Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশাল সিটি মেয়র খোকনকে অপসারণ

    বরিশাল সিটি মেয়র খোকনকে অপসারণ

    বরিশালসহ দেশের ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে। তাদের জায়গায় প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। তারাই মেয়রদের দায়িত্ব পালন করবেন। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর আওতায় আজ দেশের সব (৪৯৩টি) উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৩২৩ পৌরসভার চেয়ারম্যান ও ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে সরকার। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অপসারণ করা সিটি মেয়ররা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, কুমিল্লা সিটির মেয়র তাহসীন বাহারকে অপসারণ করা হয়েছে।

    এর আগে গত শুক্রবার ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ ও ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। পরে তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়। এর ফলে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনায় সরকার জনস্বার্থে কোনো সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করতে পারবে। একই সঙ্গে এগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।

  • ভরা মৌসুমেও বরিশালে ইলিশের বাজার চড়া

    ভরা মৌসুমেও বরিশালে ইলিশের বাজার চড়া

    ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরের পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলছে না বরিশালের বাজারে। এতে কিছুটা হতাশ জেলে ও আড়তদাররা। সরবরাহ কম হওয়ায় ইলিশের বাজার চড়া বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে আশাবাদী হয়ে ক্রেতারা ইলিশ কিনতে বাজারে ভিড় করলেও অধিক দামের কারণে ফিরে যাচ্ছেন অন্য মাছ নিয়ে। তবে সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই।

    বরিশাল নগরীর প্রধান মৎস্য অবতরণকেন্দ্র পোর্ট রোড ঘুরে দেখা যায়, ৭শ থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের ইলিশের বর্তমান বাজার দর মণপ্রতি ৬০ হাজার টাকা, এক কেজি ওজনের মাছ ৭০ হাজার থেকে ৭২ হাজার টাকা মণ দরে, ১১শ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ৮০ হাজার টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫৪ হাজার টাকা এবং ৩শ থেকে ৪শ গ্রাম (গোডলা) ২৯ হাজার মণ দরে এবং জাটকা ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা দরে। তবে গত মৌসুমে ইলিশের দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম ছিল বলে ব্যবসায়ীরা জানান। বর্তমানে বর্ষার মৌসুম হলেও বরিশালের পোর্ট রোডে ইলিশের আমদানি খুবই কম। বলা যায়, যেখানে স্বাভাবিক সিজনে ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার আসত, সেখানে এখন আসছে সর্বোচ্চ পাঁচটি ট্রলার। যাতে সব মিলিয়ে আসছে ৬০ মণের মতো ইলিশ। এ কারণে দামও অনেকটা বেশি। কেননা মাছটির প্রচুর চাহিদা থাকলেও সরবরাহ নেই।

    পোর্ট রোডের মেসার্স এম আর ফিস আড়তের মালিক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের স্টোর করা যে মাছ রয়েছে সেটার দাম কিছুটা কম। তবে তাজা ইলিশের দাম অনেক বেশি। বর্তমানে এক কেজি সাইজের ইলিশ ১ হাজার ৬২৫ টাকা কেজি দরে, ১২শ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ১ হাজার ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, নদীর ইলিশের দাম বেশি, সাগরের ইলিশের দাম কম, কারণ স্বাদে তফাৎ রয়েছে। পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়লে তো দাম কমবে, মাছ না থাকলে দাম কমার প্রশ্নই আসে না। তবে কালোবাজারিরা যদি অবৈধভাবে ইলিশ ভারতে পাচার না করে তাহলে দাম কমতে পারে। ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ বলবত থাকলে দেশের নিম্নশ্রেণির মানুষও ইলিশ খেতে পারবে। কিন্তু সেজন্য নদী ও সাগরে ইলিশ ধরা পড়তে হবে পর্যাপ্ত। আমরা এখন পুরোপুরি লোকসানের মুখে। আমাদের অনেক টাকা ইনভেস্ট করা, সেটা কীভাবে উঠাব, এটা নিয়ে চিন্তা করছি।’

