Category: প্রচ্ছদ

  • ঘরে তারাবি পড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    ঘরে তারাবি পড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এবার আসন্ন রমজানে তারাবি নামাজ ঘরে পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বৃহস্পতিবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়ের সময় তিন এ আহ্বান জানান। গণভবন থেকে তিনি এই ভিডিও কনফারেন্স করেন।

    রমজানে মুসলমানরা এশার নামাজের পর ২০ রাকাত তারাবির নামাজ মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে থাকেন। আগামী ২৫ বা ২৬ এপ্রিল চাঁদ দেখাসাপেক্ষে বাংলাদেশে রমজান মাস শুরু হবে।এবার একটা ভিন্ন পরিস্থিতিতে রমজান আসন্ন। করোনাভাইরাসের কারণে দেশের মসজিদগুলোতে জামাতে মুসল্লিদের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। এমতাবস্থায় রমজানে তারাবি মসজিদে পড়া যাবে কিনা তা নিয়ে মুসল্লিরা উদ্বিগ্ন।

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন, সৌদি আরবে নামায, জামাত বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি তারাবি নামাজ সেখানে হবে না, সবাই ঘরে পড়বে। খুব সীমিত আকারে সেখানে তারা করছে। তারা নিষেধ করে দিয়েছে।’

    ‘ঠিক এভাবে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, এমনকি ভ্যাটিকান সিটি থেকে শুরু করে সব জায়গায় তারা সুরক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছে। নিজেদের সুরক্ষিত করা, অন্যকে সুরক্ষিত করা’-যোগ করেন সরকার প্রধান।

    তিনি বলেন, কাজেই তাদের কাছ থেকে আমাদেরও শিক্ষার বিষয় আছে। যে কারণে আমরা মসজিদে না গিয়ে নিজের ঘরে নামাজ পড়তে বলছি। কারণ- আল্লাহর এবাদত তো আপনি যে কোনো জায়গায় বসে করতে পারেন। এটাতো আল্লাহর কাছে আপনি সরাসরি করবেন। কাজেই বরং আপনার এবাদত করার একটা ভালো সুযোগ আছে।

  • করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪১

    করোনায় আরও ১০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪১

    মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে। আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩৪১ জন। এতে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫৭২ জনে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
    বুলেটিন উপস্থাপনকালে করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হয়েছে করোনাভাইরাস। চীন পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়ে উঠলেও এখন ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। মৃতের সংখ্যা এক লাখ ৩৪ হাজারেরও বেশি। তবে পাঁচ লাখ ১৬ হাজারের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। সবশেষ হিসাবে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৫৭২। মারা গেছেন ৬০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৯ জন

