Category: নারী ও শিশু

  • স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণে শিক্ষক আটক

    স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণে শিক্ষক আটক

    ঢাকার ধামরাই পৌরসভার কান্দিকুল মহল্লার ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ৬ দিন আটক রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে মো. খলিলুর রহমান বিল্পব (৪৩) নামে কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আটককৃত আসামির তথ্যমতে অপহরণকৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে শরিফবাগ এলাকায় এমন ঘটনাটি ঘটে।

    স্কুলছাত্রী ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নের আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
    অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার মামারিশপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে সে। তিনি বর্তমানে ধামরাই পৌরসভার কান্দিকুল এলাকায় জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে বিল্পব কোচিং সেন্টার খুলে বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করান।

    ভুক্তভোগী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই শনিবার সকালে বাড়ি থেকে শরীফবাগ আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথে শরীফবাগ এলাকায় পৌঁছালে জব্বারের বাড়ির সামনে রাস্তায় থেকে বিল্পব ও তার সংঙ্গীরা একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে যায়। এঘটনায় থানা অভিযোগ দিলে পুলিশ সকালে শিক্ষক বিল্পবকে আটক করে।

    ছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়েছিলো বিল্পব। পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করেছে।

    অপহরণকারী বিল্পবের কঠোর শাস্তি দাবি করেন তিনি।

    ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শিমুল মোল্লা বলেন, স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। আর অপহরণকারীকে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • বরিশালে স্ত্রীর দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে প্রবাসী নারীর অবস্থান

    বরিশালে স্ত্রীর দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে প্রবাসী নারীর অবস্থান

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রবাস ফেরত এক নারী স্ত্রীর দাবী নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এক দুবাই প্রবাসীর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রী দাবি করা আগৈলঝাড়া উপজেলার ভালুকশী গ্রামের কাজী এনামুল হকের মেয়ে মোনা আক্তার মুক্তার সাথে একই উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের নুরু তালুকদারের ছেলে দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির তালুকদারের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে।

    প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে দেশেই তারা গোপনে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করে দুবাই চলে যায়। প্রবাস জীবনে মুক্তা ও কবির দুবাইতে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একত্রে বসবাস করতেন। বুধবার রাতে বাড়িতে আসা প্রবাস ফেরত মুক্তা জানান, তারা দুবাই যাবার আগে ১৯৯৯ সালের ২০ জানুয়ারী আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। তারা দুজনে দুবাই গিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে এক সাথে বসবাস করেন। ১৪ বছর বিদেশে থাকা অবস্থায় তার কাছ থেকে কবির বিভিন্ন সময় প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

    মুক্তা জানায়- কবির তাকে নিয়ে সংসার করার মধ্যে বিদেশে বসে গৌরনদী উপজেলার কাসেমাবাদ এলাকার সুমি নামে এক মেয়েকে চলতি বছর ২ ফেব্রুয়ারী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করেন। গত চার দিন আগে কবির মুক্তাকে না বলে দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসে। কবীরের দেশে ফেরার কথা জানতে পেরে বুধবার রাতে দেশে চলে আসে মুক্তা। মুক্তা দেশে আসার খবর পেয়ে আত্মগোপন করে কবির।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে স্ত্রীর দাবি নিয়ে মোনা আক্তার মুক্তা কবিরের ঘরের সামনে অবস্থান নেয়। মুক্তা কবিরের বাড়িতে অবস্থান নেয়ায় কবিরের পরিবারের লোকজন ঘরে তালা দিয়ে অন্যত্র চলে যায়। কবিরের প্রতারনার বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে ওই বাড়িতে ঘটনা জানার জন্য ভীড় জমায়।

    উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও চেঙ্গুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। উভয় পক্ষই তার আত্মীয়। মেয়ে ও ছেলের উভয় পরিবারকে তাদের বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছেন, প্রমান দেখে সামাজিকভাবে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

  • টিকটকের নেশা মেয়েটাকে দুনিয়া থেকে নিয়ে গেলো: মা

    টিকটকের নেশা মেয়েটাকে দুনিয়া থেকে নিয়ে গেলো: মা

    টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে গলায় ফাঁস পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক কিশোরীর। এমনটিই ধারণা করছে তার পরিবার। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর খিলপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম সানজিদা আক্তার (১১)। খিলপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামের মনজুরুল ইসলামের মেয়ে সে। স্থানীয় আবিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

