Category: নারী ও শিশু

  • ভালোবেসে বিয়ে, মেনে না নেয়ায় ফেসবুক লাইভে বিষপান

    ভালোবেসে বিয়ে, মেনে না নেয়ায় ফেসবুক লাইভে বিষপান

    নিউজ ডেস্কঃ ভালোবেসে বিয়ে করায় স্বজনরা মেনে না নেয়ায় ফেসবুকে লাইভে এসে স্বামী-স্ত্রী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

    কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আত্মহত্যার চেষ্টাকারী স্বামী-স্ত্রী হলেন, আদর্শ সদর উপজেলার দৌলতপুর এলাকার ফরহাদ আহমেদ ভূঁইয়ার ছেলে সাজ্জাদ ভূঁইয়া বিজয় ও তার স্ত্রী নুরুন্নাহার সামিয়া। সামিয়া বলরামপুর এলাকার ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমানের মেয়ে।

    বিজয়ের বাবা ফরহাদ আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার ছেলে বিজয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সামিয়ার। পরিবারের অমতে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। সামিয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিষয়টি মেনে নেননি তার পরিবারের লোকজন। এ নিয়ে বিজয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন তারা।

    ওই মামলায় বেশ কিছুদিন জেল খাটেন বিজয়। এরপর আদালতে বিজয়ের সঙ্গে পালানোর কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সামিয়া। পরে বিজয়কে জামিন দিয়ে সামিয়াকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করেন আদালত।
    এদিকে মেয়েকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন সামিয়ার পরিবারের লোকজন।

    নির্যাতন সইতে না পেরে রবিবার বিজয়ের কাছে চলে আসেন সামিয়া। এ ঘটনার পর মেয়েকে ফোন করে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায় সামিয়ার পরিবার। গতকাল সোমবার রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে বিস্তারিত ঘটনা তুলে ধরে স্বামী-স্ত্রী বিষপান করেন। তবে টের পেয়ে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। বর্তমানে দু’জন শঙ্কামুক্ত।

    কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। স্বামী-স্ত্রী দুজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ফেসবুক লাইভে অপপ্রচার, থানায় অভিযোগ

    কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ফেসবুক লাইভে অপপ্রচার, থানায় অভিযোগ

    নিউজ ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় এক কলেজছাত্রীকে মোবাইল ফোনে উত্যক্ত এবং ফেসবুক লাইভে তাকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের ঘটনায় বখাটেদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জুলাই) বিকালে ছয় জনের নাম উল্লেখ করে থানায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    অভিযুক্তরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলাবাগ সাইলোগেট এলাকার খোকার ছেলে হিমেল (৪২), কোমল (৩২), একই এলাকার সাগর (৩২), আল আমিন (২৩), ইমন (৪৩), ও সাজ্জাদ (২৩)।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ বখাটে হিমেল কলেজ ছাত্রী আবিদা অনিকে নানা ভাবে উত্যক্ত করে আসছে।

    গত ২৩ জুলাই শনিবার দিবাগত রাত ১টায় অভিযুক্ত হিমেল, আল আমিন ও সাজ্জাদ কলেজ ছাত্রীর বাসার দেওয়ালে তার নামে আজে-বাজে কথা লিখে। তারপর ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক রাত ৮টায় অভিযুক্ত হিমেল ফেসবুক লাইভে এসে বলে কলেজ ছাত্রী অনি নাকি হিমেলের কাছ থেকে প্রতিদিন টাকা পয়সা নেয়। হিমেলের সাথে তার অনেক দিনের প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে মিথ্যা প্রচার করে এলাকায় তার মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ করে।
    মোবাইল ফোনে বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে বিরক্ত করে এবং অভিযুক্ত কোমল, সাগর ও ইমনের সহযোগিতায় তাকে বাসা বা রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে বলে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।

    অভিযুক্ত হিমেল ওই কলেজ ছাত্রীর সাথে আর এই ধরণের কোন কিছু করবে না বলে অঙ্গীকার নামা দিলেও অভিযুক্তরা সবাই তাকে হয়রানী করছে। এছাড়া তার বাবা হারুনুর রশিদ অভিযুক্ত হিমেলকে মারধর করছে বলে মিথ্যা কথা বলছে এবং তার বাবা একজন বিএনপির সন্ত্রাসী বলে মিথ্যা প্রচার করছে।
    এছাড়াও অভিযুক্ত হিমেল ও কোমল ওই কলেজ ছাত্রী ও তার পরিবারের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিবে বলে হুমকি প্রদান করছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রী আবিদা অনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি হাতে পেয়েছি।

    বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের যাবজ্জীবন

    শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের যাবজ্জীবন

    অনলাইন ডেস্কঃ কক্সবাজারে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাণ্ড দিয়েছে আদালত।

    মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

    কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট একরামুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নুরুল আলম, হেলাল উদ্দিন ও মমতাজ মিয়াকে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৯ এর (৩) ধারায় আসামীদের দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা প্রদান করা হয়।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে টেকনাফের দক্ষিণ লেদা এলাকায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় ৯ বছরের এক শিশু। সেই মামলায় নুরুল আলম, হেলাল উদ্দীন ও মমতাজ মিয়াকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