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব ও পুলিশ।

  • যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

    যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

    কভিড-১৯)নোভেল করোনাভাইরাস আতংক নিয়ে যখন বরিশালে আতংক বিরাজ করছিল,ঠিক সেই মুহুর্তে নগরসেবক মেয়র সাদিককে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছিলোনা।এমন সংবাদ বরিশালের মিডিয়াপাড়ায় পর্বকারে পএিকার পাতায় নিয়মিত প্রকাশ পেলেও তারই অবসান ঘটিয়ে এবার হেমিলিওনের বাশিওয়ালা খ্যাত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে এলেন।অবশ্য সংশ্লিষ্ট সুএ বলেছে,মেয়র অন্তর্ধানে থাকলেও নগরবাসীর জন্য খাদ্যসামগ্রীর কর্মসুচী হাতে নেওয়া ছিল আগ মুহুর্তেই।কিন্ত নগরবাসীর কাছের অভিভাবক হয়েও কেন খাদ্য সামগ্রী বিতরনে সময় লেগেছে এমন প্রশ্ন কিছুটা ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।তবে মেয়রের একটি বিশ্বস্ত সুএ জানায়,আমরা ৪০ হাজার মানুষের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করার কর্মসূচি নিয়েছি বলে সময় লেগেছে।মেয়রের সহোচর এই নেতা বিতর্ককে টপকে বলেন,আমরা হাতে সময় নিয়েছি ঠিকই তবে প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছি। যেটা আমাদের অতীতে অনেকেই মাঠে নেমে এখন পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী বাজেটের এান-সামগ্রী দিতে ভুমিকা রাখেননি।তবে এই যুবকবয়সী নেতার কন্ঠেস্বরে বলছে, মেয়র সাদিক কখনই অন্তর্ধানে ছিলেন নাহ বরংচ নগরবাসীর জন্য ভাল কিছু দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে ছিল বলেই সময় লেগেছে।যদিও বর্তমানে নগরপিতা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরনের দিক থেকে এই তরুন বয়সী যুবরত্ন এগিয়ে আছে বলে সুএ নিশ্চিত করে।এদিকে মুজিবর্ষের অনুষ্ঠানের দিন সিটি মেয়র সাদিককে বেশ জমকালো মেজাজে মঞ্চে দেখা গেলেও,পরের দিন থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে কেউ মুখ খুলতে নারাজ ছিলেন।তবে একটি নির্ভরযোগ্য সুএ বলেছে, মেয়র সাদিক বরিশালের মাটিতেই ছিলেন এবং স্বয়ং নগরের ভিতরই তার অবস্থান ছিল।কিন্ত এই করোনাভাইরাস মহামারী দুর্যোগে নগরবাসীর পাশে থাকার কথা থাকলেও কেন আসলেন নাহ।এমন একটি প্রশ্ন বেশ কিছুদিন থেকেই মেয়রের ঘরোয়ানা লোকদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিন্ত রহস্যময় কন্ঠে নয়, স্পষ্টভাষী কন্ঠে মেয়রের পক্ষ থেকে জানান দেওয়া হয়,মুজিবর্ষের প্রগামে মেয়র বেশকিছুদিন লোকসমাগমের ভিতর ছিল বিধায়,চিকিৎসকের পরামর্শে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকার প্রয়োজনীতা অনুভব করেন।যাহা এক প্রকার হোম কোয়ারেন্টিন বলা যায়।ওই সুএটি আরও নিশ্চিত করে যে, করোনাভাইরাস সাধারনত ছোয়াচে জাতীয় রোগ।এটা দ্রুত লোকসমাগম থেকে মানুষের দেহে থেকে অপরাপর সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু দেশের এই প্রাদুর্ভাব মহামারীতে মেয়র যদি প্রকাশ্যে নগরী ঘুরে বেড়ায়,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাহলে মানুষের ভিতর সচেতনতা আর থাকবেনা।যদিও মেয়র সাদিক যেকোন স্থানে উপস্থিত হলে লোকসমাগম হবেই বলে তাদের ধারনা।সেখানে মেয়র সাদিক যদি অজ্ঞতার পরিচয় দেয়,তাইলে নগরবাসীকে হুমকির মুখে ফেলে দিবে বলে এই সুএটির দাবী। তবে মেয়রের এই সুএটির কন্ঠে জানান দিল, একজন দায়িত্বশীল নগরসেবক, নগরবাসীর কথা চিন্তে করে অন্তর্ধানে থাকলেও আড়ালে বসে ছিল তরুন বয়সী এই মেয়রের ব্যাপক পরিকল্পনা।কমতি ছিলনা নগর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। তবে মেয়রের আড়ালের থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে থাকার চেয়েও শক্তিশালী বলে আভাস দিয়েছিল অনেকেই।কিন্ত সকলকিছুর অবসান ভেংগে ১২ তারিখ সকালে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স যোগদিতে কালিবাড়ী বাসভবন থেকে স্বাভাবিক মেজাজেই জেলা প্রশাসনের কার্যালয় উপস্থিত হন।সেখানে তাকে বক্তব্য দিতে না দেখা গেলেও,প্রকাশ্যে এসে জানান দিলেন যে, যেকোনো মহামারী দুর্যোগে প্রশাসনের হাতকে শক্তিশালী কিংবা সহযোগিতা করতে সিটি কর্পোরেশন প্রস্তুত। এছাড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, তরুন বয়সী এই নেতা কাজে উদয়ীমান এবং সে যতটা নীরবে থাকে ততটা পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।যা নগরবাসীকে দেয় আকস্মিক চমক।যেমমনটা অতীতের উদাহরন আছে।তবে দীর্ঘদিন একাকীত্ব থাকার পর,বেশ ফুরফুরে মেজাজে মেয়র সাদিককে ৩০ টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর,আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ সহ অংগ-সহযোগী সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দ সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দিতে দেখা যায়।পাশাপাশি নগরবাসীর দেখভাল করার দায়িত্ব তার একান্ত সহোচর নিরব হোসেন টুটুল কে দেওয়া হয়।যেন নগরের কোন বাসিন্দা খাদ্যের অভাবে দিন না কাটায়।অবশ্য খাদ্য-সামগ্রী বিতরন কর্মসূচি অব্যহত রয়েছে।এবং সিটি কর্পোরেশন এান-ফান্ডে সম্মানীর ৩৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। এদিকে একাধিক মিডিয়ায় মেয়রের রহস্যজাল অন্তধার্নের কথা শোনা গেলেও, তা আবেগপ্রবন সংবাদ বলে উড়িয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট মহল।তবে মেয়র অন্তর্ধান ছিল বটে কিন্ত রহস্যঘেরা কোন সংলাপে নয়।এদিকে মেয়র সাদিক বাসায় অবস্থানকালীন নিয়ে নগরবাসীর মাঝে যখন তুমুল বিতর্ক চলছিল,তখনকার একাধিক মিডিয়ায়,অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছিল, “নগরবাসীর জন্য মেয়র সাদিকের ব্যাপক কর্মসূচি”।অবশ্য সিটি কর্পোরেশন সুএ থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় আভাস দিয়েছিল এই তথ্যটি। যেখানে বুজানো হয়েছে,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে মেয়রের খাদ্য সহায়তা। এমনকি নগরবাসীকে চিন্তামুক্ত করার জন্যই এই ভুয়ংসী পদক্ষেপ।তাই সকল কিছুর ধ্রুমজাল ভেংগে দুর থেকে হলেও নগরবাসীর ভরষার আস্রয়স্থল হিসেবে মানুষের মানিকোঠায় রয়েছেন এই তরুন বয়সী নেতা।সর্বশেষে প্রবাদের সুরে তাল মিলিয়ে বলতে হয়,”মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় আড়ালে তার সুর্য হাসে”। যেটা সুর্যের আলোর মত নগরকে পুলকিত করেছে স্বয়ং মেয়র নিজেই।আর তার কর্মের গতিতে অসহায় মানুষের বিষাদের মেঘ কেটে গেছে।

