Category: ধর্ম

  • অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাস পবিত্র মাহে রমযান

    অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাস পবিত্র মাহে রমযান

    হুজাইফা রহমানঃ

    চন্দ্র মাসের এক অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাস পবিত্র মাহে রমযান। এ মাসের ফযীলত অপরিসীম। নীচে ধারাবাহিকভাবে রমযান মাসের কিছু ফযীলত তুলে ধরা হল : ইসলামের পাঁচটি রুকনের একটি রুকন হল সিয়াম। আর এ সিয়াম পালন করা হয় এ মাসেই। আল্লাহ তা’আলা বলেন : {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ} অর্থাৎ হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। (বাকারাহ : ১৮৩) এ মাসের সিয়াম পালন জান্নাত লাভের একটি মাধ্যম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, مَنْ آمَنَ بِاللهِ وَبِرَسُولِهِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وآتى الزَّكَاةَ وَصَامَ رَمَضَانَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللهِ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনল, সলাত কায়েম করল, যাকাত আদায় করল, রমযান মাসে সিয়াম পালন করল তার জন্য আল্লাহর উপর সে বান্দার অধিকার হল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়া। (বুখারী) রমযান হল কুরআন নাযিলের মাস {شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيَ أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ} অর্থাৎ “রমাযান মাস- যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে।” (আল-বাকারা : ১৮৫) সিয়াম যেমন এ মাসে, কুরআনও নাযিল হয়েছে এ মাসেই। ইতিপূর্বেকার তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জীলসহ যাবতীয় সকল আসমানী কিতাব এ মাহে রমযানেই নাযিল হয়েছিল। (সহীহ আল জামে) এ মাসেই জিবরীল আলাইহিস সালাম নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুরআন শুনাতেন এবং তাঁর কাছ থেকে তিলাওয়াত শুন্‌তেন। আর রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনের শেষ রমযানে পূর্ণ কুরআন দু’বার খতম করেছেন। (মুসলিম) রমযান মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। إِذَا جَاءَ رَمَضَانَ فُتِحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةَ وَأُغْلِقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِيْنَ (وَفِيْ لَفْظٍ سُلْسِلَتِ الشَّيَاطِيْنَ) “যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় আর জাহ্‌ান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করা হয়।” (মুসলিম) আর এজন্যই এ মাসে মানুষ ধর্ম-কর্ম ও নেক আমলের দিকে অধিক তৎপর হয় এবং মসজিদের মুসল্লীদের ভীড় অধিকতর হয়। এ রমযান মাসের লাইলাতুল কদরের এক রাতের ইবাদত অপরাপর এক হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশী অর্থাৎ ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশী সাওয়াব হয় এ মাসের ঐ এক রজনীর ইবাদতে। (ক) আল্লাহ তা’আলা বলেন : {لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ . تَنَزَّلُ الْمَلائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ . سَلامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ} অর্থাৎ “কদরের একরাতের ইবাদত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ রাতে ফেরেশতা আর রূহ (জিরীল আঃ) তাদের রব্ব-এর অনুমতিক্রমে প্রত্যেক কাজে দুনিয়ায় অবতীর্ণ হয়। (এ রাতে বিরাজ করে) শান্তি আর শান্তি- তা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত থাকে।” (সূরা ক্বদর : ৪-৫) (খ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : …..لله فِيْهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ مَنْ حَرُمَ خَيْرُهَا فَقَدْ حَرُمَ “এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল সে মূলতঃ সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল।” এ পুরো মাস জুড়ে দু’আ কবূল হয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : لِكُلِّ مُسْلِمٍ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ يَدْعُوْ بِهَا فِيْ رَمَضَانَ (أحمد) অর্থাৎ “এ রমযান মাসে প্রত্যেক মুসলমান আল্লাহর সমীপে যে দু’আই করে থাকে-তা মঞ্জুর হয়ে যায়।” এ মাসে মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : إِنَّ للهَِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى عُتَقَاء فِيْ كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ وَإِنَّهُ لِكُلِّ مُسْلِمٍ فِيْ كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ دَعْوَة مُسْتَجَابَة অর্থাৎ মাহে রমাযানে প্রতিরাত ও দিনের বেলায় বহু মানুষকে আল্লাহ তা’আলা জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা দিয়ে থাকেন এবং প্রতিটি রাত ও দিনের বেলায় প্রত্যেক মুসলিমের দু’আ- মুনাজাত কবূল করা হয়ে থাকে।

