Category: প্রচ্ছদ

  • আজ শেখ হাসিনার ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আজ শেখ হাসিনার ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ (বুধবার)।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে।

    এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

    প্রায় ছয় বছর নির্বাসন কাটিয়ে শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারত থেকে দেশে ফেরেন।

    ১৯৮১ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

  • শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি: খোকন সেরনিয়াবাত

    শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি: খোকন সেরনিয়াবাত

    আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। মানুষের অধিকার ফিরে পেয়েছি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৭ মে) সকাল ১১ টায় বরিশাল নগরীর সার্কিট হাউসের বিপরীতে মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

    খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার যেদিন ফিরে এসেছিলেন সেদিন প্রকৃতিও অঝোর ধারায় কেঁদেছিল। সেদিন এয়ারপোর্টে লাখ লাখ জনতার মুখে স্লোগান ছিল- “ঝড় বৃষ্টি আঁধার রাতে, শেখ হাসিনা আমরা আছি তোমার সাথে”। শেখ হাসিনা এদেশের মাটিতে পদার্পণ করে বলেছিলেন- “আমার হারানোর কিছু নাই, পিতা-মাতা-ভাই, আত্মীয় হারিয়ে আমি বাংলার জনগণের কাছে ফিরে এসেছি। আপনারাই আমার আপনজন, আপনারাই আমার আত্মার আত্মীয়। আমরাই আবার গণতন্ত্র উদ্ধার করবো”।

    তিনি বলেন, সেদিন শত বাধাও শেখ হাসিনাকে থামাতে পারেনি। তিনি ঠিকই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে ফিরে এসেছিলেন। তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, মানুষের অধিকার ফিরে পেয়েছি।

    মহানগর যুবলী‌গের অহবায়ক নিজামুল ইসলাম নিজা‌মের সভাপ‌তি‌ত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লী‌গের সহ সভাপ‌তি অ্যাডভোকেট. আফজালুল ক‌রিম, অ্যাডভোকেট কে বি এস আহ‌ম্মেদ ক‌বির, অ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক, অ্যাডভোকেট আনিচ উ‌দ্দিন শহিদ, কে‌ন্দ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, জেলা শ্রমিকলী‌গের সভাপ‌তি শাহজাহান হাওলাদার, কেন্দ্রিয় যুবলী‌গের সদস্য ও ব‌রিশাল মহানগর ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান, মহানগর ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সভাপ‌তি জ‌সিম উ‌দ্দিন ও বিএম ক‌লেজ ছাত্র সংস‌দের সা‌বেক ভি‌পি মঈন তুষারসহ অওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলী‌গের অনান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৬ প্রার্থীকে জরিমানা

    বরিশালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৬ প্রার্থীকে জরিমানা

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ছয় প্রার্থীকে ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন।

    মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ জরিমানা করেন নির্বাচন কমিশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেন ভুলুকে পাঁচ হাজার ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ আনোয়ার হোসেনকে ২০ হাজার এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শাহিদ খান আজাদকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিন প্রার্থীকে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    নির্বাচন কমিশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মইন উদ্দিন আহমেদ বলেন, আগে থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরও যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

  • আ.লীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলেই হয়তো র‍্যাবের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: প্রধানমন্ত্রী

    আ.লীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলেই হয়তো র‍্যাবের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: প্রধানমন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই বাংলাদেশের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (র‍্যাব) উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির ইয়ালদা হাকিমের সাথে একটি একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যে বাহিনীর উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সকল প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছিল। কিন্তু এখন কেন বাহিনীর উপর নিষেধাজ্ঞা দিলো, সে প্রশ্নও রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    র‍্যাবের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি জানি না, হয়তো যুক্তরাষ্ট্র চায় না আমার কাজ অব্যাহত থাকুক, আমি বাংলাদেশের জন্য যেসব উন্নতি করেছি, সেটা তারা হয়তো গ্রহণ করতে পারছে না। এটা আমার অনুভূতি। একটা পর্যায়ে সন্ত্রাস সব দেশের জন্য সমস্যা হয়ে উঠেছিল। আমাদের দেশে আমরা সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করেছি। এরপর মাত্র একটা ঘটনা ঘটেছে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেছে।

    মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির আগে বাংলাদেশে বন্দুকযুদ্ধের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন বিবিসির ইয়ালদা হাকিম। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা জারির আগে ২০১৮ সালে ৪৬৬ মানুষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। ২০১৯ সালে ৩৮৮ মানুষ এভাবে নিহত হয়েছে আর ২০২০ সালে নিহত হয়েছে ১৮৮ জন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পর এই সংখ্যা মাত্র ১৫ জনে নেমে এসেছে।

    গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১২টি প্রতিষ্ঠান মিলে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও যেসব সংখ্যা তারা উল্লেখ করেছে, সেগুলো তারা প্রমাণ করতে পারেনি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব হত্যাকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করেনি। কারণ আমরা প্রমাণ চেয়েছিলাম, সেগুলো তারা পাঠিয়ে দিক, আমরা তদন্ত করে দেখবো।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমার মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের নিজেদের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হওয়া। তাদের দেশের কী অবস্থা? আমেরিকায় কী ঘটছে, আপনি দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে প্রায় প্রতিদিন একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটছে। এমনকি স্কুল, শপিং মল, রেস্তোরায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। এমনকি স্কুল শিক্ষার্থীরা, সাধারণ মানুষ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অথবা সশস্ত্র ব্যক্তির হাতে নিহত হচ্ছে। তাদের উচিত শিশুদের জীবন রক্ষা করা। তারা নিজেদের লোকজনের ব্যাপারে যথেষ্ট ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা যেসব অভিযোগ করেছে, আমরা তাদের কাছে প্রমাণ চেয়েছিলাম। তারা দেয়নি।

    এ সময় ইয়ালদা হাকিম উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৯৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ভোটের এই হার মিশরের মতো অনেক সামরিক শাসকের চেয়েও বেশি। এটা অনেকটা ভ্লাদিমির পুতিনের ভোটের মতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার জবাবে বলেন, কেন নয়! আমাদের কাজের জন্যই মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। আমরা তাদের জন্য কাজ করেছি। আমাদের ১৭০ মিলিয়ন মানুষ রয়েছে। আমাদের জনগণ রাজনৈতিক অধিকারের ব্যাপারে সচেতন। আমরা ক্ষমতায় আসার পর দারিদ্র কমেছে, খাদ্য নিরাপত্তা বেড়েছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গৃহায়ন- সব মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। তাহলে মানুষ কেন আমাদের ভোট দেবে না? নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগই আইন করেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য কাজ করে তাই তারা ভোট পেয়েছে।

  • বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা!

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা!

    সাংগঠ‌নিক কার্যক্রম তরা‌ন্বিত করার জন‌্য ব‌রিশাল মহানগর ছাত্রলী‌গের কমি‌টি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) রা‌তে ছাত্রলী‌গের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    ছাত্রলী‌গের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ব‌লেন, তিন মা‌সের জন‌্য বরিশাল মহানগর ছাত্রলী‌গের ক‌মি‌টির অনুমোদন দেয়া হ‌য়ে‌ছি‌ল। দেশরত্ন শেখ হা‌সিনার নি‌র্দেশনা অনুযায়ী সংগঠ‌নের কার্যক্রম ত্বরা‌ন্বিত কর‌তে এ ক‌মি‌টি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হ‌য়ে‌ছে।

    ২০২২ সালের ২৩ জুলাই রইস আহ‌ম্মেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে ৩২ সদস্যের তিন মাসের কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