    পোর্ট রোড বাজারে ইলিশ কিনতে আসা মো. শহীদ হাওলাদার জানান, ‘আমরা তো ভেবেছি ভারতে ইলিশ যাচ্ছে না, তাই দাম কমে গেছে। কিন্তু এখন বাজারে এসেছি নদীর ইলিশ কিনতে, তবে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছি। যে মাছ আগে ১২শ টাকায় কিনেছি, সেটি এখন ১৮শ টাকার নিচে দেবেই না। এই সরকারের শুধু ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করলেই চলবে না, পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করে সিন্ডিকেটের দরজা চিরতরে বন্ধ করতে হবে।’

    বরিশাল জেলা পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ইয়ার হোসেন বলেন, ‘গত ২৩ জুলাই ইলিশ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এরপর প্রায় এক মাস হতে চলল জেলেরা নদী-সমুদ্রে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না। তাই আড়তেও মাছ আসছে না। নদীর পানিদূষণ, বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাছ আসছে না। তার পরও আমরা আশা করছি, বৃষ্টি আরও বাড়লে মাছ বাড়তে পারে। এখন যে পরিস্থিতি তাতে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়, কিন্তু ট্রলার ফাঁকা আসছে, ইলিশ নেই। ব্যাংকঋণ রয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকার, স্থানীয়ভাবেও ঋণ আছে, এখন ইলিশ ধরা না পরলে আমাদের পালাতে হবে। পোর্টরোড মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে মোট ১৭০টি আড়তে এ ভরা মৌসুমে আগে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হলেও বর্তমানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হচ্ছে।’

    বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, ভারী বর্ষণ হলে ইলিশও প্রচুর ধরা পড়বে। জেলেদের হতাশ হওয়ার দরকার নেই। অপেক্ষা করতে হবে। সরকার ঘোষণা দিয়েছেন ইলিশ বিদেশে পাঠানো কমিয়ে আনার জন্য। এতে করে স্থানীয় বাজারগুলোতে ইলিশ পাওয়া যাবে, তবে সেটি সময়ের ব্যাপার। তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন ঠিকই আছে। সমস্যা হচ্ছে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় এখন আর আড়তে আসতে হয় না জেলেদের, সরাসরি ঢাকায় মাছ পাঠাচ্ছেন তারা। এজন্য স্থানীয় বাজারগুলোতে চাহিদামাফিক ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে না। সূত্র-ইত্তেফাক

  • ৩২৩ পৌর মেয়র, ৪৯৩ উপজেলা ও ৬০ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অপসারণ

    ৩২৩ পৌর মেয়র, ৪৯৩ উপজেলা ও ৬০ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অপসারণ

    সারা দেশের ৩২৩ পৌরসভার মেয়র, ৪৯৩ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ করেছে সরকার। রোববার এ ব্যাপারে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

    এছাড়া আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে উপজেলা পরিষদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ (ইউএনও) এবং জেলা পরিষদে জেলা প্রশাসকগণ (ডিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, ৪৯৫ উপজেলা ও ৬১ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ ও ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে। গত ১৬ আগস্টের সরকারি তথ্য বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১৭ আগস্ট এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশোধিত অধ্যাদেশগুলোর বিধান অনুযায়ী, বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে সরকার জনস্বার্থে কোনো সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরকে অপসারণ করতে পারবে। একইভাবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করতে পারবে। একইসঙ্গে এগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।

  • শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে, কূটনীতিকদের ড. ইউনূস

    শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে, কূটনীতিকদের ড. ইউনূস

    শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে তিনি দেশ পরিচালনায় বিদেশি কূটনীতিকদের পুরোপুরি সমর্থন চেয়েছেন।

    রোববার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ঢাকায় বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার কূটনীতিকদের ব্রিফিং করেন ড. ইউনূস। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টা বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে দেশের বর্তমান পরিস্থিতির নানা বিষয় তুলে ধরেন।

    পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা ব্রিফিংয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের পুরোপুরি সমর্থন চেয়েছেন।

    ড. ইউনূস কূটনীতিকদের বলেন, এই সরকারের লক্ষ্য স্বচ্ছ নির্বাচন করা। তবে এর আগে সবক্ষেত্রে সংস্কার করতে চায় সরকার।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার এখন দ্রুত আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায়।

    এছাড়া জুলাই-আগস্ট মাসে আন্দোলনে নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘের তদন্তকে স্বাগত জানান তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনি চান এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। তদন্তে জাতিসংঘকে বাংলাদেশ সরকার সহায়তা দেবে।

    ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ যতগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে, তার সব বাস্তবায়ন করবে সরকার।

    মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনেও তিনি কূটনীতিকদের সহায়তা চান।

    এর আগে গত ১২ আগস্ট ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

    ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. ইউনূসের এটিই প্রথম কূটনৈতিক ব্রিফিং।

  • আলোচিত সেই হারুন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ

    আলোচিত সেই হারুন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ

    ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রী শিরিন আক্তারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। 

    রোববার তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

    বিএফআইইউ এর চিঠিতে বলা হয়েছে, হারুন ও তার স্ত্রী শিরিন আক্তার এবং তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে তাও স্থগিত করতে হবে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের ফলে এখন থেকে তারা আর কোনো টাকা তুলতে পারবেন না

    মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এক মাসের জন্য অ্যাকাউন্ট স্থগিতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া হারুন, তার স্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের (মা, বাবা, ভাই ও বোন) নামে পরিচালিত সব ধরনের হিসাব সংক্রান্ত তথ্য/দলিলাদি (হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি দালিলাদি, লেনদেন বিবরণী প্রভৃতি) এবং প্রদত্ত এক্সেল সিট মোতাবেক তথ্যাদি পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
     

  • ডিএমপির ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি

    ডিএমপির ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তারা সবাই ডিএমপিতে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদে ছিলেন।

    শনিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এক আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

    আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. এনামুল হক মিঠুকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার পিরোজপুরে বদলি করা হয়েছে।  

    অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুবাইয়াত জামানকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার সুনামগঞ্জে, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এপিবিএন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলাউদ্দিনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এপিবিএন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মির্জা সালাহউদ্দিনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিপিএ, সারদা) রাজশাহীতে, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম জাহাঙ্গীর হাছানকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নৌপুলিশ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিল্পাঞ্চল পুলিশ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুক মিয়াকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেলওয়ে পুলিশ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী মাকসুদা লিমাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিটিসি টাঙ্গাইল, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার বদরুজ্জামান জিল্লুকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়ায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার খন্দকার রবিউল আরাফাতকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার র‍্যাব, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইলিয়াছ হোসেনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেঞ্জ ডিআইজি অফিস রংপুরে বদলি করা হয়েছে। 

    এ ছাড়া ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমানকে সহকারী পুলিশ সুপার (বিপিএ, সারদা) রাজশাহীতে বদলি করা হয়েছে।

  • ৫ জনকে সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিল অন্তর্বর্তী সরকার

    ৫ জনকে সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিল অন্তর্বর্তী সরকার

    অবসরে যাওয়া ৫ জন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সচিব হওয়া এই কর্মকর্তাদের ৫জনই বিসিএস ৮২ ব্যাচের।

    শনিবার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- ড.নাসিমুল গনিকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, এম এ আকমল হোসেন আজাদকে রেলপথ মন্ত্রণালয়, ড. শেখ আব্দুর রশিদকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, এহছানুল হককে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেনকে জননিরাপত্তা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে যা বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে যা বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যাত্রা ১৫ বছর আগে শুরু হলেও সম্প্রতি এই আন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতেও রয়েছে শিক্ষার্থীদের দু’জন সমন্বয়ক।

