Category: নারী ও শিশু

  • কলেজ ছাত্রের সঙ্গে নার্সিং শিক্ষার্থীর প্রেম, অতঃপর…

    কলেজ ছাত্রের সঙ্গে নার্সিং শিক্ষার্থীর প্রেম, অতঃপর…

    রাজবাড়ী নার্সিং কলেজের এক শিক্ষার্থীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে রাজবাড়ী থানায় একটি মামলা করেছেন। শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন।

    ভুক্তভোগী রাজবাড়ী নার্সিং কলেজের বিএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. জাহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী জেলার ঝাটিয়াবুনিয়া গ্রামের মো. মিজনুর রহমানের ছেলে। জাহিদুল রাজবাড়ী আইডিয়াল কলেজের ছাত্র বলে জানা গেছে।

    ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী জানান, জাহিদুলের সঙ্গে ছয় মাস যাবত আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে গত ৬ মার্চ জাহিদুল তার রাজবাড়ী জেলা শহরের সজ্জনকান্দা কবর স্থানের বাসা বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যান।

    সেখানে বিয়ের প্রলোভনে দেখিয়ে সে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে তাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে সে তাকে নানান রকম অজুহাত দেখান। এবং বিভিন্ন রকম খুন, জখমের হুমকী ধামকী প্রদান করেন।

    এমতাবস্থায় কোন উপায়ন্তর না দেখে রাজবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হন বলে জানায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

    এ বিষয়ে রাজবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন বলেন, ওই শিক্ষার্থী নার্সের মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশু, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশু, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    খুলনার রূপসায় ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলার আসামি বাসুদেব রায়কে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৬)। রবিবার (৫ মার্চ) দিনগত রাতে রূপসার পাথরঘাটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    সোমবার (৬ মার্চ) সকালে র‌্যাব-৬ এর মুখপাত্র এএসপি তারেক আমান বান্না ফ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, গত ২ মার্চ সকালে শিশুটি তাদের উঠানে খেলা করছিল।

    বাসুদেব তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে মাছের ঘেরের পাশে থাকা ঘরের মধ্যে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। ঘটনার বিষয় কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায়। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পরলে তার বাবা চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
    তিনি আরও জানান, পরে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে খুলনা জেলার রূপসা থানায় আসামির নামে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে রূপসার পাথরঘাটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • এক মাসে ৩৫৪ নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

    এক মাসে ৩৫৪ নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

    নিউজ ডেস্কঃ জুলাই মাসে দেশে ৩৫৪টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৫৯টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৬টি এবং ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে ২টি। এই সময়ে ২ প্রতিবন্ধি শিশু-কিশোরী ধর্ষণ ও ৩ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এছাড়া নির্বাচনী ও রাজনৈতিক সহিংসতার ৩৭টি ঘটনায় শিশুসহ মারা গেছেন ৫ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন এবং ১ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

    মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    রোববার (৩১ জুলাই) সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়।

    বিভিন্ন গণমাধ্যমে তুলে ধরা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এমএসএফ এ প্রতিবেদন তৈরি।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ’র সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা যেমন: ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হত্যা, আত্মহত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা বিগত মাসগুলোর মতই অব্যাহত ছিল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ধর্ষণের শিকার ৫৯ জনের মধ্যে ১৬ জন শিশু, ২৬ জন কিশোরী রয়েছেন।

    অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ জন শিশু ও ৭ জন কিশোরী। এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হছে ২ শিশু। এ সময়ে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ২২টি, যৌন হয়রানির ঘটনা ২৮টি ও শারীরিক নির্যাতনের ৪৪টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া এক শিশু, ২৮ জন কিশোরী ও ৩৯ জন নারীসহ মোট ৬৮ জন আত্মহত্যা করেছেন। এদের মধ্যে দুইজন প্রতিবন্ধি নারীও রয়েছেন।

    এছাড়া অ্যাসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ নারী। এ মাসে অপহরণের শিকার হয়েছেন ২ কিশোরী ও ২ নারী, অপরদিকে ৩ শিশু ও ৩ কিশোরী নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়াও জুলাই মাসে ১০ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুসহ মোট ৮৮ শিশু, কিশোরী ও নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ শিশু ও কিশোরী রয়েছেন। এ মাসে জুনের চেয়ে ৩২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিশোধ, পারিবারিক বিরোধ, যৌতুক, প্রেমঘটিত ইত্যাদি কারণে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

