Category: প্রশাসন

  • সার্জেন্ট কিবরিয়ার মৃত্যুতে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    সার্জেন্ট কিবরিয়ার মৃত্যুতে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার দুর্ঘটনাজনিত অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শোক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন সার্জেন্ট কিবরিয়ার এই অকাল মৃত্যুতে একটি সুন্দর আগামীর মৃত্যু হয়েছে। শোক বিবৃতিতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ শোকাহত পরিবার ও মরহুমের শুভানুধ্যায়ী সকলের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন
    উল্লেখ্য সার্জেন্ট কিবরিয়ার আহত হওয়ার খবর পেয়ে সোমবার রাতে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ঢাকা মেডিকেলে ছুটে যান। এবং তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।

    সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়। আটক যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানচালক মো. জলিল মিয়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকার মৃত জলিল সিকদারের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্নকাঠী জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। বেলা সোয়া ১২টার দিকে পটুয়াখালীগামী যমুনা গ্রুপের গাড়ি বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ডভ্যানকে (ঢাকা মেট্রো উ-১২-২০৫৪) থামার সংকেত দেন সার্জেন্ট কিবরিয়া।

    কাভার্ডভ্যানটি ট্রাফিকের সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সার্জেন্ট কিবরিয়া একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটির সামনে গিয়ে ফের তাকে থামার সংকেত দেন। কাভার্ডভ্যানচালক জলিল মিয়া এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ধাওয়া করে চালক জলিল সিকদারসহ কাভার্ডভ্যানটি আটক করে।

    এদিকে পুলিশ সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল থেকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • রিফাত হত্যা : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনে মিন্নি

    রিফাত হত্যা : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনে মিন্নি

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনা পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা পৌরসভার মাইঠা এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে পুলিশ লাইনে আনা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

    তিনি জানান, রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ও প্রত্যক্ষদর্শী মিন্নি। তার বক্তব্য রেকর্ড ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনা পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। তবে এ মামলায় তাকে এখন পর্যন্ত আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান পুলিশ সুপার।

    এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্নিকে পুলিশ লাইনে আনার সময় তার সঙ্গে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও এসেছেন। মোবাইল ফোনে পুলিশ লাইন থেকে তিনি জানান, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক অভিযুক্তকে শনাক্ত করার জন্য মিন্নিকে বরগুনার পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। শনাক্তকরণ শেষ হলে মিন্নিকে আবার বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিন্নি বলেন, আমি আমার স্বামী রিফাত শরীফতে ছাড়া কখনও একা একা কলেজে যেতাম না। হত্যাকাণ্ডের দিন সকালেও আমি আমার স্বামীর সঙ্গে কলেজে যাই। কৌশলে আমার স্বামী আমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হওয়ার কথা বলে কলেজ থেকে বাইরে নিয়ে আসে। কিন্তু আমি কলেজ থেকে বের হয়ে বুঝতে পেরে আমার স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে না গিয়ে কলেজে কাজ শেষ না হওয়ায় আমি কলেজের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করি।

    এসময় আমার স্বামী আমার গতিরোধ করতে চাইলেও আমি তা উপেক্ষা করে কলেজে প্রবেশ করি। এরপরই হামলাকারীরা আমার স্বামীকে মারতে মারতে কলেজ থেকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে কুপিয়ে যখম করে।

  • বরিশাল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কিবরিয়ার জন্য কাঁদছেন সহকর্মীরা

    বরিশাল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কিবরিয়ার জন্য কাঁদছেন সহকর্মীরা

    অনলাইন ডেস্ক :

    যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চাপায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ সহকর্মীরা। তারা বলেছেন, গোলাম কিবরিয়ার মৃতুতে পুলিশ বিভাগ যেমনি একজন সৎ, সাহসী ও দক্ষ অফিসার হারিয়েছেন, তেমনি আমরা হারিয়েছি কাছের এক স্বজনকে। যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব নয়।

    কিবরিয়ার সহকর্মীরা তার স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাকে চাপা দেয়া যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চালক মো. জলিল মিয়ার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার কর্মস্থল নগরীর কালীবাড়ি রোড ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয় গিয়ে দেখা যায় পিনপতন নীরবতা

    আজ অফিসে যারা কাজ করছেন তাদের মুখগুলো ছিল বিষাদময়। শোকের আবহ বিরাজ করছিল পুরো কার্যালয়ে। সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া প্রতিদিন দায়িত্ব পালন শেষে যে চেয়ারটিতে বসতেন সেটি খালি পড়ে ছিল। পাশের টেবিলে ভারাক্রান্ত মনে বসে ছিলেন গোলাম কিবরিয়ার সিনিয়র অফিসার ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) সামছুল আলম।