  • কেনো রোজা ভেঙে যায়?

    কেনো রোজা ভেঙে যায়?

    হুজাইফা রহমানঃ

    রোজা একটি ফারসি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে দিন। যেহেতু এই আমলটি দিনের শুরু থেকে শেষাংশ পর্যন্ত পালন করা হয় তাই একে রোজা বলা হয়। আর আরবিতে এর নাম সাওম বা সিয়াম। যার শাব্দিক অর্থ কোনো কাজ থেকে বিরত থাকা। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং সেই সাথে যাবতীয় ভোগ-বিলাস থেকেও বিরত থাকার নাম রোজা। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি সবল মুসলমানের জন্য রমজান মাসের প্রতিদিন রোজা রাখা ফরজ বা অবশ্য পালনীয়। রোজার নিয়ত (নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।) অর্থ: হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

    রোজা ভঙের কারণ

    ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে। ২. স্ত্রী সহবাস করলে। ৩. কুলি করার সময় হলকুমের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙবে না)। ৪. ইচ্ছাকৃত মুখভরে বমি করলে। ৫. নস্যি গ্রহণ করলে, নাকে বা কানে ওষুধ বা তেল প্রবেশ করালে। ৬. জবরদস্তি করে কেউ রোজা ভাঙালে। ৭. ইনজেকশান বা স্যালাইনের মাধ্যমে দেহে ওষুধ পৌঁছালে। ৮. কংকর, পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে। ৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর সূর্যাস্ত হয়নি দেখা গেলে। ১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে। ১১. দাঁত থেকে মটর দানা পরিমান খাদ্যদ্রব্য বের করে গিলে ফেললে। ১২. ধূমপান, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালিয়ে ধোঁয়া গ্রহণ করলে। ১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে। ১৪. রাত আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর পানাহার করলে। ১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর জাগরিত হলে।

    রোজার মাকরুহ

    ১. অনাবশ্যক কোনো জিনিস চিবানো বা চেটে দেখা। ২. কোনো দ্রব্য মুখে দিয়ে রাখা। ৩. গড়গড়া করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেয়া। কিন্তু পানি যদি নাক দিয়ে গলায় পৌঁছে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। ৪. ইচ্ছাকৃত মুখে থুথু জমা করে গিলে খেলে। ৫. গীবত, গালা-গালি ও ঝগড়া-ফ্যাসাদ করা। ৬. সাড়া দিন নাপাক অবস্থায় থাকা। ৭. অস্থিরতা ও কাতরতা প্রকাশ করা। ৮. কয়লা চিবিয়ে অথবা পাউডার, পেস্ট ও মাজন ইত্যাদি দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা।

    ইফতারের দোয়া

    (আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।) অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক দ্বারা ইফতার করছি।

  • চাঁদ দেখা যায়নি, রোজা শুক্রবার

    সন্ধ্যায় দেশের কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই মুসলমানদের সিয়াম সাধনার (রোজা) মাস রমজান শুরু হচ্ছে শুক্রবার (১৮ মে)। আগামী ১২ জুন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

    রমজান শেষেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের দেখা মিলবে। এবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে।

    অন্যদিকে মঙ্গলবার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যেও বৃহস্পতিবার থেকে রমজান শুরু হচ্ছে।

    সভায় ধর্মমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সন্ধ্যায় বাংলাদেশের কোথাও হিজরি ১৪৩৯ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