    এমএসএফ জানায়, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা লক্ষ্যণীয় নয়। এ কারণে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। দেশে ধর্ষণ, শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্ব ও নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন ছাড়াও চলতি বছরের জুলাই মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন একজন, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন র্যাবের দুই সদস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারা হেফাজতে মৃত্যু হয় ২ জনের, যা গত মাসের তুলনায় কমলেও উদ্বেগজনক। এছাড়াও কারাগারে নির্যাতন ও বিনা অপরাধে কারাগারে আটকের অভিযোগ উঠেছে।

    নির্বাচনী ও রাজনৈতিক সহিংসতার ৩৭টি ঘটনায় শিশুসহ মারা গেছেন ৫ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। নির্বাচনী সহিংসতায় ২ জন এবং ৩ জন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে মারা গেছেন। সীমান্তে জুলাই মাসে ৩টি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশীকারীকে উভয়পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক আটক বা বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে। জুলাই মাসে ১৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৭ জন নিহত ও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চুরি, ডাকাতি বা পরকীয়া সন্দেহে গণপিটুনির এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

    এছাড়াও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বিএনপির ৩ নেতাকর্মী ও ২ দম্পতিসহ মোট ৫ জন গ্রেফতার হয়েছেন। এ মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৬টি মামলা হয়েছে এবং ১টি মামলার আবেদন করা হয়েছে। ১২ ঘটনায় ১ জন সাংবাদিকের মরদেহ, ১ জন নারী সাংবাদিকের ঝুলন্ত লাশ, ২ জন সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, ৫ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে মারধরের হুমকিসহ তাদের বাসাবাড়ি এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।.

    এমএসএফ জানায়, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে যেভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের যেভাবে হয়রানি ও শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, তা শুধুমাত্র অনাকাঙ্ক্ষিতই নয় বরং বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার সামিল। তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অপমাণ, নিপীড়ন, হত্যার হুমকি, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও দুষ্কৃতকারীর পাশাপাশি মাদক কারবারিরা এসব কাজে জড়িত।

  • মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ

    মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ

    নিউজ ডেস্কঃ পারিবারিক বিবাদ মীমাংসার কথা বলে বন্ধুর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    গ্রেপ্তার সাজ্জাদ আলভী শোভনদী ইউনিয়নের আদ মল্লপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। উপজেলা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি। তার বিরুদ্ধে গত ১৬ জুলাই থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ।

    এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর প্রায় চার বছর আগে বিয়ে হয়। তার এক ছেলে রয়েছে। তার স্বামীর বন্ধু সাজ্জাদ তাদের ভাড়া বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। স্বামীর সঙ্গে গৃহবধূর বিবাদ হলে অনেকবার মীমাংসা করেছেন তিনি। সম্প্রতি গৃহবধূর সঙ্গে স্বামীর আবারও বিবাদ হয়।

    বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত ১৬ জুলাই বেলা ২টার দিকে পটিয়া বাসস্টেশন এলাকায় আলভী অ্যান্ড কোং নামের দোকানে যেতে বলেন সাজ্জাদ। তার কথামতো সেখানে গেলে গৃহবধূকে কৌশলে ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    ভাড়া বাসায় নেওয়ার পর তাকে ধর্ষণ করেন আসামি। পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পর তাৎক্ষণিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গৃহবধূকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • বরগুনায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বরগুনায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বরগুনা প্রতিনিধি ::: বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের পোটকাখালী গ্রামে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শারমিন নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

    বুধবার সন্ধ‍্যা সাড়ে সাতটায় নিজ ঘরে ওড়না পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করে। কি কারণে আত্মহত্যা করেছে পরিবারের কেউ বলতে পারেনি। তাদের দাবী রহস্যজনক ভাবে এই আত্মহত্যা ঘটেছে। শারমিন ঢলুয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবার নাম সোহেল। তিনি পেশায় একজন জেলে। বর্তমানে সে মাছ ধরতে গভীর সাগরে রয়েছে।

    শারমিনের মৃত্যু সম্পর্কে তার মা বলেন, সম্পূর্ণ রহস্যজনক ভাবে এই ঘটনাটি ঘটে। মাগরিবের পরে সে আনারস খেয়ে পড়তে বসে ছোট বোনের সঙ্গে ও তার ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে। ছোট বোন ও ফুফাতো ভাই দুষ্টুমি করতে থাকায় শারমিন ডাক দিয়ে বলে মা ওদের এখান থেকে নিয়ে যাও আর ঘরের মধ‍্যখানের দরজাটি বন্ধ করে দাও। আমি ওদের ওখান থেকে নিয়ে আসি এবং দরজা চাপিয়ে রাখি।