    কথা হয় সামছুল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, গোলাম কিবরিয়া সদালাপী একজন মানুষ ছিলেন। কখনো দায়িত্ব পালনে অবহেলা করতেন না। গোলাম কিবরিয়া নিষ্ঠাবান পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। কারো বিপদে-আপদে বা যেকোনো কাজে যখন তাকে ডাকা হয়েছে তখনই পাওয়া গেছে। কাজকে কষ্ট মনে করতেন না কিবরিয়া। তার বিকল্প পাওয়া মুশকিল। আসলে তার উদাহরণ তিনি নিজেই

    পরিদর্শক সামছুল আলম আরও বলেন, গোলাম কিবরিয়া ২০১৫ সালে পুলিশে যোগ দেন। ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগে যোগ দেন। তার অকাল মৃত্যুতে পুলিশ বাহিনী নিষ্ঠাবান দক্ষ এক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে

    সামছুল আলম আরও বলেন, গোলাম কিবরিয়া চাকরিতে প্রবেশের কয়েক বছরের মাথায় বরিশালে কর্মরত সার্জেন্ট মৌসুমী আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দুই বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সন্তানের নাম ওহি। সার্জেন্ট মৌসুমীকে শোক সইবার শক্তি দেক আল্লাহ

    পরিদর্শক সামছুল আলমের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই ছিলেন গোলাম কিবরিয়ার সহকর্মী এএসআই সানোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়াকে অফিসের সিনিয়র-জুনিয়র সবাই পছন্দ করতেন। তিনি মিষ্টিভাষি ছিলেন। বড় ভালো লোক ছিলেন। তার ব্যবহার ছিল বিনয়ী। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি আমরা।

    কিবরিয়ার আরেক সহকর্মী সার্জেন্ট মশিউর রহমান বলেন, গোলাম কিবরিয়া শুধু সহকর্মী ছিল না, আমারা ভাইয়ের মতো ছিলাম। তার অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কিবরিয়া ও আমার বাড়ি ছিল একই এলাকায়। এ কারণে তার সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক ছিল। এতো তাড়াতাড়ি তার মৃত্যু হবে ভাবিনি। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

    আরেক সহকর্মী সার্জেন্ট মো. টুটুল বলেন, একই সঙ্গে আমাদের চাকরি হয়েছে। চাকরির পর আমাদের একই কর্মস্থলে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। কিবরিয়া অনেক ভালো মানুষ। কোনো সমস্যা হলে সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়তো। বরিশাল নগরীর সবাই তাকে ভালো মানুষ হিসেবে জানতেন।

    গোলাম কিবরিয়ার সিনিয়র সার্জেন্ট মাহাবুব বলেন, কিবরিয়া আমার ছোট ভাইয়ের মতো ছিল। তার আচরণ অত্যন্ত মার্জিত ছিল। যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চালকের কারণে তার জীবন চলে গেল। আমাদের একটাই দাবি ওই চালকের কঠোর শাস্তি হোক। কথাগুলো বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সার্জেন্ট মাহাবুব। এরপর তার চোখ ভিজে যায় পানিতে।

    গোলাম কিবরিয়ার মাগফিরাত কামনা করে সার্জেন্ট মো. রানা বলেন, কিবরিয়া আমার জুনিয়র ছিল। সে সবার সঙ্গে হাসি-খুশি ছিল। তার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে তার উপযুক্ত বিচার চাই আমরা। যাতে ভবিষ্যতে কোনো সার্জেন্টকে কেউ গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করতে না পারে।

    পুলিশের সার্জেন্ট তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার ১০ মিনিট আগে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মুঠোফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। ১২টা ৩৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার সঙ্গে শেষ কথা মনে হয়ে আমার হয়েছিল। কিবরিয়ার মৃতুতে কতটা আঘাত পেয়েছি তা বলে বোঝাতে পারব না। তাকে হারানোর দুঃখ আমাকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

    সার্জেন্ট তারিকুল ইসলাম আরও বলেন, একদিন আগেও যার সঙ্গে কথা বলেছি এখন সে মৃত। আর কোনোদিন তার সঙ্গে কথা হবে না, ভাবতেই কান্না আসে। আমি ঘাতক চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    গতকাল সোমবার সকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্নকাঠি জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালীগামী যমুনা গ্রুপের বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ডভ্যানকে (ঢাকা-মেট্রো-উ-১২-২০৫৪) থামার সংকেত দেন সার্জেন্ট কিবরিয়া।

