Category: ধর্ম

  • সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    শেখ সুমন :

    বিশ্বের সকল মুসলমানের মানবতার কল্যাণ ও শান্তি কামনায় মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চরমোনাইর ফালগুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল।

    আজ শনিবার কীর্তনখোলা নদীর তীরে লাখো ভক্ত-মুরিদান এই মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মানাজাত পরিচালনা করেন চরমোনাই পীর সাহেব আলহাজ্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

    এর আগে আজ শনিবার ফজরের নামাজের পীর সাহেব চরমোনাই মাহফিলে অংশগ্রহণকারী মুসলি¬দের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন।

    বয়ানে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের প্রস্তুতির নসিহত করে বলেন, এ দুনিয়া থাকার জায়গা নয়। তাই কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়ার মোহে পড়তে থাকতে পারে না।

    তিনি আরো বলেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের কামাইয়ের জায়গা। এখান থেকে পরকালের জীবনকে সাজাতে যারা চেষ্টা যত বেশি হবে, পেরকালে সে ততই সফলতা লাভ করবে। আপনারা বহু দূর থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে এসেছেন, খেয়ে না খেয়ে চরমোনাইর এ ময়দানে অবস্থান করেছেন। আপনাদের আশা এবং কষ্ট তখনই সফলকাম হবে যখন আপনার দৈনন্দিন জীবনের আমলগুলো সুন্দরভাবে পালন হবে।

    পরে মোনাজাতে মহান আল্লাহর কাছে সকল পাপ ও অন্যায় থেকে মুক্তির জন্য আকুতি জানান মুসলি¬রা। দেশ-জাতি ও মানবতার কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তির প্রার্থণা করা হয়। দোয়া করা হয় মায়ানমারের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য।

    দোয়া মোনাজাত চলাকালে আমিন আমিন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো চরমোনাই ময়দান।

  • উদ্ভোধনী বয়ানের মধ্যদিয়ে চরমোনাইর ফাল্গুনের মাহফিল শুরু

    উদ্ভোধনী বয়ানের মধ্যদিয়ে চরমোনাইর ফাল্গুনের মাহফিল শুরু

    ৭-ই মার্চ জোহরের নামাজের পর উদ্ভোধনী বয়ানের মাধ্যমে ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে চরমোনাই মাহফিলের এই আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
    পীর সাহেব সৈয়দ রেজাউল করীম তার বয়ানের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ দেন এত কষ্ট করেও চরমোনাই মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার জন্য। তিনি চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আমার আব্বাজান দাদাজানের সূত্রে বলতেন, আল্লাহভোলাদেরকে আল্লাহর পথ দেখানোই হলো চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য। চরমোনাই মাহফিল আখিরাতের কামাইয়ের জন্য, দুনিয়া অর্জনের জন্য নয়। এখানে পার্থিব উন্নয়নের কোনো তদবির দেয়া হয় না। আমরা তদবির দিই না। কোনো তদবির দিতেও জানি না। আল্লাহর হুকুম মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করে পীর সাহেব বলেন, আল্লাহপাক মানুষকে তার ইবাদত করার জন্যই শ্রেষ্ঠ মাখলুক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। শুধু নামাজের নামই ইবাদত নয়, সর্বক্ষেত্রে মালিকের হুকুম মেনে চলার নামই ইবাদত। কেউ মাগরিবের নামাজ চার রাকাত আদায় করলে কি তার নামায হবে? হবে না। কারণ, আল্লাহর হুকুম হলো তিন রাকাত পড়া। এজন্য বেশি পড়ে লাভ হবে না। আল্লাহ যেভাবে তার হুকুম পালন করতে বলেছেন, সেভাবেই আদায় করতে হবে।
    এরপর অন্যান্য আরো আলোচনা এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে বয়ানের প্রথম পর্ব শেষ করে মাহফিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়। বয়ানের শুরুতেই লাখো মানুষের স্লোগানে মুখরিত হয় কীর্তণখোলা নদীর প্রান্তর। লাখো মানুষের এ অংশগ্রহন যেন সত্যিই অবাক করার মত। মাহফিলের সূত্র থেকে জানাযায় পীর সাহেব দ্বিতীয়, পঞ্চম, ষষ্ট বয়ান এবং আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন। কেবল তৃতীয়, চতুর্থ বয়ান করবেন শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। সর্বশেষ ১০ তারিখে আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই বিশাল জনসমাগম।
    মাহফিল সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, এ বছর মাহফিলে লোক সমাগম অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। মুসুল্লিদের জন্য নির্ধারিত চার মাঠ গত রাতেই কাণায় কানায় পুর্ন হয়ে গেছে। পঞ্চম মাঠ ঠিক করা হয়েছে গত রাতে যে মাঠও রাতের মধ্যে পুর্ন হয়ে গেছে বলে জানা যায়। মাহফিলে পীর সাহেবদের আধ্যাতিক বয়ান ছাড়াও প্রতিদিন কিছু ধারাবাহিক কার্যক্রম রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মাহফিলের দ্বিতীয় দিন সকাল দশটা থেকে উলামা মাশায়েখ সম্মেলন এবং মাহফিলের তৃতীয় দিন সারাদেশ থেকে আগত ছাত্রদের গন জমায়েত। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সকল অঙ্গ সংগঠনের ধারাবাহিক কর্মসূচি রয়েছে যেখানে সংগঠনের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম জাতির উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনা মুলক বক্তৃতা প্রদান করবেন।  বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মেহমানরাও মাহফিলে ধারাবাহিক বয়ান বক্তৃতা করবেন বলে জানা গেছে।
    বরিশালের চরমোনাইর এই বাৎসরিক মাহফিল কেবল এদেশেই নয় বিদেশেও আবেদন সৃষ্টি করতে পেরেছে। অনেক বিদেশী মেহমানদের সমাগম হবে এ মাহফিলে। বিদেশী বেশ কিছু ভিআইপি ধর্মীয় শায়েখ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ মাহফিলে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। কওমি শিক্ষার সুতিকাগার ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার বেশ কয়েকজন শিক্ষক, সৌদি, কাতার, মিশর, বাহরাইনসহ অনেক দেশ থেকেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ মাহফিলে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন মাহফিল সূত্র।
    চরমোনাই এই বাৎসরিক মাহফিল দেশ ও জাতির কল্যান কামনায় বদ্ধ পরিকর রয়েছে সব সময়। মাহফিলের সর্বোচ্চ সফলতা কামনায় সবার প্রতি দোয়া চেয়েছেন পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম।
  • চরমোনাই’র বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু আজ