    নিহতের মা কোহিনূর বেগম বলেন, ‘আমাকে একটা পান দিয়ে নিজেও খায় সানজিদা। পরে আমি বিশ্রাম নিতে গেলে ঘুমিয়ে পড়ি। ধারণা করছি, এই ফাঁকে সে আলমারির ওপরে উঠে ওড়না দিয়ে ফাঁসির ভিডিও বানাতে যায়। পরে অসাবধানতাবশত গলায় ফাঁস পড়ে মারা যায় সে। মেয়ের টিকটক ভিডিও বানানোর নেশা ছিল। ওই নেশাই তাকে দুনিয়া থেকে নিয়ে গেলো।’

    ইউপি সদস্য সাদ্দাম হোসেন বলেন, শুনেছি মেয়েটা কারো বাধা মানতো না। টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে অনেকের বকাও খেয়েছে সে। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর ঘরের আলমারির ওপর উঠে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ভিডিও করতে গিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে থানায় মামলা হয়েছে অপমৃত্যুর।

  • কলাপাড়ায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার

    কলাপাড়ায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে ৭ বছর বয়সী এক কণ্যাশিশুকে ধর্ষণের দায়ে শাহ-আলম শেখ নামে (৫৮) এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নির্যাতিতা ওই শিশুটির পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহষ্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শাহ-আলম গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার হিরন ইউপির আক্তার উদ্দিন শেখের ছেলে।

    শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে বানাতী বাজার কেরাতুল কুরআন মাদ্রাসায় পাঠদান শেষে বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। পথে বৃষ্টি নামলে বালীয়াতলী ইউপির বলিপাড়া গাজী মার্কেট এলাকায় শাহ-আলমের ভাঙ্গাড়ি দোকানে আশ্রয় নেয় প্রথম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।

    পরে শিশুটিকে বিস্কুট কিনে দিয়ে দোকানের পেছনে নিয়ে দোকানের দরজা কপাট বন্ধ করে দেয় শাহ-আলম। এরপর জোরপূর্বক শিশুটির পরিধেয় পোশাক খুলে ধর্ষণ করে। এসময় ওই শিশু শিক্ষার্থী চিৎকার দিলে বৃষ্টিতে লোকজন না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয় শাহ-আলম। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার মাকে সব ঘটনা জানালে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং তার পিতা কলাপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

    কলাপাড়া থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন জানান, শিশু শিক্ষার্থীর পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহ-আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত শাহ-আলম বালীয়াতলীর বলিপাড়ায় দোকান রেখে ভাঙ্গাড়ি ব্যবসা করতেন বলেও জানান ওসি।

  • অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে অটোরিকশাচালক

    অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে অটোরিকশাচালক

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে চার মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে রাতে একা পেয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে এ অভিযোগ করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর তৎপরতায় বাগেরহাট সদর থানা অভিযুক্ত অটোরিকশা চালক মাহামুদুল হাসানকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়।

    সোমবার (১১ এপ্রিল) জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর পরিদর্শক (মিডিয়া) আনোয়ার সাত্তার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন খুলনায়। স্বামীর ফোন পেয়ে বাগেরহাট থেকে রাতে রওনা দিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। তাকে একা পেয়ে অটোরিকশাচালক রাস্তার পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এমন অভিযোগ করে বাগেরহাট সদরের সুগন্ধি গ্রাম থেকে এক গৃহবধূ রোববার বিকেলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন।

    ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, গত ৮ এপ্রিল ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায়, স্বামী অসুস্থ থাকায় ও লোকলজ্জার ভয়ে এ ঘটনা কাউকে জানাননি। পরে স্বামীকে ঘটনাটি জানালে স্বামীর পরামর্শে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার স্বামীর সঙ্গে ৯৯৯ এর কথা বলিয়ে দেন।

    তিনি আরও জানান, ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল কে এম মাহফুজুর কলটি রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল মাহফুজ তাৎক্ষণিকভাবে বাগেরহাট সদর থানায় বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পরে সদর থানাধীন চুলকাঠি তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের একটি দল ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও বর্ণনা অনুযায়ী অটোরিকশা চালক মাহামুদুল হাসান গ্রেফতার করে। ধর্ষণের ঘটনাস্থল বাগেরহাটের ফকিরহাট থানাধীন স্থানে হওয়ায় অভিযুক্তকে ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ফকিরহাট থানার এস আই বেলাল হোসেন ৯৯৯-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সংক্রান্তে ফকিরহাট থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