    বৃহস্পতিবার (১৭ মে) শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। শুক্রবার থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১২ জুন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে (রমজানের ২৭তম রাত) পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার রাতে (এশার নামাজের পর) ২০ রাকাত বিশিষ্ট তারাবি নামাজ শুরু হবে। রোজা রাখতে শেষ রাতে সেহরি খাবেন মুসলমানরা। ঢাকায় প্রথম দিন সেহরির শেষ সময় রাত ৩টা ৪৬ মিনিট। শুক্রবার প্রথম রোজার দিন ইফতারের সময় ৬টা ৩৯ মিনিট।

    ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি এবং ত্যাগের মাস। রমজান রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এ তিন অংশে বিভক্ত। এ মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা।

    এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহ পাক ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেন।

    সভায় ধর্ম মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বি এইচ হারুন, ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর শেখ মো. আবদুল্লাহ, সিরাজউদদীন আহমেদ, মিসবাহুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমাদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. সামছুদ্দিন আহমেদ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা আবু রায়হান ও চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাদঁ দেখা যায়নি, মধ্যপ্রাচ্যে রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

    চাদঁ দেখা যায়নি, মধ্যপ্রাচ্যে রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

    সৌদি আরবের আকাশে মঙ্গলবার (১৫ মে) রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ মে) থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে রোজা শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে সৌদি বাদশার উপদেষ্টা তুর্কি আল শেইখ আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিয়েছেন।

    এদিন, সৌদি আরবের আকাশের কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হলো। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাসের তারিখ গণনা শুরু হবে।

    এদিকে, রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগি সুন্দর-সুশৃঙ্খল ও নিরবিচ্ছিন্ন করতে মক্কার হারাম শরীফ, মদীনার মসজিদে নববীসহ অন্য মসজিদগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

    রোজাদারদের ইফতার করাতে মসজিদের পাশে ছোট-বড় তাবু টাঙানো হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে রোজাদারদের জন্য বিভিন্ন সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সিগনালগুলোতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ইফতারির প্যাকেট বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    এদিকে, রমজান উপলক্ষ্যে সুপার মার্কেটগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রে মূল্য ছাড় দিয়েছে।

  • লন্ডনের প্রথম নারী বিশপ হলেন সারাহ মুল্লালি

    লন্ডনের প্রথম নারী বিশপ হলেন সারাহ মুল্লালি

    লন্ডনে ১৩৩ তম বিশপ হলেন এক নারী৷ শনিবার সারাহ মুল্লালিকে এই সম্মানের পদে বসানো হয়৷ ইংল্যান্ডের চার্চের তৃতীয় বৃহত্তম প্রবীণ ধর্মযাজক হয়ে উঠলেন তিনি৷ এর আগে তিনি তিনি নার্স ছিলেন৷

    লন্ডনের সেন্ট পল’স ক্যাথেড্রালে ১৩৩ তম বিশপ হলেন মুল্লালি৷ ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের জন্মদিনকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে মানা হয়৷ নতুন ধর্মযাজকের সাবেক কর্মজীবনকে মাথায় রেখে এই দিনটিতেই তার হাতে চার্চের বিশপের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়৷

    ক্যাথেড্রালের গ্রেট ওয়েস্ট ডোরে নিয়ম অনুযায়ী তিন বার ঠকঠক শব্দ করে তিনি ঐতিহ্যপালনের মাধ্যমে দায়িত্ব কাঁধে নেন৷ ক্যান্টারবেরি এবং ইয়র্ক আর্চবিশপের পরে তিনি এখন লন্ডনের চার্চ এর তৃতীয় সর্বোচ্চ সিনিয়র ধর্মযাজক তিনিই৷

    দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তার বক্তৃতায় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বলেন৷ তার বিষয়গুলির মধ্যে ছিল লন্ডন যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে লড়ছে সেসবের কথা৷ বিশেষত ছুড়ি নিয়ে হামলার মত অপরাধ, ও গির্জায় যৌন নির্যাতনের ঘটনা গুলির উল্লেখ করেন তিনি৷