    এসবের মধ্যেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠন হবে কি না এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে। তবে এ বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আমরা গণমাধ্যম থেকেই জানছি। আমরা সারাদিন জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েই ব্যস্ত আছি। রাজনৈতিক বিষয়গুলো আলাপ-আলোচনার বাইরে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে এগুলো নিয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে না।

    তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে চিন্তা করার ফুসরত পাইনি। আমাদের মূল কনসার্ন এখন আহতদের পাশে দাঁড়ানো, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ভূমিকা রাখা।

    এই সমন্বয়ক আরও বলেন, মানুষের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। ফলে তারা আমাদের নিয়ে চিন্তা করছে ও ভাবছে। আমরা মনে করি ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত থাকা উচিত। ফলে জনমত গঠন হবে। এতে রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি গড়ে ওঠে। সুতরাং আমরা মনে করি জনমত গঠন হওয়া উচিত। পরবর্তীতে জনমত গঠনের ভিত্তিতে যদি প্রয়োজন হয় রাজনৈতিক কাঠামো গঠনের বিষয়টি চিন্তা করা যেতে পারে।

  • মিথ্যা মামলায় বারবার যেতে হয়েছে লোহার খাঁচায়: উপদেষ্টা আসিফ

    মিথ্যা মামলায় বারবার যেতে হয়েছে লোহার খাঁচায়: উপদেষ্টা আসিফ

    সব অমানবিক, ফ্যাসিবাদী উপকরণ উপড়ে ফেলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    শনিবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ ‘আদালতের এজলাস কক্ষ থেকে সরানো হচ্ছে লোহার খাঁচা’ এই শিরোনামের একটি সংবাদ শেয়ার করেন।

    আসিফ মাহমুদ লেখেন, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের দেওয়া মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে বারবার যেতে হয়েছে এই লোহার খাঁচায়। শুনানি-হাজিরায় ছোট্ট একটা খাঁচায় আমাদের ২৪ জনকে ঢোকাতো।

    শুক্রবার বর্তমান উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করে আসিফ মাহমুদকে এবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। ভর্তি হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে। 

    মো. বিল্লাল হোসেন ছেলে আসিফ রাজধানীর নাখালপাড়া হোসাইন আলী হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন।

  • ড. ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা

    ড. ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা

    নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এ ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়করা।

    ভিডিও বার্তায় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন।

    এ সমন্বয়ক আরও বলেন, আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।

    এর আগে সারা দেশে সহিংসতা এবং লুটপাট রোধে ওয়ার্ডভিত্তিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা কমিটি গঠনের আহ্বান জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।

    সোমবার দিবাগত রাত দেড়টায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, সারা দেশে স্ব-উদ্যোগে ওয়ার্ডভিত্তিক ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা কমিটি’ গঠনের জন্য ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের সকল অংশগ্রহণকারী ও আপামর জনতার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। দ্রুত বাস্তবায়নে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। দেশ গঠনে সচেষ্ট হোন।

    অপর এক পোস্টে তিনি বলেন, আওয়ামী নৈরাজ্য ও ঘৃণ্য রাজনীতি প্রসূত এই সাম্প্রদায়িক উসকানি, হামলা এবং সকল লুটতরাজ রুখে দেওয়ার জন্য ছাত্র-নাগরিকের প্রতি জোরালো আহ্বান থাকল। আপনারা আপনাদের নিজ নিজ এলাকার মসজিদ থেকে এই সাম্প্রদায়িক হামলা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিন এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ অন্য ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের জান ও মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আওয়ামী সন্ত্রাস রুখে দিতে হবে, সবাই এগিয়ে আসুন।

    এর আগে সোমবার দুপুর আড়াইটায় বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টারে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন। এসময় তার ছোট বোন শেখ রেহানা সঙ্গে ছিলেন।

    বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি সে সুযোগ পাননি।

    দুপুরে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে হাজারো ছাত্রজনতা।