    পাঁচ মিনিট পরে দরজা উকি মেরে দেখি শারমিন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। তাৎক্ষণিক ভাবে দৌঁড়ে এসে ওড়না থেকে নামিয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে আনার পর ডাক্তার অক্সিজেন দিতে বলে আর ইসিজি করতে বলে। অক্সিজেন লাগানোর কিছক্ষণ পড়েই সে মারা যায়।

    এ ব‍্যাপারে বরগুনা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বলেন, লাশের সুরাতহাল করার পর মর্গে নিয়ে ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • গৃহবধূকে লাঠি পেটার ভিডিও ভাইরাল, গ্রাম পুলিশ আটক

    গৃহবধূকে লাঠি পেটার ভিডিও ভাইরাল, গ্রাম পুলিশ আটক

    নিউজ ডেস্কঃ নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও পিটিয়ে আহত করার ভিডওচিত্র ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশকে আটক করেছে পুলিশ।

    বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। এর আগে গত ১৯ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ইউনুছের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়,কালাদরাপ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ইউনুছের বাড়ির সীমানা নিয়ে পার্শবর্তী সাহাব উদ্দিনের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়।গত ১৯ই জলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গ্রাম পুলিশ নুর হোসেন (নুর চৌকিদার) বাড়িতে এসে ডাকা-ডাকি করে নিজেই সাহাব উদ্দিনের সীমানায় থাকা টিনের বেঁড়া ৪হাত উত্তরে সরিয়ে ফেলা শুরু করেন।

    ভুক্তভোগী আরও জানায়, ওই সময়ে বাড়িতে পুরুষ না থাকায় গৃহবধূ টিনের বেড়া সরাতে বাধা দিলে নুর হোসেন অকথ‍্য ভাষায় গালিগালাজ করে গৃহবধূ রুনা আক্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর ও শ্লীলতাহানি করে। ওই সময় রুনার শৗর চিৎকার শুনে দেবর সালাহ উদ্দিন তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ২৬জুলাই ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে নোয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রাম পুলিশ নুর হোসেন বলেন,আমি চেয়ারম্যান ও মেম্বার আবু তাহের নির্দেশে সাহার উদ্দিনের সীমানার টিনের বেড়া নির্ধারণ করতে যাই। ইউনুছের স্ত্রী আমাকে বাধা দেয়,তাই আমি তাকে সরাতে টিনে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছি।

    এ বিষয়ে ১নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আবু তাহের বলেন,চেয়ারম‍্যানের নির্দেশে আমি চৌকিদার কে সীমানা বুঝিয়ে দিতে বলি। সে মহিলা কে পিটালে এটা তার ব‍্যাপার।

    কালাদরাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাদাত উল্ল‍্যা সেলিম বলেন, এটাত জায়গা জমির ঝামেলা। চৌকিদার কোন অন‍্যায় করলে এটার দায়ভার তার।

    সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে তাকে চাকরি থেকে অব‍্যাহতি দেওয়াসহ আইনগত ব‍্যবস্হা নেওয়া হবে।

    সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাতে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আলামত নেই, পুলিশ তদন্তে ‘ধর্ষণ’

    স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আলামত নেই, পুলিশ তদন্তে ‘ধর্ষণ’

    নিউজ ডেস্কঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার ঘটনায় স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। তবে তদন্ত শেষে ‘ধর্ষণ’ বলে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

    এমনই ঘটনা ঘটেছে কালীগঞ্জ উপজেলার কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নের তেতুরবাড়িয়া গ্রামে।

    মামলার বিবরণ ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে বের হলে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী আতিয়ার রহমানের ছেলে মাজেদুর রহমান মাজিদ। এ ঘটনার এক মাস ১১ দিন পর গৃহবধূর স্বামী আল আমিন হোসেন সান্টু বাদী হয়ে আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার এক সপ্তাহ পর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে মন্তব্য লেখেন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক।

    এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বারোবাজার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই মকলেছুর রহমান তদন্ত শেষে চূড়ান্ত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, মামলার তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণে ভিকটিম ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    অভিযুক্ত মাজেদুর রহমানের ভাই ইউপি মেম্বার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, আমি পরপর দুবার নির্বাচিত ইউপি মেম্বার। মামলার ৭ নম্বর সাক্ষী আব্দুল কাদের আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী। আমার সঙ্গে জনপ্রিয়তায় না পেরে আমাকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় লোক দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।

    তিনি আরও বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মকলেছুর রহমান মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। তিন হাজার টাকা দিয়েছিলাাম, বাকি টাকা না দেওয়ায় আমার ভায়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ দেখিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

