Category: প্রশাসন

  • পটুয়াখালীতে পুলিশে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাত : অত:পর

    পটুয়াখালীতে পুলিশে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাত : অত:পর

    নিউজ ডেস্ক :

    পটুয়াখালীতে পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এসআইসহ পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার দুপুরে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আমলি আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

    পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন- এসআই শামীম আকন (৪৬) ও কনস্টেবল আল-আমিন আকন (৩৪)। অভিযুক্তরা আপন ভাই। তারা পটুয়াখালী সদর উপজেলার জামুরা তেলিখালী গ্রামের মৃত ইউছুব আকনের ছেলে।

    এসআই মো. শামীম বর্তমানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় এবং কনস্টেবল আল-আমিন বরগুনা থানায় কর্মরত রয়েছেন।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাদী মো. মিলন ডাকুয়ার দুই ছেলেকে পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নেয় এসআই মো. শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন আকন। এর মধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ লাখ ১৪ হাজার টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং নগদ ৪ লাখ টাকা দেয়া হয় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে। কিন্তু আসামিরা বাদীর ছেলেদের চাকরি দিতে পারেনি। পরবর্তীতে চাকরির টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা শুরু করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা টাকা দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। এমনকি এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাদী ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোরও হুমকি দেয় সহোদর ওই দুই পুলিশ সদস্য।

    এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মো. মিলন ডাকুয়া।

    আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দেয়। পিবিআইর পরিদর্শক মতিনুর রহমান চলতি বছরের ৬ জুলাই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

  • থানায় অভিযোগ দেওয়ায় নলছিটিতে ধর্ষিতার পরিবারের ওপর হামলা

    থানায় অভিযোগ দেওয়ায় নলছিটিতে ধর্ষিতার পরিবারের ওপর হামলা

    এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২১) ধর্ষণের ঘটনায় ঝালকাঠির নলছিটি থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ধর্ষিতার পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে আসামিপক্ষ। হামলায় আহত দুজনকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহতরা জানায়, ধর্ষণের ঘটনায় শনিবার দুপুরে উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মাধবপাশা গ্রামের মো. নাঈম হাওলাদারকে আসামি করে নলছিটি থানায় ধর্ষিতার নানি বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত নাঈম হাওলাদার ওই গ্রামের নজরুল হাওলাদারের ছেলে।

    অভিযোগ দেওয়ার পর শনিবার বিকেলে পুলিশ সরেজমিন তদন্ত গিয়ে ধর্ষিতার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। এ ঘটনার জের ধরে রোববার সকাল ৯টার দিকে আসামির মা মরিয়ম বেগম, ফুপু পিয়ারা বেগম ও ফুপা মো. ইউসুফ হোসেনের নেতৃত্বে আসামিপক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ধর্ষিতার পরিবার ও সাক্ষীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

    আহতদের মধ্যে রেহেনা বেগম (৪৫) ও শাহানাজ পারভীনকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের একদিন পরেও ধর্ষণের ঘটনায় মামলা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তারা।

    অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আশ্রাফুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

  • শতাধিক বাল্যবিয়ে বন্ধ করে রেকর্ড গড়লেন এসিল্যান্ড

    শতাধিক বাল্যবিয়ে বন্ধ করে রেকর্ড গড়লেন এসিল্যান্ড

    অনলাইন ডেস্ক :: গত ১৪ মাসে সিরাজগঞ্জের দুটি উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে তৃতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে দশম শ্রেণি পড়ুয়া শতাধিক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুর রহমান।

    সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা ও যমুনা বিধৌত চৌহালী উপজেলার এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার ভূমি) হিসেবে আনিসুর রহমান কর্মরত থাকাবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে এসব বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন।

    অভিযানে সাত লাখ ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সকাল কিংবা গভীর রাত কোথাও বাল্যবিয়ের খবর পেলেই ছুটে যেতেন তিনি।

    Anisur-Rahman

    জনবান্ধব এসিল্যান্ড আনিসুর রহমানের অনুকরণীয় এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্বীকৃতি হিসেবে গত ২৩ জুন পাবলিক সার্ভিস ডে’তে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সিরাজগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) কামরুন নাহার সিদ্দীকা।

    শনিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুর রহমান।

    এসিল্যান্ড আনিসুর রহমান জানান, সিরাজগঞ্জ সদর ও দুর্গম যমুনা বিধৌত চৌহালী উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে এবং চৌহালী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। এসব কর্ম এলাকায় বাল্যবিয়ের প্রবণতা অনেক বেশি। এজন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রায়ই বাল্যবিয়ে বন্ধে অভিযান পরিচালনা করতাম।