  • নোয়াখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

    নোয়াখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

    নিউজ ডেস্কঃ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে হাজেরা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শ্বশুর বাড়ির লোকজন এটিকে স্ট্রোক অথবা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু দাবি করলেও হাজেরার স্বজনরা বলছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

    নিহত হাজেরা খাতুন উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল ছালা মিয়ার বাড়ির মাহফুজুল হক মানিকের স্ত্রী এবং কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়রে ৬নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সোনাদিয়া গ্রামের মৃত আবু বক্কর ছিদ্দিকের মেয়ে।

    মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে, গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল ছালা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকাল ৪টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
    কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম রাজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

    নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতের স্বামী স্থানীয় নুরানী ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার দারোয়ান।

    গত ১৩-১৪ বছর পূর্বে তারা দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র ছেলে হেফজ খানায় পড়ে। ঈদের পরে সে মাদ্রাসায় চলে যায়। গত শনিবার বিকেলে নিহতের স্বামী মাদ্রাসায় ডিউটি করার জন্য চলে যান।

    এরপর থেকে গৃহবধূ হাজেরা খাতুন ঘরে একা ছিলেন। সোমবার সকাল ১০টার দিকে নিহতের স্বামী মুঠোফোনে খবর পান তার স্ত্রী মারা গেছে। এমন খবরে তিনি তার বসতঘরের সামনে এসে দেখেন লোকজন জড়ো হয়ে আছে। তার স্ত্রী বসতঘরের দরজার উপর মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তখন উপস্থিত লোকজনের মধ্যে কেউ কেউ বলাবলি করে, তার স্ত্রী স্ট্রোক অথবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।

    নিহতের স্বামী মানিক তার পাশের ঘরের লোকজনকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায়, সকাল ৯টার দিকে তাকে বসতঘরের দরজার উপর পড়ে থাকতে দেখে।
    নিহতের ভাই ইসমাইল ও ইব্রাহিম অভিযোগ করে বলেন, শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার বোনের লাশ তড়িঘড়ি করে দাফনের চেষ্টা করে। তাদের বাধার মুখে দাফন করতে পারেনি। এরপর তারা মরদেহ তার স্বামীর বাড়ি থেকে তাদের কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামে নিয়ে যান। সেখানে তার শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন দেখে স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি কোম্পানীগঞ্জ থানাকে অবহিত করে।

    অভিযোগ করে তারা দুই ভাই আরও বলেন, নিহত হাজেরার দেবর মিলন, তার স্ত্রী লাকী আক্তার ও তার ছেলে তারেক আমার বোনকে পিটিয়ে হত্যা করে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। এর আগেও একাধিকবার তারা আমাদের বোনকে মারধর করে। সর্বশেষ ঈদুল আজহার আগেও তাদের বোনকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন।

    নিহতের স্বামী মাহফুজুল হক মানিক অভিযোগ করে বলেন, এর আগে আমার সাথে একাধিকবার আমার ছোট ভাই মিলনের জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মারামারি হয়। এরপর সে আমার স্ত্রীকে হুমকি দেয় এখানে তাকে থাকতে দিবে না।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নিহতের দেবর মিলনের ফোনে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    এসআই রাজা আরও জানায়, মঙ্গলবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • তরুণীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর মামলায় যুবক গ্রেফতার

    তরুণীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর মামলায় যুবক গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রথমে প্রেম। এরপর কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ।

    গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল আহাদ। তার কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও দুটি সিম জব্দ করা হয়।

    সোমবার (২৫ জুলাই) ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।

    রাতে গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, এক তরুণীর সঙ্গে গ্রেফতার আব্দুল আহাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়। নিয়মিত ফেসবুকে চ্যাটিং হওয়ায় তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে আহাদ ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। ভিকটিম তার ব্যবহৃত মেইল অপারেট করতে সমস্যা হওয়ায় আইডি ও পাসওয়ার্ড সরল বিশ্বাসে আহাদকে দেন। চ্যাটিংয়ের সময় আহাদ তরুণীকে আপত্তিকর ছবি দিতে বলেন। ছবি না দিলে মেইল আইডির মাধ্যমে তরুণীর ফেসবুক আইডিতে ঢুকে ছবি বিকৃত করে সামাজিকমাধমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী বাধ্য হয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ছবি পাঠান।

    এডিসি মহিদুল ইসলাম বলেন, এরপর আহাদ তরুণীর ছবি পেয়ে শারীরিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেন। তরুণী রাজি না হওয়ায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও গত ২৩ জুলাই দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এরপর তরুণী লালবাগ থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে ডিবির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেফতার আহাদ কৌশলে মেয়েদের সঙ্গে ফেসবুকে প্রথমে সম্পর্ক তৈরি করতেন। তাদের সঙ্গে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভিডিও কলে কথা বলার সময় কৌশলে স্ক্রিন রেকর্ডারের মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেন। ভিকটিমরা তার প্রস্তাবে রাজি না হলে তাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