  • চট্টগ্রামে ৯ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

    চট্টগ্রামে ৯ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৯ বছর বয়সী শিশু ধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় মো. শাহীন (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতার শাহীন সীতাকুণ্ড থানার ইয়াসিন নগর এলাকার নেজাম উদ্দিনের ছেলে।

    বুধবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলার জোরারগঞ্জ থানার বারৈয়ারহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব-৭।

    র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ মাদরাসার ক্লাস শেষে বাড়িতে যাচ্ছিলো তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী। এসময় ওই ছাত্রীর পিছু নেয় শাহীন। ফুসলিয়ে ও ম্যাজিক লাইট দেখানোর কথা বলে ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। ছাত্রীর দিনমজুর বাবা-মা কাজের উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে ছিল। ঘরে লোকজন না থাকার সুযোগে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে শাহীন নামে ওই যুবক। এসময় ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে কৌশলে পালিয়ে যায় শাহীন।

    র‌্যাব সূত্রে আরও জানা যায়, খবর পেয়ে ভিকটিমের বাবা-মা বাসায় এসে ধর্ষিত শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) পাঠানো হয়। ভিকটিম এখনও চমেক হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন।

    এদিকে ঘটনার দিন ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। ওই ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে যান শাহীন। বুধবার সন্ধ্যায় শাহীনকে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি টিম।

    র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লে. নিয়াজ মো. চপল জাগো নিউজকে বলেন, সীতাকুণ্ডে ৯ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ছায়াতদন্ত করে বারৈয়ারহাট বাজার এলাকা থেকে শাহীনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ছেলের সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে দিলেন শিক্ষিকা

    ছেলের সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে দিলেন শিক্ষিকা

    মায়ের ইচ্ছা পূরণে ছেলের সঙ্গে নিজের স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামসুন্নাহার। একজন শিক্ষিকার এমন কাণ্ডে হতবাক এলাকাবাসী।

    স্থানীয়রা জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশলুয়া গ্রামের বিলপাড়ার দিনমজুর অসোক আলীর মেয়ে শারমিন খাতুন (১১) বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামসুন্নাহার তার ছেলে যদুপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমানের গোপনে বিয়ে দেন চলতি মাসের ২০ তারিখে। প্রথম কয়েকদিন বিষয়টি গোপন থাকলেও শনিবার বর আব্দুর রহমান শ্বশুরবাড়ি ছোটশলুয়া গ্রামে বেড়াতে গেলে বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়।

    বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, রোববার হাতে মেহেদী নিয়ে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে আসে স্কুলছাত্রী শারমিন খাতুন। এ সময় বিয়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে স্বীকার করে জানায় এক সপ্তাহ আগে ম্যাডামের ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে।

    অভিযুক্ত স্কুলশিক্ষিকা শামসুনাহার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে নিজের দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, তার নিজের বাড়ির অবস্থা খুব একটা ভালো না। বিশেষ করে তার মায়ের শরীর খুব খারাপ। মায়ের ইচ্ছা নাতির বউ দেখার। মূলত মায়ের ইচ্ছা পূরণ করার জন্যই নিজের ছেলের সঙ্গে তারই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে দিয়েছেন। তবে এখনও বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। বেগমপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ও বেগমপুর ইউনিয়নের কাজি মফিজুল ইসলাম ধর্মীয় রীতি মেনেই বিয়ে দিয়েছেন।

    বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিয়ের বিষয়টি জানেন না বলে জানান।

    এ ব্যাপারে বিয়ের কাজি মফিজুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো বিয়ে তিনি পড়াননি। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাল্যবিয়ের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ভুইয়া জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নিখোঁজের ১৫ ঘণ্টা পর পুকুরে মিললো শিশুর মরদেহ

    নিখোঁজের ১৫ ঘণ্টা পর পুকুরে মিললো শিশুর মরদেহ

    রাজবাড়ী সদর উপজেলায় নিখোঁজের ১৫ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে আবির (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার (১৩ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় জেলের জালে উঠে আসে তার মরদেহ। শিশু আবির ইন্দ্রনারায়নপুর গ্রামের মো. সুজন মোল্লার ছেলে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার বিকেলে স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে খেলা করছিল আবির। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরে না আসায় বাবা-মাসহ পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। রাত ১০টার দিকে সন্দেহমূলকভাবে গ্রামবাসী কামালদিয়া নুরের বড় পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যোগ দিলেও তাদের ডুবুরি না থাকায় শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে রোববার সকালে স্থানীয় জেলেদের জালে শিশুটির মরদেহ উঠে আসে।

    আলিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুবক্কর শেখ  বলেন, শনিবার নিখোঁজের পর ওই পুকুরে পরিবার ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির মরদেহ পায়নি। পরে আজ সকালে স্থানীয় জেলেরা জাল টানার সময় শিশুটির মরদেহ উঠে আসে।

  • পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ, স্বামীসহ গ্রেফতার ৪

    পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ, স্বামীসহ গ্রেফতার ৪

    পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ মামলায় স্বামীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানার ওসি এমআর শওকাত আনোয়ার।

    গ্রেফতাররা হলেন- বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার মৃত্যু আবুল কাসেমের ছেলে স্বামী মিলন খান, গলাচিপার সাগর চৌকিদার, হেলাল চৌকিদার, মোসা. রুবি বেগম। পুলিশ জানায়, চার বছর পূর্বে গ্রেফতার মিলন খানের সঙ্গে তয়নার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তয়না বুঝতে পারে যে তার স্বামী প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।


    তখন থেকেই মিলনকে ভালভাবে চলাফেরা করতে ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন তয়না। এসব কথা বলার পর থেকেই তয়না সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে মিলন।


    এসব ঘটনার পরে উভয়পক্ষের মুরুব্বিরা একাধিক সালিশের মাধ্যমে এ সমস্যা মীমাংসা করে। তারা আবার সংসার শুরু করে। কিছু দিন যাবার পর মিলন আবার পূর্বের মতো রকম আচরণ শুরু করে।

    এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে মারপিট সহ্য করতে না পারায় বাবার বাড়িতে চলে আসে। আসার পরেই মিলন ক্ষিপ্ত হয়ে তয়নাকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশসহ নানা রকম ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। ২ মার্চ উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের গুপ্তের হাওলা গ্রামের ওই গৃহবধূর বাবার বাড়িতে তয়নার শয়ন কক্ষের জানালা দিয়ে এসিড ছুড়ে মারে। মিলনের ছোড়া অ্যাসিডে তয়নার মুখ ও শরীরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঝলসে যায়।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তয়নার বড় ভাই ইভান হাওলাদার গলাচিপা থানায় একটা মামলা দায়ের করেন।


    এ বিষয়ে গলাচিপা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকে পুলিশ আসামি মিলনকে গ্রেফতারে মাঠে নামে। মিলন ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে যায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার এড়াতে সে ছদ্মবেশে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে থাকে।

    তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ মার্চ ভোর ৫টার দিকে ঢাকা গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকা থেকে পুলিশ এসআই মৃণাল চন্দ্র সিকদার প্রধান আসামি মিলনসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে এই অ্যাসিড সন্ত্রাসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে মিলন। গ্রেফতারকৃত আসামিরা গলাচিপা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

  • মাদক মামলায় মায়ের সঙ্গে কারাগারে ৭ মাসের শিশু

    মাদক মামলায় মায়ের সঙ্গে কারাগারে ৭ মাসের শিশু

    মাদক মামলায় খুকুমনি (২৪) নামের এক নারীকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। মায়ের সঙ্গে সাতমাস বয়সী শিশুসন্তানকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় এমনই ঘটনা ঘটেছে।

    গ্রেফতার খুকুমনি বরিশালের কাউনিয়া উপজেলার আমানতগঞ্জ গ্রামের আলী আকবর মিয়ার স্ত্রী। খুকুমনি ও তার সহযোগীর কাছ থেকে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক অপর দুই আসামি হলেন-বরিশালের কাউনিয়া উপজেলার মৃত সালাম ঢালীর ছেলে মো. মিরাজুল ঢালী (৫২) এবং কচুয়ার আলিয়ারা গ্রামের মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে মো. ইকবাল (২৯)।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের আশ্রাফপুর কুটুমবাড়ি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মিরাজুল ঢালী ও খুকুমনির কাছ থেকে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    একইদিন উপজেলার আলীয়ারা বাজারের তরকারিপট্টি আলমগীর হোসেনের মুদি দোকানের সামনে তিন বোতল তরল মদ, ৪৩ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইকবাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু দুধের শিশু, মা ছাড়া থাকতে পারবে না এবং আসামির বাড়ি বরিশাল থেকে কোনো আত্মীয়-স্বজন আসেনি, তাই শিশুটিকে মায়ের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ মুহূর্তে শিশুটির তার মায়ের সঙ্গে থাকা খুব জরুরি।