    Anisur-Rahman

    এসিল্যান্ড বলেন, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় যোগদান করি। এ সময়কালে অভিযান চালিয়ে ৬৭টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছি। সর্বোচ্চ ১৩টি অভিযান চালানো হয় পৌর এলাকায়। এছাড়া সয়দাবাদ ইউনিয়নে ১২টি, কালিয়া হরিপুরে ১১টি, রতনকান্দিতে ১০, বাগবাটিতে ৯টি, বহুলী ৫টি, খোকশাবাড়িতে ৩টি, শিয়ালকোলে ২টি, কাওয়াকোলা ও ছোনগাছা ইউনিয়নে একটি করে বাল্যবিয়ে বন্ধ করি।

    এর মধ্যে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ ২২টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে দুটি করে, মার্চে ১০টি, মে মাসে ৮টি, জুনে ১৫টি ও জুলাই মাসে ৮টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়।

    Anisur-Rahman

    অপরদিকে, চৌহালী উপজেলায় আরও ৩৪টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছি। দুর্গম চরাঞ্চলের এই উপজেলাতে সাড়ে ৬ মাস দায়িত্ব পালন করি। এ দুটি উপজেলায় ১৪ মাস দায়িত্ব পালনকালে ১০১টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করি।

    তিনি বলেন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে দশম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা বাল্যবিয়ের শিকার হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় গত সাত মাসে অভিযান চালিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ জন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করি। এর মধ্যে নবম শ্রেণির ১৫ ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছিল। বাকিরা তৃতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

    Anisur-Rahman

    অভিযানে বর-কনের বাবা ও কাজীসহ সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের জরিমানা করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ছেলে-মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে না মর্মে অভিভাবকদের কাছে মুচলেকাও নেয়া হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান বলেন, স্বল্প আয়ের হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে বাল্য বিয়ে দেয়ার প্রবণতাটা বেশি। এছাড়া নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনদের মধ্যেও বাল্যবিয়ে আয়োজনের প্রবণতা রয়েছে। বাল্যবিয়ে বন্ধে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন। পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে সবাই এগিয়ে আসলে বাল্য বিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

  • শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা, দণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জনের আত্মসমর্পণ

    শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা, দণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জনের আত্মসমর্পণ

    অনলাইন ডেস্ক :

    পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় করা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

    রোববার বেলা পৌনে ১টার দিকে পাবনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. রুস্তম আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তারা। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক।

    এ মামলায় ৫২ জন আসামির মধ্যে নয়জনের মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নয়জন ও ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন পলাতক ছিলেন।

    এর মধ্যে সাতজন আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা হলেন- যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ঈশ্বরদীর পশ্চিমটেংরী পিয়ারাখালী গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে আমিন, পশ্চিমটেংরী ব্লাকপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে মো. রবি, ব্লাকপাড়া পিয়ারাখালী এলাকার জালাল গার্ডের ছেলে মামুন ও যুক্তিতলা গ্রামের মৃত জয়েন উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম এবং দশ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চরমিরকামারী গ্রামের মৃত জামাত আলী সরকারের ছেলে চাঁদ আলী, পশ্চিমটেংরী বাবুপাড়া এলাকার মহসিন রিয়াজীর ছেলে রনো রিয়াজি ও চরসাহাপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান সরদারের ছেলে হুমায়ুন কবির ওরফে দুলাল।

    তাদের আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আক্তারুজ্জামান মুক্তা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজন আত্মসমর্পণ করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা রায়ের সার্টিফাই নকল কপি তুলে নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। আসামিদের পক্ষ থেকে শিগগিরই উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

  • বরিশালে ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রী হত্যার দায়ে দুই আসামীর যাবজ্জীবন

    বরিশালে ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রী হত্যার দায়ে দুই আসামীর যাবজ্জীবন

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরিশালে ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা মামালায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া উভয়কে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন আরজীকালিকাপুর এলাকার সেন্টু খাঁর ছেলে মনির খাঁ (২৭) ও কালাম মীরার ছেলে রুবেল (২৬)।

    আজ রোববার (১৪ জুলাই) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন। এসময় মনির উপস্থিত থাকলেও রুবেল পলাতক ছিলো বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি পিপি ফয়েজুল হক ফয়েজ।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে ২৮ জুলাই সন্ধ্যার পরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা নিজ ঘরের পাশেই বান্ধবী সুমির বাসায় টেলিভিশন দেখতে যায়। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন ২৯ জুলাই সকালে মুক্তার মা রুশিয়া বেগম তাদের লাকরির ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

    পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে পুলিশ ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার প্রমাণ পায়। মুক্তাকে ধর্ষণ করে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানার এসআই সিদ্দিকুর রহমান ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বর বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে।

  • বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন বিষয়ক স্থানীয় জন প্রতিনিধি, সুধি সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নাগরীকদের নিয়ে মাসিক ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ শনিবার ১৩ জুলাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোতয়ালী মডেল থানা কম্পাউন্ড চত্বরে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনাসহ সকলের সুপারিশমূলক বক্তব্য, অভিযোগসহ নগরীর মাদক নির্মূলের বিষয়ে সকলেই ছিল স্বোচ্ছার।
    কোতয়ালী মডেল থানা সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার (এসি) মোঃ রাসেলের সভাপতিত্বে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (পিপিএম বার)।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া, বরিশাল বিসিসির সংরক্ষিত প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদা লুনা, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী আখতারুজ্জামান হিরু, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমাউন কবীরসহ নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সুধি সমাজের ব্যাক্তিরা নিজ নিজ ভাবে বক্তব্য রাখেন।

    পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (পিপিএম বার) এসময় বলেন, নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা এলাকাগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।

    তিনি আরো বলেন শুধু প্রশাসনের উপর চেয়ে থাকলে চলবে না। তাদেরকে নিজস্ব এলাকা থেকে স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী আন্তরিকভাবে সহযোগীতায় এগিয়ে আসে তাহলে অপরাধ নিমূর্ল করা শুধু সময়ের ব্যাপার।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন সামনের দিনগুলোতে জন প্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী যেকোন অপরাধ দমনে প্রশাসনকে তারা আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করবে। এক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে কোন ধরনের গাফলিতির অভিযোগ আসলে তাকেও প্রশ্নের মুখামুখি হতে হবে।

  • বরিশালে ভেজাল বিরোধী অভিযানে নেমেছে বিএসটিআই

    বরিশালে ভেজাল বিরোধী অভিযানে নেমেছে বিএসটিআই

    বরিশালে ভেজাল খাদ্য সামগ্রী বিক্রি বিরোধী অভিযানে এবার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)। প্রতিষ্ঠানটি ভেজাল খাদ্য বিক্রয় এর পাশাপাশি উচ্চ আদালতের কালো তালিকা ভুক্ত ৫২ পন্য বিরোধী অভিযান শুরু করেছে। যার অংশ হিসেবে বরিশাল,বরগুনা এবং ঝালকাঠীর বাজার গুলোতে শুরু হয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান। গত ১১ দিনের অভিযানে ৩ জেলা শহরের অন্তত ১২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানার পাশাপাশি সমপরিমান মামলাও দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত । বরিশাল পেক্ষাপটে বিএসটিআই এমন অভিযান সম্ভবত এবার ই প্রথম বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদিও সংস্থাটির এই অভিযান স্বস্ব জেলার বাসিন্দাদের স্বস্থী এনে দিয়েছে। পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত বিএসটিআইর এই ভাম্যমান আদালত এর অভিযান অব্যহত থাকলে অন্তত ভেজাল খাদ্য বিক্রয় কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে আসবে। এজন্য অভিযানে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আহবান জানানো হয়েছে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে। অবশ্য বিএসটিআই কতৃপক্ষ বলছেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকা ৫২ পন্য মার্কেট থেকে পুরোপুরি অপসারন না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অভিযান চলবে। পাশাপশি ভেজাল খাদ্য সমগ্রী বিক্রয় বিষয়টিও প্রতিরোধে ভুমিকা রাখবে। বিশেষ করে সংস্থাটি জেলা শহরের বাজার গুলোতে এবারে চোখ রাখছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই অভিযানের প্রাক প্রস্তুতি হিসেবে ৩ জেলা শহরে ভেজাল খাদ্য বিক্রয় বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    চলতি মাসে ৫টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিএসটিআই। অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতের ১২ টি মামলায় ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়। চলতি মাসের ২ তারিখ বরগুনার আমতলীতে ২টি মিষ্টির দোকান ও ২টি কসমেটিকস এর দোকানে ৬ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়। ৪ তারিখ ঝালকাঠি সদরে মেসার্স রায়হান ড্রিংকিং ওয়াটার কে ১০ হাজার ও মেসার্স মক্কা ফুড প্রোডাক্টস কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ৮ তারিখ বরগুনা সদরে মেসার্স ইনসাফ ড্রিংকিং ওয়াটারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং গৌরনদী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ৩টি মিষ্টির দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ৯ তারিখ বরিশাল মহানগরীর মেসার্স কুমিল্লা বেকারীকে ১০ হাজার ও মেসার্স নিউ আশা বেকারীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে বিএসটিআই কতৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ।

    এছাড়া বিএসটিআই বরিশাল বিভাগীয় অফিসের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১৬টি সার্ভিল্যান্স পরিচালনা করা হয়। সার্ভিল্যান্স অভিযানে ৪০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ৬টি বাজার পরিদর্শন করা হয়। পন্যের গুনগত মান যাঁচাইয়ের জন্য বাজার হতে ৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

    এছাড়া অবৈধ ভাবে পন্য উৎপাদনের জন্য বরিশালের কর্ণকাঠী এলাকার মেসার্স লামিয়া বেকারী এন্ড কনফেকশনারী ও মেসার্স ইসলামিয়া বেকারী এন্ড বিস্কুট নামের ২ টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বরিশাল চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন বিএসটিআই বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়।

  • বরিশালে অপহরণের চারদিন পর মাদরাসা ছাত্রী উদ্ধার

    বরিশালে অপহরণের চারদিন পর মাদরাসা ছাত্রী উদ্ধার

    বরিশালের গৌরনদী থেকে অপহরণের চারদিন পর এক মাদরাসা ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে ওই মাদরাসা ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন
    বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) (তদন্ত) মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, উপজেলার হোসনাবাদ আলীম মাদরাসার ছাত্রী আয়েশাকে (ছদ্মনাম) (১৪) গত ৮ জুলাই কৌশলে অপহরণ করে ধানডোবা গ্রামের আকাশ সরদার (১৯)। এ ঘটনায় ওই মাদরাসা ছাত্রীর বাবা শুক্রবার থানায় মামলা করেছেন।

    মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক (এসআই) সগীর হোসেন অভিযান চালিয়ে ধানডোবা এলাকা থেকে আয়েশাকে উদ্ধার করে। অপহরণকারী ও তার সহযোগী কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলে জানান ওসি

  • পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৫

    পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৫

    ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

    শুক্রবার র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, র‌্যাব-১ এর সাইবার মনিটরিং সেল কিছুদিন আগে Newseye24.Com নামে একটি নিউজ পোর্টাল শনাক্ত করে। নিউজ পোর্টালটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা যায় যে, নিউজ পোর্টালটি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গুজব সৃষ্টি করে জনমানুষের মধ্যে ভীতি ছড়ানোসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

    অতি সম্প্রতি পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজে মানুষের মাথা লাগবে যা সংগ্রহে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিষাক্ত স্প্রে পার্টির ৪১টি দল বের হয়েছে। যারা স্প্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষের মাথা কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে নিউজ পোর্টাল থেকে একটি ভিত্তিহীন গুজব পোস্ট করা হয়। নিউজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয় এবং জনমনে ভীতি সঞ্চার করে।

    padma

    এ ঘটনায় র‌্যাব-১ গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তি জানতে পারে যে, আকরাম হোসেনকে (৩৩) আশুলিয়ার ইপিজেড রোড সংলগ্ন টঙ্গা বাড়ি এলাকা থেকে মোবাইল ও কম্পিউটারসহ গ্রেফতার করা হয়।

    আকরাম হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে ২০০৫ সালে পাবনার একটি স্থানীয় মাদরাসা থেকে ফাজিল পাস করে। বর্তমানে আশুলিয়ার ইপিজেড এলাকায় একটি হেভি ইকুপমেন্ট মেশিনারিজের দোকানে কর্মরত।

    এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, একইভাবে ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও কয়েকজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

    এদের মধ্যে নড়াইল থেকে মো. শহীদুল ইসলাম (২৫), চট্টগ্রাম থেকে আরমান হোসেন (২০), মৌলভীবাজার থেকে মো. ফারুক এবং কুমিল্লা থেকে হায়াতুন্নবীকে গ্রেফতার করা হয়। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে ফুফাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীর গুরুতর অভিযোগ

    ঝালকাঠিতে ফুফাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীর গুরুতর অভিযোগ

    অনলাইন ডেস্ক :

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ফুফাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মঠবাড়ি ইউনিয়নের পুখরীজনা গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে এমরানের (২৮) নামে মামলা হয়েছে।

    মামলায় বাদী ওই ছাত্রীর বাবা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে এমরান তার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ কথা কারও কাছে না বলার জন্য হুমকিও দেয়। ভিকটিম ও এমরান সম্পর্কে মামাত-ফুফাত ভাইবোন।

    এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন জানান, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টের পর বিষয়টি জানা যাবে। আসামি এমরানক আটক হয়েছে।