  • পুকুরে ভাসছিল হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা নারীর মরদেহ

    পুকুরে ভাসছিল হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা নারীর মরদেহ

    নিউজ ডেস্কঃ গাজীপুরের শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি এলাকায় পুকুর থেকে হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর মালিকানাধীন পুকুর থেকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া জানান, পুকুরে মরদেহ ভেসে থাকার খবরে সোমবার বেলা ১২টায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

    মরদেহের দুটি হাত-পা বাঁধা, কোমরে তিনটি ইট বাঁধা অবস্থায় ছিল।
    ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ পুকুরে এনে ফেলে রেখেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এছাড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারীর পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করেছে।

  • প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ফেলায় শিশু হত্যা

    প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ফেলায় শিশু হত্যা

    নিউজ ডেস্কঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামের শিশু তাকমিনা আক্তার লিজা (৯) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের ৫ মাস পর প্রধান আসামি তাকবীর হাসানকে (২০) খুলনা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাকবীর হাসান আইলাবই এলাকার সাইদুর রহমান ওরফে মন মিয়ার পুত্র।

    শনিবার বিকাল ৩টার দিকে খুলনা জেলার খালিসপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    তাকবীর হাসান ঘটনার পর থেকে খুলনা পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেয়ে।

    পিবিআই তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃত আসামি তাকবীর হাসান হত্যার দায় স্বীকার করে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
    আদালতের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল আহাদ জনান, আসামি তাকবীরের সঙ্গে একই গ্রামের জনৈক এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন সময় একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে ভিকটিম লিজা তাদের একত্রে দেখে ফেলে।

    ভিকটিম লিজা আক্তার ঘটনাটি তার মাকে জানিয়ে দেয়।
    এরপর থেকে মেয়েটির সাথে তাকবিরের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। এই ঘটনায় আসামি তাকবীর হাসান গত বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭টায় শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশ ঝাড়ে ফেলে রেখে আত্মগোপনে চলে যায় তাকবীর।

    লাশ উদ্ধারের পর লিজার পিতা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • জয়পুরহাটে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    জয়পুরহাটে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    নিউজ ডেস্কঃ জয়পুরহাটে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে জেসমিন আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে জয়পুরহাট পৌর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জেসমিন সদর উপজেলার হানাইল গ্রামের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী।

    জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর জাহান জানান, স্বামী-সন্তান, ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে বাবার বাড়িতে রওনা দেন জেসমিন। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি জয়পুরহাট স্টেশনে যাওয়ার পথে কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পৌঁছলে চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন জেসমিন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

  • গৃহবধূকে নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রেপ্তার

    গৃহবধূকে নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রেপ্তার

    নিউজ ডেস্কঃ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূকে (৩২) নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    গ্রেফতারকৃত মোরশেদ আলম রুবেল (৩৫) উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে সোনাইমুড়ীর পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-ডিবি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি রুবেলের সঙ্গে পাঁচ মাস আগে ওই গৃহবধূর মুঠোফোনে পরিচয় হয়। পরে আসামি রুবেল সু-কৌশলে চৌমুহনী থ্রি স্টার হোটেলে এনে ওই নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে এবং গোপনে ভিকটিমের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে নেয়। পরবর্তীতে নগ্ন ভিডিও ভিকটিমের মুঠোফোনে পাঠিয়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ৮৫ হাজার টাকা, ১টি স্বর্ণের চেইন ও ১ জোড়া কানের দুল হাতিয়ে নেয়।

    ওসি আরো জানায়, এরপর আরো টাকা দেওয়ার জন্য ভিকটিমকে চাপ দিতে থাকে। এতে ভিকটিম পুলিশ সুপার নোয়াখালীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের আলোকে আসামি রুবেলকে হাতিয়ে নেওয়া ১টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া কানের দুল ও ভিডিও ধারণ করা আসামির মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • পটুয়াখালীতে সাপের ছোবলে তিন বছরের নাফির মৃত্যু!

    পটুয়াখালীতে সাপের ছোবলে তিন বছরের নাফির মৃত্যু!

    পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সাপের কামড়ে তিন বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম আবদুল্লাহ আন নাফি (৩)। সে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মহিষকাটা বাজারের পশ্চিমে উত্তর ঝাঁটিবুনিয়া গ্রামের আবদুল আলীমের ছেলে। এই ছোট্ট শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ওয়ালিদ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ঘরের ভেতর বিষধর সাপ কামড় দেয় আব্দুল্লাহকে। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। রাত ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল্লাহর মৃত্যু হয়।

    স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর নিজেদের ঘরের খাট থেকে মাটিতে নামার সময় সেখানে থাকা গর্তে পা পড়লে একটি বিষধর সাপ আবদুল্লাহর ডান পায়ের গোড়ালিতে কামড়ে দেয়। এ সময় সে চিৎকার দেয়। তখন তার মা দেখতে পেয়ে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেন। সেখানে নিয়ে গেলে রাত ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।