  • বরিশালে কর্মহীন ১৮ হাজার পরিবারের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে কর্মহীন ১৮ হাজার পরিবারের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিলেন মেয়র সাদিক

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বরিশাল নগরীতে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে খাদ্য সহায়তা বিতরনেরর ১৫তম দিন সোমবার নগরীর ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের ১৮৫০ পরিবারের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। এতে রয়েছে চাল, ডাল, আলু ও সাবান।

    বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষনাসহ অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়। এর ফলে নগরীর খেটে খাওয়া অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। এসকল অসহায় মানুষের দূর্দশা লাঘবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে গত ৩০ মার্চ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম শুরু করা হয়।

    তারই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার পর্যন্ত নগরীর অসহায় প্রায় ১৮ হাজার পরিবারের মাঝে এসহায়তা পৌঁছে দেয়া হলো। যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সম্ভব সবধরণের সহযোগিতার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে। জনসাধারণের নিরাপদে ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে এসব খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

    মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম নিজে সরাসরি মনিটরিং করছেন। এক্ষেত্রে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দর সাথে যুক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন

  • বরিশালে চিকিৎসক-নার্সসহ ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

    বরিশালে চিকিৎসক-নার্সসহ ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

    বরিশালে চিকিৎসক এবং নার্স সহ ৪ জন করোনা রোগী সনাক্ত করা হয়েছে।
    সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা: মনোয়ার হোসেন।
    জানা গেছে, জেলার বাবুগঞ্জে দুই স্বাস্থ্য কর্মী ও এক রোগিসহ ৩ জন এবং আগৈলঝাড়ায় এক চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
    বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুভাষ সরকার জানান, কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য ৩ জনের নমুনা বরিশাল সিভিল সার্জনের নিকট পাঠানো হয়। এরপর পরীক্ষায় পজেটিভ আসলে তারা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হই আমরা। বর্তমানে তাদের বাবুগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া আমি নিজেও হোম কোয়ারেন্টাইনে আছি। বাবুগঞ্জে ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত’র মধ্যে ২ জন নারী ও ১ জন পুরুষ।
    এছাড়া সোমবার বিকালে গৌরনদীতে এক নারী করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি রোববার বিকালে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ এলাকার দুই বাসিন্দার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
    এই পর্যন্ত বরিশাল জেলায় মোট ৭জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
    বরিশালে চিকিৎসক এবং নার্স সহ ৪ জন করোনা রোগী সনাক্ত করা হয়েছে।
    সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা: মনোয়ার হোসেন।
    জানা গেছে, জেলার বাবুগঞ্জে দুই স্বাস্থ্য কর্মী ও এক রোগিসহ ৩ জন এবং আগৈলঝাড়ায় এক চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
    বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুভাষ সরকার জানান, কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য ৩ জনের নমুনা বরিশাল সিভিল সার্জনের নিকট পাঠানো হয়। এরপর পরীক্ষায় পজেটিভ আসলে তারা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হই আমরা। বর্তমানে তাদের বাবুগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া আমি নিজেও হোম কোয়ারেন্টাইনে আছি। বাবুগঞ্জে ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত’র মধ্যে ২ জন নারী ও ১ জন পুরুষ।
    এছাড়া সোমবার বিকালে গৌরনদীতে এক নারী করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি রোববার বিকালে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ এলাকার দুই বাসিন্দার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
    এই পর্যন্ত বরিশাল জেলায় মোট ৭জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