  • পবিত্র কাবা শরিফের অজানা ৭টি তথ্য

    পবিত্র কাবা শরিফের অজানা ৭টি তথ্য

    • কাবা শরিফের সংস্কার : পবিত্র কাবা শরিফ বেশ কয়েকবার প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যা এবং আক্রমণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতএব কারণে পবিত্র কাবা বেশ কয়েকবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।

    • কাবার কিসওয়ার (গিলাপ) রং পরিবর্তন : কিসওয়া হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফ ঢেকে দেয়া হয়। এ কিসওয়া সব সময় কালো ছিল না।

      কাবার কিসওয়ার (গিলাপ) রং পরিবর্তন : কিসওয়া হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফ ঢেকে দেয়া হয়। এ কিসওয়া সব সময় কালো ছিল না।

    • কাবার আকৃতি পরিবর্তন : হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামের আগমনের পূর্বে কুরাইশরা যখন পবিত্র কাবাকে পুনঃনির্মাণ করেন।

      কাবার আকৃতি পরিবর্তন : হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামের আগমনের পূর্বে কুরাইশরা যখন পবিত্র কাবাকে পুনঃনির্মাণ করেন।

    • কাবার দরজা-জানালা : মূল কাবা শরিফে দুটি দরজা অন্তর্ভূক্ত ছিল। একটি দরজা ছিল প্রবেশের জন্য অন্যটি ছিল বাহির হওয়ার জন্য। এছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে একটি জানালাও ছিল।

      কাবার দরজা-জানালা : মূল কাবা শরিফে দুটি দরজা অন্তর্ভূক্ত ছিল। একটি দরজা ছিল প্রবেশের জন্য অন্যটি ছিল বাহির হওয়ার জন্য। এছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে একটি জানালাও ছিল।

    • হাজরে আসওয়াদ : পবিত্র কাবা শরিফের কোণে সংযুক্ত ‘হাজরে আসওয়াদ’ কালো পাথরটি বড় ছিল। বর্তমানে এ পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত। যা একটি সিলভার রংয়ের ফ্রেমে একত্র করে কাবা শরিফের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে লাগানো।

      হাজরে আসওয়াদ : পবিত্র কাবা শরিফের কোণে সংযুক্ত ‘হাজরে আসওয়াদ’ কালো পাথরটি বড় ছিল। বর্তমানে এ পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত। যা একটি সিলভার রংয়ের ফ্রেমে একত্র করে কাবা শরিফের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে লাগানো।

    • কাবা শরিফের চাবির জিম্মাদার : এটা আশ্চর্যজনক নয় যে, প্রাক ইসলামি যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কাবা শরিফের চাবি একটি পরিবারের কাছেই রয়েছে।

      কাবা শরিফের চাবির জিম্মাদার : এটা আশ্চর্যজনক নয় যে, প্রাক ইসলামি যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কাবা শরিফের চাবি একটি পরিবারের কাছেই রয়েছে।

    • কাবা শরিফের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম : বছরে দুই বার এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসের আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে।

      কাবা শরিফের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম : বছরে দুই বার এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসের আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে।

  • বরিশালে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন

    বরিশালে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টার॥ ভূমিদস্যুর হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর ২টায় নগরীর বেলতলায় অবস্থিত মাদ্রাসার সভাকক্ষে ওবাইদুর রহমান মাহবুব এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বিসিসি ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া, জামে ইবায়েদুল্লাহ মসজিদের খতিব আলহাজ্ব নুরুর রহমান বেগ, দৈনিক আজকের বরিশাল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

    সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও সেক্রেটারি ওবাইদুর রহমান মাহবুব বলেন নগরীর বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এস এ খতিয়ান ৪৩০০ দাগ নং ৫৬৮৬ এর ৩৪ শতাংশ ভূমি দান পত্র দলিল মূলে জামি’আ ইসলামিয়া মাহমূদিয়া মাদ্রাসা মালিক। উক্ত জমির অবস্থান দক্ষিণ আলেকান্দার ডাঃ খাদেম হোসেন সড়কে। ঐএলাকার মোঃ আলি আহম্মদ সরদার তার পূত্র মোঃ জাহিদ হোসেন ও জাকির হোসেন কে নিয়ে অবৈধ ভাবে দখল করে ভোগ দখল করার পায়তারা চালাচ্ছে।

    উক্ত জমিতে মাদ্রাসার নামে লটকানো সাইনবোর্ড জাহিদ ও জাকির হোসেন ভেঙ্গে ফেলেছে। বিএস রেকর্ডে উক্ত জমি মাদ্রাসার নামে রেকর্ড ভুক্ত হয়েছে। অপর দিকে মাদ্রাসার জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে আলি আহম্মদ সরদার ডাঃ আবদুল মোনয়েম এর নিকট কিছু জমি বিক্রি করলে সে বিসিসি’র অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মানের কাজ শুরু করলে মাদ্রাসার কতৃপক্ষ অভিযোগ করলে বিসিসি কতৃপক্ষ নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। যেহেতু জমির মালিক মাদ্রাসা সেহেতু উক্তজমি অন্যকেউ ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষমতা রাখেনা। মাদ্রাসার জমি ভূমি খেকোর হাত হতে রক্ষার্থে সরকার, প্রশাসন, মিডিয়া কর্মি, মানবধিকার সংগঠন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ।

  • আজ পবিত্র শবে মেরাজ

    আজ পবিত্র শবে মেরাজ

    আজ পবিত্র শবে মেরাজ। ৬২০ খ্রিস্টাব্দে ২৬ রজব রাতে মহানবী (সা.) আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে বিশেষ ব্যবস্থায় ঊর্ধ্বকাশে যান।

    সেখান থেকে তিনি একা রফরফ নামক বিশেষ বাহনে ৭০ হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহতায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন। এরপর পাঁচওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে ফিরে আসেন পৃথিবীতে।

    একই সময়ে মহানবী (সা.) সৃষ্টি জগতের সবকিছুর রহস্য অবলোকন করেন। আরবি ভাষায় মেরাজ অর্থ হচ্ছে সিঁড়ি। আর ফার্সি ভাষায় এর অর্থ ঊর্ধ্ব জগতে আরোহণ।

  • নামাজ না পড়ার শাস্তি

    নামাজ না পড়ার শাস্তি

    নামাজ না পড়ার শাস্তি:

    ♦দুনিয়াতে ছয়টি আযাব ১, তাহার জীবনে কোনরূপ বরকত হইবেনা। ২, আল্লাহ্ তার চেহারা হইতে নেক লোকের চিহ্ন উঠাইয়া লইবেন। ৩, যে যাহা কিছু নেক কাজ করবে, তাহার ছওয়াব পাইবেনা। ৪, তাহার দোয়া আল্লাহ্ পাকের নিকট কবুল হইবে না। ৫, আল্লাহ্ পাকের সমস্ত ফেরেশতা তাহার উপর অসন্তুষ্ট থাকবে। ৬, ইসলামের মূল্যবান নেয়ামত সমূহ হইতে বঞ্চিত করা হইবে। ♦মৃত্যুর সময় আজাব তিনটি ১, অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া মৃতু্যবরণ করিবে। ২, ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরন করিবে। ৩, মৃত্যুকালে তাহার এত পিপাসা পাইবে যে, তাহার ইচ্ছা হইবে দুনিয়ার সমস্ত পানি পান করিয়া ফেলিতে। কবরের মধ্যে তিনটি আজাব ১, তাহার কবর এমন সংকীর্ণ হবে যে তাহার এক পাশের হাড় অপর পাশের হাড়ের সংগে মিলিত হইয়া চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যাইবে। ২, তাহার কবরে, দিনরাত্রি সবসময় আগুন জ্বালাইয়া রাখা হবে।

