাল ৩টায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিমানবন্দরে পোপকে স্বাগত জানাবেন। বিমানবন্দরে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হবে। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি। এরপর ধানমন্ডিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন পোপ। সেখান থেকে যাবেন বঙ্গভবনে। রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন তিনি। সন্ধ্যায় বঙ্গভবনেই মন্ত্রী, বিশিষ্ট নাগরিক, সুশীল সমাজ, কূটনৈতিকদের সঙ্গে পোপ সাক্ষাত্ করবেন এবং বক্তব্য রাখবেন।

    পোপ ফ্রান্সিসের সফরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব হলো সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের প্রার্থনা সভা। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিস্টধর্মীয় উপাসনা ও যাজকদের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং ভাষণ দেবেন পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে ৮০ হাজার পুণ্যার্থী যোগ দেবেন। বাঁশ, কাঠ আর ছনের তৈরি ৮০ ফুট বাই ৫০ ফুটের কুঁড়েঘরের আদলে নির্মিত মঞ্চে বসে পোপ ভক্তদের নিয়ে প্রার্থনা করবেন। তিনি প্রার্থনায় শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর জোর দেবেন। বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে ঢাকায় ভ্যাটিকান দূতাবাসে যাবেন তিনি। সেখানে পোপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত্ করবেন। বিকাল ৪টায় কাকরাইলে রমনা ক্যাথেড্রাল পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর প্রবীণ যাজক ভবনে বাংলাদেশের বিশপদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করবেন এবং বক্তব্য রাখবেন। বিকাল ৫টায় কাকরাইলের আর্চ বিপশ হাউজের মাঠে শান্তির জন্য আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃমাণ্ডলিক সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন পোপ।

    শনিবার সকাল ১০টায় তেজগাঁও মাদার তেরেজা ভবন পরিদর্শন করবেন পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে তেজগাঁও গির্জার যাজক, ব্রাদার-সিস্টার, সেমিনারিয়ান ও নবিশদের সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি। এরপর তেজগাঁও সমাধিস্থল ও পুরনো গির্জা পরিদর্শন করবেন। বিকাল তিনটায় রাজধানীর নটর ডেম কলেজে যুব সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। এদিনই বিকাল ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থেকে রোমের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন পোপ ফ্রান্সিস। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাবেন।

    এছাড়া সফরকালে পোপ রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। বাংলাদেশ ক্যাথলিক বিশপ সম্মিলনির প্রেসিডেন্ট কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি. রোজারিও বলেন, পোপের এ সফর অনেক আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তখন রোহিঙ্গা ইস্যুটি ছিল না। রোহিঙ্গা ইস্যু পরে সৃষ্টি হয়েছে, যা এখন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

    পোপকে স্বাগত জানিয়ে গণতান্ত্রিক লীগের সভা

    পোপ ফ্রান্সিসের বাংলাদেশ সফরকে স্বাগত জানিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ। গতকাল সাংবাদিক নির্মল সেন মিলনায়তনে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি-জেপি’র নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল। বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট কাজী এম. সাজাওয়ার হোসেন। সাদেক সিদ্দিকী বলেন, পোপ ফ্রান্সিস মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। তিনি শোষিত ও নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ সফরে এসে এদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে মূল্যায়ন করেছেন।

  • বাংলাদেশ সফরে পোপফ্রান্সিস সম্প্রীতি-শান্তির বার্তা দেবে: ক্যাথলিক চার্চ

    বাংলাদেশ সফরে পোপফ্রান্সিস সম্প্রীতি-শান্তির বার্তা দেবে: ক্যাথলিক চার্চ

    বাংলাদেশ সফরকালে পোপ ফ্রান্সিস সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাথলিক চার্চ। ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোপ ফ্রান্সিস-এর বাংলাদেশ সফরের মূলভাব হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সম্প্রীতি ও শান্তি’।
    বাংলাদেশ কাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে পোপ ফ্রান্সিসের আসন্ন বাংলাদেশ সফরের সর্বশেষ প্রস্তুতি বিষয়ে অবগত করার লক্ষ্যে আজ সোমবার সকাল ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ আর্চবিশচ হাউজে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ক্যাথলিক বিশপ সম্মিলনীর প্রেসিডেন্ট কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি. রোজারিও।
    তিনি বলেন, ‘পোপ ফ্রান্সিসের সফরের দু’টো দিক রয়েছে, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার সফর রাষ্ট্রীয়, আবার কাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু ও সর্বপ্রধান ধর্মপাল হিসেবে তাঁর সফর হবে ধর্মীয় বা পালকীয়’। তিনি জানান, স্থানীয় কাথলিক চার্চ এই সফরের মূলভাব হিসেবে নির্ধারণ করেছেন ‘সম্প্রীতি ও শান্তি’।
    কার্ডিনাল প্যাট্ট্রিক ডি রোজারিও বলেন, ‘পোপ এদেশের জনগণের জীবন-বাস্তবতার আলোকে অনেক সুন্দর ও মঙ্গলজনক দিক তুলে ধরবেন। পাশাপাশি দেশের যুব ও ছাত্র সমাজকে নতুন স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করবেন। মানবতা, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য পরামর্শ দেবেন, উৎসাহিত করবেন, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ঘোষণা করবেন’।
    বাংলাদেশ সফরকালে এদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক বিষয়ই বিশ্বজগৎ ও বিশ্ববিবেকের কাছে পোপ ফ্রান্সিস আহ্বান জানাবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে আশা প্রকাশ করা হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশপ সম্মিলনীর সহসভাপতি ও রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও। ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশ কাথলিক বিশপ সম্মিলনীর সেক্রেটারি ও চট্টগ্রামের আর্চবিশপ মোজেস কস্তা। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনায় ছিলেন- মিডিয়া কমিটির সমন্বয়কারী ফাদার কমল কোড়াইয়া। বাসস।