  • চিকিৎসকদের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

    চিকিৎসকদের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

    চিকিৎসকদের বিশেষ সম্মানী বাবদ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সন্ধ্যায় (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ১৪২৭ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।
    এ সময় তিনি সবাইকে ঘরে বসে নববর্ষ পালন করতে আহ্বান জানান।
    ‘বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন একযোগে প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ সম্প্রচার করেছে। এছাড়া বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলোও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সম্প্রচার করেছে।

  • নতুন ১৮২ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৫

    নতুন ১৮২ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৫

    দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে একদিনে সর্বাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৮২ জন। এই রোগে নতুন করে মারা গেছেন আরও ৫ জন।
    আজ রোববার দুপুর আড়াইটায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮২ জন আক্রান্ত হয়েছে। মোট সংক্রমিত হলো ৮০৩। করোনায় মৃত্যু বরণ করেছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ৩ জন রোগী ইতিমধ্যে সেরে উঠেছেন। এর ফলে মোট সেরে উঠেছেন ৪২ জন।’
    জাহিদ মালেক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৭০টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১০ হাজার ৬২৩টি। আর চিকিৎসা নিয়ে আরও তিন জনসহ মোট ৪২ জন সুস্থ হয়েছেন।
    চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত মাসের ৮ তারিখে। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা সংক্রমণের তথ্য জানিয়েছিলেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট।
    ১৮ মার্চ আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এরপর থেকে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে আক্রান্ত ও মারা যাওয়া রোগীর সংখ্যা।
    উল্লেখ্য, রোববার করোনাভাইরাসে একদিনেই আক্রান্ত হয়েছিল ১৩৯ জন, মৃত্যু হয় ৪ জনের। তার আগের দিন শনাক্ত হয় ৫৮ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।

  • করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৩৯

    করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৩৯

    অনলাইন ডেস্ক :: মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১৩৯ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২১ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে।

    রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ লাখ। মারা গেছেন এক লাখ ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে চার লাখের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। সবশেষ হিসাবে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬২১। মারা গেছেন ৩৪ জন।

    প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব ও পুলিশ।

  • ১৬০০০ নগরবাসী পেলো বিসিসি মেয়রের ত্রাণ

    ১৬০০০ নগরবাসী পেলো বিসিসি মেয়রের ত্রাণ

    করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বরিশাল নগরীতে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ (১২ এপ্রিল) পর্যন্ত প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে খাদ্য সহায়তা বিতরনেরর ১৪ তম দিনে গতকাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের ১৭৬০ পরিবারের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়।
    এতে রয়েছে চাল, ডাল, আলু ও সাবান। বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষনাসহ অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়। এর ফলে নগরীর খেটে খাওয়া অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে।
    এসকল অসহায় মানুষের দূর্দশা লাঘবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে গত ৩০ মার্চ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম শুরু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল পর্যন্ত নগরীর অসহায় ১৫ হাজার ৭৬০ পরিবারের মাঝে এসহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়।
    যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • দুইজনের শরীরে করোনা পজেটিভ, বরিশাল জেলা লকডাউন

    দুইজনের শরীরে করোনা পজেটিভ, বরিশাল জেলা লকডাউন

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অবশেষে বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান আজ রোবার সন্ধ্যায় গণবিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়।
    মূলত বরিশাল জেলায় দুইজন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হওয়ার পর আজ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
    জানা গেছে, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণ ল্যাবে দুজনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। একজন বাকেরগঞ্জ ও একজন মেহেন্দিগঞ্জের। এ ছাড়া বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় নারায়রগঞ্জের লোক রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। গতকাল রাতে একটি ট্রাকে করে আসা কয়েকজন ভিন্ন জেলার লোক আটক করে আবার ফেরৎ পাঠানো হয়। বাইরের মানুষের আগমনে বরিশালের করোনা ভাইরাস সংক্র্রমিত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ায় লকডাউনের ঘোষণা দেয়া হয় বলে জানা গেছে।
    জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে, উল্লেখ করা হয়েছে রবিবার অর্থাৎ আজ থেকেই লকডাউন কার্যকর হবে। অন্যকোন জেলা থেকে বরিশালে কেউ আসতে পারবে না এবং বরিশাল থেকে কেউ যেতেও পারবে না। এমনকি আন্তঃ উপজেলায় যাতায়তের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
    অর্থাৎ বরিশালের বাকি ৯ উপজেলা থেকেও বরিশালে মহানগরীতে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। তবে সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশেষ কয়েকটি সেবাখাত এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।