    ৩, আল্লাহ্ তাহার কবরে একজন আজাবের ফেরেশ্তা নিযুক্ত করিবেন। তাহার হাতে লোহার মুগুর থাকবে। সে মৃত ব্যক্তিকে বলতে থাকবে যে, দুনিয়ায় কেন নামায পড় নাই। আজ তাহার ফল ভোগ কর। এই বলিয়া ফজর নামায না পড়ার জন্য ফজর হইতে জোহর পর্যন্ত, জোহর নামাযের জন্য জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, আছরের নামাযের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের নামাযের জন্য মাগরিব হইতে এশা পর্যন্ত এবং এশার নামাযের জন্য এশা হইতে ফজর পর্যন্ত লোহার মুগুর দ্বারা আঘাত করতে থাকবে। প্রত্যেক বার আঘাতের সময় বজ্রপাতের মত শব্দ হইবে এবং শরীর চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া পঞ্চাশ গজ মাটির নিচে চলিয়া যাইবে। সেই ফেরেশ্তা পুনরায় তাহাকে জীবিত করিয়া হাড় মাংস এক করিয়া আবার আঘাত করিতে থাকিবে। এই ভাবে কিয়ামত পর্যন্ত লোহার মুগুর দিয়া তাহাকে আঘাত করতে থাকবে। ♦হাশরের মাঠে তিনটি আজাব ১, একজন ফেরেশতা তাকে পা উপরের দিকে এবং মাথা নিচের দিকে অবস্থায় হাশরের মাঠে লইয়া যাইবে। আল্লাহ পাক তাহাকে অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখবেন না। সে চির কালের জন্য দোযখী হইয়া নিজের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে থাকবে।

    নবী করিম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে আট শ্রেণীর লোকের উপর কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাক অসন্তুষ্ট থাকবেন। তাহাদের মুখের আকৃতি অত্যন্ত কুশ্রী ও ভীষণাকার হইবে। হাশরের মাঠে প্রত্যেক ব্যক্তি তাহাদিগকে দেখিয়া ঘৃণা করিবে। এই কথা শুনার পরে সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সে সমস্ত লোক কাহারা? নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বললেন — ১, জ্বেনা-কারী ২, অবি-চারক বাদশাহ্ বা হাকিম। ৩, মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান। ৪, সুদখোর ৫, পর- নিন্দাকারী ৬, অন্যায়কারী এবং অত্যাচারী ৭, মিথ্যা সাক্ষীদাতা। ৮ বে-নামাযী। ইহাদের মধ্যে বে-নামাযীর শাস্তিই বেশী হইবে। বে-নামাযীকে আগুনের পোশাক পড়াইয়া শিকলে বাঁধিয়া আগুনের কোড়া মারতে থাকবে। বেহেশত তাহাকে বলতে থাকবে তুমি আমার দিকে অগ্রসর হইওনা। দোযখ তাহাকে বলবে আমি তোমার জন্যই অপেক্ষা করছি। তোমার দ্বারা আমার পেটের ক্ষুধা নিবারণ করব। এই বলিয়া দোযখ তাহার জিহ্বা বাড়াইয়া ভিতরে নিয়া যাইবে। নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহান্নাম দোযখের মধ্যে লমলম নামে একটি কুপ আছে। উহা অসংখ্য সাপ বিচ্ছুতে ভর্তি। প্রত্যেকটা সাপ একটি পাড়ের সমতুল্য এবং একটা বিচ্ছু হাতির সমতুল্য হইবে। সেই সমস্ত সাপ বিচ্ছু সব সময় বে-নামাযীকে কামড়াইতে থাকিবে, একবার কামরাইলে সত্তর বৎসর পর্যন্ত তাহার যন্ত্রনা থাকিবে এবং কাহারও মৃত্যু হইবে না।