    কমিটি অনুমোদনের পর সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ লাইভে বলেছিলেন, তার হয়ে কাজ করায় কমিটির পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। পদ পাওয়ার পরে পূর্বের থেকেও নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃবৃন্দ। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ মনোনীত আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে কাজ না করতে কর্মীদের মারধর ও পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি ধামকি দেন । পরপর দুটি ঘটনার সূত্র ধরে ১৪ মে রাতে মেয়র সাদিক অনুসারী মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইস আহ‌ম্মেদ মান্না সহ ১৩ জনকে মেয়রের বাসার পিছন থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এরপরই মূলত কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা এলো। এদিকে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ এর এই কমিটি বিলুপ্তির ঘটনা প্রকাশের পরপরই বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও আঃলীগের মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা।

  • আটকের পর মান্নার সাথে সেলফি তুলে এসআই সাইদুল ক্লোজড

    আটকের পর মান্নার সাথে সেলফি তুলে এসআই সাইদুল ক্লোজড

    কাউনিয়া থানা হাজতের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, চৌদ্দ শিকের ভেতর শুয়ে-বসে আছেন আসন্ন সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর কর্মীদের পিস্তল ঠেকিয়ে হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহমেদ মান্না ও তার সঙ্গী-সাথীরা।

    সেখানে আনার আগে তাদের গ্রেপ্তার করেন কাউনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুল হক। তিনি আবার মান্নাকে ধরার পর তার সঙ্গে সেলফিও তোলেন। এ ঘটনায় সাইদুলকে ক্লোজড করা হয়েছে। তদন্ত হচ্ছে হাজতের ছবি ভাইরাল ঘটনার।

    কাউনিয়া থানা হাজতের ছবিটি মূলত সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া। কে বা কারা এটি প্রকাশের নেপথ্যে তাকে বা তাদের খোঁজা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তৎপর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল।

    তিনি বলেন, আসামির সঙ্গে তোলা সেলফি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে এসআই সাইদুলকে ক্লোজড করা হয়। এছাড়া সিসি ক্যামেরার ছবির বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।

    থানা থেকে সিসিটিভির ফুটেজের ছবি তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে জানতেন কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে ওসি মুকুল বলেন, রাতে কাজের চাপে ছিলাম আমি। বলা যাচ্ছে না। এখন যেহেতু খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তাই কারও দুর্বলতা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    থানার হাজতে থাকা আসামিদের ছবি ভাইরাল হওয়ার ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম (বিপিএম-বার) বলেন, এমন ফুটেজ বা ছবি কোনোভাবেই বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এমনটা যদি হয়েও থাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এর আগে গতকাল রোববার (১৪ মে) রাত সাড়ে নয়টার দিকে নগরীর বাশেরহাট খোলা এলাকা থেকে নিজেদের প্রধান কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন বিসিসি নির্বাচনে অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের তিন সমর্থক। তাদের পথরোধ করেন ছাত্রলীগ নেতা মান্না ও তার অনুসারীরা। এ সময় মান্না পিস্তল তাক করে ধরলে অনুসারীরা তাদের বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। হামলায় আহতরা হলেন- নৌকার কর্মী হা‌লিম, মনা ও জা‌হি‌দুল। তারা বর্তমানে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।

    এ ঘটনায় আহত মনা রোববার রাতে বাদি হয়ে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইচ আহমেদ মান্নাসহ ২১ জন নামধারী ও অজ্ঞাত পঞ্চাশ জনকে আসামি করে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন। এরপরই এসআই সাইদুল হকের নেতৃত্বে কাউনিয়া থানা পুলিশ নগরের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে মান্নাসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে। আজ সোমবার (১৫ মে) সকালে আরও তিনজনকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা। তাদের কাউনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হলে মান্নাসহ ১৩ জনকে মনার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলে পুলিশ। পরে বিচারক তাদের জেলে পাঠান। জেলে আনার পর তাদের ছবি ভাইরাল হয়।

  • বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মান্নাসহ আটক ১০

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মান্নাসহ আটক ১০

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইস আহম্মেদ মান্নাসহ ১০ জনকে আটক করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। সোমবার (১৫ মে) রাত পৌনে ২টার দিকে এ আটকের বিষয়টি গনমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল।

    আটককৃত অন্যর‍া হলেন মান্নার ভাই নাদিম, মান্নার সহযোগী কাশিপুর এলাকার পারভেজ হাওলাদার, বঙ্গবন্ধু কলোনি এলাকার শান্ত ইসলাম, কাউনিয়া এলাকার মেহেদী হাসান, মিজানুর রহমান শাওন, মামুন হাওলাদার, রাসেদ হাওলাদার, আল আমিন হাওলাদার, মো. নান্টু।

    তবে কি অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুল হক জানান, বরিশাল নগরের বিসিক এলাকা থেকে আট জন এবং হাসপাতাল রোডের একটি বাড়ির পিছনের বাগান থেকে মান্নাসহ দুই জনকে আটক করা হয়েছে।

    এর আগে সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) এর সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে মান্না ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। সেখানে পিস্তল, রামদা, রড ও লাঠির ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা।

    উল্লেখ্য, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইস আহম্মেদ মান্না সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী।

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে রইস আহ‌ম্মেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে তিনমাসের কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কিন্তু এখনও সে কমিটি বহাল।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর (খোকন সেরনিয়াবাত) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। রোববার বেলা ১২টায় নগরীর আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, মহানগর যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন, অ্যাডভোকেট কেবিএস আহম্মেদ কবির এবং অ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক প্রমুখ।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আজ (রোববার) আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত তিনজন মেয়রপ্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন মোট ৯ জন।

    তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৬ মে মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমাদানের শেষ দিন। ১৮ মে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। ২৫ মে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। পর দিন প্রতীক বরাদ্দ। ১২ জুন ভোটগ্রহণ হবে।’

  • বরিশাল মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের পক্ষ থেকে খোকন সেরনিয়াবাতকে শুভেচ্ছা

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের পক্ষ থেকে খোকন সেরনিয়াবাতকে শুভেচ্ছা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়ের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) কে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর এর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। গতকাল বুধবার রাতে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধা প্রজন্মলীগ এর সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলারমুখ ২৪.কম ও দৈনিক বরিশাল সংবাদের সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী, সাইফুল, রাজিব, সজীব সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কীর্তনখোলায় পড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

    কীর্তনখোলায় পড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

    বরিশালে জেলে নৌকায় বাবা-মায়ের পাশে ঘুমিয়ে ছিল করিম সরদার নামে ৪ বছর বয়সী শিশু। ঘুমিয়ে ছিলেন তার বাবা-মাও। এসময় ঘুমন্ত শিশু পড়ে যায় কীর্তনখোলা নদীতে। টের পাননি বাবা-মা।

    দুই দিন খোঁজ করা পর বুধবার (১০ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় কীর্তনখোলা নদীতে ভেসে ওঠে করিমের মরদেহ। পরে তা উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। নিহত শিশু করিম বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জেলে ইলিয়াস সরদারের ছেলে।

    মান্তা সম্প্রদায়ের জেলে ইলিয়াস সরদার। কীর্তনখোলা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা নদীতে জেলে নৌকায় সপরিবার নিয়ে বাস করেন ইলিয়াস।

    চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য তুহিন খান বলেন, জেলে নৌকায় ঘুমানোর সময় শিশুদের কোমড়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। সোমবার করিমের কোমড়ে দড়ি বাঁধা হয়নি। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমন্ত শিশু করিম গভীর রাতের যেকোন সময় নদীতে পড়ে যায়। পরদিন ভোররাতে মা-বাবা ঘুম ভেঙে সন্তানকে পাশে পায়নি। দিনভর নদীতে তল্লাশি করেও করিমকে খুঁজে পায়নি তারা।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের অদূরে কীর্তনখোলা নদীতে বুধবার সকাল ৯টার দিকে করিমের মরদেহ ভেসে উঠে। পরে নৌ-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    ঘটনাস্থলে থাকা নৌ-পুলিশের এসআই মো. রুবেল বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অনুমতি আনতে পাঠানো হয়েছে। অনুমতি পেলে ময়রাতদন্ত না করেই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।