    মামলার বাদী আল আমিন হোসেন সান্টু বলেন, ধর্ষণের সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। পরে বাড়ি এসে জানতে পারি। প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বিচার না পাওয়ায় আদালতে মামলা করি।

    দেরিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এসব বুঝি না। ওসব পুলিশ বলতে পারবে।’

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারোবাজার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই মকলেছুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি দেখা করেননি। একদিন পর মোবাইল ফোনে বলেন, ‘তদন্ত রিপোর্টে যা উল্লেখ আছে সব আমার লেখা। বিচারাধীন মামলার বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না।’ একথা বলেই ফোন কেটে দেন।

  • টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যুবক আটক

    টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যুবক আটক

    নিউজ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় প্রেমিক আতিকসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে অভিযোগ করেছেন।

    আতিক সদর উপজেলার ধুলুটিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে।

    সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান জানান, সোমবার দুপুরে ওই কলেজ ছাত্রী প্রেমিক আতিকের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাযোগে ঝিনাই নদীর পাড়ে বেড়াতে যান। এ সময় প্রেমিকসহ ওই কলেজ ছাত্রীকে আটক করে স্থানীয় কিছু বখাটে। সেখানে সংঘবদ্ধ ওই যুবকেরা কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে রাতে কলেজছাত্রী ও তার প্রেমিক আতিককে ফেলে রাখে গোসাই জোয়াইর স্কুল মাঠে। স্থানীয়রা ঘটনাটি টের পেয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

    এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাতেই ধুলুটিয়া গ্রামের জাকির, শওকত আলী ও আব্দুল খালেক মণ্ডল নামের তিনজনকে আটক করে।

    আতিকের বাবা আমিনুল ইসলাম জানান, ছেলে ও মেয়েকে আটক রাখা হয়েছে বলে রাতে তাকে খবর দেওয়া হয়। পরে তিনি সেখানে হাজির হয়ে তার ছেলে আতিক বাধা অবস্থায় দেখতে পান। তবে মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ধর্ষণের কারণে মেয়ের পরিবার তার ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. হাবিবুর রহমান জানান, প্রেমিক সিএনজিচালক আতিক বেড়ানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে করটিয়া থেকে উঠিয়ে গোসাই জোয়াইর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আতিকসহ তার বন্ধুরা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ঘটনার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় আনা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগে প্রেমিককে আটক রাখা হয়েছে।

  • চবিতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন; হাটহাজারী কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল

    চবিতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন; হাটহাজারী কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল

    নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী সরকারি কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

    সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন চট্টগ্রামের হাটহাজারি সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ নূর হোসেন শাওন ও ডিগ্রি পাস এর ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ মাসুদ রানা।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উপর্যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর সাময়িকভাবে ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়।

    কেন তাদের স্থায়ীভাবে ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে না-এই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে উক্ত নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে দেখার জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
    বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে এক ছাত্রীকে হেনস্থা ও যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করা হয়।

    পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা চর্চা এবং মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে কাউন্সেলিং করানোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

  • আশুলিয়ায় ৩ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২

    আশুলিয়ায় ৩ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২

    নিউজ ডেস্কঃ সাভারের আশুলিয়ার ৩ বছর বয়সী শিশুকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার পাশের বাড়ির এক ভাড়াটিয়া। আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় আজ দুপুরে দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম ইমা। তার বাড়ি আশুলিয়ার এলাকায়।

    এ ঘটনায় শিশুর পাশে ভাড়াটিয়া আলমিন (৩০) ও রিগারকে (২২) আটক করেছে র‌্যাব।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে রিগান ও আলমিন। ঘাতক রিগান র‌্যাবকে জানিয়েছেন, হত্যার আগে ইভাকে চকলেট কিনে দেওয়ার নাম করে তাকে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে বেড়ান তিনি। পরে ঘোষ এলাকায় পাশে ইভাকে এনে চাকু দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

    এরপর বাসায় চলে যান তিনি। তবে বাসায় গিয়ে পরিবারের লোকজন ইভাকে হত্যার কথা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। এমনকি ইভাকে তিনি সারাদিনে একবারও দেখেননি বলে দাবি করেন।
    আশুলিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজামান বলেন, থানা থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ বছরের ইভার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    পরে ঘাতক ২ জনকে আটক করে র‌্যাব নিয়ে যায়। বর্তমানে তাদেও ২ জনকে র‌্যাব জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
    বিকালে নির্যাতনের শিকার সেই শিশুর ঘর থেকে জামা-কাপড়, বালিশ, বিছনার চাদরসহ মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।