    চরমোনাই’র বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু আজ

    ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাদ্রাসা ময়দানে বুধবার থেকে ৩ দিন ব্যাপী বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু হচ্ছে। এ মাহফিলে যোগদানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক ও নৌপথে হাজার-হাজার মুরিদানসহ মুসুল্লীবৃন্দ চরমোনাই দরবারে পৌছতে শুরু করেছেন।

    এবারই প্রথম বরিশাল-ভোলা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক হয়ে নব নির্মিত সাহেবের হাট সেতু অতিক্রম করে মুসল্লীবাহী যানবাহন চরমোনাই দরবারে পৌছছে। এলজিইডি সাহেবের হাট নদীর ওপর একটি ‘প্রী-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার’ সেতুর কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। বুধবার চরমোনাই পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে এ মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হবে।

    মাহফিল উপলক্ষে চরমোনাই দরবারসহ সন্নিহিত বিশাল এলাকায় ইতোমধ্যে ব্যাপক আয়োজন সমপন্ন হয়েছে। বিশাল এলাকায় আগত মুসুল্লীয়ানদের অবস্থান, অজু-গোসল ও জামাতে নামাজ আদায়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ মাইকের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার চরমোনাই দরবারে কয়েক লাখ মুসুল্লী এক জামাতে জুম্মা নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। শনিবার বাদ ফজর বয়ান শেষে চরমোনাইর পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম সমবেত মুসুল্লীয়ানদের নিয়ে ৮ টার দেকে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করবে।

  • রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    বর্তমানে বারবার জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, কম আহার করুন । বেশিদিন বাঁচতে পারবেন । মানুষের কাছে বারবার এ কথার উপকারিতা বর্ননা করা হচ্ছে । বেশি খেলে যেসব রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হয়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন প্রফেসর রিচার বার্ড । নিম্নে তা দেওয়া হল :

    (১) মস্তিষ্কের ব্যাধি (Brain Diseases); (২) চক্ষু রোগ (Eyes Diseases) (৩) জিহবা ও গলার রোগ (E.N.T. Diseases) (৪) বক্ষ ও ফুসফুসের ব্যাধি (Chest and Lungs Diseases) (৫) হৃদ রোগ (Heart and Valves Diseases); (৬) যকৃত ও পিত্তের রোগ (Liver and Gall bladder diseases); (৭) ডায়াবেটিস (Diabetec) (৮) উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure); (৯) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরন (Brain Hemorrhage); (১০) দুশ্চিন্তাগ্রস্থ (Depression) (১১) অর্ধাঙ্গ রোগ (Paraliysis) (১২) মনস্তাত্ত্বিক রোগ (Psychological Diseases) (১৩) নিম্নাংশ অবশ হয়ে যাওয়া (সান উইকলি সুইডেন)

    গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, এ লিস্ট প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুর লিস্ট, যা প্রফেসর সাহেব গভীর চিন্তা ও গবেষনার পর প্রকাশ করেছেন । কিন্তু অপরদিকে রাসূল (সাঃ) এর বর্ননার প্রতি দৃষ্টিপাত করুন । রাসূল (সাঃ) বলেন, পেটের এক-তৃতীয়াংশ আহারের জন্য এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য আর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ।

    (মযাকুল আরেফীন) একজন দার্শনিকের নিকট যখন হুজুর (সাঃ) এর নির্দেশের কথা শুনানো হল তখন সে বলতে লাগল, এর চেয়ে উওম ও শক্তিশালী কথা আমি আজ পর্যন্ত শ্রবন করিনি ।

    লেখকঃ হুজাইফা রহমান

    কবি ও সাংবাদিক

  • শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    শিশুদের নাম হিসেবে জার্মানিতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘মুহাম্মদ’

    জার্মানিতে ছেলে শিশুদের ‘মুহাম্মদ’ নামটি খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ‘মুহাম্মদ’ নামটি  ২৬তম পছন্দের তালিকায় রয়েছে। গত এক দশকের কম সময়ের মধ্যে ৪১ ধাপ এগিয়ে নামটি এই অবস্তান অর্জন করেছে । খবর ডেইলি মেইল’র।

    সোসাইটি ফর জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ জানিয়েছে , যদি মুহাম্মদ নামের বিভিন্ন বানান আমলে নেয়া হয় তাহলে এর অবস্থান আরও সামনে এগিয়ে আসবে। এমনকি  আগামী তিন বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় চলে আসবে মুহাম্মদ ।

    সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড্রু ইওয়েল বলেন, এটা জার্মানিতে মুসলিম মাইগ্রেশনের কারণে হচ্ছে। এমনকি ২০২১ সালের মধ্যে মুহাম্মদ নামটি ১ নম্বর পছন্দের তালিকায় চলে আসবে।

    উল্লেখ্য, কট্টর ইসলামবিদ্বেষী রাজনৈতিক দল এএফডির নেতা আর্থার ওয়েঙ্গারের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার সময়েই এমন একটি খবর প্রকাশ পেল। এছাড়া গত মে মাসের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে লন্ডনে পছন্দের প্রথম ১০টি নামের তালিকায় মুহাম্মদ নামটি আছে ২য় নম্বরে।  ২০১৬ সালে আমেরিকায় জন্ম নেয়া ৯৫৮ জন শিশুর নাম রাখা হয়েছে মুহাম্মদ।

  • বরিশালে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা

    বরিশালে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা

    আজ বৃহস্পতিবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে বরিশাল অঞ্চল পর্যায়ের তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা। এরই মধ্যেই শেষ হয়েছে ইজতেমার সকল প্রস্তুতি। গতকাল বুধবার থেকেই নগরীর নবগ্রাম রোডে সদর উপজেলা সংলগ্ন ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছে মুসল্লিরা।

    এদিকে ইজতেমাকে ঘিরে ব্যপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ। বিশেষ করে জঙ্গি কিংবা নাশকতা প্রতিরোধে ইজমেতা মাঠের আশপাশে ছাত্রবাসা, আবাসিক হোটেল কিংবা মেস বাড়িতে বিশেষ নজরদাড়ি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ওইসব স্থাপনা গুলোতে নিয়মিত তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) জাহাঙ্গীর মল্লিক। তাছাড়া মুসল্লিদের সুবিধার্তে ইজতেমা মাঠের আশপাশে কোন প্রকার দোকান পার্ট স্থাপণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ।

    তাবলীগ জামায়াতের সুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মান্নান বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২৫ জানুয়ারী থেকে সদর উপজেলা পরিষদের পেছনে নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার প্রায় ১৪ একর জমিতে ইজতেমা শুরু হবে। আজ বৃহস্পতিবার ফজর নামাজের বাদে তাবলীগ জামায়াতের ভোলার আমীর মাওলানা তৈয়বুর রহমান এর আম বয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা।

    তিনি প্রায় দুই ঘন্টা বয়ান করবেন। এরপর সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তালিম অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের নিয়ে পৃথক পৃথক কামরায় বয়ান হবে। বাদ জোহর পুনরায় আসর পর্যন্ত এবং আসর বাদ মাগরিব পর্যন্ত বয়ান অনুষ্ঠিত হবে। তাছাড়া এশার নামাজের পূর্বে মোজাকারা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে গতকাল বুধবার ইজতেমাস্থল পরির্দশন করেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু।

  • ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    আগামী ২০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়। ২০৪০ সালে ইহুদিরা নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদিদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলিমরা। বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১ লাখ মুসলিম যোগ হচ্ছে। মুসলমান অভিবাসী এবং আমেরিকান মুসলমানদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি থাকায় এমনটা হচ্ছে।  মুসলমানদের সংখ্যা ইহুদি জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    যুক্তরাষ্ট্রে খ্রিস্টানরাই বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যার শতকরা ৭১ ভাগ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। এরপরেই অবস্থান করছে ইহুদিরা। যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৭ সালে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল ৩.৪৫ মিলিয়ন, যা মোট জনসংখ্যার শতকরা ১.১ ভাগ।
    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৫ সালে  ইহুদি জনগোষ্ঠী ছিল ১.৮ শতাংশ।  মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ।