    কাভার্ডভ্যানটি ট্রাফিকের সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সার্জেন্ট কিবরিয়া একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটির সামনে গিয়ে ফের তাকে থামার সংকেত দেন। কাভার্ডভ্যানচালক জলিল মিয়া এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার দুই পায়ের চারটি স্থান ভেঙে যায় এবং মূত্রথলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ধাওয়া করে চালক জলিল সিকদারসহ কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। সোমবার রাতে জলিল মিয়াকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেন বরিশাল ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম।

    কিবরিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় আনা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিবরিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরপরই তাকে জরুরি বিভাগের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে আইসিইউতে মারা যান গোলাম কিবরিয়া।

  • বরিশালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা

    বরিশালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা

    বাল্য বিয়ের কুফল ও প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের যৌণ নিপিড়নের বিরুদ্ধে সোচ্ছার, জঙ্গী তৎপরতা রুখে দেয়া, মাদক প্রতিরোধ ও মাদক ব্যবসায়িদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে সহযোগিতা করার জন্য স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজ হলরুমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম (বিপিএম)। একইদিন দুপুরে আগৈলঝাড়ার গৈলা সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলরুমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি এ্যাডভোকেট এসএম ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক বীর প্রতীক মহিউদ্দিন মানিক, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রব হাওলাদার, গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, আগৈলঝাড়া থানার ওসি আফজাল হোসেন প্রমুখ। সভায় পুলিশ সুপার শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে নৈতিক শিক্ষা গ্রহনের মাধ্যমে যে কোন সমস্যায় পুলিশী সেবা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা প্রদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহবান জানান।

  • সার্জেন্ট কিবরিয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত,

    সার্জেন্ট কিবরিয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত,

    যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাদ আসর (বিকেল সাড়ে ৫টা) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহীদ শিরু মিয়া মিলনায়তনে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

    বুধবার সকাল ৮টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার জন্মভূমি পটুয়াখালীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন কিবরিয়া।

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া।

    উল্লেখ্য, সোমবার সকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্নকাঠি জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পটুয়াখালীগামী যমুনা গ্রুপের বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ডভ্যানকে (ঢাকা-মেট্রো-উ-১২-২০৫৪) থামার সংকেত দেন সার্জেন্ট কিবরিয়া।

     

    কাভার্ডভ্যানটি সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সার্জেন্ট কিবরিয়া একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটির সামনে গিয়ে ফের তাকে থামার সংকেত দেন। কাভার্ডভ্যানচালক জলিল মিয়া এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার দুই পায়ের ৪টি স্থান ভেঙে যায় এবং মূত্রথলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ধাওয়া করে চালক জলিল সিকদারসহ কাভার্ডভ্যানটি আটক করে।

    কিবরিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিবরিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরপরই তাকে জরুরি বিভাগের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা

    দায়িত্বরত অবস্থায় ট্রাফিক সার্জেন্টকে চাপা দেয়ার ঘটনায় আটক যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানচালক মো. জলিল মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্দর থানায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

    মামলায় চালক মো. জলিল মিয়ার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৭টি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বেপরোয়া গতিতে যান চালানো, সিগন্যাল অমান্য, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, সরকারি সম্পত্তির (মোটরসাইকেল) ক্ষতিসাধন, হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণসহ ৭টি অভিযোগ মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়। আটক যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানচালক মো. জলিল মিয়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকার মৃত জলিল সিকদারের ছেলে।

  • কাভার্ডভ্যানের চাপায় আহত পুলিশ সার্জেন্ট কিবরিয়া আর নেই

    কাভার্ডভ্যানের চাপায় আহত পুলিশ সার্জেন্ট কিবরিয়া আর নেই

    বরিশালে দায়িত্ব পালনকালে কাভার্ডভ্যানের চাপায় আহত পুলিশ সার্জেন্ট কিবরিয়া আর নেই ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ক্যাম্প পুলিশের এএসআই আবদুল খান। সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়। আটক যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানচালক মো. জলিল মিয়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকার মৃত জলিল সিকদারের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্নকাঠী জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। বেলা সোয়া ১২টার দিকে পটুয়াখালীগামী যমুনা গ্রুপের গাড়ি বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ডভ্যানকে (ঢাকা মেট্রো উ-১২-২০৫৪) থামার সংকেত দেন সার্জেন্ট কিবরিয়া।

    কাভার্ডভ্যানটি ট্রাফিকের সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সার্জেন্ট কিবরিয়া একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটির সামনে গিয়ে ফের তাকে থামার সংকেত দেন। কাভার্ডভ্যানচালক জলিল মিয়া এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ধাওয়া করে চালক জলিল সিকদারসহ কাভার্ডভ্যানটি আটক করে।

    এদিকে পুলিশ সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল থেকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • রিফাত হত্যা: সব অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়

    রিফাত হত্যা: সব অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার এজহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন সকল অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। মামলার হাজিরার দিন ধার্য থাকায় সোমবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে যারা জেলহাজতে ছিলেন তাদের জেলহাজতে এবং যারা রিমান্ডে রয়েছেন তাদের রিমান্ডে পাঠায় পুলিশ।

    এ বিষয়ে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শাহজাহান হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মামলার দিন ধার্য থাকায় রিফাত হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১৩ অভিযুক্তকে আজ সকালে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে যারা জেলহাজতে ছিলেন তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং যারা রিমান্ডে ছিলেন তাদের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আগামী ৩১ জুলাই এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

    রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ মামলার এজহারভুক্ত ছয় আসামি এবং হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরও সাতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে ৯ জন রিফাত হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর চারজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন।

  • বরিশালের সেই সার্জেন্টকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে রাজধানীতে প্রেরণ

    বরিশালের সেই সার্জেন্টকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে রাজধানীতে প্রেরণ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চাপায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানচালককে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। তার বাড়ি পটুয়াখালী। আটক কাভার্ডভ্যানচালক জলিল সিকদার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকার মৃত জলিল সিকদারের ছেলে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দফতর) হাবিবুর রহমান খান বলেন, সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছুটা দূরে জিরো পয়েন্ট এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় যমুনা গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যান বরিশাল যাচ্ছিল। বেপরোয়া গতির কারণে সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া কাভার্ডভ্যানটি থামানোর সংকেত দেন। তা অমান্য করে কাভার্ডভ্যানটি দ্রুতগতিতে চালাতে থাকেন চালক। সার্জেন্ট কিবরিয়া মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করে ট্রাকের সামনে গিয়ে পথরোধ করলে কাভার্ডভ্যানটি তাকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অন্যদিকে কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে দ্রুতগতিতে চালক পালিয়ে যায়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান খান আরও বলেন, ঘটনাটি আশপাশের থানা পুলিশকে জানিয়ে দেয়া হলে ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ট্রাক ও ঘাতক চালক জলিল সিকদারকে আটক করে। আহত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর।

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এসএম বাকির হোসেন বলেন, পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার দুই পা গুরুতর জখম হয়েছে। তার পায়ের বেশ কয়েকটি জায়গা ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়াকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

  • সাইমুনের স্বীকারোক্তি, আবারও রিমান্ডে রিফাত ফরাজী

    সাইমুনের স্বীকারোক্তি, আবারও রিমান্ডে রিফাত ফরাজী

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার অভিযুক্ত সাইমুন আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আর এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর তৃতীয় দফায় আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    rifat
    rifat

    এ বিষয়ে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, চতুর্থ দফার রিমান্ড শেষে সাইমুন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাত ফরাজীর তৃতীয় দফায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে আদালত সাইমুনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    rifat

    আলোচিত রিফাত হত্যাকাণ্ড মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এছাড়া রিফাত হত্যাকাণ্ডের এজহারভুক্ত ছয়জন আসামিসহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০ জন অভিযুক্ত রিফাত হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর রিফাত ফরাজীসহ তিন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন।

  • গুরুতর অবস্থায় বরিশাল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ঢাকায় প্রেরণ

    গুরুতর অবস্থায় বরিশাল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ঢাকায় প্রেরণ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চাপায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    barisal2

    এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের চালককে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। তার বাড়ি পটুয়াখালী। আটক কাভার্ডভ্যানচালক জলিল সিকদার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকার মৃত জলিল সিকদারের ছেলে।

    barisal2

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দফতর) হাবিবুর রহমান খান বলেন, সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছুটা দূরে জিরো পয়েন্ট এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় যমুনা গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যান বরিশাল যাচ্ছিল। বেপরোয়া গতির কারণে সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া কাভার্ডভ্যানটি থামানোর সংকেত দেন। তা অমান্য করে কাভার্ডভ্যানটি দ্রুতগতিতে চালাতে থাকেন চালক। সার্জেন্ট কিবরিয়া মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করে ট্রাকের সামনে গিয়ে পথরোধ করলে কাভার্ডভ্যানটি তাকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অন্যদিকে কাভার্ডভ্যানটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে চলে যান চালক।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান খান আরও বলেন, ঘটনাটি আশপাশের থানা পুলিশকে জানিয়ে দেয়া হলে ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ট্রাক ও ঘাতক চালক জলিল সিকদারকে আটক করে। আহত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর।

    barisal2

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এসএম বাকির হোসেন বলেন, পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার দুই পা গুরুতর জখম হয়েছে। তার পায়ের বেশ কয়েকটি জায়গা ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়াকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।