    গবেষণায় দেখানো হয়, মুসলিমদের সংখ্যা আগামী দুই দশকে দাঁড়াবে ১.৮ শতাংশে। মুসলিমদের মোট সংখ্যা হবে ৮০ লাখের বেশি। ওই সময় ইহুদি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১.৪ শতাংশে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে খুব। এই ধারা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয়গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হবে মুসলমানরা।

    তথ্যসূত্র: নিউজউইক

  • আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে শেষ হয়। ৩৫ মিনিটের এ মোনাজাতের ১৪ মিনিট আরবিতে ২১ মিনিট বাংলায় পরিচালিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। এবারই প্রথম বাংলায় মোনাজাত হয়েছে।

    এর আগে সকাল সোয়া ৮টা থেকে বাংলা ভাষায় হেদায়েতি বয়ান শুরু হয়। এবার কাকারাইলের মুরুব্বি মাওলানা আবদুল মতিন বাংলায় এ হেদায়েতি বয়ান করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে তাবলিগ জামাতের গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ ‘হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত’ বাংলাদেশের আলেমরা দুটি একত্রে কখনো করেননি বলে জানা যায়।

    সাধারণত শেষ দিনের হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত উভয়টি দিল্লি মারকাজ থেকে আসা মুরুব্বিরা করে থাকতেন এবং তা উর্দু ভাষায় হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

    কিন্তু এবার ইজতেমায় ভারতের দিল্লিরি নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভী ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় এই প্রথম বাংলাদেশি আলেমদের মাধ্যমে শেষ দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দুটি আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে।

    তাছাড়া ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার ধর্মপ্রাণ মানুষ মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর রাত থেকে ইজতেমার ময়দানের দিকে রওনা হয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, আখেরি মোনাজাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা, পূবাইলের মিরেরবাজার ও আশুলিয়ায়ার আবদুল্লাহপুরে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিকল্প পথে চলতে পারবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা যাত্রীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    আজ শেষ হচ্ছে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • এবার বাংলায় হবে বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাত

    এবার বাংলায় হবে বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাত

    এবার বিশ্ব ইজতেমায় আখেরী মোনাজাত হবে বাংলায়। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বাংলাদেশি মাওলানা হাফেজ জোবায়ের। বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    শুক্রবার রাতে তাবলীগ জামাতের মুরুব্বীদের নিয়ে এক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
    আখেরি মোনাজাতের আগে হেদায়তি বয়ান হয় তা করবেন আরেক বাংলাদেশি মাওলানা আব্দুল মতিন।
    বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন আরো জানান, রবিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
    তবে তাবলীগ জামাতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক শীর্ষ স্থানীয় মুরুব্বী বলেন, আখেরি মোনাজাত হবে আরবিতে কিংবা উর্দূতে।

  • আম বয়ানের মধ্য দিয়ে তুরাগ পাড়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু

    বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ শুক্রবার ফজরের নামাযের পর আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে জর্ডানের শেখ ওমর খতিব আ’ম বয়ানের শুরু হয় ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমা। ৭৯টি দেশের ৩ হাজার ৯১৯ জন বিদেশি মেহমান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৪টি জেলার কয়েক লাখ মুসুল্লি এই পর্বে অংশ নিচ্ছেন। তবে তাবলিগ জামাতের শূরা সদস্য দিল্লীর মাওলানা সা’দ ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন না। আজ ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসুল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    তাবলীগ জামাত আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশগ্রহণের জন্য দেশি-বিদেশি মুসুল্লীরা ইজতেমা ময়দানে এসে সমবেত হয়েছেন। ইজতেমার মূল বয়ান মঞ্চ থেকে জ্যেষ্ঠ মুরুব্বীরা আগত মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাষায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশিত ইসলামী বিধানের উপর দিক নির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করছেন। ইজতেমার প্রথম পর্বে দেশের ১৬টি জেলা থেকে আগত মুসুল্লিরা ২৮টি খিত্তায় অবস্থান করে ভোর থেকেই বয়ান শুনছেন।

    ইজতেমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

    এক মুসুল্লির মৃত্যু : রাত পৌনে ১২টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম- আজিজুল হক (৬০)। তার বাড়ি মাগুরা জেলার শালিথা থানার হবিশপুর গ্রামে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ১১টার দিকে ইজতেমা ময়দানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়।

    আগামি ১৪ জানুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব।